Tag: protest

protest

  • Nadia: শান্তিপুরে প্রশাসনিক ভবন দখল তৃণমূলের! বিডিও অফিসে বিক্ষোভ বিজেপির

    Nadia: শান্তিপুরে প্রশাসনিক ভবন দখল তৃণমূলের! বিডিও অফিসে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক ভবন দখল করছে তৃণমূল পরিচালিত জেলা পরিষদ। এবার এই সরকারি ভবন ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে প্রশাসনের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও) দফতরকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ করল বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি। তৃণমূলের তরফ থেকে যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। এদিকে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী উপস্থিত হয়েছে। ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুরে (Nadia)।

    সুকান্ত ভবন দখল করেছে তৃণমূল (Nadia)

    নদিয়ার শান্তিপুরের (Nadia) বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয় “বিডিও অফিসে অবস্থিত সুকান্ত ভবন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, কিন্তু বিগত কয়েক মাস ধরে নদিয়া জেলা পরিষদ সেই ভবনটিকে জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। যদিও ইলেকট্রিক বিল থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু ব্যয়ের অর্থ মেটাতে হয় পঞ্চায়েত সমিতিকেই। কিন্তু শাসক দল নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে সরকারি ভবনকে।” ঘটনায় সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেছেন, “আমার কাছে একটি অভিযোগপত্র জমা পড়েছে। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।”

    পঞ্চায়েত সমিতির বক্তব্য

    এই ভবন অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে সোমবার বেলা ১১টা থেকে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দফতর গেটের সামনে ধর্নায় বসেছে বিজেপির পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা। এই অবস্থান বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন শান্তিপুর (Nadia) পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “অবিলম্বে যদি এই ভবন পঞ্চায়েত সমিতির তত্ত্বাবধানে না ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে লাগাতার এই আন্দোলন চলবে। আমরা হাতে গুনে সাত দিন সময় দিলাম, আগামী সাত দিনের মধ্যে এই ভবন যদি ফিরিয়ে দেওয়া না হয়, তাহলে জোরপূর্বক দখল করার রাস্তা বেছে নেবো।” অন্যদিকে আন্দোলন চলাকালীন ঘটনাস্থলে পৌঁছায় শান্তিপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও ঘন্টাখানেক ধরে চলে এই অবস্থান বিক্ষোভ।

    আরও পড়ুনঃ দিঘার সৌন্দর্যকে ধরে রাখতে শুরু অবৈধ হকার উচ্ছেদ, জানাল প্রশাসন

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অন্যদিকে এই যদিও এ প্রসঙ্গে তৃণমূল পরিচালিত নদিয়া (Nadia) জেলা পরিষদের বর্তমান সদস্য এবং প্রাক্তন সভাধিপতি রিক্তা কুন্ডু বলেছেন, “সুকান্ত ভবন সংস্কারের জন্য এখনও কাজ চলছে, নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার কারণে কাজ বন্ধ ছিল, এখন নির্বাচন শেষ হয়েছে ভবনটি সংস্কারের পরে আবার নতুন করে মানুষ পরিষেবা পাবেন। বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত সমিতি যে অভিযোগ করছেন সেটি সম্পন্ন ভিত্তিহীন, এখানে রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই করছে না বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Banerjee: কল্যাণের বাড়ির সামনে ‘হায় হায়’ স্লোগান! বিক্ষোভে সামিল মহিলারা

    Kalyan Banerjee: কল্যাণের বাড়ির সামনে ‘হায় হায়’ স্লোগান! বিক্ষোভে সামিল মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পঞ্চম দফার ভোট রয়েছে শ্রীরামপুরে। তাই শনিবার ছিল শেষ বেলার প্রচার। কিন্তু আচমকাই শনিবার বিকেলে শ্রীরামপুরের (Sreerampur) তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) আবাসনের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? 

    শনিবার প্রচার পর্ব শেষ করে নিজের ফ্ল্যাটে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন শ্রীরামপুরের (Sreerampur) বিদায়ী সাংসদ তথা এবারের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। ঠিক সেই সময়েই আবাসনের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘হায় হায়’ স্লোগান তুলে প্রতিবাদে সামিল একদল মহিলা। 

    কী কারণে এই বিক্ষোভ?

    মহিলাদের অভিযোগ, মহিলাদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথাবার্তা বলছেন তৃণমূল প্রার্থী (Kalyan Banerjee)। সেই কারণেই তাঁরা এই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে আসেননি তাঁরা। বিক্ষোভকারী এক মহিলা বলেন, ‘‘তিনি মহিলাদের সম্পর্কে বিভিন্ন রকম কথা বলে যাচ্ছেন। তাঁকে কে এই অধিকার দিয়েছে? মহিলাদের সম্পর্কে তিনি যে মন্তব্যগুলি করছেন, সেটা বন্ধ করা হোক।’’ বিক্ষোভরত মহিলাদের দাবি, তৃণমূল প্রার্থী যেন মহিলাদের কাছে ক্ষমা চান তাঁর মন্তব্যের জন্য। 

    আরও পড়ুন: প্রচারের শেষ বেলায় রচনা আর ধোঁয়া দেখার ‘রিস্ক’ নিলেন না!

    কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য (Kalyan Banerjee) 

    এ প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য বাম-বিজেপি আঁতাতের অভিযোগ উস্কে দিয়েছেন। কল্যাণের বক্তব্য, ‘‘আমার মনে হয়, বিজেপি ও সিপিএম মিলে আমার উপর যে কোনও মুহূর্তে হামলা করতে পারে। সেলিমের সঙ্গে বিজেপির অসম্ভব ভাল সেট। সেলিম এখানে আসার পর থেকে বিভিন্ন রকমের ঘটনা ঘটছে। ওঁর সঙ্গে কবীরশংকর বোসেরও কথা হয়েছে। ওঁরা মিলিতভাবে আমার উপর আক্রমণ করতে পারে।’’ 
    অন্যদিকে আবার এ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী কবীরশংকর বোস পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছেন,‘‘ইন্ডিয়া জোটে কে আছে! তৃণমূল ও সিপিএম। বিজেপিকে ওঁরা ভয় পেয়ে গিয়েছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    Birbhum: নির্বাচনী প্রচারে শতাব্দীকে ঘিরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের, রাস্তা সারাইয়ের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট প্রচারে বেড়িয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) নলহাটি -২ নম্বর ব্লকের নোয়াপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের গোকুলপুর গ্রামে। তবে এই তৃণমূল নেত্রীর বিরুদ্ধে এরকম প্রতিবাদ নতুন কিছু নয়। নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রে আগেও এলাকাবাসী নিজেদের প্রাপ্য ঘর, রাস্তা, পানীয় জল অথবা নিকাশি ব্যবস্থার সমস্যায় ক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে এই ভোটের প্রচারে ঘটনায় তীব্র অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে তাঁকে।

    রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে বিক্ষোভ (Birbhum)

    আজ গোকুলপুর (Birbhum) গ্রামে ভোট প্রচারে যান বীরভূমের তিনবারের সাংসদ ও চতুর্থবারের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শতাব্দী রায়। সেই সময় গ্রামবাসীরা রাস্তা সারাইয়ের দাবীতে তাঁকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান। গ্রামবাসীদের মধ্যে শুভ্র মার্জিত অভিযোগ করে বলেন, “দীর্ঘদিন গ্রামের রাস্তা সারাই না হওয়ায় যাতায়াতে সমস্যা হচ্ছে। তাই এদিন তাঁকে সেই ভাঙা-কর্দমাক্ত রাস্তায় পায়ে হেঁটে যাওয়ার দাবী করি আমরা। এই রাস্তা চলাচলের যোগ্য নয়। কোনও টোটো ঢুকতে পারে না। ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারছেনা। অসুস্থ রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বিরাট সমস্যা রয়েছে।” পরে শতাব্দী রায় প্রতিশ্রুতি দিলে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ সরিয়ে নেন। ঘটনায় বিরাট বিড়ম্বনায় পড়েন এই তৃণমূল প্রার্থী।

    আরও পড়ুনঃ মোদির প্রশংসায় প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ ডালু বাবু, পাল্টা তৃণমূলকে তুলোধনা

    শতাব্দীর বক্তব্য

    এই ঘটনায় এলাকার (Birbhum) গ্রামবাসীদের বক্তব্য, “আমি দেখলাম রাস্তা খুব খারাপ। এখানে কে জন প্রতিনিধি ছিল জানার দরকার নেই, আমি দায়িত্ব নেবো। তবে রাস্তার জন্য ৮০ লক্ষ বাজেট করা হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিল তারিখের মধ্যে মোটামুটি চলাচলের যোগ্য করা হবে।” ঘটনায় এলাকার মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে যায়। উল্লেখ্য গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং পুরসভার নির্বাচনে বারবার মানুষের অভিযোগের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। একাধিক সময়ে আবার দলীয় কর্মীদের উপর নিজের রাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দলের কেউ কেউ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন বলে মন্তব্য করেছিলেন। সবটা মিলিয়ে এই তারকা প্রার্থীর প্রচার যে খুব একটা সহজ মসৃণ হচ্ছে না তাও আরও একবার প্রকাশিত হল। এখন মানুষের ভোট কোন দিকে যায় তাই দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ভারতী ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, শাহজাহানের ফাঁসির দাবি

    Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ভারতী ঘোষের নেতৃত্বে বিক্ষোভ, শাহজাহানের ফাঁসির দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। বিজেপির মহিলা মোর্চার মিছিলকে ঘিরে উত্তেজনা। জেলিয়াখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের লাল কাছারি এলাকায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন এলাকার মহিলারা। আজ হাইকোর্টের নির্দেশে পরিদর্শনে যান বিজেপি নেত্রী তথা প্রাক্তন পুলিশকর্মী ভারতী ঘোষ। সেই সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। তাঁদের সামনে রেখে এলাকার মানুষ এদিন আন্দোলনে শামিল হন। শাহজাহানের ফাঁসি চেয়ে ব্যাপক বিক্ষোভ করেন এলাকার মানুষ। 

    টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষের অভিযোগ, মানুষের জমি জোর করে দখল করে নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে যৌন নির্যাতন করত তৃণমূলের নেতারা। রাত ১২ টার সময় এলাকার বাড়ির বউদের দিনের পর দিন পার্টি অফিসে আটকে রেখে তৃণমূল নেতাদের সব রকম চাহিদা মেটাতে বাধ্য করা হত। এই অত্যাচারের প্রধান মাথা ছিলেন শেখ শাহজাহান। তাঁর সঙ্গে ছিল শিবু-উত্তম-সিরাজ-আলমগীর সহ আরও অনেক নেতা। একই ভাবে জোর করে চাষের জমি দখল করে নিয়ে মাছের ভেড়ি তৈরি করেছেন এই তৃণমূল নেতারা। প্রতিবাদে আজ এলাকার মানুষ রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান। আজ এই আন্দোলনকে নেতৃত্ব দেয় বিজেপি। উত্তেজিত মানুষকে সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, অস্থায়ী ক্যাম্পে গিয়ে যেন সকলে নিজের নিজের অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে এলাকায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেওয়া হয়।

    ৫ জানুয়ারি ইডির উপর আক্রমণ

    গত ৫ই জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির আধিকারদের উপর আক্রমণ করে শেখ শাহজাহানের অনুগামীরা। ঘটনার ৫৬ দিনের পর পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন শাহজাহান। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। উল্লেখ্য আজ সন্দেশখালির ঘটনায় শেখ শাহজাহান, শেখ আলমগীর, জিয়াউদ্দিন মোল্লা, মাফুজার মোল্লা, সিরাজুল মোল্লা সহ মোট ৯ জনকে বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানের দখল কে নেবে, এই নিয়েই আজ বিবাদ চরমে ওঠে। এভিবিপি ছাত্রদের অভিযোগ, “বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপির হাতে তুলে দিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ। এটা রাজনৈতিক পক্ষপাত।” উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এই কলেজে পতাকা লাগিয়ে ক্যাম্পাসের দখল নেয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। টিএমসিপি-র এই দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানায় এভিবিপি। কলেজে পাল্টা আজ পতাকা লাগায় এভিবিপি। এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসে পুলিশ।

    টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্য (Nadia)

    আজ সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে (Nadia) টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল এবিভিপি। বিক্ষোভরত ছাত্রদের বোঝাতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রিন্সিপালকে। প্রিন্সিপালকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখা যায়। অপরদিকে তৃণমূলের বহিরাগত দুষ্কৃতীরা কলেজের মধ্যে লাঠি নিয়ে প্রবেশ করলে মুহূর্তের মধ্যেই কলেজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ এসে এভিবিপির আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে। এরপর উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে।

    এবিভিপির বক্তব্য

    কলেজের এবিভিপি নেতা পাপন বিশ্বাস কলেজ (Nadia) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “অধ্যক্ষ নিজে তৃণমূলের পক্ষপাত করছেন। টিএমসিপিদের জোর করে বসন্ত উৎসব করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি এখানে কাটমানি খেতে আসেননি। আমাদের না জানিয়ে বসন্ত উৎসবের টাকা তুলে দিয়েছেন। এই বিষয় আমরা আপত্তি জানাই। আমরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই। কালেজে ছাত্র সংসদ নেই বলেই অধ্যক্ষ এইভাবে শাসকের পক্ষাবলম্বন করলেন। অবিলম্বে আমরা ছাত্র সংসদের নির্বাচন চাই।”

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলজের (Nadia) প্রিন্সিপাল দীপঙ্কর ঘোষ বলেন, “আমি কলেজকে ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে চাই। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে এবং বিপক্ষে নেই। নিজেদের দলীয় পতাকা লাগানোর অধিকার সকলের রয়েছে। তবে যেহেতু কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, তাই এই মুহূর্ত ক্যাম্পাস সকলের। আমি উভয় পক্ষকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার আবেদন জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীররঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপিকাকে ফোন করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের টিএমসিপি’র সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে এই ফোনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রের নাম বিভাস হালদার। প্রতিবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি।

    শাস্তির দাবিতে এবিবিপির বিক্ষোভ (Nadia)

    অধ্যাপিকার ওপর এহেন আচরণের প্রতিবাদে সোমবার মাজদিয়া (Nadia) কলেজের সামনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দাবি একটাই তৃণমূল ছাত্র নেতার শাস্তি চাই। আর এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কৃষ্ণগঞ্জ থানার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। ঘটনায় পুলিশ বাধা দিলে, এভিবিপি ছাত্রছাত্রীরা জোর করে কলেজে ঢুকতে গেলে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি বাবিন মুখার্জী।

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলেজ (Nadia) প্রিন্সিপাল এই প্রসঙ্গে বলেন, “আই কার্ড থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে।” এরপর প্রিন্সিপালের হস্তক্ষেপে যারা আইডেন্টিটি কার্ড নিয়ে এসেছিল, সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের কলেজের ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল আরও বলেন, “ফোনে অশালীন মন্তব্য করার ঘটনায় অধ্যাপিকা নিজে বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।”

    টিএমসিপি ছাত্রনেতার শাস্তির দাবি

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরে কলেজের (Nadia) অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও স্টাফদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রিন্সিপাল। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় কোনও মতেই অধ্যাপিকার উপর এই অসভ্য আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্ত ছাত্র যাতে শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Scam: এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার

    Ration Scam: এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন সামগ্রী ওজনে কারচুপি (Ration Scam) করার অভিযোগ এবার ডিলারের বিরুদ্ধে। রেশনের চালে পোকার অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগণা যেমন তোলপাড়, ঠিক তেমনি আবার রেশন সামগ্রী ওজনে কম মেলায় ডিলারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তীব্র উত্তেজনা ছড়ালো উত্তর ২৪ পরগণার বাগদার কানিয়াড়আ-২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের হরিনাথপুরে। এত দুর্নীতিতেও শিক্ষা নেই! রেশনে কম সামগ্রী দিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ডিলার। অবশ্য ডিলারের বক্তব্য, পুজোর জন্য মাল কম আসছে।  

    অভিযুক্ত ডিলার কে (Ration Scam)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কানিয়াড়আ-২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের হরিনাথপুরের রেশন ডিলারের নাম হল নিবেদিতা সাধু। তবে তাঁর ছেলে শান্তনু সাধু সবটাই দেখভাল করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলাকায় বহুদিন ধরে রেশন সামগ্রী (Ration Scam) ওজনে কম দিচ্ছেন। আর এই অভিযোগে রেশন গ্রাহকদের মধ্যে মঙ্গলবার সকালেই তীব্র বিক্ষোভের চিত্র দেখা গেল। রেশন ডিলারের বক্তব্য, “ডিস্ট্রিবিউটর দিলেই দেবো। পুজোর জন্য গাড়ি কম। তাই রেশন সামগ্রীও কম আসছে।”

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    স্থানীয় (North 24 Parganas) এলাকার বাসিন্দা মশিয়ার মণ্ডল নামে একজন অভিযোগ করে বলেন, “আমি রেশনের চাল ওজনে কম পেয়েছিল। স্লিপ নিয়ে গেলে সামগ্রী কম দিয়ে স্লিপেই লিখে দেওয়া হয় পরে দেওয়া হবে। কিন্তু পরে আর কোনও সামগ্রী দেয়নি। আমার ৪ টি কার্ডে মোট সামগ্রী পাওয়ার কথা ১৯ কেজি। কিন্তু আমাকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১৫ কেজি।” আরেক গ্রাহক তিমির রায় বলেন, “আমার ১৯ কেজি ৭০০ গ্রাম চাল পাওয়ার কথা কিন্তু অনেক দিন ধরেই মাপে কম দেওয়া হচ্ছে। জিজ্ঞেস করলে বলা হয় কার্ড ব্লক করা আছে তাই মাল কম পাচ্ছেন। অপরে বাড়ি থেকে কার্ড নিয়ে এসে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে কার্ড ব্লক নেই। সর্বত্র মিথ্যাচার করে রেশনের (Ration Scam) মাল চুরি করা হচ্ছে।”

    রেশন দোকান কর্মীর বক্তব্য

    এই রেশন দোকানের (North 24 Parganas) কর্মী শঙ্কর কর্মকার বলেন, “আমাকে অভিযোগ করে লাভ নেই। ডিলার যেভাবে দিতে বলেন আমি রেশন (Ration Scam) সেই ভাবেই দিয়ে থাকি। ডিলার নিজেই কম দিতে বলেন যেখান, সেখানে আমি কী করবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: “পুর নিগমে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি খুলে ফেলে মোদিজির ছবি লাগান” কেন বললেন সুকান্ত?

    Asansol: “পুর নিগমে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি খুলে ফেলে মোদিজির ছবি লাগান” কেন বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার বিজেপির পক্ষ থেকে আসানসোল (Asansol) পুর নিগমের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কড়া ভাষায় আসানসোল কর্পোরেশনের পুরবোর্ডের সমালোচনা করেন তিনি। পুর নিগম থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি খুলে ফেলার কথা বললেন। আসানসোল পুর নিগমের উন্নয়ন খাতে কেন্দ্র সরকার টাকা দিচ্ছে, তাই সেখানে মোদিজির ছবি লাগানোর কথা বলেন। সেই সঙ্গে বলেন, পুর নিগমে হবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি। 

    ইডি ও সিবিআইয়ের হানা নিয়ে কী বললেন (Asansol)?

    ইডি ও সিবিআই হানার প্রসঙ্গ তুলে এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, “কলকাতায় নেতাদের বাড়িতে ইডি ও সিবিআইয়ের রেড হচ্ছে। এবার দুর্নীতির বিরুদ্ধে আসানসোলেও (Asansol) অভিযান হবে।” কয়েকদিন আগে রানীগঞ্জের নারায়ণকুড়িতে ধসের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, “সেখানে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রশাসন বলছে তিনজন মারা গেছে। কার্যত রাজ্য সরকার মৃত্যুর হিসাব নিয়ে মিথ্যাচার করছে।” তিনি বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে পুরসভা দাবি না মানলে তালা ঝুলিয়ে দেয়ার হুঁশিয়ারির দেন।

    আর কী বললেন?

    সুকান্ত এদিন বলেন, “রাজ্য সরকার গত আড়াই বছরে এক টাকাও খরচ করেনি আসানসোল পুর নিগমের জন্য। দিল্লি থেকে মোদিজি আসানসোলবাসীর ঘরে ঘরে জল পৌঁছনোর জন্য ৫০০ কোটি টাকা পাঠিয়েছেন। অথচ রাজ্য সরকার ঘরে ঘরে পানীয় জলের ব্যবস্থা করছে না। স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিতে কোনও কর্মী নেই। কেবলমাত্র আসানসোল (Asansol) হাসপাতালে ডেঙ্গি পরীক্ষা হচ্ছে। রাজ্যে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি সংক্রমণের শিকার হয়েছে, তবুও রাজ্য সরকারের ঘুম ভাঙছে না। আমরা খাওয়া এবং চুরিতে বিশ্বাস করি না। তবে যে খাবে, তাকে ঠিক জায়গায় পাঠানোর কাজ বিজেপি করবে। মন্ত্রী মলয় ঘটক নিজে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি বাহানা দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতা করছেন না।”

    এদিনের এই বিক্ষোভ সমাবেশে সুকান্ত মজুমদার সহ জেলা সভাপতি বাপ্পা চ্যাটার্জি, বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই, বিজেপি নেতা কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি ও আসানসোল পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তেওয়ারি সহ উপস্থিত ছিলেন বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনা প্রসঙ্গে আসানসোলের (Asansol) মেয়র বিধান উপাধ্যায় বলেন, “কোনও অনুদানে রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্র সরকারের একটা ভাগ থাকে। পুরো টাকাটাই পশ্চিমবঙ্গ থেকে ট্যাক্স হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র। তারপর সেই টাকার একটা অংশ ফেরত দিচ্ছে রাজ্যে। তাহলে এটা কার দেওয়া হল?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suri Hospital: নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে অপারেশন থিয়েটার চালাবেন সুপার! তুমুল উত্তেজনা সিউড়িতে

    Suri Hospital: নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে অপারেশন থিয়েটার চালাবেন সুপার! তুমুল উত্তেজনা সিউড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাজ চালাতে সিভিক পুলিশ, সিভিক টিচার, সিভিক ডাক্তারের তত্ত্ব দিয়েছিলেন। আর এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল শাসক-বিরোধী দলের বাক্‌যুদ্ধে। এবার নিরাপত্তারক্ষীদের দিয়ে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার চালাতে চাইছেন সুপার! এই অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে বীড়ভূম জেলার সিউড়ি হাসপাতালে (Suri Hospital)। একে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার চূড়ান্ত বেহাল দশা বলে কটাক্ষ করলেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীরা প্রতিবাদে নেমে সরব হয়েছেন।

    হাসপাতালের ওটিতে কেন নিরাপত্তারক্ষী (Suri Hospital)?

    সূত্রে জানা গেছে, সিউড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের (Suri Hospital) ওটি ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখতে হবে। কিন্তু পর্যাপ্ত ডাক্তার, নার্স, ওয়ার্ড বয় কোথায়? আর তাই সুপার নির্দেশিকা জারি করেছেন, নিরাপত্তারক্ষীদের এবার থেকে ওটিতে অতরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে বিশেষ টিম তৈরি করা হবে। কিন্তু পুঁথিগত বিদ্যা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা ছাড়া কীভাবে কাজ করবেন নিরাপত্তারক্ষীরা! আর এই নিয়ে উঠেছে বিস্তর প্রশ্ন। এই ঘটনায় সোমবার ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে।

    নিরাপত্তারক্ষীদের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Suri Hospital) নিরাপত্তারক্ষী কার্ত্তিক দাস বলেন, “ওটিতে পাঁচজন লোক লাগবে বলে জানিয়েছেন সুপার। এমনকি সুপার পাঁচজনের নামও দেন। কিন্তু পরে জানা গেছে ওটিতে নিরাপত্তার জন্য নয়, ডাক্তারদের সহযোগিতার জন্য অতিরিক্ত লোক লাগবে। এই জন্য আমাদের আপত্তি। আমরা তো কোনও প্রশিক্ষণ নিইনি। তাছাড়া যন্ত্রপাতির কোনও ব্যবহারও জানি না। ফলে, যে কোনও মারাত্মক ভুল হতে পারে। তাছাড়া আমরা কেন এইসব বিষয়ের দায়িত্ব নেব!”

    হাসপাতাল সুপারের বক্তব্য

    হাসপাতালের (Suri Hospital) সুপার নীলাঞ্জন মণ্ডল বলেন, “২৪ ঘণ্টা ওটি চালাতে গেলে লোক লাগবে। সেই জন্য টিম তৈরি করা হচ্ছে। ওঁরা সবাই আমাদের পরিচিত। কেউ নিরাপত্তা রক্ষী আবার কেউ ওয়ার্ড বয়। সকলের সঙ্গে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক। সাময়িক ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে, তবে ঠিক হয়ে যাবে। শিখে নিলে সবাই পারবেন। তাছাড়া রোগীর পরিষেবার জন্যই এই নতুন পরিকল্পনা।”

    নিরাপত্তা কর্মীদের সুপার ভাইজারের বক্তব্য

    পাশপাশি হাসপাতালের (Suri Hospital) নিরাপত্তা কর্মীদের সুপারভাইজার তরুণ গড়াই বলেন, “সুপার এক সপ্তাহ ধরে বলছেন কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী লাগবে। তাঁকে বলেছি, ওরা ওটি চালাতে পারবে না। তিনি হুমকি দিচ্ছেন। আমি আমাদের সংস্থাকে জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: ডিপিএল ময়দানে সভা বাতিলে ব্যাপক বিক্ষোভ বিজেপির, তীব্র উত্তেজনা

    Durgapur: ডিপিএল ময়দানে সভা বাতিলে ব্যাপক বিক্ষোভ বিজেপির, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর (Durgapur) নগর নিগম নির্বাচনকে দ্রুত করানোর দাবি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে আগামী ৩ আগস্ট দুর্গাপুরের গ্যামন ব্রিজ সংলগ্ন ময়দানে। যে সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ ওই ময়দান ডিপিএল কর্তৃপক্ষের অধীনে, ফলে ডিপিএল কর্তৃপক্ষকে বহু আগে থেকে আবেদন করেও, শেষ মুহূর্তে সভা করার অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। আর সভার অনুমতি না মেলায় এর বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে নেমেছেন বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    দুর্গাপুর (Durgapur) পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে ওই ময়দানে সভা করার অনুমতি দিলেও রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিকে অনুমতি দিতে টালবাহানা করছে কর্তৃপক্ষ। এমনকি পুলিশের অনুমতি মিলছে না। তাঁর আরও দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর সভা ওই ময়দানে অনুষ্ঠিত হলে জনপ্লাবনে পরিণত হবে। আর রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের প্রতি মানুষের এই সমর্থনকে মেনে নিতে পারছে না শাসক দল তৃণমূল। তাই অজ্ঞাত কারণে ডিপিএল কর্তৃপক্ষ সভা করতে অনুমতি দিচ্ছেন না। বুধবার সকালে ময়দান পরিদর্শনের পাশাপাশি ডিপিএলের প্রশাসক ভবনে সাক্ষাৎ করতে যান বিজেপির এক প্রতিনিধি দল। কেন তাঁদের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না, সেই বিষয়ে কথা বলতে যান বিজেপি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি এই দিন। ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক আরও দাবি করে বলেন, ডিপিএল অনুমতি দিক বা না দিক নির্দিষ্ট দিনেই নির্দিষ্ট সময় মেনে ওই ময়দানেই সভা হবে।

    ডিপিএল (Durgapur) এর বক্তব্য

    ডিপিএল কর্তৃপক্ষের এক আধিকারিক বলেন যে আমরা মূলত মেলা, পূজার জন্যই অনুমতি দিয়ে থাকি ওই ময়দানের জন্য। কোনও রকম রাজনৈতিক সভাসমিতির জন্য অনুমতি দেওয়া হয় না। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আগেও রাজনৈতিক সভা হয়েছে, এখন তাহলে কীসের সমস্যা! উত্তরে আধিকারিক বলেন, আমি আমার সময়ে যা নিয়ম দেখেছি তার সাপেক্ষেই ডিপিএল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর বেশী কিছু বলতে পারব না।    

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share