Tag: proof

  • Indian Railways: বাংলাদেশ-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া রুটে সংরক্ষিত শ্রেণিতে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করছে রেল

    Indian Railways: বাংলাদেশ-নেপাল সীমান্ত লাগোয়া রুটে সংরক্ষিত শ্রেণিতে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করছে রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী এলাকা, বাংলাদেশ ও নেপাল সংলগ্ন রুটগুলিতে সংরক্ষিত শ্রেণিতে সফরকারী যাত্রীদের জন্য পরিচয়পত্র (ID Proof) যাচাই বাধ্যতামূলক করেছে রেলমন্ত্রক (Indian Railways)। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে দেশের সমস্ত জোনাল রেলওয়েকে পাঠানো এক চিঠিতে রেলওয়ে বোর্ড নির্দেশ দিয়েছে, যাত্রাকালীন অন্তত একজন যাত্রীর কাছে অবশ্যই নির্ধারিত ও আসল ছবি-সহ পরিচয়পত্র থাকতে হবে। তা না হলে সংশ্লিষ্ট সকল যাত্রীকে টিকিটবিহীন যাত্রী হিসেবে গণ্য করা হতে পারে।

    কড়া পদক্ষেপ (Indian Railways)

    এই কড়া পদক্ষেপ বিশেষভাবে ভারত-নেপাল ও ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিকে লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে, যেখানে একাধিক আন্তঃদেশীয় রেল সংযোগ চালু রয়েছে। যাত্রীরা যদি বৈধ ও প্রকৃত পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হন, তবে তাঁদের যথাযথ অনুমতি ছাড়া ভ্রমণকারী হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে। এই নির্দেশ দেশের সমগ্র রেল নেটওয়ার্কে সমস্ত সংরক্ষিত শ্রেণির যাত্রার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।বর্তমানে ভারত প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যৌথভাবে যাত্রী ও পণ্য পরিবহণ পরিষেবা চালায়, যার মধ্যে বাংলাদেশ ও নেপালের সঙ্গে সংযুক্ত একাধিক ইন্টারচেঞ্জ পয়েন্ট রয়েছে।

    ভারতীয় রেল নেটওয়ার্ক

    বাংলাদেশ রেলওয়ের সঙ্গে ভারতীয় রেল নেটওয়ার্ককে যুক্ত করা পাঁচটি সক্রিয় ক্রসিং পয়েন্ট রয়েছে। অন্যদিকে, ভারত-নেপাল রেল পরিষেবার মধ্যে জয়নগর–কুর্থা এবং রাক্সৌস–সিরসিয়া রুট উল্লেখযোগ্য। আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে চলা ট্রেন পরিষেবার ক্ষেত্রে আগেই ভিসা ও পাসপোর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে (Indian Railways)। বন্ধন এক্সপ্রেস, মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং মিতালী এক্সপ্রেস ভারতের বিভিন্ন শহরকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করে, আর জয়নগর–কুর্থা রেলপথ নেপালের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করে। এই সমস্ত রুটে কাস্টমস চেকিং পয়েন্ট স্থাপন করা হয়েছে, যাতে (ID Proof) যাত্রীদের তথ্য যাচাই করা যায় এবং অবৈধ সীমান্ত পারাপারের কার্যকলাপ রোধ করা সম্ভব হয় (Indian Railways)।

     

  • Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Supreme Court: ‘আধার কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না’, ফের জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার (AADHAAR) কার্ড নাগরিকত্বের একমাত্র প্রমাণ হতে পারে না। নির্বাচন কমিশনকে এ ব্যাপারে নির্দেশ দেওয়ার দাবি তুলেছিল বিহারের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। ওই দাবি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আইন অনুসারে আধারের মর্যাদা নির্ধারিত হয়েছে। সেই মর্যাদা বাড়ানো সম্ভব নয়।”

    ডিভিশন বেঞ্চের বক্তব্য (Supreme Court)

    সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা (এসআইআর) সংক্রান্ত মামলায় এর আগে জানিয়েছিল, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য অন্য নথির সঙ্গে আধার কার্ডকেও পরিচয়পত্র হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। সোমবারের শুনানিতে তা আরও স্পষ্ট করে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, যাচাইয়ের জন্য অনেক নথির মধ্যে আধারও একটি নথি হতে পারে। আধার আইনের ৯ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, আধার নম্বর বা অথেনটিকেশন ধারকের নাগরিকত্ব বা বাসস্থানের প্রমাণ হবে না। ২০১৮ সালেও সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ পুত্তস্বামী মামলায় জানিয়েছিল, “আধার নম্বর কারও নাগরিকত্বের অধিকার অধিষ্ঠিত করতে পারে না।”

    বিরোধী দলগুলির দাবি

    এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিহারের বিরোধী দলগুলির আইনজীবীরা একাধিকবার শুনানির সময় সওয়াল করেছিলেন এই বলে যে, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য একমাত্র আধারকেই প্রমাণ হিসেবে ধরা হোক। এ প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, “আধারে এত জোর দেওয়া হচ্ছে কেন নাগরিকত্বের চূড়ান্ত প্রমাণ আধার – আমরা কখনওই সেই নির্দেশ দেব না।” নির্বাচন কমিশনের তরফে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) সওয়াল করেন রাকেশ দ্বিবেদী। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আধারকে (AADHAAR) প্রমাণ হিসেবে ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। তার কারণ বিহারের কয়েকটি জেলায় আধার কার্ড রয়েছে ১৪০ শতাংশ। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ করা হয়েছে, বহু বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা অবৈধভাবে এ দেশে প্রবেশ করে আধার কার্ড বানিয়েছে কিছু রাজ্যে।

    ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ

    প্রসঙ্গত, বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ লোকের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে মামলা শুনছে শীর্ষ আদালত। এর আগে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিযোগ জানাতে পারবেন ভোটাররা। তালিকায় বাদ পড়া ভোটারদের অভিযোগ জানানোর সময়সীমা বৃদ্ধি করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল বিহারের বিরোধী দলগুলি (Supreme Court)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চেই শুনানি হয় সেই মামলার। বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের দল আরজেডির হয়ে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেন আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ। সওয়াল করতে গিয়ে তিনি বলেন, “বিহারে খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ৬৫ লাখ নাম বাদ গিয়েছে (AADHAAR)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকলেও, আধারকে পরিচয়ের একমাত্র প্রমাণ হিসেবে ধরা হচ্ছে না (Supreme Court)।”

LinkedIn
Share