Tag: Punjab

Punjab

  • Farmers Protest Punjab: কৃষক আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নামল বুলডোজার-ক্রেন! কেন এই পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের?

    Farmers Protest Punjab: কৃষক আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার, নামল বুলডোজার-ক্রেন! কেন এই পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের আন্দোলন ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল পাঞ্জাবে। আন্দোলনে (Farmers Protest Punjab) নেতৃত্ব দেওয়া কৃষক নেতাদের আটক করল পুলিশ। মাঝরাতে নামানো হল বুলডোজারও। যে অস্থায়ী শিবিরে রাত কাটছিল কৃষকদের, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল। দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়াতেই নতুন করে আন্দোলনের পথ বেছে নেন কৃষকরা। কিন্তু তাঁদের আন্দোলন গায়ের জোরে তুলে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে পাঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে।

    কড়া পদক্ষেপ পাঞ্জাব পুলিশের

    ঘটনাস্থল থেকে যে ছবি ও ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে কৃষকদের টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখা গিয়েছে পুলিশকে। আন্দোলনস্থল খালি করতে গিয়ে কৃষকদের (Farmers Protest Punjab) সঙ্গে বর্বরোচিত আচরণের অভিযোগ সামনে আসছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এর পর রাতে আন্দোলনস্থলে ক্রেন, বুলডোজার নামানো হয়। ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে দেখা যায় অস্থায়ী নির্মাণগুলিকে। আন্দোলনস্থল খালি করে দেওয়া হয়। পঞ্জাব এবং হরিয়ানার সংযোগস্থল, শম্ভু ও খানাউরি সীমানায় (Shambhu Border Farmers Protest) আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন কৃষকরা। সেই আবহেই বুধবার চণ্ডীগড়ে কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের সঙ্গে বৈঠক ছিল তাঁদের প্রতিনিধিদের। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ক্রেতা-গ্রাহক বিভাগের মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূস গোয়েলও। পাঞ্জাবের অর্থমন্ত্রী হরপাল সিং চিমা এবং রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী গুরমীত সিং খুড্ডিয়াও বৈঠকে যোগ দেন।

    আটক বহু কৃষক নেতা

    ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য-সহ একাধিক দাবিদাওয়া নিয়ে ওই বৈঠক হয়। বৈঠক থেকে বেরিয়ে শিবরাজ জানান, দু’পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক কথা হয়েছে। ৪ মে ফের একদফা আলোচনা হবে। কিন্তু এদিনই বিকেলে মোহালিতে কৃষক নেতা গুরমীত সিং মঙ্গত, সরওয়ান সিং পান্ধের, জগজিৎ ডাল্লেওয়াল-সহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে পাঞ্জাব পুলিশ। সেই নিয়ে পুলিশ ও নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায় কৃষকদের। এর পর আটক করা হয় কৃষক নেতা অভিমন্যূ কোহার, কাকা সিং কোতড়াদের। প্রথমে প্রায় ২০০ কৃষককে আটক করা হয় বলে জানা যায়, পরে জানা যায় সংখ্যাটা ৫০০-৭০০। শম্ভু এবং খানাউরি সীমানায় তাঁদের যেতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

    নিশানায় পাঞ্জাব সরকার

    এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, পটিয়ালার ডিজি মনদীপ সিং সিধুর নেতৃত্বে খানাউরি সীমানায় ৩০০০ পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শম্ভু সীমানাতেও। সবমিলিয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ কৃষককে আটক করা হয়েছিল বলেও দাবি সামনে এসেছে। ডিজি জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারই আন্দোলনকারীদের (Farmers Protest Punjab) সরিয়ে রাস্তা খালি করতে নির্দেশ দিয়েছে। খানাউরি সীমানা এবং সংলগ্ন সাঙ্গরুর ও পটিয়ালায় ইন্টারনেট পরিষেবাো বন্ধ রাখা হয়েছে বলে খবর। পাঞ্জাবে কৃষক আন্দোলনে পুলিশ ও প্রশাসনের বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবনীত সিং বিট্টু মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের তীব্র সমালোচনা করেছেন। পুলিশের এই পদক্ষেপের নিন্দা করে তিনি বলেন, “আমি পাঞ্জাব সরকারের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানাই। তারা আপনাকে (আপ সরকার) ভোট দিয়েছে এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে লজ্জিত করা উচিত। তারা (আপ সরকার) চায়নি যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং কৃষকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের হোক। লুধিয়ানা পশ্চিম উপনির্বাচনে জয়লাভের জন্য আপনারা কৃষকদের আটক করেছেন। পাঞ্জাবের জনগণ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানকে কোনও গ্রামে প্রবেশ করতে দেবে না।”

  • USA: ‘‘শিকলে বাঁধা ছিল হাত-পা’’, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত দলজিৎ সিং শোনালেন অভিজ্ঞতা

    USA: ‘‘শিকলে বাঁধা ছিল হাত-পা’’, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিতাড়িত দলজিৎ সিং শোনালেন অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতেই আমেরিকা (USA) থেকে অমৃতসরে পৌঁছায় সে দেশ থেকে বিতাড়িতদের বিমান। এই বিমানেই ছিলেন একজন। তাঁর নাম দলজিৎ সিং। রবিবার তিনি বিস্ফোরক দাবি করেন সংবাদ মাধ্যমের সামনে। তিনি জানান যে আমেরিকা (USA) থেকে নিয়ে আসার সময় তাঁদের হাত ও পা শিকল দিয়ে বাঁধা ছিল। পাঞ্জাবের হোশিয়ারপুরে নেমে সাংবাদিকদের এই কথাগুলো বলেন দলজিৎ সিং।

    হোশিয়ারপুর জেলার কুড়ালা কালাম গ্রামের বাসিন্দা দলজিত সিং

    জানা গিয়েছে পাঞ্জাবের (Punjab) হোশিয়ারপুর জেলার কুড়ালা কালাম গ্রামের বাসিন্দা দলজিত সিং। প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার রাতে অবৈধ বসবাসের অভিযোগে ১১৬ জন ভারতীয়কে নিয়ে একটি বিমান নামে অমৃতসরে এবং সেই বিমানেই ছিলেন দলজিৎ সিং। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন যে তাঁকে বেআইনি পথ দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে (USA)। অন্যদিকে দলজিৎ সিং-এর স্ত্রী কমলপ্রীত কৌর অভিযোগ করেছেন যে তাঁর স্বামীকে একজন ট্রাভেল এজেন্ট প্রতারিত করেছিল। ওই এজেন্ট তাঁকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়ে কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু তার পরিবর্তে তাঁকে বেআইনিভাবেই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এতে তাঁর (দলজিৎ সিং) কোনও দোষ নেই বলেই জানিয়েছেন কমলপ্রীত। জানা গিয়েছে, গ্রামের একজন বাসিন্দা দলজিৎকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে ট্রাভেল এজেন্ট এর সাহায্য নিয়ে আমেরিকা (USA) গেলে সুবিধা হবে। গ্রামের ওই ব্যক্তি ট্রাভেল এজেন্টের ব্যবস্থা করে দিয়েছিল দলজিতকে। ট্রাভেল এজেন্ট দলজিৎ সিংকে বৈধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু জানা যায় তাঁকে সরাসরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র না নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন জায়গা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তখনই দলজিৎ তাঁর যাত্রার বৈধতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করেন।

    কোন কোন রাজ্যের বাসিন্দা ছিলেন বিমানে

    শনিবার রাত ১১:৩৫ নাগাদ অবতরণ করে সি১৭ বিমান। সেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের নিয়ে ফেরে। এরপরে রবিবার ভোর সাড়ে চারটা নাগাদ পাঞ্জাব (Punjab) পুলিশের গাড়িতে করে বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়। হরিয়ানার যে সমস্ত বাসিন্দা আমেরিকাতে ছিলেন, অবৈধ অভিবাসীরূপে, তাঁদেরও পরিবহনের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার রাতে যে বিমান নামে, সেখানে ৬৫ জন পাঞ্জাবের, ৩৩ জন হরিয়ানার, আটজন গুজরাটের, দুইজন উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মহারাষ্ট্র ও রাজস্থানের এবং একজন করে হিমাচল প্রদেশ ও জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা ছিলেন। বেশিরভাগেরই বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছর। আজ রবিবার ১৫৭ জন ভারতীয়কে নিয়ে তৃতীয় বিমানটি অমৃতসর বিমানবন্দরে অবতরণ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • NIA: পাঞ্জাবে হিন্দুত্ববাদী নেতা খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা এনআইয়ের, নাম ২ খালিস্তানি জঙ্গির

    NIA: পাঞ্জাবে হিন্দুত্ববাদী নেতা খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা এনআইয়ের, নাম ২ খালিস্তানি জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল শুক্রবার পাঞ্জাবে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) এক নেতার খুনের ঘটনায় চার্জশিট পেশ করল এনআইএ (NIA)। পাঞ্জাবের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা বিকাশ প্রভাকর ওরফে বিকাশ বাগ্গার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠন বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল বা বিকেআইয়ের দুই সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে এই চার্জশিট জমা করা হয়েছে। এই দুই সন্ত্রাসবাদীদের মধ্যে একজনের নাম ধর্মিন্দার কুমার ওরফে কুনাল এবং অপরজন হলেন পলাতক আসামী হরবিন্দর কুমার। এই জঙ্গি বর্তমানে দুবাইয়ে রয়েছেন বলে এনআইএ (NIA) সূত্রে খবর। এই দুজনের বিরুদ্ধেই বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন, ভারতীয় দণ্ডবিধি আইপিসির বিভিন্ন ধারা এবং অস্ত্র আইনে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে এনআইএ একথা জানিয়েছে।

    ২০২৪ সালের ১৩ এপ্রিলের ঘটনা (NIA)

    জানা গিয়েছে, প্রায় এক বছর আগে ২০২৪ সালে ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের রূপনগর জেলায় অন্য দিনের মতোই নিজের মিষ্টির দোকানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা বিকাশ প্রভাকর। সেই সময়ে ওই দুই খালিস্থানপন্থী জঙ্গি তাঁকে গুলি করে হত্যা করে। জানা গিয়েছে, বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল নামের এই খালিস্থানপন্থী জঙ্গি সংগঠনের প্রধানের নাম হল ওয়াধাওয়া সিং। তিনি বর্তমানে পাকিস্তানে রয়েছেন। তাঁরই নির্দেশে এই ঘটনা ঘটানো হয় বলে জানিয়েছে এনআইএ (NIA)। অন্যদিকে এই ঘটনায় আরও একজন সন্ত্রাসবাদীর নাম উঠে এসেছে। জানা গিয়েছে, ওই খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনের নেতার নাম হারজিত সিং ওরফে লাড্ডি। তিনি বর্তমানে জার্মানিতে অবস্থান করছেন।

    ২০২৪ সালের ৯ মে তদন্তভার নেয় এনআইএ (NIA)

    গত বছরের অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৯ মে পাঞ্জাব পুলিশের কাছ থেকে এই মামলার তদন্তভার নেয় এনআইএ। এরপরে এই চার্জশিট পেশ করা হল গতকাল অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি। এনআইএ-র তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে লাড্ডি বা হারজিত সিংয়ের কাজ হল এই সংগঠনে জঙ্গি নিয়োগ করা এবং তহবিল সংগ্রহ করা। এর পাশাপাশি অস্ত্র সরবরাহের কাজও তিনি করতেন। জার্মানিতে বসেই লাড্ডি এই কাজগুলো করে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। জানা গিয়েছে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা খুনে অভিযুক্ত ধর্মিন্দার কুমার ওরফে কুনাল আদতে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। এই অভিযুক্ত মধ্যপ্রদেশের একজনের কাছ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল। এনআইএ এই তদন্তে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিদেশি যোগ এবং এই মামলায় এক অস্ত্র ব্যবসায়ীর ভূমিকাও সামনে এনেছে।

  • US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    US Military Aircraft: ১০৪ অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরে এল মার্কিন সামরিক বিমান, এরপর কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০৪ জন অবৈধ অভিবাসী নিয়ে অমৃতসরের (Amritsar) শ্রী গুরু রামদাসজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করল একটি মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)।

    অবতরণ করল মার্কিন সামরিক বিমান (US Military Aircraft)

    বুধবার ১.৫৫ মিনিটে বিমানটি অবতরণ করেছে। এদিন যাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ৩০ জন পাঞ্জাবের, ৩৩ জন হরিয়ানার ও গুজরাটের। মহারাষ্ট্র ও উত্তরপ্রদেশে তিনজন করেও রয়েছেন। রয়েছেন চণ্ডীগড়ের দুজনও। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রশাসন তাদের পাঞ্জাব ও হরিয়ানায় নিজেদের বাড়িতে ফেরানোর ব্যবস্থা করেছে। এদিন যাঁদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের পরিবারের কেউই তাঁদের নিতে বিমানবন্দরে আসেননি।

    ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ

    প্রসঙ্গত, মার্কিন সামরিক বিমান সি-১৭-তে করে ট্রাম্প প্রশাসন ভারতে ফেরত পাঠাল প্রথম দফার অবৈধ অভিবাসীদের। ২০ জানুয়ারি ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে শপথ নেন ট্রাম্প। তার পরেই দেশটির আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা শুরু করে। অনেক পাঞ্জাবি, যারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে “ডাঙ্কি রুট” বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে আমেরিকায় প্রবেশ করেছিলেন, মূলত তাঁদেরই তাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন।

    অপরাধের রেকর্ড থাকলে পাঠানো হচ্ছে ডিটেনশন সেন্টারে

    জানা গিয়েছে, পাঞ্জাব পুলিশ ও ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো যৌথভাবে পরীক্ষা চালাচ্ছে। যাঁদের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক অতীত বা রেকর্ড নেই, তাঁদেরকে সঙ্গে সঙ্গেই চলে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে (US Military Aircraft)। তবে, যাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক রেকর্ড রয়েছে, পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হবে ডিটেনশন সেন্টারে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট রাজ্যের যাচাই প্রক্রিয়া চলছে। আমেরিকা থেকে যাঁদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, তাঁদের অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। প্রসঙ্গত, এর আগে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, মার্কিন সামরিক বিমানে করে ভারতে পাঠানো হচ্ছে ২০৫ জন অবৈধ অভিবাসী। আমেরিকা থেকে ভারতে এই প্রথম পাঠানো হল অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের ব্যাচ।

    প্রেসিডেন্ট পদে বসার পর থেকেই মার্কিন মুলুকে বসবাসকারী অবৈধ অভিবাসীদের স্বদেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হয়েছেন ট্রাম্প। এই অভিবাসীদের চিহ্নিত করে ধরপাকড়ও শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। ইতিমধ্যেই আমেরিকায় (Amritsar) বসবাসকারী বেশ কয়েকটি দেশের অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে আমেরিকা। তার মধ্যে রয়েছে ভারতও (US Military Aircraft)।

  • Republic Day 2025: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে স্কুলগুলিকে হুমকি খালিস্তানিদের, পাঞ্জাবে জারি হাই অ্যালার্ট

    Republic Day 2025: প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে স্কুলগুলিকে হুমকি খালিস্তানিদের, পাঞ্জাবে জারি হাই অ্যালার্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবসকে (Republic Day 2025) কেন্দ্র করে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য তৎপর পাঞ্জাব (Punjab)। রাজ্যের আনাচে-কানাচে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে তল্লাশি ৷ জানা গিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসে ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিখ ফর জাস্টিস (SFJ) প্রধান গুরপতবন্ত সিং পন্নুন পাঞ্জাবের একাধিক স্কুলকে হুমকি পাঠিয়েছেন, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের ঘরে থাকতে এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2025) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে হুমকি মেলে

    পাটিয়ালার (Punjab) কিছু স্কুলে সম্প্রতি একটি ইমেল পাঠানো হয়েছিল, যা পান্নুনের নামে পাঠানো হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে “বাচ্চারা ঘরে থাকুন – নিরাপদ থাকুন… অভিভাবকরা, এটা একটি কঠোর পরামর্শ: আপনার সন্তানদের পাটিয়ালা পোলো গ্রাউন্ডে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2025) অনুষ্ঠানে পাঠাবেন না। শিখ ফর জাস্টিস (SFJ) ২৬ জানুয়ারি পাটিয়ালায় উপস্থিত থাকবে।” এরপরেই পাটিয়ালা-সহ সমগ্র পাঞ্জাবে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

    পাঞ্জাবে (Punjab) সক্রিয় শিখস ফর জাস্টিস

    প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের আগে খালিস্তানি সংগঠনগুলি বিশেষভাবে পাঞ্জাবে সক্রিয় হয়েছে। ফরিদকোট শহরের প্রধান প্রবেশদ্বারে এবং নেহরু স্টেডিয়ামের কাছে খালিস্তানি পতাকা এবং গ্রাফিটি পাওয়া গিয়েছে, যা উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে যে এই উপাদানগুলি প্রজাতন্ত্র দিবসের সময় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। এর আগে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day 2025) অনুষ্ঠান ফারিদকোট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেখানকার প্রধান প্রবেশদ্বারে খালিস্তানি গ্রাফিটি পাওয়া যাওয়ার পর অনুষ্ঠানটি পাটিয়ালার পোলো গ্রাউন্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। তবে সরকারের দাবি, অনুষ্ঠানস্থল পরিবর্তন কোনো হুমকির কারণে নয়, বরং উড়ান পরিস্থিতির কারণে।

    পাঞ্জাব (Punjab) সরকারকে হুমকি

    ফের ভারত-বিরোধী হুমকি শোনা গিয়েছে খালিস্তানি জঙ্গি গুরপতবন্ত পান্নুনের মুখে। ২৬ জানুয়ারি (Republic Day 2025) পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা ভগবন্ত মান ও পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি গৌরব যাদবকে সরাসরি খুনের হুমকি দিয়েছেন পান্নুন। ২৬ জানুয়ারিই তাঁদের উপর হামলা চালানো হবে বলে ভিডিও বার্তায় দাবি করেছেন এই জঙ্গি নেতা। প্রজাতন্ত্র দিবসে তাঁর গোলমাল পাকানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। সেই কাজের জন্য পাঞ্জাবের (Punjab) গ্যাংস্টারদের একত্র হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সম্প্রতি এই ভিডিও বার্তাটি গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক বার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-বিরোধী হুমকির সুর শোনা গিয়েছে শিখ ফর জাস্টিস প্রতিষ্ঠাতা পান্নুনের মুখে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় পতাকা ছেড়ে পান্নুন খালিস্তানের পতাকা তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

    মার্কিন মুলুকে পান্নুনের উপস্থিতি

    মার্কিন মুলুকে বসবাসকারী গুরপতবন্ত সিং পান্নুনকে (Gurpatwant Singh Pannun) সম্প্রতি দেখা গিয়েছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। সেই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। গত ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের (US President Trump) অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় লিবার্টি হলে উপস্থিত ছিলেন পান্নুন। দাবি করা হয়েছে, সরকারের তরফ থেকে পান্নুন আমন্ত্রিত ছিল না। তবে নিজের টাকা খরচ করে অনুষ্ঠানের টিকিট কিনতে সমর্থ হয়েছিলেন পান্নুন (Gurpatwant Singh Pannun)।

    এদিকে ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, লিবার্টি হলে অনুষ্ঠান চলাকালীন খালিস্তানের সমর্থনে স্লোগান তুলছিল পান্নুন। এরপরই ফের একবার আন্তর্জাতিক স্তরে খালিস্তান নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal) বলেন, ‘‘জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা করবে ভারত। যেখানেই ভারত বিরোধী কার্যকলাপ হচ্ছে, আমরা বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সরকারকে অবগত করব। যে যে ক্ষেত্রে ভারত-বিরোধী অ্যাজেন্ডা আছে, এবং যেখানে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার ওপর প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে মুখ খুলবে ভারত।’’

     

  • Sukhbir Singh Badal: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    Sukhbir Singh Badal: স্বর্ণমন্দিরে অকালি প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে লক্ষ্য করে চলল গুলি, ধৃত হামলাকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার সাত সকালে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল পঞ্জাবের স্বর্ণমন্দির চত্বর। গুলি ছোড়া হল শিরোমণি অকালি দলের প্রধান সুখবীর সিং বাদলকে (Sukhbir Singh Badal) লক্ষ্য করে। যদিও বরাত জোরে বেঁচে গিয়েছেন সুখবীর। গুলি লাগেনি তাঁর গায়ে।

    আততায়ী ধৃত (Sukhbir Singh Badal)

    মন্দিরে উপস্থিত লোকজন ধরে ফেলেন হামলাকারীকে। তাঁকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে তাঁর পিস্তলটি। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে স্বর্ণমন্দিরে ঢুকছিলেন সুখবীর। সেই সময় ধীর পায়ে তাঁর দিকে এগিয়ে আসেন ওই প্রৌঢ়। তার পরেই পোশাকের নীচে লুকিয়ে রাখা পিস্তলটি বের করে গুলি ছোড়েন সুখবীরকে লক্ষ্য করে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত প্রৌঢ়ের নাম নারায়ণ সিং চৌরা। তিনি গুরুদাসপুর জেলার বাসিন্দা। কী কারণে পঞ্জাবের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ওই ব্যক্তি গুলি ছুড়লেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    সেবাদারের কাজ করতে গিয়েছিলেন মন্দিরে

    বছর বাষট্টির সুখবীর ‘সেবাদারে’র কাজ করতে এদিন গিয়েছিলেন স্বর্ণমন্দিরে। তিনি যখন পঞ্জাবের উপমুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখন কিছু ‘ভুল’ করেছিলেন। সেই ‘ভুলে’র কারণে তাঁকে ‘তঙ্খা’ (ধর্মীয় শাস্তি) দেওয়া হয়। শাস্তি হিসেবে তাঁকে সেবাদারের ভূমিকা পালন করার নিদান দেয় শিখদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংগঠন অকাল তখত। সেই নিদান মেনেই এদিন তিনি (Sukhbir Singh Badal) হুইল চেয়ারে বসে সেবাদারের কাজ করতে গিয়েছিলেন মন্দিরে। তখনই হামলা চালান ওই প্রৌঢ়। সূত্রের খবর, হামলাকারী বাব্বর খালসার সঙ্গে যুক্ত। ১৯৮৪ সালে তিনি পাকিস্তানে গিয়েছিলেন। পঞ্জাবে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালানেও তিনি যুক্ত ছিল বলে অভিযোগ। গেরিলা যুদ্ধ এবং রাষ্ট্রদ্রোহী সাহিত্যের ওপর তিনি একটা বইও লিখেছেন বলে জানা গিয়েছে। বুড়াইল জেল ভাঙার মামলার আসামিও ছিলেন তিনি। এজন্য একবার জেলও খেটেছেন ওই প্রৌঢ়।

    আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীশ, উপমুখ্যমন্ত্রী শিন্ডের ছেলে?

    শিরোমণি অকালি দলের প্রাক্তন সাংসদ নরেশ গুজরাল বলেন, “আমাদের দল বার বার বলে এসেছে পঞ্জাবের আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। দেখতেই পাচ্ছেন স্বর্ণমন্দিরে কীভাবে হামলা চালানো হয়েছে! ঈশ্বরকে ধন্যবাদ সুখবীর (Sukhbir Singh Badal) সিং বাদলের কোনও ক্ষতি হয়নি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Punjab: পঞ্জাবে ধান সংগ্রহে গুদামের ঘাটতি নেই, কৃষকদের আশ্বস্ত করলেন প্রহ্লাদ জোশী

    Punjab: পঞ্জাবে ধান সংগ্রহে গুদামের ঘাটতি নেই, কৃষকদের আশ্বস্ত করলেন প্রহ্লাদ জোশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাবে (Punjab) ধান সংগ্রহে গুদামের (Paddy Storage) ঘাটতি রয়েছে। সম্প্রতি এমনই কিছু প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের একাংশে। এই প্রতিবেদনগুলিকে ভুল তথ্য বলে উড়িয়ে দিল কেন্দ্র। সরকারের দাবি, এর পিছনে নিজস্ব স্বার্থ রয়েছে। রবিবার কেন্দ্রীয় খাদ্যমন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানান, পর্যাপ্ত গুদাম তৈরি করা সরকারের দায়িত্ব।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    তিনি বলেন, “আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে গুদাম তৈরি করা আমাদের দায়িত্ব। আমরা এ ব্যাপারে যত্নবান।” মন্ত্রী যে সময় সাংবাদিকদের সামনে এসব বলছেন, সেই সময় খাদ্য সচিব সঞ্জীব চোপড়া এবং এফসিআই চেয়ারম্যান বণিতা রত্ন শর্মাও উপস্থিত ছিলেন। জানা গিয়েছে, বর্তমানে পঞ্জাবে ১৪ লাখ টন ধান মজুত করার ক্ষমতা রয়েছে। নভেম্বরের ১ তারিখের মধ্যে এটি উন্নীত হবে ১৬ লাখ টনে। বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৩১ লাখ টন সঞ্চয় ক্ষমতা তৈরি করা হচ্ছে।

    মন্ত্রীর পরিসংখ্যান

    রীতিমতো পরিসংখ্যান দিয়ে এদিন মন্ত্রী জানান, ৩ হাজার ৮০০ ধানকল মালিক ধান মজুতের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে ৩ হাজার ২৫০ জনকে ইতিমধ্যেই ধান থেকে চাল করার জন্য স্টক বরাদ্দ করা হয়েছে। সরকার ৯,৮১৯.৮৮ কোটি টাকা ক্লিয়ার করে দিয়েছে। এর মধ্যে আবার ৭ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা কৃষকদের কাছে পৌঁছেও গিয়েছে (Punjab)। জোশী জানান, এফসিআই চেয়ারম্যানের অধীনে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এটি ফি সপ্তাহে মজুত ক্ষমতা ও মুভমেন্ট প্ল্যান পর্যবেক্ষণ করবে।

    আরও পড়ুন: নন্দীগ্রামে ফের তৃণমূলকে গোল দিলেন শুভেন্দু, সমবায়ে জয়ী বিজেপি

    তিনি জানান, অক্টোবরে ন্যাশনাল মুভমেন্ট লক্ষ্যমাত্রা ধার্য হয়েছে ৩৪.৭৫ লাখ টন। এর মধ্যে পাঞ্জাবকে বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০ শতাংশ। মন্ত্রী বলেন, “সরকার পিডিএসের মাধ্যমে ও চাহিদার ভিত্তিতে তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলিতে চাল বিতরণ করছে।” তিনি বলেন, “২০১৬ সাল থেকে পিআর-১২৬ ধানের জাতটি কোনও সমস্যা ছাড়াই চাষ করা হচ্ছে। জাতের পার্থক্য (Paddy Storage) সত্ত্বেও জাতীয় ওটিআর (আউট-টার্ন রেশিও) মান ৬৭ শতাংশই রয়ে গিয়েছে (Punjab)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Goldy Brar: কুখ্যাত গ্যাংস্টার গোল্ডির খোঁজে ১০ লাখি ইনাম ঘোষণা এনআইএ-র

    Goldy Brar: কুখ্যাত গ্যাংস্টার গোল্ডির খোঁজে ১০ লাখি ইনাম ঘোষণা এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুখ্যাত গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রার (Goldy Brar) ও আর এক দুষ্কৃতীর মাথার দাম ১০ লাখ টাকা ঘোষণা করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ। শুক্রবার এনআইএর তরফে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। কানাডায় ঘাঁটি গেড়ে থাকা গোল্ডির খোঁজ দিলেই মিলবে নগদ পুরস্কার।

    গোল্ডির খোঁজে পুরস্কার

    চলতি বছরের ৮ মার্চ গোল্ডি ও তার ওই সাগরেদ চণ্ডীগড়ে এক ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন করেছিল বলে অভিযোগ। তার পরেই গোল্ডি পালিয়ে যায় কানাডায়। ইউএপিএ-সহ একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় পাঞ্জাবের আদেশনগরের বাসিন্দা গোল্ডির (Goldy Brar) বিরুদ্ধে। গোল্ডির সাগরেদ গুরপ্রীত সিং ওরফে গোল্ডি ধিঁলোর খোঁজেও হন্যে এনআইএর আধিকারিকরা। তাদের টিকি ছুঁতে না পারায় শেষমেশ ঘোষণা করা হল ১০ লাখি ইনাম।

    গোল্ডি-খালিস্তানপন্থী যোগ!

    পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুনেও অভিযুক্ত গোল্ডি। মাসখানেক আগে গুজব ছড়ায় আমেরিকায় গুলি করে খুন করা হয়েছে কুখ্যাত পাঞ্জাবি গ্যাংস্টার গোল্ডিকে। যদিও পরে জানা যায়, খবরটি নিছকই ভুয়ো। এই গোল্ডির বিরুদ্ধের অভিনেতা সলমান খানকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। ভারতের অনুরোধে গোল্ডির বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিশ জারি করেছিল ইন্টারপোল। কানাডার ‘মোস্ট ওয়ান্টেডে’র তালিকায়ও নাম রয়েছে গোল্ডির। ভারতের দাবি, গোল্ডির সঙ্গে যোগ রয়েছে খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের।

    আর পড়ুন: বিপাকে কেজরিওয়াল, তিনদিনের সিবিআই হেফাজতে আপ সুপ্রিমো

    পঞ্জাবের এক পুলিশ কর্মীর ছেলে গোল্ডির প্রকৃত নাম সতিন্দরজিৎ সিং। সে প্রথমে স্থানীয় অপরাধী বিভিন্ন গোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। পরে জড়িয়ে পড়ে বড় ধরনের অপরাধ চক্রের সঙ্গে। আরও পরে নিজেই বনে যায় গ্যাংস্টার। গোয়েন্দাদের দাবি, কানাডা থেকে গোল্ডিই তোলাবাজি ও অস্ত্র পাচারের কারবার নিয়ন্ত্রণ করত। সিধু মুসেওয়ালা খুনের পর গোল্ডি দাবি করে, মুসেওয়ালাকে খুনের নির্দেশ দিয়েছিল সে-ই। কারণ মুসেওয়ালা লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সহযোগী ভিকি মিদুখেরার হত্যায় জড়িত ছিল। এহেন গোল্ডির খোঁজেই ঘোষণা করা হয়েছে ইনাম।

    এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যে দুজনকে গ্রেফতারে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের খোঁজ যিনি দেবেন, তাঁর পরিচয় গোপন রাখা হবে। ওই দুজনের তথ্য জানাতে হবে এনআইএর সদর দফতরের ফোন নম্বর – ০১১-২৪৩৬৮৮০০, হোয়াটসঅ্যাপ/ টেলিগ্রাম: ৯১-৮৫৮৫৯৩১১০০, ইমেল আইডি: ডিও.এনআইএ@গভ.ইন-এ (Goldy Brar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    RP Act 1951: প্রার্থী হতে পারলেও, ভোট দিতে পারবেন না বন্দিরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁরা বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক একটি দেশের নাগরিক। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁদের ভোটাধিকার থাকা উচিত। তবে ভোটে দাঁড়াতে পারলেও, ভোট দেওয়ার অধিকার তাঁদের নেই। কারণ তাঁরা বন্দি। গারদে থেকেও নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন তাঁরা, তবে নিজের ভোটটা নিজেকেই দিতে পারবেন না। অন্য কাউকেও নয়। কারণ তাঁদের ভোটাধিকারই নেই। হ্যাঁ, বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ ভারতের নিয়ম এটাই (RP Act 1951)।

    ভোটে লড়ছেন অমৃতপাল (RP Act 1951)

    দীর্ঘদিন এই আইন এদেশে থাকলেও, চর্চায় এসেছে সম্প্রতি। কারণ, গত সপ্তাহেই খালিস্তানপন্থী জঙ্গি জেলবন্দি অমৃতপাল সিং লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান বলে ঘোষণা করেছেন। ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-সুপ্রিমো পাঞ্জাবের খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন। এই কেন্দ্রে নির্বাচন হওয়ার কথা পয়লা জুন, শেষ দফায়। যদিও তাঁর প্রচারের সুযোগ সীমিত। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকারও রয়েছে তাঁর। যতক্ষণ না কোনও ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হন, ততক্ষণ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে। তবে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না তিনি। দেশের অন্যান্য বন্দিরাও তা পারবেন না। কেন? প্রশ্ন হল সেটাই। আসুন জেনে নেওয়া যাক, অমৃতপাল প্রার্থী হতে পারলেও, কেন প্রয়োগ করতে পারবেন না ভোটাধিকার।

    অমৃতপালের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    বর্তমানে অসমের ডিব্রুগড়ের জেলে বন্দি রয়েছেন অমৃতপাল। ২০২৩ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে গারদের আড়ালে রয়েছেন অমৃতপাল। জাতীয় নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। খাদুর সাহিব কেন্দ্র থেকে নির্দল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন তিনি। অমৃতসরের এক থানায় সমর্থকদের সঙ্গে অস্ত্র নিয়ে ঢুকে পড়েছিলেন অমৃতপাল। থানার সামনে দাঁড়িয়ে সঙ্গী লভপ্রীত সিং তুফানকে মুক্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন অমৃতপাল। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। তার পর থেকেই পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়িচ্ছিলেন তিনি। শেষমেশ পাঞ্জাবের মোগা জেলার রোডে গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় ‘ওয়ারিশ পাঞ্জাব দে’-র প্রধানকে (RP Act 1951)। পাঠানো হয় ডিব্রুগড়ের জেলে।

    ভোটাধিকার নেই

    এক সময় অমৃতপাল জানিয়েছিলেন, ভারতীয় সংবিধানে বিশ্বাস নেই তাঁর। সেই অমৃতপালই মত বদলে প্রার্থী হয়েছেন। এগিয়ে চলেছেন গণতান্ত্রিক রাজনীতির দিকে। তবে প্রার্থী হতে পারলেও, ভোটাধিকার প্রয়োগ করার অধিকার তাঁর নেই। কারণ নিয়ম অনুযায়ী, অপরাধী কিংবা অভিযুক্তরা জেলে বসে ভোটে লড়তে পারেন। কিন্তু বিচারাধীন বন্দি বা দোষীরা গারদের আড়ালে থাকাকালীন ভোট দিতে পারেন না। যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হননি, তাঁরাও ভোট দিতে পারেন না। অমৃতপাল যেহেতু দোষী সাব্যস্ত হননি, তাই নির্বাচনে প্রার্থী হতে তাঁর কোনও অসুবিধা নেই। কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার ছ’বছর পর ভোটে লড়তে পারেন।

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন

    ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের (RP Act 1951) ৬২ (৫) ধারায় বলা হয়েছে, পুলিশের আইনি হেফাজতে বা কোনও জেলে থাকলে সেই ব্যক্তি ভোট দিতে পারবেন না। অর্থাৎ জেলবন্দি থাকলে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গেলেও, ভোট দিতে পারবেন না। ২০১৯ সালে প্রবীণ চৌধুরী বনাম নির্বাচন কমিশনের মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট আবার রায় দিতে গিয়ে জানায়, বন্দিদের ভোটাধিকার নেই। অবশ্য জেলবন্দিরা তাঁদের প্রতিনিধিদের সাহায্যে জেলে বসেই মনোনয়নপত্র দাখিল করতে পারবেন। বন্দি অবস্থায় নির্বাচনে জিতলে, শপথ নেওয়ার জন্য অভিযুক্তকে ছুটিও দেওয়া হবে। এতদসত্ত্বেও ভোট দানের অধিকার তাঁদের নেই (RP Act 1951)।

    ২০১১ সালে পাবলিক ইনটারেস্ট ফাউন্ডেশন নামে একটি সংস্থা আদালতে আবেদন করে জানায়, যাঁদের বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল চার্জ গঠন করা হয়েছে অথবা যাঁদের ক্রিমিনাল হিস্ট্রি নিয়ে মিথ্যা হলফনামা জমা দেওয়া হয়েছে, তাদেরও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখতে হবে। এর প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতি সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, কেবলমাত্র সংসদেই বদলানো হতে পারে আরপি অ্যাক্ট (RP Act 1951)।

    আরও পড়ুুন: “টাকায় কি হয়? ভাত হয়, ডাল হয়, থাকবার জায়গা হয়–এই পর্যন্ত, ভগবানলাভ হয়

    ২০১৬ সালে মামলা দায়ের সুপ্রিম কোর্টে

    ২০১৬ সালে আইনজীবী তথা বিজেপির ভূতপূর্ব মুখপাত্র অশ্বিনীকুমার উপাধ্যায়ও একটি পিটিশন দায়ের করেন। সেখানেও বলা হয়, যাঁরা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, তাঁদেরও নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হোক। এই মামলা এখনও চলছে সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, যেসব সাংসদ এবং বিধায়কদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলার বিচার শেষ হতে দেরি হচ্ছে, সেক্ষেত্রে শীর্ষ আদালত দেশের সব হাইকোর্টের বিচারপতিদের সুয়ো মোটো কেস ফাইলের নির্দেশ দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের শিরোনাম, “ইন রি: ডেজিগনেটেড কোর্টস ফর এমপিস/এমএলএস”। এই নির্দেশিকায় হাইকোর্টগুলিকে এই সব মামলা নিষ্পত্তির জন্য ‘এক্সপিডিয়াস অ্যান্ড এফেকটিভ’ ডিরেকশন ইস্যু করতে বলা হয়েছে। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে আদালতে যে রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল, তাতে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত পেন্ডিং রয়ে গিয়েছে ৪ হাজার ৪৭২টি মামলা।

    আরপি অ্যাক্টের ৬২ (RP Act 1951) নম্বর ধারায় ভোটাধিকার সম্পর্কে এক গুচ্ছ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, কোনও ব্যক্তি যদি জেলে বন্দি থাকেন, তাহলে তিনি কোনও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। সে যদি তাঁর কারাদণ্ড হয় কিংবা ট্রান্সপোর্টেশন হয় অথবা তিনি পুলিশের ল’ফুল কাস্টডিতে থাকেন (RP Act 1951)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • East Bengal FC: পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে লজ্জার হার, আইএসএল অভিযান শেষ ইস্টবেঙ্গলের

    East Bengal FC: পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে লজ্জার হার, আইএসএল অভিযান শেষ ইস্টবেঙ্গলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  আইএসএলের (ISL 2023-24) সুপার সিক্সে থাকার লড়াইয়ের মরণ-বাঁচন ম্যাচে পাঞ্জাব এফসির কাছে ৪-১ গোলে লজ্জার হার ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal FC)। মরশুমের জঘন্যতম ফুটবল খেলে চলতি আইএসএল-এ প্লে-অফে ওঠার আগেই বিদায় নিল ইস্টবেঙ্গল। বুধবার পাঞ্জাব এফসি’র কাছে ৪-১ গোলে হেরে যায় কার্লেস কুয়াদ্রাতের দল। পাঞ্জাবের হয়ে জোড়া গোল করেন উইলিয়াম জর্ডন। এছাড়া একটি করে গোল করেন মাদিহ তালাল এবং লুকা মাজসেন। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ছন্নছাড়া ফুটবল

    এদিন খেলার শুরু থেকেই পিছিয়ে পড়ে ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)। পাঞ্জাব এফসি দ্রুত মাঝমাঠের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণ গড়ে তোলে। যদিও ম্যাচের ৭ মিনিটে নিশু কুমার গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করে। এরপর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়ায় পাঞ্জাব। পাঞ্জাবের তালাল এবং জর্ডন জুটিকে সামলাতে রীতিমত হিমসিম খেতে হয় ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ১৯ মিনিটে জর্ডনের গোলেই প্রথম লিড নেয় পাঞ্জাব। ইস্টবেঙ্গল অবশ্য বেশি ক্ষণ পিছিয়ে থাকেনি। ২৫ মিনিটে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় দুরন্ত গোল করে লাল-হলুদকে সমতায় ফেরান সায়ন বন্দোপাধ্যায়। ৪৩ মিনিটে পাঞ্জাবকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তালাল। তাঁর দৌড়ে ছন্নছাড়া অবস্থা হয় লাল-হলুদ রক্ষণের।

    এদিন বল দখলের লড়াইয়ে পাঞ্জাবের ফুটবলারদের কাছে বার বার হার মেনেছেন ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) ফুটবলারেরা। পর পর চার-পাঁচটা সঠিক পাসও দিতে পারছিলেন না তাঁরা। শুরু থেকে মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করে পাঞ্জাব। সেই লড়াইয়ে এঁটে উঠতে পারছিলেন না সাউল ক্রোসপো, মহেশ সিংরা। ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নামা কুয়াদ্রাতের দলকে আরও ছন্নছাড়া দেখিয়েছে। লাল-হলুদ ফুটবলারদের খেলা দেখে কখনও মনে হয়নি, তাঁদের মধ্যে জেতার চেষ্টা রয়েছে। শেষ পর্যন্ত পাঞ্জাবের কাছে ৪-১ এ হেরে নববর্ষের আগে সমর্থকদের একরাশ হতাশা উপহার দিল লাল-হলুদ ফুটবলারেরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share