Tag: puja parikrama 2023

puja parikrama 2023

  • Durga Puja 2023: মা দুর্গা পরিচিত “পাতি মা” নামে, ধুমধাম করে চারদিন ধরে পুজো হয় শুধু মস্তক!

    Durga Puja 2023: মা দুর্গা পরিচিত “পাতি মা” নামে, ধুমধাম করে চারদিন ধরে পুজো হয় শুধু মস্তক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে “পাতি মা” বলেই ডাকেন। ধুমধাম করেই পুজো (Durga Puja 2023) হয়। কাঁকসা থানার গোপালপুরের পশ্চিম পাড়ায় মণ্ডল, দে আর দত্ত পরিবারের “পাতি মা”। পাতি মা সপরিবারে আসেন না। শুধু তাই নয়, তিনি শরীর নিয়েও আসেন না। তাঁর মস্তক পুজো হয় চারদিন ধরে। ২০০ বছরের বেশি সময় ধরেই চলে আসছে এই পাতি মা-এর পুজো।

    শুধু মস্তক পুজো নিয়ে ভিন্ন মত

    কিন্তু কেন এই মস্তক পুজো আর কে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তার কোনও তথ্য নেই। বর্তমান প্রজন্মের দুটি মত রয়েছে। একটি মতে, দেবী দুর্গা স্বপ্নাদেশ দিয়েছিলেন, প্রতিমা গড়া সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত মন্দিরের দরজা খোলা যাবে না। কিন্তু ধৈর্য্য না রাখতে পেরে মন্দিরের দরজা খোলা হয় আর দেখা যায়, দেবীর মস্তক রয়েছে আর কিছুই নেই। তবে অন্য অংশের মতে, মাটির তৈরি মন্দির ছিল। মন্দিরে দেবীর প্রতিমা তৈরি সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। পুজো (Durga Puja 2023) দিন কয়েক বাকি। সেই সময় প্রবল বর্ষণে মন্দির ভেঙে যায় এবং দেবীর মস্তকটি শুধু রক্ষা পায়। কীভাবে পুজো হবে, এই চিন্তার পাশাপাশি পুজো না করলে অমঙ্গল হবে, এই আশঙ্কায় গোটা পরিবার চিন্তায় পড়ে যায়। তখনই পরিবারের কর্তাকে দেবী স্বপ্নাদেশ দেন মস্তক পুজো করতে এবং তিনি এভাবেই পুজো নেবেন। সেই থেকেই ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে  চলে আসছে মণ্ডল, দত্ত এবং দে পরিবারের পাতি মা’র পুজো।

    কী বললেন উদ্যোক্তারা?

    এই পুজোরই এক উদ্যোক্তা উৎপল দত্ত বলেন, রানীসায়ের থেকে নবপত্রিকা নিয়ে আসা হয় এবং চারদিন ধরেই পুজো (Durga Puja 2023) চলে ধুমধাম করে। তবে পাতি মায়ের নিরঞ্জন রাতে হয় না, দশমীর দিন নবপত্রিকা নিরঞ্জনের সময় দেবীর মস্তক নিরঞ্জন হয়। তবে একই ভাবে মস্তক পুজো হয় দেবশালা পঞ্চায়েতের দেবশালার বক্সি পরিবারের এবং একই পঞ্চায়েতের পুরশায় শুধুমাত্র মস্তক পুজো হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: শান্তিপুরে ৪০০ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয়ে আসছে দেবী কাত্যায়নীর!

    Durga Puja 2023: শান্তিপুরে ৪০০ বছর ধরে নিষ্ঠার সঙ্গে পুজো হয়ে আসছে দেবী কাত্যায়নীর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির অন্যতম শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো (Durga Puja 2023)। আর এই পুজোকে কেন্দ্র করেই বিভিন্ন বনেদি বাড়ি এবং বারোয়ারি মেতে ওঠে আনন্দে। বারোয়ারি বা ক্লাবের পুজোয় থাকে থিমের ছোঁয়া, সঙ্গে বিভিন্ন রকম জৌলুস। তবে বাংলার আপামর বনেদি বাড়ির পুজোগুলি বরাবরই নিষ্ঠা এবং বিশ্বাসের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবেই দেখা হয়। সেরকমই এক বনেদি বাড়ি হল নদিয়ার শান্তিপুরের বড় গোস্বামী বাড়ি, যেখানে আনুমানিক প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো দেবী কাত্যায়নীর পুজো চলে আসছে নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে।

    দেবী কাত্যায়নী রূপে পূজিতা কেন?

    এখানে দেবী কাত্যায়নী রূপে পূজিতা হন। দেবীর মূর্তিতেও রয়েছে বিশেষ বৈশিষ্ট্য। অন্যান্য দুর্গাপ্রতিমা যেরকম আমরা দেখি, বা বনেদি বাড়ির দুর্গাপ্রতিমা যেরকম সাধারণত হয়ে থাকে, এখানের প্রতিমা কিন্তু সেরকম নয়। এখানে দেবীমূর্তির দুটি হাত বড়, অর্থাৎ এই দুটি হাত দিয়েই সংহারের কথা বোঝানো হয়েছে। কিন্তু বাকি আটটি হাত অনেকটাই ছোট। বড় গোস্বামী বাড়ির সদস্যদের মতে, এই পুজো আনুমানিক ৪০০ বছর ধরে নিয়মনিষ্ঠার সঙ্গে চলে আসছে। এই পুজোর ইতিহাস সম্বন্ধে তাঁরা জানান, একদিন তাঁদের ইষ্টদেব রাধারমণ হঠাৎ মন্দির থেকে অন্তর্ধান হয়ে যান।তারপর গৃহকর্ত্রীরা বাড়ির মন্দিরের উঠোনে বসে দেবী কাত্যায়নীর ব্রত পালন করতে থাকেন। এর তিন দিন পর বাড়ির যিনি জ্যেষ্ঠ কর্ত্রী, তাঁকে দেবী স্বপ্নাদেশে জানিয়ে দেন, রাধারমণের মূর্তি কোথায় রয়েছে। তার পরেই পাওয়া যায় তাঁদের ইষ্টদেব রাধারমণের মূর্তি। এর পর থেকেই দেবীর পুজো (Durga Puja 2023) শুরু হয় বড় গোস্বামী বাড়িতে।

    নিয়মনিষ্ঠাই মূল লক্ষ্য (Durga Puja 2023)

    একেবারেই জৌলুসহীন এই পুজো, যেখানে সাবেকি মাতৃমূর্তি এবং নিয়মনিষ্ঠাই একমাত্র অবলম্বন। দেবীমূর্তির আরেকটি বিশেষ দিক লক্ষ্য করা যায়, এখানে দেবীর সন্তান কার্তিক এবং গণেশ বিপরীত স্থানে অবস্থান করেন। তবে নবপত্রিকা বসানো হয় সঠিক জায়গাতেই। অর্থাৎ কার্তিকের পাশে বসে নবপত্রিকা। কর্মক্ষেত্র কিংবা অন্যান্য কাজে বাড়ির যে সমস্ত সদস্যরা বাইরে থাকেন, তাঁরা পুজোর ওই চার দিন দেবী কাত্যায়নীর পুজোতে মেতে ওঠেন। আরও জানা যায়, নবমীতে দেশবাসী তথা রাজ্যবাসীর জন্য বিশেষ মঙ্গল কামনা করা হয়। পুজোতে এলাকার মানুষকে খাওয়ানো হয় ভোগ। তবে ভোগ রান্নাতেও রয়েছে আকর্ষণ। যে সমস্ত বিবাহিত মহিলা দীক্ষিত, তাঁরাই দেবী কাত্যায়নীর ভোগ রান্নার কাজে নিযুক্ত হন এবং যে মেয়েরা অবিবাহিত, তাঁরা দেবীর পুজোর (Durga Puja 2023) অন্যান্য কাজে নিযুক্ত থাকেন।

    কী বলছে নয়া প্রজন্ম?

    তবে আধুনিক যুগে আধুনিক পুজোর (Durga Puja 2023) সঙ্গে বনেদিয়ানার মেলবন্ধন কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ বা একে কীভাবে দেখছে বড় গোস্বামী বাড়ির এযুগের সন্তানরা? এ প্রশ্ন করা হলে তাঁরা জানান, নিয়মনিষ্ঠা এবং ভক্তি, এসবই এই বাড়ির মূল উদ্দেশ্য। আর তাতেই দেবী কাত্যায়নীর পুজোতে তাঁরা অংশগ্রহণ করেন, মেতে ওঠেন আনন্দে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share