Tag: Primary Education Board

Primary Education Board

  • Murshidabad: বহরমপুরে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল

    Murshidabad: বহরমপুরে চাকরি প্রার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর স্টেডিয়ামে ৩৯ তম রাজ্য বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে, এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রত্য বসু এবং প্রাথমিক পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল উপস্থিত ছিলেন। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলাকালীন মঞ্চের সামনে এসে বিক্ষোভ দেখালেন চাকরিপ্রার্থীরা। উল্লেখ্য রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে তৃণমূল সরকারের প্রাক্তন শিক্ষা মন্ত্রী, পর্ষদ সভাপতি এবং বিধায়ক গ্রেফতার হয়েছেন।

    কী বললেন পর্ষদ সভাপতি(Murshidabad)?

    বহরমপুরে (Murshidabad) পর্ষদের সভাপতি তিনি মঞ্চের নিচে নেমে এসে বিক্ষোভরত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বিপদে ফেলতে চাই না আগামী ১৬ তারিখ সুপ্রিম কোর্টে আমাদের রিপোর্ট দিতে হবে, তার আগে কোনও কিছু করা যাবে না। আমি তো দেশের প্রধানমন্ত্রী ও সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের উপরে যেতে পারি না। টেট মানেই সবাই চাকরি পাবেন না। আপনারা আপনাদের মতো করে মেধার লড়াই করুন। নিয়োগ হবে শূন্যপদের উপর নির্ভর করে। নোটিফিকেশন দেয়ার পর প্রার্থীরা যাঁরা টেট পাস করেছেন তাঁরা আবেদন করতে পারবেন। ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে যোগ্যতার মাধ্যমে চাকরি হবে। টেট পাশ করলেই যে চাকরি পাবেন এরকম কোনও গ্যারান্টি নেই। আবার টেট পাস করার সাথে সাথেই ইন্টারভিউতে ডাকতে হবে এমন কোনও কথা নেই। আমরা বলে দিয়েছি টেট পাশের সার্টিফিকেটটা চাকরির জন্য কোনও গ্যারান্টি সার্টিফিকেট নয়।”

    প্রার্থীদের প্রশ্নের উত্তরে কী বলেন?

    কবে নিয়োগ হবে এই প্রশ্নের উত্তরে রাজ্য প্রাথমিক পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল এদিন প্রার্থীদের বহরমপুরে (Murshidabad) বলেন, “টেটে পাঁচ নম্বর আছে, তার ভিত্তিতে প্রার্থীরা যখন ইন্টারভিউ দেবেন তখন তাঁরা ৫ নম্বর পাবেন। সমস্ত ক্রাইটেরিয়ার মোট নম্বর হচ্ছে ৫০ আর তার উপর ভিত্তি করে মেধা তালিকা তৈরি হবে। মেধার ক্রমাঙ্ক অনুসারে তালিকা তৈরি করা হয়। হাইকোর্ট অথবা সুপ্রিম কোর্টে মামলা যতদিন না মীমাংসা হবে, ততদিন আমরা নিয়োগের পদ্ধতি করতে পারব না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • West Bengal TET: পরের মাসেই টেট, পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে কী কী উদ্যোগ নিয়েছে পর্ষদ?

    West Bengal TET: পরের মাসেই টেট, পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে কী কী উদ্যোগ নিয়েছে পর্ষদ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ১১ ডিসেম্বর হবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা (West Bengal TET)। যে টেট পরীক্ষা ও নিয়োগ নিয়েই একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ, সেই টেট পরীক্ষাই ফের এবছর হতে চলেছে। ফলে এবছরের পরীক্ষাতে স্বচ্ছতা থাকবে কিনা, তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে এবারে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল জানিয়ে দিয়েছেন যে, এবছরের টেট পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনার জন্য নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। উল্লেখ্য, এবছর রাজ্য জুড়ে প্রায় ১৫০০ কেন্দ্রে টেট দেবেন ৬ লক্ষ ৯০ হাজারের বেশি প্রার্থী।

    হাইকোর্টের নির্দেশের পর অপসারিত মানিক ভট্টাচার্যের জায়গায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (Primary Education Board) নতুন সভাপতি হন গৌতম পাল (West Bengal TET)। দায়িত্ব নিয়েই তিনি জানান, ‘এবার প্রতিবছর টেট পরীক্ষা হবে এবং এই ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে।’

    কী কী উদ্যোগ নিয়েছে পর্ষদ?

    ১) এবছর টেট পরীক্ষার জন্য এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে পর্ষদের তরফে (West Bengal TET)। এবারে উত্তরপত্রের কার্বন কপি নিয়ে যেতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, “প্রার্থী যে ওএমআর শিটে পরীক্ষা দেবেন, তার একটা কার্বন কপি নিয়ে যেতে পারবেন। টেটে এই ধরনের ব্যবস্থা আগে কখনও হয়নি।” এর আগে পরীক্ষার নম্বর নিয়ে এত কারচুপি হয়েছে ও ওএমআর শিটের নম্বর নিয়েও বদল করা হয়েছে, ফলে এবারে এই পদক্ষেপ নিতে চলেছে পর্ষদ। যার ফলে পরীক্ষার্থীরা নিজেরাই নম্বর গুণে নিতে পারবেন যে, তাঁরা কত নম্বরের উত্তর ঠিক করে এসেছেন ও কত নম্বর পেতে পারেন।

    ২) জানা গিয়েছে, এবছরে পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রধান বা পরিদর্শকেরা আর ওএমআর শিট এবং প্রশ্নের সিল করা প্যাকেট খুলবেন না। পরীক্ষার্থীরাই তা খুলে নেবেন।

    ৩) এবারে কোনও বেসরকারি ডিএলএড কলেজে টেট পরীক্ষা হচ্ছে না। সমস্ত সরকারি ডিএলএড কলেজ, স্কুল ও অন্যান্য কলেজে এই পরীক্ষা হবে।

    আরও পড়ুন: প্রাথমিক টেটে সুযোগ পাবেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও, জানাল হাইকোর্ট

    ৪) আরও জানা গিয়েছে, এবছরের টেট পরীক্ষার জন্য যেসব কেন্দ্র নির্বাচন করা হয়েছে, পরীক্ষার দিন সেইসব এলাকায় জারি করা হবে ১৪৪ ধারা। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশের এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।

    ৫) আবার পর্ষদ থেকে এও জানানো হয়েছে পরীক্ষার্থী, পর্যবেক্ষক, কারোরই পরীক্ষা হলে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি নেই। ঘড়িও পরতে পারবেন না প্রার্থীরা। সব ঘরে ঘড়ি থাকবে।

    ৬) পর্ষদের তরফে আগেই বলা হয়েছে, এনসিটিই-র গাইডলাইন ও আইন মেনে চলা হবে এই টেট পরীক্ষায়। এছাড়াও নির্বিঘ্নে যাতে টেট পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তার জন্য জেলাশাসক অথবা মহকুমাশাসককে মাথায় রেখে সর্বত্র জেলাভিত্তিক কমিটি গড়া হবে।

    ৭) পর্ষদ থেকে জানানো হয়েছে, পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা দফতর থেকে একটি ১৬ দফা ‘গাইডলাইন’ বা নির্দেশিকা সব জেলায় পাঠানো হচ্ছে। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩০০-র কিছু বেশি প্রার্থীরা বসবেন। প্রতিটি কেন্দ্রে এক বা দু’জন পর্যবেক্ষক থাকবেন। পর্ষদের উপসচিব পার্থ কর্মকার বলেন, “পর্যবেক্ষক হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। যে-স্কুল, কলেজ বা ডিএলএড কলেজে পরীক্ষা হবে, সেখানকার প্রধান শিক্ষক বা অধ্যক্ষ হবেন সেন্টার ইনচার্জ। প্রতিটি কেন্দ্রে এক জন সরকারি অফিসারও ইনচার্জ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।” ডিসেম্বরে টেট পরীক্ষার পর যত দ্রুত সম্ভব ফল ঘোষণা করা হবে বলেও পর্ষদ সূত্রে জানানো হয়েছে (West Bengal TET)।

LinkedIn
Share