Tag: pune

pune

  • Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    Divyanshi Singh: দেশের সামরিক ইতিহাসে নজির দিব্যাংশীর! এনডিএ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বায়ুসেনায় যোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের সামরিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন ফ্লাইট ক্যাডেট দিব্যাংশী সিং (Divyanshi Singh)। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমি (NDA) থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা ক্যাডেট হিসেবে ভারতীয় বায়ুসেনার গ্রাউন্ড ডিউটি শাখায় কমিশন লাভ করলেন। হায়দ্রাবাদের ডুন্ডিগালে অবস্থিত এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে (এএফএ) অনুষ্ঠিত ২১৭তম কোর্সের কম্বাইন্ড গ্র্যাজুয়েশন প্যারেডে দিব্যাংশীর হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেওয়া হয়। তাঁর সঙ্গে আরও ২৩১ জন ফ্লাইট ক্যাডেট কমিশন পান, যাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৯৪ জন পুরুষ এবং ৩৬ জন মহিলা ক্যাডেট।

    এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসার

    বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই ব্যাচেই ছিলেন এনডিএ-তে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রথম মহিলা অফিসারদের দল। ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের পর ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো মহিলাদের জন্য এনডিএ-র দরজা খুলে দেওয়া হয়। সেই প্রথম ব্যাচের অন্যতম সদস্য ছিলেন দিব্যাংশী সিং। পুনের খড়গওয়াসলায় অবস্থিত ত্রি-সেনা প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এনডিএ-তে তিন বছরের কঠোর সামরিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার পর তিনি বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য ডুন্ডিগালের এয়ার ফোর্স অ্যাকাডেমিতে যোগ দেন। এনডিএ-তে প্রশিক্ষণকালীন সময়েই দিব্যাংশী ‘ক্যাডেট কোয়ার্টার মাস্টার সার্জেন্ট’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করেন। সামরিক শৃঙ্খলা, শারীরিক সক্ষমতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের মতো বিষয়গুলিতে তিনি পুরুষ সহপাঠীদের সমানভাবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।

    নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

    ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এনডিএ-র প্রথম মহিলা ক্যাডেট ব্যাচ প্রশিক্ষণ সম্পূর্ণ করে। এরপর তাঁরা নিজ নিজ বাহিনীর বিশেষ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেন এবং চূড়ান্ত প্রশিক্ষণ শেষে কমিশন লাভ করেন। এদিনের প্যারেড পরিদর্শন করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি স্নাতক ক্যাডেটদের হাতে প্রেসিডেন্টস কমিশন তুলে দেন। দিব্যাংশী সিংয়ের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নারীশক্তির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার এক শক্তিশালী প্রতীক। তাঁর এই কৃতিত্ব দেশের অসংখ্য তরুণীকে ইউনিফর্ম পরে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগের স্বপ্ন দেখতে অনুপ্রাণিত করবে।

  • NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    NEET Paper Leak: নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় তদন্তের কেন্দ্রে এনটিএর প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের নিট-ইউজি প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় আরও একজনকে গ্রেফতারের পর এবার তদন্তের কেন্দ্রে জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা (NTA)-র প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী প্যানেল। সিবিআইয়ের এক আধিকারিক (CBI Probe) সংবাদ মাধ্যমে জানান (NEET Paper Leak), প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী পুরো কমিটি এবং এনটিএর শীর্ষ আধিকারিকদের তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকজন গ্রেফতার হতে পারেন। প্রসঙ্গত, শনিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে পুণের উদ্ভিদবিদ্যার শিক্ষিকা মণীষা গুরুনাথ মান্ধারেকে। অভিযোগ, মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষার কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রশ্ন ফাঁস করেছিলেন তিনি।

    প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের জাল (NEET Paper Leak)

    মণীষা ছিলেন এনটিএর নিযুক্ত বিশেষজ্ঞ। কাজ করতেন প্রশ্নপত্র প্রস্তুতকারী কমিটিতে। তদন্তকারীদের মতে, এর ফলে তিনি বোটানি ও জুলজি বিভাগের গোপনে রাখা প্রশ্নপত্র দেখার অধিকার পান। এর একদিন আগেই তদন্তকারী সংস্থা অবসরপ্রাপ্ত রসায়নের অধ্যাপক পিভি কুলকার্নিকে গ্রেফতার করে। তাঁকে তদন্তকারীরা এই কেলেঙ্কারির ‘মূল চক্রী’ বলে উল্লেখ করেন। অন্য এক আধিকারিক বলেন, “প্রশ্নফাঁসের তদন্তে এই প্রথম আমরা এনটিএর ভেতর থেকেই ফাঁসের উৎস খুঁজে পেয়েছি। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে মেসেজিং গ্রুপে পিডিএফ আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত পরীক্ষার্থী এর সুবিধা পেয়ে থাকতে পারে। আমরা তাদের সবাইকে চিহ্নিত করব। তবে প্রথমে আমরা প্রশ্নফাঁসের উৎস ও তাদের সহযোগীদের খুঁজছি (NEET Paper Leak)।”

    বিশেষ কোচিং ক্লাস করিয়েছিলেন মান্ধারে!

    সিবিআইয়ের মতে, এপ্রিল মাসে মান্ধারে তাঁর পুণের বাড়িতে কিছু নির্বাচিত ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে বিশেষ কোচিং ক্লাস করাচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বোটানি ও জুলজির প্রশ্ন বলে দিতেন, যেগুলির অনেকটাই পরে ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষায় এসেছিল (CBI Probe)।তদন্তকারীরা জানান, ছাত্রছাত্রীদের তাঁর কাছে নিয়ে আসতেন সহ-অভিযুক্ত মণীষা ওয়াঘমারে। তিনি পুণের একটি বিউটি পার্লারের মালিক। এই সপ্তাহের শুরুতেই গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা জানিয়েছে, “ক্লাস চলাকালীন মান্ধারে বোটানি ও জুলজির বিভিন্ন প্রশ্ন ব্যাখ্যা করতেন। ছাত্রছাত্রীদের সেগুলি খাতায় লিখে রাখতে ও বইয়ে চিহ্নিত করে রাখতে বলতেন। এই প্রশ্নগুলির অধিকাংশই নিট-ইউজি ২০২৬ পরীক্ষার আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলে যায় (NEET Paper Leak)।”

    প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট!

    আধিকারিকরা জানান, তদন্তে এনটিএর ভেতর থেকে বের হওয়া প্রশ্নফাঁসের দু’টি আলাদা সেটের সন্ধান মিলেছে—একটি হাতে লেখা, অন্যটি টাইপ করা। তদন্তকারীদের দাবি, কুলকার্নি রসায়নের প্রশ্নপত্র ফাঁস করেছিলেন, আর মান্ধারে করেছিলেন জীববিজ্ঞানের অংশ। অভিযোগ, কুলকার্নিও তাঁর পুণের বাড়িতে বিশেষ ক্লাস নিতেন। সেখানে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন, বিকল্প উত্তর এবং সঠিক উত্তর লিখে নিতেন, যেগুলি পরে আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ‘হুবহু মিলে যায়’। শনিবার সিবিআই কুলকার্নি ও ওয়াঘমারেকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ বিশেষ আদালতে হাজির করে, আবেদন জানায় ১৪ দিনের হেফাজতের। সংস্থা তাঁদের ‘সংগঠিত প্রশ্নফাঁস চক্রের সদস্য’ বলে দাবি করে। আদালত দু’জনকে ১০ দিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠায়। সিবিআই আদালতে জানিয়েছে, অভিযুক্তরা ৩ মে-র পরীক্ষার পর প্রমাণ লোপাট করতে প্রশ্নপত্র নষ্ট করে দেয়। তদন্তকারীরা এও খতিয়ে দেখছেন, কুলকার্নি ও মান্ধারের আগেও কেউ কোনও প্রশ্নপত্রফাঁসকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না।

    মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে ছড়িয়েছিল প্রশ্ন

    তদন্তে জানা গিয়েছে, কীভাবে মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। তদন্তকারীদের মতে, ৫০০-৬০০টি প্রশ্ন সম্বলিত একটি পিডিএফ টেলিগ্রাম গ্রুপে ছড়িয়ে পড়েছিল। নাসিকের শুভম খৈরনার এই প্রশ্নপত্র পৌঁছে দেন গুরগাঁওয়ের যশ যাদবের কাছে। যশ সেটি জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল ওরফে মাঙ্গিলাল খাটিকের কাছে ১০ লাখ টাকায় বিক্রি করেন। তিনি দাবি করেছিলেন, প্রায় ১৫০টি প্রশ্ন ফাইনাল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে মিলবে (NEET Paper Leak)। গত ২৪ ঘণ্টায় ছ’টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি, মোবাইল ফোন এবং মামলার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

    ৫ রাজ্য থেকে গ্রেফতার

    এখন পর্যন্ত পাঁচটি রাজ্য থেকে সব মিলিয়ে মোট ন’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন পুণের মান্ধারে, কুলকার্নি ও ওয়াঘমারে, আহিল্যানগরের ধনঞ্জয় লোকহান্ডা,  নাসিকের খৈরনার, জয়পুরের মাঙ্গিলাল বিওয়াল, বিকাশ বিওয়াল ও দীনেশ বিওয়াল, এবং গুরগাঁওয়ের যশ। সিবিআই জানিয়েছে, “এই মামলায় পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ এবং পেশাদার তদন্তে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” প্রতি বছর ২২ লাখেরও বেশি ছাত্রছাত্রী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির (CBI Probe) প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট-ইউজি দেন। প্রশ্নফাঁসের পর ৩ মে-র পরীক্ষা বাতিল করা হয়। ২১ জুন ফের (NEET Paper Leak) পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেছে সরকার।

     

  • Bridge Collapsed: খরস্রোতা নদীতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সেতু, জলের তোড়ে ভেসে গেলেন পর্যটকরা

    Bridge Collapsed: খরস্রোতা নদীতে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল সেতু, জলের তোড়ে ভেসে গেলেন পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খরস্রোতা নদীর ওপর হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পায়ে চলার সেতু (Bridge Collapsed)। রবিবার দুপুরের ওই ঘটনায় সেতু থেকে ইন্দ্রায়ণী নদীতে পড়ে যান প্রায় ২০ জন। পুলিশ সূত্রে খবর, ৬ পর্যটকের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এখনও খোঁজ মেলেনি ১০-১৫ জনের। তাঁরা জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছেন বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। মহারাষ্ট্রের পুণের (Pune) ঘটনা।

    ভাঙল খরস্রোতা ইন্দ্রায়ণী নদীর ব্রিজ (Bridge Collapsed)

    পুণের পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় থানা এলাকার কুন্দমালা গ্রামের সৌন্দর্য চোখ জুড়ানো। এখান দিয়েই কুলু কুলু শব্দে বয়ে চলেছে খরস্রোতা ইন্দ্রায়ণী নদী। এই নদীর ওপর পায়ে চলার পুরানো সেতুটি পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা। বিভিন্ন ছুটিছাটায় এবং সপ্তাহ শেষের ছুটিতে পর্যটকরা ভিড় করেন নদীর ধারে এবং সেতুর ওপর। এদিনও বেশ কয়েকজন দাঁড়িয়েছিলেন সেতুতে। নদীর পাড়েও ঘোরাঘুরি করছিলেন অনেকে। দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে সেতু। সেতু ভেঙে যাঁরা তলিয়ে গিয়েছেন, তাঁদের সিংহভাগই পর্যটক বলেই আশঙ্কা। স্থানীয় সূত্রের খবর, সেতুর নীচে আটকে রয়েছেন দুই মহিলা। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে গিয়েছে স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীদের একটি দল। পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর একটি দলও। নদীতে তলিয়ে যাওয়া পর্যটকদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

    জরাজীর্ণ সেতু

    এই সেতুটি দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। অনেক আগেই এই সেতুর ওপর দিয়ে বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। তবে বর্ষকালে নদীর জল বাড়লে বাড়ে সৌন্দর্যও। ইন্দ্রায়ণীর সেই সৌন্দর্য দেখতেই সেতুতে ভিড় করেন পর্যটকরা। অনুমান, জলের তোড়েই ভেঙে গিয়েছে জীর্ণ সেতুটি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, ৬ জনকে নদী থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে জারি রয়েছে তল্লাশি (Bridge Collapsed)।

    স্থানীয় সূত্রে খবর, গত দুদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল ওই এলাকায়। এদিন বৃষ্টি খানিক ধরতেই পর্যটকরা চলে যান সেতুর ওপরে। সেতুটি যে জীর্ণ, সেখানে না যাওয়াই ভালো বলে পর্যটকদের সতর্ক করেছিলেন (Pune) স্থানীয়দের অনেকেই। তার পরেও সেতুতে ওঠেন তাঁরা। খানিক পরেই ঘটে বিপত্তি (Bridge Collapsed)।

  • Pune: প্রখর গ্রীষ্মে পুনের আদিবাসী গ্রামে আজও নেই ফ্যান, মিশন উর্জার আওতায় সৌর পাখা চালুর পরিকল্পনা

    Pune: প্রখর গ্রীষ্মে পুনের আদিবাসী গ্রামে আজও নেই ফ্যান, মিশন উর্জার আওতায় সৌর পাখা চালুর পরিকল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশায় মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তানভীর ইনাম্দার। ২৮ বছর বয়সি এই ইঞ্জিনিয়ার ২০২০ সালে পৌঁছে যান পুনের (Pune) ভালানি নামের গ্রামে। এই গ্রাম একেবারে আদিবাসী সম্প্রদায় অধ্যুষিত। সেখানেই তিনি একটি প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যান মিশন উর্জার আওতায়। গ্রামবাসীদেরকে বলেন, আমি তোমাদের গ্রামে বিদ্যুৎ আনতে চাই। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যে স্বাধীনতার এতদিন পরেও পুনে শহরের কেন্দ্র থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে তখনও পৌঁছায়নি বিদ্যুতের আলো। এই গ্রামটি সভ্যতার আলো থেকে অনেকটাই দূরে ছিল। ছিল না কোনও সুযোগ সুবিধা। আদিবাসী সমাজ সমস্ত কিছু আশা ছেড়ে দিয়েছিল যে তাদের ক্ষেত্রে হয়তো এভাবেই আগামী দিনগুলো কাটতে হবে। কিন্তু মিশন উর্জাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছান ওই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। সেটা ছিল মে মাস। মহারাষ্ট্রে চলছিল তাপপ্রবাহ। ওই গ্রামের বাড়িগুলি কাঠ এবং কাদা দিয়ে নির্মাণ করা হয়। বাড়িগুলোতে গ্রীষ্মের তাপ ব্যাপক পরিমাণে প্রবেশ করে। ঘরের ভিতরে যত মানুষের ভিড় বাড়ে তত বেশি গরম বাড়ে। ঘাম তত তীব্র হয়। মিশন উর্জার বাস্তবায়ন করতে গিয়ে তানভীর এবং তার দল অস্বস্তিতে পড়ে যায়। তানভীর আদিবাসী পরিবারগুলোকে জিজ্ঞেস করেন যে একটু পাখা করে সাহায্য করবে কিনা। তখন আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষজন এদিক ওদিক তাকাতে থাকেন এবং তাঁরা বলতে থাকেন পাখা (Tribal Villages) আবার কি!

    গ্রামের যুবক অক্ষয়ের স্বপ্ন সে তার মাকে পাখা কিনে দেবে (Pune)

    এরপরেই তাঁরা চলে যান স্থানীয় অক্ষয় যাদবের বাড়িতে। অক্ষয়ের বয়স কুড়ির কোঠায়। কিন্তু তার চোখে মুখে হতাশার ছাপ স্পষ্ট। খুব একটা ভালো নেই তার মায়েরও অবস্থা। ঘরে গ্যাস নেই। স্বাভাবিকভাবে উনোনের সাহায্যে রান্না করতে হয়। ইট এবং মাটি দিয়ে তৈরি উনুন। রান্না হয় ঘুঁটে দিয়ে। অক্ষয়ের মা এভাবেই প্রতিদিন ৬ ঘণ্টা ধরে রান্না করেন। প্রতিদিন রান্নার সময় ঘর ধোঁয়ায় ভরে যায়। বায়ু দূষণ হয়। এর ফলে ফুসফুসে নানা রোগও দেখা যায়। বাড়িতে পাখা না থাকা সত্ত্বেও সেই ধোঁয়া বের হওয়ার কোন রাস্তাও নেই। অক্ষয়ের মনে সংকল্প রয়েছে যে সে তার মাকে একদিন পাখা কিনে দিতে পারবে। আদিবাসী সমাজের মানুষগুলো (Pune) এই গ্রামে এভাবেই থাকেন।

    গ্রামের পরিবারগুলির আয় ১৮০০ টাকা

    ওই গ্রামে গিয়ে তানভীর জানতে পারেন যে এই গ্রীষ্মের কারণে যে পাখা (Pune) তিনি চেয়েছেন তা এখানকার মানুষজনের আর্থিক সামর্থ্যের একেবারে বাইরে। এই গ্রামের পরিবারের মানুষজনের মাসে আয় মাত্র ১,৮০০ টাকা। একথা সত্যিই ভাবা যায় না ২০২৫ সালে এসে পরিবারের আয় ১,৮০০ টাকা। তবে আদিবাসী পরিবারগুলো বলছেন, এতেই তাদের জীবিকা নির্বাহ চলে যায়। এই গ্রামের মানুষ গ্রীষ্মের হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির বাইরে বাড়ির বাইরে বসে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। কিন্তু সেখানেও অনেক সমস্যা। কারণ গ্রামটিতে বিছে, সাপ, পোকামাকড় অনেক কিছুই ভর্তি। এভাবেই গ্রামের একজন মানুষ সোনু যাদব জানিয়েছিলেন যে তার প্রতিবেশীকে একবার একটি সাপে কামড়ে ছিল। যার ফলে পুরো গ্রাম নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল। তাপপ্রবাহের কারণে পুনের পারদ চড়তেই থাকে। মে মাসে যেন রাস্তায় বের হওয়া যায় না। এমন আবহাওয়াতে স্বস্তির প্রয়োজন। তাই ওই গ্রাম বর্তমানে অপেক্ষা করছে সৌর পাখার জন্য।

    ৫ বছরে অনেকটাই উন্নতি করেছে এই গ্রাম

    নগর জীবনের আধুনিকতা থেকে অনেক দূরে থাকা এই মুলসি গ্রাম গত পাঁচ বছরে তবে অনেকটাই উন্নতি করেছে। এ গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের কোনও সুযোগই ছিল না। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তানভীর ব্যাখ্যা করছেন যে আমরা গ্রামের অনেক বাড়িতেই সৌর ব্যবস্থা স্থাপন করতে পেরেছি এবং এর পুরোটাই হয়েছে মিশন উর্জার অধীনে। জানা যাচ্ছে বিদ্যুৎ যখন প্রাথমিক পর্যায়ে তখন থেকেই তানভীর ভালানি এবং অন্যান্য গ্রামের বাড়ির ছাদ পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করেন। তাঁদের সঙ্গে মেলামেশা বাড়াতে থাকেন। অনেকের বাড়িতে তিনি টেলিভিশনও চালু করেন।

    কী বলছেন তানভীর?

    এ নিয়ে তানভীরের মত হল, ১৯৫০ সালের দিকে ভারতবর্ষে টেলিভিশন এসেছিল কিন্তু এই গ্রামগুলি কখনও টিভি চোখে দেখেনি। আমরা যে টিভিগুলিকে চালু করেছি সেগুলো এলইডি টিভি নয়। বরং ভারতীয় বাড়িতে এক সময়ে যে জনপ্রিয় পুরনো টিভিগুলি দেখা হতো সেগুলি। তানভীর আরও বলেন, ৯০ দশকে যেমন পাড়ার পরিবার একটি ব্যক্তির বাড়িতে ক্রিকেট ম্যাচ দেখতে একত্রিত হত। বর্তমানে মুলশি গ্রামেও একই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। যে বাড়িতে টিভি আছে আশেপাশের লোকজন সেখানে জমায়েত করছে। জানা গিয়েছে, মিশন উর্জার (Pune) মাধ্যমে ভারতের ২৮০ গ্রামের পরিবারকে বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তবে এখানকার জীবন সম্পূর্ণ আলাদা। তা বাকি ভারতবর্ষের অন্যান্য শহর অঞ্চলের জীবনের সঙ্গে একেবারেই মিলছে না। এটা তানভীর ভালো করেই লক্ষ্য করেছেন। তিনি লক্ষ্য করেন যে আদিবাসীরা প্রখর গ্রীষ্মের কারণে চর্মরোগ দেখেও বিভ্রান্ত হন না। তাঁরা বলেন, এটা গরমের কারণে হচ্ছে। প্রচুর ঘাম ঝরছে এবং তার কারণেই হচ্ছে। গ্রীষ্মকালে তাঁরা ডিহাইড্রেশনে ভোগেন। তাঁদের মাথা ঘুরতে থাকে। তাঁদের বমি বমি ভাব পায় এবং এবং এটি তাদের জীবনকে অনেকভাবে কষ্ট দেয়। সৌর পাখার মাধ্যমে পুনের ওই গ্রামগুলিতে গরম অনেকটাই কমাতে চান তানভীর এবং তাদের জীবনটাকে নতুন মাত্রায় আনতে চান।

    ৫০০ পরিবারের হাতে সৌর পাখা বিতরণ করা হবে (Pune)

    কাশি, মালে, ভালানি প্রভৃতি গ্রামের ৫০০ পরিবারের হাতে সৌর পাখা বিতরণ করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই গ্রামগুলি পাহাড়ি পরিবেশে গড়ে উঠেছে। এই জায়গাগুলিতে খুব বেশি পরিমাণে হাওয়া বাতাস ও খেলে না। তাই গ্রীষ্মকাল যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। পরিবারগুলিকে যে সৌর পাখা দেওয়া হবে সেগুলো পরীক্ষা করা হবে এবং এই পাখাগুলিতে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন তানভীর। তা ধাতু দিয়ে তৈরি করা হবে। পাঁচ বছরের ওয়ারেন্টিও থাকবে। মুলসির মানুষ এখন আনন্দে রয়েছেন এটা ভেবে তাদের গ্রামে আসছে পাখা।

  • NIA: আনসারুল্লা বাংলা জঙ্গিদের আশ্রয়, তিন বাংলাদেশিকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    NIA: আনসারুল্লা বাংলা জঙ্গিদের আশ্রয়, তিন বাংলাদেশিকে ৫ বছর কারাদণ্ড দিল এনআইএ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আল-কায়দার সহযোগী সংগঠন বলে পরিচিত আনসারুল্লা বাংলা টিমের জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বৃহস্পতিবার তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Infiltrators) পাঁচ বছরের জন্য কারাবাসের সাজা দিয়েছে মুম্বইয়ের এনআইএ-র (NIA) বিশেষ আদালত।আনসারুল্লা বাংলা টিম (ABT) হল বাংলাদেশের একটি জঙ্গি সংগঠন এবং উপমহাদেশে তারা আল-কায়দা সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করে। আনসারুল্লা বাংলা টিমের ওই আশ্রয় দানের জন্য ওই তিন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের বিধান দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি অতিরিক্ত দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হল মহম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব (ওরফে রাজ জেসুব মণ্ডল), হান্নান আনোয়ার হুসেন খান (ওরফে হান্নান বাবুরালি গাজী), এবং মহম্মদ আজরালি সুবহানাল্লাহ্ (ওরফে রাজা জেসুব মণ্ডল)।

     

    আনসারউল্লা বাংলা টিমকে সাহায্য করত ধৃতরা

    এনআইএ (NIA) যে প্রেস বিবৃতি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, এই তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে আনসারুল্লা বাংলা টিমের সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থন করা, তাদেরকে বিভিন্ন কাজে সাহায্য করা, নকল ভারতীয় পরিচয় পত্র বানিয়ে দেওয়া এবং তাদেরকে পুণেতে থাকার বন্দোবস্ত করে দেওয়া। এটা নতুন বা প্রথম কিছু নয়। এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরেও দুই বাংলাদেশি নাগরিক (Bangladeshi Infiltrators), রিপেন হোসেন (ওরফে রুবেল) এবং মহম্মদ হাসান আলি মহম্মদ আমের আলিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

    মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০১৮ সালের মার্চ মাসে 

    প্রসঙ্গত, এই মামলার (NIA) তদন্ত শুরু হয় ২০১৮ সালের মার্চ মাসে। তখনই পুণে পুলিশ জানতে পারে, সে শহরে অবৈধভাবে বসবাস করা বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সম্পর্কে। গোপন সূত্রে তখন উঠে আসে আনসারুল্লা বাংলা টিমের নামও। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় মহম্মদ হাবিবুর রহমান হাবিব নামের একজনকে। মহারাষ্ট্রের ধোবিঘাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরে একে একে অভিযান চালিয়ে বাকিদের গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় পুলিশ।

    ২০১৮ সালের মে মাসে মামলা যায় এনআইএ-র (NIA) হাতে

    ২০১৮ সালের মে মাসে মামলাটি মহারাষ্ট্র পুলিশের হাত থেকে যায় এনআইএ-র হাতে। তখনই এনআইএ তদন্তে উঠে আসে যে অভিযুক্তরা বেআইনিভাবে এবং জালিয়াতি করে ভারতে প্রবেশ করেছিল। তাদেরকে প্যান কার্ড, আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ড- সমস্ত কিছু বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India vs New Zealand: ব্যাটিংয়ে ধস, বলেও নেই চমক! এক যুগ পর দেশে সিরিজ হারের আতঙ্ক রোহিতদের

    India vs New Zealand: ব্যাটিংয়ে ধস, বলেও নেই চমক! এক যুগ পর দেশে সিরিজ হারের আতঙ্ক রোহিতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের (India vs New Zealand) বিপক্ষে আপাতত সিরিজ বাঁচানোর জন্য লড়াই করছে ভারতীয় ক্রিকেট দল। নিউজিল্যান্ডের ২৫৯ রানের জবাবে মাত্র ১৫৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারত। পুণে টেস্টের প্রথম ইনিংসে মিচেল স্যান্টনারের ৭ উইকেটের সুবাদে ১০৩ রানের লিড নেয় কিউইরা। দিনের শেষে ব্ল্যাক ক্যাপসদের স্কোর ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮। ইতিমধ্যেই লিড ৩০০ পেরিয়ে গিয়েছে। চতুর্থ ইনিংসে ভারতের পক্ষে এই রান তাড়া করা প্রায় অসম্ভব বললে খুব একটা ভুল হবে না। এই ম্যাচে হারলে এক যুগ পরে দেশের মাঠে টেস্ট সিরিজ হারবে ভারত।

    ঘরের মাঠে জয়ের ধারা

    ভারতের ব্যাটিং-ধস, এক যুগ পর দেশে সিরিজ হারের শঙ্কায় ভুগছে টিম রোহিত (India vs New Zealand)। ভারতের মাটিতে তাদের বিপক্ষে সিরিজ জেতা সর্বশেষ দলটির নাম ইংল্যান্ড। ২০১২ সালে ভারত সফরে চার ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল ইংলিশরা। ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি দিয়েই শুরু হয় দেশের মাটিতে ভারতের অজেয়-যাত্রা। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত দুর্দান্ত কিছু না করলে সেই যাত্রায় আপাতত ছেদ পড়তে চলেছে।

    ব্যাটিং ব্যর্থতা

    নিউজিল্যান্ডের ২৫৯ রানের জবাবে খেলতে নেমে প্রথম দিনই অধিনায়ক রোহিত শর্মার উইকেট খোয়ায় ভারত। শুক্রবার অর্থাৎ ম্যাচের দ্বিতীয় দিন সকালে এক সেশনেই আউট হলেন ভারতের ৬ জন ব্যাটার। সবাই স্পিনারদের শিকার। বলা ভালো, মিচেল স্যান্টনার নামের এক আপাত নিরীহ বাঁহাতি স্পিনারের শিকার। ফলস্বরূপ প্রথম ইনিংসে টিম ইন্ডিয়া অলআউট হয় মাত্র ১৫৬ রানে। একাই সাত উইকেট তুলে নেন স্যান্টনার। ভারতীয় ব্যাটারদের মধ্যে জয়সওয়াল (৩০), গিল (৩০) এবং জাদেজা (৩৮) ছাড়া উল্লেখ করার মতো পারফরম্যান্স কেউ দেখাতে পারেননি।

    দ্বিতীয় ইনিংসে নিউজিল্যান্ড (India vs New Zealand) ব্যাট করতে নামতেই পিচ যেন বদলে যায়। কিছুক্ষণ আগে যে পিচ দুর্বোধ্য মনে হচ্ছিল, সেখানেই অনায়াসে ব্যাট করে গেলেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। একাই ৮৬ রানের ইনিংস খেলে গেলেন তিনি। তাঁকে সঙ্গত করলেন ইয়ং, ব্লান্ডেলরা। দিনের শেষে মোটে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানে খেলছে কিউইরা। লিড ৩০১ রানের। দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতের সফল বোলার, ওয়াশিংটন সুন্দর। এই ইনিংসে ৪ উইকেট তুলেছেন তিনি। অশ্বিন তুলেছেন এক উইকেট। তৃতীয় দিনে এখন কোনও ম্যাজিকই ভারতকে দেশের মাঠে সিরিজ হারার থেকে রক্ষা করতে পারে। একই সঙ্গে জিইয়ে রাখতে পারে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল খেলার আশা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Apple iPhone: ভারতে প্রথমবার শুরু হল আইফোন ১৬ সিরিজের সব মডেলের উৎপাদন

    Apple iPhone: ভারতে প্রথমবার শুরু হল আইফোন ১৬ সিরিজের সব মডেলের উৎপাদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বেস মডেল নয়, সদ্য বিশ্ববাজারে আসা আইফোন ১৬ সিরিজের সবকটি মডেলের উৎপাদন এখন থেকে ভারতেই উৎপাদিত হতে শুরু করল। এই গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ খবর জানিয়েছে মার্কিন সংস্থা ‘অ্যাপল’ (Apple iPhone)। সংস্থা জানিয়েছে, এবার ভারতে প্রথমবারের মতো আইফোন-১৬ লাইনআপের সব মডেল উৎপাদিত হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে আইফোন ১৬ প্রো এবং প্রো ম্যাক্স মডেলগুলিও। এই বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ, এবার থেকে দেশীয় প্রযুক্তির সহযোগিতায় ভারতে আইফোন উৎপাদন হবে। সংস্থার পক্ষ থেকে এর পাশাপাশি আরও জানানো হয়েছে যে, ভারতে আরও বেশ কয়েকটি এক্সক্লুসিভ অ্যাপল রিটেল স্টোরও (Retail stores) খোলার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এই স্টোরগুলি মূলত বেঙ্গালুরু, পুণে, দিল্লি এবং মুম্বইতে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

    অ্যাপলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Apple iPhone)

    অ্যাপলের (Apple iPhone) রিটেল বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ডিড্রে ও’ব্রায়েন একটি বিবৃতি দিয়ে বলেন, “আমাদের স্টোরগুলি (Retail stores) অ্যাপলের জাদু অনুভব করার জন্য অত্যন্ত অবিশ্বাস্য জায়গা করে নেবে। ভারতে গ্রাহকদের সঙ্গে আমাদের সংযোগ আরও গভীর এবং চমৎকার হতে চলেছে। আমরা আমাদের এই গ্রুপ তৈরি করতে অত্যন্ত রোমাঞ্চিত। কারণ আমরা ভারতে আরও স্টোর খোলার পরিকল্পনা করছি। গোটাদেশ জুড়ে অ্যাপেল গ্রাহকদের সৃজনশীলতা এবং আবেগর দ্বারা আমরা ভীষণ ভাবে অনুপ্রাণিত। আগামী দিনে এই উৎপাদন আমাদেরকে সাফল্যের উৎকর্ষের দিকে নিয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুনঃ তিরুপতি লাড্ডু বিতর্কে নতুন স্বাধীন সিট গঠনের নির্দেশ শীর্ষ আদালতের

     সারা দেশে ৩০০০ জনেরও বেশি লোককে নিয়োগ করেছে

    ‘অ্যাপল’ (Apple iPhone) সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত আইফোন ১৬ প্রো এবং প্রো ম্যাক্স, বেস মডেলের তুলনায় তৈরি করা বেশ জটিল হয়ে থাকে। তবে তা শীঘ্রই ভারতীয় গ্রাহকদের জন্য উপলব্ধ হবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও রফতানি করা হবে। যদিও ২০১৭ সাল থেকে ভারতে আইফোন (Retail stores) উৎপাদন শুরু হয়েছে। এরপর থেকে গ্রাহকদের চাহিদায় ক্রমাগত বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অ্যাপেল এখন সারা দেশে ৩০০০ জনেরও বেশি লোককে নিয়োগ করেছে৷ তাঁরা উৎপাদনের কাজে অবিরত কাজ করে চলেছেন। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই মোবাইলের উৎপাদনশীল কারখানা তৈরির ফলে একসঙ্গে বহু ভারতীয়ের সামনে কর্মসংস্থানের সুযোগ এনে দেবে। একই ভাবে সরকারের সহযোগিতায় দেশব্যাপী বিরাট পরিবর্তনের দিক সূচিত হবে। ধীরে ধীরে বিরাট বাণিজ্যের বাজারের দিকে এগিয়ে যাবে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dr Mohan Bhagwat: “আসল জ্ঞানের উৎস, জীবনের আধার”, বেদ চর্চায় গুরুত্বে জোর মোহন ভাগবতের

    Dr Mohan Bhagwat: “আসল জ্ঞানের উৎস, জীবনের আধার”, বেদ চর্চায় গুরুত্বে জোর মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেদ হল জীবনের আধার। বেদকে আঁকড়ে ধরেই বেঁচে থাকে ভারত। তাই সারা বিশ্বে অস্থিরতার মধ্যেও ভারত একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র। পুনেতে বেদ সেবকদের সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Dr Mohan Bhagwat)। বেদ জ্ঞানের (Knowledge of Vedas) প্রসারের গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে আরএসএস সরসঙ্ঘচালক বর্তমান সময়ে প্রাচীন শাস্ত্রগুলির পুনরুজ্জীবনের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, বেদই পারে সমাজের আধ্যাত্মিক বন্ধন অটুট রাখতে। বেদের জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

    বেদের বার্তাই আমাদের মন্ত্র

    ভারতের উচিত বেদের জ্ঞান (Knowledge of Vedas) এবং সংস্কৃত ভাষার চর্চা করা। তিনি জানান, ভারতীয় সংস্কৃতি মোটেই রক্ষণশীল নয়। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এর পরিবর্তন হয়েছে। বেদের মূল্যবোধেই ভারত রাষ্ট্রের গঠন হয়েছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তা অনুসরণ করে চলেছে। আরএসএস প্রধানের (Dr Mohan Bhagwat) মতে, ভারত আজ বিশ্বের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই দেশ কোনওদিনই আমেরিকা, চিন বা রাশিয়ার মতো সুপারপাওয়ার হবে না। এই দেশগুলি শক্তি প্রদর্শনে বিশ্বাসী। মোহন ভাগবত বলেন, “আমাদের এমন এক দেশ হয়ে উঠতে হবে, যার কাছে বর্তমান বিশ্বের সব সমস্যার জবাব থাকবে। আমাদের এমন এক দেশ হতে হবে, যারা বিশ্বকে শান্তি, প্রেম এবং সমৃদ্ধির পথ দেখাবে।” তিনি আরও জানান, ভারত এমন একটি দেশ যা ‘ধর্ম’ প্রচারে বিশ্বাস করে, সবাইকে একত্রিত করে। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে জয় মানে ধর্মের বিজয়।” তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেবে বেদই। 

    বেদ সেবকদের সম্মান

    ডঃ মোহন ভাগবত (Dr Mohan Bhagwat) পুনের বালগন্ধর্ব রঙ্গমন্দিরে ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বেদ সেবকদের সম্মাননা অনুষ্ঠানে বলেন, “আজকের সমাজে বিশ্বাস বজায় রাখতে, বেদ সম্পর্কে আধুনিক জ্ঞান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।” শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ন্যাস এবং শ্রী সদগুরু গ্রুপ, পুনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বেদ সেবকদের সম্মান জানানো হয়। এই বেদ সেবকরা নভেম্বর ২০২২ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত অযোধ্যায় ১৬ মাসব্যাপী বেদের চারটি অধ্যায়ের পূর্ণ পাঠ সম্পন্ন করেছেন। মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ২৪০ জন পুরোহিত এবং স্বেচ্ছাসেবক এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন, যেখানে ৩৬টি পর্যায়ে একটানা পুজো-অর্চনা করা হয়েছে।

    বেদ হল হাতিয়ার

    সরসঙ্ঘ চালকের মতে, বেদে (Knowledge of Vedas) নিহিত গভীর জ্ঞানের গুরুত্ব অপরিসীম। বেদকে ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন ভাগবত। তিনি বলেন, “আধুনিক প্রজন্মের কাছে বেদের জ্ঞানকে পৌঁছে দেওয়া উচিত, যাতে তাঁরা বিশ্বে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতে পারে।” সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে ভাগবত ক্রমবর্ধমান উদাসীনতা এবং বিশৃঙ্খলা সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, “বিশ্বের বিভিন্ন অপশক্তি একত্রিত হয়ে শান্তি বিঘ্নিত করতে চাইছে। আমেরিকা, পোল্যান্ড এবং আরব বিশ্বের সাংস্কৃতিক অবক্ষয় এর উদাহরণ। এই অপশক্তিগুলি ভারতের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি করতে পারে। কিন্তু আমাদের শাস্ত্র, বিশেষত বেদ, আমাদের এমন জ্ঞান প্রদান করে যা দিয়ে আমরা এই অপশক্তির মোকাবিলা করতে পারি।” 

    পরিবারের মূল্যবোধ

    পরিবারের মূল্যবোধের গুরুত্বের উপর জোর দিয়ে ভাগবত (Dr Mohan Bhagwat) বলেন, “ভারতের প্রাচীন ঐতিহ্যের কারণে পরিবারের মূল্যবোধ এখনও অটুট আছে। বিশ্বজুড়ে যখন পরিবার ব্যবস্থা ধ্বংস হচ্ছে, তখনও ভারতে এটি মজবুত রয়েছে।” বেদ সেবকদের এই মূল্যবোধগুলিই সমাজের সর্বস্তরে প্রচার করার আহ্বান জানান ভাগবত।

    অস্পৃশ্যতা দূর 

    ভাগবত (Dr Mohan Bhagwat) সমাজ থেকে বৈষম্য, বিশেষত অস্পৃশ্যতা দূর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “যখন শাস্ত্রে অস্পৃশ্যতার কোনও স্থান নেই, তখন এই অমঙ্গলের বৈষম্য কেন থাকবে?” এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই, পুনের ভারত বিকাশ গ্রুপের ডঃ হনুমন্ত গায়কোয়াড়, সাকাল মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান অভিজিৎ পাওয়ার, এবং সদগুরু গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান যশবন্ত কুলকার্নি। চম্পত রাই অযোধ্যার রাম মন্দিরের অগ্রগতি সম্পর্কে বিভিন্ন কথা জানান। রাম মন্দির নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন। স্বামী গোবিন্দদেব গিরিজি মহারাজ তাঁর বক্তৃতায় তপস্যার মহিমা বর্ণনা করেন এবং সন্ত জ্ঞানেশ্বরের ‘পসায়দান’কে রাম রাজ্যের ‘ঘোষণাপত্র’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

    বেদ বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির চর্চা প্রয়োজন

    বেদের জ্ঞান (Knowledge of Vedas), বেদ বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির চর্চা প্রয়োজন, রয়েছে বলে মনে করেন মোহন ভাগবত (Dr Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, “সমস্ত জ্ঞানই রয়েছে বেদে। আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের ধর্ম রক্ষণশীল নয়। আমাদের সংস্কৃতি আমরা কী খাব, কী খাব না, তা বলে দেয় না। তবে, আমাদের সংস্কৃতি আমাদের বলে যে কোন খাবার খেলে শরীর খারাপ হতে পারে।” তাঁর কথায়,  “সমাজের সমস্ত অংশের কাছেই বেদের জ্ঞান কাজে লাগতে পারে। বৈদিক গণিতশাস্ত্রই এর জলজ্যান্ত উদাহরণ। সমাজের সমস্ত ছাত্রছাত্রীই বৈদিক গণিতের মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat Sleeper Train: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কোন রুটে জানেন?

    Vande Bharat Sleeper Train: দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন কোন রুটে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অচিরেই ভারতীয় রেলপথে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)। রেল সূত্রে খবর, নাগপুর এবং পুণের মধ্যে প্রথম ছুটবে এই ট্রেন। মধ্য রেলের নাগপুর ডিভিশনে নিত্য বাড়ছে যাত্রী সংখ্যা। সেই কারণেই প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Nagpur Pune Route) চালানো হবে এই রেলপথে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)

    কেবল এই রেলপথেই নয়, দেশের আরও কয়েকটি জায়গায় চালানো হবে দুরন্ত গতির এই ট্রেন। তবে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে নাগপুর-পুণে রুটে। নাগপুর-পুণে রুটে গরিব রথ, অজনি-পুণে সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস এবং নাগপুর-পুণে এক্সপ্রেসের মতো একাধিক ট্রেন রয়েছে। তার পরেও ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই রব। তাছাড়া, ট্রেনগুলির সবই চেয়ার কার। স্লিপার কোচের অপশন নেই। এই সব ট্রেনেও সিট পেতে কালঘাম ছুটে যায় যাত্রীদের। দীর্ঘ ওয়েটিং লিস্টে থাকতে হয় যাত্রীদের। অনেক সময় গাঁটের কড়ি গচ্চা দিয়ে যাত্রীদের যাতায়াত করতে হয় বাসে। তাই ক্ষোভ বাড়ছে যাত্রীমহলে। সেই কারণেই রেল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত, প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানো হবে নাগপুর-পুণে রুটে।

    উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী!

    ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দিবস। এদিনই উদ্বোধন হতে পারে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের। পরে চালানো হবে অন্যান্য রুটেও। জানা গিয়েছে, হাওড়া-দিল্লি রুটেও চালানো হতে পারে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। রেলেরই অন্য একটি সূত্রে খবর, দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন ছুটবে দিল্লি-মুম্বই রুটে। স্বাধীনতা দিবসে এর যাত্রার সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে হাঁড়ির হাল কর্নাটকের অর্থনীতির?

    প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) সব মিলিয়ে মোট ১৬টি কোচ থাকবে। এর মধ্যে ১০টি সংরক্ষিত থাকবে থার্ড এসি-র জন্য। সেকেন্ড এসি-র জন্য থাকবে ৪টি কোচ। আর ফার্স্ট এসির জন্য থাকবে একটি কোচ। ট্রেনটিতে সিটিং কাম লাগেজ কোচও থাকবে। প্রথম পর্যায়ে ট্রেন ছুটবে (Nagpur Pune Route) ঘণ্টায় ১৩০ কিমি গতিতে। পরে আস্তে আস্তে বাড়বে গতি। সর্বোচ্চ গতি হতে পারে ২২০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    Air Pollution: ভারতের বড় শহরগুলিতে ৭ শতাংশ মৃত্যুর কারণ বায়ুদূষণ! গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গবেষণায় উঠে এল বিরাট তথ্য। দূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতি বছর ভারতে মৃত্যু হচ্ছে ৩৩ হাজার মানুষের। সম্প্রতি ‘দ্য ল্যানসেট প্ল্যানেটারি হেলথ জার্নাল’-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দূষণ সংক্রান্ত সমীক্ষার রিপোর্টে এমনই উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, কলকাতা সহ ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে (Indian Cities) প্রতি বছর বায়ুদূষণের বলি হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। তাই দূষিত বায়ুর (Air Pollution) বিপদ থেকে নাগরিকদের বাঁচানোর জন্য অবশ্যই হু-র দেওয়া নির্দেশিকা মেনে চলা উচিত ভারতের, এমনটাই জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। গবেষণাটি সাসটেইনেবল ফিউচার কোলাবোরেটিভ, অশোকা ইউনিভার্সিটি, সেন্টার ফর ক্রনিক ডিজিজ কন্ট্রোল, সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট, হার্ভার্ড এবং বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল।

    ঠিক কী জানানো হয়েছে ওই প্রতিবেদনে? 

    সমীক্ষায় দাবি করা হয়েছে, ভারতের বড় বড় ১০টি শহরে বায়ুদূষণের (Air Pollution) কারণে প্রতিবছর ৩৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ওই ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে বায়ুদূষণের কারণে দৈনিক মৃত্যুর হার ৭ শতাংশেরও বেশি। এই শহরগুলির (Indian Cities) তালিকায় রয়েছে কলকাতা, আমেদাবাদ, ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লি, হায়দরাবাদ, মুম্বই, পুণে, সিমলা, এবং বারাণসী। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর নিরিখে শীর্ষে রয়েছে ভারতের রাজধানী শহর দিল্লি, যেখানে প্রতি বছর ১২ হাজার মানুষের মৃত্যু ঘটে। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মুম্বই। এখানে মৃত্যু সংখ্যা ৫ হাজার ১০০। আর কলকাতায় সেই সংখ্যা ৪ হাজার ৭০০। অন্যদিকে,  চেন্নাইয়ে বায়ুদূষণের কারণে বছরে ২ হাজার ৯০০ জন মানুষ মারা যান। বেঙ্গালুরুতে সেই সংখ্যা ২ হাজার ১০০ এবং বারাণসীতে ৮৩০। মৃত্যুর নিরিখে তালিকায় সবচেয়ে নিচে রয়েছে সিমলা, যেখানে বছরে বায়ুদূষণের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে কম, মাত্র ৫৯।  

    আরও পড়ুন: শিবের মাথায় জল দেবেন ভক্তরা, কানওয়ার যাত্রার রাস্তায় মাংস বিক্রি বন্ধ করলেন যোগী

    এর থেকে বাঁচার উপায় কী? (Air Pollution) 

    এ প্রসঙ্গে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সহ-লেখক জোয়েল শোয়ার্টজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ”এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভারতের যা পরিস্থিতি সেখানে বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণই একমাত্র পথ। একমাত্র বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমেই প্রতি বছর কয়েক হাজার জীবন বাঁচাতে পারে। অন্যান্য দেশে যেভাবে দূষণ নিয়ন্ত্রণ হয়, সে সব পদ্ধতিগুলি ভারতে জরুরীভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন।” বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ জানিয়েছে যে, পৃথিবীতে প্রায় সকলেই বায়ুদূষণের (Air Pollution) প্রস্তাবিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পরিমাণে দূষিত বায়ু গ্রহণ করে, যা স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং অন্যান্য শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর এর ফলেই উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে মৃত্যুর হার। 
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share