Tag: primary teacher recruitment case

primary teacher recruitment case

  • Primary Teacher Recruitment Case: ফের জটিলতা! প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশের পরই মামলা হাইকোর্টে

    Primary Teacher Recruitment Case: ফের জটিলতা! প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশের পরই মামলা হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জন্য বুধবার প্যানেল প্রকাশ করেছিল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। সেই প্যানেল সংক্রান্ত নোটিফিকেশনকে চ্যালেঞ্জ করে এবার মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। শুক্রবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কেন ফের মামলা

    সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ২০২২ সালের নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ১১ হাজার ৭৫৮টি শূন্যপদের মধ্যে ৯ হাজার ৫৩৩ পদে শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রার্থীদের মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সাড়ে ন’হাজার পদে নিয়োগের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা দায়েরের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুমন্ত কোলে-সহ ১০ জন চাকরিপ্রার্থী সেই মামলা করতে চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, বিএড ডিগ্রি নিয়োগের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য না হলেও ডিএলএড ডিগ্রি থাকা চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে। বিএড এবং ডিএলএড দুই ডিগ্রি থাকা চাকরিপ্রার্থীরা আদালতের দারস্থ হয়েছে। বিএড গ্রহণ না করা হলেও ডিএলএড ডিগ্রিকে গুরুত্ব দিয়ে কেন তাদের প্যানেলে যুক্ত করা হল না? প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করেছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুুন: ‘লাখপতি দিদি’ যোজনা চালু করছে মোদি সরকার, কারা পাবেন সুযোগ?

    মামলাকারীদের দাবি

    মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের দাবি, যখন ২০২২ সালের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, তখন জানানো হয়েছিল যে, ডিএলএডের পাশাপাশি বিএড ডিগ্রিধারীরাও প্রাথমিক শিক্ষক পদে চাকরির জন্য ফর্ম ফিলআপ করতে পারবেন। মামলাকারী ১০ জন চাকরিপ্রার্থীর বিএড এবং ডিএলএড, উভয় ডিগ্রিই রয়েছে। কিন্তু তাঁদের বিএড-এ প্রাপ্ত নম্বর বেশি হওয়ায়, তাঁরা সেই নম্বর ব্যবহার করে ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন। আর সেই কারণেই প্যানেলে তাঁদের নাম নেই। অথচ তাঁদের কাছে ডিএলএডের ডিগ্রিও রয়েছে। তাই তাঁদের নামও প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করার আর্জি জানিয়ে বৃহস্পতিবার তাঁরা কলকাতা হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়, আদালতে কী বলল সিবিআই?

    Calcutta High Court: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়, আদালতে কী বলল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় নয়া মোড়। ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ বলে যা বলা হচ্ছে, তা আদতে একটি স্ট্যাম্প। এর আড়ালেই হত অবৈধ নিয়োগ। মঙ্গলবার এই মামলায় মুখবন্ধ খামে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই মর্মে রিপোর্ট জমা দিল সিবিআই এবং ইডি। তার পরেই খুলেছে নিয়োগ কেলেঙ্কারির একের পর এক পরত।

    কী জানাল সিবিআই?

    আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে সিবিআই জানিয়েছে, ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানির কোনও অনুমোদন ছিল না। রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে অনলাইন পোর্টাল করা হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। এমনকী সংস্থায় কোনও কর্মীই নেই। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার যাবতীয় নথি নষ্ট করা হয়েছে।’ প্রসঙ্গত, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ওএমআর শিট দেখার পর নম্বর দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল এই এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকেই। এই কোম্পানির দুই কর্মী কৌশিক মাজি ও পার্থ সেনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল।

    ‘সিঙ্গল রোল নম্বরে মাল্টি রেজিস্ট্রেশন’

    আদালতে (Calcutta High Court) জমা দেওয়া সিবিআই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ‘সিঙ্গল রোল নম্বরে মাল্টি রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছিল যাতে আসল পরীক্ষার্থীকে চিহ্নিত করা না যায়। অয়ন শীল ওএমআর কেলেঙ্কারিতে অন্যতম অভিযুক্ত। তিনি এখন জেলে রয়েছেন। তাঁকে গিয়ে জেরা করেছে সিবিআই। ১৭টি পুরসভায় দুর্নীতি করে নিয়োগ করেছে অয়ন।’ আদালতে সিবিআই জানিয়েছে, ‘২০২২ সাল পর্যন্ত চাটার্ড অ্যাকাউন্ট ফার্ম হিসেবে নথিভুক্ত ছিল এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি। তার পরেই বেশ কিছু বিষয় এই কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত হয়। এই কোম্পানিকে সামনে রেখেই চলছিল দুর্নীতি। বোর্ডের কর্মীরাও যুক্ত ছিল এই দুর্নীতির সঙ্গে। কার ওএমআর শিট, সেটা যাতে কেউ বলতে না পারে, সেভাবেই করা হয়েছিল দুর্নীতির পরিকল্পনা।’

    আরও পড়ুুন: “মুষল পর্ব চলছিলই, সেটা প্রকাশ্যে এল”, তৃণমূলকে নিশানা দিলীপের

    সিবিআইয়ের পাশাপাশি নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্ত-রিপোর্ট জমা দিল ইডিও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র সাড়ে ৭ কোটির ৮টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বুধবার ইডির যুগ্ম অধিকর্তাকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিচারপতি সিনহার নির্দেশ, “চিকিৎসকদের নিয়ে একটি টিম গঠন করবে ইডি, যাঁরা সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠস্বরের নমুনা টেস্ট করতে পারবেন।” এর পরেই কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসককেও বুধবার আদালতে (Calcutta High Court) উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

LinkedIn
Share