Tag: Punjab Kings

Punjab Kings

  • Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    Hybrid Pitch: ধর্মশালায় তৈরি হল দেশের প্রথম হাইব্রিড ক্রিকেট পিচ! নয়া প্রযুক্তিতে কার লাভ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের ধর্মশালা মাঠে বসল হাইব্রিড পিচ। সোমবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হল জাঁকজমক করে। হাইব্রিড পিচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইপিএল চেয়ারম্যান অরুন ধুমল, ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা আইসিসি কর্তা পল টেলার সহ ভারতীয় ক্রিকেট প্রশাসনের একাধিক নামি ব্যক্তিত্ব।

    হাইব্রিড পিচ আসলে কী?

    ৫ শতাংশ সিন্থেটিক ফাইবারের সঙ্গে আসল ঘাস মিশিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই পিচ। এর উদ্দেশ্য, টানা বর্ষা কিংবা টানা খেলা হলে যাতে পিচের চরিত্র বদলে না যায়। আইসিসির অনুমোদন নিয়েই এই ধরনের পিচ ব্যবহার হচ্ছে। ধর্মশালা স্টেডিয়াম প্রসঙ্গ পাঞ্জাব কিংসের হোম গ্রাউন্ড। ৯ মে রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে এই মাঠেই খেলা রয়েছে। সেদিন হাইব্রিড পিচে খেলায় কী তফাৎ তা বোঝা যাবে।

    ক্রিকেট প্রশাসকের বক্তব্য

    আইপিএল চেয়ারম্যান আনন্দ ধুমল জানিয়েছেন, “ইংল্যান্ডে  লর্ডস এবং ওভাল স্টেডিয়ামে হাইব্রিড পিচে আগেও খেলা হয়েছে। এবং কোন সমস্যা আসেনি। এই দুটি মাঠে সাফল্যের পর এবার ভারতেও হাইব্রিড পিচের ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা শুরু হয়। প্রাকৃতিক টার্ফ এবং কৃত্রিম ফাইবার মিশিয়ে হাইব্রিড পিচ তৈরি করা হয়। এর ফলে যারা মাঠ তৈরি করেন তাদের উপর চাপ কমবে। একই সঙ্গে খেলার পরিস্থিতি বৃষ্টি হওয়ার পরেও অনেকটাই সমান থাকবে। ফলে বৃষ্টির পর পিচের চরিত্র কম বদলাবে। বৃষ্টির পর পিচ স্লো হওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচা যাবে। বর্তমানে বৃষ্টির পর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পিচে বোলার ও ব্যাটসম্যান উভয়ের কিছু অসুবিধা হয়। সাধারণত বোলিং টিম অতিরিক্ত সুবিধা পায়। অনেক ক্ষেত্রেই একটি টিম বাড়তি অসুবিধা কিংবা সুবিধা পেয়ে যায় এই ধরনের অভিযোগ ওঠে।  হাইব্রিড পিচে এই অভিযোগ কমবে।

    কবে থেকে এই পিচের ব্যবহার শুরু

    জানা গিয়েছে ২০১৭ সালে এসআইএস গ্রাস এবং ইউনিভার্সাল মেশিন সংস্থার মাধ্যমে এই ধরনের পিচ তৈরি করা হয়েছিল। প্রথমে ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটের মাঠগুলিতে এই পিচ ব্যবহার করা হয়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে ম্যাচে হাইব্রিড পিচ ব্যবহার করার স্বীকৃতি দিয়েছে। চার দিনের কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপেও এই পিচ ব্যবহার করার চিন্তাভাবনা রয়েছে। প্রসঙ্গত ক্রিকেট এমন একটি খেলা যা নতুন প্রযুক্তি এবং নতুনত্বের ব্যবহারে কখনওই বাধা হয়নি। রিভিউ প্রথা ফুটবলে ব্যবহারের অনেক আগে থেকে ক্রিকেটে ব্যবহার হচ্ছে। ফলে এই হাইব্রিড পিচের ব্যবহারেও ক্রিকেট সংস্থাগুলির তরফে কোন ধরনের রক্ষণশীলতা নেই।

    কারা তৈরি করে হাইব্রিড পিচ

    জানা গিয়েছে, ব্রিটেনে অবস্থিত এসআইএস গ্রাস নামে একটি সংস্থা এই ধরনের পিচ তৈরি করে থাকে। তাঁরা সাফল্যের সঙ্গে বহু মাঠে এই পিচ তৈরি করেছে। হাইব্রিড পিচে আর্দ্রতা এবং ঘাসজনিত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। আয়োজক যে ধরনের পিচ চাইবেন ঠিক সেই ধরনের পিচ তৈরি করা সম্ভব।

    টি-২০ বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার হুঁশিয়ারি! নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত স্পিন ও বাউন্স পাওয়া যাবে

    হাইব্রিড পিচে অতিরিক্ত বাউন্স পাওয়া যায় যা বোলারদের সাহায্য করবে। বর্তমানে যে ধরনের বল ব্যবহার হয় তাতে ভারতীয় পরিস্থিতিতেও স্পিন কম হয়। কিন্তু হাইব্রিড স্পিন সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হবে না। স্পিনারদের সোনালি দিন ফিরে আসবে হাইব্রিডের পিচের সৌজন্যে। সৌরভ গাঙ্গুলির আমলে তিন জন রেগুলার এবং আরো দুই থেকে তিনজন পার্ট টাইম স্পিনার খেলানোর চল ছিল। হাইব্রিড পিচে স্পিনারদের গুরুত্ব বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন হাইব্রিড পিচে গ্রাউন্ড স্টাফদের নিজের মত পিচ তৈরি করার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: বেয়ারস্টোর বাজিমাত! ইডেনে নজিরের পর নজির, কোথায় গেলেন বাদশা?

    IPL 2024: বেয়ারস্টোর বাজিমাত! ইডেনে নজিরের পর নজির, কোথায় গেলেন বাদশা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেনে ইতিহাস তৈরি হল শুক্রবার। পয়েন্ট তালিকায় অনেক পিছনে থাকা পাঞ্জাবের কাছে হারটা যেন মেনে নিতে পারছিল না কলকাতার ক্রিকেট ভক্তরা।  কিন্তু হার মানলেও এই ম্যাচ যেন ছিল ঘোরের মতো। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আসল নির্যাসটুকু ধরে রাখল এই ম্যাচ। বন্যা বইল চার-ছয়ের। এক দল আগে ব্যাট করে করল ২৬১ রান। অপর দল সেই রান তাড়া করে দিল ৮ বল বাকি থাকতেই। অতীতে এত রান তাড়া করে কোনও দল জিততে পারেনি। এই নজির অবশ্য মেনে নিতে পারেননি কেকআর কর্ণধার শাহরুখ খান। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়লেন তিনি। কেকেআর হারলেও ভগ্ন হৃদয়ে একবার বাদশা-কে দেখার আশায় রাত ১২টা পর্যন্ত ইডেনের গ্যালারিতে অপেক্ষা করছিলেন দর্শকরা। তিনি যে বাজিগর, ‘হার কর জিত যাতে হ্যায়’। হারলেও বারবার অনুরাগীদের মন জিতেছেন বাদশা। কিন্তু শুক্রবার ইডেনে যেন উলাট পুরান। নজিরের পর নজির। 

    রেকর্ড রান তাড়া করে জয়

    শুক্র-রাতে ইডেন গার্ডেন্স ব্যাটিং প্যারাডাইসে পরিণত হয়েছিল। কেকেআরের দেওয়া ২৬২ রানের টার্গেট যে কারণে সফল ভাবে তাড়া করতে পেরেছে পঞ্জাব কিংস। টি-২০ ক্রিকেটে এটাই সর্বাধিক রান তাড়ার রেকর্ড। গত মার্চে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ২৫৯ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই রেকর্ড ভেঙে গেল ইডেনে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের নিরিখে এটি প্রথম স্থানে। এর আগে ২০২০ সালে রাজস্থান শারজায় ২২৪ তাড়া করে জিতেছিল এই পঞ্জাবের বিরুদ্ধে। এ বছর ইডেনে কিছু দিন আগে এই রাজস্থানই ২২৪ রান তাড়া করে জিতেছিল কলকাতার বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে ২১৯ তাড়া করে চেন্নাইকে হারিয়েছিল মুম্বই।

    সর্বাধিক ছয়

    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একটি ম্যাচে সর্বাধিক ছয়ের রেকর্ড হচ্ছে চলতি আইপিএলে। কলকাতা-পঞ্জাব ম্যাচে মোট ৪২টি ছয় রয়েছে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে হায়দরাবাদ-মুম্বই এবং হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু ম্যাচ। দু’টিতেই ৩৮টি করে ছয় হয়েছে। আইপিএলের একটি ম্যাচে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ড হয়েছে ইডেনে (কেকেআর বনাম পঞ্জাব ম্যাচে)। কেকেআরের বিরুদ্ধে ২৪টি ছয় মেরেছে পাঞ্জাব কিংস।

    কেকেআরের ওপেনিং জুটিতে সর্বাধিক রান

    আইপিএলে দুই দলের করা সর্বাধিক রানের দিক থেকে আজকের ম্যাচ দ্বিতীয় স্থানে। কেকেআর ও পঞ্জাব মিলে ৫২৩ রান করেছে। চলতি আইপিএলেই হায়দরাবাদ-মুম্বই ম্যাচেও মোট ৫২৩ রান হয়েছিল। সর্বাধিক ৫৪৯ রান হয়েছিল আরসিবি বনাম সানরাইজার্স ম্যাচে। চলতি আইপিএলে কেকেআরের হয়ে ওপেনিং জুটিতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন সুনীল নারিন এবং ফিল সল্ট। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে তাঁরা ১৩৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েছেন। যা আবার কেকেআরের হয়ে সর্বাধিক ওপেনিং পার্টনারশিপের তালিকায় দ্বিতীয়। এই তালিকায় প্রথমে রয়েছেন গৌতম গম্ভীর ও ক্রিস লিন। তাঁরা ২০১৭ সালে রাজকোটে ১৮৪ রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ গড়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • GT vs PBKS: নায়ক শশাঙ্ক! টানটান ম্যাচে শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের, শুভমনের দাপুট  ব্যাটেও হার গুজরাটের

    GT vs PBKS: নায়ক শশাঙ্ক! টানটান ম্যাচে শেষ ওভারে জয় পাঞ্জাবের, শুভমনের দাপুট ব্যাটেও হার গুজরাটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ম্যাচের ফলের জন্য অপেক্ষা করতে হল শেষ বল পর্যন্ত। হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে পঞ্জাব কিংসের কাছে তিন উইকেটে  হারল গুজরাট টাইটান্স। খেলার ৩০ ওভার পর্যন্ত মনে হয়েছিল হাসতে হাসতে ম্যাচ জিতবে গুজরাট। কিন্তু শেষ ১০ ওভারে বদলে গেল ছবি। গুজরাটের বিরুদ্ধে ২০০ রান তাড়া করতে নেমে যেখানে শিখর ধাওয়ান, জনি বেয়ারস্টোরা ব্যর্থ হলেন সেখানেই নায়ক হয়ে উঠলেন শশাঙ্ক সিং। 

    দুরন্ত শুভমন

    এদিন টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন শিখর ধাওয়ান। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্ত খুব একটা কাজে লাগেনি। শুভমানের চওড়া ব্যাটের উপর ভর করে বড় রান করে গুজরাট। ওপেন করতে নেমে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকেন তিনি। । শুভমান গিল এক এক করে পার্টনারশিপ করে কেন উইলিয়ামসন, সাই সুদর্শনের সঙ্গে। প্রত্যেকের সঙ্গে রান পান তিনি। কেন উইলিয়ামসন করেন ২৬ রান। সাই সুদর্শন করেন ৩৩ রান। শেষে তাঁর সঙ্গে পার্টনারশিপ তৈরি করলেন রাহুল তেওটিয়া।  ৮ বলে ২৩ রান করলেন রাহুল তেওটিয়া ও গিল করলেন ৮৯ রান। এদিন ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে গুজরাট ১৯৯ রান তোলে। 

    নায়ক শশাঙ্ক

    রান তাড়া করতে নেমে পেরথমেই শিখর ধাওয়ানের উইকেট হারায় পাঞ্জাব।  ১ রানে ফেরেন শিখর। উমেশ যাদব বোল্ড আউট করেন গব্বরকে। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে বেয়ারস্টো ও প্রভসিমরন মিলে তোলেন ৩৫ রান। ইনিংসের মাঝপথে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে পঞ্জাব। স্যাম কারান মাত্র ৫ রান করেন। পঞ্চম উইকেটে এরপর সিকান্দার রাজার সঙ্গে জুটি বাঁধেন শশাঙ্ক সিং। এই জুটিতে ওঠে ৪১ রান। রাজা (১৫) ফিরলে এরপর জীতেশ শর্মার সঙ্গে জুটিতে ৩৯ রান তোলেন শশাঙ্ক। এক আলাদা মেজাজে ব্যাটিং করছিলেন শশাঙ্ক।

    শেষ চার ওভারে জিততে দরকার ছিল ৪৭ রান। শশাঙ্ক ২৫ বলে অর্ধশতরান করেন। তাঁকে সঙ্গ দেন ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার হিসাবে নামা আশুতোষ শর্মা। শেষ ১২ বলে জিততে দরকার ছিল ২৫ রান। অবশেষে ১ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেটে ম্যাচ জিতে হাসিমুখে মাঠ ছাড়ে প্রীতি জিন্টার দল। নায়ক হয়ে ওঠেন শশাঙ্ক। এই শশাঙ্ককেই নাকি নিলাম টেবিলে “ভুল করে” কিনে ফেলেছিলেন প্রীতি!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    IPL 2023: শেষ বলে নাইটদের নায়ক রিঙ্কু! রাসেল থেকে রানা সকলেই দিলেন সার্টিফিকেট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল আকুতি ইডেনের জনতার। রিঙ্কু… রিঙ্কু…শব্দব্রহ্ম তখন গ্যালারি জুড়ে। জয়ের জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রয়োজন ১ বলে ২ রান। রিঙ্কু পারবেন, এই বিশ্বাস ছিল সমর্থকদের। কারণ, এই আইপিএলেই (IPL 2023) তিনি গুজরাটের বিরুদ্ধে অসাধ্য সাধন ঘটিয়েছিলেন শেষ পাঁচ বলে পাঁচটি ছক্কা হাঁকিয়ে। এবারও হতাশ করলেন না বাঁহাতি রিঙ্কু। শেষ বলে তিনি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ফের জেতালেন দলকে। পাঞ্জাব কিংসকে ৫ উইকেটে হারানোর সুবাদে জেগে রইল প্লে-অফে ওঠার আশাও।  ১১ ম্যাচ খেলে কেকেআরের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট। রয়েছে পঞ্চম স্থানে। 

    রিঙ্কুর বিশ্বাস

    ম্যাচ শেষে রিঙ্কু বলছিলেন, ‘আমি শেষ বল নিয়ে ভাবিনি। পাঁচ ছক্কার ম্যাচেও একইভাবে ব্যাট করেছিলাম। অর্শদীপের শেষ ডেলিভারিতে শট খেলেই দৌড়ে গিয়েছিলাম সিঙ্গলস নিতে। কারণ, মাথায় ছিল এক রান হলেও ম্যাচটা টাই হবে। তখন সুযোগ মিলবে আরও একবার। কিন্তু নন স্ট্রাইকার এন্ডে গিয়ে দেখলাম বলটা বাউরন্ডারি লাইন টপকে গিয়েছে। দলকে এমন একটা জয় এনে দিতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে। আসলে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য অনুশীলনে অনেক পরিশ্রম করি। তারই সুফল পাচ্ছি।’

    রাসেল-রানার সার্টিফিকেট

    দলকে জিতিয়ে কেকেআর (IPL 2023) সমর্থকদের হৃদয় জিতলেন রিঙ্কু সিং। আর ২৩ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংসের সুবাদে ম্যাচের সেরা হলেন রাসেল। তবে তাঁর সামনেও ম্যাচ শেষ করার সুযোগ ছিল। ২ বলে যখন ২ রান দরকার, তখন অহেতুক সিঙ্গলস নিতে গিয়ে রান আউট হন রাসেল। দল চাপে পড়ে যায়। কিন্তু কেন তিনি এমনটা করতে গেলেন? রাসেল জানিয়েছেন, ‘আমার ইচ্ছা ছিল রিঙ্কু ম্যাচটা ফিনিশ করুক। ও দুর্দান্ত এক ক্রিকেটার। ও ভালো ফিনিশারও। তাই সিঙ্গলস নিতে চেয়েছিলাম। তার আগে আমাদের মধ্যে আলোচনাও হয়েছিল। রিঙ্কু জিজ্ঞাসা করেছিল, তুমি যদি বলটা ব্যাটে লাগাতে না পারো, তাহলে কি দৌড়ে রান নেবে? আমি রাজি হয়েছিলাম। তবে জয়টা আমার ব্যাটেই আসা উচিত ছিল। কিন্তু অর্শদীপের ডেলিভারি ছিল অসাধারণ।’

    আরও পড়ুন: বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিচ্ছে ‘মোকা’! দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহের ভ্রুকুটি

    কেকেআর অধিনায়ক নীতীশ রানাও প্রশংসায় ভরিয়েছে রিঙ্কু সিংকে। তিনি বলেছেন, ‘আগে ইডেনের গ্যালারি চিৎকার করত রাসেল, রাসেল বলে। এখন রিঙ্কু, রিঙ্কু করছে। একজন ক্রিকেটারের এর চেয়ে বড় প্রাপ্তি আর কী-ই বা হতে পারে।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Squad: আইপিএলে সাফল্যের পুরস্কার! দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে উমরান, অর্শদীপ

    India Squad: আইপিএলে সাফল্যের পুরস্কার! দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে উমরান, অর্শদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (IPL 2022) থেকে সোজা জাতীয় ক্রিকেট দল (Indian Cricket Team)। এমনই লম্বা উড়ান দিলেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের (SRH) ফাস্ট বোলার উমরান মালিক (Umran Malik) এবং পাঞ্জাব কিংসের (PBKS) বোলার অর্শদীপ সিং (Arshdeep Singh)। সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে (South Africa) টি-২০ সিরিজের (T-20 Series) ১৮ জনের ভারতীয় দলে জায়গা করে নিলেন এই দুই তরুণ ক্রিকেটার। জুন মাসের ৯ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে এই সিরিজ। 

    চলতি বছরই উমরান মালিককে দলে টেনেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। ১৩টি ম্যাচ খেলে ২১টি উইকেট নিয়েছেন তিনি। বল করার গড় গতিবেগ প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার। পাঞ্জাব কিংসের হয়ে এই মরশুমে ১০টি উইকেট নিয়েছেন অর্শদীপ সিং। 

    টি-২০ সিরিজে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন কেএল রাহুল (KL Rahul)। এই সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে রোহিত শর্মা (Rohit Sharma) ও বিরাট কোহলিকে (Kohli)। বিশ্রামে থাকবেন জসপ্রীত বুমরাহও (Bumrah)। লোকেশ রাহুলের সহকারীর দায়িত্ব পালন করবেন ঋষভ পন্ত (Pant)। 

    আরও পড়ুনঃ আইপিএলে অনন্য কীর্তি বিরাটের, ছুঁলেন এই মাইলস্টোন

    যেখানে বড় নামী ক্রিকেটাররা বাদ গেছেন সিরিজ থেকে সেখানে এই দুই তরুণ ক্রিকেটারদের দলে স্থান পাওয়ায় বিস্মিত হয়েছেন অনেকেই। শিখর ধাওয়ানের (Shikhar Dhawan) মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারও এবার নিজের জায়গা করে নিতে পারেননি দলে। উমরান ও অর্শদীপ ছাড়া জায়গা পেয়েছেন হর্ষল প্যাটেল (Harshal Patel) ও আবেশ খান (Avesh Khan)। 

    রাহানে এবং চিতেশ্বর পুজারা এবছরের শুরুতেই শ্রীলঙ্কা সিরিজে নিজেদের জায়গা করতে পারেননি। যদিও পরবর্তীতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। চারটে সেঞ্চুরি নিয়ে কামব্যাক করেন রাহানে। 

    আরও পড়ুনঃ উমরান মালিক থেকে লকি ফার্গুসন, একনজরে দেখে নিন আইপিএলের ফাস্ট বোলারদের

    পুরোনোদের মধ্যে দীনেশ কার্তিক (Dinesh Karthik) এবং হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya) রয়েছেন দলে। ফর্মে না থাকা সত্ত্বেও স্থান পেয়েছেন ইশান কিষান (Ishan Kishan)। 

    এক নজরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ভারতীয় টি-২০ দল: 

    লোকেশ রাহুল (অধিনায়ক), রুতুরাজ গায়কোয়াড়, ইশান কিষাণ, দীপক হুডা, শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার ও সহ-অধিনায়ক), দীনেশ কার্তিক, হার্দিক পান্ডিয়া, ভেঙ্কটেশ আয়ার, যুজবেন্দ্র চাহাল, কুলদীপ যাদব, অক্ষর প্যাটেল, রবি বিষ্ণোই, ভুবনেশ্বর কুমার, হর্ষল প্যাটেল, আবেশ খান, অর্শদীপ সিং ও উমরান মালিক।  

     
     

LinkedIn
Share