Tag: Punjab Police

Punjab Police

  • Khalistani Attack: গুরদাসপুর গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে খলিস্তানপন্থী নেতা জগজিৎ সিং! আইএস যোগ সন্দেহ

    Khalistani Attack: গুরদাসপুর গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে খলিস্তানপন্থী নেতা জগজিৎ সিং! আইএস যোগ সন্দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জাব পুলিশ এবং উত্তরপ্রদেশ পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে পিলিভিট জেলার তিন খালিস্তানপন্থী জঙ্গিকে (Khalistani Attack) খতম করেছে। নিহত তিন জঙ্গি গুরবিন্দর সিং, বিরেন্দর সিং এবং জাসনপ্রীত সিং, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্স (KZF)-এর সদস্য ছিল। তারা গুরদাসপুর জেলার একটি পুলিশ পোস্টে গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। 

    কী বলছে পুলিশ?

    এই বিষয়ে একটি ভিডিও বিবৃতিতে পাঞ্জাবের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP) গৌরব যাদব জানান, খালিস্তান জিন্দাবাদ ফোর্সের একটি মডিউল পরিচালনা করতে যে সন্দেহভাজন ব্যক্তি জড়িত, তিনি হচ্ছেন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একজন শিখ সৈনিক, জগজিৎ সিং, যিনি ফতেহ সিং ‘বাগি’ নামেও পরিচিত। যাদব আরও জানান, এই মডিউলটি পাকিস্তানে অবস্থিত কেজেডএফ-এর প্রধান রঞ্জিত সিং নিটা এবং গ্রিসে অবস্থিত জসবিন্দর সিং মান্নুর-এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছিল। পাঞ্জাব পুলিশ সন্দেহ করছে যে, পাকিস্তানের আইএসআই জগজিৎ সিংকে সন্ত্রাসী মডিউলে যোগ দিতে প্ররোচিত করেছে। আইএসআই দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি সেনাবাহিনীতে শিখদের নিয়োগ করে খালিস্তান আন্দোলনের পক্ষে ব্যবহার করে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জগজিৎ সিংয়ের নেতৃত্বে মডিউলটি মূলত ছোট অপরাধীদের ব্যবহার করেই হামলা চালাত।

    আরও পড়ুন: দক্ষতার ভিত্তিতে কর্মচারীদের বেতন! পে কমিশন নিয়ে কী ভাবছে সরকার?

    জগজিৎ সিং কে? 

    পঞ্জাবের টার্ন তারান এলাকার বাসিন্দা জগজিৎ সিং। পুলিশের অনুমান, ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে জগজিতের সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর পরিবার দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে জড়িত ছিল।  রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর দাদা ও বাবা ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন। তাঁর বাবা সুবেদার পদে অবসর নেন। জগজিৎ সিংয়ের ভাইও শিখ রেজিমেন্টে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেছিলেন। প্রায় দশ বছর আগে, জগজিৎ ছাত্র ভিসায় ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। ইস্ট লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পড়াশোনা শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর ৪র্থ ব্যাটেলিয়ন দ্য রাইফেলসের সদস্য ছিলেন, যেটি ইরাক, আফগানিস্তান, কসোভো এবং সিয়েরা লিওনে মোতায়েন ছিল। প্রশিক্ষণ শেষে, তিনি আফগানিস্তানে একটি ট্যুরে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে জগজিৎ ব্রিটেনেই রয়েছেন বলেই খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amritpal Singh: ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! বিমানবন্দরেই আটক অমৃতপালের স্ত্রী কিরণদীপ

    Amritpal Singh: ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! বিমানবন্দরেই আটক অমৃতপালের স্ত্রী কিরণদীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমৃতসর বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের বিমান ধরার পথে আটকানো হল খলিস্তানপন্থী (Pro Khalistan) নেতা অমৃতপাল সিংয়ের (Amritpal Singh) স্ত্রী কিরণদীপ কৌরকে (Kirandeep Kaur)। বৃহস্পতিবার তাঁকে আটক করল পাঞ্জাব পুলিশ (Punjab Police)। এদিন দুপুর দেড়টায় তিনি এয়ার ইন্ডিয়া এআই ১৬৯ ফ্লাইটে চড়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন বিভাগের কর্তারা কিরণদীপকে বিমানবন্দরে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। পুলিশ সূত্রের খবর, বিমানবন্দরের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। 

    আটক কিরণদীপ

    পুলিশ সূত্রে খবর, পলাতক খালিস্তানপন্থী স্বঘোষিত ধর্মগুরু অমৃতপাল সিং (Amritpal Singh)-এর স্ত্রী কিরণদীপ এদিন লন্ডনের বিমান ধরে ভারত ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। অমৃতসর বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের অফিসারদের প্রথমে চোখ পড়ে কিরণদীপের উপর। অমৃতপাল পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ালেও কিরণদীপকে নজরে রাখা হয়েছিল। কিরণদীপ পাঞ্জাবে জন্মেছিলেন। তবে, ছোটবেলাতেই পরিবারের সঙ্গে ব্রিটেনে চলে যান। সেই থেকে তিনি ইংল্যান্ডেই থাকতেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে বিবাহ করেছেন অমৃতপাল। বিয়ের পর কিরণদীপ পাঞ্জাবে এসে অমৃতপালের পৈতৃক গ্রামে বসবাস শুরু করেন। কিরণদীপের পরিবার আদতে জলন্ধরের বাসিন্দা।

    আরও পড়ুন: হিন্দু নেতাদের খুন করতে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছিল পিএফআই?

    অধরা অমৃতপাল

    পাঞ্জাব পুলিশের সন্দেহ, ওয়ারিস পাঞ্জাব দি-এর জন্য বিদেশ থেকে অর্থ সংগ্রহ করছেন কিরণদীপ। গত ১৮ মার্চ, অমৃতপাল এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল ‘ওয়ারিশ পঞ্জাব দি’র সদস্যদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করেছিল পাঞ্জাব পুলিশ। তার কয়েকদিন আগেই, অমৃতপাল এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা সশস্ত্র অবস্থায় পাঞ্জাবের এক থানায় হামলা চালিয়েছিল। অমৃতপাল (Amritpal Singh) ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা, হত্যার চেষ্টা, পুলিশের উপর হামলা এবং সরকারি কর্মীদের কর্তব্য পালনে বাধাদান-সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় মামলা করা হয়েছে। তবে, অভিযান শুরুর পর থেকে একমাস পেরিয়ে গেলেও অমৃতপালকে এখনও ধরা যায়নি। পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বারবার পালিয়েছে সে। পুলিশ তাঁর বেশকিছু অনুগামী এবং সমর্থকদের আটক করেছে ইতিমধ্যে। ঘটনার রেশ ছড়িয়েছে বিদেশের মাটিতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    Mohali blast: নেপথ্যে জঙ্গি-যোগ? পঞ্জাবে পুলিশের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্ত পেতে পারে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোহালিতে পঞ্জাব পুলিশের (Punjab police) গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরে গ্রেনেড হামলার তদন্তভার বর্তাতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র(NIA) ওপর। অন্তত এমনই খবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। যদিও গ্রেনেড হানার ঘটনাটিকে ছোট ঘটনা বলে মনে করছে পঞ্জাব সরকার।

    মোহালির (Mohali) সেক্টর ৭৭-এ রয়েছে পঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতর। সোমবার রাত আটটা নাগাদ দফতরের বিল্ডিংয়ে আছড়ে পড়ে গ্রেনেড। প্রাণহানির কোনও ঘটনা না ঘটলেও, গ্রেনেড হামলার জেরে ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় সদর দফতরের কাচের জানালা। এই হামলার আগে পঞ্জাব পুলিশের কাছে হুমকি চিঠি এসেছিল বলে সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর।

    যদিও ঘটনাটি ছোট ঘটনা বলে জানায় পঞ্জাবের আম আদমি পার্টির (APP) সরকারের প্রধান ভগবন্ত মান। রাজ্য সরকার যতই ঘটনাটি ছোট করে দেখাক না কেন, তবে রকেট হামলার এই ঘটনাটি মোটেই হালকাভাবে নিচ্ছে না কেন্দ্রীয় সরকার। মোহালির এই বিস্ফোরণের সঙ্গে জঙ্গি যোগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না অমিত শাহের মন্ত্রক। তদন্তের ভার দেওয়া হতে পারে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র হাতে। গোয়েন্দা দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনাকে জঙ্গি কার্যকলাপের অংশ হিসেবেই তারা দেখছে বলে সূত্রের খবর।

    কংগ্রেস সরকারকে পরাস্ত করে পঞ্জাবের কুর্সিতে আসে আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী হন ভগবন্ত মান। আপ ক্ষমতার আসার পর থেকে প্রায়ই অশান্তির খবর আসছে পঞ্চনদের রাজ্য থেকে। অথচ বিধানসভা নির্বাচনের আগে আম আদমি পার্টির প্রধান তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, পঞ্জাবের ক্ষমতায় আপ এলে বদলে যাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি। বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে আপ। তবে ভোল বদলায়নি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির।

    পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের সদর দফতরের সামনে গ্রেনেড হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে আপ সুপ্রিমো কেজরিওয়াল বলেন, পরিকল্পিতভাবে পঞ্জাবের শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। মোহালি বিস্ফোরণ একেবারে কাপুরুষোচিত কাজ। আমরা কিছুতেই পঞ্জাবের শান্তি বিঘ্নিত হতে দেব না।

     

LinkedIn
Share