Tag: protest

protest

  • VHP: তেজাজি মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর, বিক্ষোভে বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল

    VHP: তেজাজি মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর, বিক্ষোভে বিশ্বহিন্দু পরিষদ, বজরং দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেজাজি মন্দিরে (Tejaji Temple) ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ দেখাল বিশ্বহিন্দু পরিষদ (VHP) এবং বজরং দল। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার জয়পুরের টঙ্ক রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিও জানান তাঁরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভিড়ও বাড়তে থাকে মন্দির চত্বরে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে মৃদু বল প্রয়োগ করে পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করে রাস্তা অবরোধমুক্ত করা হয়।

    মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর (VHP)

    শনিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন, মন্দিরের মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই মন্দির চত্বরে ভিড় জমে যায়। চলে আসেন বিশ্বহিন্দু পরিষদ ও বজরং দলের সদস্যরা। রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টির কর্মীদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভে যোগ দেয় এবং ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে। এদিন বিক্ষোভকারীরা টায়ার পুড়িয়ে ব্যস্ত টঙ্ক রোড অবরোধ করে। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থার আশ্বাস দিলেও, প্রতিবাদ চলতে থাকে। শেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে ছত্রভঙ্গ হয় জনতা।

    কী বলছে পুলিশ

    অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার বিনোদ শর্মা জানান, পুলিশের দিয়ে ভিড় ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে এবং রাস্তা ফের খুলে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।” বিশ্বহিন্দু পরিষদের মুখপাত্র অমিতোষ পারিক বলেন, “গত রাতে কয়েকজন অসমাজিক লোকজন মূর্তি ভাঙচুর করায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে রোষ ছড়িয়ে পড়ে।” তিনি বলেন, “এটি তেজাজি মহারাজের অবমাননা। আমরা বিষয়টিতে জড়িত অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেফতার করার দাবি জানিয়েছি।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) ও বজরং দল মাঠে নামতেই আসরে নেমে পড়ে কংগ্রেসও। ঘটনার নিন্দা করে তারাও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তিকারাম জুলি বলেন, “মূর্তি ভাঙার ঘটনাটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি শুধু একটি মূর্তি নয়,  এটি আমাদের বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের ওপর হামলা, যা কখনওই সহ্য করা হবে না। সরকারের উচিত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং তাদের গ্রেফতার করা (Tejaji Temple)।” প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, “এমন ঘটনার মাধ্যমে মানুষের অনুভূতি ও বিশ্বাসে আঘাত দেওয়া কখনওই মেনে যায় না (VHP)।”

  • Bangladesh Crisis: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    Bangladesh Crisis: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুদের প্রতিবাদ (Hindus Protesting) সভায় হামলা বাংলাদেশ পুলিশের (Bangladesh Crisis)। ফাটানো হল টিয়ার গ্যাসের সেল। করা হল লাঠিচার্জও। এদিন দুপুরে প্রথমে ঘটনাটি ঘটে রাজধানী ঢাকায়। পরে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয় চট্টগ্রামেও। এদিনই হিন্দুদের নিরাপত্তা দিতে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে অনুরোধ করেছিল ভারত। সেই আর্জির পর চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি, মঙ্গলবার হামলা হল হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায়।

    শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিচার্জ (Bangladesh Crisis)

    সোমবারই গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ওরফে চিন্ময় প্রভুকে। তিনি ইসকনের সঙ্গে যুক্ত। ঢাকা থেকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। আদালতে তোলা হলে জামিনও মেলেনি চিন্ময়ের। চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে এদিন ঢাকা এবং চট্টগ্রামে জমায়েত করেন বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুরা। অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ওই সমাবেশে নির্বিচারে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে ছত্রভঙ্গ করে জনতাকে।

    উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    এদিন জামিন খারিজ হওয়ার পর চিন্ময়কে যখন আদালত থেকে ফের জেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন পুলিশের গাড়ি ঘিরে ধরেন বাংলাদেশের হাজার দুয়েক হিন্দু। ঘণ্টা দুয়েক ধরে রাস্তা অবরোধ করেন তাঁরা। যদিও বাংলাদেশ পুলিশের এক কর্তা বলেন, ওরা (প্রতিবাদীরা) উন্মত্ত আচরণ করছিল। আমাদের দিকে ইট ছুঁড়ছিল। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে আমাদের টিয়ার গ্যাস ছুড়তে হয়েছিল। কেউ গুরুতর আহত হয়নি। তবে আমাদের এক কনস্টেবল জখম হয়েছেন। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সংখ্যালঘু হিন্দুদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দেওয়ার আর্জি জানায় সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুঃখজনক বিষয় হল, যখন এসব ঘটনার অপরাধীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে, তখন শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মাধ্যমে বৈধ দাবি উপস্থাপনকারী এক ধর্মীয় নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি, বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অফিস ঘেরাও করবে বিজেপি

    সরকারের পাশাপাশি (Bangladesh Crisis) ভারতের শাসক দল বিজেপির তরফেও চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করা হয়েছে। পদ্ম-পার্টির তরফে জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তারা যেন চিন্ময় প্রভুকে অবিলম্বে মুক্তি দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে আনা সমস্ত মিথ্যা মামলাও সরিয়ে নেওয়ার আর্জি জানিয়েছে গেরুয়া পার্টি।   

    বাংলাদেশের সমস্ত হিন্দু এবং হিন্দু মন্দির যেন সুরক্ষিত থাকে এবং সংখ্যালঘুদের যাতে দেশ ছেড়ে পালাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেও অনুরোধ করা (Hindus Protesting) হয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    Doctor’s Protest: দাবি পূরণ হয়নি, ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে ৮টা বাজতেই অনশন শুরু ডাক্তারদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘড়ির কাঁটা রাত সাড়ে আটটা ছুঁতেই শুরু হয়ে গেল জুনিয়র (Doctor’s Protest) ডাক্তারদের অনশন (Hunger Strike)। শুক্রবারই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, দাবি পূরণ না হলে শনিবার রাত্রি সাড়ে ৮টা থেকে অনশনে বসবেন তাঁরা। সেই মতো এদিন রাত সাড়ে আটটায় সাংবাদিক বৈঠক করে আন্দোলনকারীরা জানিয়ে দিলেন, অনশনে বসছেন ৬ জন জুনিয়র ডাক্তার।

    কী বললেন অনশনকারীরা (Doctor’s Protest)

    তাঁরা বলেন, “এই মুহূর্ত থেকে আমরণ অনশনে বসতে চলেছি। তবে কাজে ফিরছি। অবশ্য খাবার খাব না।” এদিন প্রথম দফায় যে ছ’জন অনশনে বসেছেন, তাঁরা হলেন অর্ণব মুখোপাধ্যায়, এসএসকেএম, নেফরো বিভাগ, পিডিটি, অনুষ্টুপ মুখোপাধ্যায়, এন্ডোক্রিনোলজি, প্রথম বর্ষ, সায়ন্তনী ঘোষ হাজরা, প্যাথলজি, পিজিটি, কেপিসি কলেজ, পুলস্ত্য আচার্য, প্রথম বর্ষ, অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগ, এনআরএস, তনয়া পাঁজা, এসআর, ইএনটি, এমসিকে এবং স্নিগ্ধ হাজরা, রেডিও থেরাপি এসআর, এমসিকে। যাঁরা অনশনে শামিল হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কোনও জুনিয়র ডাক্তার নেই বলেই জানান আন্দোলনকারীরা।

    স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা

    তাঁরা বলেন, “দাবি পূরণ না হলে বা মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে। যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁরা নিজেদের ওপর আত্মবিশ্বাসী। তবে তাঁদের কিছু হলে তার দায় রাজ্য সরকারের। আজ যাঁরা অনশনে বসেছেন, তাঁদের মধ্যে আরজি করের কেউ নেই।” অনশনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে মঞ্চে সিসি ক্যামেরা বসানো হচ্ছে। মঞ্চে কী হচ্ছে, তা সবাই দেখতে পাবেন বলেই এই ব্যবস্থা। আন্দোলনকারীরা বলেন, “আমরা তো বারবার (Doctor’s Protest) রাজ্য সরকারের কাছে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেছি। অনশনের প্রশ্নেও স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলব। অনশন মঞ্চে সিসিটিভি বসাবো। সবাই দেখতে পাবেন অনশন মঞ্চ কী হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে ‘ইন্ডি’ জোটের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলবে বিজেপি!

    তাঁরা বলেন, “আমাদের আশা এরপর যখন আমরা খাবার মুখে তুলব, তখন সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষ ভয়ের রাজনীতি নিয়ে সোচ্চার হবেন। জনস্বাস্থ্যের প্রশ্নে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ মৌলিক প্রশ্ন করবেন। হাসপাতালে যখন কোনও রোগী বেড পান না, তার জন্য আসলে দায়ী কারা? আমরা আশা (Hunger Strike) রাখব, এই প্রশ্নগুলি মানুষ পাড়ায় পাড়ায় ছড়িয়ে দেবেন (Doctor’s Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য”, ডাক্তারদের আন্দোলন প্রসঙ্গে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যেচে চড় খেয়েছে রাজ্য।” ১ অক্টোবর ডাক্তারদের মিছিলে অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তার প্রেক্ষিতেই কথাগুলি বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে কেউ যদি যেচে (Mamata Banerjee) চড় খেতে চায়, তো খাবে। সুপ্রিম কোর্ট তো আগেই বলে দিয়েছিল, ডাক্তারদের কেন, যে কোনও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে বাধা দিতে পারবে না সরকার।”

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    তিনি বলেন, “এর আগে ছাত্র সমাজের নবান্ন অভিযানও আটকাতে গিয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট তা শোনেইনি। ডিভিশন বেঞ্চও তো তা গ্রাহ্য করেনি। স্বাভাবিকভাবেই রাজ্য সরকার এসব করতে যায়। যদি লেগে যায়। ফাটকা খেলতে যায় আর কি!” তৃণমূল সুপ্রিমোকেও নিশানা করেছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, “আরজি কর, সাগর দত্ত, তারপর ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ডাক্তারদের ওপর নিগ্রহ হয়েছে। সব সমস্যার মূলে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “ওঁকে প্রাক্তন করা না হলে, কোনও সমস্যা মিটবে না। কারণ পুলিশের যে কাজ করার কথা, সেটা তারা করে না। পুলিশ দলের কাজ করে, টাকা তোলে।”

    মিছিলের ডাক চিকিৎসকদের

    আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদ ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে আজ, ১ অক্টোবর বিকেল ৫টায় মিছিলের ডাক দিয়েছে চিকিৎসকদের ৫৫টি সংগঠন। উদ্যোক্তা জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অফ ডক্টর্স। মিছিল হবে কলেজ স্কোয়ার থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। চিকিৎসকদের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এই মিছিলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে উদ্যোক্তাদের তরফে। মিছিলের জন্য অনুমতি চাওয়া হলেও, পুলিশ তা দেয়নি। এর পর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন উদ্যোক্তারা।

    আরও পড়ুন: মাওবাদীদের সঙ্গে সম্পর্ক! নজরে দুই মহিলা, পানিহাটিসহ রাজ্যের সাত জায়গায় এনআইএ হানা

    শর্ত সাপেক্ষে মিছিলের অনুমতি দেয় আদালত। আদালতের শর্ত হল, নির্দিষ্ট রুটেই মিছিল হবে। নামাতে হবে পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবকও। রাজ্যকে ভর্ৎসনা করে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ বলেন, “এক কাজ করুন। গোটা শহরেই আপনারা ১৪৪ ধারা জারি করুন (Mamata Banerjee)।” আদালতের এহেন মন্তব্য প্রসঙ্গেই ‘যেচে চড়’ খাওয়ার উপমা দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

       

  • RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    RG Kar Protest: মেডিক্যাল কলেজে কায়েম ‘থ্রেট কালচার’, জানুন এই সংস্কৃতি সম্পর্কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে (RG Kar Protest) পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তার মধ্যে একটা দাবি একটু অন্য রকম। সেটা হল ‘থ্রেট কালচার’ (Threat Culture) শেষ করতে হবে। বন্ধ করতে হবে ‘দাদাগিরি’। আন্দোলনকারীদের এই দাবি থেকেই স্পষ্ট, রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে দিব্যি চলছে ‘থ্রেট কালচার’, ‘দাদাগিরি’।

    ‘থ্রেট কালচার’ (RG Kar Protest)

    এই কালচারের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সকলরেই মাথায় রয়েছে শাসক দলের ছাতা। যে কারণে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতা, মেদিনীপুর সর্বত্রই চলছে তৃণমূলের চিকিৎসক সংগঠনের ছত্রছায়ায় থাকা কোনও কোনও ‘দাদা’র দাদাগিরি। এই ‘দাদা’রা আবার নাড়া বেঁধে রেখেছেন তৃণমূলের ওপরতলার কোনও চিকিৎসক নেতার কাছে। তার জেরে রাজ্যের মেডিক্যাল কলেজগুলিতে কায়েম রয়েছে ‘থ্রেট কালচার’।

    তৃণমূল জমানায় জন্ম

    এবং এই সংস্কৃতি শুরু হয়েছে তৃণমূল জমানায়। ডাক্তারি পড়ুয়াদের একটা বড় অংশের দাবি, ২০২০-২১ সাল থেকে মেডিক্যাল কলেজগুলিতে মাথা তুলতে শুরু করে থ্রেট কালচার। আনুগত্য লাভের ইচ্ছে, জুনিয়রদের কাছে সমীহ আদায় করা এবং নিজেকে কেউকেটা বলে জাহির করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কৃতির জন্ম। কৌশলে শাসকদলের সংগঠন বাড়ানো এবং তোলাবাজিও এই দাদারা করত বলে অভিযোগ। কখনও হুমকি (RG Kar Protest) দিয়ে তোলা আদায়, কখনও আবার অন্য কোনও কৌশলে টাকা আদায় করে এই স্বঘোষিত ‘দাদা’রা।

    আরও পড়ুন: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    জুনিয়র ডাক্তারদের অভিযোগ, দাদারা যাঁদের আনুগত্য আদায় করতে পারত না, তাঁদের প্র্যাক্টিক্যাল পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়া হত। ফল রিভিউ করার সুযোগও নেই। ইন্টার্নশিপ করার সময় বিভিন্নভাবে সমস্যার সৃষ্টি করা হত। ইন্টার্নশিপের শংসাপত্র দেওয়া হত না। যে সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে ওই জুনিয়র ডাক্তার ইন্টার্নশিপ করতেন, তাঁকেও হুমকি দেওয়া হত। আর যাঁরা দাদার আনুগত্য লাভ করতেন, ডিগ্রি পাওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত থাকতেন তাঁরা। ফলে পড়াশোনা করার চেয়ে তাঁরা বেশি ব্যস্ত থাকেন দাদাদের চামচামি করতেই।

    চিকিৎসক দ্বৈপায়ন মজুমদার বলেন, “মেডিক্যাল কলেজগুলিতে দীর্ঘদিন নির্বাচন না হওয়াটা থ্রেট কালচার জাঁকিয়ে বসার কারণ। নির্বাচন না হওয়ায় কারও দায়িত্ব নেই। অথচ সকলে দায়িত্বহীন ক্ষমতা ভোগ করতে চাইতেন (Threat Culture)। তাই হুমকি দিয়ে কর্তৃত্ব ফলানোর চেষ্টা করা হত (RG Kar Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    RG Kar Protest: উঠল ধর্না, শুক্রবার মিছিল, শনি থেকে জরুরি পরিষেবায় জুনিয়র ডাক্তাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১১ দিনের মাথায় ধর্না প্রত্যাহার করতে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা (RG Kar Protest)। আজ, শুক্রবারই উঠে যাচ্ছে ধর্না। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স পর্যন্ত বিকেল তিনটের সময় মিছিল করবেন তাঁরা (Junior Doctors)। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে উঠে যাবে ধর্না। শনিবার থেকে জরুরি পরিষেবায় যোগ দেবেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। তবে, জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে বলে এদিন স্পষ্টতই জানিয়ে দেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে ফের দেওয়া হয়েছে কর্মবিরতির হুঁশিয়ারিও।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা? (RG Kar Protest)

    আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা বলেন, “আংশিক জয়ের জন্য শনিবার থেকে আমরা কাজে যোগ দিচ্ছি। আমাদের লড়াই শেষ হয়নি। আংশিকভাবে কর্মবিরতি প্রত্যাহারের মাধ্যমে সদিচ্ছা যে আছে, তা দেখাতে চাইছি। তবে এই লড়াই জারি থাকবে। স্বাস্থ্য সচিবের পদত্যাগ নিয়ে সময় চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আমরা নজর রাখছি।” তাঁরা বলেন, “সিবিআইয়ের কাছে আমাদের কণ্ঠস্বর পৌঁছে দেওয়ার জন্য আপনাদের সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। আগামীকাল থেকে বন্যা কবলিত এলাকায় আমরা পৌঁছে যাব। আমাদের আন্দোলন যে সাধারণ মানুষের আন্দোলন, তা প্রমাণে বন্যা কবলিত এলাকায় ক্লিনিক খোলা হবে। আমরা যে রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায় বিচারের জন্য এসেছি, তা প্রমাণেই এই সিদ্ধান্ত।”

    দাবি পূরণ না হলে…

    তবে দাবি পূরণ না হলে তাঁরা যে ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাবেন (RG Kar Protest), তাও জানিয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। বলেন, “জরুরি পরিষেবায় যোগ দিলেও ওপিডি-কোল্ড ওটি’র ক্ষেত্রে কর্মবিরতি অব্যাহত থাকবে। আমাদের সকল দাবি পূরণ না হলে আবার আমরা পূর্ণ কর্মবিরতিতে যাব।” আন্দোলনকারীদের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, “আমরা শুক্রবার মিছিলের পর নিজের নিজের কলেজে ফিরে গিয়ে বিভাগ ভিত্তিক এসওপি তৈরি করব। যেখানে যেখানে খুব প্রয়োজন, সেগুলি চিহ্নিত করা হবে। শুধু সেই অতি প্রয়োজনীয় জায়গাগুলিতেই আমরা কাজে যোগ দেব। বাকি জায়গায় আমাদের কর্মবিরতি চলবে।” তিনিও বলেন, “প্রয়োজনে আমরা ফের পূর্ণ কর্মবিরতিতেও ফিরতে পারি।”

    আরও পড়ুন: নিলামে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, রোজগারের টাকা ব্যয় হবে নমামি গঙ্গে প্রকল্পে

    প্রসঙ্গত, হাসপাতালে চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের বিচার-সহ পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বুধবার সেই দাবি নিয়েই নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছিলেন তাঁরা হতাশ। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে চিঠি দেন মুখ্যসচিব। হাসপাতালগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন ও চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুচ্ছ পদক্ষেপ করে রাজ্য সরকার। তার পরেই কাটে জট। জানা যায় জুনিয়র ডাক্তারদের (Junior Doctors) সিদ্ধান্তের কথা (RG Kar Protest)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Case: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি, তার আগে ফের ‘মেয়েদের রাত দখল’, প্রতিবাদ বিদেশেও

    RG Kar Case: সোমবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি, তার আগে ফের ‘মেয়েদের রাত দখল’, প্রতিবাদ বিদেশেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামিকাল ৯ সেপ্টেম্বর এক মাস পূর্ণ হবে আরজি কর হত্যাকাণ্ডের (RG Kar Case)। ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৯ অগাস্ট। এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার মাত্র এক। নির্যাতিতার জন্য প্রতিদিনই আন্দোলন চলছে কলকাতার রাজপথে। মামলার তদন্তের দায়িত্বে রয়েছে সিবিআই। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) রয়েছে শুনানি। তদন্ত সম্পর্কে সোমবার সিবিআই বিশেষ রিপোর্ট জমা দিতে পারে, এমনটাই অনেকের আশা। গত ৪ তারিখ ছিল শুনানির দিন। কিন্তু প্রধান বিচারপতি সেদিন না আসায় শুনানি পিছিয়ে যায়। গোটা দেশের নজর এদিন সর্বোচ্চ আদালতের দিকে থাকবে। ইতিমধ্যে এই শুনানির ঠিক এক দিন আগে ‘রাত দখল’-এর ডাক দিয়েছেন প্রতিবাদী মহিলারা। একই ভাবেই বিদেশের মাটিতেও চলছে বিক্ষোভ।

    কর্মসূচি-‘শাসকের ঘুম ভাঙাতে হবে’ (RG Kar Case)

    গত ১৪ অগাস্ট অভয়ার জন্য ন্যায়বিচার (RG Kar Case) চেয়ে রাত দখলের ডাক দিয়েছিলেন প্রতিবাদীরা। এবারের কর্মসূচির নাম ‘শাসকের ঘুম ভাঙাতে হবে।’ এই কর্মসূচিতে যোগদান করবেন টলিউডের কলাকুশলীরা। বিকেল ৫টায় টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপো থেকে হাজরা মোড় পর্যন্ত মিছিল হওয়ার কথা। বিকেল ৪টেয় হেদুয়ায় শুরু হওয়ার কথা মিছিল, যাবে কলেজ স্ট্রিট পর্যন্ত। কর্মসূচির নাম দেওয়া হয়েছে ‘তিলোত্তমার বিচারের দাবিতে রিকশা-শ্রমিকদের মিছিল’। অপর দিকে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) শুনানির আগের দিন আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারেরা ‘জনতার মতামত’ নিতে ‘রাজপথে আদালত’ বসিয়েছেন। একই ভাবে জেলায় জেলায় খোলা হয় ‘অভয়া ক্লিনিক’। তার পাশেই বসে এই ‘আদালত’। পালন করা হবে মানব বন্ধন। সেই সঙ্গে মাঝ রাতে তাঁরাও আন্দোলনে নামবেন বলে জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘আলো নিভিয়ে’ প্রতিবাদ, কর্মসূচিতে শুধু সিইএসসি এলাকায় সামিল প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ!

    বিদেশেও প্রতিবাদ

    রাজ্য তথা দেশের গণ্ডি পার করে এবার বিদেশের মাটিতে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়ল। আরজি করের (RG Kar Case) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যার বিরুদ্ধে একাধিক জায়গায় আন্দোলন করতে দেখা যাচ্ছে সেখানকার বাসিন্দাদের। আমেরিকা, ব্রিটেন-সহ বিশ্বের উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশগুলির রাজধানী-সহ একাধিক শহরে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। এই বিক্ষোভের কোনও উদ্যোক্তা না থাকলেও, আয়োজক বাঙালি সমাজ। ‘বিশ্বজুড়ে উঠেছে ঝড়, জাস্টিস ফর আরজি কর’-এই নামে সর্বত্র প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। আমেরিকার আটলান্টা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলস, ফিলাডেলফিয়া, বস্টন, ডালাস, নিউ ইয়র্ক-সহ অন্তত ৭০টি শহরে বিক্ষোভ হবে বলে জানা যায়। ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন ছাড়়াও প্রতিবাদ কর্মসূচি হওয়ার কথা ম্যাঞ্চেস্টার, লিভারপুর, ল্যাঙ্কাশায়ারে। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস, জার্মানির রাজধানী বার্লিন, ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন, স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদেও হবে প্রতিবাদ কর্মসূচি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    RG Kar Incident: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করে (RG Kar Incident) পড়ুয়া চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় উত্তাল কলকাতা থেকে কাকদ্বীপ, দিল্লি, মুম্বই, বেঙ্গালুরু। মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যবাসী। তখন এই ঘটনাকে ‘বিচ্ছিন্ন’ বলে বিপাকে পড়েছিলেন বাংলার আইকন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। সমাজ মাধ্যমে ট্রোলের শিকার হন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। ওঠে দাদাগিরি বয়কটের ডাক-ও। তারপরই ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে নিজের ইমেজ বাঁচাতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন সৌরভ। সোশ্যাল সাইটে ডিপি কালো করা থেকে শুরু এবার স্ত্রী ডোনার নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরীর প্রতিবাদ মিছিলেও সামিল সৌরভ। যদিও বৃষ্টির কারণে নাকি মিছিলে হাঁটেননি মহারাজ। মিছিলের পরে কন্যা সানার সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন তিনি।

    প্রতিবাদ মিছিল ডোনার (RG Kar Incident) 

    আরজি কর-কাণ্ডের (RG Kar Incident) প্রতিবাদে বিচার চেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় পথে নামলেন নৃত্যশিল্পী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারের দাবিতে পা মেলালেন কন্যা সানা গঙ্গোপাধ্যায়ও। বুধবার দীক্ষা মঞ্জরীর পদযাত্রায় না থাকলেও মিছিলের পরে সকলের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদে শামিল হন সৌরভও (Sourav Ganguly)। নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরী থেকে ছাত্রীদের নিয়ে বেহালা ব্লাইন্ড স্কুল পর্যন্ত পদযাত্রা করেন ডোনা। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই হয় পদযাত্রা। ডোনা বলেন, ‘‘আমাদের প্রতিবাদ ধর্ষণের বিরুদ্ধে। আমাদের নিরাপদ সমাজ গড়ে তুলতে হবে।’’ সানা বলেন, ‘‘আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে বিচারের দাবিতে। দোষীদের এমন শাস্তি দিতে হবে যাতে, আর কেউ এ রকম করার কথা ভাবতেও না পারে।’’

    আরও পড়ুন: RG Kar Incident: ‘‘বেফাঁস বলে এখন নাটক করছেন’’! সৌরভের আরজি কর প্রতিবাদকে ‘ট্রোল’ নেটপাড়ার

    মত পাল্টালেন সৌরভ (Sourav Ganguly)

    অবশেষে নিজের ভুল বুঝতে পারলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। চাপে পড়ে আরজি কর হাসপাতালের মর্মান্তিক কাণ্ডে নিজের মত পাল্টালেন সৌরভ। আরজি কর (RG Kar Incident) হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসকের ওপর হওয়া নৃশংসতাকে ‘ভয়ঙ্কর’ বলে ব্যাখ্যা করলেও ঘটনাটিকে বিচ্ছিন্ন বলতেই সৌরভের উপর মেজাজ হারায় তাঁর ভক্তরা। সমাজ মাধ্যমে ঝড় ওঠে। অনেকে সৌরভের জনপ্রিয় টিভি শো ‘দাদাগিরি’ বয়কটেরও ডাক দেন। তার পরই নিজের মত থেকে সরে গিয়ে তাঁর অবস্থান ব্যাখ্যা করেন মহারাজ। কিন্তু প্রশ্ন নিজের ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়েই কি এখন বাধ্য হয়ে প্রতিবাদের ঝান্ডা ধরছেন সৌরভ? নিজের ভাবমূর্তি ঠিক করতেই এক প্রকার বাধ্য হয়ে সামিল হলেন প্রতিবাদ-কর্মসূচিতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    Calcutta HighCourt: মিলল হাইকোর্টের অনুমতি, বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে এবার পথে নামছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HighCourt)। রাজ্যের সর্বত্র অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুতের বিল বৃদ্ধির অভিযোগ উঠছে। এর প্রতিবাদে মিছিলের কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। সেই কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি না পেয়ে, হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তারা। এদিন শুনানি পর্বে, আদালত শর্ত সাপেক্ষে বিজেপিকে প্রতিবাদ মিছিলের (BJP Rally) নির্দেশ দেয়। 

    কবে, কোথায় হবে এই প্রতিবাদ মিছিল? (BJP Rally) 

    শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় কর্মসূচির দিন এবং সময় জানিয়েছে আদালত। আগামী ২৬ জুলাই কর্মসূচির দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিদ্যুৎ বণ্টনকারী সংস্থা সিইএসসির দফতর কলকাতার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ধর্নার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দুপুর ২.৩০ থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা ধর্নায় বসা যাবে সেখানে। সেই সঙ্গে মিছিলও করতে পারবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির মুরলীধর সেন লেনের দফতর থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দিলেন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ।

    আরও পড়ুন: মাইক্রোসফ্‌টের সমস্যায় বিশ্ব জুড়ে ব্যাহত বিমান পরিষেবা, ব্যাঙ্ক ও শেয়ার বাজার

    কর্মসূচির জন্য মানতে হবে বেশ কিছু শর্ত

    তবে আদালত (Calcutta HighCourt) তরফে বিজেপির এই কর্মসূচির জন্য বেশ কিছু শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচির আয়োজন করতে বলেছে আদালত। এক হাজারের বেশি মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। কর্মসূচিতে এমন কিছু করা যাবে না, যাতে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়। বিজেপির এই কর্মসূচিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েনের জন্য কলকাতার যুগ্ম সচিবকে নির্দেশও দিয়েছে আদালত। 
    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে বিদ্যুতের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। যার জেরে নাভিশ্বাস উঠছে আমজনতার। অনেকে বলছেন, গ্রীষ্মকালে সারা দিন বাতানুকূল যন্ত্র চালিয়ে রেখেও যে বিল দিতে হয়নি, তা এখন দিতে হচ্ছে। ফলে চড়া হারে বর্ধিত বিলের প্রতিবাদেই এবার পথে (BJP Rally) নামতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি।
     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    BJP MLAs Protest: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    নিউজ ডেস্ক: চোপড়ার ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। কোচবিহারের ঘটনায় বিধানসভায় (West Bengal Assembly) বিক্ষোভ অবস্থানের কথা আগেই জানানো হয়েছিল বিজেপির তরফে। আর এবার তার সঙ্গেই জুড়ে গিয়েছে চোপড়ার ঘটনাও। কোচবিহার এবং চোপড়ার ঘটনার প্রতিবাদে এবার বিধানসভার সামনে ধর্নায় বসলেন বিজেপির মহিলা বিধায়করা (BJP MLAs Protest)। বিজেপি বিধায়িকা তথা মহিলা মোর্চার নেত্রী অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে চলছে ধর্না কর্মসূচি। অন্য দিকে, চোপড়ার ঘটনায় রাজ্যের পরিস্থিতিতে উদ্বেগপ্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবন সূত্রের খবর, এই ঘটনায় নবান্নের স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।

    বিজেপির দাবি (BJP MLAs Protest)

    সোমবার সকালে বিধানসভার (West Bengal Assembly) গাড়ি বারান্দার সামনে বিক্ষোভে অগ্নিমিত্রা পলের সঙ্গে বসেন শিখা চট্টোপাধ্যায়, চন্দনা বাউড়িরা। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে শুরু হয় অবস্থান কর্মসূচি। প্ল্যাকার্ডে কোচবিহারের ঘটনার উল্লেখ করে নারী নির্যাতনকারীদের শাস্তির দাবি করেছেন তাঁরা। সেইসঙ্গে ২০১১-র পর থেকে কতজন নারী নির্যাতনকারীর শাস্তি হয়েছে, তার জবাবও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চেয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় বিজেপির দাবি, শাসকদলের নেতৃত্বে রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে। অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছে বিজেপি (BJP MLAs Protest)। 

    কেন এই বিক্ষোভ? (West Bengal Assembly) 

    কোচবিহারের ঘটনা নিয়ে সোমবারই বিধানসভায় সরব হবে বিজেপি তা আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো বিধানসভায় ধর্না দেওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন বিজেপির মহিলা বিধায়কেরা। তবে সেই অনুমতি না মেলায় সোমবার সকালে বিধানসভার গাড়িবারান্দার সামনে বিক্ষোভে বসেন অগ্নিমিত্রা। এ প্রসঙ্গে অগ্নিমিত্রা বলেন, “কোচবিহারে বিজেপির প্রতিনিধিদল যাওয়ার পর পুলিশ নির্যাতিতার বয়ান নিল। আর সেই ঘটনার পরেই আমরা দেখলাম চোপড়ায় তৃণমূল নেতা এক জন মহিলার উপর প্রকাশ্যে অত্যাচার করছেন। আমরা রাজ্যে নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে ধর্না (BJP MLAs Protest) অবস্থান করছি।”

    অন্যদিকে এদিনের নির্দিষ্ট কর্মসূচির আগেই বরানগরের জয়ী প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় আর ভগবানগোলার জয়ী প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকাররা বিধানসভায় (West Bengal Assembly) আম্বেদকর মূর্তির নীচে এসে ধর্নায় বসে যান। 
    এরপরেই বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ নিয়ে মুখ খোলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার কাণ্ডে বিজেপি বিধায়কদের ধর্না প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্পিকার বলেন, “অনুমতি ছাড়া বিজেপি বিধায়করা (BJP MLAs Protest) বিক্ষোভ করছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ক আগে আবেদন করেছিলেন তাই ওদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি ওদের (বিজেপি) অনুমতি দিইনি। কেন বসেছে জানি না। ব্যবস্থা নেওয়া যায় কী ভাবে, দেখছি। মার্শালকে বলব বিষয়টি দেখতে। আজ বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন। আজকের দিনে মাল্যদান অনুষ্ঠানে না এসে ওনারা ধর্না করছেন।”

    আরও পড়ুন: লোনাভালার জলপ্রপাতে ভেসে গেলেন একই পরিবারের ৭ জন! প্রকাশ্যে ভিডিয়ো

    আগে কী ঘটেছিল?  

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি কোচবিহারের মাথাভাঙা-২ ব্লকে বিজেপির সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি। এ বার সেই সঙ্গে জুড়ল চোপড়ার ঘটনা। রবিবার দুপুরেই তৃণমূলের চোপড়ার (Chopra) নেতা তাজম্মুল ওরফে ‘জেসিবি’র একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োয় দেখা যায় এক তরুণীকে রাস্তার মধ্যে ফেলে এক ছড়া কঞ্চি দিয়ে বেধড়ক মারছেন জেসিবি। মার খেতে খেতে গুটিয়ে যাওয়া মেয়েটিকে চুলের মুঠি ধরে টেনে এনে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলা হচ্ছে। তার পরে আবার শুরু হচ্ছে মার। একই সঙ্গে এক তরুণকেও একই ভাবে মারতে দেখা যায়। ওই ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share