Tag: prime minister modi

prime minister modi

  • The Sabarmati Report: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবি দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    The Sabarmati Report: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ ছবি দেখলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রান্ত মৈসী অভিনীত ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ (The Sabarmati Report) সিনেমা দেখেলেন প্রধান নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Modi)। ২০০২ সালের গোধরা স্টেশনে সবরমতি ট্রেনে আগুন লাগিয়ে করসেবকদের পুড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার উপর নির্মিত এই সিনেমার প্রশংসা গত মাসেই করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মিথ্যাচার, অসত্য কথন এবং বিভ্রান্তির গুজবের বিরুদ্ধে সত্য প্রকাশিত হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। একই ভাবে সিনেমার পরিচালক, প্রযোজক এবং অভিনেতাদের ভালো কাজ বলে মূল্যায়ন করেছিলেন।

    ৫৯ জনকে পুড়িয়ে মেরেছিল মুসলিম দুষ্কৃতীরা (The Sabarmati Report)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Modi) সোমবার বিকাল ৪টায় সংসদ কমপ্লেক্সের লাইব্রেরিতে ‘দ্য সবরমতি রিপোর্ট’ দেখেছেন। এই সিনেমার মূল বিষয় হল, ২০০২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, যেদিন গুজরাটের গোধরা স্টেশনে সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের মধ্যে ৫৯ জন শিশু, মহিলা এবং পুরুষদের নৃশংস ভাবে পুড়িয়ে মেরেছিল মুসলিম দুষ্কৃতীরা। পরিকল্পনা করে ষড়যন্ত্র করে যে করা হয়েছিল, সেই সময়ে মূল ধারার সংবাদমাধ্যম তুলে ধরেনি। তাই সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকা এবং সত্যকে চাপা দেওয়া বিষয়ের বিরুদ্ধে নির্মাণ করা হয়েছে সিনেমায়। এদিন মোদির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগত প্রকাশ নাড্ডা সহ আরও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পরিষদের আরও অনেক নেতারা। এই সিনেমার প্রযোজক হলেন একতা কাপুর, পরিচালক ধীরাজ সারনা এবং মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন বিক্রান্ত মৈসী, ঋদ্ধি ডোগরা।

    “মিথ্যা কথন বেশি দিন চলে না”

    এদিন সিনেমা দেখে মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মোদি বলেন, “এনডিএ জোটের সাংসদদের নিয়ে দ্য সবরমতি রিপোর্ট দেখালাম। আমি চলচ্চিত্র (The Sabarmati Report) নির্মাতাদের এই প্রচেষ্টার জন্য সাধুবাদ জানাই। মিথ্যা কথন বেশি দিন চলে না, সত্যকে সাময়িক চাপা দেওয়া যায়, কিন্তু একদিন না একদিন উঠে আসবেই।” একই ভাবে অভিনেতা বিক্রান্ত মৈসী নিজের একটি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সিনেমা দেখার বিষয়টি অত্যন্ত ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওখানে উপস্থিত ছিলেন। আমি কতটা আনন্দিত, ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। আমার জীবনে মোদিজির সঙ্গে সিনেমা দেখার সুযোগ একটি বিরাট পাওনা। আমার ক্যারিয়ারের সব থেকে বড় প্রাপ্তি।” উল্লেখ্য গত ১৫ নেভেম্বর মুক্তি পেয়েছে সিনেমা। ইতিমধ্যে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, গুজরাট, ওড়িশা, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানে কর মুক্ত করা হয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Vikrant Massey (@vikrantmassey)

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Gaganyaan: গগনযানে চড়ে মহাকাশে পাড়ি! প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন চার সৌভাগ্যবানের নাম

    Gaganyaan: গগনযানে চড়ে মহাকাশে পাড়ি! প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করলেন চার সৌভাগ্যবানের নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহাশূন্যে মানুষ পাঠাচ্ছে ভারত। মহাকাশচারী হিসেবে মোট চারজনকে বেছে নেওয়া হয়েছে এই অভিযানের জন্য। গগনযানে (Gaganyaan) চড়ে তাঁরা পাড়ি দেবেন মহাশূন্যে। মঙ্গলবার সেই চার মহাকাশচারীর নাম-পরিচয় প্রকাশ করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিরুঅনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার থেকে ওই চারজনের নাম-পরিচয় প্রকাশ করেন তিনি। তাঁরা হলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন পি বালকৃষ্ণন নায়ার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অজিত কৃষ্ণন, গ্রুপ ক্যাপ্টেন অঙ্গদ প্রতাপ এবং উইং কমান্ডার এস শুক্লা। ‘গগনযান’ (Gaganyaan) অভিযানের আওতায় মহাকাশচারীদের রকেটে চাপিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠানো হবে। তিন দিন পর আবার তাঁদের ফিরিয়ে আনা হবে পৃথিবীতে। অবতরণ করানো হবে আরব সাগরের জলভাগে। ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে এই অভিযান সম্পূর্ণ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    রাশিয়াতেও চলে প্রশিক্ষণ

    অভিযানের (Gaganyaan) জন্য এই চার মহাকাশচারীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে রীতিমতো। শারীরিক সক্ষমতার বিভিন্ন পরীক্ষায় উতরোতে হয় তাঁদের। এরপাশাপাশি চলে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণও। রাশিয়াতেও মহাকাশ অভিযানের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তাঁরা। মহাকাশে যে কোনও পরিস্থিতিতে অভিযোজিত হওয়ার, প্রাণ বাঁচানোর কৌশলও শেখানো হয় তাঁদের।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘গগনযানের (Gaganyaan) চার যাত্রীর নাম জানতে পারলেন দেশবাসী। কিন্তু এগুলি শুধুমাত্র চার মানুষের নাম নয়। চার অদম্য শক্তির নাম, যাঁরা ১৪০ কোটি ভারতীয়র মহাকাশ-স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে চলেছেন। ৪০ বছর পর কোনও ভারতীয় মহাকাশে যাচ্ছেন। তবে এবার আমাদের নিজেদের রকেটে চেপে যাওয়া হচ্ছে।’’

    একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করেন মোদি

    কেরলে সফরে এদিন বিক্রম সারাভাই মহাকাশ কেন্দ্রে আসেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে গগনযান অভিযানের প্রস্তুতিও পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার বেশ কতগুলি প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন। যার মধ্যে বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের জন্য ১৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এর পাশাপাশি তিনি উদ্বোধন করেন ইসরোর প্রোপালসেন কমপ্লেক্সের যা মহেন্দ্রগিরিতে অবস্থিত। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী ভি মুরলিধরন, কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান, কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারায় বিজয়ন, ইসরোর চেয়ারম্যান সোমনাথ এস সমেত অন্যান্য বিজ্ঞানীরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Swarveda temple: বিশ্বের বৃহত্তম ধ্যানমন্দির বারাণসীতে, সোমবার উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

    Swarveda temple: বিশ্বের বৃহত্তম ধ্যানমন্দির বারাণসীতে, সোমবার উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার বারাণসীর উমরাহারে, নবনির্বিত স্বরভেদ (Swarveda temple) মন্দিরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রসঙ্গত, এই মন্দির এতটাই বড় যেখানে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ একসঙ্গে বসে ধ্যান করতে পারবেন। এই মন্দির বিশ্বের বৃহত্তম ধানমন্দিরও হতে চলেছে। মন্দিরের শিল্পকলা, ভাস্কর্যের কারণে বর্তমানে এ নিয়ে জোর আলোচনা চলছে।

    স্বরভেদ নামকরণের মানে কী?

    স্বরভেদ (Swarveda temple) শব্দটি আসলে স্ব ও বেদ দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। স্ব শব্দের অর্থ আত্মা এবং বেদ শব্দের অর্থ জ্ঞান। জ্ঞান বা আত্মজ্ঞান যে জিনিসের দ্বারা পাওয়া যায় তাকেই বলে স্বরভেদ। এই মন্দিরে নির্দিষ্ট কোনও দেবতার পুজো না হবে। তার পরিবর্তে ধ্যান করে আত্মার সঙ্গে পরমাত্মার সংযোগ স্থাপন করতে পারবেন আগ্রহীরা। এই মন্দিরকে ধ্যানের পীঠস্থানও বলা যেতে পারে। জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের বারাণসি শহর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে উমরাহাতে অবস্থিত এই মন্দির। প্রসঙ্গত, এখানকার ‘সদগুরু সাদাফল দেব বিহঙ্গম যোগ সংস্থা’  এই মন্দির (Swarveda temple) নির্মাণ করেছে। স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন মহর্ষি সাদাফল দেবজি মহারাজ। তাঁরই লেখা পুস্তক থেকে এই মন্দিরের এমন নামকরণ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি বিহঙ্গম ধ্যানের প্রতিষ্ঠাতা।

    আরও পড়ুন: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন কেজরিওয়াল, থাকতে পারবেন না ইন্ডি জোটের বৈঠকেও!

    মন্দিরের খুঁটিনাটি

    এই মন্দির সাততলার হতে চলেছে। তিন লাখ বর্গফুট এলাকা জুড়ে নির্মাণ করা হয়েছে এই মন্দির। মন্দির তৈরি হয়েছে মাকরানা মার্বেল দিয়ে। মন্দিরের মাথায় রয়েছে ১২৫টি পাপড়ি (পদ্মের গম্বুজ)। ১৫ জন ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৬,০০ শ্রমিক এই বিশাল মন্দির তৈরি করেছেন। আধুনিক আলোর মালায় এই মন্দিরের (Swarveda temple) সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠছে।

    আরও পড়ুন: ‘ললিত-সৌরভের পিছনে মমতা-অভিষেকের হাত!’ তোপ দাগলেন সুকান্ত

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Air India: ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী বিমান কিনবে এয়ার ইন্ডিয়া, মোদি-মাক্রঁর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি

    Air India: ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী বিমান কিনবে এয়ার ইন্ডিয়া, মোদি-মাক্রঁর উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত চুক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষর করল এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। ফ্রান্স থেকে ২৫০টি যাত্রিবাহী এয়ারবাস বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা (Tata) গোষ্ঠী পরিচালিত এই বিমান সংস্থা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত হয় ওই চুক্তি। দুই রাষ্ট্র প্রধানই এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ারবাস সংস্থার এই চুক্তির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে ভারত-ফান্স সম্পর্কের প্রতীক বলে অভিহিত করেছেন। আর মাক্রঁ জানান, ভারত-ফ্রান্স কৌশলগত সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে এই চুক্তি। ভার্চুয়াল এই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রপ্রধান ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টাটা সন্সের্ চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরন, এয়ারবাসের সিইও গিয়োম ফওরি, টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারপার্সন রতন টাটা, কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া।

    নরেন্দ্র মোদি…

    প্রসঙ্গত, ভারতের বাজারে কেবল বিক্রি নয়, বিশ্বের বড় শিল্প সংস্থাগুলির উৎপাদনও যাতে ভারতেই হতে পারে, সেজন্য মেক ইন ইন্ডিয়া স্লোগান দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৫ সালে তিনি গিয়েছিলেন ফ্রান্সের তুলুসে, এয়ারবাসের কারখানায়। সেখানে ভারতে বিমান নির্মাণ কারখানা গড়ার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছিলেন এয়ারবাস কর্তৃপক্ষ।

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ডিয়ার নরেন্দ্র বলে সম্বোধন করেন মাক্রঁ। তিনি বলেন, ভারতের হাত ধরে যৌথভাবে অনেক সাফল্য অর্জন করেছে ফ্রান্স। মহাকাশ, সাইবার, প্রতিরক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, বায়োটেক, পরমাণু শক্তির মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারতের পাশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে গিয়েছে ফ্রান্স। কোভিড অতিমারির শেষে এই সহযোগিতার সম্পর্ক আরও বাড়বে বলেই আশাবাসী ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

    আরও পড়ুুন: ‘আমাদের সম্পদ চুরি করলে হামলা হবে’, কাশ্মীরে লিথিয়াম ভাণ্ডার নিয়ে হুমকি পাফের

    ভারত-ফ্রান্স এই চুক্তির (Air India) জন্য ফরাসি প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, এই চুক্তি ভারতের অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে সাফল্য ও আকাঙ্খার প্রতিফলন। অসামরিক বিমান পরিবহণ ভারতের বিকাশের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সরকারের জাতীয় পরিকাঠামো কৌশলের অন্যতম অংশ হল অসামরিক বিমানবন্দর। তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে অসামরিক বিমান পরিবহণ ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ বাজার হতে চলেছে। এজন্য আগামী ১৫ বছরে দু হাজারেরও বেশি বিমান লাগবে। এই বাড়তি চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে এই চুক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • India Defence Export: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি! রাজ্যসভায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    India Defence Export: প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি! রাজ্যসভায় জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে বিজেপি সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে নানান প্রসঙ্গ তুলছেন বিরোধীরা। এমনকি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) দেড় ঘন্টার ভাষণের মধ্যেও স্লোগানের ঝড় তোলে বিরোধী পক্ষ। পুরো ঘটনায় বেজায় চটেছেন নমোও। বিপক্ষকে আক্রমণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গরীব মানুষের রুটি-রুজির জন্য কাজ করেছি আমরা।’ বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় সরকারের মেয়াদের নয় বছরে যে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে তার বিস্তারিত বিবরণ দেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রতিরক্ষায় স্বনির্ভর

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিভিন্ন সেক্টরে ‘আত্মনির্ভরতা’র উপর জোর দেওয়া হয়েছে। প্রতিরক্ষা খাতে ভারতের রফতানি এখন ১ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।” প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে সরকার এই সেক্টরে খুব ভাল কাজ করেছে। সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তার সরকারের প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে সবুজ কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়ছে। 

    কর্মসংস্থানের সুযোগ

    প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “গত নয় বছরে, অর্থনীতির প্রসারের সাথে, নতুন খাতে নতুন সুযোগ এসেছে। দেশ যেভাবে সবুজ অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে সবুজ চাকরির সম্ভাবনা বাড়ছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়া পরিষেবা ক্ষেত্রে এক নতুন উচ্চতায়। ৯০,০০০ নিবন্ধিত স্টার্টআপগুলিও কর্মসংস্থানের জন্য নতুন দরজা খুলে দিয়েছে। আত্মনির্ভর ভারত যোজনা থেকে ৬০ লক্ষেরও বেশি নতুন কর্মচারী উপকৃত হয়েছেন। আমরা এই যোজনার মাধ্যমে বিভিন্ন সেক্টর খুলেছি।”

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি টাকা ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী ভাষণ শুরু করতেই বিরোধীদের স্লোগান শুরু হয়। হট্টগোলের মধ্যেই নিজের বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সংসদে কিছু মানুষের ব্যবহার দেশের মানুষের কাছে হতাশাজনক। যতই আমাকে কাদা ছোঁড়া হবে পদ্ম ততই প্রস্ফুটিত হবে’। এরপরই কংগ্রেসকে নিশানা করে নমো বলেন, ‘আমাদের বিরোধীরা বলেছেন বুনিয়াদ তাঁরা তৈরি করেছেন। কংগ্রেস বলছে ৬০ বছর ধরে তাঁরা দেশের বুনিয়াদ তৈরি করেছে। কিন্তু ২০১৪-এ এসে আমরা দেখলাম শুধু বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Lukhnow: লখনউয়ে শুক্রবার গ্লোবাল ইনভেসটর সামিটের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    Lukhnow: লখনউয়ে শুক্রবার গ্লোবাল ইনভেসটর সামিটের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী কাল ১০ ফেব্রুয়ারি উত্তরপ্রদেশ (Uttarpardesh) ও মহারাষ্ট্রে (Maharastra) ঝটিকা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। এদিন উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে (Lucknow) সকাল ১০টায় গ্লোবাল ইনভেস্টর সামিট ২০২৩ (UP Global Investors Summit 2023)-এর সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুরে সেখান থেকে মুম্বই যাবেন মোদি। মুম্বইয়ের (Mumbai) ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস (Chhatrapati Shivaji Maharaj Terminus) থেকে সোলাপুর বন্দে ভারত (Vande Bharat train) এবং মুম্বাই-সাইনগর শিরডি বন্দে ভারত ট্রেনের যাত্রার সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। 

    গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিট

    উত্তরপ্রদেশে, গ্লোবাল ইনভেস্টরস সামিট চলবে ১০ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। স্বাস্থ্যক্ষেত্র, কৃষি, পুষ্টি, ক্ষমতা হোক বা উদ্ভাবন- সব জায়গায় সবদিক থেকে ভারতে নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে এই সম্মেলন এমনটাই অনুমান বাণিজ্যিক মহলের। ‘Invest UP 2.0’-র সূচনা করবেন মোদি।  ইনভেস্ট ইউপি 2.0 হল উত্তরপ্রদেশে একটি ব্যাপক, বিনিয়োগকারী কেন্দ্রিক এবং পরিষেবা ভিত্তিক বিনিয়োগ ইকোসিস্টেম যা বিনিয়োগকারীদের প্রাসঙ্গিক, সুনির্দিষ্ট এবং মানসম্মত পরিষেবা প্রদান করার চেষ্টা করে। 

    আরও পড়ুন: কবি সুভাষ থেকে রুবি, নতুন লাইনে মেট্রো চলবে চলতি মাসেই! জুড়ে যাবে দুটি ভিন্ন লাইন

    নানা আন্তর্জাতিক টানাপড়েন, সঙ্কটের মধ্যেও ভারতের অর্থনীতি সঠিক দিশায় এগোচ্ছে বলে আগেই দাবি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতের অর্থনীতি নিয়ে আশার আলো দেখিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কেন্দ্রীয় বাজেটের পর উত্তরপ্রদেশ সরকার আয়োজিত বিনিয়োগকারীদের এই সম্মেলন জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে অনুমান। 

    মুম্বইয়ে বন্দে ভারত-এর সূচনা

    মুম্বাই-সোলাপুর বন্দে ভারত ট্রেন হবে দেশের নবম বন্দে ভারত ট্রেন। নতুন বিশ্বমানের ট্রেনটি মুম্বাই এবং সোলাপুরের মধ্যে সংযোগ উন্নত করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান যেমন সোলাপুরের সিদ্ধেশ্বর, আক্কালকোট, তুলজাপুর, সোলাপুরের কাছে পান্ধরপুর এবং পুনের কাছে আলন্দির মতো গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থানগুলিতে ভ্রমণের সুবিধা দেবে। মুম্বাই-সাইনগর শিরডি বন্দে ভারত ট্রেন হবে দশম বন্দে ভারত ট্রেন। এটি মহারাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান যেমন নাসিক, ত্রিম্বকেশ্বর, সাইনগর শিরডি, শনি সিঙ্গানাপুরের সংযোগ উন্নত করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • G20 Summit: ‘সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান’, জি ২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    G20 Summit: ‘সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান’, জি ২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর জন্য খাদ্য নিরাপত্তা এবং সেজন্য সারের জোগান নিশ্চিত রাখা যে তাঁর অগ্রাধিকারের তালিকায় জি ২০ (G20 Summit) সম্মেলনে তা জানিয়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মঙ্গলবার এ নিয়ে একটি ট্যুইটও করেন প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, আজ সকালে জি-২০ সম্মেলনে খাদ্য এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে বক্তব্য রাখলাম। আমাদের দেশবাসীর জন্য খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারতের চেষ্টার কথাও তুলে ধরলাম। এটাও বললাম, এসব জিনিসের পর্যাপ্ত জোগানের ধারা বজায় রাখাও জরুরি কারণ যেখানে খাদ্য এবং রাসায়নিক সারের বিষয়টি জড়িত।

    আলোচনার বিষয়বস্তু…

    সোমবার সকালেই জি ২০ (G20 Summit) সম্মেলনে যোগ দিতে তিনদিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হচ্ছে ওই সম্মেলন। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনক। বিশেষ কারণে এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারেননি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তাঁর বদলে এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী সার্গেই লাভরভ। সম্মেলন চলবে দুদিন ধরে। ১৫ ও ১৬ নভেম্বর হওয়া এই সম্মেলনে (G20 Summit) আলোচনা হবে মূলত খাদ্য ও শক্তি সুরক্ষা, স্বাস্থ্য এবং ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন নিয়ে। বৈশ্বিক অর্থনীতি, কৃষিকাজ, আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও আলোচনা হবে।

    আরও পড়ুন: মোদিকে দেখে এগিয়ে এলেন বাইডেন! আলিঙ্গন বন্ধু মাক্রঁর, শুরু জি-২০ বৈঠক

    এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান কীভাবে ভারত দেশের ১.৩ বিলিয়ন নাগরিকের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। তিনি এও জানান, করোনা অতিমারির সময় ভারত বিভিন্ন দেশের প্রয়োজনে খাদ্য সরবরাহ করেছে। বর্তমানে সারের জোগান কম হওয়ায় খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলেও তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন মোদি। তিনি বলেন, আজ রায়াসনিক সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান। এর সমাধানের পথ বিশ্বের কাছে থাকবে না। তিনি বলেন, আমাদের উচিত একটি মিউচুয়াল এগ্রিমেন্ট গড়ে তোলা, যাতে করে খাবার এবং সারের জোগান অব্যাহত থাকে। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতের (India) চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ রিনিউয়েবল উৎস থেকে আসবে বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kedarnath Temple: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    Kedarnath Temple: কেদারনাথ মন্দিরে পুজো করলেন মোদি, শিলান্যাস করলেন রোপওয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ (Kashi Viswanath) মন্দিরের পর এবার উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথ (Kedarnath Temple)। পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য আরও একটি প্রকল্প। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে করিডর প্রকল্পের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মন্দির থেকে গঙ্গার পাড় পর্যন্ত পাঁচ লক্ষ বর্গফুট এলাকা জুড়ে তৈরি করা হয়েছে করিডর। প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছিল ২০১৯ সালে। পরে হয় উদ্বোধন।

    বিশ্বনাথ মন্দিরের করিডর উদ্বোধনের পর এবার কেদারনাথ মন্দিরে (Kedarnath Temple) রোপওয়ে প্রকল্পের শিলান্যাস করলেন মোদি। রোপওয়ে হবে গৌরীকুণ্ড থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত। শুক্রবার এই প্রকল্পেরই শিলান্যাস করেন মোদি। করেন কেদারনাথের পুজোও। এদিন পাহাড়বাসীর ঐতিহ্যবাহী সাদা রংয়ের একটি পোশাক পরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। পোশাকে আঁকা ছিল স্বস্তিকা চিহ্ন। কেদারনাথের পাশাপাশি এদিন তাঁর বৈদ্যনাথ মন্দির দর্শনেও যাওয়ার কথা। দু দিনের এই সফরে উত্তরাখণ্ডে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ খতিয়ে দেখবেন। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বেশ কয়েকটি নয়া প্রকল্পের। এদিন প্রধানমন্ত্রীকে দেরাদুন বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে যান গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল গুরমিত সিং, মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় ভাট।

    এদিন মন্দিরে (Kedarnath Temple) গিয়ে প্রথমে ভগবান কেদারনাথের পুজো করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে শিলান্যাস করেন ৯.৭ কিমি দীর্ঘ গৌরীকুণ্ড-কেদারনাথ রোপওয়ে প্রকল্পের। এই রোপওয়ে ব্যবহার করে পুণ্যার্থীরা গৌরীকুণ্ড থেকে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছে যাবেন কেদারনাথ মন্দিরে। পুজো দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনা করেন পুরোহিত। মন্দির থেকে প্রধানমন্ত্রী যান আদি গুরু শঙ্করাচার্যের সমাধিস্থল দর্শনে। সেখানে কিছুক্ষণ সময়ও কাটান তিনি। পরে যাওয়ার কথা বৈদ্যনাথ ধামে। সেখানে উন্ননয়মূলক বিভিন্ন কাজ খতিয়ে দেখবেন তিনি। রোপওয়ে ও রাস্তার কাজের যে শিলান্যস এদিন দুপুরে করেন মোদি, সেজন্য খরচ হবে ৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। অ্যারিভ্যাল প্লাজা এলাকায় সৌন্দর্যায়নের কাজও খতিয়ে দেখার কথা প্রধানমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এনিয়ে ছ বার কেদারনাথ দর্শনে গেলেন মোদি। আর বৈদ্যনাথ ধামে গেলেন দ্বিতীয়বার।

     

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share