Tag: Pulwama

Pulwama

  • Republic Day 2025: রচিত হল ইতিহাস, প্রথমবার প্রজাতন্ত্র দিবসে পুলওয়ামার ত্রাল, মাও-দূর্গে উড়ল তেরঙ্গা

    Republic Day 2025: রচিত হল ইতিহাস, প্রথমবার প্রজাতন্ত্র দিবসে পুলওয়ামার ত্রাল, মাও-দূর্গে উড়ল তেরঙ্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬তম সাধারণতন্ত্র দিবসে রচিত হল ইতিহাস। স্বাধীনতার পর থেকে এই প্রথমবার জাতীয় পতাকা (National Flag) উড়ল জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার ত্রালে। রবিবার সাধারণতন্ত্র দিবসে (Republic Day 2025) ত্রালের ট্রায়াল চকে উড়ল তেরঙ্গা ঝান্ডা। জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর গাওয়া হয় জাতীয় সঙ্গীত। ‘ভারত মাতা কী জয়’ ধ্বনিতে মুখরিত হয় ত্রালের আকাশ-বাতাস। সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে স্থানীয় বাসিন্দাদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অন্তত হাজার খানেক মানুষ। এর সিংহভাগই তরুণ।

    তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি (Republic Day 2025)

    বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতি ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত ভবিষ্যতের জন্য তাদের আশা-আকাঙ্খা প্রকাশ করছে। এই ত্রাল এক সময় প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসত অশান্তির কারণে। এদিন সেখানেই মেঘমুক্ত আকাশে পতপত করে উড়তে থাকে ভারতের গর্বের প্রতীক তেরঙ্গা ঝান্ডা (Republic Day 2025)। রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফের উদ্যোগে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে উদযাপিত হয় সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এদিনের অনুষ্ঠান স্থানীয় সম্প্রদায় ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও বিশ্বাসের প্রতিফলন। নয়া কাশ্মীরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ।

    পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা

    প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিনই পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ হন সিআরপিএফের ৪০ জন জওয়ান। সেনা কনভয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেই ত্রালই সাক্ষী রইল দিন বদলের। প্রথমবার জাতীয় পতাকা উড়ল ত্রালের আকাশে।

    এদিন সন্ধেয় গান্ডারবল জেলার গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিংগুলি সাজানো হয়েছিল তেরঙ্গা আলোকমালায় (Republic Day 2025)। গান্ডারবল মিনি সেক্রেটারিয়েট এবং দুদারহামা ব্রিজ জাতীয় পতাকার উজ্জ্বল রঙে রাঙানো হয়। লালচকের প্রতীকী ঘণ্টাঘরও ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে তেরঙ্গা আলোয় সাজানো হয়েছিল (National Flag)।

    কী বললেন উপমুখ্যমন্ত্রী?

    জম্মু-কাশ্মীরের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরী শ্রীনগরের বখশি স্টেডিয়ামে ৭৬তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি বলেন, “এটি আমার জন্য গর্বের বিষয়। আজ আমি জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণ এবং মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি আমায় এই বখশি স্টেডিয়ামে তেরঙ্গা উত্তোলনের সুযোগ দিয়েছেন। আমরা এই সংবিধানের অধীনে জম্মু ও কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছি। বিশেষ মর্যাদার বিষয়ে, এটি আমাদের দাবি ছিল এবং চিরকাল থাকবে।”

    তেরঙ্গা উড়ল ছত্তিশগড়েও

    এই যদি জম্মু-কাশ্মীরের ছবিটা হয়, তাহলে প্রায় একই ছবি দেখা গিয়েছে একদা মাও- অধ্যুষিত ছত্তিশগড়েও। এদিন সেখানকার বিভিন্ন জায়গায়ও উড়েছে তেরঙ্গা ঝান্ডা। বিজাপুর, সুকমা, কাঁকের এবং নারায়ণপুর জেলার ২৬টি প্রান্তিক গ্রামে উত্তোলন করা হয়েছে জাতীয় পতাকা। ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পর এই প্রথম এই সব এলাকায় উড়ল তেরঙ্গা ঝান্ডা। ওই গ্রামগুলি এক সময় মাওবাদীদের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।

    সুকমা জেলার তুমালপাড় গ্রামে, ৭৪তম ব্যাটালিয়নের সিআরপিএফের কমান্ড্যান্ট নেতৃত্বে প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করা হয়। এই গ্রামটি একসময় মাওবাদী বিদ্রোহের কেন্দ্রস্থল ছিল। মাওবাদীদের দমন করে শিবির স্থাপন করে নিরাপত্তা বাহিনী। তার পরেই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে (National Flag)।

    মাও ঘাঁটিতেই উড়ল জাতীয় পতাকা

    একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে, সুকমার গোমগুডা, দান্তেওয়াড়ার গোডামের ফুন্দারি এবং বিজাপুরের কোন্ডাপল্লি গ্রামেও (Republic Day 2025)। এক সময় এই গ্রামগুলিও মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এই জায়গায়গুলিতেও এবারই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপন করা হয়। এই গ্রামগুলিতে সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রচুর গ্রামবাসী অংশ নেন। এই সব অঞ্চলে যখন মাওবাদীদের রমরমা ছিল, তখন স্বাধীনতা দিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবস বয়কট করার কথা ঘোষণা করত মাওবাদীরা। বনপার্টির ভয়ে ভীত-সন্ত্রস্ত্র গ্রামবাসীরা পালন করতে পারতেন না এই দুই জাতীয় উৎসব। মোদি জমানায় মাও দমনে কোমর বেঁধে নামে প্রশাসন। ধীরে ধীরে কোণঠাসা হয়ে পড়ে মাওবাদীরা। সম্প্রতি ১৬ জন মাওবাদীকে নিকেশ করে নিরাপত্তাবাহিনী। তার পরেই এবার উড়ল তেরঙ্গা ঝান্ডা (Republic Day 2025)।

    মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

    এলাকার পরিবর্তনকে স্বাগত জানিয়ে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই রবিবার মাওবাদী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলিতে তেরঙ্গা উত্তোলন হওয়ায় খুশি প্রকাশ করেন। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এটি বিকাশমান ছত্তিশগড়ের নতুন বস্তার, পরিবর্তিত বস্তার।” ট্যুইট-বার্তায় তিনি আরও বলেন, “আজ প্রজাতন্ত্র দিবসের এই শুভ দিনে, স্বাধীনতার পর প্রথমবারের মতো বিজাপুর, নারায়ণপুর, সুকমা এবং কাঁকেরের ২৬টি মাওবাদী-প্রভাবিত গ্রামে তেরঙ্গা উত্তোলন করা হয়েছে। এটি এক অনন্য আনন্দ এবং আধ্যাত্মিক তৃপ্তির বিষয় (National Flag)। প্রজাতন্ত্র দিবস গর্বের সঙ্গে উদযাপিত হয়েছে (Republic Day 2025)।”

  • S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও”! উরি-পুলওয়ামা প্রসঙ্গ উল্লেখ করে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না, তা আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। যদি কেউ বা কারা ভাবে ভারতে সন্ত্রাস চালিয়ে কাঁটাতারের ওপারে পালিয়ে গিয়ে নিশ্চিন্তে থাকা যাবে তারা ভুল ভাবছে উরি, বা পুলওয়ামা (Uri and Pulwama Attacks) এর প্রমাণ, বলে দাবি বিদেশমন্ত্রীর। জয়শঙ্কর জানান, সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে।

    কড়া জবাব জয়শঙ্করের

    ভারতের মতো বিশাল দেশে নিরাপত্তা যে কতবড় চ্যালেঞ্জ সেই প্রসঙ্গ ধরেই নাম না করে ফের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। নয়া দিল্লির এক অনুষ্ঠানে জয়শঙ্কর বলেন,  “সন্ত্রাস মোকাবিলায় মোদি সরকারের আমলে যে স্টান্স নেওয়া হয়েছে, তা ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার সময় থেকে অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। উরি হামলার পর পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারত। আগে ভারত সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ সহ্য করত। ওই যুগটা পিছনে রয়েছে। ২৬/১১ মুম্বই হামলার পর থেকে আমরা কোনও বড় সন্ত্রাসবাদ হামলা দেখিনি দেশে। আজকের ভারতে যেকোনও সন্ত্রাসবাদই হোক..আমাদের জবাব বালাকোট.. উরি (হামলার পাল্টা হামলা)।’

    বোঝানোর জন্যই উরি-বালাকোট

    এদিন, কার্যত নাম না করে পাক সন্ত্রাসবাদীদের নিশানা করে জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। বিদেশমন্ত্রী বলেন, “তোমরা ওখানেও নিরাপদ নও। উরি আর বালাকোট করাই হয়েছিল বোঝানোর জন্য যে, না এভাবে জীবন কেটে যেতে পারে না,… মূল্য চোকাতে হবে। আর ভেবোনা যে তুমি কিছু করেছ বলে, আর ওই প্রান্তে পালিয়ে গিয়েছ বলে তুমি নিরাপদে রয়েছ। তুমি ওই প্রান্তেও নিরাপদ নও। তুমি সীমান্তের কাছেও নিরাপদ নও, তুমি আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করেও নিরাপদ নও। ফলে স্পষ্ট ও সরাসরি বার্তা দেওয়া হয়েছে তাদের , যাদের বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, আর তারা তা বুঝেছে।” এর ফল স্বরূপ (Uri and Pulwama Attacks) দেশে সন্ত্রাসবাদের ঘটনা কমেছে বলে দাবি জয়শঙ্করের। 

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে খুনের হুমকি-ফোন! চেন্নাইয়ে সতর্ক এনআইএ আধিকারিকরা

    নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী পদ

    এদিন  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ নিয়ে সম্ভাবনার কথাও বলেন বিদেশমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সবকিছু ইতিবাচক দিকে এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে  রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য ১৫ টি দেশ। আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া, ইউকে সহ একাধিক দেশ রয়েছে সেখানে। স্থায়ী পদ পাওয়ার লড়াইতে রয়েছে ভারতও। অচিরেই তা মিলবে বলে মনে করেন জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা! জম্মু কাশ্মীরে সন্ত্রাস দমনে সফল সেনা, পুলওয়ামায় হত ১ জঙ্গি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুশির ঈদে সকাল থেকেই গুলির লড়াই চলেছে জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu Kashmir)। এদিন ভোর রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরা এলাকায় জঙ্গিদের সঙ্গে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ শুরু হয়। কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে জানানো হয়, এখনও পর্যন্ত সংঘর্ষে এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। আরও এক জঙ্গি ওই এলাকাতেই লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর। 

    জঙ্গি দমনে সাফল্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার রাতে পুলওয়ামা জেলার ফ্রাসিপোরায় কয়েক জন  জঙ্গি লুকিয়ে থাকার খবর পায় নিরাপত্তা বাহিনী। এই খবর পেয়েই ওই এলাকা ঘিরে ফেলে সেনা।  পুরো এলাকা অবরোধ করে জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়। কিন্তু তারা গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা গুলির জবাব দেয়ে সেনা। এতে একজন জঙ্গি নিহত হয়। ওই এলাকায় আরও কয়েকজন জঙ্গি লুকিয়ে আছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে তল্লাশি অভিযান চলছে। জঙ্গিরা বড় ষড়যন্ত্র চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে খবর।

    পাক মদতের সম্ভাবনা

    স্থানীয় লোকজনকে সতর্ক করেই ওই এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। সেনা সূত্রে খবর, জঙ্গিরা সীমান্তের ওপার থেকে ভারতে প্রবেশ করেছে। তারা বড় কোনও নাশকতার ছক কষছিল। নিহত জঙ্গি কোন সংগঠনের তা এখনও জানা যায়নি। জঙ্গিদের পিছনে পাক মদত দেওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখছে সেনা।

    প্রসঙ্গত, উপত্যকা (Jammu Kashmir) থেকে ৩৭০ এবং ৩৫ এ- ধারা অপসারণের পরে পাকিস্তানের পায়ের তলা থেকে জমি সরে যায়। তাই সময় বিশেষে ভারতীয় সীমান্তে সন্ত্রাসীদের পাঠিয়ে বড় ধরনের ঘটনা ঘটাতে উদ্যত পাকিস্তান। এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্নে ভারতকে ছোট করাই লক্ষ্য পাকিস্তানের। যদিও কেন্দ্রের মোদি সরকার এ বিষয়ে সব সময় কড়া জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    Jammu And Kashmir: কাশ্মীরে সেনার গুলিতে খতম দুই জঙ্গি! উপত্যকায় হানা এনআইএ-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম দুই সন্ত্রাসবাদী। জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় এই অপারেশন চালায় সেনা। বুধবার সাত সকালেই পুলওয়ামায় বন দফতরের এক আধিকারিককে গুলি হত্যা করে জঙ্গিরা। এরপরেই পাল্টা লড়াই শুরু করে সেনা। জম্মু কাশ্মীরের পুলিশ, বিএসএফ এর একটি দল এই অপারেশন চালায় বলে জানা গিয়েছে। সেনার এই সাফল্যে বড়সড় কোনও নাশকতার ছকও বানচাল হল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    কী কী উদ্ধার হল মৃত জঙ্গিদের কাছ থেকে?

    মৃত দুই জঙ্গির পরিচয় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জানা যায়নি। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা গিয়েছে ৪টি একে-৪৭ রাইফেল, ৬টি গ্রেনেড, এবং ৯টি ম্যাগাজিন। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে আরও যুদ্ধ সরঞ্জাম। মঙ্গলবারই উপত্যকার পুঞ্চ জেলায় ৪ জন জঙ্গির আত্মসমর্পণের খবর মেলে। ঠিক তার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেল। জানা গিয়েছে অনুপ্রবেশের পরেই জঙ্গিরা হামলা চালায় পুলওয়ামা বন বিভাগের (Jammu And Kashmir) একটি চেক পোস্টে। তাদের ছোড়া গুলিতে জখম হন দুই কর্মী ইমরান ইউসুফ এবং জাহাঙ্গির আহমেদ। দুজনেই এখন সুস্থ আছেন বলে জাান গিয়েছে।

    জম্মু কাশ্মীরে (Jammu And Kashmir) চলছে এনআইএ হানা

    জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের খোঁজ চালাচ্ছে এনআইএ। সূত্রের খবর গত সপ্তাহ থেকেই এই অভিযান চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গত সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার সোপিয়ান, অবন্তীপোরা ও পুলওয়ামায় জেলায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। ইতিমধ্যে বেশকিছু জঙ্গি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে। একনজরে সেগুলি দেখে নেব।

    ১) দ্য রেসিস্ট্যান্ট ফ্রন্ট

    ২) ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট জম্মু ও কাশ্মীর

    ৩) মুজাহিদিন গজবা-উল-হিন্দ

    ৪) জম্মু ও কাশ্মীর ফ্রিডম ফাইটার্স

    ৫) কাশ্মীর টাইগার্স

    এনআইএ সূত্রে খবর, এই সংগঠনগুলিকে সাহায্য করছে পাকিস্তানের মদতপুষ্ট নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ হিজাবুল মুজাহিদিন, আল-বদর ও আল-কায়েদা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    J&K Encounter: পুলওয়ামায় সেনার হাতে নিহত লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাতভর সংঘর্ষ চলার পর শেষ পর্যন্ত দুই জঙ্গিকে নিকেশ করল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Force)। জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে (Encounter) সাফল্য পেল ভারতীয় সেনা। রবিবার রাত থেকেই সেনা-জঙ্গির গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল উপত্যকা। রাতভর সেই সংঘর্ষ চলে। সোমবার সকালে সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, লড়াই সফল। ২ জঙ্গি নিহত। সেই সঙ্গে পুলওয়ামাও আপাতত নিরাপদ হাতেই রয়েছে। 

    রাতভর লড়াই

    রবিবারই কাশ্মীর (J&K Encounter) জোন পুলিশের তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়, পুলওয়ামা জেলার ল্যারো-পারিগাম এলাকায় এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। গোপন সূত্রে আগেই খবর মিলেছিল, পুলওয়ামার পারিগাম গ্রামে লুকিয়ে রয়েছে কয়েকজন জঙ্গি। তাদের ধরতেই অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশ। জঙ্গিদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, তারা তা শোনেনি। উল্টে নিরাপত্তা বাহিনীর উপরে গুলি চালায় জঙ্গিরা। এরপরই এনকাউন্টার শুরু হয়। এখনও পর্যন্ত এই দুই নিহত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি, তবে অনুমান করা হচ্ছে নিহত ২ জঙ্গির একজন লস্কর-ই-তৈবার সদস্য। সম্ভবত, ওই জঙ্গি সংগঠনের শীর্ষ কমান্ডার পদে ছিল দুজনের কোনও একজন। ওই দুই জঙ্গির দেহ উদ্ধার করলে বিশদে জানা যাবে বলে অনুমান সেনাবাহিনীর।

    আরও পড়ুন: বালুরঘাটে বৈঠক করেই লোকসভার রণকৌশল স্থির করলেন সুকান্ত মজুমদার

    কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের যে চেষ্টা চলছে তা ২ সপ্তাহ আগেই জেনেছিল সেনাবাহিনী। কাশ্মীর জোনের পুলিশ জানিয়েছেন, পুলওয়ামাতে যে নতুন করে ঘাঁটি গাড়ার চেষ্টা করছে জঙ্গি বাহিনী সেই খবর আগে থেকেই ছিল। সেই পরিকল্পনা মাফিক রবিবার গভীর রাতে অভিযান চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় বড় রকমের জঙ্গি হানা ঘটেছিল। শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় সড়ক দিয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি গাড়ি যাওয়ার সময়ে আত্মঘাতী হামলা হয়। ওই জঙ্গি হানায় সিআরপিএফের চল্লিশ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Army Encounter: কাশ্মীরি পণ্ডিত-হত্যার দুদিন পরেই সেনার পাল্টা! পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে খতম জঙ্গি

    Army Encounter: কাশ্মীরি পণ্ডিত-হত্যার দুদিন পরেই সেনার পাল্টা! পুলওয়ামায় এনকাউন্টারে খতম জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত কাশ্মীর উপত্যকা (Kashmir)। ফিরেছে সন্ত্রাসবাদের কালো ছায়া। পুলওয়ামায় কয়েকদিন আগেই বাজার যাওয়ার পথে জঙ্গিদের হাতে খুন হয়েছেন একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। এই ঘটনার পর থেকেই ভয়ের পরিবেশ ছড়িয়েছে উপত্যকায়। এবার জবাব দিল ভারতীয় সেনা। এনকাউন্টারে (Army Encounter) সুরক্ষা বাহিনী খতম করেছে এক জঙ্গিকে।

    কী জানিয়েছে পুলিশ?  

    পুলওয়ামায় সন্ত্রাসীদের হাতে একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার পর, মঙ্গলবার ভোরে আওয়ান্তিপোরা এলাকায় একটি এনকাউন্টার (Army Encounter) চলাকালীন নিরাপত্তা বাহিনী একজন জঙ্গিকে খতম করেছে। কাশ্মীর জোন পুলিশ ট্যুইটে জানিয়েছে, “পুলওয়ামা জেলার পদগামপোরা আওয়ান্তিপোরাতে এনকাউন্টার শুরু হয়েছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। আরও বিস্তারিত জানা যাবে।” জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ আরও জানিয়েছে, “এনকাউন্টারে একজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তার মৃতদেহ এখনও উদ্ধার করা হয়নি।”এনকাউন্টার এখনও চলছে বলে জানানো হয়েছে।

    জানা গিয়েছে, সোমবার গভীর রাতে জঙ্গিদের খোঁজে পুলওয়ামা জেলার পাদাগামপোরা অবন্তীপোরা এলাকায় সেনা ও পুলিশের যৌথবাহিনী অভিযান (Army Encounter) করে। তারপর সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গুলির লড়াই শুরু হয়। এরপর এদিন ভোররাতে এনকাউন্টারে এক জঙ্গির মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সাত সকালে ভবানীপুরে হানা ইডি-র! চলছে জোর তল্লাশি, জানেন কেন?

    উল্লেখ্য, কিছু দিন আগেই পুলওয়ামা জেলাতেই একটি পুরোনো ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারের (Army Encounter) ৪০ বছরের এক নিরাপত্তারক্ষী্কে গুলি করে হত্যা করে জঙ্গিরা। তিনি ছিলেন একজন কাশ্মীরি পণ্ডিত। চলতি বছরে এটাই কাশ্মীরের সংখ্যালঘুদের উপর প্রথম হামলার ঘটনা। এরপরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উপত্যকা। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবিতে সরব হয় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের সংগঠন, কাশ্মীরি পণ্ডিত সংঘর্ষ সমিতি, তথা সাধারণ মানুষ। সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হামলার প্রতিবাদে পদক্ষেপেরও দাবি জানায় কেপিএসএস। তারপরই পুলওয়ামায় যৌথ বাহিনীর গুলিতে আজ খতম এক জঙ্গি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    Jammu Kashmir: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ, টার্গেট কিলিংয়ের বলি আরও এক হিন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) ফের টার্গেট কিলিংয়ের শিকার এক হিন্দু (Hindu)। রবিবার সকালে বাজার যাওয়ার পথে খুন করা হয়েছে ওই সংখ্যালঘু হিন্দুকে। মৃতের নাম সঞ্জয় শর্মা। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক। পুলিশ জানিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সঞ্জয় শর্মা নামের এক কাশ্মীরি হিন্দুর। তিনি আচানের বাসিন্দা। এদিন সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাজারে যাচ্ছিলেন তিনি। আচমকাই কয়েকজন সন্ত্রাসবাদী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সঞ্জয় মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে।

    টার্গেট কিলিং…

    সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। সঞ্জয় একটি ব্যাঙ্কে নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কাজ করতেন। একটি ট্যুইট-বার্তায় ঘটনার কথা নিশ্চিত করেছে কাশ্মীর (Jammu Kashmir) জোন পুলিশ। ট্যুইট-বার্তায় লেখা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদীরা স্থানীয় বাজারে যাওয়ার সময় আচান পুলওয়ামার সঞ্জয় শর্মা নামে এক সংখ্যালঘু সাধারণ নাগরিকের ওপর গুলি চালায়। ঘটনার পরে পরেই গ্রামে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত চার মাসের মধ্যে এটিই প্রথম কোনও হিন্দুর ওপর সন্ত্রাসবাদীদের হামলা। জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে নিরাপত্তারক্ষীরা। গত দু দিনের মধ্যে সঞ্জয়ই জঙ্গিদের প্রথম বলি।

    আরও পড়ুুন: ভুয়ো কলেজ, জাল ডিগ্রি, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে তাজ্জব ইডি

    গত বছর কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) পর পর বেশ কয়কটি টার্গেট কিলিংয়ের ঘটনা ঘটে। এঁদের মধ্যে বেশিরভাগই হয় পরিযায়ী শ্রমিক নয় কাশ্মীরি পণ্ডিত। গত বছর কাশ্মীরেরই কুলগামের গোপালপাড়ায় সন্ত্রাসবাদীদের গুলিতে খুন হন রজনী বালা নামে এক স্কুল শিক্ষিকা। তিনি জম্মুর সাম্বার বাসিন্দা ছিলেন। বছর ছত্রিশের ওই মহিলাও হয়েছিলেন টার্গেট কিলিংয়ের শিকার।

    এর আগে কাশ্মীরের বদগামে রাহুল ভাট নামের এক সরকারি কর্মী খুন হন। তেহসিল দফতরে ঢুকে জঙ্গিরা তাঁকে খুন করে বলে অভিযোগ। তারও সপ্তাহখানেক আগে বদগামে খুন হন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার আমরিন ভাট। গুলিতে জখম হয়েছিল তাঁর বছর দশেকের ভাইপো। সেই হামলার পিছনে জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার হাত ছিল বলে দাবি করেছিল পুলিশ। গত বছর মে মাসে জঙ্গি হামলায় কাশ্মীরে মৃত্যু হয়েছে সাতজনের। তার মধ্যে আবার চারজন পুলিশ কর্মী। বাকি চারজন সাধারণ নাগরিক। একের পর এক হিন্দু টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হওয়ায় উপত্যকায় ছড়িয়েছে আতঙ্ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের ‘বুলডোজার থিয়োরি’র প্রয়োগ এবার কাশ্মীরেও (Kashmir)! সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি বানিয়েছিল কুখ্যাত এক জঙ্গি (Terrorist)। সে জইশ কমান্ডার (Jaish Commander)। নাম আশিক নেঙ্গরু। পুলওয়ামা জেলার রাজপোরা এলাকায় নিউ কলোনিতে আস্ত একটা দ্বিতল বাড়ি বানিয়েছিল সে। শনিবার বুলডোজার চালিয়ে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদীর তালিকায়…

    কেন্দ্রের সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় নাম রয়েছে কাশ্মীরের বাসিন্দা আশিকের। একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আশিক নেঙ্গরুর হাত রয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এহেন আশিকের একটি দোতলা বাড়ি ছিল নিউ কলোনিতে। বাড়িটি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে সরকারি জমির ওপর। এদিন বাড়িটি ভেঙে দেয় প্রশাসন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আশিক (Jaish Commander) জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। এলাকায় নানা সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও জড়িত সে। কাশ্মীরে সে একটি সন্ত্রাস সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে ব্যাপক প্রচারও চালাচ্ছে। পাকিস্তানে বসেই এসব করছে সে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঁয়ত্রিশের এই কুখ্যাত জঙ্গি কোনওভাবে সপরিবারে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখান থেকেই সন্ত্রাস সংগঠিত করছে।

    আরও পড়ুন: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিধানসভা। পরিণত করা হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উপত্যকা থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পরেই সন্ত্রাস দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। জঙ্গিদমনের অংশ হিসেবেই সেপ্টেম্বর ও চলতি ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে উপত্যকায় ক্রমেই ফিরছে কাঙ্খিত শান্তি। আগামী বছর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারে কেন্দ্র। সেজন্য চলছে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ। এমতাবস্থায় নিউ কলোনিতে খোঁজ মেলে আশিকের বাড়ির। জানতে পারে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে সরকারি জমি দখল করে। তার পরেই বাড়িটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গিযোগের অভিযোগে মাঝেমধ্যেই প্যালেস্টাইনে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকারও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বুলডোজার চালিয়ে। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Kashmir Cinema Halls Re-open: ঐতিহাসিক! দীর্ঘ ৩০ বছর পর কাশ্মীরে খুলল সিনেমা হল

    Kashmir Cinema Halls Re-open: ঐতিহাসিক! দীর্ঘ ৩০ বছর পর কাশ্মীরে খুলল সিনেমা হল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা হটানোর পর থেকে জম্মু কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার (Modi Government)। তারই একটি অঙ্গ হিসেবে প্রায় তিন দশক পরে সিনেমা হল খোলা হল কাশ্মীরে (Kashmir)। রবিবার জন্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গর্ভনর মনোজ সিনহা (Lieutenant Governor Manoj Sinha) দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা (Pulwama) ও শোপিয়ানে (Shopian) দুটি মাল্টিপারপোজ সিনেমা হলের উদ্বোধন করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শীঘ্রই জম্মু ও কাশ্মীরের প্রতিটি জেলায় এই ধরনের সিনেমা হল তৈরি করব। আজ আমি পুলওয়ামা এবং শোপিয়ানের যুবকদের এই ধরনের সিনেমা হল উৎসর্গ করছি। এখানে চলচ্চিত্র দেখানো ছাড়াও তথ্যপ্রযুক্তির বিষয়ে যুবকদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    লেফটেন্যান্ট গর্ভনর আরও জানান, চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী সৃজনশীল মাধ্যম যার দ্বারা ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে সহজেই মেলবন্ধন ঘটানো যায়। নতুন ফিল্ম নীতির ফলে জন্মু কাশ্মীর আবারও ফিল্ম ইন্ড্রাস্ট্রির কাছে প্রিয় শ্যুটিংস্পটে পরিণত হচ্ছে। আটের দশকের শেষ দিকেও কাশ্মীরে ডজনখানেক সিনেমা হল ছিল। কিন্তু নয়ের দশকের পর থেকেই সিনেমা হল বন্ধ হতে শুরু করে। সন্ত্রাসের কার্যকলাপ উত্তরোত্তর বাড়তে থাকায় নতুন করে পুনরায় সিনেমা হল খোলা আর সম্ভব হয়নি। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, মঙ্গলবার এই হল দুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে। প্রথম সিনেমা হিসেবে আমির খান অভিনীত ‘লাল সিং চাড্ডা’ দেখানো হবে। দীর্ঘদিন পর আবারও কাশ্মীরের মানুষ সিনেমা দেখার সুযোগ পাবেন। 

    আরও পড়ুন: আজাদকে প্রাণনাশের হুমকি জঙ্গিগোষ্ঠীর, ‘রাজনৈতিক গিরগিটি’ বলে কটাক্ষ

    অপরদিকে, রবিবারই জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় ১২০ ফিট লম্বা জাতীয় পতাকা (National Flag) দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করে বলেন, ভারতের পতাকা (তেরঙা) (Tricolor) আমাদের সম্মান, আবেগ ও গর্বের প্রতীক। তেরঙা আমাদের পূর্বপুরুষদের স্বপ্ন এবং আমাদের তরুণদের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এই অনুষ্ঠান উপলক্ষে যুবকদের কর্মসংস্থান ভিত্তিক মোট ৯.১১ কোটির বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তিনি জানান, সরকার মুমকিন প্রকল্পের মাধ্যমে ৪,৪৮২ যুবক-যুবতীর ব্যবসার জন্য কর্মাসিয়াল ভেহিকল দিয়েছে। এর পাশাপাশি, তেজস্বিনী প্রকল্পের মাধ্যমে ৫০ হাজার যুবক-যুবতী সফল ব্যবসায়ী হিসেবে সমাজে উঠে এসেছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও পারভেজ, রাইজ টুগেদার, সুপার ৭৫ এর মতো বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচীর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ যুবকযুবতী স্বনির্ভর হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তিনি যুব সমাজকে কাশ্মীরের ভবিষ্যতের দিশা নির্ধারণের অংশীদার হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    Jammu Kashmir: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে (Grenade Attack) প্রাণ হারালেন এক পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Worker)। ওই হামলায় গুরুতর জখমও হয়েছেন দুজন। কাশ্মীরের (Kashmir) পুলওয়ামার ওই জঙ্গি হামলার ঘটনায় চাঞ্চল্য উপত্যকায়। জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir) পুলিশ জানিয়েছে, পুলওয়ামার গদুরা এলাকায়, যেখানে ছিলেন ওই শ্রমিকরা, তার বাইরে গ্রেনেড ছোড়ে জঙ্গিরা। বিস্ফোরণের অভিঘাতে মৃত্যু হয়েছে মহম্মদ মুমতাজ নামে এক পরিযায়ী শ্রমিকের। জঙ্গিদের খোঁজে এলাকায় শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    জানা গিয়েছে, বিহারের শাকওয়া পারসা এলাকার এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারের ছেলে মুমতাজ। রোজগারের আশায় এসেছিলেন কাশ্মীরে। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেড হামলায় মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় জখম হয়েছেন বিহারেরই দুজন। পুলিশ জানিয়েছে, এঁরা হলেন মহম্মদ আরিফ ও তাঁর ছেলে মহম্মদ মকবুল। বিহারের রামপুরের এই দুই বাসিন্দাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। ঘটনার নেপথ্যে লস্কর-ই-তৈইবার ছায়া সংগঠন দ্য রেসিসটেন্স ফ্রন্টের হাত দেখছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীর থেকে কাউকে বিতাড়িত হতে দেব না, আশ্বাস রাজনাথের

    ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, পুলওয়ামায় কাপুরুষোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই দুঃখের সময় মহম্মদ মুমতাজের পরিবারকে সান্ত্বনা জানাই। আহতরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন। ঘটনার নেপথ্যে যারা, তারা শাস্তি পাবেই। আজ, ৫ অগাস্ট। তিন বছর আগে এই দিনেই জম্মু-কাশ্মীর থেকে রদ হয়েছিল ৩৭০ ধারা। তার ঠিক আগের দিন পরিকল্পিতভাবেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অনুমান পুলিশের। উপত্যকা জুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও জঙ্গিরা উপত্যকায় বিচ্ছিন্নভাবে অশান্তি পাকিয়ে গিয়েছে। এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে জঙ্গিদের গুলিতে জখম হয়েছিলেন চারজন পরিযায়ী শ্রমিক। এপ্রিলেরই চার তারিখে পুলওয়ামায়াতেই জঙ্গিরা তিনটি হামলার ঘটনা ঘটিয়েছিল। সেই হামলায় প্রাণ হারান একজন সিআরপিএফ জওয়ান। ওই ঘটনায় জখম হয়েছিলেন চারজন। যাঁদের মধ্যে বিহারের দুই পরিযায়ী শ্রমিক ও এক কাশ্মীর পণ্ডিতও ছিলেন। এপ্রিলেরই পাঁচ তারিখে জঙ্গিরা সিআরপিএফের দুই জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে শ্রীনগরের প্রাণকেন্দ্র মইসুমা চক এলাকায়। চলতি বছরেরই ১৯ মার্চ পুলওয়ামায় জঙ্গিদের গুলিতে জখম হন এক পরিযায়ী কাঠের মিস্ত্রি।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

LinkedIn
Share