Tag: Primary TET

Primary TET

  • TET: পর্ষদকে দেওয়া তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ, জেনে নিন পদ্ধতি

    TET: পর্ষদকে দেওয়া তথ্যে ভুল থাকলে সংশোধনের সুযোগ, জেনে নিন পদ্ধতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুল সার্ভিস কমিশনকে দেওয়া তথ্যে কোনও ভুলভ্রান্তি থাকলে তা সংশোধন করে সঠিক তথ্য দিতে পারবেন চাকরি প্রার্থীরা। পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়েছে, বুধবার রাত ৮টা থেকে রবিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ভ্রম সংশোধনের সুযোগ পাবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, ২০১৪ ও ২০১৭ সালে যাঁরা টেট (TET) পাশ করেছেন, সেই চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ পর্ব শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কীভাবে করবেন ভ্রম সংশোধন?

    প্রাইমারিতে নিয়োগে পর্ষদের যে অনলাইন পোর্টাল রয়েছে www.wbbpeonline.com-এ যান। সেখানে PRIMARY TEACHER RECRUITMENT-2022-এই অপশনটিতে ক্লিক করুন। এরপর দেখবেন আসবে এডিট অ্যাপ্লিকেশন অপশন। সেখানে NOTIFICATION FOR ENJOYING EDIT OPTION FOR PRIMARY TEACHER’S RECRUITMENT 2022-এ যান। পরে ডাউনলোড অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দিন। সেখানে ক্লিক করলেই নির্দিষ্ট তথ্য সংশোধন করে সঠিক তথ্য দিতে পারবেন চাকরিপ্রার্থীরা।

    আরও পড়ুন: নতুন বছরের শুরুটাও জেলের আঁধারেই কাটাতে হবে পার্থ অর্পিতাকে, কেন জানেন?

    এদিকে, প্রাথমিক টেট (TET) ২০২২ এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি বলেন, টেট হওয়ার পর কার্বন কপি দেওয়া হয়েছে। মনে হচ্ছে, কাজ ভাল হচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী আদালতে জানান, সাড়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি ওএমআর শিট সংরক্ষণ করা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তা সংরক্ষণ করা থাকবে। রবিবার রাজ্যজুড়ে হয় প্রাথমিকের টেট। পরীক্ষা দেন প্রায় সাত লক্ষ চাকরি প্রার্থী।

    আরও পড়ুন: নবম দশম নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এবার ইডিও, নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    প্রসঙ্গত, শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। প্রাথমিকের টেটকে নির্বিঘ্নে পরিচালনা করার জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছিল পর্ষদ। বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স, মেটাল ডিটেক্টর, ফ্রিস্কিং সহ করা নিরাপত্তার নানা ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Partha Chatterjee: নতুন বছরের শুরুটাও জেলের আঁধারেই কাটাতে হবে পার্থ অর্পিতাকে, কেন জানেন?

    Partha Chatterjee: নতুন বছরের শুরুটাও জেলের আঁধারেই কাটাতে হবে পার্থ অর্পিতাকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষ বিদায় কিংবা বর্ষবরণ, কোনও অনুষ্ঠানটাই এবার আর ঘটা করে পালন করতে পারবেন না পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)! তার আগে রয়েছে ২৫ ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান। এই তিন অনুষ্ঠানই মাটি হতে চলেছে পার্থ অর্পিতার। কারণ আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত তাঁদের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ব্যাঙ্কশাল আদালতের বিচারক। প্রাইমারি টেট (Primary TET) দুর্নীতি মামলায় ইডি ভার্চুয়ালি আদালতে পেশ করেছিল পার্থ-অর্পিতাকে। তখনই জানানো হয় তাঁদের জেল হেফাজতের মেয়াদ। এদিন অবশ্য জামিনের আবেদন জানাননি পার্থ-অর্পিতার আইনজীবীরা। বরং পার্থকে মামলার শুনানি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছিল। সেই আর্জির শুনানি হবে ৩১ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুন: “লজ্জাজনক… সব নিয়োগ বাতিল করে দেব”, অভিযুক্ত ২১জনকে সিবিআই জেরার নির্দেশ বিচারপতি বসুর

    ইডির মামলা…

    এদিন ব্যাঙ্কশাল কোর্টে শুনানি ছিল এসএসসি সংক্রান্ত ইডির মামলার। এই মামলায় মূল অভিযুক্তদের একজন হলেন পার্থ (Partha Chatterjee)। জুলাই মাসে ইডি গ্রেফতার করেছিল তাঁকে। কিন্তু পার্থর তরফে এই মামলায় প্রশ্ন তোলা হয়েছে সেই ইডির তদন্তকারী আধিকারিকের এক্তিয়ার নিয়ে। জানতে চাওয়া হয়েছে, যে তদন্তকারী অফিসার এই মামলায় তদন্ত করছেন, তিনি কি আদৌ এই তদন্ত করতে পারেন? এই প্রশ্নের জবার দেওয়ার জন্য চার সপ্তাহের সময় চেয়েছে ইডি।

    প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। গত জুলাই মাসে গ্রেফতার হন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। ওই সময়ই গ্রেফতার করা হয় পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কেও। অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাট থেকে নগদ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। বাজেয়াপ্ত করা হয় সোনার গয়নাও। এর পর একে একে গ্রেফতার করা হয় কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়, সুবীরেশ ভট্টাচার্য, এসপি সিনহা সহ একাধিক ব্যক্তিকে। ধৃতেরা প্রত্যেকেই আপাতত রয়েছেন জেলে।

     

  • Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    Primary TET:  অব্যবস্থার মধ্যে শুরু প্রাইমারি টেট, মিলল বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তার বজ্র আঁটুনি না ফস্কা গেরো? শুরু হল প্রাইমারি টেট (Primary TET)। আজ, রবিবার গোটা রাজ্যের হাজার দেড়েক পরীক্ষা কেন্দ্রে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর আগের টেট হয়েছিল পাঁচ বছর আগে। স্বাভাবিকভাবেই এদিন বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে উপচে পড়া ভিড় ছিল পরীক্ষার্থীদের। পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে শেষ হয়, তাই বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। কোনও রকম ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেট নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকা যাবে না বলে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে। কেবল অ্যাডমিট কার্ড, পেন ও পরিচয় পত্র নিয়েই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। যাঁরা গার্ড দিচ্ছেন, তাঁদেরও প্রথমে চেকিং করে পরে পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। টিনের বাক্সে থাকা প্রশ্নপত্র বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে কড়া নিরাপত্তায়।

    এদিন পরীক্ষা (Primary TET) শুরু হয় বেলা ১২টায়। পরীক্ষার্থীদের ১১টার মধ্যেই পরীক্ষা কেন্দ্রে আসতে বলা হয়েছিল। তবে যেহেতু এ ব্যাপারে কোনও লিখিত নির্দেশ ছিল না, তাই কোনও কোনও পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের প্রথমে ঢুকতে বাধা দেওয়া হলেও, পরে অবশ্য দেওয়া হয়। সিল করা খামে দুটি করে ওএমআর শিট দেওয়া হয়েছে এদিন। একটি শিট উত্তরপত্র হিসেবে জমা দেবেন পরীক্ষার্থীরা। অন্য শিটটি তাঁরা নিয়ে যাবেন বাড়ি।

    বিক্ষিপ্ত অশান্তি…

    বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবরও এসেছে বিভিন্ন জেলা থেকে। বোলপুরে একটি পরীক্ষাকেন্দ্রে কর্তৃপক্ষের তরফে পরীক্ষার্থীদের ব্যাগ রাখার জায়গার ব্যবস্থা করা হয়নি। ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন পরীক্ষার্থীরা। তাঁরা পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে রাস্তা অবরোধও করেন। দ্রুত সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রের তরফে চাকরি প্রার্থীদের ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তার পরেই উঠে যায় অবরোধ। শুরু হয় পরীক্ষা। ধূপগুড়িতে আবার ব্যাগ রাখা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন পরীক্ষার্থীরা। তাঁদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রের কোথাও ব্যাগ রাখার ব্যবস্থা করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১৪ টেট উত্তীর্ণদের নম্বরের তালিকা প্রকাশ পর্ষদের

    এদিকে, টেট দিতে এসে ঠিকানা বিভ্রাটের অভিযোগ উঠল কলকাতার বিষ্ণুপুর থানার পৈলানে। অ্যাডমিট কার্ডে পরীক্ষা কেন্দ্রের ঠিকানা ভুল থাকার অভিযোগ তুলে বিষ্ণুপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের পরীক্ষা কেন্দ্র সোদপুরে। এর পরেই পুলিশের একটি ভ্যান ওই পরীক্ষার্থীদের নিয়ে রওনা দেয় সোদপুরের উদ্দেশে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Primary TET: টেট পরীক্ষায় বসতে পারবে স্পেশ্যাল বিএডরাও, নির্দেশ হাইকোর্টের

    Primary TET: টেট পরীক্ষায় বসতে পারবে স্পেশ্যাল বিএডরাও, নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  এবার টেটে (Primary TET) বসতে পারে স্পেশ্যাল বিএড প্রার্থীরা। চাকরিপ্রার্থীদের আর্জি মেনে নিল কলকাতা হাইকোর্ট। নিয়োগ এবং টেট পরীক্ষায় বসার আবেদন নিয়ে আদালতে দ্বারস্থ হয় স্পেশাল বিএড’রা। নিয়োগ এবং পরীক্ষায় বসতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন প্রায় ৫০ জন প্রার্থী। আপাতত আসন্ন টেট পরীক্ষায় বসার অনুমতি পেল স্পেশাল বিএডরা। এই প্রথম বিএডদের পাশাপাশি পরীক্ষায় বসবে স্পেশাল বিএড। প্রাথমিকে নিয়োগের আবেদনের শুনানি ৬ ডিসেম্বর।   

    উচ্চ আদালতের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় শুক্রবার এই নির্দেশ দেন। বিএড-রা যদি প্রাথমিক টেট (Primary TET) পরীক্ষায় বসতে পারেন, তাহলে বিএড স্পেশালরা নয় কেন? এই প্রশ্ন তুলে মামলা দায়ের করা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের বক্তব্য, বিভিন্ন রাজ্যে বিএড ও বিএড স্পেশালদের একই গণ্য করা হয়। কিন্তু এই রাজ্যে সেটি হয় না বলে অভিযোগ মামলাকারীদের। এই নিয়ে মামলায় শুক্রবার বিএড স্পেশাল চাকরিপ্রার্থীদের প্রাথমিক টেটে বসার সুযোগ দিল হাইকোর্ট।

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতাকে গণতান্ত্রিকভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী করব’’, চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর  

    শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের তরফে অন্তর্বর্তী নির্দেশে বলা হয়েছে, বিএড স্পেশাল যে ক্যান্ডিডেটরা ফর্ম ফিল আপ করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে অ্যাডমিট কার্ড দিতে হবে। আগামী ৬ ডিসেম্বর এই সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ১১ ডিসেম্বর প্রাথমিক টেট (Primary TET) পরীক্ষা রয়েছে। প্রায় ৬ বছর পর টেট পরীক্ষায় আয়োজন হচ্ছে রাজ্যে। কিন্তু এই পরীক্ষায় স্পেশাল বিএড-এর জন্য কোনও অপশন দেওয়া হচ্ছিল না। যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের বিএড হিসেবেই আবেদন করতে হয়েছে। এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে জানানো হয়েছিল, বিএড স্পেশালরা টেট পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। সেই নিয়েই মামলা করা হয়েছিল আদালতে।

    স্পেশ্যাল বিএড কী? 

    বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের পড়ানোর জন্য প্রশিক্ষিতদের স্পেশ্যাল বিএড বলে। তাঁদের দাবি, দেশের একাধিক রাজ্য রয়েছে, যেখানে বিএড এবং বিএড স্পেশালদের একই সারিতে রাখা হয়। এমন অবস্থায় তাঁদের প্রশ্ন, টেটে বিএড উত্তীর্ণরা অংশ নিতে পারলে, বিএড স্পেশালরা কেন অংশ নিতে পারবেন না? তাঁদের বক্তব্য, টেট পরীক্ষায় তাঁদেরও সুযোগ দেওয়া হোক। এমনকী তাঁদের দাবি, প্রাথমিক স্কুলগুলিতে অনেক ক্ষেত্রেই স্পেশাল স্টুডেন্ট থাকে। সেক্ষেত্রে বিএড স্পেশালরা যদি সুযোগ পান, তাহলে স্পেশাল স্টুডেন্টদের (Primary TET) পড়ানোর ক্ষেত্রেও সুবিধা পাওয়া যাবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     
  • Primary TET: প্রাথমিক টেটে সুযোগ পাবেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও, জানাল হাইকোর্ট

    Primary TET: প্রাথমিক টেটে সুযোগ পাবেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকের প্যারাটিচারদের সঙ্গে এবার উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচারদেরও টেট (Primary TET) পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হবে। সোমবার এই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhya)। টেটে বসার সুযোগের আর্জি জানিয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। সেই মামলায় বিচারপতি এই নির্দেশ দেন। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ঘোষণা অনুযায়ী, সোমবারই ছিল টেট পরীক্ষার আবেদনের শেষ দিন। তাই এই নির্দেশ কতটা কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট নয়। প্রসঙ্গত, ডিসেম্বরের ১১ তারিখে টেট পরীক্ষা হওয়ার কথা। পাঁচ বছর পরে এবারই হচ্ছে এই পরীক্ষা। পরীক্ষায় বসবেন কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী।

    যোগ্যতার মাপকাঠি…

    টেট  (Primary TET) নিয়ে আগেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল পর্ষদ। তাতে প্রথমে যে যোগ্যতার মাপকাঠি স্থির করা হয়েছিল, পরে তাতে অনেক বদল আনা হয়। প্রথমে বলা হয়েছিল, প্রাথমিকে কর্মরত প্যারাটিচারদের জন্য ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে নির্দেশ দিয়েছেন, তাতে এই ১০ শতাংশের মধ্যেই যুক্ত হচ্ছেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও। প্রত্যাশিতভাবেই বাড়ল প্রতিযোগিতা।

    আরও পড়ুন: টেট উত্তীর্ণদের তালিকায় মমতা-অভিষেক-শুভেন্দুর নাম! কী বললেন পর্ষদ সভাপতি?

    কেবল উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাই নন, এই টেটে (Primary TET) অংশ নিতে পারবেন ২০১৪ ও ২০১৭র টেট উত্তীর্ণ প্রার্থীরাও। যাঁরা ইতিমধ্যেই বিএড পাশ করেছেন, তাঁরাও বসার সুযোগ পাচ্ছেন এই টেটে। প্রথমে বলা হয়েছিল, বিএডে পঞ্চাশ শতাংশ নম্বর থাকলে তবেই পরীক্ষায় বসার সুযোগ মিলবে। সম্প্রতি হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, যাঁরাই বিএড পাশ করবেন, তাঁরাই বসতে পারবেন এই পরীক্ষায়। সোমবার হাইকোর্টের নির্দেশের জের এঁদের সঙ্গে যুক্ত হলেন উচ্চ প্রাথমিকের প্যারাটিচাররাও। তবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ঘোষণা অনুযায়ী যেহেতু সোমবারই টেট পরীক্ষার আবেদনের শেষ দিন, তাই হাইকোর্টের এই নির্দেশ কতটা কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট নয়।

    প্রসঙ্গত, এবার যে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে মোট শূন্যপদের সংখ্যা ১১ হাজার ৭৬৫টি। প্রার্থীদের একাংশের দাবি, এসসি, এসটি, এক্সম্পটেড ক্যাটাগরি এবং সংরক্ষণ বাদ দিলে শূন্যপদ থাকছে মাত্রই ৫ হাজার। প্রত্যাশিতভাবেই চাকরি প্রার্থীদের কাছে প্রতিযোগিতাটা আরও কঠিন হয়ে দাঁড়াল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manik Bhattacharya: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    Manik Bhattacharya: প্রাথমিকে ৩২৫ জনের নিয়োগ করতে টাকা নিয়েছিলেন মানিক! ইডির হাতে নতুন তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন যত এগোচ্ছে তত নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক চাঞ্ল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এবারে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকার বিনিময়ে ৩২৫ জনের নিয়োগ হয়েছিল প্রাথমিকে (Primary Recruitment), আর এর নেপথ্যেও ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। গতকাল আদালতে চাঞ্চল্যকর এই দাবি করল ইডি (ED)। আবার এই মামলায় এখন শুধুমাত্র প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক নেই, ইডির স্ক্যানারে রয়েছে তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যও।

    জামিনের আবেদন খারিজ

    অন্যদিকে ফের জামিনের আবেদন করেছিল মানিকের আইনজীবী (Manik Bhattacharya)। কিন্তু গতকাল দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক মানিকের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে ফের ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেন। আাগামী ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকার নির্দেশ দিয়েছে ইডির বিশেষ আদালত। ফলে তিনি আপাতত প্রেসিডেন্সি জেলেই থাকবেন।

    আরও পড়ুন: “যা বলার সব ইডিকে বলেছি…”, কী বললেন মানিক ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল?

    ইডির কী দাবি?

    বৃহস্পতিবার প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি ও তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যকে (Manik Bhattacharya) আদালতে পেশ করে ইডি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে যে, টাকার বিনিময়ে ৩২৫ জনকে প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের, যার পেছনে হাত রয়েছে মানিকের। ইডির আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি এদিন আদালতে জানান, এই ৩২৫ জন ২০১৪ সালে টেট দেন। তদন্তে উঠে এসেছে যে, টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওই চাকরিপ্রার্থীদের পাশ করাতে সাহায্য করেছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। সেই মধ্যস্থতাকারীদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে।

    ইডির স্ক্যানারে মানিকের পরিবারের সদস্যও

    নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই নাম উঠে এসেছিল মানিকের (Manik Bhattacharya) ছেলে সৌভিকের। এবারে নাম উঠে এসেছে মানিকের ভাই, জামাই ও জামাইয়ের বাবারও। শুনানিতে ইডি দাবি করে, মানিকের জামাই ও ভাইয়ের অ্যাকাউন্টে টাকা লেনদেন হওয়ার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়ে। তাই এ নিয়ে তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

    কিন্তু অন্যদিকে আদালতে মানিকের আইনজীবী দাবি করেন, মানিককে নিয়ে ইডি যে তদন্ত করছে তা সব বেআইনি। কারণ, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে সিবিআই যে চার্জশিট দিয়েছে বা এফআইআরে মানিকের (Manik Bhattacharya) নাম নেই। আর এসব শোনার পর গতকাল তাঁর জামিনের আবেদন ফের খারিজ করে দেয় ও ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।

     

  • Primary TET: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    Primary TET: ৫০% নয়, ৪৫% নম্বর থাকলেই বসা যাবে প্রাইমারি টেটে, নয়া ঘোষণা পর্ষদের

    মাধ্যমি নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক টেটে বসার যোগ্যতায় ফের বদল আনল প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Primary Education)। ২০১০ সালে ২৩ অগাস্টের আগে স্নাতক এবং বিএড করা প্রার্থীদের টেটে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যোগ্যতায় বিশেষ ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টেটে বসার জন্য এই পরীক্ষার্থীদের স্নাতকে ৪৫% নম্বর থাকলেই হবে। এর আগে টেটে বসার নুন্যতম যোগ্যতা ছিল স্নাতকে ৫০% নম্বর। 

    বুধবার পর্ষদের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২০১০ সালের ২৩ অগাস্টের আগে যেসব জেনারেল প্রার্থীরা ব্যাচেলর ইন এডুকেশন (BEd) এবং স্নাতক ডিগ্রী পাশ করেছেন তারা ৪৫ শতাংশ নম্বর পেলে এবং সংরক্ষিত ক্যাটাগরির প্রার্থীরা ৪০ শতাংশ নম্বর পেলেই ২০২২ সালের টেটে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। অবশ্যই এর সঙ্গে টেটে অংশগ্রহণের অন্যান্য যোগ্যতাগুলি পূরণ করতে হবে  সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে।এই নিয়ে তৃতীয়বার টেট পরীক্ষার্থীদের যোগ্যতামানে পরিবর্তন করা হল।

    আরও পড়ুন: সিআরপিএফের ইনস্পেক্টর জেনারেল পদে প্রথম দুই মহিলা, গড়লেন নতুন ইতিহাস

    বৃহস্পতিবারই ২০২২ প্রাথমিক টেটের ফর্ম ফিলআপের শেষ দিন। তার আগের দিন পর্ষদের এই নতুন সিদ্ধান্তে আরও অনেক প্রার্থী পরীক্ষায় বসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হয়েছেন। এদিন রাত ১২টার মধ্যে তাদের ফর্ম ফিলআপ করতে হবে। ১১ ডিসেম্বর দুপুর ১২টায় আয়োজিত হবে প্রাথমিক টেট। ১১ হাজার শূন্যপদের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে এই পরীক্ষার মাধ্যমে। ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিটের মধ্যে দিতে হবে ১৫০ নম্বরের পরীক্ষা।

    আগের বিজ্ঞপ্তিতেই পর্ষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টেট (TET) উত্তীর্ণ হওয়া মানেই চাকরির অধিকার অর্জন করা নয়। সেই সম্পর্কে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে গাইডলাইনে। বলা হয়েছে, টেটে উত্তীর্ণ হলেই কোনও প্রার্থীর নিয়োগ পাওয়ার অধিকার জন্মাবে না। এটা নিয়োগের যোগ্যতামানদণ্ডগুলির মধ্যে একটি।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

        

  • Primary TET: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    Primary TET: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিকে (Primary TET Notification) চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ চাকরিপ্রার্থীরা। মামলাকারীদের দাবি, বিএড উত্তীর্ণদের পরীক্ষায় বসতে দেওয়া যাবে না। সোমবার হবে মামলার শুনানি।

    গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ডিএলএড, বিএড ডিগ্রিধারীরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে পারবেন ডিএলএডের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়ারাও। ২০১৪ ও ২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণরাও আবেদন করতে পারবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। আবেদনের শেষ তারিখ ২১ অক্টোবর।

    আরও পড়ুন: ‘কিংপিন’ মানিকের আমলেই ৫৮ হাজার বেআইনি চাকরি, চাঞ্চল্যকর তথ্য ইডির 

    মামলাকারীদের দাবি, বিএড ডিগ্রি থাকলে প্রাথমিক টেটে আবেদন করা যাবে পর্ষদের বিজ্ঞপ্তির এই অংশ বাতিল করতে হবে। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে। তিনি মামলা দেখে বলেন, “এতো মহা মুশকিল। পর্ষদের বিরুদ্ধে শুধু মামলা হচ্ছে।” 

    নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে শূন্যপদের সংখ্যা উল্লেখ করা না হলেও তিনদিন আগেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ১১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানায়। আগামী ১১ ডিসেম্বর টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। 

    মামলাকারীরা তাঁদের সপক্ষে যুক্তি দেখিয়ে বলেছেন, রাজস্থান হাইকোর্টেও প্রাথমিক নিয়োগে একই ইস্যুতে একটি মামলা দায়ের হয়। সেই মামলায় রাজ্য সরকারের ওই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিকে স্থগিত করে দেয় রাজস্থান হাইকোর্ট। যদিও সেই মামলার এখনও কোনও সুরাহা হয়নি।

    অন্যদিকে নিয়োগ দুর্নীতির প্রতিবাদে গান্ধী মূর্তির নীচে চাকরিপ্রার্থীদের ধর্না-অবস্থানের মেয়াদ বাড়াতে নারাজ হাইকোর্ট। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের প্রায় ৫০ জন চাকরিপ্রার্থী ২ মাসের জন্য ধর্না চালিয়ে যাওয়ার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য। গত ৬ সেপ্টেম্বর অবস্থান বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে নতুন করে পুলিশের কাছে আবেদন করার জন্য চাকরিপ্রার্থীদের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। ৮ সেপ্টেম্বর আবেদন জানান চাকরিপ্রার্থীরা। ১৩ সেপ্টেম্বর অনুমতি দেয় পুলিশ। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে পাঁচদিনের জন্য অবস্থান বিক্ষোভে বসেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ২০১৪-র প্রাথমিকের চাকরি প্রার্থীরা। কিন্তু বিক্ষোভের সময়সীমা বাড়ানোর আনেদন মঞ্জুর করল না আদালত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

       

  • Primary TET: টেট নিয়োগ ঘিরে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, আইনি জটিলতায় থেমে যাবে না তো প্রক্রিয়া?

    Primary TET: টেট নিয়োগ ঘিরে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে, আইনি জটিলতায় থেমে যাবে না তো প্রক্রিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:প্রাথমিক নিয়োগের (Primary TET) বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা কলকাতা হাইকোর্টে। প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখ এই বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আর সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে ফের মামলা দায়ের করা হল কলকাতা হাইকোর্টে। একাধিক চাকরিপ্রার্থী এই মামলা করেছে বলে জানা যাচ্ছে। মামলাকারীদের দাবি, বিজ্ঞপ্তির যে অংশে উল্লেখ রয়েছে যে,  প্রশিক্ষণরতরা টেট দিতে পারবে, তা খারিজ করতে হবে।

    এর আগেই বৃহস্পতিবার বিএড ডিগ্রিধারীদের টেট-এ (Primary TET) বসতে দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় হাইকোর্টে মামলা হয়েছে। ফলে পর্ষদের নানা সিদ্ধান্ত বা বিজ্ঞপ্তিকে ঘিরে একের পর এক মামলা দায়ের করায় ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে যে, টেটের নিয়োগ প্রক্রিয়া ঠিকভাবে হবে তো? বিজ্ঞপ্তি জারি করার পরে গতকাল যে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষকের নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিএলএড-এর পাশাপাশি বিএড যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। আর এই নিয়েই আপত্তি তুলে হাইকোর্টে মামলা করেন কয়েক জন টেট পরীক্ষার্থীরা।

    আরও পড়ুন: ফের আইনি গেরোয় প্রাথমিকে নিয়োগ, বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা

    আর আজ যেকারণে নতুন করে মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা হল প্রশিক্ষণরতরা কেন টেটে বসার সুযোগ পাবেন, এই দাবি নিয়েই নতুন মামলা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় (Primary TET) অংশগ্রহণ করতে পারবেন ২০২০-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ডিএলএড বা ডিএড এবং বিএড-এর পার্ট- ১ পরীক্ষা যারা দিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তির এই অংশকেই চ্যালেঞ্জ করেই নতুন মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। মামলাকারীদের দাবি, যেখানে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থী রয়েছে, সেখানে কেন প্রশিক্ষণরত প্রার্থীদের সুযোগ দেওয়া হবে?

    আগামী সোমবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হবে। ফলে মামলা (Primary TET) কোন দিকে গড়ায় সেদিকেই নজর সবার। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করে একের পর এক মামলাতে জটিলতা আরও বেশি বাড়ছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এমনকি ফের আটকে যাবে না তো নিয়োগ? তা নিয়েও আশঙ্কা ঘনিয়ে আসছে।  

  • Primary TET: আগেই পরীক্ষা গ্রহণকারী সংস্থা বাছাই, পরে কাগজ-কলম! এবারের টেট নিয়োগে ফের সন্ধান ‘ঘুঘুর বাসা’?

    Primary TET: আগেই পরীক্ষা গ্রহণকারী সংস্থা বাছাই, পরে কাগজ-কলম! এবারের টেট নিয়োগে ফের সন্ধান ‘ঘুঘুর বাসা’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের টেট  (Primary TET) পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। কিন্তু পিছু পিছু তৈরি হচ্ছে দুর্নীতির প্রস্তুতিও। যার কেন্দ্রে রাজ্য প্রাথমিক বোর্ডের সচিবের একটি চিঠি। রাজ্য সরকারি সংস্থা ওয়েবেল টেকনোলজি লিমিটেডকে (Webel Technologies) চিঠি লিখে বোর্ডের সচিব পরীক্ষা পরিচালন সংক্রান্ত টেকনো-কমার্শিয়াল প্রস্তাব জমা দিতে বলেছেন। কিন্তু কোন সংস্থাকে দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তার নাম ধাম দিয়ে তাদেরকেই কাজটি দিতে বলা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ডের (Primary Education Board) মতে, এই সংস্থাটিই একমাত্র সুন্দরভাবে পরীক্ষা নিতে সক্ষম।

    কী রয়েছে চিঠিতে?

    ২-পাতার চিঠিতে প্রথমেই বলা হয়েছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে সম্ভবত টেট পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। সেক্ষেত্রে পুজো শেষ হলেই, আগামী ১৪ অক্টোবর থেকেই অনলাইন রেজিস্ট্রেশন-পর্ব শুরু করা হতে পারে। এই পরীক্ষার জন্য ওয়েবেলের সামনে কী কী কাজের সুযোগ রয়েছে, তা স্পষ্ট করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছে—অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন পর্বের ওয়েব হোস্টিং ও ক্লাউড সার্ভার গঠন, নতুন ডোমেন ও পেমেন্ট গেটওয়ে তৈরির মতো প্রযুক্তিগত কাজ। এছাড়া রয়েছে হেল্পলাইন থেকে শুরু করে অ্যাডমিট কার্ড ও পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানো ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগেই টেট উত্তীর্ণ আরও ৬৫ জনকে নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের

    এতটা পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু, সন্দেহ জাগল চিঠির দ্বিতীয় পাতায় এসে। যেখানে একেবারে চিঠির শেষদিকে বলা হয়েছে— ওপরে উল্লেখ করা কাজগুলোর জন্য পর্ষদ বিভিন্ন ভেন্ডরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। অতঃপর, মেসার্স মেগা ক্যালিবার এন্টারপ্রাইস প্রাইভেট লিমিটেডের দেওয়া সমাধান ভীষণই ভাল বলে মনে হয়েছে। ওপরের কাজগুলোর জন্য তাদের নির্বাচন করা যেতে পারে।

    শিক্ষা দফতর থেকে ওয়েবেলে এই চিঠি যাওয়া মাত্র তোলপাড় শুরু হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, বর্তমানে এসএসসি এবং টেট কেলেঙ্কারির তদন্তে নেমে সিবিআই বেসরকারি সংস্থার কারসাজিতেই সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছে। ওএমআর শিট বদলে দেওয়া থেকে, ফাঁকা শিট জমা নিয়ে পরে তা পূরণ করা সহ নানা অভিযোগ উঠেছে পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে। এবার তা হলে ফের একটি নির্দিষ্ট সংস্থাকেই পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা বোর্ড তৎপর কেন?

    তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের প্রশ্ন, যদি সংস্থা বাছাই শিক্ষা দফতরই করে দেয় তা হলে ওয়েবেলের কাছে টেকনো-কমার্শিয়াল প্রস্তাব চাওয়ার কি দরকার? শিক্ষা দফতর এবং তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের একাংশের মতে, শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এবারও ফিক্সড ম্যাচ হতে চলেছে। আগের বারের মতোই কোন সংস্থা পরীক্ষা নেবে তা বোর্ড ঠিক করে ফেলেছে। সেইমতো, দিল্লির ওই সংস্থার নামও চিঠিতে সুপারিশ করা হয়েছে। অর্থাৎ, ঘুরপথে ওয়েবেলের মাধ্যমে তার বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

    আরও পড়ুন: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    সরকারি কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, গতবারও কোন সংস্থা পরীক্ষা নেবে তা বিকাশ ভবনই ঠিক করে নিয়েছিল। কিন্তু মৌখিকভাবে ওই সংস্থাকে বরাত দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার সেটুকু চক্ষুলজ্জা না রেখে সরাসরি কোন সংস্থা পরীক্ষা নেবে তা আগেই জানিয়ে দিয়েছে প্রাথমিক বোর্ড। এ কথা জেনে বিস্মিত বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, চোরেদের এই সরকারের দুর্নীতি মজ্জাগত। আবার লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থীর জীবন নিয়ে প্রতারণার চক্র শুরু হয়েছে। একমাত্র ন্যাশনাল টেস্টিং অথরিটি বা এনটিএ যদি পরীক্ষা নেয় তা স্বচ্ছ হতে পারে।

    এসএসসি, টেট কেলেঙ্কারি নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হচ্ছে ৫০ কোটি নগদ টাকা। রাজ্যের শাসক দলের হেভিওয়েট মন্ত্রী গারদে। তারপরও, যে রাজ্য শাসক দল ও প্রশাসনের মধ্যে দুর্নীতি নিয়ে যে সামান্যতম হেলদোল নেই, তা এই চিঠিতেই প্রমাণিত।

LinkedIn
Share