Tag: Puja

Puja

  • Saraswati Pujo Row: মমতার কলেজে সরস্বতী পুজো দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে ব্রাত্য

    Saraswati Pujo Row: মমতার কলেজে সরস্বতী পুজো দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে ব্রাত্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ নয়, খোদ কলকাতার কলেজ। এই কলেজেরই প্রাক্তনী তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সেই কলেজেই সরস্বতী পুজো (Saraswati Pujo Row) হল কড়া পুলিশি প্রহরায়। সেই পুজো দেখতে গিয়ে আবার (Jogesh Chandra Day College) পড়ুয়াদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ঘটনার পরম্পরা দেখে সিনেমা করিয়েরা বলতেই পারেন, যতকাণ্ড কলকাতায়!

    কড়া পুলিশি প্রহরায় পুজো

    ভনিতা ছেড়ে দিয়ে ফেরা যাক খবরে। যোগেশচন্দ্র কলেজে সরস্বতী পুজোয় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শেষমেশ কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কড়া পুলিশি প্রহরায় রবিবার কলেজের ভিতরে হল আইন বিভাগের সরস্বতী পুজো। পুজো উপলক্ষে এদিন সকাল থেকেই কলেজের বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে পরিচয়পত্র দেখে তবেই কলেজে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে পড়ুয়াদের। কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার অজয় প্রসাদ নিজেও গিয়েছিলেন কলেজে।

    ব্রাত্যকে ঘিরে বিক্ষোভ

    দুপুরে পুজো দেখতে কলেজে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং স্থানীয় সাংসদ তথা পরিচালন কমিটির সদস্য মালা রায়। তাঁদের দেখে ‘বিচার চাই’ স্লোগান দিতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। ছাত্রীদের অভিযোগ, এদিনও তাঁদের অশালীন ভাষায় হুমকি দেওয়া হয়েছে (Saraswati Pujo Row)। বিক্ষোভের মুখে পড়ের দৃশ্যতই হকচকিয়ে যান শিক্ষামন্ত্রী। পরে চার ছাত্রীকে অধ্যক্ষের ঘরে ডেকে পাঠিয়ে বৈঠক করেন ব্রাত্য। বৈঠক শেষে কলেজ থেকে বেরিয়ে যান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।

    মালা জানান, এতদিন এ বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি। এনিয়ে পড়ুয়াদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান তিনি। মালা বলেন, “পুজোর দিনে বিচার চাই স্লোগান শুনব না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব রকম পুজো, উৎসবে উৎসাহ দেন। সেই মতো সব ছাত্রছাত্রী (Jogesh Chandra Day College) পুজোয় শামিল হবেন, এটাই চাইব।” এদিকে, উত্তর ২৪ পরগনার নহাটা যোগেন্দ্রনাথ মণ্ডল স্মৃতি মহা বিদ্যালয়েও সরস্বতী পুজোয় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে (Saraswati Pujo Row)।

  • Saraswati Puja: বাংলাদেশে পুজোর আগে ভাঙা হল সরস্বতী প্রতিমা, গ্রেফতার সেই ‘পাগল’

    Saraswati Puja: বাংলাদেশে পুজোর আগে ভাঙা হল সরস্বতী প্রতিমা, গ্রেফতার সেই ‘পাগল’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবী দুর্গার পর এবার সরস্বতী (Saraswati Puja)। বাংলাদেশে (Bangladesh) ফের আঘাত সনাতন ধর্মের ওপর। ফরিদপুরের একটি মন্দিরে সরস্বতী প্রতিমা ভেঙে ফেলার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, এই ব্যক্তি গত বছরও একই কাণ্ড ঘটিয়েছিল।

    দুষ্কর্ম করেছে আগেও (Saraswati Puja)

    সেবার সে ভেঙে দিয়েছিল ইসকনের সরস্বতী মূর্তি। তখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিল শেখ হাসিনার সরকার। দেশে পালাবদল ঘটেছে। এখন ক্ষমতায় রয়েছে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন তদারকি সরকার। সেবার তাকে ‘পাগল’ তকমা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার তার কঠিন শাস্তি হবে বলেই আশ্বাস পুলিশের।

    কী বলছেন ছাত্ররা

    ৩ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সরস্বতী পুজো। শুক্রবার রাত ১১টা নাগাদ ফরিদপুর শহরের ভাটিলক্ষ্মীপুর এলাকার কালীমন্দিরে গিয়ে প্রতিমা ভাঙচুর করে ওই ব্যক্তি। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ছাত্র সমর মণ্ডল বলেন, “সোমবার সরস্বতী পুজো। এলাকার এক মৃৎশিল্পীকে দিয়ে প্রতিমাটি বানানো হচ্ছিল। আমরা এই মন্দিরের পাশের একটি ছাত্রাবাসে থাকি। এখানে আমরা অনেকে মিলে সরস্বতী পুজো করতে চেয়েছিলাম। অনেক বন্ধুকে নিমন্ত্রণ করেছিলাম। কিন্তু প্রতিমাটি এমন সময় ভাঙা হল যে নতুন করে মূর্তি গড়িয়ে পুজোর আর সময় নেই (Saraswati Puja)।” ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) শৈলেন চাকমা বলেন, “এই ঘটনায় মন্দির কমিটির একজন বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মামলা হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পেশ করা হবে।”

    পুলিশ সূত্রে খবর, বছর তিরিশের আটক যুবকের নাম মিরাজউদ্দিন। রাজবাড়ি সদর উপজেলার বসন্তপুর ইউনিয়নের বাজেদপুর গ্রামে তার বাড়ি। সে ফরিদপুর শহরে ইজিবাইক চালায়। শহরের রাজবাড়ি রাস্তার মোড় এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়ায় থাকে সে। মন্দিরের সিসিটিভির ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাতে এক ব্যক্তি মন্দিরের সামনে ইজিবাইক রেখে মন্দিরের বারান্দায় গিয়ে সরস্বতী প্রতিমাটি ধাক্কা দিয়ে ফেলে ভেঙে দেয়। মন্দির পরিচালন কমিটির সদস্য রামচন্দ্র মালো বলেন, “ওই একই ব্যক্তি গত বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি ফরিদপুর শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ ইসকন মন্দিরের সরস্বতী প্রতিমা ভেঙে দিয়েছিল। তখন তাকে পাগল বলে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।”

    হাসিনার জমানায়ও হিন্দুদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে ইউনূসের আমলে তা তুঙ্গে উঠেছে। তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিশ্বনেতাদেরও অনেকেই। তারও পরেও যে বাংলাদেশ আছে বাংলাদেশেই (Bangladesh), এই ঘটনাই তার প্রমাণ (Saraswati Puja)।

  • Bangladesh: অজুহাত নিরাপত্তা! বাংলাদেশে বহু পুজোর অনুমতি দিল না ইউনূস সরকার, উদ্বিগ্ন ভারত

    Bangladesh: অজুহাত নিরাপত্তা! বাংলাদেশে বহু পুজোর অনুমতি দিল না ইউনূস সরকার, উদ্বিগ্ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় দুর্গাপুজো। এমন সময় বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং মুসলমান সংগঠনগুলি দেশের বিভিন্ন জায়গায় দুর্গাপুজোর (Durga Puja) অনুমতি দেয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব এবং হুমকির কথা উল্লেখ করে দেওয়া হয়নি অনুমতি। যেসব কমিটি পুজো করছে, নমাজ আদায়ের সময় তাদের নীরবতা বজায় রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমনকী, পুজোর আয়োজন করলে এলাকাছাড়া করা হবে বলেও বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    চলছে প্রতিমা ভাঙচুর (Bangladesh)

    এদিকে, গত কয়েক বছরের মতো এবারও শুরু হয়ে গিয়েছে প্রতিমা ভাঙচুর। কিশোরগঞ্জের বত্রিশ গোপীনাথ জিউয়ের আখড়ায় ভাঙচুর করা হয়েছে দুর্গা প্রতিমা। কুমিল্লা জেলাতেও ভাঙচুর করা হয়েছে দুর্গা প্রতিমা। লুট করা হয়েছে মন্দিরের দান বাক্স। নারায়ণগঞ্জ জেলার মিরপাড়া এলাকায় ভাঙচুর করা হয় একটি দুর্গা মন্দিরে।

    জিজিয়া কর

    বাংলাদেশ সরকারের এক শীর্ষ সূত্রের খবর, দুর্গাপুজোর আগে ৯ অক্টোবর থেকে পুজো কমিটিগুলির প্রত্যেক সদস্যকে ৫ লাখ টাকা করে জিজিয়া কর (অ-মুসলমানদের কাছ থেকে মুসলমানরা ধর্ম পালনের জন্য যে কর আদায় করে) দিতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই জিজিয়া করের ভয়ে অনেক উদ্যোক্তাই পুজো বন্ধ করে দিয়েছেন (Bangladesh)। শুক্রবার ভোরে বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় তিনটি দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় পুজোর আয়োজন করলে এলাকাছাড়া করা হবে বলে হিন্দুদেরকে হুমকি দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চিনের নাকের ডগায় হাই-অল্টিটিউড আর্টিলারি ফায়ারিং রেঞ্জ গড়ল ভারত

    গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের

    দুর্গাপুজোর আগে, প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে মূর্তি ভাঙচুরের ঘটনা সামনে আসায়, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। বাংলাদেশি হিন্দুরা  (Bangladeshi Hindus) যাতে শান্তিতে এবং নির্বিঘ্নে দুর্গাপুজো তথা শারদোৎসব পালন করতে পারেন, তার জন্য সেদেশের প্রশাসন যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবে বলেই আশা করছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘দুর্গাপুজোর সময় যদি কোনও (অনভিপ্রেত) ঘটনা ঘটে, তাহলে সেটা ভালো কথা নয়। দুর্গাপুজো সবসময়েই শুভ বার্তা বয়ে আনে এবং এই উৎসব উপলক্ষে আমি সকলকে আমার শুভ কামনা জানাচ্ছি।’’ রণধীর আরও বলেন, রণধীর বলেন, ‘‘ভারত সরকার আশা করছে, বাংলাদেশ (Bangladesh) প্রশাসন সেদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়গুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এমনকী, এই বিষয়টি সর্বোচ্চ স্তরেও উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রণধীর।’’

    ইউনূস প্রশাসনের আশ্বাসই সার

    বাংলাদেশের আইজিপি মহম্মদ ময়নুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটাতে পারে, সেজন্য বাড়ানো হয়েছে পুলিশ কর্মীর সংখ্যা। তাঁদের সতর্ক থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব রোধে পুলিশের সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে (Bangladesh)। প্রয়োজনে সে দেশের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা স্থানীয় থানায় যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে উদ্যোক্তাদের। তার পরেও অবশ্য দিব্যি চলছে পুজো উদ্যোক্তাদের হুমকি দেওয়ার কাজ, চলছে প্রতিমা (Durga Puja) ভাঙচুরের কাজ। আদায় করা হচ্ছে জিজিয়া করও (Bangladesh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purba Bardhaman: “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    Purba Bardhaman: “নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার”, ছবিতে দুধ ঢেলে পুজো করা হল বর্ধমানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শ্রীরামচন্দ্রের পর ভগবান হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), ঠিক এমন কথা বলে এক বিজেপি নেতা দুধ ও গঙ্গাজল দিয়ে স্নান করিয়ে পুজো করলেন মোদির। ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার, বর্ধমানের (Purba Bardhaman) পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের ছাতনি এলাকায়। একটি বিজয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিজেপি এই উদ্যোগে নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃতীয়বার দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় পুজো (Purba Bardhaman)

    এই বিজয় সম্মেলন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ছিলেন পূর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের তিন নম্বর মণ্ডল বিজেপি সভাপতি অতুল চন্দ্র দাস। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) কাটআউটে দুধ ও গঙ্গা জল ঢেলে পুজো করতেও দেখা যায় বিজেপির কর্মীদের। সভায় আলোচনা হয়, যে সমস্ত এলাকায় বিজেপির ভোট কমেছে, সেই এলাকায় কী ভাবে ভোট বাড়ানো যায়, সেই নিয়েও কাজ করতে হবে। এই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পূর্বস্থলী বিধানসভার (Purba Bardhaman) কনভেনার শিব কৃষ্ণ ঘোষ, মণ্ডল সভাপতি অতুলচন্দ্র দাস, মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি পিন্টু বারুই, মহিলা মোর্চার সম্পাদিকা প্রতিমা মণ্ডল, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুজিত হালদার সহ আরও অনেকে।

    বিজেপি নেতার বক্তব্য

    পূর্বস্থলীর (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা অতুল চন্দ্র দাস বলেছেন, “আজ আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের দিন যে দেশে তৃতীয়বারের জন্য নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার নিয়েছেন। এই দেশে প্রথমবার ১৯৬২ সালের পর, পরপর তিন বারের জন্য কোনও প্রধানমন্ত্রী একটানা নির্বাচিত হয়েছেন। আমাদের খুশির দিন। তাঁর ছবিতে দুধ এবং গঙ্গা জল দিয়ে স্নান করলাম এবং তাঁকে পুজোও করলাম। আমাদের প্রত্যেকের ইচ্ছে ছিল বিজয় মিছিল করার কিন্তু মিছিল না করে বিজয় সম্মেলনের আয়োজন করেছি। নরেন্দ্র মোদি শ্রীরামচন্দ্রের অবতার, যুগে যুগে যেমন শ্রীচৈতন্যদেব মহাপুরুষ রূপে আবির্ভূত হয়েছেন, ঠিক তেমনি নরেন্দ্র মোদিও মানবরূপে মর্তে জন্ম নিয়েছেন। তাঁর দীর্ঘায়ু কামনা করে নমস্কার জানাই। দেশের জনসাধরণের জন্য মঙ্গল কামনা করি।”

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল কার্যালয়ে দলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই হামলার অভিযোগ! গোষ্ঠী কোন্দলে অস্বস্তি

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অপর দিকে তৃণমূলের জেলা (Purba Bardhaman) সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলছেন, “চ্যালারা এখন দুধ দিয়ে স্নান করিয়ে কী করবেন? এই সরকার বেশিদিন থাকবে না। সরকার অন্যের সমর্থনে রয়েছে। যে কোনও সময়ে পড়ে যেতে পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    Asansol: রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন রামের পুজোয় মাতলেন আসানসোলের মানুষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ‍্যার রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠাকে ঘিরে সেজে উঠেছে আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ৯৯ নং ওয়ার্ডের কুলটির ভরতচক গ্রাম। সেখানে রয়েছে শতাব্দী প্রাচীন রামের মন্দির। সেই মন্দিরে সোমবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। এমনিতেই এই মন্দিরে বছরে একবার মূর্তি গড়ে পুজো করা হয়। তবে, এখন খড়ের কাঠামোতেই জাঁকজমকভাবে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে।

    প্রাচীন মন্দিরে হয় রামের বিশেষ পুজো (Asansol)

    এদিন সকালে আসানসোলের (Asansol) ভরতচক গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, রাম মন্দিরে রাম-সীতা-ভরত-লক্ষণ-শত্রুঘ্ন -হনুমান-জাম্বুবানের খড়ের কাঠামো রয়েছে। এই গ্রামে ১৫০ বছরের বেশি সময় ধরে রামের পুজো হয়ে আসছে। মূলত মাঘী পূর্ণিমাতে প্রতি বছর মূর্তি গড়ে আট দিন ধরে রামের পুজোর আয়োজন করা হয়। সেই সময় হাজার হাজার ভক্ত প্রতি বছর সামিল হন। তবে, এদিন ৫৫০ বছরের লড়াইয়ের শেষে অযোধ‍্যায় রামলালা ফিরেছেন। বিশাল পুজোর মাধ্যমে এদিন সেখানে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়। তাই, এই মুহূর্তকে স্মরণে রেখে পূণ্য তিথি অনুসারে ভরতচক গ্রামে প্রাচীন রাম মন্দিরেও পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। আর এদিন এই পুজোয় প্রচুর ভক্ত সামিল হন।

    ভোগ বিতরণ করা হয়

    বিজেপি অমিত গড়াই বলেন, আমাদের কাছে এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, সকাল থেকেই রাম মন্দির সাজানো হয়। নিয়ম মেনে মন্দিরে খড়ের কাঠামোতেই বিশেষ পুজোর আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে ভক্তদের এদিন ভোগপ্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেই মতো এদিন সকাল থেকে ভোগ রান্না করা হয়। আর এদিন রামের মন্দিরে পুজো দিতে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে।

    শোভাযাত্রায় সামিল বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল

    রাম মন্দির উদ্বোধনের সঙ্গে আসানসোলের (Asansol) বার্ণপুরে আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হয়। দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে তিনি নিজে খঞ্জনি বাজিয়ে নগর প্ররিক্রমা করেন। রামলালার ছবি মাথায় নিয়ে তিনি শোভাযাত্রায় পা মেলান। এদিন শোভাযাত্রায় বহু কর্মী-সমর্থক সামিল হন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gotra: গোত্রের উদ্ভব হল কী করে? কী এর গুরুত্ব?

    Gotra: গোত্রের উদ্ভব হল কী করে? কী এর গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু বিবাহ থেকে শুরু করে পূজার্চনা, সব জায়গাতেই গোত্রের (Gotra) প্রয়োজনীয়তা কতখানি, তা আমরা কমবেশি সকলেই জানি। এক এক জনের গোত্র ভিন্ন ভিন্ন। কিন্তু কোনও দিন কি ভেবে দেখেছেন, এই গোত্রের উদ্ভব কী করে হল? কী এর গুরুত্ব? আমাদের নিজেদের গোত্র আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু বাড়িতে প্রশ্ন করলেও অনেক সময় সঠিক উত্তর মেলে না, এই গোত্র আসলে কী? কিছু ধর্মপ্রাণ মানুষ এবং পুরোহিতের কাছ থেকে জানা যায়, এই গোত্র আসলে একেক জন প্রাচীন ঋষির নাম অনুসারে তৈরি হয়েছে। আর প্রত্যেক মানুষ মনে করেন, সেই অনুসারে তাঁরা সেই ঋষির বংশধর। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, কাশ্যপ গোত্রের মানুষ মনে করেন, প্রাচীন যুগে কাশ্যপ নামক এক ঋষি ছিলেন। তাঁর নাম অনুসারেই এই গোত্রের নামকরণ হয়েছে।

    গোত্রের (Gotra) উদ্ভব কীভাবে?

    গোত্র (Gotra) শব্দটির প্রথম নিদর্শন মেলে ঋকবেদে। কিন্তু সেখানে এই গোত্র শব্দটি অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল। সেই সময় গোত্র বলতে বোঝাত ‘গরুর পাল’। আবার ছান্দোগ্য উপনিষদ্‌-এ গোত্র হিসাবে একটি মানব গোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে। এই গোত্রগুলির উদ্ভব যে একজন ঋষির নাম থেকে হয়েছে এবং এগুলি তাঁদের বংশধররা বহন করছেন, তা এই সময় থেকেই মনে করা শুরু হতে থাকে। কিন্তু এই গোত্র প্রথা তখন শুধুমাত্র ব্রাহ্মণদের মধ্যে প্রচলিত ছিল। পরে তা ক্ষত্রিয় ও পরিষদের মধ্যেও ব্যবহৃত হতে শুরু হয়। ব্রাহ্মণ্যবাদ অনুযায়ী ব্রাহ্মণ গোষ্ঠী মোট সাত জন বৈদিক ঋষির বংশধর, এমনটাই মনে করা হয়। এই সাত জন ঋষি হলেন গৌতম, ভরদ্বাজ, বিশ্বামিত্র, জমদগ্নি, বশিষ্ঠ, কাশ্যপ ও অত্রি। পরবর্তী ক্ষেত্রে এই গোত্রগুলি থেকেই আরও ৪৯ টি উপ গোত্রের উদ্ভব হয়। আবার এই ব্রাহ্মণদের অনুসরণ করে ক্ষত্রিয় এবং পরিষদের মধ্যেও গোত্র প্রথা শুরু হয়।

    গোত্রের গুরুত্ব কী?

    প্রাচীনকালের এই গোত্র (Gotra) প্রথা আজ বর্তমান যুগেও এক ঐতিহ্যবাহী ভূমিকা পালন করে চলেছে। সাধারণত একেকটি গোত্র বংশ পরিচয় এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। আসলে প্রাচীন যুগে বর্ণভেদ প্রথা অনুযায়ী সকল বর্ণকে আলাদা আলাদা শ্রেণিবদ্ধ করার জন্য এই গোত্রের ব্যাবহার করা হত। আজও কোনও শুভ কাজের সময় গোত্র অনুসারে গুরুত্ব বিবেচনা করা হয়। পূজার্চনা, বিবাহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে গোত্র খুবই প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করে।

    একই গোত্রের (Gotra) মানুষের বিবাহ হয় না, কেন জানেন?

    প্রাচীনকাল থেকে বিশ্বাস করা হত, একই গোত্রের (Gotra) মধ্যে বিবাহ সম্পন্ন করা যায় না। কারণ একই গোত্রের যারা হয়, তারা ভাই-বোনের সম্পর্ক বহন করে। তাহলে তারা স্বামী স্ত্রী হবে কী করে? সেই কারণেই এমন প্রথা মানা হত, যা আজও মানা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UP Durga Puja pandal: সপ্তমীর রাতে পূজা প্যান্ডেলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, মৃত অন্তত ৫

    UP Durga Puja pandal: সপ্তমীর রাতে পূজা প্যান্ডেলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড, মৃত অন্তত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল উত্তরপ্রদেশের ভাদোহির একটি দুর্গাপূজার প্যান্ডেলে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ঘটনাস্থলেই তিন শিশু সহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও জানা গিয়েছে অন্তত প্রায় ৬৭ জন ব্যাক্তি গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: রাজ্য বিজেপির বিশেষ ‘চমক’! দলের দুর্গাপুজো করবেন এক মহিলা ‘অব্রাহ্মণ’ পুরোহিত 

    পুলিশের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন সম্ভবত সপ্তমী উপলক্ষে পূজা প্যান্ডেলে আরতি করার সময় রাত ন’টার দিকে প্যান্ডেলে আগুন লেগে গিয়েছিল। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে সেই সময় পূজা প্যান্ডেলের ভিতরে আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ জন ছিল।প্যান্ডেলে ভেতরে ডিজিটাল ভাবে পূজা সম্পর্কিত অনুষ্ঠান চলছিল সেটি দেখতেই প্রচুর লোকের সমাগম হয়েছিল।

    ঘটনার প্রেক্ষিতে, ভাদোহির জেলা শাসক গৌরাঙ্গ রাঠি জানান আউরাই পুলিশ স্টেশনের ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে নারথুয়া গ্রামের একটি পূজো প্যান্ডেলে আগুন লেগেছিল।প্রতিটি আহত ব্যাক্তিদের শনাক্তকরণ সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন প্যান্ডেলে ভিতরে বেশীরভাগ বাচ্চা ও মহিলাদেরই সমাগম ছিল।

    আরও পড়ুন: জানেন মহাষ্টমীর দিন “সন্ধিক্ষণের পুজো” কেন হয় ?

    তিনি আরও জানিয়েছেন প্যান্ডেলের ভিতরে হ্যালেজেন লাইট অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার ফলে শর্টসার্কিট হয়ে ইলেকট্রিক তারে আগুন  লাগে। সেই আগুন দ্রুত প্যান্ডেলে ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ এই অগ্নিসংযোগ ঘটায়।

    উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এই ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করে জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী আহতদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

    জেলা পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত উদ্ধারকার্য সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

    [tw]


    [/tw]

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

LinkedIn
Share