Tag: Public Safety

  • Arrest Punishment: রাজ্যে লাগু হয়ে গেল ‘গুন্ডাদমন আইন’, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত-সহ কড়া ক্ষমতা প্রশাসনের হাতে

    Arrest Punishment: রাজ্যে লাগু হয়ে গেল ‘গুন্ডাদমন আইন’, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত-সহ কড়া ক্ষমতা প্রশাসনের হাতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সমাজবিরোধী কার্যকলাপ, সংগঠিত অপরাধ, হিংসাত্মক বিক্ষোভ এবং সরকারি-বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের মতো ঘটনাকে কঠোর হাতে দমন করতে (Arrest Punishment) সোমবার থেকে কার্যকর হয়ে গেল রাজ্যের নয়া ‘গুন্ডাদমন আইন’। একই সঙ্গে কার্যকর হয়েছে জনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশোধিত আর একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। নতুন (New Anti Social Activities Bill) এই দুই আইনের পোশাকি নাম ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’।

    ‘নিবর্তনমূলক আটকে’র বিধান (Arrest Punishment)

    নবান্নের দাবি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং অপরাধীদের মনে আইনের শাসনের ভীতি সৃষ্টি করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে আইন কার্যকর হওয়ার আগেই তা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের একাংশের আশঙ্কা, আইনের কিছু ধারা প্রশাসনের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা তুলে দিচ্ছে। যদিও, সরকারের দাবি, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই আইন অপরিহার্য। নয়া আইনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ‘নিবর্তনমূলক আটকে’র বিধান। এই আইন অনুযায়ী, প্রশাসনের কাছে যদি বিশ্বাসযোগ্য কোনও তথ্য থাকে যে কোনও ব্যক্তি জননিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেন বা সমাজবিরোধী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, তাহলে অপরাধ সংঘটিত হওয়ার আগেই তাঁকে সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত আটক করে রাখা যাবে। বিচার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তা কার্যকর করা সম্ভব।

    সমাজবিরোধীর সংজ্ঞা

    আইন অনুযায়ী, রাজ্য সরকার, জেলাশাসক অথবা পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন মনে করলে নিবর্তনমূলক আটকের নির্দেশ দিতে পারবেন। রাজ্য সরকারের মতে, বড় ধরনের অপরাধ বা হিংসার ঘটনা ঘটার আগেই তা প্রতিরোধ করাই এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য। নতুন আইনে ‘এলাকাছাড়া’ করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার বা ডিআইজি পদমর্যাদার কোনও আধিকারিক যদি মনে করেন, কোনও ব্যক্তি নির্দিষ্ট এলাকায় থাকলে শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে, তাহলে তাঁকে অনধিক এক বছরের জন্য ওই এলাকা বা একেবারে জেলা থেকেই বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া যাবে (Arrest Punishment)। আইনে ‘গুন্ডা’ বা ‘সমাজবিরোধী’ শব্দের সংজ্ঞার পরিসরও অনেক প্রসারিত করা হয়েছে। সংঘবদ্ধ অপরাধে নিয়মিত যুক্ত ব্যক্তি, অপরাধে অর্থ জোগানদাতা বা মদতদাতা, নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধে চার্জশিটে নাম থাকা ব্যক্তি, অস্ত্র, মাদক, বিস্ফোরক কিংবা মানবপাচার সংক্রান্ত অপরাধে যুক্ত ব্যক্তি এবং সমাজের জন্য বিপজ্জনক বলে পরিচিত ব্যক্তিদের এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

    পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের নিদান

    এ ছাড়াও সাধারণ মানুষের মনে ভয়, আতঙ্ক বা নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি, জনশৃঙ্খলা ও জনশান্তি বিঘ্নিত করা, জীবন বা সম্পত্তির ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করা, বৈধ ব্যবসা বা পেশা পরিচালনায় বাধা সৃষ্টি, বেআইনিভাবে জমি বা সম্পত্তি দখল, সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তির বড় ক্ষতি, সিন্ডিকেটরাজ, তোলাবাজি, অবৈধ বালি উত্তোলন, বেআইনি খনি কারবার, বনজ সম্পদ ও বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত অপরাধ, বড় ধরনের সাইবার অপরাধ এবং আর্থিক জালিয়াতিকেও সমাজবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করা (Arrest Punishment) হয়েছে। এই আইনের আওতায় থাকা সমস্ত অপরাধই জামিন-অযোগ্য। তাই পুলিশ প্রয়োজন মনে করলে পরোয়ানা ছাড়াই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারবে। পাশাপাশি বাড়ি, গাড়ি বা (New Anti Social Activities Bill) অন্য কোনও জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থ, নথি, সম্পত্তি বা অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

    সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, সংগঠিত অপরাধ, সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনায়ও অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যেতে পারে বলে আইনে উল্লেখ রয়েছে (Arrest Punishment)। আটক বা এলাকাছাড়ার নির্দেশ অমান্য করলে জেল ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। অভিযুক্তকে আশ্রয় দেওয়া বা সাহায্য করলেও শাস্তির মুখে পড়তে হবে। অন্যদিকে ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেনটেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর মাধ্যমে আন্দোলন বা বিক্ষোভের নামে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংসের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য বিশেষ ‘ক্লেম কমিশন’ গঠন করা হবে। কোনও দাঙ্গা, হিংসাত্মক আন্দোলন বা বিক্ষোভের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হবে, তার আর্থিক মূল্য নির্ধারণ করে চিহ্নিত অভিযুক্তদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় করবে এই কমিশন।

    নয়া আইনের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা সরকারের

    বিধানসভায় আইনটি পাস হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছিলেন, “২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সিএএ-কে এনআরসি হিসেবে প্রচার করে যে আন্দোলন হয়েছিল, তাতে মুর্শিদাবাদে থানায় আক্রমণ করা হয়। ট্রেনে হামলা হয়েছিল, ভাঙচুর করা হয়েছিল রেলওয়ে স্টেশন। সরকারি সম্পত্তি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আমি সেই সময়ে পরিবহণমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলাম। সেই সময়ে ২০টি সরকারি বাস পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু কিছুই করতে পারিনি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকেই সরকারি সম্পত্তি রক্ষা, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা আরও মজবুত করতেই এই কঠোর আইন কার্যকর করা হয়েছে। তবে বিরোধীদের একাংশের অভিযোগ, নিবর্তনমূলক আটক, এলাকাছাড়া (New Anti Social Activities Bill) এবং জামিন-অযোগ্য ধারার মতো বিধান ভবিষ্যতে রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহারের আশঙ্কা তৈরি করতে পারে (Arrest Punishment)। ফলে আইনটি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই তা চলে এসেছে রাজ্যের চায়ে পে চর্চায়।

     

  • West Bengal Public Safety Bill: কে ‘গুন্ডা’, কে ‘সমাজবিরোধী’? পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিলে স্পষ্ট সংজ্ঞা, জেনে নিন সব নিয়ম

    West Bengal Public Safety Bill: কে ‘গুন্ডা’, কে ‘সমাজবিরোধী’? পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিলে স্পষ্ট সংজ্ঞা, জেনে নিন সব নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে সংগঠিত অপরাধ, সমাজবিরোধী কার্যকলাপ এবং হিংসাত্মক অশান্তি মোকাবিলায় কড়া অবস্থান নিল সরকার। বিধানসভায় সোমবার পাশ হয়েছে গুন্ডা-দমন সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল— ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অফ অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিস বিল ২০২৬’ এবং ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল মেন্টেন্যান্স অফ পাবলিক অর্ডার অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬’। সরকারের দাবি, অপরাধ সংঘটিত হওয়ার অপেক্ষা না করে সম্ভাব্য বিপদের আগেই ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ দেবে এই আইন। একইসঙ্গে সমাজ-বিরোধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করলে কড়া আর্থিক জরিমানার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, সংগঠিত অপরাধ ও জনশৃঙ্খলা ভাঙার প্রবণতা দমনে এই আইন কার্যকর ভূমিকা নেবে। যদিও বিরোধী মহল ও নাগরিক অধিকার কর্মীদের একাংশের আশঙ্কা, বিলের কয়েকটি ধারা প্রশাসনকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেবে, যা ভবিষ্যতে অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

    কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে?

    বিল অনুযায়ী, কোনও জেলাশাসক (ডিএম), পুলিশ কমিশনার (সিপি) অথবা রাজ্য সরকারের মনোনীত ডিআইজি পদমর্যাদার কোনও পুলিশ আধিকারিক যদি মনে করেন, কোনও ব্যক্তি সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত অথবা ভবিষ্যতে তেমন কাজে জড়াতে পারেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট এলাকা বা জেলা থেকে সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য বহিষ্কার (Externment) করার ক্ষমতা থাকবে প্রশাসনের হাতে। ওই সময় তিনি সেই এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি তাঁকে নিয়মিত থানায় হাজিরা দেওয়া অথবা নিজের গতিবিধি সম্পর্কে পুলিশকে জানাতেও হতে পারে।

    এক বছর পর্যন্ত প্রতিরোধমূলক আটক

    বিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং বিতর্কিত অংশ হল প্রতিরোধমূলক আটক (Preventive Detention)-এর বিধান। জনসুরক্ষার স্বার্থে কোনও ব্যক্তিকে বিচার শুরু হওয়ার আগেই সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত আটক রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে এই আটক অনির্দিষ্টকালের জন্য হবে না। আটক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পর্যালোচনার জন্য একটি অ্যাডভাইজরি বোর্ড বা পরামর্শদাতা বোর্ড গঠনের কথাও খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে। এই বিধান জাতীয় নিরাপত্তা আইন (NSA)-এর কাঠামোর সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    জামিন অযোগ্য অপরাধ, তল্লাশি ও সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত

    নতুন আইনের আওতায় নির্দিষ্ট কিছু অপরাধকে ‘কগনিজেবল’ এবং ‘নন-বেলেবল’ বা জামিন অযোগ্য করার প্রস্তাব রয়েছে। ফলে পুলিশ প্রয়োজনে ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি চালাতে, গ্রেফতার করতে এবং অপরাধের সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করতে পারবে।

    অভিযুক্তকে আশ্রয় দিলেও শাস্তি

    শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তিই নন, তাঁর বিরুদ্ধে বহিষ্কার বা আটকাদেশ জারি থাকার পরও যদি কেউ তাঁকে আশ্রয় দেন বা কোনওভাবে সাহায্য করেন, তবে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

    সমাজবিরোধী বলতে কাদের বলা হয়েছে?

    বিলে সমাজবিরোধী কার্যকলাপের একটি নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল—

    • ● সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় বা নিরাপত্তাহীনতার পরিবেশ তৈরি করা।
    • ● ব্যক্তি বা সম্পত্তির নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা।
    • ● জনশৃঙ্খলা ও সামাজিক শান্তি নষ্ট করা।
    • ● বৈধ ব্যবসা, বাণিজ্য বা পেশায় বাধা সৃষ্টি করা।
    • ● বেআইনিভাবে কাউকে সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করা।
    • ● সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা।
    • ● খনি, বালিখাদান, বনজ সম্পদ বা বন্যপ্রাণী পাচারের মতো কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি করা।

    আইনের চোখে ‘গুন্ডা’ কারা?

    বিলে ‘গুন্ডা’ শব্দটিরও নির্দিষ্ট আইনি ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় পড়বেন—

    • ● যাঁরা একা বা কোনও গোষ্ঠী, সিন্ডিকেট কিংবা চক্রের সদস্য হিসেবে নিয়মিত সমাজবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত অথবা তাতে অর্থ ও সহায়তা জোগান।
    • ● ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর ১১১ বা ১১২ ধারায় যাঁদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল হয়েছে।
    • ● অস্ত্র আইন, এনডিপিএস আইন, বিস্ফোরক পদার্থ আইন বা অনৈতিক পাচার প্রতিরোধ আইনের অধীনে অভিযুক্ত ব্যক্তি।
    • ● যাঁদের সাধারণ মানুষ বিপজ্জনক বা বেপরোয়া বলে মনে করেন এবং যাঁদের কর্মকাণ্ড জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হয়।

    সরকার বনাম সমালোচনা

    সরকারের দাবি, সংগঠিত অপরাধ, দখলদারি, সিন্ডিকেটরাজ ও হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড রুখতেই এই আইন আনা হয়েছে। অপরাধ ঘটার আগেই প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেবে এই বিল। অন্যদিকে সমালোচকদের বক্তব্য, প্রতিরোধমূলক আটক, ওয়ারেন্ট ছাড়া তল্লাশি এবং প্রশাসনের বিস্তৃত ক্ষমতা নাগরিক স্বাধীনতার প্রশ্নে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। ফলে বিলটি আইনে পরিণত হওয়ার পর বাস্তবে তার প্রয়োগ কীভাবে হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল থেকে আইন বিশেষজ্ঞ— সব পক্ষের।

  • Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    Matangini Hazra Rani Shiromani: বাংলায় প্রথম হচ্ছে দুই মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন, নামকরণ মাতঙ্গিনী-রানি শিরোমণির নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা-রক্ষা বাহিনীতে আরও বেশি করে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকার। রাজ্যে এই প্রথম দু’টি বিশেষ মহিলা স্টেট পুলিশ রিজার্ভ ফোর্স ব্যাটালিয়ন (SPRF Battalions) গড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই দুই ব্যাটালিয়নের নাম রাখা হচ্ছে বাংলার দুই বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী মাতঙ্গিনী হাজরা এবং রানি শিরোমণির (Matangini Hazra Rani Shiromani) নামে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এবং বিশেষত নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় মহিলা পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা আরও শক্তিশালী করা।

    নয়া মহিলা ব্যাটালিয়নের কাজ (Matangini Hazra Rani Shiromani)

    প্রশ্ন হল, কী কী দায়িত্ব পালন করবে নতুন মহিলা ব্যাটালিয়ন? সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই বিশেষ মহিলা ব্যাটালিয়নগুলির প্রধান দায়িত্বের মধ্যে থাকবে— নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ, দাঙ্গা-বিরোধী অভিযান চালানো, এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ও উদ্ধার সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গে এই প্রথম মহিলা পুলিশ সদস্যদের দাঙ্গা দমন অভিযানে মোতায়েন করা হবে। এর মাধ্যমে রাজ্যের পুলিশ ব্যবস্থায় নারীদের ভূমিকা আরও ডানা মেলতে চলেছে। জানা গিয়েছে, মাতঙ্গিনী হাজরা মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়নের জন্য উপযুক্ত জমি ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনা করে জায়গা বেছে নেওয়া হবে।

    মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ

    এদিকে, রানি শিরোমণি মহিলা এসপিআরএফ ব্যাটালিয়ন গড়ে তোলা হবে ব্যারাকপুর পুলিশ ব্রিগেড এলাকার এসএপি (SAP) ৮ম ব্যাটালিয়নের যে ক্যাম্পাস রয়েছে, সেখানে। সেখানে আগে থেকেই যে পরিকাঠামো রয়েছে, সেটি ব্যবহার করে দ্রুত এই ইউনিটকে কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র নারীদের জন্য পৃথক পুলিশ ব্যাটালিয়ন গঠন রাজ্যে মহিলা কর্মসংস্থানের নয়া সুযোগ তৈরি করবে। এর (SPRF Battalions) পাশাপাশি নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধ মোকাবিলা, সংবেদনশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের যোগাযোগ আরও নিবিড় হবে বলেই আশা ওয়াকিবহাল মহলের। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ নারী (Matangini Hazra Rani Shiromani) ক্ষমতায়নের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কার্যক্ষমতা এবং জনসুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে বলেই অভিমত বিশেষজ্ঞদের।

     

  • Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া উচিত নয় রাজ্য সরকারের, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে দেওয়া নিজেদের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ওই নির্দেশে বলা হয়েছিল, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা ও সরকারি বা সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানের আশপাশ থেকে পথকুকুর সরাতে হবে। বিভিন্ন আবেদন সত্ত্বেও আদালত এই রায়ে কোনও শিথিলতা বা পরিবর্তন আনতে অস্বীকার করে। আদালত আরও জানায়, রাজ্য সরকারের উচিত (Euthanasia) নয় জলাতঙ্কে আক্রান্ত ও আরোগ্যহীন পথকুকুরদের মৃত্যু দিতেও পিছপা হওয়া।

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ (Supreme Court)

    বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, লোকালয়ে দুর্বল ও অসহায় মানুষদের যে বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তা বিচারব্যবস্থা উপেক্ষা করতে পারে না। আদালতের মন্তব্যে “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” (Survival of the Fittest) তত্ত্বের উল্লেখ করে বলা হয়, নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। মানবজীবন ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ানো জলাতঙ্কগ্রস্ত, আরোগ্যহীন বা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক কুকুরদের ক্ষেত্রে আইনসম্মত সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া, প্রয়োজন হলে মৃত্যুও দিতে হবে।

    আদালতের বক্তব্য

    আদালত জানায়, ছোট শিশুদের কুকুরে কামড়েছে, প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা হয়েছে, এমনকি বিদেশি পর্যটকরাও আক্রান্ত হয়েছেন। মনে হচ্ছে চার্লস ডারউইনের “যোগ্যতমের বেঁচে থাকা” তত্ত্ব বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে। সরকারি পদক্ষেপের অভাবে শিশু ও বয়স্কদের নিজেদের বাঁচার লড়াইয়ে একা ছেড়ে দেওয়া যায় না। মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব (Supreme Court)।

    ডগ বাইটের পরিসংখ্যান

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশজুড়ে পথকুকুরে কামড়ানোর ঘটনা বাড়ছে। রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরে তিন মাসে ১,৪৮৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, উদয়পুরে ২০২৬ সালে ১,৭০০-র বেশি ঘটনা ঘটেছে। তামিলনাড়ুতে এ বছর ২,৪০,০০০টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে মার্চ মাসেই ঘটে ছিল ৭১,০০০টি ঘটনা এবং ৩৪ জনের মৃত্যুও হয়েছে। এই সমস্যা এখন অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায়ও পৌঁছে গিয়েছে, যেমন ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যেখানে টার্মিনাল এবং রানওয়েতেও পথকুকুর দেখা গিয়েছে। এটি জননিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুতর ব্যর্থতার প্রমাণ।

    শীর্ষ আদালতের সাফ কথা

    রাষ্ট্র নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না। আদালতও এই কঠোর বাস্তবতা থেকে চোখ ফিরিয়ে রাখতে পারে না, যেখানে শিশু, আন্তর্জাতিক পর্যটক এবং প্রবীণ মানুষ কুকুরের কামড়ের শিকার হচ্ছেন। সংবিধান এমন সমাজ কল্পনা করে না, যেখানে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের কেবল শারীরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকতে হবে। এছাড়া, কর্মীদের প্রশিক্ষণ, পশুচিকিৎসা পরিষেবা বৃদ্ধি, আশ্রয়কেন্দ্র শক্তিশালী করা এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলির সমন্বয়ে টিকাকরণ অভিযান-সহ বিস্তৃত সক্ষমতা বৃদ্ধির পদক্ষেপও করতে হবে। আদালতের নির্দেশ (Euthanasia) বাস্তবায়নের জন্য সৎ উদ্দেশ্যে নেওয়া পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কোনও আধিকারিক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর বা ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না (Supreme Court)।

     

  • Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    Yogi Adityanath: যোগীর ‘জিরো-টলারেন্স নীতি’তেই বাজিমাত, দাঙ্গা-অপহরণ মুক্ত উত্তরপ্রদেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) শাসনে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির (Crime Control) ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সরকারের জিরো-টলারেন্স নীতি রাজ্যকে দাঙ্গামুক্ত করেছে এবং মুক্তিপণের জন্য অপহরণের মতো ঘটনাও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। ২০১৭ সালের আগে যে রাজ্যকে ‘দাঙ্গার রাজ্য’ বলা হত, এখন সেটিই হয়ে উঠেছে গোটা দেশে শান্তি ও নিরাপত্তার উদাহরণ। সমাজবাদী পার্টি (SP) সরকারের আমলে গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত।
    ২০১২ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে এসপি সরকারের সময় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছিল। এনসিআরবির (NCRB) রিপোর্ট অনুযায়ী, গড়ে প্রতিদিন ১৯টি দাঙ্গা এবং ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত। এই সময়ে ২৫,০০০-এরও বেশি দাঙ্গা হয়েছিল, যা রাজ্যের ভাবমূর্তির ব্যাপক ক্ষতি করেছিল। ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ, তোলাবাজির ভয়ে সবাই কাঁটা হয়ে থাকতেন সর্বক্ষণ।

    উত্তরপ্রদেশে সব ভালো (Yogi Adityanath)

    ২০১৭ সালে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির আদিত্যনাথ অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ঘোষণা করেন। এই নীতির আওতায় সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা, গ্যাংস্টার অ্যাক্টের ব্যবহার এবং মাফিয়াদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। ফলে গত ন’বছরে উত্তরপ্রদেশে একটিও বড় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেনি। কিছু অসামাজিক শক্তি দাঙ্গা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলেও, সরকার সময়মতো কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ায়, তা ব্যর্থ হয়ে যায় (Crime Control)। ছোটখাটো ঘটনা যাতে বড় হিংসার রূপ না নেয়, তার আগেই দায়ের করা হয় দাঙ্গা বিরোধী আইনে মামলা। দুষ্কৃতীদের পাঠানো হয় জেলে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বিভিন্ন জনসভায় স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন, “কোনও কারফিউ নয়, কোনও দাঙ্গাও নয়- উত্তরপ্রদেশে সব ভালো।”

    এনসিআরবির রিপোর্ট

    যোগী সরকারের এই নীতির ফলে গোটা রাজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে (Yogi Adityanath)। এনসিআরবির ২০২৪ সালের রিপোর্টেও এই পরিবর্তনের প্রমাণ মিলেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, মুক্তিপণের জন্য অপহরণের ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশে অপরাধের হার শূন্য ছিল। ২০২৩ সালেও এই হার শূন্য ছিল। দেশের অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় এই ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ সবচেয়ে ভালো জায়গায় রয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নাগাল্যান্ডে এই অপরাধের হার ছিল ০.৭, মণিপুরে ০.৬, অরুণাচল প্রদেশে ০.৩ এবং মেঘালয়ে ০.২, অথচ উত্তরপ্রদেশে শূন্য। গত দু’বছরে (২০২৩-২০২৪) রাজ্যে মুক্তিপণের জন্য অপহরণের কোনও ঘটনা ঘটেনি। আগে আকছার ব্যবসায়ীদের অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা হত। এখন এমন ঘটনা সম্পূর্ণই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এনসিআরবির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সমাজবাদী পার্টির রাজত্বে প্রতিদিন ৩৩টি অপহরণের ঘটনা ঘটত, কিন্তু যোগী সরকারের সময় সেই সংখ্যা শূন্যে নেমে এসেছে (Yogi Adityanath)।

    জিরো-টলারেন্স নীতি

    দাঙ্গা সংক্রান্ত অপরাধের ক্ষেত্রেও যোগী সরকারের রেকর্ড উল্লেখযোগ্য (Crime Control)। এনসিআরবির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে উত্তরপ্রদেশে দাঙ্গা-সংক্রান্ত অপরাধের হার ছিল ১.১, যা জাতীয় গড় ২.২-এর চেয়ে কম। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উত্তরপ্রদেশের ১.১ হার মূলত সেইসব ঘটনার অন্তর্ভুক্ত, যেখানে হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল এবং পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আগেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। এদিকে, মণিপুরে এই হার ছিল ৮.৪, মহারাষ্ট্রে ৬.৪, কর্নাটকে ৫.৪, হরিয়ানায় ৫.৩ এবং হিমাচলপ্রদেশে ৪.৭। এই ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে যোগী সরকারের অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি, সক্রিয় পুলিশি ব্যবস্থা এবং সংগঠিত অপরাধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের ফলে। গ্যাংস্টার অ্যাক্ট প্রয়োগ করে পুলিশ মাফিয়াদের আর্থিক ভিত ভেঙে দিয়েছে এবং তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে (Yogi Adityanath)।

    উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি বদল

    এই পদক্ষেপগুলির প্রভাব পড়েছে তৃণমূল স্তরেও। তাই উত্তরপ্রদেশ এখন শুধু দাঙ্গামুক্তই নয়, বরং অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও জাতীয় গড়ের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে। সমাজবাদী পার্টির আমলের তুলনায় উত্তরপ্রদেশের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। যেখানে আগে দাঙ্গা ও অপহরণ ছিল সাধারণ ঘটনা, সেখানে আজ শান্তি ও উন্নয়নের নয়া  গল্প লেখা হচ্ছে (Crime Control)। সরকারের মতে, কঠোর আইন-শৃঙ্খলাই উন্নয়নের ভিত্তি। আদিত্যনাথের নেতৃত্বে নেওয়া এই পদক্ষেপগুলি শুধু অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করেনি, বরং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাবোধও বাড়িয়েছে। এনসিআরবির সর্বশেষ রিপোর্ট এই বাস্তবতার সাক্ষ্যই বহন করছে। এভাবে যোগী সরকার প্রমাণ করেছে, জিরো-টলারেন্স নীতি এবং কঠোরতা ও সংবেদনশীলতার সঠিক সমন্বয় একটি অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ার পথ তৈরি করতে পারে। তাই গোটা দেশে উদাহরণ হয়ে উঠেছে উত্তরপ্রদেশ (Yogi Adityanath)।

     

LinkedIn
Share