Tag: puja parikrama 2023

puja parikrama 2023

  • Durga Puja 2023: সুদূর আমেরিকাতেও প্রবাসী বাঙালিদের পরিচালনায় হয় বেশ কয়েকটি দুর্গাপুজো

    Durga Puja 2023: সুদূর আমেরিকাতেও প্রবাসী বাঙালিদের পরিচালনায় হয় বেশ কয়েকটি দুর্গাপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো যে শুধু আমাদের পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতেই সীমাবদ্ধ, তা নয়। সাত সমুদ্র পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও হয় মায়ের আরাধনা। আমাদের বাঙালি জাতি গোটা বিশ্ব জুড়ে বসবাস করে। তাই যেখানে বাঙালি, সেখানে দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) হবে না, এটা কল্পনা করা যেতে পারে না। শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্যি যে সুদূর আমেরিকাতে প্রবাসী বাঙালিদের পরিচালনায় বেশ কয়েকটি দুর্গাপুজো হয়, যা আমাদের পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর থেকে কিছু কম নয়। পুজোর এই কয়েকটা দিন প্রবাসী বাঙালি যাঁরা কাজের সূত্রে বিদেশে থাকেন, তাঁরা মেতে ওঠেন দুর্গাপুজোতে। ঠিক আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মতোই সেজে ওঠে মণ্ডপ থেকে দুর্গাপ্রতিমা। চলে খাওয়া-দাওয়া, অফুরন্ত আনন্দ। আজ এই প্রতিবেদনে আমরা নিউ ইয়র্কের কয়েকটি প্রবাসী ভারতীয় তথা বাঙালিদের  দুর্গাপুজো সম্পর্কে জানব।

    নিউ ইয়র্ক বেদান্ত সোসাইটি (বেলুড় মঠ)

    এটি স্বামী বিবেকানন্দ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত প্রথম বেদান্ত সোসাইটি। নিউ ইয়র্কের অন্যান্য হিন্দু সংগঠনের থেকে এটি একটু ভিন্নভাবে পুজো উদযাপন করে। এটি বর্তমানে রামকৃষ্ণ মঠের অন্তর্গত। পশ্চিমবঙ্গের রামকৃষ্ণ মিশনের রীতিনীতি মেনেই এখানে পুজো (Durga Puja 2023) পরিচালনা করা হয়।

    জ্যামাইকা কালী মন্দির

    এটি ২০১০ সালের নিউ ইয়র্কের প্রবাসী বাঙালি হিন্দুদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি মন্দির। এখানে দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) আয়োজন করা হয়। শুধু তাই নয়, বাঙালিদের বেশ কয়েকটি পুজো এখানে করা হয়।

    বাফেলোর সংস্কৃতি দুর্গাপুজো

    বিদেশের মাটিতে এই সংস্কৃতি সংগঠন বাঙালি হিন্দু সংগঠনকে আরও বেশি মজবুত করেছে। এটি ১৯৭৪-৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) সাথে বাঙালির বেশ কয়েকটি পুজো যেমন বসন্ত উৎসব, সরস্বতী পুজো, লক্ষ্মী পুজো, বিজয়া সম্মেলন, শীতকালীন পিকনিক প্রভৃতির আয়োজন হয়ে থাকে।

    বাংলাদেশ হিন্দু মন্দির ফ্লাশিং

    এটি বাংলাদেশের হিন্দু বাঙালিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি মন্দির, যা  এলমহার্স্ট কুইন্সে অবস্থিত। প্রায় ৮০০০ বর্গফুট জায়গা জুড়ে এটি প্রতিষ্ঠিত। এখানে প্রত্যেক বছর দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) হয়।

    সানিসাইড 

    এটি আরও একটি বাংলাদেশি হিন্দু প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশি হিন্দু বাঙালিদের একটি দল নিউ ইয়র্কের সানিসাইডে ১৯৮৯ সালে একটি হিন্দু  ধর্মীয় সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন। এখানে বাঙালি রীতি মেনেই প্রত্যেক বছর দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) আয়োজন করা হয়।

    শ্রী মহা কালী দেবী মন্দির

    ১৯৯৮ সালে নিউ ইয়র্কের ব্রুকলিনে এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা হয়।  এখানে দেবী কালীর পুজো করা হয়। শুধু কালী নয় এছাড়াও এখানে দুর্গা, গঙ্গা, হনুমান, কৃষ্ণ, লক্ষ্মী, রাম, সরস্বতী, শিব, গণপতি, মনসা ইত্যাদি দেবদেবীদের পুজোপাঠ হয়ে থাকে। এই মন্দিরটি সারা বছর সব সময় খোলা থাকে। দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) কয়েকটা দিন এখানে বাঙালিরা মেতে ওঠেন।

    দিব্য ধাম মন্দির দুর্গাপুজো

    ১৯৯৩ সালে স্বামী জগদীশ্বর নন্দজি মহারাজ এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন।  এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ হিন্দু মন্দির হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: নন্দীবাড়িতে বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো

    Durga Puja 2023: নন্দীবাড়িতে বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরামবাগের প্রাচীনতম বনেদি বাড়ির ঐতিহ্যবাহী দুর্গাপুজোগুলির মধ্যে অন্যতম হল হাটবসন্তপুর গ্রামের নন্দীবাড়ির দুর্গাপুজো। প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে এই নন্দীরা ছিলেন জমিদার। সেই সময় তাঁদের কোনও এক বংশধর পরিবারের সুখশান্তি কমনায় দালান বানিয়ে শিবদুর্গার আরাধনা (Durga Puja 2023) শুরু করেছিলেন। তখন থেকে একই ভাবে এই পুজো হয়ে আসছে। এই পুজোর বিশেষত্ব হল, এখানে হরপার্বতী অর্থাৎ শিবদুর্গার শান্ত মূর্তি পূজিত হয় এবং প্রাচীনতম বৃহৎ আকারের একটি শঙ্খ ও তামার জালা আছে সেই সময়কার, যা এখনও ব্যবহার করা হয় এই পুজোতে। কথিত আছে, ওই বৃহৎ শঙ্খ বাজানোর পর আকাশে শঙ্খচিল উড়তে দেখেই শুরু হত পুজো। এছাড়াও ওই বড় তামার জালায় নৌকায় করে গঙ্গা থেকে জল আসে পুজোর জন্য। সেই গঙ্গা জল দিয়েই চার দিন ধরে চলে পুজো।

    ভগ্নদশা প্রাচীন দুর্গাদালানের (Durga Puja 2023)

    পরিবারের সদস্যরা জানান, এখন জমিদারি প্রথা না থাকলেও আজও প্রাচীন রীতিনীতি মেনেই পূজিত হন হরপার্বতী। তবে এখানে কোনও পশু বলি হয় না। এক সময় গোটা গ্রামের মানুষ পুজোর চার দিন নিমন্ত্রিত থাকত নন্দীবড়িতে। তবে তা এখন আর হয় না। পরিবারের সদস্যরা কর্মসূত্রে অনেকেই সারা বছর বাইরে থাকলেও পুজোর সময় সবাই ফিরে আসেন এই বাড়িতে। সকলে মিলে একসাথে পুজোর (Durga Puja 2023) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা, একে অপরের সাথে দেখা করা, সারা বছর ধরে জমিয়ে রাখা কথা, চার দিন ধরে চলে খুব আনন্দ। দশমীতে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে বাড়ির আট থেকে ৮০ সকলেই। তবে নন্দীবাড়ির বতর্মান সদস্যরা পুজোয় আধুনিকত্ব বাড়ালেও এবং ভগ্নদশা প্রাচীন দুর্গাদালানের রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করলেও বেশিরভাগটাই নষ্ট হয়ে গেছে। চুনসুরকি দেওয়া ইটের দেওয়াল। শালের কড়িকাঠের উপর চুনসুরকির বানানো ছাদে ফাটল ধরেছে অনেক জায়গাতেই। প্রাচীন ঐতিহ্যকে আগামী প্রজন্মের কাছে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন নন্দী পরিবারের সদস্যরা।

    হই হই করে কাটে পুজোর দিনগুলো (Durga Puja 2023)

    নন্দী পরিবারের সব থেকে বয়স্ক সদস্য বর্তমানে প্রশান্ত নন্দী। বয়স প্রায় ৮৬ বছর। তিনি বলেন, আমার ঠাকুরদা, দাদু, বাবা সবাই একই ভাবে পুজো করেছে, তা দেখে এসেছি। তাই আমিও সেই দায়িত্ব পালন করছি। এখন পরিবারের বেশির ভাগ সদস্যই কর্মসূত্রে বাইরে চলে গেছে। কিন্তু পুজোর (Durga Puja 2023) সময়ে সবাই ফিরে আসে। আনন্দে হই হই করে কাটে পুজোর দিনগুলো। তবে আগের মতো এখন আর সেই জৌলুস নেই। গোটা গ্রাম নিমন্ত্রণ করে খাওয়ানো হয় না। পুজোয় আধুনিকত্ব বেড়েছে, কিন্তু কোথাও যেন একটা ভাটা পড়েছে। এই এত বড় দুর্গাদালান রক্ষণাবেক্ষণের চেষ্টা করেও সম্ভব হচ্ছে না, বিভিন্ন জায়গায় ফাটল ধরেছে। ভেঙে ভেঙে পড়ছে চুনসুরকির ছাদ। আগামী দিনে হয়তো এই দুর্গাদালান ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে স্মৃতি হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুজোয় সুরুলের সরকার বাড়ি আলোকিত হয়ে ওঠে বিদ্যুৎ নয়, তেলের প্রদীপে!

    Durga Puja 2023: পুজোয় সুরুলের সরকার বাড়ি আলোকিত হয়ে ওঠে বিদ্যুৎ নয়, তেলের প্রদীপে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহরের জাঁকজমক থেকে দূরে সরে আমাদের গ্রাম বাংলায় এমন দুর্গাপুজো হয়, যেগুলি গোটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষের নজর কাড়ে। ঠিক সেরকম একটি ঐতিহ্যবাহী পুজো হল সুরুলের রাজবাড়ি তথা সুরুলের সরকার বাড়ির পুজো (Durga Puja 2023)। এই জমিদার বাড়ির প্রত্যেকটি দেওয়ালে আছে ইতিহাসের ছোঁয়া। পুজোর কটা দিন যেন অন্য রূপে সেজে ওঠে সরকার বাড়ি। ষষ্ঠীর দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজো।

    কী এই রাজবাড়ির ইতিহাস?

    সুরুল রাজবাড়ির ইতিহাস জানতে গেলে একটা কথা প্রথমেই বলে রাখা দরকার। তা হল, এই রাজবাড়ির সমস্ত সদস্যর পদবী সরকার। কিন্তু এটি এঁদের আসল পদবী নয়। ইংরেজদের থেকে পাওয়া পদবী। এঁদের আসল পদবী ঘোষ। প্রায় অষ্টাদশ শতকের প্রথম দিকে বর্ধমানের নীলপুর থেকে সুরুলে আসেন ভরতচন্দ্র সরকার। এখানে বাসুদেব ভট্টাচার্যের বাড়িতে তিনি আশ্রয় নেন। সেখানে তাঁদের একটি পুত্রসন্তান হয়, যার নাম কৃষ্ণ হরি। এর পর থেকে সুরুলেই থাকতে শুরু করে সরকার পরিবার। কৃষ্ণ হরির পরবর্তী প্রজন্ম তাঁর ছেলে শ্রীনিবাস ইংরেজদের সাথে ব্যবসার কাজে যুক্ত ছিলেন এবং খুব সুনাম অর্জন করেছিলেন। এতে তাঁর প্রভাব ও প্রতিপত্তি বেড়েছিল। জাহাজের পাল তৈরির কাপড় এবং নীল চাষের ব্যবসার সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। সুরুলের সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) ভরতচন্দ্রের আমল থেকেই শুরু হয়েছিল।

    জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সম্পর্ক

    ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, সুরুল রাজ পরিবারের সঙ্গে জোড়াসাঁকো ঠাকুর পরিবারের খুব ভালো সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। রবীন্দ্রনাথ নিয়মিত এই সরকার বাড়িতে আসতেন। একবার মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে কবিগুরু এই রাজবাড়িতে একটি রাতও কাটিয়েছেন। এখনও সুরুল রাজবাড়িতে (Durga Puja 2023) তাঁর স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। শোনা যায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এই রাজ পরিবারের কাছ থেকে শান্তিনিকেতনের বেশ অনেকটা জমি পেয়েছিলেন।

    কীভাবে হয় সরকার বাড়ির দুর্গাপুজো?

    সরকার পরিবারের এক সদস্য জানান, রথের দিন থেকেই প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়ে যায়। প্রতিমাকে ডাকের সাজে সাজিয়ে তোলা হয়। এছাড়াও পুজোর (Durga Puja 2023) কয়েকটি দিন রাজবাড়ির সোনার গহনা দিয়ে মা দুর্গাকে সাজানো হয়। পঞ্চমীর দিন নাটমন্দির থেকে সমস্ত রাজবাড়িতে বেলজিয়াম থেকে আনা রঙিন বাতি আর ঝাড়বাতিতে সাজিয়ে তোলা হয়। আর দেবীর হাতে থাকে প্রায় ৩০০ বছরের পুরনো অস্ত্রশস্ত্র। এখানে আরও একটি বিশেষত্ব হল, পুজোর দিনগুলিতে কোনও ইলেকট্রিক লাইট ব্যবহার না করে গোটা রাজবাড়িকে তেলের প্রদীপে আলোকিত করা হয়। এখানে সপ্তমী, অষ্টমী এবং নবমী–তিন দিনই বলি হয়। সপ্তমীতে চালকুমড়ো, অষ্টমীতে পাঁঠা, আর নবমীতে চালকুমড়ো ও আখ বলি দেওয়া হয়। এখানে দুর্গা প্রতিমা ছাড়াও নারায়ণের পুজো করা হয়। আর নারায়ণ যেহেতু বলি প্রথার বিরুদ্ধে, তাই বলির সময় নারায়ণকে সরিয়ে অন্য মন্দিরে রেখে আসা হয়। অন্য সময়ে তাঁর নিজের স্থানে ফিরিয়ে আনা হয়। গোটা গ্রাম এই পুজোর কয়েকটা দিন এই  রাজবাড়িতে মেতে থাকে। রোজ সন্ধ্যায় মন্দিরের সামনে নাটমন্দিরে যাত্রার আসর বসে। দেশ-বিদেশ থেকে সরকার পরিবারের বর্তমান প্রজন্মরা পুজোর কয়েকটা দিন এখানে আসেন। এভাবেই প্রায় ৩০০ বছরের বেশি দিন ধরে একই ঐতিহ্য বহন করে নিয়ে চলেছে এই সরকার বাড়ি বা সুরুল রাজবাড়ির পুজো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: আসানসোল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আগুরিপাড়ার ৯টি দুর্গাপুজো

    Durga Puja 2023: আসানসোল প্রতিষ্ঠার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে আগুরিপাড়ার ৯টি দুর্গাপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এখানকার একটি গ্রামের বহু পুরনো দুর্গাপুজোর ইতিহাস (Durga Puja 2023)। আসানসোলেরই গ্রাম আগুরিপাড়ার দুর্গাপুজো তারই সাক্ষী হয়ে রয়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের মতে, আসানসোল গ্রামের প্রতিষ্ঠাতা নকড়ি রামকৃষ্ণ রায় এইসব দুর্গাপুজোর পত্তন করেন। আগুরিপাড়ায় মোট ৯টি দুর্গাপুজো হয। যার মধ্যে আটটিতে হয় মূর্তি পুজো এবং একটিতে হয় ঘট পুজো। বলা হয়, আসানসোল শহরের প্রথম জনবসতি এই আগুরিপাড়া। ২৮৯ বছর ধরে এখানে পুজো হয়ে আসছে।

    পুজোর সঙ্গে প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের যোগ (Durga Puja 2023)

    এই পুজো শুরুর সঙ্গে রয়েছে আসানসোল প্রতিষ্ঠার ইতিহাসের যোগ। কাশিপুরের রাজা সম্পত্তি, জমি এবং গাছপালা রক্ষা করতে নকড়ি রামকৃষ্ণ রায়কে পাঠিয়েছিলেন এখানে। তারপরে তাঁরা আসানসোল গ্রামে বসতি শুরু করেন। সেখানে আসান গাছের আধিক্য থাকায়, নাম হয় আসানসোল। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয় এই দুর্গাপুজো। তিনি দুটি দুর্গা মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বড় এবং মেজ। সেখান থেকেই পরে আরও পুজোর সূচনা হয়। দুর্গাপুজোর (Durga Puja 2023) সময় আনন্দ-উৎসবে মেতে ওঠেন আসানসোলের বাসিন্দারা। দেখার মতো হয় দোলা বিসর্জন। একসঙ্গে নটি দুর্গা মন্দিরের দোলা একত্রিত হয় নানান বাজনার মাধ্যমে এবং সিঁদুর খেলে রাম শায়রে যায়। এক সময় পুজোয় মহিষ বলি করা হত। সময় বদলেছে, এখন পাঁঠা বলি করা হয়।

    দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জন হয় দেখার মতো (Durga Puja 2023)

    এখানকারই একটি পুজোর কোষাধ্যক্ষ শ্রীকান্ত রায় বললেন, যখন বর্গি হানা হয়েছিল, তখন নকড়ি রামকৃষ্ণ রায় এদেরকে রুখে দিয়েছিল। সেই থেকে আমরা উগ্র ক্ষত্রিয় নামে পরিচিত। তিনিই জমিজমা, সম্পত্তি দিয়ে আমাদের এখানে বসবাস শুরু করান। এখানে যত ঠাকুর-দেবতা আছে, যেমন ঠাকুর বুড়ি, শিব মন্দির বা মা কালী, ন’টি দুর্গা প্রতিমা, সব উনিই তৈরি করে দিয়ে গিয়েছেন। তখন থেকেই আমাদের পুজোর সৃষ্টি। তারপর থেকেই আমাদের দাদুরা বা পূর্ব পুরুষরা এই পুজো করে আসছেন। এখানে ৯ টি পুজো হয়। তার মধ্যে একটিতে ঘট পুজো হয়। বড় মা, সেজ মা, ছোট মা এইভাবে আমরা নাম দিয়েছি। এখানে কোনও চাঁদা তোলা হয় না। দুর্গা মায়ের যে সম্পত্তি (পুকুর ইত্যাদি) আছে, তা থেকেই এইসব পুজোর অনুষ্ঠান করা হয়। এখন আরও জাঁক জমক করে হচ্ছে। রাম শায়রে নব পত্রিকা আনতে যায় পুরো গ্রাম। কয়েক হাজার লোক হয়। দশমীর দিনও প্রতিমা বিসর্জন হয় দেখার মতো (Durga Puja 2023)। ২০ থেকে ৩০ হাজার মানুষ জমা হন। হয় আতশবাজির প্রদর্শনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: রাত জেগে ঠাকুর দেখা, চোখে নেই ঘুম! শরীর ঠিক রাখতে কী করবেন?

    Durga Puja 2023: রাত জেগে ঠাকুর দেখা, চোখে নেই ঘুম! শরীর ঠিক রাখতে কী করবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব চলছে! পাড়ার গলি থেকে রাজপথ, আলোয় সেজে উঠেছে চারপাশ! রাত বাড়লেই যেমন আলোর রোশনাই বাড়ছে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভিড়! ছোট থেকে বড়, সব বয়সীরাই ভিড় ঠেলে এক প্যান্ডেল থেকে আরেক প্যান্ডেল যাচ্ছেন (Durga Puja 2023)। আর রাত থেকে ভোর হচ্ছে! রাত জেগে দুর্গা ঠাকুর দেখা এখন পুজোর আরেক অঙ্গ হয়ে উঠেছে। কিন্তু সারা রাত জেগে থাকা, আসলে কতখানি বিপজ্জনক? শরীরে কী প্রভাব পড়ছে? চিকিৎসকরা কিন্তু জানাচ্ছেন, উদযাপনের জোয়ারে সতর্কতা জরুরি। তা না হলে পুজোর চারদিনের এই লাগামছাড়া আনন্দের মাশুল গুনতে হবে বছরভর!

    কোন ধরনের সমস্যার ইঙ্গিত করছেন চিকিৎসকরা? 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাত জেগে থাকা একেবারেই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস নয়। শরীরের প্রয়োজন নির্দিষ্ট সময়ে বিশ্রাম। যেমন শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মমাফিক খাবার, পরিমাণমতো জল জরুরি, তেমনি সময় মতো ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই পুজোর (Durga Puja 2023) সময় রাতভর ঠাকুর দেখেন। ফলে, শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পায় না। এর ফলে একাধিক সমস্যা তৈরির আশঙ্কা থাকে। শরীরে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্নায়ুর কার্যশক্তি কমে যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই রাত জেগে ঠাকুর দেখলে একদিকে যেমন ক্লান্তি গ্রাস করে, তেমনি কাজ করার শক্তি কমে। পাশপাশি, মস্তিষ্কের সক্রিয়তাও কমে। ঠিকমতো বিশ্রাম না হলে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকতে পারে না। কারণ, রাতে ঘুমের সময়েই আমাদের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে এক ধরনের হরমোন নিঃসরণ হয়। যা মস্তিষ্কের সক্রিয়তা বজায় রাখতে সাহায্য করে। মানুষের স্মৃতিশক্তিকেও বাড়িয়ে দেয়। রাতে অন্তত সাত-আট ঘণ্টা না ঘুমোলে মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত বিশ্রাম হয় না।
    রাত জেগে ঘোরার (Durga Puja 2023) জেরে ত্বকের একাধিক সমস্যা হতে পারে বলেও জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, রাতে ঘুমোলে ত্বকের বিশ্রাম হয়। যা অত্যন্ত জরুরি। চোখের নীচের কালো দাগ কমানো, ত্বক খসখসে না হতে দেওয়া কিংবা চামড়া কুঁচকে যাওয়ার মতো সমস্যা এড়াতে নিয়ম করে ঘুমোনো জরুরি। তাই রাত জেগে ঠাকুর দেখা ত্বকের সমস্যা বাড়াতে পারে। 
    সারা রাত জেগে থাকলে সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে কিডনি আর লিভারে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, পুজোর সময় রাত জেগে শুধু প্যান্ডেল থেকে আরেক প্যান্ডেলে ঘোরা হয় না। অধিকাংশের চলে রাতভর ভুরিভোজ। অনেকেই গভীর রাতে অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া নানান খাবার খান। ফলে, হজমের সমস্যা দেখা দেয়। একদিকে পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি, আরেকদিকে অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া খাবার লিভার এবং অন্ত্রে চাপ তৈরি করে। ফলে, নানান জটিল রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি সময় মতো না ঘুমোলে অন্ত্রের কার্য শক্তি কমে। ফলে, পেটের একাধিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক মহল? (Durga Puja 2023) 

    পুজোর চার দিন একটানা কখনই রাত জাগার পরিকল্পনা করা উচিত নয় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, এতে শরীরে একাধিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। নানান হরমোন ভারসাম্য হারবে। ফলে, শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। একদিনের বেশি পুরো রাত জেগে ঠাকুর দেখার (Durga Puja 2023) পরিকল্পনা বছরভর স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরির কারণ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। 
    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, শরীর যাতে পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায়, সে দিকে নজর রেখে উৎসবের পরিকল্পনা করতে হবে। রাত জেগে ঠাকুর দেখলে খাবারে বাড়তি নজর দিতে হবে। রাত দশটার পরে একেবারেই বাইরের খাবার খাওয়া চলবে না। হালকা খাবার খেয়ে একদিন রাত জাগা যেতে পারে বলেও তাঁরা জানাচ্ছেন। পাশপাশি জল খাওয়ার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। রাত জাগলে হজমের সমস্যা এড়াতে ও ত্বক সুস্থ রাখতে অতিরিক্ত পরিমাণ জল খেতে হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: সিউড়ির বসাক বাড়িতে দেবী মনসার পুজো শেষ করে তবেই শুরু হয় দুর্গাপুজো

    Durga Puja 2023: সিউড়ির বসাক বাড়িতে দেবী মনসার পুজো শেষ করে তবেই শুরু হয় দুর্গাপুজো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের সিউড়ি শহরের বুকে বনেদি বাড়ির দুর্গাপুজোগুলির (Durga Puja 2023) মধ্যে অন্যতম সিউড়ির বসাক বাড়ির দুর্গাপুজো। শহরের ঐতিহ্যপূর্ণ পুজোর মধ্যে এটি একটি। সব থেকে নজর কাড়ে যে বিষয়টি, সেটি হল এই দুর্গাপুজো মানেই দুই বাংলার মিলন ক্ষেত্র। এর রীতিনীতি পালিত হয়ে আসছে ওপার বাংলার রীতিনীতি মেনেই। পঞ্চমীর দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজো।

    কত বছরের পুরনো এই দুর্গাপুজো? কী এর ইতিহাস?

    আনুমানিক কত বছরের পুরনো এই বসাক বাড়ির দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023), তা এখনও সঠিক জানা যায়নি। সিউড়িতে বসাক বাড়ির দুর্গাপুজো শুরু হয় বসাক পরিবারের তৎকালীন প্রধান যামিনী বসাকের হাত ধরে। আজ এই পুজোর ঐতিহ্য বহন করে নিয়ে চলেছেন তাঁরই বংশধররা। পরিবারের বর্তমান সদস্য মৌমিতা বসাক জানান, এই পুজোর ইতিহাস বহু বছরের পুরনো। এটি শুরু হয় প্রথমে বাংলাদেশের ঢাকার ধামরাই গ্রামে। পঞ্চমীর দিন থেকেই পুজো শুরু হয়ে যেত, এখনও সেটাই হয়ে আসছে। আগে মাটির মূর্তিতে পুজো হলেও বর্তমানে দেবীর চিরস্থায়ী পিতলের মূর্তিতেই তা হয়ে থাকে। পাঁচদিন ধরে চলত পুজো। আর দশমীতে বিসর্জন করা হত (Durga Puja 2023)। সময় বদলের সাথে সাথে বাংলাদেশের এই পুজোর স্থানও পরিবর্তিত হয়েছে। দেশ ভাগের পর ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় চলে আসেন বসাক পরিবারের তৎকালীন সদস্যরা। আর পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার সিউড়িতে আবার নতুন করে শুরু হয় বাংলাদেশের ধামরাই গ্রামের সেই ঐতিহ্যবাহী পুজো। কিন্তু রীতিনীতিতে কোনও ভেদাভেদ হয়নি আজও। সেই পুরনো নিয়ম ধরে আজও পুজো হয় বসাক বাড়িতে। বাংলাদেশের সেই ধামরাই গ্রামের দুর্গা বেদির আদলেই তৈরি হয়েছে সিউড়ির বসাক বাড়ির দুর্গা বেদি। আর যে মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছে, সেটি হুবহু বাংলাদেশের পুরনো মন্দিরটির আদলেই। সামনে আছে একটি বিশাল নাট মন্দির।

    আগেই দেবী মনসার পুজো

    সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রীতিতে এখানে পুজো শুরু হয়। বসাক পরিবার যখন দেশভাগের সময় এপার বাংলায় আসে, তখন সঙ্গে করে নিয়ে আসে তাদের পূজিতা দেবী মনসার ঘট। আর সেই ঘটকে এই মন্দিরেই প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেই থেকে আজও দুর্গাপুজো শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশের মন্দিরের মতোই পঞ্চমীর দিন সর্বপ্রথম দেবী মনসার পুজো শেষ করে দুর্গাপুজো আরম্ভ হয়। পুজোর পাঁচটি দিন বীরভূমের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষের সমাগম ঘটে এই বসাক বাড়িতে। আগে বাংলাদেশ থেকে বসাক বাড়িতে পরিচিতরা এলেও এখন আর কেউ আসেন না বলেই জানান পরিবারের সদস্যরা। পুজোর কটা দিন আনন্দে মেতে ওঠেন সবাই। দিন বদল হলেও আজও সেই ঐতিহ্য বহন করে নিয়ে চলেছে এই বসাক বাড়ির প্রাচীন পুজো (Durga Puja 2023)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: আসানসোলের গ্রামে সুপ্রাচীন ‘আদি দুর্গাপুজো’ চলে টানা ১৫ দিন ধরে!

    Durga Puja 2023: আসানসোলের গ্রামে সুপ্রাচীন ‘আদি দুর্গাপুজো’ চলে টানা ১৫ দিন ধরে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আকাশে বাতাসে পুজোর ছোঁয়া। দেবীপক্ষ শুরুর অপেক্ষায় মানুষ। তার মধ্যে শুরু গেল দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)। আসানসোলের গাড়ুই গ্রামে শুরু হয়ে গেল আদি দুর্গাপুজো। টানা ১৫ দিন ধরে চলবে এই পুজো। এমনই রীতি চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কৃষ্ণ পক্ষের নবমী থেকে গাড়ুই গ্রামে এই পুজো শুরু হয়। পুজো চলে মহা নবমী পর্যন্ত।

    গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন পুজো (Durga Puja 2023)

    কয়েক শতাব্দী ধরে এই পুজো চলে আসছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা অনিমেষ মুখার্জি বলেন, এটি গ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন পুজো (Durga Puja 2023)। তাঁদের জন্মের আগে থেকে এই পুজো চলে আসছে। পূর্ব পুরুষরা এই পুজো করে আসছেন। এই পুজোর ইতিহাস সঠিকভাবে বলতে না পারলেও, তিনি জানিয়েছেন, কৃষ্ণপক্ষের নবমী থেকে এই পুজো শুরু হয়ে যায়। চলে ১৫ দিন ধরে। ১৫ দিন ধরে হয় পুজোপাঠ, চণ্ডীপাঠ। গ্রামের সকলেই এই পুজোর প্রতি ভক্তিশীল বলেও তিনি জানিয়েছেন। পুজোর যাবতীয় রীতিনীতি যতটা সম্ভব মেনে চলা হয়।

    আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন (Durga Puja 2023)

    এই পুজোর পুরোহিত বিপত্তারণ চ্যাটার্জি জানিয়েছেন, পুজোটি (Durga Puja 2023) প্রায় পাঁচশো বছরের পুরনো। এটি একটি সাবেকি পুজো। সর্বজনীন যে সব পুজো হয়, এটা কিন্তু সেরকম নয়। এই পুজোর অনেকজন সেবাইত আছে, তারাই এই পুজোটা করে। এই পুজোর বেশ কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। নিষ্ঠা ভরে এই পুজো করতে হয়। এটি তাঁদের কাছে কোন উৎসব নয়। এটি শুধু তাঁদের কাছে পুজো। এই পুজোয় নবম্যাদি কল্পারম্ভ হয়। অর্থাৎ কৃষ্ণপক্ষের নবমী থেকে মহা নবমী পর্যন্ত এই পুজো চলে। প্রতিদিনই ভোগ হয়, আরতি হয়। দেবীপক্ষ শুরু হওয়ার আগে থেকেই গাড়ুই গ্রামের এই আদি দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে আনন্দে মেতে ওঠেন স্থানীয় মানুষজন। তবে আগে এই মন্দির পুরনো ছিল। পরে সবাই মিলে এর সংস্কার করেছে। ছোঁয়া লেগেছে আধুনিকতার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: ৮০০ বছরের প্রাচীন জমিদারি বাড়ির পুজোয় মিলল কেন্দ্রের হেরিটেজ তকমা

    Durga Puja 2023: ৮০০ বছরের প্রাচীন জমিদারি বাড়ির পুজোয় মিলল কেন্দ্রের হেরিটেজ তকমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শোনা যায়, রাজা নরপতি ঘোষ এলাকার মানুষজনের মঙ্গল কামনার্থে ৮০০ বছর আগে পাঁচথুপি পুরাতন বাটি চণ্ডী মণ্ডপের এই পুজো চালু করেছিলেন। দিনের হিসেবে প্রাচীনতম না হলেও পাঁচথুপি পুরাতন বাটির পুজোয় (Durga Puja 2023) কেন্দ্রীয় হেরিটেজ তকমা পেয়ে মিলল এক নতুন পালক। এই পুজো নিয়ে জনশ্রুতি অনেক আছে। শোনা যায়, একবার পূজোর সময় এই বাড়িতেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। কিন্তু দেবীর অলৌকিক মহিমায় সেই অগ্নিকাণ্ডের হাত থেকে সবাই রেহাই পান। পরিবারে কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। এখানে একসঙ্গে শাক্ত ও বৈষ্ণব মতে দেবীর পুজো হওয়ার কারণে অন্যান্য পুজোর থেকে এই পুজো কিছুটা আলাদা।

    কীভাবে এল হেরিটেজ তকমা? (Durga Puja 2023)

    পরিবারের এক কর্তা জানান, ভারত সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রক রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রাচীন দুর্গা নিয়ে একটি অনুসন্ধান চালায়। সেখানে এই পুজোর আচার এবং সংস্কৃতিগত তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রককে বিস্তারিতভাবে জানানো হয়েছিল। সেখান থেকেই এই পুজোকে হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়া হয়। গত বছর কলকাতা জাদুঘরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাজা নরপতি ঘোষের ৮০০ বছরের আগের এই পুজোকে (Durga Puja 2023) হেরিটেজ সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বীকৃতিতেই খুশি ঘোষ হাজরা পরিবার। এই পুজোকে হেরিটেজ ঘোষণা করায় তাঁরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানান কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রককে।

    বোধন হয় কৃষ্ণা নবমীর দিন (Durga Puja 2023)

    এই পুজোর বোধন হয় কৃষ্ণা নবমীর দিন। চলে দশমী পর্যন্ত। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমিদারি বিলুপ্ত হওয়া সত্বেও তাদের বংশধরেরা আজও এই পুজো চালিয়ে যাচ্ছে। যদিও বা উনিশ শতকের প্রথম দিকে এই পাঁচথুবিতে ৩০ টি দুর্গাপুজোর অস্তিত্ব ছিল তার মধ্যে ১৩ টি বর্তমানে বন্ধ হয়ে যায়। স্থানীয় মানুষের উদ্যোগে সর্বজনীন পুজো হিসাবে কিছু পুজো আত্মপ্রকাশ করেছে। এই গ্রামের লৌকিক পুজোর বৈশিষ্ট্য ও প্রতিমার প্রাচীন রীতি ও অনুষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য মানুষকে আজও টানে। পাঁচথুপি পুরাতন বাটি চণ্ডী মণ্ডপের দুর্গাপূজো বোধনের দিন থেকে শুরু হয়, এই দুর্গাপুজোয় নবমীর দিন মহিষ বলির প্রচলন আছে বলে জানান প্রদ্যুৎ ঘোষ হাজরা। পাঁচথুপির পুরাতন বাটি চণ্ডী মণ্ডপের দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) আজও তার প্রাচীন নিদর্শন বহন করে চলেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: তালচিনানের পাঠক বাড়ির দুর্গাপুজোয় বিসর্জনেও থাকে অনন্য বৈশিষ্ট্য

    Durga Puja 2023: তালচিনানের পাঠক বাড়ির দুর্গাপুজোয় বিসর্জনেও থাকে অনন্য বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ধি পুজোর আগে নিয়ম করে শূন্যে গুলির আওয়াজে মায়ের আগমনী বার্তা (Durga Puja 2023) জানানোই ছিল এই বাড়ির রেওয়াজ। ২২৯ বছরে পড়ল পাঠক বাড়ির দুর্গাপূজা। এই সাবেকি পুজো চালু করেছিলেন তালচিনানের জমিদার কৃষ্ণকান্ত পাঠক। সূত্র অনুযায়ী, বর্ধমান মহারাজার জনার্দন মন্দিরের সেবাইত ছিলেন পাঠকরা। মহারাজা তাঁদের খুশি হয়ে হুগলির তালচিনান গ্রামের জমিদারির স্বত্ব দেন। কৃষ্ণকান্ত পাঠক হয়ে যান তালচিনানের জমিদার। চুঁচুড়া স্টেশন থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার পশ্চিমে পোলবা-দাদপুর ব্লকের একটি গ্রাম এই তালচিনান। ওই জমিদার বংশের বংশধর রাজকমল পাঠক জানান, কৃষ্ণকান্ত শুধু তালচিনান নয় এরপর ক্রমশ চাঁদপুর, মহেশপুর, হিরণ্যবাটি তৌজির মালিক হয়ে যান। দশ হাজার বিঘা খাস জমি ছিল তাঁদের। ভাবতে পারা যায়! প্রজাদের দেওয়া খাজনায় চলত জমিদারি।

    কুলদেবতা জনার্দন

    পাঠকদের কুলদেবতা জনার্দন। তাই জমিদারির পাশাপাশি জনার্দনের মন্দিরও গড়ে ওঠে। কৃষ্ণকান্ত জমিদারি পেয়েই দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023) চালু করেন। তবে জনার্দনের পূজারি হওয়ায় এখানে পুজো হয় বৈষ্ণব মতে। আজও তালচিনানে পাঠক বাড়ির দুর্গাপুজো দেখতে ভিড় করেন গ্রামের পর গ্রামের মানুষজন। আসলে এঁরাই ছিলেন এক সময় এই জমিদারের প্রজা। বছরভর এই পাঠকবাড়ি সুনসান থাকলেও পুজোর কটা দিন প্রায় সমস্ত আত্নীয়স্বজন চলে আসেন। ভবনের খান বত্রিশেক ঘর তখন গমগম করে। বাড়ির সামনে বিশাল দুর্গা দালান, সেখানে তিনখিলানের মাঝে একচালা কাঠামোয় দেবী বিরাজ করেন। কথিত আছে এই পুজোর শুরু থেকে আজ অবধি কাঠামোর কোনও পরিবর্তন হয়নি। এখানে বলি হয় তবে আখ, চালকুমড়ো, বাতাবি লেবু, শসা ভিন্ন কিছু নয়। অষ্টমী-নবমীতে কুমারী পুজোর প্রচলনও আছে।

    অদ্ভুত এক মানসিক শান্তি

    এই জমিদার বাড়িতে অদ্ভুত একটা মানসিক শান্তি বিরাজ করে। নিস্তব্ধ নিঝুম মহলের চারপাশে পায়রার বক বকম…। মনটা যেন ফিরে যেতে চায় পিছনে, আরও পিছনে। “আসলে আমি ছাড়া আর কেউ আসে না এই বাড়িতে পুজোর সময়টুকু ছাড়া। প্রত্যেকেই বাইরে থাকেন, কেউ রাজ্যের, কেউ দেশের। সময় কোথায়? তাই আমিই মাঝে মাঝে কলকাতা থেকে ছুটে আসি। কাটিয়ে দিই কয়েকটা দিন।” জানালেন রাজকমল পাঠক। তিনি বলেন, যে রীতি পূর্বপুরুষরা করে গিয়েছিলেন, সেই রীতিই যতটা সম্ভব আমরা পালন করি। যেমন এই জমিদার বাড়িরই নিজস্ব পুকুর থেকে মাটি এনে দেবীর মূর্তি (Durga Puja 2023) গড়া হয়। পুরোহিত বংশ সেই একই। আগে বাড়ির দোনলা বন্দুক থেকে তোপ ফাটানো হত সন্ধিক্ষণে, এখন আমার লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক থেকে ফাটাই। পুজোর প্রতিটা দিন আমাদের কাছে বিশেষ দিন।

    নিরঞ্জনেরও কিছু বৈশিষ্ট্য

    ষষ্ঠীর (Durga Puja 2023) দিন বোধন। ওইদিন পরিবারের সদস্যরা সবাই একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করেন। সপ্তমীর দিন আমিষ হয়। আগে নিজেদের পুকুর থেকে মাছ ধরে খাওয়ানো হত। এখন পুকুর লিজে দেওয়ার ফলে বাজার থেকেই কাতলা মাছ এনে এই গ্রামের জ্ঞাতি, ব্রাম্ভণরা এখানে ভুরিভোজ করেন একসঙ্গে। অষ্টমীর দিন গ্রামের মহিলারা এখানে দুপুরে লুচি খান। নবমীতে বর্গক্ষত্রিয়রা আসেন। দশমীতে থাকে লুচি, বোঁদে আর সিদ্ধি। ঠাকুর বরণের পর হয় সিঁদুর খেলা। তাতে গ্রামের মহিলারাও যোগ দেন। পাঠকবাড়ির প্রতিমা নিরঞ্জনেরও কিছু বৈশিষ্ট্য আছে। বাঁশের মাচায় তোলা হলে গ্রামের বর্গক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের মানুষজন কাঁধে করে প্রতিমা গোটা গ্রাম ঘুরিয়ে স্থানীয় পুকুরে বিসর্জন দেন। পাঠক বাড়ির প্রতিমা বিসর্জন না হলে গ্রামের অন্য কোনও প্রতিমার বিসর্জন হয় না। এটাই এই গ্রামের রীতি। এটাই পুরনো জমিদারবাবুদের প্রতি গ্রামের মানুষের শ্রদ্ধা। আর এইভাবেই চলে আসছে বাংলার বনেদি বাড়ির পুজো। জমিদারি প্রথা উঠে গেলেও জমিদারি রীতিনীতি এখনও প্রাণপণে রক্ষা করতে মরিয়া উত্তরসূরিরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja Food: ঢাকে কাঠি পড়তেই জমিয়ে ভুরিভোজ? স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখেছেন তো?

    Durga Puja Food: ঢাকে কাঠি পড়তেই জমিয়ে ভুরিভোজ? স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখেছেন তো?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বছরভর নানা উৎসব আর উদযাপন চললেও, বছরের এই ক’দিন সবার থেকে আলাদা। আট থেকে আশি, সব বয়সের জন্যই দুর্গাপুজোর চারদিন বিশেষ দিন! আর বিশেষ উৎসব উদযাপনে খাওয়া-দাওয়াও বিশেষ হয় (Durga Puja Food)। কিন্তু এই লাগাতার জমিয়ে ভুরিভোজ স্বাস্থ্যের জন্য কতখানি বিপজ্জনক, সে নিয়ে দুশ্চিন্তা তো থাকেই। তাই চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, দুর্গাপুজোর বিশেষ খাবারেও থাকুক সুস্বাস্থ্যের ছোঁয়া, তবেই সুস্থ শরীরে উৎসব উদযাপন সম্ভব।

    পুষ্টিবিদরা কোন ধরনের খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন? (Durga Puja Food)

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, দূর্গাপুজোর চারদিন কমবেশি সকলেই একটু অন্যরকম খাবার খেতে চান। কিন্তু স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তাঁদের পরামর্শ, উৎসবের মরশুম হলেও সকালের জলখাবার বাদ দেওয়া যাবে না। অনেকেই রাত পর্যন্ত ঠাকুর দেখেন। বিশেষত তরুণ প্রজন্মের অধিকাংশ ছুটির মরশুমে অনেক বেলা পর্যন্ত ঘুমোন। ব্রেকফাস্ট বাদ পড়ে। একেবারেই দুপুরে জমিয়ে খাওয়া হয়। অনেক সময়েই দিনের প্রথম খাবার হয় কোনও রেস্তোরাঁর অতিরিক্ত তেলমশলা যুক্ত খাবার। আর এতেই বিপদ বাড়ে। হজমের গোলমাল কিংবা পেটের সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই পুজোর সময় পুষ্টিসমৃদ্ধ জলখাবার খাওয়া দরকার। দুধ, কর্নফ্লেক্স, ড্রাই ফ্রুটস কিংবা ডিম সেদ্ধ, ফল বা রুটি, সব্জির মতো খাবার জলখাবারের মেনুতে থাকলে পাকস্থলী সুস্থ থাকবে। হজমের সমস্যার ঝুঁকি কমবে। 
    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দুপুর-রাত একদিনে দুবেলা বাইরের খাবার খাওয়া একেবারেই উচিত নয়। উৎসবের মরশুমে অনেকেই রেস্তোরাঁয় খাওয়া পছন্দ করেন। কিন্তু দুবেলা বাইরের খাবারে নানান শারীরিক জটিলতা তৈরি করতে পারে।
    খাবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের (Durga Puja Food) খেয়াল রাখা জরুরি বলেই মনে করছেন পুষ্টিবিদদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বাড়ির খাবারের মেনুতে থাকুক নানান রকমের স্যালাড, বেকড খাবার। পুজোর দিনে নানা রকমের ফল দিয়ে নতুন নতুন স্যালাড বানানো যেতে পারে। এতে স্বাদ বদল হয়। আবার পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। আবার মাছ কিংবা চিকেনের নানান বেকড আইটেম রান্না করা যায়। যাতে খুব কম পরিমাণ তেল আর মশলার ব্যবহার হয়। অথচ অন্যরকম খাবারে মন ভরে। শরীর ভালো থাকে।

    কোন ধরনের খাবার এড়িয়ে যাওয়া জরুরি? (Durga Puja Food)

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, পুজোর মরশুমে দেদার খাবার খাওয়ার সময়, স্থূলতা আর হৃদরোগের বিষয় ভুলে গেলে চলবে না। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বিরিয়ানি, মোগলাই, পিৎজা, বার্গার, হটডগ, কিংবা অতিরিক্ত ভাজা খাওয়ার জেরে অনেকের মাত্রাতিরিক্ত ওজন বেড়ে যায়। আর স্থূলতা নানা রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাই কী খাওয়া যাবে, সে বিষয়ে সচেতনতা জরুরি। পাশপাশি এই সময় অনেকেই লাগামহীন চর্বিযুক্ত খাবার খান। ফলে, কোলেস্টেরল আর রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই হৃদরোগে আক্রান্তের ঝুঁকিও বাড়ে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, বিরিয়ানি, মোগলাই কিংবা পিৎজার মতো খাবার খাওয়ার সময় পরিমাণের দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। 
    তবে, খাবারের পাশপাশি পানীয়ের বিষয়েও সচেতনতা দরকার। পুজোর সময়ে অনেকেই প্যাকেটজাত নরম ঠান্ডা পানীয় খান। অতিরিক্ত প্যাকেটজাত নরম ঠান্ডা পানীয় কিন্তু স্থূলতার কারণ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল। তাছাড়া, আইসক্রিম আর নরম ঠান্ডা পানীয়ের জেরে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশনের ঝুঁকিও বাড়ে বলে জানাচ্ছেন বক্ষঃরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই অতিরিক্ত ঘাম হলে কিংবা রোদের মধ্যে লাগাতার ঘুরলে আইসক্রিম, নরম ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। 
    পুজোর সময়ে আবার উদযাপনের অংশ হিসাবে অনেকেই মদ্যপান করেন। চিকিৎসকদের একাংশের পরামর্শ, মদ্যপান শরীরের একাধিক ক্ষতি করে। লিভার, কিডনি, হৃদযন্ত্রে নানান রোগের কারণ মদ্যপান। তাই প্রয়োজন সচেতনতার। 
    শরীর সুস্থ রাখতে সতর্ক ও সচেতনভাবে ভুরিভোজ (Durga Puja Food) হোক। তবেই দুর্গাপুজোর উদযাপন সুন্দর হবে, এমনই মত বিশেষজ্ঞ মহলের।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share