Tag: Primary TET

Primary TET

  • TET: ১৮ মাসের প্রশিক্ষিতরা বসতে পারবেন না প্রাথমিক টেটে, নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    TET: ১৮ মাসের প্রশিক্ষিতরা বসতে পারবেন না প্রাথমিক টেটে, নির্দেশ বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণভাবে ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ হয় দু’বছরের। তবে ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুল’ থেকে ‘ওপেন এন্ড ডিসট্যান্স লার্নিং মোড’-এ এই কোর্স ১৮ মাসের হয়ে যায়। সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যে জানিয়েছে যে, ১৮ মাসের ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ যারা নিয়েছেন তাঁরা নতুনভাবে কোনও রকমের প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় (TET) অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। শুধুমাত্র যাঁরা পূর্ণসময়ের এই প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাঁরাই যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। সুপ্রিম নির্দেশ মেনে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে এবার সিদ্ধান্ত নিতে বললেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। জানা যাচ্ছে, ১৮ মাসের ডিএলএড-এর প্রশিক্ষণ নিয়ে পরীক্ষায় বসতে চান এমন পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার।

    বিচারপতি কী নির্দেশ দিলেন এদিন?

    বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় এদিন নির্দেশ দেন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে আগামী ৪ জানুয়ারির মধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে তা কোর্টে জানাতে হবে। প্রসঙ্গত ২০১৪ সালের টেট (TET) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে। সেটাই ছিল শেষ টেট পরীক্ষা যেখানে অপ্রশিক্ষিতরাও বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। প্রশিক্ষণ ছাড়া নিয়োগ প্রসঙ্গে তখন রাজ্য সরকারের যুক্তি ছিল যে নিয়োগ হওয়ার পরে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ করিয়ে দেওয়া হবে। সেইমতো ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুল’ থেকে প্রচুর চাকরিরত শিক্ষক ডিএলএড-এর  ১৮ মাসের প্রশিক্ষণ নেন। সমস্যা দেখা দেয় যখন তাঁরাই আবার প্রাথমিক টেটে ১৮ মাসের ডিএলএড-কে যোগ্যতা দেখিয়ে আবেদন করতে থাকেন।

    মামলার জল গড়ায় কোর্টে

    এরপরেই ২ বছরের পূর্ণ সময়ের ডিএলএড প্রার্থীদের একাংশ দ্বারস্থ হয় আদালতে। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই সুপ্রিম নির্দেশকে পালন করার কথা এদিন বলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, প্রাথমিকে শিক্ষক (TET) নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অনিয়মের অভিযোগ জমা পড়েই চলেছে কোর্টে, কখনও প্রশ্ন ভুল থাকার অভিযোগ, কখনও বা আবার অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ। এসবের মাঝে নতুন করে এবার প্রশিক্ষণ (TET) নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিল কোর্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Ganguly: ৮২ পেলেই টেট পাশ! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল হাইকোর্ট

    Justice Abhijit Ganguly: ৮২ পেলেই টেট পাশ! বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায় বহাল রাখল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টেট পরীক্ষায় পাশের নম্বর নিয়ে আপাতত বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Gangopadhyay) রায় বহাল রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। টেট মামলায় (TET case) ৮২ না ৮৩, কত নম্বরকে টেট পাশের জন্য গণ্য করা হবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। ওই মামলায় ৮২ নম্বর প্রাপ্তদের উত্তীর্ণ হিসাবে গণ্য করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। এই মুহূর্তে সেই রায়-এ হস্তক্ষেপ করবে না আদালত। বুধবার এমনটাই জানাল কলকাতা হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    সংরক্ষিত প্রার্থীদের দাবি ছিল, ১৫০-এর মধ্যে ৮২ নম্বর পেলেই পাশ বলে গণ্য করতে হবে ও মূল পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে। সেই আর্জিকে মান্যতা দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন কয়েকজন টেট প্রার্থী। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চের দুই বিচারপতির মতের অমিল হওয়ায় মামলা যায় তৃতীয় বেঞ্চে। এবার বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশই বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। টেট পরীক্ষা হয় ১৫০ নম্বরে। তার মধ্যে ৮২ পেলে শতাংশের বিচারে তা হয় ৫৪.৬৭ শতাংশ। ৫৫ শতাংশ পেলে তবেই উত্তীর্ণ বলে চিহ্নিত করা হয় সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের। এ ক্ষেত্রে নিয়ম অনুযায়ী, ৫৪.৬৭ শতাংশকে ৫৫ বলেই ধরা হবে। সে কারণেই সংরক্ষিত আসনের প্রার্থীদের দাবি ছিল, ৮২ পেলেই পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হোক। 

    আরও পড়ুন: উত্তর দিনাজপুরে বিএড, ডিএলএড কলেজ বন্ধের হুমকি কেন দিলেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী?

    বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এই রায় তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। এর আগে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে রায় দ্বিধা বিভক্ত হয়। বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের মত ছিল, ১৫০ এর মধ্যে ৮২ পেলেই টেট উত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা সম্ভব। আর বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের মত ছিল, ৮২.৫ পেলে তবেই প্রার্থীদের টেট উত্তীর্ণ বলে উল্লেখ করা হবে। এরপর মামলা যায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। এদিন তিনি যে রায় দিয়েছিলেন এরপর প্রার্থীদের টেটে বসার ক্ষেত্রে কোনও সমস্যা রইল না বলেই মনে করা হচ্ছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির অজস্র প্রমাণ! হাইকোর্টে খারিজ জীবনকৃষ্ণের জামিনের আবেদন

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির অজস্র প্রমাণ! হাইকোর্টে খারিজ জীবনকৃষ্ণের জামিনের আবেদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha)  জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট  (Calcutta High Court)। মঙ্গলবার এই নির্দেশ দেয় বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ। রায়দানের সময় বিচারপতি বলেন, “জীবনকৃষ্ণ সাহার বিরুদ্ধে যে যে তথ্য প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে, তার ভিত্তিতে এই মুহূর্তে জামিনের আবেদন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়।” যার ফলে আপাতত জেলেই থাকতে হবে জীবনকে।

    প্রমাণ পেশ করল সিবিআই

    নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) গত ১৭ এপ্রিল জীবনকৃষ্ণ সাহাকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তার পর সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন তিনি। নিয়োগ দুনীর্তির তদন্ত করতে গিয়ে বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবন প্রচুর তথ্য আসে সিবিআই-এর হাতে। তাঁর মুর্শিদাবাদাদের বাড়িতে প্রায় ৬৫ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। প্রচুর নথিও উদ্ধার হয় তাঁর বাড়ি থেকে। সিবিআই-এর দাবি টাকার বিনিময়ে বহু অযোগ্য ব্যক্তিকে শিক্ষকের চাকরি করে দিয়েছিলেন জীবনকৃষ্ণ। গত ১৫ জুলাই তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধেসাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। চার্জশিটে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা, ঘুষ নেওয়ার মতো অভিযোগের পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। চার্জশিটে নাম রয়েছে জীবনকৃষ্ণ সাহার এজেন্ট সুব্রত সামন্ত রায়েরও।

    আরও পড়ুন: “শীঘ্রই আপনার পরিবারের কোনও সদস্য যদি ভিতরে ঢুকে যায়?” মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন সুকান্তর

    জেলেই জীবন

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ব্যাংকের লেনদেন নজর রাখলেই বোঝা যায় যে নিয়োগ দুর্নীতিতে (Recruitment Scam) জীবনকৃষ্ণ সাহার প্রত্যক্ষ ভূমিকা আছে। তিনি একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। সিবিআইয়ের তরফে জীবনকৃষ্ণের বিরুদ্ধে মেলা সমস্ত প্রমাণ কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। আর সেই প্রামাণ্য নথি খতিয়ে দেখে জীবনকৃষ্ণের জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। তিনি জানিয়ে দেন, ওঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ দুর্নীতির এত প্রমাণ মেলার পর জামিন কোনওভাবেই সম্ভব নয়। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যে জামিন পেয়েছেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী, নাইসার আধিকারিক নিলাদ্রি দাস। তবু শিঁকে ছিঁড়ল না তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার ভাগ্যে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Primary TET: ২০১৪ সালে চাকরি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি তলব সিবিআইয়ের

    Primary TET: ২০১৪ সালে চাকরি পাওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের নথি তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে টেট (Primary TET) পাশ করে যাঁরা চাকরি পেয়েছিলেন, তাঁদের সম্পর্কে সমস্ত তথ্য চেয়ে পাঠাল সিবিআই (CBI)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে মঙ্গলবার এই মর্মে নোটিশ পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে। নোটিশ পাঠিয়েছেন দুর্নীতি দমন শাখার ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ সঞ্জয় কুমার সামল। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণ হয়ে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সিরিয়াল নম্বর সহ নাম, জন্মের শংসাপত্র, বাবার নাম, ঠিকানা, কোন স্কুলে তাঁরা চাকরি করছেন এবং তাঁদের মোবাইল নম্বর দ্রুত জানাতে হবে সিবিআইকে (CBI)।

    টেট (Primary TET) পাশ শিক্ষকদের তথ্য তলব…

    ২০২২ সালের ৮ জুন কলকাতা হাইকোর্টের দেওয়া একটি নির্দেশের ভিত্তিতে নিয়োগ কেলেঙ্কারির তদন্তের স্বার্থে এই তথ্য তলব করেছে সিবিআই। কেবল তাই নয়, ২০১৬, ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, সেই বিজ্ঞপ্তির প্রতিলিপিও জমা দিতে বলেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার চিঠি পাওয়ার পরে পরেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary TET)। মঙ্গলবারই একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকার।

    সেই বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পর্ষদ। ওই শিক্ষকদের সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জোগাড় করে সিবিআইয়ের কলকাতার নিজাম প্যালেসের অফিসের ১৪ তলায় জমা দিতে বলা হয়েছে। ওই শিক্ষকদের তথ্য দিতে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ যাতে কোনও বিলম্ব না করে, তাও বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    আরও পড়ুুন: এবার অধ্যক্ষ নিয়োগেও অনিয়মের অভিযোগ! হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি রাজ্যপালকে

    বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল বলেন, সিবিআইয়ের এমন পদক্ষেপ করা দেখে বোঝা যাচ্ছে, টেট বা স্কুল সার্ভিস কমিশন মারফত যে সব শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল, তার সবেতেই দুর্নীতি রয়েছে। শুধু ২০১৪ সালের টেট (Primary TET) নয়, ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে বলে আমরা জেনেছি। এই সরকার ক্ষমতায় আসর পর ২০১২ সালে যে টেট হয়েছিল, তাতেও নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। তাই আমরা চাই এই সমস্ত নিয়োগ নিয়ে তদন্ত করে দুর্নীতির পর্দা ফাঁস হোক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TET Exam: জট কাটল! ৮৩ নয়, ২০১৪ সালে টেটে ৮২ পেলেই উত্তীর্ণ, ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    TET Exam: জট কাটল! ৮৩ নয়, ২০১৪ সালে টেটে ৮২ পেলেই উত্তীর্ণ, ঘোষণা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ৮৩ নয়, ২০১৪ সালে টেটে (TET 2014) ৮২ পেয়েছেন এমন প্রার্থীদের উত্তীর্ণ ঘোষণা করল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (Primary Education Board)। এর ফলে ওই বছর সংরক্ষিত শ্রেণিভুক্ত টেট প্রার্থীদের নিয়োগ নিয়ে জট কাটল। পর্ষদ জানিয়ে দিল, ৮২ পেয়েছেন যাঁরা তাঁরাও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন।

    পর্ষদের নয়া নির্দেশিকা

    পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী ১৫০ নম্বরের মধ্যে ৮৩ পেলেই তবে পাশ হিসেবে ঘোষণা করা হত কোনও প্রার্থীকে। তবে সারা দেশের ক্ষেত্রে নিয়ম, ৮২ পেলেই পাশ। যা নিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। টেট প্রার্থীদের আবেদনের ভিত্তিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন,  সংরক্ষিত শ্রেণিভুক্তরা ৮২ নম্বর পেলেই পাশ করবেন। এরপরও  ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার্থীদের জন্য ‘সংরক্ষিত’ তালিকায় সেই ব্যবস্থা করা হলেও ২০১৪ সালের চাকরি প্রার্থীরা বঞ্চিত ছিল এতদিন। অভিযোগ উঠেছিল ২০১৭-র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৮২ পেলে পাশ বলে ঘোষণা করা হলেও কেন ২০১৪-তে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য পেতে হবে ৮৩। সে ক্ষেত্রে অনেক প্রার্থীই বঞ্চিত হয়েছেন বলে মামলা হয় হাইকোর্টে। এরপরই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন ৮২ পেলে তাঁদের যেন পাশ বলে ঘোষণা করা হয়। এবার সেই প্রার্থীদেরই নিয়োগ (Recruitment) প্রক্রিয়া অংশ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করল পর্ষদ। 

    আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সচিবকে তলব ইডির! কী জানতে চাইলেন তদন্তকারী আধিকারিকরা?

    সোমবার পর্ষদের তরফে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১৪-র যে টেট প্রার্থীরা ৮২ পেয়েছেন, তাঁরা ২০ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন। পর্ষদের ওয়েবসাইট www.wbbpe.org ও wbbprimaryeducation.org এই দুই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন প্রার্থীরা।  সোমবার থেকেই পর্ষদের ওয়েবসাইটে আবেদন করতে পারবেন তাঁরা।  পর্ষদ সূত্রে খবর, টেট ২০১৪-তে ৮২ পেয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীর সংখ্যা ৭,৬৬৫। আর টেট ২০১৭-য় ৭২২ জন প্রার্থী ৮২ নম্বর পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Primary TET: প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই-ইডি যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET: প্রাথমিক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই-ইডি যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় সিবিআই (CBI)-ইডি (ED) যৌথ তদন্তের নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেন তিনি। ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার ভিত্তিতে হওয়া ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত করবে ইডি-সিবিআই। পর্ষদের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব কীভাবে এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানিকে দেওয়া হল, তাও খতিয়ে দেখবে এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২০১৪ সালের টেটের উত্তরপত্র মূল্যায়ন করার বরাত পায় এই কোম্পানি। এই কোম্পানিকে কনফিডেনশিয়াল সেকশন বলে অভিহিত করে কমিশন।

    প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ কেলেঙ্কারি…

    মানিক ভট্টাচার্য সহ পর্ষদের তৎকালীন অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআই। আদালত জানিয়েছে, প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে ইডি-সিবিআই। ওই অ্যাডহক কমিটিতে ৮০ বছর বয়সী এক মহিলা রয়েছেন। তাঁকে অবশ্য হেফাজতে নিতে পারবে না এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা। আদালতের আরও নির্দেশ, নতুন করে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত করতে হবে। ২০ এপ্রিলের মধ্যে ইডি এবং সিবিআই পৃথকভাবে হাইকোর্টে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করবে। এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় প্রশ্ন করেন, বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যায়? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যায়?

    আরও পড়ুুন: ত্রিপুরা জয়ের খোয়াব ভেঙে খান খান, অতঃ কিম? ভাবছে তৃণমূল

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক (Primary TET) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মামলাকারীরা অভিযোগ করেন, ২০২০ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন বিভাগে বরাদ্দ নম্বরের থেকে বেশি নম্বর দিয়েছে পর্ষদ। অযোগ্য প্রার্থীদের বহু জায়গায় বরাদ্দ নম্বরের থেকেও বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাঠক্রম বহির্ভূত কার্যকলাপের জন্য কোনও নম্বর পাননি কেউ। তখনই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অন্য ক্ষেত্রে তো বরাদ্দের থেকে বেশি নম্বর দেওয়া হয়েছে, এখানে নম্বর দেওয়া হয়নি কেন? বোমা বাঁধতে পারলে কি বাড়তি নম্বর পাওয়া যেত? বীরভূমে পেটো বাঁধলে কত নম্বর পাওয়া যেত?

    প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তে নেমে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছেন তদন্তকারীরা। এর মধ্যে রয়েছেন বাগদার চন্দন মণ্ডল ওরফে সৎ রঞ্জন। গ্রেফতার করা হয়েছে হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষকে। তিনি আবার নাম নেন হৈমন্তী গঙ্গোপাধ্যায়ের। এই হৈমন্তী গোপাল দলপতির দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী। তাঁর নাম প্রকাশ্যে আসার পর অবশ্য খোঁজ মেলেনি হৈমন্তীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

  • TET Result: অপেক্ষার অবসান, ২ মাস পরে প্রকাশিত হল প্রাথমিক টেটের ফল

    TET Result: অপেক্ষার অবসান, ২ মাস পরে প্রকাশিত হল প্রাথমিক টেটের ফল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে ২ মাস পরে প্রকাশিত হল বহ প্রতীক্ষিত প্রাথমিক টেটের ফল (TET Result)। এই বছর টেটে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৯১ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২৪.৩১ শতাংশ। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উত্তাল রাজ্য। এর মাঝেই এল খুশির খবর। এক থেকে দশম স্থানের মধ্যে রয়েছেন ১৭৭ পরীক্ষার্থী।

    কারা কত নম্বর পেলেন? 

    প্রথম স্থান অধিকার করেছেন পূর্ব বর্ধমানের ইনা সিং (TET Result)। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ১৩৩। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চার জন। তাঁরা হলেন হুগলির মৌনিশা কুণ্ডু, পশ্চিম মেদিনীপুরের মেঘনা চক্রবর্তী ও দীপিকা রায় এবং পূর্ব বর্ধমানের অদিতি মজুমদার। প্রাপ্ত নম্বর ১৩২। পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন ৪ জন। তৃতীয় স্থানেও রয়েছেন ৪ জন। তাঁরা হলেন উত্তর ২৪ পরগনার মেহদি হাসান, পূর্ব মেদিনীপুরের বিকাশ ভক্ত, পশ্চিম মেদিনীপুরের মনামী অধিকারী এবং বাঁকুড়ার প্রহ্লাদ মণ্ডল। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ১৩১।

    উল্লেখ্য গত বছরের ১১ ডিসেম্বর টেট পরীক্ষা নেয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (TET Result)। এই বছর নাম নথিভুক্ত করান মোট ৬ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৩২ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে পরীক্ষা দেন ৬ লক্ষ ১৯ হাজার ২০২ জন। পরীক্ষা নেওয়ার ২ মাস পর প্রাকাশিত হয়েছে ফল। পাশ করেছেন মোট ১ লক্ষ ৫০ হাজার ৪৯১ জন। মোট পরীক্ষার্থীর ২৪.৩১ শতাংশ। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৮১ হাজার ৭৭ জন পুরুষ এবং ৬৯ হাজার ৪০৮ জন মহিলা।

    আরও পড়ুন: বই লিখবেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়? দুর্নীতি প্রসঙ্গ কতটা থাকবে তাতে?

    পর্ষদের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজাল্ট দেখতে পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা। বেলা ৩টে থেকে ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে রেজাল্ট (TET Result)। ওএমআর বারকোড নম্বর-সহ ফল প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রসঙ্গে  পর্ষদ সভাপতি গৌতম পাল বলেন, “নিজের কপির সঙ্গে তুলনা করে দেখুন কোনও অসঙ্গতি আছে কি না।” পরীক্ষার্থীদের নিজেদের নম্বর নিয়ে কোনও সন্দেহ থাকলে তাঁরা পোস্ট পাবলিকেশন স্ক্রুটিনি ও ভেরিফিকেশনেরও সুযোগ পাবেন। দু’টি ওয়েবসাইটে জানা যাচ্ছে রেজাল্ট। ওয়েবসাইটে ওএমআর শিটও দেখতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। প্রশ্নে ‘টেকনিক্যাল গ্লিচ’ বা প্রযুক্তিগত কোনও ত্রুটি থাকলে সকলে ৪ নম্বর করে পাবেন। রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও জন্মের তারিখ দিয়ে ওয়েবসাইটেই দেখতে হবে রেজাল্ট। একইসঙ্গে এদিনও পর্ষদ সভাপতি ঘোষণা করেন, এই বছরও হবে টেট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

                

  • TET Scam: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭ টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে? রিপোর্ট তলব বিচারপতির

    TET Scam: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭ টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে? রিপোর্ট তলব বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালের টেট পরীক্ষার নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। কিন্তু তার আগেই নষ্ট করা হয়েছে ওএমআর শিট। পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে সেই উত্তরপত্র। গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে এমনটাই জানিয়েছে পর্ষদ। পর্ষদের এই বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়৷ তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কার নির্দেশে পুড়িয়ে ফেলা হল তা খতিয়ে দেখতে হবে ও এই সংক্রান্ত বিশদ তথ্য পর্ষদের থেকে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। আজই, বৃহস্পতিবার আদালতে তা জমা দিতে হবে৷ একইসঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কোনও সিনিয়র অফিসারকে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির থাকার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়৷

    ক্ষোভ প্রকাশ বিচারপতির

    ২০১৭ সালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রাথমিক টেট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের জানুয়ারিতে। গত বছর জানুয়ারিতে ফল প্রকাশ হয় সেই পরীক্ষার। প্রার্থীদের আরটিআই-এর জবাবে এপ্রিল মাস নাগাদ পর্ষদ ওএমআর শিটের কপিও দেয়। কিন্তু গতকাল জানা গেল সেই ওএমআর শিট নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর আশীর্বাদ না থাকলে সুবিধা, আমরা প্রধানমন্ত্রীর মার্গদর্শনে চলি’, বিস্ফোরক বিবৃতি বিশ্বভারতীর

    সেই পরীক্ষার নিয়োগ প্রক্রিয়া এখনও শেষ হয়নি। তার আগেই ওএমআর শিট পুড়িয়ে ফেলার মত বিস্ময়কর কথাা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯৫২ জন প্রার্থীর ওএমআর শিট প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার মামলার শুনানিতে জানা যায়, ওএমআর শিট প্রকাশ করা সম্ভব নয়, কারণ তা পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। একথা জেনে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেন বিচারপতি। তিনি পর্ষদকে প্রশ্ন করেন, কোন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ওএমআর শিট নষ্ট করে ফেলা হবে হবে? এরপরেই সিবিআইকে নির্দেশ দেন, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কোন বৈঠকে ওএমআর শিট পুড়িয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল তা তদন্ত করে জানাতে হবে সিবিআইকে। বৃহস্পতিবার বেলা ২টোর মধ্যে জমা দিতে হবে রিপোর্ট। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি একই সময়সীমার মধ্যে জমা দিতে হবে পর্ষদকেও।

    প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ কাণ্ডে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী, একাধিক শিক্ষাকর্তা এখন জেলে। সেই ঘটনায় দিনের পর দিন নতুন তথ্য সামনে আসছে। এবার তাতে পরীক্ষার ওএমআর শিট নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এল। এদিকে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগে কারাবন্দি হয়েছেন প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য। ওএমআর পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় তাঁর হাত রয়েছে কিনা সেই নিয়েও প্রশ্নও উঠতে শুরু করেছে। 

  • TET Scam: টেট দুর্নীতিতে উঠে এল ‘ঘোষবাবু’-র নাম, কে তিনি? হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    TET Scam: টেট দুর্নীতিতে উঠে এল ‘ঘোষবাবু’-র নাম, কে তিনি? হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে ইতিমধ্যেই চার্জশিট পেশ করেছে ইডি (TET Scam)। আর সেই চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য দিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। আদালতে মানিক ভট্টাচার্জের বিরুদ্ধে পেশ করা চার্জশিটে ইডি জানিয়েছে, কোনও এক ঘোষবাবুকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন বেশ কিছু চাকরিপ্রার্থী। এমনকী এই ঘোষবাবুকে ঘুষ দিয়ে ২০১৪ সালের টেটও পাশ করেছেন ৩২৫ জন চাকরিপ্রার্থী।

    কী জানা গেল?

    আদালতকে ইডি (TET Scam) জানিয়েছে, তাপস মণ্ডলকে জেরা করার সময়ও বার বার ঘোষ বাবুর নাম উঠেছে। মোট ৩.২৫ কোটি টাকা নিয়ে এই ‘ঘোষ বাবু’- ই ১০ জনকে প্রাথমিকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তাপস মণ্ডল। ইতিমধ্যে আদালতের নির্দেশে ওই ভুয়ো চাকরিপ্রার্থীদের চাকরি চলে গিয়েছে। তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত ৫ জনকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন ইডির তদন্তকারী গোয়েন্দারা।  

    ইডি চার্জশিটে (TET Scam) বলা হয়েছে, যে ৩২৫ জনকে অবৈধভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছিল তাঁদের তালিকা তদন্তকারীদের হাতে তুলে দিয়েছেন তাপস মণ্ডল। তবে এই ঘোষবাবুর আসলে কে? এখন সেই খোঁজেই তদন্ত চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

    প্রসঙ্গত, তদন্তে নেমে মানিক ভট্টাচার্যের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট-সহ মোট ৭.৯৩ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি (TET Scam)। প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে সংসদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য, তাঁর ছেলে শৌভিক ভট্টাচার্য, মানিকবাবুরস্ত্রী-সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ১১১ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছেন গোয়েন্দারা। আপাতত ইডি গোয়ান্দাদের মূল লক্ষ্য ঘোষ বাবুকে খুঁজে বের করা। তাঁকে খুঁজে পেলে এই রহস্যের অনেকটাই সমাধান হবে বলে মনে করছে  ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে থামবে বন্দে ভারত! বোলপুরে স্টপেজ দিয়ে নয়া সূচি প্রকাশ রেলের

    ইডি (TET Scam) গোয়েন্দাদের দাবি, তৎকালীন পর্ষদ সভাপতির সঙ্গে তাপসের যোগসূত্রের অন্যতম ‘মিসিং লিঙ্ক’ এই ঘোষবাবু। তা হলে কি তাঁর মারফতই প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে বেনিয়মের অপারেশন চলত? বুধবার তাপসের সঙ্গে একাধিক বার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Primary TET 2022: টেট পরীক্ষায় শাঁখা-পলা পরে ঢুকতে বাঁধা, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    Primary TET 2022: টেট পরীক্ষায় শাঁখা-পলা পরে ঢুকতে বাঁধা, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১১ ডিসেম্বর প্রাথমিকের টেট (Primary TET 2022) পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ থেকে দাবি করা হয় যে, পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবেই হয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে বিবাহিত মহিলাদের শাঁখা-পলা খুলে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিরোধী দল বিজেপিও। আর এর পরেই এই অভিযোগে পর্ষদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

    টেট পরীক্ষা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা

    প্রাথমিক টেট নিয়ে দূর্নীতির তদন্ত এখনও শেষ হয়নি। টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ থেকে, স্বজনপোষণ সহ একাধিক অভিযোগে জর্জরিত রাজ্য সরকার। আর এই পরিস্থিতিতেই ফের পর্ষদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হল। প্রাথমিক টেট পরীক্ষা কেন্দ্রে হিন্দু মেয়েদের হাত থেকে শাঁখা-পলা খোলানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন মৌমিতা চক্রবর্তী নামে এক চাকরিপ্রার্থী। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদিকা পারমিতা দে এই বিষয়ে আদালতে প্রশ্ন তুলেছেন যে,  ‘কেন এই কারণে পরীক্ষা দিতে পারলেন না চাকরিপ্রার্থী? তার যে ক্ষতি হল সেটা কে পূরণ করবে?’ মামলাকারীর অভিযোগ সরাসরি পর্ষদ সভাপতি গৌতম পালের বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুন: শাঁখা-পলা পরে টেট পরীক্ষায় বসতে বাধা, তীব্র প্রতিক্রিয়া বিজেপি বিধায়কের

    বিজেপি মহিলা মোর্চা কর্মীদের প্রতিবাদ

    শুধুমাত্র এক জায়গা থেকে অভিযোগ উঠে আসেনি। শাঁখা-পলা-নোয়া পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠে আসে একাধিক জেলা থেকে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের এহেন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে গেরুয়া শিবির। গত বুধবার এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি মহিলা মোর্চা কর্মীদের পথে নামতেও দেখা যায় জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুরে।

    শাঁখা, পলা খুলে টেট পরীক্ষা দিতে হবে। এই নিয়মের বেড়াজালে টেট পরীক্ষাই দেওয়া হয়নি জলপাইগুড়ির এক গৃহবধূর। জলপাইগুড়ি সেবাগ্রামের গৃহবধূ মৌমিতা চক্রবর্তী জানান, “দীর্ঘদিন বাদে এবারের প্রাথমিকের টেট পরীক্ষা দিয়ে একটা চাকরি পাব আশা করেছিলাম৷ জলপাইগুড়ি দেবনগরের সতীশলাহিড়ি উচ্চবিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম। পর্ষদের নিয়ম অনুযায়ী কোনও অলঙ্কার পরে যাওয়া যাবে না। তাই বাড়িতেই সমস্ত সোনার গয়না খুলে পরীক্ষা দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে থাকা পুলিশ কর্মীরা আমার শাঁখা ও পলা খুলতে বলে। আমি খুলতে পারব না জানিয়ে দিই। কারণ বিয়ের পর থেকে আমি শাঁখা পলা হাত থেকে খুলিনি। এবারও খুলতে না পারায় তাই পরীক্ষা কেন্দ্রে না ঢুকতে পেরে বাড়ি চলে আসি।”

    আর এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির মহিলা মোর্চার সমর্থকরা বুধবার ডিবিসি রোডের অফিস থেকে মিছিল করে কোতয়ালি থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। আর এবারে পর্ষদের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলাও করা হল। চলতি সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে।

LinkedIn
Share