Tag: Prime Minister

Prime Minister

  • Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    Abhijit Gangopadhyay: রবি-সন্ধ্যায় শপথ মোদির, নতুন সরকারে আইনমন্ত্রী হচ্ছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি (NDA 3.0)। তবে বদল হয়েছে শপথ নেওয়ার দিন। আগে শনিবারে এই অনুষ্ঠানের দিন ধার্য করা হলেও পরে সেই দিনের বদল ঘটেছে। জানা গিয়েছে, রবিবার ৯ জুন সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন মোদি। কিন্তু শপথ গ্রহণের আগে শুক্রবার দিল্লিতে নব নির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে বৈঠকে বসছে বিজেপির (NDA 3.0) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, শুক্রবার বৈঠক হবে। সাংসদদের নিয়ে ডাকা বৈঠকে যোগ দিতে ইতিমধ্যেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছেন বাংলা থেকে নির্বাচিত সাংসদরা। শুক্রবারের সভায় উপস্থিত থাকবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, এবারও সাংসদের মধ্যে কয়েকজনকে নিয়ে আলাদা বৈঠক করতে পারেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    বাংলা থেকে কারা পেতে পারেন মন্ত্রিত্ব?   

    তবে এবার বাংলা থেকে মন্ত্রিসভায় কারা থাকবে তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। বেশ কয়েকটি নাম নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। এর মধ্যে তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Abhijit Gangopadhyay) নাম নিয়ে চর্চা চলছে। সূত্রের খবর, বাংলা থেকে এবার মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন ২ জন। জানা যাচ্ছে এই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন অমিত শাহ। সেখানেই বাংলা থেকে ২ জনকে মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ থেকে মনোজ টিগ্গা ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে (Abhijit Gangopadhyay) মন্ত্রী করার প্রস্তাব দিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বঙ্গ বিজেপির অন্দরে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে, কেন্দ্রের আইন প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন অভিজিৎবাবু। অন্যদিকে আবার এও শোনা যাচ্ছে, দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রী সভায় স্থান পেতে চলেছেন শান্তনু ঠাকুর।  

    এছাড়াও মালদা উত্তর কেন্দ্রের দুবারের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর নাম নিয়ে চলছে আলোচনা। আলোচনায় রয়েছেন জলপাইগুড়ির সাংসদ জয়ন্ত রায়ও। আরও একটি নাম নিয়ে চর্চা চলছে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সৌমেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে আবার রাজ্য বিজেপির (BJP) সভাপতি সুকান্ত মজুমদারেরও মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। তবে সবই রয়েছে জল্পনার মধ্যে। কারণ, দিন শেষে সব সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। ফলে সিদ্ধান্তে যে কোনও রদবদল যে কোনও সময় আসতেই পারে তা বলাই বাহুল্য। 

    আরও পড়ুন: সাংসদ কঙ্গনাকে চড় মারায় নিন্দার ঝড়, অভিযুক্ত জওয়ানকে সাসপেন্ড

    তৃতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে মোদি (NDA 3.0) 

    প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের ফল বেরতেই এটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে, বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বিজেপির ঝুলিতে ছিল ২৪০ আসন যা ম্যাজিক ফিগারের অনেক নীচে। তবে এনডিএ-এর ঝুলিতে রয়েছে ২৯২ আসন। ফলে সরকার গড়তে বিজেপি এখন শরিক নির্ভর। তাই লোকসভা ভোটের ফল বেরনোর পর বুধবারই বৈঠকে বসে এনডিএ শিবির। এনডিএ বৈঠকে (NDA 3.0) নরেন্দ্র মোদি সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত হন। তাই শরিকদের সমর্থন পেতেই তৃতীয়বারের জন্য মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না। 

    তবে চন্দ্রবাবু নায়ডুর টিডিপি এবং নীতীশ কুমারের জেডিইউ উভয়েই লোকসভার স্পিকার পদের দাবিদার। পাশাপাশি, মন্ত্রিসভায় নিজের দলের কমপক্ষে ৪ জনকে দেখতে চেয়েছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। ওদিকে, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে জেডিইউ-র মোট ৫ জনকে রাখার দাবি জানিয়েছেন নীতীশ কুমারও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India China War: সেনাপ্রধান পদে থাপারের নিয়োগ, নেহরুর সিদ্ধান্তে চিনের কাছে ভারত খুইয়েছে ভূখণ্ড!

    India China War: সেনাপ্রধান পদে থাপারের নিয়োগ, নেহরুর সিদ্ধান্তে চিনের কাছে ভারত খুইয়েছে ভূখণ্ড!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬১ সাল। দেশের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। চিফ আর্মি স্টাফ পদে নিয়োগ করলেন প্রাণনাথ থাপারকে (India China War)। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত আজও ইতিহাসের আতশ কাচের তলায়। এখনও তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ওঠে বিতর্কের ঝড়। ঐতিহাসিক রোমিলা থাপারের কাকা এই প্রাণনাথ। তাঁর ছেলে করণ থাপার নাম করা জার্নালিস্ট। সেনা প্রধান পদে প্রাণনাথকে নিয়োগ করেছিলেন জওহরলাল। নেহরুর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের খাতিরেও ওই পদে বসানো হয় তাঁকে।

    প্রাণনাথ থাপার (India China War)

    প্রাণনাথের জন্ম ঝিলামে। বর্তমানে এটি পাকিস্তানে। নাম করা ডালি কলেজের পাঠ চুকিয়ে প্রাণনাথ চলে যান ইন্ডিয়ান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি (India China War)। বর্মায়(অধুনা মায়ানমার) ফোর্থ ইন্ডিয়ান ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের কমান্ডার ছিলেন তিনি। ভারতীয় সেনার পরিকাঠামোকে আধুনিক করে তুলতে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। পুণের খাদাখাওসলায় তিনি স্থাপন করেন ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি। এই প্রতিষ্ঠানে আজও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় ভবিষ্যতের সেনানায়কদের।

    সেনা প্রধান পদে নিয়োগ

    এহেন প্রাণনাথের সেনা প্রধান পদে নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক ছিল। লেজেন্ডারি জেনারেল কেএম কেরিয়াপ্পা অবশ্য সেনাপ্রধান পদে চেয়েছিলেন জেনারেল থোরাটকে। তাঁর যুক্তি ছিল, চিন সীমান্ত নিয়ে থোরাটের অভিজ্ঞতা বিস্তর। সেনাবাহিনীকে ফরওয়ার্ড পজিশনে মোতায়েন করার কথা বলায় তখন তিনি প্রাণনাথের চেয়ে ঢের বেশি যোগ্য বলেই দাবি করেছিলেন কেরিয়াপ্পা। কিন্তু পারিবারিক যোগাযোগ থাকায় কেরিয়াপ্পার কথা কানে তোলেননি নেহরু। সেনা প্রধান পদে বসিয়ে দেন থাপারকে।

    আর পড়ুন: “ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করতে বাজেট সংস্কার করা হয়েছে”, বললেন নির্মলা

    সাইনো-ইন্ডিয়ান যুদ্ধ

    ১৯৬২ সালে হয় সাইনো-ইন্ডিয়ান যুদ্ধ। এই সময় সেনা প্রধান পদে ছিলেন থাপার। তখনই ধরা পড়ে যুদ্ধের জন্য আগাম কোনও প্রস্তুতিই ছিল না ভারতীয় সেনার। ভারতীয় সেনার দুর্বলতাও প্রকাশ্যে চলে আসে। চিন সীমান্ত সম্পর্কে থাপারের জ্ঞান ছিল খুবই কম। সেই কারণেই ওই যুদ্ধের মোকাবিলা করতে গিয়ে সমলোচনার তিরে বিদ্ধ হন তিনি। থাপারের নির্দেশের জেরেই চিনের কাছে ভারতকে খোয়াতে হয় ৪০ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা। হাজার হাজার ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ভারতীয় সেনার ইতিহাসে আজও লেগে রয়েছে যে রক্তের দাগ। দেশ হারতেই থাপার সেনা প্রধান পদে ইস্তফা দিতে চান। অনেকের মতে, এটা ছিল লোক দেখানো। জনগণের দৃষ্টি ঘোরাতে এই সময় নেহরু তাঁকে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ করেন। ভিন দেশে সেই পদেই অবসর নেন তিনি (India China War)।

    আগুনে ঘি পড়ে

    তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে যেন আগুনে ঘি পড়ে। সেনাপ্রধান পদে ব্যর্থতার কারণে যাঁর মূল্য চোকানোর প্রয়োজন ছিল, তাঁকেই কিনা রাষ্ট্রদূতের পদ উপহার! যদিও চিনের কাছে দেশ যে ভূখণ্ড খুইয়েছে, সংসদে সে দাবি অস্বীকার করেছিলেন নেহরু। তার জেরে আরও খেপে যান বিরোধীরা। অনেকের মতে, থাপারের বদলে ওই সময় জেনারেল থোরাটকে সেনা প্রধান পদে নিয়োগ করা হলে চিনের কাছে হারতে হত না ভারতকে, খোয়াতে হত না ভূখণ্ডও। থোরাটকে টপকে থাপারকে সেনা প্রধান পদে বসানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, ভারতীয় সেনার ইতিহাসে আজও তা একটি বিতর্কিত অধ্যায়। সেনা প্রধান পদে রাজনৈতিক প্রভাবের পরিণাম কী হতে পারে, তা নিয়ে আজও আলোচনা হয় সেনার অন্দরে।

    সেনাবাহিনীর ইতিহাসে থাপারের অবদান যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি তাঁকে নিয়ে রয়েছে বিস্তর বিতর্কও। এখনও তাঁর নিয়োগ নিয়ে চর্চা হলে তুফান ওঠে চায়ের কাপে। থাপারের নিয়োগ প্রমাণ করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এক, আর মিলিটারি স্ট্র্যাটেজি আর এক। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যেমন খুশি হলে তার খেসারত দিতে হয় দেশকে। আর সেনার ক্ষেত্রে স্ট্র্যাটেজিই শেষ কথা। যে দেশের যুদ্ধ কৌশল যত প্রাসঙ্গিক হবে, সেই দেশের জয় ততই নিশ্চিত হবে। রক্তও ঝরবে কম। প্রাণবলির আশঙ্কাও থাকে না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, চিন সীমান্ত সম্পর্কে খুব কম ধারণা থাকায় থাপার ঠিক মতো ঘুঁটি সাজাতে পারেননি। যার জেরে ভারতের একটি বিরাট অংশ দখল করে ফেলেছিল চিন। সেদিন থাপারকে ওই পদে বসানোর সিদ্ধান্ত যদি নেহরু না নিতেন, তাহলে ভারতকে জমি খুইয়ে চোকাতে হত না মূল্য (India China War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শান্তির আশায় পাকিস্তানকে প্রেমপত্র পাঠাত কংগ্রেস। কিন্তু সেই সব চিঠির প্রেক্ষিতে আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত ভারতের প্রতিবেশী দেশটি।” শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ের নির্বাচনী জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতি যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী বদলেছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর মোক্ষম বাণ (PM Modi)

    এর পরেই মোক্ষম বাণটি নিক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই লোকসভা নির্বাচনে জিতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশা করছেন পাকিস্তানি নেতারা। এক সময় নিরীহ পর্যটককে খুন করত সন্ত্রাসবাদীরা। তার পরেও সরকার পাকিস্তানকে প্রায়ই প্রেমপত্র পাঠাত। তার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত। কিন্তু আপনাদের মূল্যবান একটি ভোটের শক্তিতে আমি বললাম, ঢের হয়েছে। আজকের নয়া ভারত আর কোনও দলিল পাঠাবে না পাকিস্তানকে। এই হল নয়া ভারত – ‘ঘর মে ঘুষ কে মারতা হ্যায়’ (ঘরে ঢুকে গিয়ে মারছে)।” তিনি (PM Modi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের লোকজন আমাদের দেশকে রক্ষা করতে যেতেন। সীমান্তে তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতেন। এ ছবি প্রায় প্রতি মাসেরই ছিল। কংগ্রেসের ভীরু সরকার গোটা বিশ্বে এনিয়ে কান্নাকাটি করত।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    দুই স্ট্রাইকের ‘গল্প’

    প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে উঠে আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইকের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইক পাকিস্তানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে, বাঁচাও, বাঁচাও। তাই পাকিস্তানের নেতারা প্রার্থনা করছেন যাতে কংগ্রেসের শাহাজাদা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারত এখন একটা শক্তিশালী সরকার চায়।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী ফুয়াদ চৌধুরী রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করছেন এই বলে যে তাঁর মধ্যে সোশ্যালিস্টিক ইডিওলজি রয়েছে।” এদিনের জনসভায় ফুয়াদের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে যে নকশালবাদ, সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফা ভোটের আগে বাংলায় প্রচারের তীব্রতা আরও বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP)। ফের বঙ্গ সফরে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন বাংলায়। এর আগে মোদি উত্তরবঙ্গে একাধিক লোকসভায় জনসভা করে গিয়েছেন। এবার তিনদিনের ব্যবধানে রাজ্যে মোদি-যোগী আসায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা।

    কবে, কোথায় আসছেন মোদি-যোগী? (BJP)

    আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দলীয় প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে সভা করবেন তিনি। নদিয়া উত্তর বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক জেলার আয়োজিত ওই সভা হওয়ার কথা তেহট্ট শ্যামনগর ফুটবল প্লে-গ্রাউন্ডে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে রাজ্যের ৪২ আসনের মধ্যে অন্যতম ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্র কৃষ্ণনগর। শুধু রাজ্যের নিরিখেই নয়, গোটা দেশের নিরিখেও এবার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটি তাৎপর্যপূর্ণ। এ কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। অন্যদিকে, ৩০ এপ্রিল কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগর, বর্ধমান পূর্ব, বোলপুরে জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মালদায় সভা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ এপ্রিল বাংলায় তিনটি সভা করার কথা রয়েছে যোগীর। বহরমপুর, আসানসোল এবং বীরভূম, তিনটি জেলায় সভা করবেন যোগী। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে সাংগঠনিক প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার বহরমপুরের শক্তিপুরে, বীরভূমের বেণীমাধব স্কুল মাঠে এবং আসানসোলের নিনঘহ মাঠে সভা করবেন যোগী। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর দিন শক্তিপুরে রামভক্তদের মিছিলে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধ। একাধিক রামভক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। এবার সেই শক্তিপুরে যোগী আসায় এলাকায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন। এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে এই প্রথম আসছেন যোগী।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    Sandeshkhali: প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা পাত্র, পাচ্ছেন ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাহজাহানের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে সরব হয়েছিলেন। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) সেই প্রতিবাদী মুখ রেখা পাত্রকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। শুরু হয়েছে এলাকায় দেওয়াল লিখনও। কর্মীরাও প্রচার শুরু করেছেন। এমনিতেই তাঁর বিরুদ্ধে সন্দেশখালির কিছু মানুষ বিরোধিতা করেছিলেন। তাঁরা ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তাঁরা পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এই আবহের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা হওয়ার পর অনেকটাই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছেন তিনি। তবে, তিনি অন্যান্য প্রার্থীদের মতো করে প্রচার শুরু করেননি।

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাসী রেখা (Sandeshkhali)

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হওয়ার পর রেখা বলেন, ১৫ মিনিট কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি মা-বোনদের পাশে আছেন। জিজ্ঞেস করেছেন, বোন তুমি পারবে তো জয়ী হতে? উত্তরে আমি বলেছি, মা-বোনেরা আমার সঙ্গে আছে। আমি নির্ভয়ে এগিয়ে যাব। রেখা আরও বলেন, বসিরহাটের মানুষের কাছে ভোট চাইতে হবে না আমাকে। আমি আত্মবিশ্বাসী যে ভোট দিতে আমাকে দ্বিধাবোধ করবেন না মানুষ, কারণ তাঁরাও চান অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে। আমাকে কেউ অবহেলা করবেন না। অত্যাচারিত মা বোনেদের সুরক্ষার জন্যই যে আমার লড়াই। তবে প্রচার কবে থেকে শুরু হবে, সে ব্যাপারে এখনও দলের সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। তবে, তৃণমূলের অপশাসনের বিরুদ্ধে অনেক আগেই আমি লড়াই শুরু করে দিয়েছে। রাজ্যের মানুষ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রতিবাদ দেখেছেন। ভোট প্রচারে সেই লড়াই তুলে ধরব।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ওয়াই ক্যাটেগরি পাচ্ছেন রেখা!

    শেখ শাহজাহান শেখ ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে যে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল, তার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিলেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। সেই সময় আন্দোলনের মুখ ছিলেন রেখা পাত্র। শুধু তাই নয়, তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই গ্রেফতার হন শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দার। একের পর শাহজাহান বাহিনী জেলবন্দি হয়েছেন তাঁর প্রতিবাদের পরই। তাই, সুরক্ষার প্রয়োজনে তাঁর ওয়াই ক্যাটেগরি নিরাপত্তা দেওয়া হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: মন্দিরে পুজো দিয়ে অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নিশীথ

    Nisith Pramanik: মন্দিরে পুজো দিয়ে অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়ন জমা দিলেন নিশীথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)-এর ফের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই জোর কদমে চলছে প্রস্তুতি। চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ। বৃহস্পতিবার মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন তিনি। এদিন জেলাশাসকের দফতরে দলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক সুকুমার রায়, রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিজেপি প্রার্থী। দলীয় প্রার্থীকে নিয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন কর্মীরা।

    অনন্ত মহারাজকে সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন নিশীথ

    ২ মার্চ বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই অনন্ত মহারাজ ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করে বলেছিলেন, শাহের সঙ্গে তাঁর ফোনে কথা হয়। তাঁকে জানানো হয়েছে, কোচবিহার পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হচ্ছে না। এমনকী তিনি এও বলেন, ‘সাধারণ মানুষ চাইলে আমি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ত্যাগ করব।’ বিজেপি-র সঙ্গে কিছুটা দুরত্ব তৈরি হলেও নিশীথ প্রামাণিকের (Nisith Pramanik) হস্তক্ষেপে সব সমস্যা মিটে যায়। রাজ্যসভা ভোটের টিকিট পাওয়ার সময় নিশীথই গিয়ে অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। নিশীথের সঙ্গে অনন্তর সম্পর্ক ‘ভালো’ বলেই জানেন সকলে। কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গে জনসভা করে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই জনসভায় মঞ্চে ছিলেন অনন্তও। তবে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যেও মান ভাঙেনি তাঁর। এই আবহে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তথা কোচবিহার কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক যান অনন্ত মহারাজের সঙ্গে দেখা করতে। বৃহস্পতিার কোচবিহারের লোকসভা প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁকে থাকার অনুরোধ করেছিলেন। নিশীথের সঙ্গে সাক্ষাতের পর অনন্ত মহারাজ বলেন, ‘দলের নির্দেশে মনোনয়ন পেশের সময় আমি সেখানে থাকব। এর আগে দল আমাকে গুরুত্ব দিচ্ছিল না, তাই কোথাও যাচ্ছিলাম না। দল এখন ডেকেছে। তাই যাব।’ কথা রেখেছেন অনন্ত মহারাজ। এদিন বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনিক ভবনে যান। মিছিলে প্রচুর কর্মী, সমর্থক হাজির ছিলেন। জেলা শাসকের দফতরে গিয়ে বিজেপি প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে লিড দিলেই মিলবে আবাস যোজনার টাকা, বেফাঁস পার্থ ভৌমিক

    কী বললেন নিশীথ প্রামাণিক? (Nisith Pramanik)

    মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইলেন নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, আমরা যে উন্নয়নের অঙ্গীকার করেছিলাম সেই উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকার করে চলেছে। কোথাও অন্যায় হলে আমরা রুখে দাঁড়াব।  পরিকাঠামোগত থেকে যোগাযোগ রক্ষার যে উন্নয়ন সারা দেশে হচ্ছে কোচবিহারেও তা জারি থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি যে স্বপ্ন দেখেছেন ভারতকে বিশ্বের দরবারে শ্রেষ্ঠ স্থানে পৌঁছে দেওয়ার, সেই বিষয় সাধারণ মানুষের কাছে আরও একবার আবেদন রাখবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি ও সরকারি অনুষ্ঠানের সময়ের তাড়া ভুলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালি মাঠে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি জনসভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময় ধরেই বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তিনি সড়ক পথে রওনা হয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের পাশে কাওয়াখালি মাঠের উদ্দেশ্যে। কিন্তু, বাগডোগড়া বিমানবন্দর থেকে বের হতেই প্রধানমন্ত্রী দেখেন রাস্তার দু’ধারে অগণিত মানুষ তাঁকে দেখার জন্য অধিক প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাই জেট গতিতে কনভয় না ছুটিয়ে ধীর গতিতে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। গাড়ি থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেন মোদি।

    মোদিকে দেখতে রাস্তার দুধারে জনজোয়ার (Narendra Modi)

    বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কাওয়াখালি মাঠ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার কনভয়ে ধীর গতিতে মোদি সভাস্থলে যান। ফলে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছন সভাস্থলে। সেখানেও  প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) দেখার জন্য লাখো মানুষের ভিড় ছিল। তাই, বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, রাস্তার ধারে মানুষ ভালোবাসার টানে অপেক্ষা করেছিলেন।  মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে আসতে গিয়ে এখানে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তারজন্য আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।

    মিনি ভারতবর্য!

    প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখা ও তাঁর বার্তা শোনার জন্য এদিন সকাল থেকে  নানা ভাষা ও বর্ণের মানুষ উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকেই মিলিত হয়েছিলেন এই কাওয়াখালির মাঠে। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক পাহাড়ের প্রতিটি প্রান্ত থেকে সকাল হতেই গাড়ির মিছিল এসে মিলেছে কাওয়াখালি মাঠে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মাথাভাঙ্গা, ময়নাগুড়ি, দিনহাটা, ডুয়ার্সের চালসা মেটেলি থেকেও এসেছেন দলে দলে মানুষ। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের এই সমাবেশে কাওয়াখালির মাঠ কার্যত এদিন মিনি ভারতবর্ষের চেহারা নেয়। সমাবেশের ভিড় দেখে মিনি ভারতবর্ষের কথা বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক (Narendra Modi)

    সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ এসেছেন। মাঠে ঢোকার আগে সকলের মধ্যে ছিল বিজেপির পতাকা, নরেন্দ্র মোদির মুখোশ টুপি কেনার হিড়িক। সময় যত গড়িয়েছে জনসভায় ভিড় তত বেড়েছে। দল বেঁধে মতুয়ারা এসেছেন ঢাকঢোল পিটিয়ে উৎসবের মেজাজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। এদিন উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ যে তৃণমূলকে উৎখাত করা শপথ নিতে এসেছিলেন তা তাদের প্রতিক্রিয়াতেই ধরা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী  তৃণমূলের দুর্নীতি, অপশাসন নিয়ে সমালোচনায় সরব হলেই সকলে জোটবদ্ধ হয়ে তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। দেশের উন্নয়নের বার্তা এবং রাজ্যে তৃণমূলের অপশাসনের অবসানের শপথ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে সকলে নিজের নিজের মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালান। শনিবার গোধূলি বেলায় কাওয়াখালির মাঠে অকাল দেওয়ালি নেমে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

    Narendra Modi: মহিলাদের ‘লাখপতি দিদি’ বানানো তাঁর লক্ষ্য, বারাসতে ঘোষণা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ বছরে বিজেপি সরকার সারা দেশে মহিলাদের সার্বিক উন্নতি সাধনের জন্য কী কী করেছে, বারাসতের সভা থেকে তার পরিসংখ্যান তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি সভায় উপস্থিতি মহিলাদের উদ্দেশে  বলেন, আমাদের লক্ষ্য আপনাদের লাখপতি দিদি বানানো। জনধন যোজনায় কয়েক কোটি মহিলা অ্যাকাউন্ট খুলেছে। তার মধ্যে কেবল তিন কোটি মহিলা বাংলারই।

    বাংলাতেও ১৬ লক্ষের বেশি মহিলা লাখপতি দিদি (Narendra Modi)

    মোদি সভামঞ্চে উঠতেই মহিলাদের ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। মোদিকে মা কালীর মূর্তি দিয়ে সম্মান জানানো হয়। সম্মান জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গা-লোকসভার ছবি, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর কাঁথার স্টিচে তৈরি করা মা দুর্গার ছবিও মোদির হাতে তুলে দেওয়া হয়। ফাল্গুনী পাত্র মোদির হাতে তুলে দেন বাবা লোকনাথের মূর্তি। জয় মা কালী’, ‘জয় মা দুর্গা’ বলে বারাসতের সভা থেকে ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার মা-বোনেরা ও ভাই বন্ধুকে প্রণাম জানান তিনি। আজকের এই সভার ভিড়ই প্রমাণ করছে, বিজেপি কীভাবে নারীশক্তিকে বিকশিত ভারতের শক্তি বানাচ্ছে। মোদি আরও বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠীতে মহিলার সংখ্যা ১০ কোটির বেশি পেরিয়ে গিয়েছে। বাংলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকেও ৯০ হাজার কোটি টাকার সাহায্য করা হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে, শিল্পে, কুটির শিল্পে মহিলারা অগ্রণী। আমাদের প্রয়াস গ্রামে থাকা আপনাদের মতো মহিলাকে লাখপতি দিদি বানানো। গ্রামে গ্রামে এত লাখপতি দিদি যখন থাকবে, তাহলে গ্রামের ছবিটাই বদলে যাবে। ১ কোটি মহিলাকে লাখপতি দিদি বানাতে বিজেপি সফল। বাংলাতেও ১৬ লক্ষের বেশি মহিলা লাখপতি দিদি হয়ে গিয়েছেন।

    বাংলায় তৃণমূল নামে গ্রহণের কারণে উন্নয়ন থমকে রয়েছে

    মহিলাদের আর্থিক উন্নয়নের পাশাপাশি তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার গ্যারান্টি দিয়েছেন মোদি (Narendra Modi)। তিনি বলেন, আমরা সস্তায় সিলিন্ডার দিচ্ছি। কিন্তু, উজ্বলা কানেকশনের জন্য ১৪ লাখেরও বেশি আবেদন পেন্ডিং পড়ে রয়েছে বাংলাতেই। যেখানে যেখানে জোট সরকার আছে, এই ধরনের সমস্যা হচ্ছে। বাংলায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ২৪ লক্ষ মহিলার নামে রয়েছে। মহিলাদের সুরক্ষা মোদির গ্যারান্টি। আমাদের রাষ্ট্রপতি আদিবাসী সমাজে জন্ম নিয়েছেন। মোদি মুসলিম মহিলাদের তিন তালাক থেকে মুক্তি দিয়েছে। ইন্ডি-জোটের শরিকরা তখনও কট্টপন্থিদের সঙ্গে ছিল, এখনও রয়েছে। বাংলায় তৃণমূল নামের যে গ্রহণ লেগে রয়েছে, তাতে অগ্রগতি আটকে যাবে।

    মহিলাদের আয় বাড়াতে ড্রোন দেওয়া হবে

    মোদি বলেন, মুদ্রা যোজনায় নিজের ব্যবসা শুরু করার বিষয়েও মেয়েরাই এগিয়ে। ১.৫ লক্ষ কেবল বাংলার মহিলাই উপকৃত। পিএম কিষাণ সম্মানেও ৩ কোটি মহিলা কৃষকও প্রথমবার টাকা পেয়েছেন। আমরা পিএম বিশ্বকর্মা যোজনা এনেছি। ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ করা হচ্ছে তাতে। গ্রামের মহিলাদের জন্য নমো ড্রোন দিদি যোজনা শুরু করা হয়েছে। তাতে ড্রোন, পাইলটের ট্রেনিং দেওয়া হচ্ছে। তাতে মহিলাদের ড্রোন দেওয়া হবে, তাতে চাষের কাজে ব্যবহার করা হবে। মহিলাদের রোজগার হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করলেন মোদি, শুনলেন অত্যাচারের কথা

    Narendra Modi: মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে দেখা করলেন মোদি, শুনলেন অত্যাচারের কথা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাহজাহান বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন বাসিন্দারা। বাড়ির সুন্দরী বউদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালাতেন তৃণমূলের নেতারা। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। ঝাঁটা হাতে রুখে দাঁড়়িয়েছিলেন তাঁরা। নারী শক্তির ক্ষমতা সাংবাদ মাধ্যমের দৌলতে রাজ্য তথা দেশবাসী দেখেছেন। এবার সেই সন্দেশখালির নির্যাতিতারা বারাসতে প্রধানমন্ত্রীর সভায় এসেছিলেন। তৃণমূলের বাধা, পুলিশের সমন তাঁদের আটকাতে পারেনি। নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বক্তব্য শেষ করে মঞ্চের পিছনে সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন। অনেকেই এগিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীকে নমস্কার করার জন্য। কিন্তু, তিনি বলেন, আমারই উচিত আপনাদের নমস্কার করা। আপনারাই তো মা দুর্গা। সন্দেশখালির মহিলা প্রতিনিধিরা জানালেন, তাঁরা সব অভিযোগ খুলে বলেছেন প্রধানমন্ত্রীকে। তিনিও শুনেছেন সব কথা। সন্দেশখালির মহিলারা জানিয়েছেন, এখনও সেখানে অশান্তির পরিবেশ অব্যাহত। এখনও আতঙ্কে মানুষ। সন্দেশখালির এক মহিলা জানালেন,’আমরা বলেছি স্যার, আমাদের রাজ্য পুলিশের ওপর কোনও আস্থা নেই। উনি বলেছেন, আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে দেব। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে, সন্দেশখালির মহিলাদের কথা নোটও রাখেন একজন। ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। অভয় দেন তাঁদের।

    মোদিকে দেখতে যশোর রোডের দুধারে উপচে পড়ল ভিড় (Narendra Modi)

    এদিন এয়ারপোর্ট থেকে কনভয় করে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বারাসতে আসেন। যশোর রোডের দুধারে কাতারে কাতারে লোকজন প্রধানমন্ত্রীকে দেখার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন। মর্জিনা খাতুন নামে এক মহিলা বলেন, আমার আত্মীয় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। আমার বাড়ি বনগাঁ। মোদির কথা অনেক শুনেছি। কোনওদিন দেখিনি। এই রাস্তা দিয়ে যাবে বলে দুঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি। আসলে এই সুযোগ আমি হাতছাড়া করতে চাইনি। মর্জিনার মতো হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এক ঝলক মোদিকে দেখার জন্য সকাল থেকে রাস্তার ধারে ভিড় করে রয়েছেন। ফলে, সময় যত বেড়েছে, পাল্লা দিয়ে রাস্তায় ভিড় তত বেড়েছে। কনভয়ে প্রধানমন্ত্রী রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় মোদি মোদি….বলে অনেক উৎসাহী জনতাকে চিৎকার করতে দেখা গিয়েছে। রাস্তার দুধারে সাধারণ মানুষের ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে তা সামাল দিতে পুলিশকে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। আর বারাসতের কাছারি রোডের জনসভায় তো তিল ধারণের জায়গা ছিল না। বিশেষ করে গোটা সভাস্থল মহিলা ব্রিগেডে পরিণত হয়েছিল।

    সারা দেশজুড়ে সভার সম্প্রচার

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, ‘বিজেপির মহিলা মোর্চার নেতাদের অনেক ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি বহু বছর সংগঠনে কাজ করেছি। তাই জানি, এত বড় আকারের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির পরিকল্পনা করা, দেশের সাধারণ মানুষের জীবনের অন্যতম বড় ঘটনা। এবার গ্রামে গ্রামে আমাদের মা, বোন, মেয়েরা নারী শক্তি বন্দনা কর্মসূচির জন্য দৌড়চ্ছেন। আজকের এই বিশাল জনসমাগম প্রমাণ করছে কীভাবে বিজেপি নারী শক্তিকে ভিত্তি করে দেশের উন্নয়নের পথ গড়ছে। বিজেপির শক্তি বন্দনা কর্মসূচির সময় দেশের মহিলাদের কাছে গিয়ে আমরা কথা বলেছি। প্রযুক্তির মাধ্যমে আজকের সভা দেশের প্রায় ২০ হাজার জায়গায় সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর তাতে মা, বোনেরা অংশগ্রহণ করেছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: “ছোট বয়সে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম”, জীবন-যুদ্ধের কাহিনি শোনালেন মোদি

    Narendra Modi: “ছোট বয়সে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম”, জীবন-যুদ্ধের কাহিনি শোনালেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একাধিক সভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগের জবাব দিয়ে থাকেন। কিন্তু বারাসতের সভায় নিজের পরিবার নিয়ে মুখ খুললেন, প্রকাশ করলেন আসল সত্য। সারা দেশের মানুষ তাঁর পরিবার, একথা তিনি এর আগেও একাধিকবার বলেছেন। তবে, কেন সারা দেশের ১৪০ কোটি মানুষ তাঁর পরিবার, বারাসতের সভা থেকে সেই কারণও ব্যাখ্যা করেছেন মোদি।

    গোটা দেশবাসী কেন মোদির পরিবার? (Narendra Modi)

    বারাসতের সভা থেকে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, কিছু মানুষের মনে হয়, কোনও রাজনৈতিক নেতা আমাকে গালি দিয়েছে, তাই আপনাদের সবাইকে নিজের পরিবার বলছি। আসলে আজ সত্যিটা বলছি। আমি অনেক ছোট বয়সে ঘর থেকে একটা ঝোলা নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলাম। পরিবার ছেড়ে দেশের কোণায় কোণায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। কিছু খোঁজার চেষ্টা করছিলাম। আমার পকেটে কখনও এক পয়সাও ছিল না। অনেক জায়গার ভাষাও আমি জানতাম না। কিন্তু, আপনার জেনে গর্ব হবে, আমার পকেটে পয়সা ছিল না, না কোনও মাথার ওপর ছাদ ছিল। শুধু আমার কাঁধে ঝোলা ছিল। কোনও না কোনও মা-বাবা, কোনও বোন, আমাকে প্রশ্নটা করেই ফেলত, ‘বাবা তুমি কি কিছু খেয়েছো?’ আমি আজ বলছি, সালের পর সাল আমি পরিবার ছেড়ে ছিলাম। আমার পকেটে পয়সাও ছিল না। কিন্তু আমি এক দিনও খালি পেটে থাকিনি। সেই সময় আমার কোনও পরিচয় ছিল না। কাঁধে ঝোলা নিয়ে ঘুরতে থাকা এক যুবক ছিলাম আমি। সেই সময় দেশের অনেক গরিব পরিবারও আমার চিন্তা করেছে। আর তাই আজ আমি দেশের গরিব, মা-বোনেদের জন্য কাজ করছি। কারণ, আমি সেই ঋণ শোধ করছি। তাই আমি বলি, এটাই আমার পরিবার। ১৪৪ কোটি দেশবাসী আমার পরিবার।

    ‘আমার জন্য বাংলার মা-বোনেরা দুর্গার মতো উঠে দাঁড়ায়’

    মোদি (Narendra Modi) বলেন, ‘আমার জন্য বাংলার মা-বোনেরা দুর্গার মতো উঠে দাঁড়ায়। আজকে দেশের সব পরিবার নিজেদের মোদির পরিবার হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে। আজকে দেশের সব গরিব বলছে, আমরা মোদির পরিবার।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share