Tag: puja rituals

puja rituals

  • Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    Puja Rituals: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মে (Hindu religion) পুজো-অর্চনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রীতি। বাড়িতে পুজো করলে একটা গঠনমূলক ভাবনা প্রবাহিত হয়। এছাড়া ভক্তি সহকারে ঠাকুরের আরাধনা করলে মনে শান্তি লাভ করা যায়। যে বাড়িতে নিয়মিত পুজো-অর্চনা (Puja Rituals) হয়, সেখানে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বজায় থাকে। ঠাকুরের দয়ায় জীবনের সব সমস্যা কেটে যায় ও সাফল্য লাভ করা সম্ভব হয়। এই কারণেই সনাতন ধর্মে সঠিক নিয়ম মেনে পুজো করার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যে, দু-বেলা পুজো করা উচিত। মন্ত্র জপের পাশাপাশি পুজোয় অন্নদানের গুরুত্ব রয়েছে। সঠিক পদ্ধতিতে নৈবেদ্য দিলেই ঈশ্বর সন্তুষ্ট হন। তবে কতক্ষণ ঠাকুরের সামনে প্রসাদ (Pujo Prasad Rules) রাখা উচিত, তা জানেন কি?

    ভোগ দেওয়ার সময় (Puja Rituals)

    ধর্মীয় শাস্ত্র অনুসারে, পুজো (Puja Rituals) দেওয়ার পর অবিলম্বে ঠাকুরের কাছ থেকে প্রসাদ সরিয়ে নেবেন না, বা দীর্ঘ সময়ের জন্যও ঠাকুরের সামনে প্রসাদ রেখে দেবেন না। পুজোর পর ঠাকুরের সামনে মাত্র ৫ মিনিটের জন্য ভোগ রাখা ভালো। এরপরে, ভোগ গ্রহণ করুন এবং প্রত্যেকে এটি প্রসাদ হিসাবে গ্রহণ করুন। তবে ভোগকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঠাকুরের সামনে ফেলে রাখবেন না। কারণ এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। উল্লেখ্য ঠাকুরকে ভোগ নিবেদন করার পর এই প্রসাদ মাটিতে রাখবেন না। আবার ঠাকুরের ভোগ প্রসাদ হয়ে গেলে তা আর মূর্তির খুব বেশি কাছাকাছি রাখবেন না। এছাড়া ঠাকুরকে খাবার দেওয়ার সময় সঙ্গে জল নিবেদন করতে ভুলবেন না। ঠাকুরের ভোগ সব সময় পিতল, রূপো, সোনা বা মাটির বাসনে নিবেদন করবেন। একই ভাবে কলাপাতায় প্রসাদ (Prasad) বিতরণ করা শুভ বলে মনে করা হয়।

    আরও পড়ুনঃ প্রথমবার পেট্রাপোল পেরিয়ে বাংলাদেশে পৌঁছালেন মহিলা ট্রাকচালক

    নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ

    তবে যদি আপনি উপবাস রেখে পুজো (Puja Rituals) করেন, তাহলে ভগবানকে অন্ন নিবেদনের জন্য মন্ত্র (Mantra) পাঠ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা বিশ্বাস করা হয় যে নৈবেদ্যর জন্য মন্ত্রপাঠ করলেই ঈশ্বর নিবেদন গ্রহণ করেন। তাই অন্নভোগ অর্পণ করার সময় মন্ত্রপাঠ করা উচিত। তবে পুজোর পর নিজের জন্য নিজে প্রসাদ নেবেন না। এই প্রসাদ আপনি প্রথমে সবার মধ্যে ভাগ করে দিন। এরপর নিজে প্রসাদ নিন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: পুজোর মহাস্নানের তেল, অগরু, সুগন্ধি নিজে হাতে তৈরি করে কর্মসংস্থানের দিশা

    Durga Puja 2023: পুজোর মহাস্নানের তেল, অগরু, সুগন্ধি নিজে হাতে তৈরি করে কর্মসংস্থানের দিশা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো ভারতবর্ষ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ খুবই নিষ্ঠা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে দুর্গাপুজো করে থাকেন। দুর্গাপুজোতে বেশ কিছু উপকরণের ব্যবহার করা হয়। এই সমস্ত উপকরণ একমাত্র দশকর্মা ভান্ডারেই সাধারণত পাওয়া যায়। উপকরণগুলির মধ্যে রয়েছে তিলের তেল, মহাস্নানের তেল, মহাস্নানের জল, অগরু, বিভিন্ন ধরনের সুগন্ধি তেল, মধু ইত্যাদি। এইসব উপকরণ ছাড়া কখনই দুর্গাপূজো (Durga Puja 2023) সম্পূর্ণ হয় না। পৌরাণিক নিয়মনীতি অনুযায়ী এই উপকরণগুলি ছাড়া দূর্গাপুজো অসম্পন্ন। আর এই সমস্ত উপকরণ নদিয়ার মাজদিয়ার বাসিন্দা সুনীল দাস নিজের হাতে তাঁর বাড়িতে তৈরি করেন। পেশায় তিনি ব্যবসায়ী। তাঁর বাবার কাছ থেকেই তিনি এই ধরনের উপকরণ তৈরির পদ্ধতি শিখেছেন বলে জানান।

    নিষ্ঠার সঙ্গে তৈরি করতে হয় (Durga Puja 2023)

    সুনীল দাসের মতে, এই উপকরণগুলি তৈরি করতে হয় নিষ্ঠার সঙ্গে। যেহেতু এগুলি পুজোতে (Durga Puja 2023) ব্যবহৃত হয়, তাই তৈরি করতে কিছু নিয়ম মানতে হয়। স্নান করে, কখনও উপোস করে বা নিরামিষ খেয়ে উপকরণগুলি তৈরি করতে বসতে হয়। কখনই অনিয়ম করে এই উপকরণগুলি তৈরি করার নিয়ম নেই বলে তিনি দাবি করেন। ২৫ বছর ধরে তিনি এই কাজের সঙ্গে যুক্ত। আলতা সিঁদুর, কৌটো সিঁদুর, পাতা সিঁদুর, অগরু, তিন রকমের তেল, মহাস্নানের জল, গোলাপ জল ,আতর, বিভিন্ন সুগন্ধি সমস্ত কিছুই একা নিজের হাতে তৈরি করতে পারেন তিনি।

    সুযোগ কর্মসংস্থানের (Durga Puja 2023)

    সুনীলবাবু বললেন, বর্তমানে এই উপকরণগুলির চাহিদা খুব। তিনি সময়মতো উপকরণগুলি তৈরি করে ফেলেন এবং সঠিক সময়ে বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিয়ে থাকেন। এছাড়াও বর্তমানে একাধিক পুজো হওয়ার ফলে তার উপকরণগুলির (Durga Puja 2023) চাহিদাও দিন দিন বেড়েই চলেছে। তাঁর তৈরি উপকরণগুলি তিনি দিয়ে থাকেন রানাঘাট, কল্যাণী, চাকদা, কাঁচরাপাড়া, কৃষ্ণনগর ইত্যাদি এলাকায়। তবে তিনি সরকারের কাছে দাবি করেছেন কিছু আর্থিক সাহায্যের, যা দিয়ে তিনি একাধিক কর্মচারী নিয়োগ করে উপকরণগুলি আরও যাতে তাড়াতাড়ি ও নিষ্ঠাভাবে তৈরি করতে পারেন। যদি তা সম্ভব হয়, তাহলে তিনি আরও বেশ কয়েকজনের সংসারের ভার একাই নিয়ে নিতে পারবেন বলে দাবি তাঁর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় মধ্যরাতে পুজো হিন্দু পক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩১ বছর বাদে পুজো পেলেন ব্যাসজি। বুধবার মধ্যরাতে কড়া নিরাপত্তায় পুজো হল বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ‘ব্যাস কা তেহখানা’য়। এদিন দুপুরেই পুজোর অনুমতি দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তার পরেই পুলিশ ও জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে মধ্য রাতে হয় পুজো।

    পুজো শুরু 

    পুজো করেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের সদস্য গণেশ্বর শাস্ত্রী দ্রাবিড়। হয় মঙ্গল আরতিও। পুজোর সময় উপস্থিত ছিলেন মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্তারা। বারাণসীর জেলাশাসক কৌশল রাজ শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। পুজোর আগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় পুজোস্থল। সরানো হয় ব্যারিকেড। তার পরেই নিয়ম মেনে হয় পুজো। পুজোর আগে রাত ১২টা নাগাদ বৈঠকে বসেন বারাণসীর জেলাশাসক ও পুলিশ কমিশনার। চলে ঘণ্টা দুয়েক ধরে। কাশী বিশ্বনাথ ধামের একটা হলে হয় এই বৈঠক। তার পরেই হয় মঙ্গল আরতি, পুজোপাঠ।

    ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় প্রবেশ

    রাত ১টা নাগাদ মসজিদের নীচে ‘ব্যাস কা তেহখানা’য় প্রবেশ (Gyanvapi Mosque) করেন হিন্দু পক্ষের মামলাকারীরা। উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পুজারি সহ মোট পাঁচজন। ওম প্রকাশ মিশ্র নামক এক পুরোহিতকে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের তরফে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে গর্ভগৃহে পুজোর। পুজোর পর তেহখানা থেকে বেরিয়ে হিন্দু পক্ষের মামলাকারী সোহন লাল আর্য ও লক্ষ্মী দেবী বলেন, “আমরা তেহখানায় অবস্থিত ব্যাসজির দর্শন করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুলিশ সেই অনুমতি দেয়নি। আশা করছি, শীঘ্রই সাধারণ হিন্দু ভক্তদেরও পুজোর অনুমতি দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘১০ বছরেই নয়া উচ্চতায় দেশের অর্থনীতি’’, বাজেট বক্তৃতায় বললেন নির্মলা

    প্রসঙ্গত, বুধবারই জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) অন্দরে সিল করা বেসমেন্ট চত্বরে হিন্দুদের পুজো করার অনুমতি দিয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। তার পরেই হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন বলেছিলেন, “আগামী সাত দিনের মধ্যে জ্ঞানবাপী মসজিদের বেসমেন্টে পুজো শুরু হবে। সব হিন্দুরাই সেখানে পুজোর অনুমতি পাবেন।” হিন্দুরা যাতে নির্বিঘ্নে এই চত্বরে পুজো করতে পারেন, সেজন্য স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করার নির্দেশও দিয়েছিল আদালত। শ্রী কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টকে জ্ঞানবাপী মসজিদের ওই অংশে পুজোর জন্য একজন পূজারির নামও সুপারিশ করতে বলা হয়েছিল। ব্যারিকেড সরানো থেকে পুজোর স্থান পরিষ্কার সহ যাবতীয় ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছিল প্রশাসনকে। সেসব করেই এদিন হয়েছে পুজো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share