Tag: protest

protest

  • Durgapur: ডিপিএল ময়দানে সভা বাতিলে ব্যাপক বিক্ষোভ বিজেপির, তীব্র উত্তেজনা

    Durgapur: ডিপিএল ময়দানে সভা বাতিলে ব্যাপক বিক্ষোভ বিজেপির, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুর (Durgapur) নগর নিগম নির্বাচনকে দ্রুত করানোর দাবি সহ বিভিন্ন ইস্যুতে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির পক্ষ থেকে জনসভার আয়োজন করা হয়েছে আগামী ৩ আগস্ট দুর্গাপুরের গ্যামন ব্রিজ সংলগ্ন ময়দানে। যে সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু বিজেপির অভিযোগ ওই ময়দান ডিপিএল কর্তৃপক্ষের অধীনে, ফলে ডিপিএল কর্তৃপক্ষকে বহু আগে থেকে আবেদন করেও, শেষ মুহূর্তে সভা করার অনুমতি দেয়নি কর্তৃপক্ষ। আর সভার অনুমতি না মেলায় এর বিরুদ্ধেই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদে নেমেছেন বিজেপি।

    বিজেপির বক্তব্য

    দুর্গাপুর (Durgapur) পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘোড়ুই অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলিকে ওই ময়দানে সভা করার অনুমতি দিলেও রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপিকে অনুমতি দিতে টালবাহানা করছে কর্তৃপক্ষ। এমনকি পুলিশের অনুমতি মিলছে না। তাঁর আরও দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর সভা ওই ময়দানে অনুষ্ঠিত হলে জনপ্লাবনে পরিণত হবে। আর রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের প্রতি মানুষের এই সমর্থনকে মেনে নিতে পারছে না শাসক দল তৃণমূল। তাই অজ্ঞাত কারণে ডিপিএল কর্তৃপক্ষ সভা করতে অনুমতি দিচ্ছেন না। বুধবার সকালে ময়দান পরিদর্শনের পাশাপাশি ডিপিএলের প্রশাসক ভবনে সাক্ষাৎ করতে যান বিজেপির এক প্রতিনিধি দল। কেন তাঁদের অনুমতি দেয়া হচ্ছে না, সেই বিষয়ে কথা বলতে যান বিজেপি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিজেপি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি এই দিন। ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়ক আরও দাবি করে বলেন, ডিপিএল অনুমতি দিক বা না দিক নির্দিষ্ট দিনেই নির্দিষ্ট সময় মেনে ওই ময়দানেই সভা হবে।

    ডিপিএল (Durgapur) এর বক্তব্য

    ডিপিএল কর্তৃপক্ষের এক আধিকারিক বলেন যে আমরা মূলত মেলা, পূজার জন্যই অনুমতি দিয়ে থাকি ওই ময়দানের জন্য। কোনও রকম রাজনৈতিক সভাসমিতির জন্য অনুমতি দেওয়া হয় না। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন আগেও রাজনৈতিক সভা হয়েছে, এখন তাহলে কীসের সমস্যা! উত্তরে আধিকারিক বলেন, আমি আমার সময়ে যা নিয়ম দেখেছি তার সাপেক্ষেই ডিপিএল এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর বেশী কিছু বলতে পারব না।    

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Puruliya: ট্রেনের সংরক্ষিত আসনে বসে তৃণমূলের ব্যাজ লাগানো কর্মীরা, বিক্ষোভ পুরুলিয়া স্টেশনে

    Puruliya: ট্রেনের সংরক্ষিত আসনে বসে তৃণমূলের ব্যাজ লাগানো কর্মীরা, বিক্ষোভ পুরুলিয়া স্টেশনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণ থাকা সত্ত্বেও তৃণমূল কর্মীদের দৌরাত্ম্যে সিট না পেয়ে চরম হয়রানির মুখে পড়তে হল রেল যাত্রীদের। প্রতিবাদ করলে জোটে অত্যন্ত দুর্ব্যবহার। ঘটনায় ক্ষুব্ধ রেল যাত্রীরা প্রতিবাদ জানিয়ে রেল লাইনে নেমে  অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে পুরুলিয়া (Puruliya) রেল স্টেশন।

    কেন সংরক্ষিত আসনে তৃণমূল কর্মীরা (Puruliya)?

    প্রসঙ্গত আজ কলকাতায় ২১ জুলাই তৃণমূলের শহিদ সভা। আর সেই সভায় যোগ দিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুরুলিয়া (Puruliya) রেল স্টেশনে রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসের সংরক্ষিত কোচে চেপে ভিড় জমান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। মূল অভিযোগ, সংরক্ষিত যাত্রীদের আসন অবৈধভাবে দখল করে সেই খানে বসে পড়েন তৃণমূলের কর্মীরা। অথচ রিজার্ভেশন টিকিট থাকা রেলযাত্রীদের বসতে দেওয়া হয়নি। এমনকি রেল যাত্রীদের মারধর ও দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

    প্রতিবাদে বিক্ষোভ রেল যাত্রীদের

    গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন রেলযাত্রীরা। প্রতিবাদ জানিয়ে ট্রেনের ইঞ্জিনের (Puruliya) সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। ঘটনায় হাওড়া-পুরুলিয়া রুপসী বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি প্রায় ২৫ মিনিটের বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকে স্টেশনে। ঘটনাকে ঘিরে পুরুলিয়া রেল স্টেশন জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। রূম্পা নিয়োগী নামে এক যাত্রী বলেন, আমার সংরক্ষিত টিকিট রয়েছে, কিন্তু ট্রেনে উঠতে পারলাম না। রেলের পুলিশকে বলতে উত্তর দিল, টিকিট কাউন্টারে কথা বলুন। চূড়ান্ত হয়রানির শিকার হতে হল আজ। আরেক যাত্রী তনুশ্রী পালধী বলেন, প্রচুর ভিড় ছিল ট্রেনে, টিকিট সংরক্ষিত থাকলেও ট্রেনে যেতে পারলাম না। তিনি আরও বলেন, আমার জায়গা তৃণমূলের কর্মীরা দখল করে রেখেছে। আমরা তো টাকা দিয়ে সংরক্ষিত টিকিট কেটেছি! আর অপর দিকে বুকে ‘ধর্মতলা চলো’ বলে তৃণমূলের ব্যাজ নিয়ে আমাদের সিট দখল করেছে তৃণমূলের কর্মীরা। সরকার কি কেবল এই তৃণমূল কর্মীদের! আমরা যাঁরা আজ অসুবিধার মধ্যে রয়েছি তাঁদের সরকার কি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন। এই ভাবে প্রশ্ন তোলেন সাধারণ যাত্রীরা। 

    রেল পুলিশের ভূমিকা

    অবশেষে পরিস্থিতিকে সামাল দিতে রেল পুলিশ (Puruliya) ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। এরপর সংরক্ষিত কামরার টিকিট থাকা যাত্রীদের বিকল্প কামরায় আসনের ব্যবস্থা করে দিলেন রেল পুলিশ। এরপর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। যদিও অনেকে ট্রেনে উঠতে না পারায় বাড়ি ফিরতে বাধ্য হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    Bankura: নিম্নমানের খাবার, প্রতিবাদে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝোলালেন গ্রামবাসীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার পরিবেশন করার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভের ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার (Bankura) গঙ্গাজলঘাটি ভুঁইভোড় গ্রামে। এলাকায় গ্রামবাসীরা প্রতিবাদ করলেন এবং এই নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ল জেলায়। অবশেষে পুলিশ এসে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করল।

    কীভাবে ঘটল (Bankura)?

    নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে খাবার তৈরি করে পরিবেশনের অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন অঙ্গনওয়াড়ির কর্মীরা। বাঁকুড়া (Bankura) জেলার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের ১৭৮ নং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভুঁইফোড় উপরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে খাবার তৈরি করা হচ্ছিল। এই এরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল অনেক বাচ্চা। একাধিকবার অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের জানানো হলেও তার কোনও সুরাহা হয়নি। তাই আজ গ্রামের মানুষ অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা দিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন। উত্তেজিত গ্রামবাসীর এই প্রতিবাদে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। নিম্নমানের খাবার এবং বিক্ষোভের ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় গঙ্গাজলঘাটি (Bankura) থানার পুলিশ। পরে পুলিশের আশ্বাসে গ্রামবাসীরা তালা খুলে দেন।

    গ্রামবাসীদের বক্তব্য

    প্রতিবাদে এক গ্রামবাসী (Bankura) খোকন রায় বলেন, এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বাচ্চাদের পড়াশুনা হয় না বললেই চলে। শুধু মাত্র খাবর দেওয়ার সময় আসে কর্মীরা। কিন্তু যে খাবার রান্না হয় তা খুব নিম্নমানের এবং বাচ্চাদের জন্য খাবারের যা পরিমাণ তাও খুব অল্প। সবজি নেই বললেই চলে। অনেক বাচ্চা মাঝে মাঝে খাবার খেয়েই অসুস্থ হয়ে যায়। তাই আজ আমরা তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ করলাম।

    অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের বক্তব্য

    এই ঘটনায় অভিযুক্ত অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী শিপ্রা চ্যাটার্জি বলেন, গ্রামবাসীদের (Bankura) করা এই যাবতীয় অভিযোগ একদম মিথ্যা। এছাড়া তিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কারণে সবজি বা অন্যান্য সামগ্রী আনতে না পারার কথাও স্বীকার করে নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: জেলাশাসকের দফতরের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির, উত্তাল বীরভূম

    Birbhum: জেলাশাসকের দফতরের সামনে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ বিজেপির, উত্তাল বীরভূম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনঃনির্বাচনের দিনই বীরভূম (Birbhum) জেলাশাসকের দফতরের সামনে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হল। ভোট লুঠ-সন্ত্রাস-ছাপ্পা-হত্যালীলার প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে বীরভূম পুলিশ সুপারের উদ্দেশে লজ্জাজনক স্লোগান উঠল “হায়-হায়”। এভাবেই প্রতিবাদ জানিয়ে বিক্ষোভ দেখাল বীরভূম বিজেপি। নির্বাচনে হিংসার বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মীরা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে খালি গায়ে মাটিতে বসে বিক্ষোভ দেখান। ৮ ই জুলাই রাজ্যের জেলায় জেলায় যে সন্ত্রাস হয়ছে, তার জন্য একমাত্র দায়ী নির্বাচন কমিশন। কমিশনকে এই হিংসার দায়িত্ব নিতে হবে বলে দাবি করে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহাকে খুনী এবং মুখ্যমন্ত্রীকে খুনীর প্রধান সঞ্চালক বলে দাবি করা হয়।

    বিজেপি জেলা সভাপতির বক্তব্য

    বিজেপির জেলা (Birbhum) সভাপতি ধ্রুব সাহা বলেন, ১৪ টি বুথে রিপোলিং হচ্ছে, সেখানে তৃণমূল নিশ্চিত হারছে বলে! অন্যান্য জায়গায় ১০০-১৫০ টি বুথে রিপোলিং হচ্ছে। কিন্তু বীরভূমে হচ্ছে না। এর কারণ হল তৃণমূল হেরে যাবে ভোটে। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের নামে একটা প্রহসন চলছে। আমরা বীরভূমবাসীরা সেই প্রহসনের ভাগীদার। বীরভূমের পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর। দুবরাজপুরে বিজেপির ১০০ জনকে সরকারি কাজে বাধার অজুহাত দেখিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় এলাকায় মহিলা, শিশুদের উপর তৃণমূলের গুন্ডারা সন্ত্রাস চালাচ্ছে। ময়নাডাল গ্রামের ভোট পড়ার সংখ্যা শূন্য দেখিয়ে প্রহসনের নির্বাচন করছে কমিশন। এই বুথের মহিলা-পুরুষ শূন্য করে নির্বাচন করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্য জুড়ে যেভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, তার প্রতিবাদে আগুন জ্বালিয়ে প্রতিবাদ করা হল। এই আগুন ছোট, এরপর বড় আগুন জ্বলবে। অভিনব ভাবে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। গণতন্ত্রকে হত্যা করে প্রশাস যেমন উলঙ্গ হয়েছে ঠিক সেইভাবেই বিজেপি কর্মীরা গায়ের জামা খুলে প্রতীকী প্রতিবাদ করলেন। রাজ্যের ভোট জুড়ে সকল হিংসার দায়িত্ব এই প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে। আজ নির্বাচনের নামে যে প্রহসন চলছে তাকে অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। 

    আক্রান্ত সিপিএম প্রার্থী

    হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভয়ে গৃহবন্দি হয়ে বসে রয়েছেন সিপিএম প্রার্থী। এরকমই ঘটনার দেখা মিলল বীরভূমের ময়ূরেশ্বরে। সেখানেও হচ্ছে উপ নির্বাচন। সেখানকার সিপিএমের মহিলা প্রার্থীর অভিযোগ, রবিবার রাতে এসে হুমকি দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তাঁর স্বামীর হাতে শনিবার চাকু মেরেছে গুন্ডারা। ভোটকেন্দ্রে গেলে, মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এর জেরে মহিলা প্রার্থী ও তাঁর স্বামী যেতে পারছেন না ভোটকেন্দ্রে। যদিও এ নিয়ে পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ করেননি সিপিএম প্রার্থী। তাঁর ভয়, অভিযোগ করলে ভোটের পর ঘরবাড়ি আর আস্ত থাকবে না! তাঁদেরও প্রাণ সংশয়ের মুখে পড়তে হবে। যদিও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেছন স্থানীয় তৃণমূল প্রার্থী।

    তৃণমূল প্রার্থী সঞ্জয় দাস বলেছেন, “সিপিএম প্রার্থীর সঙ্গে লোক নেই। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন। খুব শান্তিতে ভোট হচ্ছে এখানে। কোনও অসুবিধা হয়নি।” এদিকে ময়ূরেশ্বরের ভোটাররাও ভয় দেখানোর অভিযোগ করেন। খবর পেয়ে সেন্ট্রাল ফোর্স ওই এলাকায় পৌঁছেছে এবং তারপরই ভোটাররাও ভোট দিতে বের হন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা, গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল?” সং সেজে গানে প্রতিবাদ

    Birbhum: “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা, গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল?” সং সেজে গানে প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নানুর, কীর্ণাহার (Birbhum) সরগরম কেষ্ট মণ্ডলের তিহারবাস আর জেলযাত্রা নিয়ে সং-এর গানে। নানুর বিধানসভার কীর্ণাহারের দাসকল গ্রামে হরিনাম সংকীর্তনের ধূলোট উৎসবে এক অভিনব “সং”-এর দল দেখা গেল, যেখানে গানের মধ্যে উঠে এল তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তথা কেষ্ট মণ্ডলের তিহার জীবনের কথা। এমনকি হাস্যরসাত্মক সুর দিয়ে “সং” শিল্পীরা তুলে ধরলেন দুর্নীতির প্রসঙ্গও। এলাকায় এই নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

    কেন গান (Birbhum)?

    বাংলা শিল্প, সৃষ্টি, কৃষ্টির ভূমি। সমাজ জীবনে ঘটে চলা বিষয়কে নিয়ে বাঙালি সর্বাদা শিল্প-নাটক-নৃত্য গান ও কলমের ভাষায় প্রতিবাদ করে থাকে। ঠিক এমনটাই করল গ্রামীণ “সং” গানের শিল্পীরা। তবে এবার অনুব্রত মণ্ডল (Birbhum) আর দুয়ারে উন্নয়ন-এই দুই স্লোগান নির্বাচনী প্রচারের হাতিয়ার শাসক দলের। আর এই দুই স্লোগানকে গানের সুরে তীব্র কটাক্ষ করে গ্রামের মানুষের মনোরঞ্জন করলেন একদল গ্রামীণ শিল্পী। প্রত্যেকেই মহিলা সেজে গান পরিবেশন করেন। “দুয়ারে দুর্নীতি! নকুলদানা গুড়-বাতাসা! কেষ্টদা কোথায় গেল? “সং” সেজে গানে প্রতিবাদ দেখা গেল।

    প্রতিবাদের ভাষা “সং”

    তবে এমন একটা সময় ছিল, যখন এখনকার মতো ডিজিটাল বিনোদন আর মুঠো ফোনে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যম ছিল না। মানুষ যাত্রা, নাটকের পাশাপাশি বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাস্যরসের বন্যা বইয়ে দিত “সং”সেজে। যেখানে তিনদিনের হরিনাম-সংকীর্তন শেষে ধূলোট উৎসবে “সং” সেজে দল বেঁধে হাস্যরসাত্মক গান শুনিয়ে সাধারণ মানুষকে আনন্দ দিলেন গ্রামেরই গৌতম মণ্ডল, পরেশ চট্টরাজ, বাপি কর্মকার, দ্রুপদ ব্যানার্জি, লালু মাঝিরা। তবে “সং” মানেই কটাক্ষ, “সং” মানেই হাস্যরস। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁরা কেষ্ট মণ্ডল বা দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে হাস্যরসের সৃষ্টি করলেও, “সং” পরিবেশনের বিষয়টা পুরোটাই ছিল অ-রাজনৈতিক। কিন্তু “সং” এর গানে ছিল দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক নেতার কথাই।

    শিল্পীরা কী বলেছেন?

    শিল্পীরা (Birbhum) বলেন, সমাজে যা দেখেছি আর তাই নিয়ে গান বানিয়েছি। নাম সংকীর্তনের পাশাপাশি এই গান করে থাকি। শুধুমাত্র মানুষের মুখে হাসি আনতে আমরা পরিবেশন করি। বর্তমান সমাজে হাসি আর সুখের অভাব, তাই সাময়িক বিনোদনের চেষ্টা করে থাকি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Bardhaman: রানিগঞ্জে তৃণমূল ছেড়ে নির্দল হতেই আচমকা মনোনয়ন বাতিল! বিক্ষোভ

    Paschim Bardhaman: রানিগঞ্জে তৃণমূল ছেড়ে নির্দল হতেই আচমকা মনোনয়ন বাতিল! বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ শে জুন মনোনয়নের প্রত্যাহার পর্ব মিটে যাওয়ার পর ২১ তারিখ প্রতীক চিহ্ন নিতে গিয়ে অবাক প্রার্থী। দেখলেন, তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এরপর বিডিও অফিসের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন চিন্তা কুমারী নামের ওই নির্দল প্রার্থী।

    কোথায় ঘটেছে?

    ঘটনাটি ঘটেছে রানিগঞ্জ (Paschim Bardhaman) বিডিও অফিসে। নির্দল পদপ্রার্থী চিন্তা কুমারীর অভিযোগ, তিনি গতকাল পর্যন্ত তাঁর নমিনেশন জমা পড়েছে বলে তালিকায় নাম দেখে গেছেন। আজ প্রতীক চিহ্ন আনতে এলে তালিকায় তাঁর নাম নেই বলে জানতে পারেন। তিনি রানিগঞ্জের টিরাট পঞ্চায়েত থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেছিলেন। স্থানীয় এক যুবক বিট্টু বিশ্বকর্মা নিজেকে সমাজসেবী পরিচয় দিয়ে বলেন, কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, আমরা বিডিও সাহেবের কাছে তা জানতে চাই। আর যদি সন্তোষজনক জবাব না পাই, তাহলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে যাব। পরে বিষয়টি নিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনারের দফতরে জানানো হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    প্রার্থীর বক্তব্য

    নির্বাচনে প্রার্থী চিন্তাদেবী (Paschim Bardhaman) বলেন, আমি মূলত তৃণমূল দল করি। কিন্তু নির্বাচনে দল টিকিট না দিলে নির্দল প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা করি। বিডিও সাহেব আমাকে বলেন, আমি নাকি অফিসে এসে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছিলাম। বিডিও সাহেব আরও বলেন, আমি নাকি বিশেষ কাগজে সই করে আমার নাম প্রত্যাহার করেছি! পাল্টা আমার স্বাক্ষর দেখতে চাইলে উনি আমায় কোনও কাগজ দেখাতে পারেননি বলে দাবি করেন চিন্তাদেবী। তিনি আরও বলেন, একজন তফশিলি সমাজের মহিলা প্রার্থী হিসাবে বিডিও আমার সঙ্গে অন্যায় করছেন। এই ঘটনা নির্বাচনের ইতিহাসে নজিরবিহীন। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমি লড়াই করব। তিনি আরও বলেন, তাঁর প্রতি অন্যায় হয়েছে বলে বিডিও অফিসের সামনে সমর্থকদের নিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে ধর্নায়ও বসেছিলেন। এরপর চিন্তাদেবীর সমর্থনে তাঁর কর্মী-সমর্থকরা বিডিও অফিসের সামনে প্রতিবাদ মিছিল করছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: প্রার্থী পছন্দ নয়! জেলায় জেলায় দলের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে তৃণমূল কর্মীরা

    Panchayat Election 2023: প্রার্থী পছন্দ নয়! জেলায় জেলায় দলের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে তৃণমূল কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election 2023) টিকিট না পেয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলই জেলায় জেলায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। এমনই চিত্র দেখা যাচ্ছে বহু জায়গায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নব্য তৃণমূল এবং আদি তৃণমূলের দ্বন্দ্বই প্রকাশ্যে আসছে। এরকমই বিক্ষোভের চিত্র দেখা গেল পূর্ব বর্ধমানের কালনা এবং মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। 

    টিকিট না পেয়ে কালনায় বিক্ষোভ

    গ্রাম পঞ্চায়েতের (Panchayat Election 2023) প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠী কোন্দল সামনে এল। বুধবার বিকেলে হাট কালনা পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধর্মডাঙ্গা এলাকায় প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের সামনে বিক্ষোভে সরব হল দলেরই একাংশ। এঁদের দাবি, নির্মল বৈদ্য এবং শোভা রায় দুজনই তৃণমূলের হয়ে প্রার্থী হয়েছেন এই এলাকায়। কিন্তু এই প্রার্থীদের মেনে নিতে চাইছেন না এলাকার তৃণমূলের একাংশ। আর তাই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকার আদি তৃণমূল কর্মীরা। এলাকার এক তৃণমূল কর্মী অরুণ মণ্ডল বলেন, আমরা এলাকায় ১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল করছি। বহু সময় ধরে আমরা অত্যাচার সহ্য করে সিপিএমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে এলাকায় রাজনীতি করছি। আজ আমাদের উপেক্ষা করে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অন্য লোককে টিকিট দেওয়া হয়েছে। আমাদের সঙ্গে আলোচনা না করলে, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব। কালনা ছাড়া মুর্শিদাবাদেও টিকিট না পেয়ে বিক্ষোভের চিত্র নজরে আসে।

    লালগোলায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) প্রার্থী তালিকায় নাম নেই তৃণমূলের জেলা পরিষদ সদস্য হজরত উমরের। তাঁর বদলে নাম রয়েছে মোতাহার হোসেনের। আর তার জেরেই প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন তৃণমূলের নশিপুর এলাকার নেতা ও কর্মীরা। ক্ষোভে গত বুধবার পথ অবরোধও করেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলের সমর্থকরা। এদিন লালগোলার তৃণমূলের বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয় কর্মীরা। অপর দিকে মোতাহার হোসেন রিপন নামক ব্যক্তি জেলা পরিষদের প্রার্থী হলেও তাঁর স্ত্রীকে আবার পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী করা হয়েছে। এক পরিবার থেকে এত প্রার্থী কেন? এই নিয়েও তৃণমূলের অন্দরে উঠেছে প্রশ্ন! আর তাই শাসক দলের প্রার্থী তালিকায় নাম দেখেই এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বিক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে। এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, এখানকার তৃণমূল বিধায়ক এবং সাংসদ টাকা নিয়ে প্রার্থী ঠিক করে আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। পাশাপাশি যাদের প্রার্থী করা হয়েছে তারা এই অঞ্চলের বাসিন্দা নয়। কোনও বহিরাগত লোককে অঞ্চলের পদপ্রার্থী হিসাবে মানতে নারাজ তাঁরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: সিপিএম, সিপিআই  এবং কংগ্রেস কর্মীদের লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের টিকিট?

    Murshidabad: সিপিএম, সিপিআই এবং কংগ্রেস কর্মীদের লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূলের টিকিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট না পেয়ে বিক্ষোভ দেখালেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরাই। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দি থানার অন্তর্গত কুমারষণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙ্গাপাড়া মোড়ে রীতিমতো রাস্তায় নেমে, এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধের আন্দোলন করতে দেখা যায়। প্রতিবাদীদের একটাই দাবি, কেন তৃণমূল কর্মীদের টিকিট না দিয়ে সিপিএম, সিপিআই এবং কংগ্রেস কর্মীদের টিকিট দেওয়া হল।

    কী ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কান্দিতে

    কান্দির (Murshidabad) দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার যাঁদের মনোনয়ন করার কথা ছিল, সকালে হঠাৎ তাঁরা জানতে পারেন, নাম বাদ গিয়েছে। আর তার পরিবর্তে সিপিএম এবং কংগ্রেস কর্মীদের লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের টিকিট বিক্রি করেছেন কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার। সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই অভিযোগ করেন কান্দি ব্লক মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক হাবিবুর রহমান। তিনি আরও বলেন, এই এলাকায় বর্তমান বিধায়ক এবং তাঁর ভাই মিলে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন। টিকিট না পেয়ে আরেক প্রতিবাদী তৃণমূল কর্মী বলেন, আমরা এই এলাকায় ২০০১ সাল থেকে তৃণমূল দল করি। অত্যাচার সহ্য করে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে, এই এলাকা থেকে সিপিএমকে উৎখাত করেছি। তিনি আরও বলেন, আমাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আমাদের নেতা বগবুল হোসেন। আজ পুরাতন তৃণমূল কর্মী হওয়ায় আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এই এলাকার তৃণমূল নেতা বগবুল হোসেনের অনুগামী হওয়ার জন্য আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে।

    কেন এই দ্বন্দ্ব?

    বগবুল হোসেন বলেন, আমার অনুগত কেউ নন, সবাই আমরা দলের অনুগত। কে বা কারা বিক্ষোভ করছেন, আমার জানা নেই। তবে সবাইকে বলব, দলের হাত শক্ত করুন। অপরদিকে পাশেই রয়েছে ভরতপুর (Murshidabad) বিধানসভা এবং বিধায়ক হলেন হুমায়ন কবীর। উল্লেখ্য, অঞ্চলে ভোটের আগেই প্রায় ৪১ জনকে নিয়ে একটি বিশেষ অঞ্চল কমিটি গঠন করেন বিধায়ক হুমায়ন কবীর। কিন্তু কান্দি তৃণমূল ব্লক সভাপতি বগবুল হোসেন এবং তাঁর অনুগামীদের কাউকেই কমিটিতে রাখা হয়নি। ফলে কীভাবে নির্বাচন হবে এবং কারা দলের হয়ে কাজ পাবেন, তাও স্পষ্ট হয় এই কিমিটিতে। বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে, পঞ্চায়েত ভোটে টিকিট না পাওয়াটা দলের অন্দরে কোন্দলেরই ফল।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Agitation: নিয়োগ দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই! পথে চাকরিপ্রার্থীদের মহাজোট

    SSC Agitation: নিয়োগ দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই! পথে চাকরিপ্রার্থীদের মহাজোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের যোগ্যতায় প্রাপ্য চাকরি দিতেই হবে। নিয়োগ দুর্নীতিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের প্রাপ্য মর্যাদা দিতে হবে। এই দাবিতে আজ আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের ‘মহাজোট’পথে নামল। সোমবার ৯টি সংগঠনের জোট মঞ্চ পথে নামে। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই এই মহামিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। মহামিছিল থেকে নিয়োগ দুর্নীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন চাকরি প্রার্থীরা। এই মিছিলের ফলে শিয়ালদহ থেকে মৌলালি পর্যন্ত রাস্তা একেবারে অবরুদ্ধ হয়ে যায়।

    মিছিল থেকে দাবি

    এক আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীর কথায়, ‘রাজনীতিতে যদি মহাজোট হতে পারে, তাহলে যারা চাকরি পাচ্ছে না, তাদের কেন মহাজোট হবে না ? দেখিয়ে দেব বঞ্চিতদের কতটা শক্তি। সাদা খাতা দিয়ে কীভাবে চাকরি, টাকার বিনিময়ে?’উল্লেখ্য, কেউ গান্ধী মূর্তির পাদদেশে, তো কেউ মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাশে, যোগ্য প্রার্থী হয়েও স্কুলে চাকরি না মেলার অভিযোগে, মাসের পর মাস ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন এঁরা। এবার আর আলাদা আলাদা নয়, একজোট হয়ে পথে নামলেন চাকরিপ্রার্থী আন্দোলনকারীদের ৯টি মঞ্চ। কলকাতা হাইকোর্টের সম্মতি নিয়ে, সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় শিয়ালদহ থেকে আন্দোলনকারী চাকরিপ্রার্থীদের মহামিছিল শুরু হয়। মিছিল যায় ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেল পর্যন্ত। তাতে সামিল  ৬০০ দিনের উপর আন্দোলন চালিয়ে আসা SLST-র চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁরা ছাড়াও মিছিলে যোগ দেন, ২০১৪-র টেট উত্তীর্ণ, SSC-র গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি-র চাকরিপ্রার্থীরা-সহ অন্যান্য মঞ্চ। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে পারবে ইডি, অনুমতি রাউস অ্যাভেনিউ আদালতের

    সুবিশাল মিছিলের জন্য আটকে পড়েন বহু যাত্রী। যদিও, এক বাস যাত্রী বলেন,“আমাদের অসুবিধা হচ্ছে ঠিকই। তবে তাঁরাও দীর্ঘদিন ধরে চাকরির জন্য লড়ছেন। তাঁদের দাবি ন্যায্য। মুখ্যমন্ত্রীর দেখা উচিত।” অপরদিকে কীতর্ন করতে দেখা যায় কয়েকজন চাকরি প্রার্থীদের। তাঁদের দাবি হরিনামের মাধ্যমে সরকারের কাছে নিজেদের আর্তনাদ তুলে ধরতে চাইছেন তাঁরা। এই মিছিলের ফলে কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে মধ্য কলকাতা। ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে ধীরে ধীরে জমায়েত শুরু করেন চাকরিপ্রার্থীরা। চাকরি প্রার্থীদের আন্দোলনের জেরে শহরের ট্র্যাফিক পরিষেবা একেবারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Birbhum: নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দলীয় সভায় ব্যাপক বিক্ষোভ, ফাটল আরও স্পষ্ট

    Birbhum: নাম ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দলীয় সভায় ব্যাপক বিক্ষোভ, ফাটল আরও স্পষ্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার নাম ঘোষণা হতেই কোন্দল স্পষ্ট। চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বীরভূমে (Birbhum) কেষ্টমণ্ডলের গড়ে রাজ্যের মন্ত্রীর সামনেই তুমুল বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের লক্ষ্য করা যায়। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেষ্ট এবং কাজল শেখের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কথা অনেক দিন ধরেই আলোচনার শীর্ষে ছিল। কেষ্ট মণ্ডল গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে। অপরে কাজল শেখের গুরুত্ব অপেক্ষাকৃত জেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও অনুষ্ঠানিক ভাবে দলের জেলা সভাপতিত্বের পদ থেকে সরানোনি। ফলে বীরভূমের শাসক দলের অন্দরে ফাটল স্পষ্ট।

    “জনগর্জন সভা”য় গোষ্ঠী কোন্দল (Birbhum)

    রাজ্যের মন্ত্রীর সামনে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল। এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ করতে দেখা যায়। সোমবার ছিল তৃণমূলের দলীয় কর্মীদের সভা। আজ সোমবার, আগামী ১০ মার্চ ব্রিগেডে তৃণমূলের “জনগর্জন সভা”র একটি প্রস্তুতি সভা ছিল বীরভূমের (Birbhum) মুরারই পশুহাটে। এখানেই উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বস্ত্র, ক্ষুদ্র, কোটির শিল্প দফতরের মন্ত্রী তথা বোলপুরের বিধায়ক চন্দ্রনাথ সাহা। এই সভায় মুরারই-১ নম্বর ব্লকের ডুমুরগ্রাম অঞ্চল কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসাবে কাজী আশরাফুল ইসলাম ওরফে নবাবের নাম ঘোষণা করেন তৃণমূলে সংখালঘু সেলের নেতা রাজ্য সম্পাদক আলি রেজা খান। নাম ঘোষণার পর থেকেই শুরু হয় একংশের মধ্যে বিক্ষোভ। এমনকী তৃণমূল জেলা কংগ্রেসের জেলা সহ সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু তবুও কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিক্ষুব্ধ কর্মীরা সভা ছেড়ে চলে যান।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    বোলপুর (Birbhum) বিধায়ক তথা মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা অবশ্য দলের কর্মীদের সভায় বিক্ষোভ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, “নির্বাচনে তৃণমূলের জয় নিশ্চিত। সেই কারণে কর্মী সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল। সকলে অপেক্ষা করে আছেন কবে ভোট। আমরা বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হব। দল একটি সমষ্টি গত রূপ। এক কর্মী ভুল করলে অন্য কর্মী তাঁকে ঠিক করে দেবেন। কোনও কোন্দল নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share