Tag: primary teacher

primary teacher

  • Primary Teacher: অবাক কাণ্ড! থানায় লাইন দিয়ে মুচলেকা জমা দিলেন শিক্ষকরা, কেন জানেন?

    Primary Teacher: অবাক কাণ্ড! থানায় লাইন দিয়ে মুচলেকা জমা দিলেন শিক্ষকরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘সিলেকশান কমিটিতে কোনও আত্মীয় ছিলেন না’, এই মর্মে প্রাথমিক শিক্ষকদের থেকে হলফনামা নিচ্ছে পুলিশ। ২০১২ সালে নিয়োগ পাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের ৩,৯২৪ জন প্রাথমিক শিক্ষককে দ্রুত এই হলফনামা স্থানীয় পুলিশ স্টেশন ও প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিলের অফিসে জমা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরেই জেলার ২১টি থানায় লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের এই হলফনামা জমা দিতে দেখা গিয়েছে।

    থানায় লাইন দিয়ে হলফনামা জমা দেওয়া নিয়ে কী বললেন প্রাইমারি শিক্ষক?

    আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৯ সালের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ২০১২ সালে প্রাথমিকে ঢালাও শিক্ষক নিয়োগ হয় রাজ্য জুড়ে। সেই নিয়োগে সিলেকশন কমিটিতে প্রার্থীদের আত্মীয়দের থাকার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন মৃণাল কান্তি মাইতি নামে এক ব্যক্তি। সেই মামলার সূত্র ধরেই ২০১২ সালের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের থেকে হলফনামা চায় জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল। ৪ আগষ্টের মধ্যে এই হলফনামা জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আচমকাই পুলিশের তরফ থেকেও ওই শিক্ষকদের ফোন করে থানাতেও হলফনামা জমা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই শুরু হয়েছে চাপানউতোর। জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, জেলা শাসকের থেকে নির্দেশ পাওয়ার পরেই পুলিশের তরফ থেকেও  মুচলেকা জমা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। থানায় লাইন দিয়ে হলফনামা জমা প্রসঙ্গে এক শিক্ষক বলেন, মনে হচ্ছে আমরা কোনও অপরাধ করেছি। অন্য এক শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষা দফতর থেকে পুলিশের কাছে মুচলেকা জমা দেওয়ার কোনও নির্দশ নেই। কিন্তু আচমকা পুলিশের ফোন পেয়ে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এখন নির্দেশ মেনেই আমরা হলফনামা জমা দিয়েছি।’

    কি রয়েছে এই হলফনামায়?

    জেলা প্রাইমারি স্কুল কাউন্সিল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হলফনামায় নিজের নাম পরিচয় উল্লেখ করার পাশাপাশি ৩টি পয়েন্টের উল্লেখ করতে হচ্ছে। যেখানে ওই শিক্ষকদের জানাতে হচ্ছে, ‘আমি পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক স্কুল কাউন্সিলের ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ২০১২ সালে চাকরি প্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষক। ইন্টারভিউ বোর্ড বা সিলেকশন কমিটির এক বা একাধিক সদস্য আমার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয় এবং আমি ঘোষণা করছি, আমার দেওয়া বিবরণ মিথ্যা বা ভুল হলে আমার নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং আমি প্যানেল কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থার জন্য দায়ী থাকব’। স্ট্যাম্প পেপারে এই হলফনামাটি লিখে এফিডেভিটের পর তা জেলা স্কুল কাউন্সিলে জমার পাশাপাশি প্রত্যয়িত কপি থানায় জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০১২ সালে প্রথমবার বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। এই পরীক্ষায় বেসিক পাশ না থাকাদেরও বসতে সুযোগ দেওয়া হয় এবং ওই বছর বিপুল পরিমাণে নিয়োগ হয় রাজ্যে। যার মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর শীর্ষস্থানে ছিল বলে খবর। পরে এনসিইআরটি’র গাইডলাইন মেনে এই সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষকদের বাধ্যতামূলক ভাবে উচ্চমাধ্যমিকে ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে নতুন করে পাশ করতে হয় এবং ডিএড পাশ করে সেই সার্টিফিকেটও জমা করতে হয় সংসদে। এবার নতুন করে এই সমস্ত শিক্ষকদের হলফনামা দেওয়া নিয়েই জল্পনা শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: টেট পাশের নথি দেখাতে পারেননি! ৯৪ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের 

    Recruitment Scam: টেট পাশের নথি দেখাতে পারেননি! ৯৪ জন শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ হাইকোর্টের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে নিয়োগ (Recruitment Scam) হওয়া ৯৪ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল কলকাতা হাইকোর্ট। তার পরিবর্তে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। একই সঙ্গে ২০১৬ এবং ২০২০ সালের টেটের মেধা তালিকা নম্বর সহ প্রকাশ করার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অতা সিনহা। ওই মেধা তালিকা ৩ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।  

    আদালতের নির্দেশ

    মঙ্গলবার প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। আদালতের নির্দেশেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ কোর্টে জানায় যে, ৯৬ জনকে নথি যাচাইয়ের জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৯৪ জন টেট পাশের প্রমাণ দেখাতে পারেননি। এদিন মামলার শুনানিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডকে (ডব্লিউবিবিপিই) ভবিষ্যতে নিয়োগের পদ্ধতিতে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও চাকরি দেওয়া হয়নি এমন প্রার্থীদের একটি সুযোগ দেওয়ার কথা বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি সিনহা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে বলেন, ‘এই প্রার্থীরা বেকার। তাঁরা মনে করেন যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও নিয়োগ না পেয়ে তাঁদের সঙ্গে প্রতারিত করা হয়েছে। তাই আপনাদের অবশ্যই তাঁদের বিষয়টি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করা উচিত।’

    রাজপথে বিক্ষোভ

    এদিনই ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণরা আজ কলকাতার রাজপথে বিক্ষোভ করেন। তাঁদের অভিযোগ, ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণদের ইন্টারভিউ না নিয়ে নতুন টেট ঘোষণা করা হয়েছে। আগে তাঁদের নিয়োগ করতে হবে। এই দাবিতে প্রার্থীরা এপিসি ভবনের দিকে গেলে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। এ নিয়ে উত্তেজনা তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: কামদুনিকাণ্ডের শেষ দেখতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ টুম্পা-মৌসুমীরা, ফের নিশানা রাজ্যকে

    অভিষেকের নথি প্রসঙ্গ

    এদিন বিচারপতি সিনহার এজলাসে নজর ছিল অভিষেকের নথি জমার দিকেও। ইডি-র কাছে নথি জমা দেওয়ার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। নির্দেশ ছিল, যে ভাবে হোক এই দিনের মধ্যেই নিজের এবং দুর্নীতিতে নাম জড়ানো বেসরকারি সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের লেনদেন সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও নথি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটির কাছে জমা দিতে হবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। কিন্তু মঙ্গলবার বিকেলে বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে ইডি-র আইনজীবী দাবি করেন, নথির কোনও প্রতিলিপি (হার্ড কপি) তাঁরা পাননি। তবে ই-মেল মারফত নথি (সফ্‌ট কপি) পাঠানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি। উল্টো দিকে, অভিষেকের আইনজীবী সঞ্জয় বসুর দাবি, এ দিন সন্ধ্যাতেই রিপোর্ট জমা পড়েছে ইডি-র কাছে। এ দিন ইডি এবং সিবিআই, দুই তদন্তকারী সংস্থাই মুখবন্ধ খামে  তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: এই বছরেই হবে টেট! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার তারিখ এবং নিয়ম জানাল পর্ষদ

    Primary TET: এই বছরেই হবে টেট! প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষার তারিখ এবং নিয়ম জানাল পর্ষদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রাথমিকের টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (Primary Education Board)সভাপতি গৌতম পাল সাংবাদিক বৈঠক করে টেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা করলেন।  তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১০ ডিসেম্বর এ বছরের টেট পরীক্ষার আয়োজন করা হবে। এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি পর্ষদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে বুধবারই। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে আবেদন করার সময় শুরু হচ্ছে। তিন সপ্তাহ সময় থাকবে প্রার্থীদের কাছে। কারও পেমেন্টের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা থাকলে সময়সীমা আরও একদিন বর্ধিত করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াই হবে অনলাইনে।

    কারা কারা পরীক্ষায় বসতে পারবেন

    পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে টেটের দিন ঘোষণার বিজ্ঞপ্তি খবরের কাগজগুলিতে প্রকাশিত হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পর্ষদের ওয়েবসাইটে গিয়ে টেটের ফর্ম পূরণ করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বিএড যাঁরা করেছেন, তাঁরা এ বছর টেটে (TET 2023) বসতে পারবেন না। তবে ডিএলএড-সহ প্রাথমিক শিক্ষকের অন্য প্রশিক্ষণ যাঁরা নিয়েছেন, তাঁরা টেট দিতে পারবেন। তা ছাড়া, গত বছরের টেটে যাঁরা অকৃতকার্য হয়েছিলেন, তাঁরাও নতুন করে এ বছর ফর্ম পূরণ করতে পারবেন। ২০২১-২৩ সালের ডিএলএড পরীক্ষার প্রথম পর্ব সম্পন্ন হয়েছে, সে কথাও বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে জানান পর্ষদ সভাপতি। ১৫০টি কেন্দ্রে প্রায় ৩৭ হাজার পরীক্ষার্থী ছিলেন। এই পরীক্ষার যাবতীয় প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেরলে নিপা আতঙ্ক! মৃত ২, পৌঁছল কেন্দ্রীয় দল, ৭টি গ্রামকে ‘কনটেনমেন্ট জোন’ ঘোষণা

    পরীক্ষার নানা নিয়ম

    এদিন গৌতম পাল বলেন, ‘আগের বছরের নিয়মেই এবার পরীক্ষা নেওয়া হবে।’ পরীক্ষার্থীদের একটা সিল করা খাম দেওয়া হবে যার মধ্যেই থাকবে প্রশ্নপত্র এবং ওএমআর শিট। পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্র বাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মূল ওএমআর শিটের নীচে একটি ডুপ্লিকেট শিট থাকবে। মূল ওএমআর শিটে উত্তর মার্ক করলে যার ছাপ পড়বে ডুপ্লিকেট শিটেও। ওই শিটটিও বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্রেই ভিডিও রেকর্ডিং-এর ব্যবস্থা থাকবে। টেট দুর্নীতি সামনে আসার পরই একাধিক বিষয় নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল পর্ষদকে। ‘অযোগ্য’দের টাকার বিনিময়ে চাকরি করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। সিবিআই-ইডি, এই দুর্নীতির তদন্ত করছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ৮২ পেলেই টেট পাশ! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল হাইকোর্ট

    Justice Abhijit Ganguly: ৮২ পেলেই টেট পাশ! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট পরীক্ষায় পাশের নম্বর নিয়ে আপাতত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Gangopadhyay) রায় বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। টেট মামলায় (TET case) ৮২ না ৮৩, কত নম্বরকে টেট পাশের জন্য গণ্য করা হবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। ওই মামলায় ৮২ নম্বর প্রাপ্তদের উত্তীর্ণ হিসাবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে সেই রায়-এ হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। বুধবার এমনটাই জানাল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সংরক্ষিত প্রার্থীদের দাবি ছিল, ১৫০-এর মধ্যে ৮২ নম্বর পেলেই পাশ বলে গণ্য করতে হবে ও মূল পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। সেই আর্জিকে মান্যতা দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন কয়েকজন টেট প্রার্থী। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির মতের অমিল হওয়ায় মামলা যায় তৃতীয় বেঞ্চে। এবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। টেট পরীক্ষা হয় ১৫০ নম্বরে। তার মধ্যে ৮২ পেলে শতাংশের বিচারে তা হয় ৫৪.৬৭ শতাংশ। ৫৫ শতাংশ পেলে তবেই উত্তীর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয় সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের। এ ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী, ৫৪.৬৭ শতাংশকে ৫৫ বলেই ধরা হবে। সে কারণেই সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের দাবি ছিল, ৮২ পেলেই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হোক। 

    আরও পড়ুন: উত্তর দিনাজপুরে বিএড, ডিএলএড কলেজ বন্ধের হুমকি কেন দিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী?

    বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এই রায় তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এর আগে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে রায় দ্বিধা বিভক্ত হয়। বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের মত ছিল, ১৫০ এর মধ্যে ৮২ পেলেই টেট উত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা সম্ভব। আর বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের মত ছিল, ৮২.৫ পেলে তবেই প্রার্থীদের টেট উত্তীর্ণ বলে উল্লেখ করা হবে। এরপর মামলা যায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। এদিন তিনি যে রায় দিয়েছিলেন এরপর প্রার্থীদের টেটে বসার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা রইল না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Posting Scam: বদলিতে কারচুপি! ৫০ জন প্রাথমিক শিক্ষককে নিজামে তলব সিবিআই-এর

    Primary Posting Scam: বদলিতে কারচুপি! ৫০ জন প্রাথমিক শিক্ষককে নিজামে তলব সিবিআই-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বদলি বা পোস্টিং ‘দুর্নীতি’ মামলায় ৫০ জন প্রাথমিক শিক্ষককে তলব করল সিবিআই। সোমবার নিজাম প্যালেসে তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, পোস্টিং দুর্নীতি মামলায় চলতি সপ্তাহে মোট ৪০০ জন শিক্ষককে ধাপে ধাপে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এরপর হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেবে সিবিআই।  

    সিবিআই দফতরে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ

    সোমবার নিজাম প্যালেসে ৫০ জন শিক্ষককে ডেকে পাঠিয়েছে সিবিআই। এদিন সকাল থেকে একের পর এক শিক্ষক নিজাম প্যালেসে (Nizam Palace) সিবিআই দফতরে পৌঁছতে শুরু করেছেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, এই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এঁদের সবার জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। সিবিআই সূত্রে বলা হচ্ছে, আদালতের নির্দেশে এবার বদলি দুর্নীতির তদন্তও শুরু করতে চলেছেন তাঁরা। তাঁদের কাছে চারশ জন শিক্ষকের তালিকা রয়েছে। যাঁরা টাকা দিয়ে পছন্দমতো জেলা বা মহকুমায় বদলি নিয়েছেন বলে অভিযোগ। সিবিআই সূত্রে বলা হচ্ছে, শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রেও কোনও চক্র কাজ করছিল কিনা, কারা মিডলম্যান ছিল তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই চক্রের বিস্তার দফতরের মন্ত্রী পর্যন্ত ছিল কিনা তাও তদন্ত করে দেখবে সিবিআই।

    আরও পড়ুন: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    আদালতের নির্দেশেই জিজ্ঞাসাবাদ 

    কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই পোস্টিংয়ের মামলায় সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর আগে, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে পোস্টিং ‘দুর্নীতি’ মামলায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। সেই জিজ্ঞাসাবাদের ভিডিয়ো রেকর্ড আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। হাইকোর্টের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যান মানিক। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাঁর ভিডিয়ো ফুটেজ পেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। কিন্তু তদন্তে বাধা দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। তাই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় সিবিআইকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। পোস্টিং দুর্নীতিতে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের মুখে শোনা গিয়েছিল ডিজাইনড কোরাপশনের কথা। এর পর সেই মামলায় ইডিকেও যুক্ত করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি। প্রযোজনে যে শিক্ষকদের পোস্টিং নিয়ম মেনে হয়নি বলে অভিযোগ, সেই শিক্ষকদেরও ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে বলে জানিয়ে দেয় আদালত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের চাকরি বাতিলের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    Calcutta High Court: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের চাকরি বাতিলের রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩২ হাজার প্রাথমিক (Primary) শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। শুক্রবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের ওই রায়ে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঞ্চের নির্দেশ, আগামী সেপ্টেম্বর কিংবা আদালত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ কার্যকর থাকবে। ডিভিশন বেঞ্চের এও নির্দেশ, নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই মেনে চলতে হবে। এদিন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে আদালত অগাস্ট মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে বলেছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে সেপ্টেম্বরে।

    নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন চাকরিহারারা?

    প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এই মামলার রায় দিতে গিয়ে বিচারপতি (Calcutta High Court) গঙ্গোপাধ্যায় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় এও জানিয়েছিলেন, চাকরিহারারা আপাতত চার মাস স্কুলে যেতে পারবেন। তবে বেতন পাবেন পার্শ্বশিক্ষকদের মতো। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সকলেই অংশ নিতে পারবেন বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট।

    ইন্টারভিউ পাশ করতে হবে

    ২০১৬ সালে রাজ্যের প্রাথমিক স্কুলগুলিতে নিয়োগ করা হয়েছিল ৪২ হাজার ৫০০ জনকে। এঁদের মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৬ হাজার ৫০০ জনকে নিয়ে প্রথম থেকেই কোনও বিতর্ক নেই। গত শুক্রবার বাকি ৩৬ হাজার প্রশিক্ষণহীন শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দেন বিচারপতি (Calcutta High Court) গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি জানান, নতুন করে ইন্টারভিউ পাশ করলে তাঁরা চাকরি ফিরে পাবেন, না হলে খোয়াতে হবে চাকরি। সোমবার মামলাকারীদের আইনজীবী আদালতে জানান, প্রশিক্ষণহীন প্রার্থীর আসল সংখ্যা ৩০ হাজার ১৮৫, ৩৬ হাজার নয়। লেখায় ভুল হয়েছিল।

    আরও পড়ুুন: অভিষেককে তলব সিবিআইয়ের, হাজিরা শনি-সকালেই

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের প্রাথমিকে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে মামলা করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা নস্কর সহ ১৪০ জন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের তরফে আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতে (Calcutta High Court) জানান, মামলাকারীদের থেকে কম নম্বর পেয়ে চাকরি পেয়েছিলেন অনেক প্রশিক্ষণহীনই। ইন্টারভিউ বির্তক প্রসঙ্গও ওঠে। তরুণজ্যোতি বলেন, “আমাদের বক্তব্য ছিল পক্ষপাত হয়েছে, ইন্টারভিউ অ্যাপ্টিটিউডের নম্বরে গোলমাল হয়েছে। রিজার্ভেশন রোস্টার মানা হয়নি। সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দিয়েছিল, সবটা মেনে করতে হবে। সেই রায় বহাল থাকছে। তবে যাঁরা চাকরিহারা হন, যাঁদের মামলা প্যারাটিচারদের মতো হয়ে যাওয়ার কথা ছিল, ডিভিশন বেঞ্চ তাতে স্টে দিলেন ঠিকই, বোর্ডকে প্রসেসটা চালিয়ে যাওয়ার কথাও বললেন। অর্থাৎ সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ে ইন্টারফেয়ার করলেন না”।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ‘‘ঢাকি সমেত বিসর্জন’’! ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Calcutta High Court: ‘‘ঢাকি সমেত বিসর্জন’’! ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি খোয়ালেন ৩৬ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক। কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে চাকরি গিয়েছে এঁদের। এঁরা সকলেই ২০১৪ সালের টেট (TET) পরীক্ষার মাধ্যমে নিযুক্ত হয়েছিলেন। এঁরা অপ্রশিক্ষিতও। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়, এঁরা আগামী চার মাস স্কুলে যেতে পারবেন। তবে বেতন পাবেন প্যারা টিচার হিসেবে। রাজ্যকে তিন মাসের মধ্যে নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করে শেষ করতে হবে। তিনি জানান, যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁরা ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষণ নিয়ে থাকলে নয়া নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে অনেক ক্ষেত্রেই চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। তবে এত বিপুল পরিমাণ চাকরি আগে বাতিল হয়নি।

    কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা বিজেপি নেতার…

    টেটের মাধ্যমে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে ন’ বছর আগে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) মামলা করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি। তবে তিনি বলেছিলেন, “এই প্যানেলের ৪২ হাজার ৫০০ জনের নিয়োগ হয়েছিল। তবে সবাই যে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন, তা নয়। কেউ কেউ পরীক্ষা দিয়ে মেধার ভিত্তিতেও চাকরি পেয়েছেন।” তিনি বলেছিলেন, “যাঁরা বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের বিষয়ে তদন্ত করা হোক। তার পরেই এই মামলার তদন্তভার সিবিআইকে দেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।”

    ওই বছর চাকরি না পেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ১৪০ জন অপ্রশিক্ষিত চাকরি প্রার্থী। তাঁদের দাবি, সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে যে নম্বর বিভাজন সহ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেই তালিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁদের থেকে কম নম্বর পেয়েও অনেক অপ্রশিক্ষিত প্রার্থী চাকরির সুপারিশপত্র পেয়েছেন। তার পরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় (Calcutta High Court) জানিয়েছিলেন, ২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরো প্যানেল বাতিল করে দেবেন। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, “আমি ঢাকি সমেত বিসর্জন দিয়ে দেব।”

    আরও পড়ুুন: প্রথমবার অফিসিয়াল স্টেট ভিজিটে আমেরিকা যাচ্ছেন মোদি, জানুন সফরের গুরুত্ব

    এদিন যাঁরা চাকরি খোয়ালেন তাঁরা ছিলেন ৪২ হাজার ৫০০ জনের মধ্যেই। এঁরা যে সময় টেট দিয়েছিলেন, সেই সময় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন পলাশিপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য। পরে তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারিত করা হয়। সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়েছিল, ওএমআর শিট জালিয়াতিতে আসল মাস্টারমাইন্ড মানিকই। দেখা গেল, তাঁর সময়ে হওয়া টেটের মাধ্যমে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে থেকেই চাকরি গেল ৩৬ হাজার জনের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share