Tag: purba medinipur

purba medinipur

  • Purba Medinipur: “দল ছেড়ে যাব না”, কর্মীদের শপথবাক্য পাঠ করাল তৃণমূল

    Purba Medinipur: “দল ছেড়ে যাব না”, কর্মীদের শপথবাক্য পাঠ করাল তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জিতেও স্বস্তি নেই তৃণমূল কংগ্রেসের। দল বদলের আশঙ্কায় অন্য দলে না যাওয়ার শপথবাক্য পাঠ করানো হল তৃণমূলের গ্রাম পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্যদের। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) খোদামবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

    কেন শপথবাক্য (Purba Medinipur)?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফল ঘোষণার পর দল বদলের হিড়িক পড়েছে সর্বত্র। পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলায় পাঁশকুড়ায় দুই নির্দল সদস্যকে দলে নেয় তৃণমূল। পাঁশকুড়ার জয়ী সিপিএম প্রার্থী তৃণমূলে যোগ দিয়ে ফের ফেরত গেছেন আবার সিপিএমেই। আবার এই পাঁশকুড়ারই দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থীদের দল বদলের আশঙ্কায় রাখা হয়েছিল গোপন ডেরায়। এবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের খোদামবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী তৃণমূল সদস্যরা কোনও প্রলোভনে পা না দিয়ে যাতে দলত্যাগ করতে না পারে, তার জন্য রীতিমতো শপথবাক্য পাঠ করালেন এলাকার তৃণমূল নেতৃত্ব। এলাকার দলীয় নেতা কর্মীদের সামনে শপথ নিলেন তৃণমূলের আট নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। এই শপথ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সমাজিক গণমাধ্যমে। যেখানে নির্বাচিত তৃণমূল সদস্যদের বলতে শোনা যাচ্ছে, আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ হচ্ছি যে, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসেই থাকবো। কোনও প্রলোভনে পা দেব না। আমরা বোর্ড গঠন করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপহার দেব।

    শুভেন্দু কী বলেছিলন!

    গত রবিবার এই নন্দীগ্রাম (Purba Medinipur) ২ ব্লকের রেয়াপাড়ার একটি অনুষ্ঠানে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, উন্নয়ন করতে গেলে ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে আসতেই হবে। ১১ টা অঞ্চল আমরা পেয়েছি। উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের সঙ্গে আসতে হবে, এরপর সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায় দেখুন। আর এই বক্তব্যকে হাতিয়ার করে আশঙ্কা করছেন খোদামবাড়ি ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের নির্বাচিত সদস্যরা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Medinipur) তৃণমূলের নেতা সুনীলবরণ জানা বলেন, এলাকায় নানা ধরনের গুজব চলছে, তাই কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর জন্য আমরা শপথ নিয়েছি। তৃণমূলের কর্মীরা তৃণমূলেই থাকবেন। আর এই তৃণমূল সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর বিষয়টি সামনে আসায় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূল, তৃণমূলের ওপর বিশ্বাস নেই তাই এই শপথবাক্য পাঠ, কটাক্ষ বিজেপির।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দুর বিধানসভা (Purba Medinipur) কেন্দ্রে দুটি ব্লকের ১৭ টি অঞ্চলের মধ্যে দশটি অঞ্চলে জয় বিজেপির। আর বাকি সাতটি অঞ্চল তৃণমূলের দখলে গেল। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় খেলা হল গেরুয়া আবির। নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলাফলের পর এলাকায় জয়ের তীব্র উত্তেজনা দেখা গেল।

    নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) ফলাফল কেমন হল বিজেপির?

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ১৯৫৬ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৮ই জুলাই ভোটের দিন নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের খবর উঠে আসছিল বিরোধীদের মুখে। নন্দীগ্রামে ১০ই জুলাই পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তার পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকে থমথমে পরিবেশ ছিল নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রাম বিধানসভার দুটি ব্লক। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লক ও রিয়াপাড়া ব্লক। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকে দশটি অঞ্চল এবং রেয়াপাড়া ব্লকে ৭ টি অঞ্চল। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকে ১০ টি অঞ্চলের মধ্যে ৫ টি অঞ্চল তৃণমূলের দখলে ও বিজেপি বাকি ৫ টি অঞ্চল দখল করে। রেয়াপাড়া ব্লকের ৭ টি অঞ্চলের মধ্যে তৃণমূল ২ টি অঞ্চল ও বিজেপি ৫ টি অঞ্চল দখল করেছে। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকে হরিপুর অঞ্চলে খাতা খুলতে পারল না তৃণমূল। এখানে ১৫ টি আসনের মধ্যে ১৫ টিই বিজেপির দখলে।

    অন্য দিকে কাঁথিতেও জয়ী বিজেপি

    অপর দিকে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) কাঁথিতেও উড়ল গেরুয়া আবির। কাঁথি ১ নং ব্লকের ৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। তাই জয়ের পরেই শান্তিকুঞ্জের সামনে অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা গেরুয়া আবির মেখে উল্লাসে মেতে ওঠে। সবার মুখেই একটাই কথা ‘শুভেন্দু ম্যাজিক’ কাজে লেগেছে। রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি পাঁচটি অঞ্চল দখল করেছে। এখন দেখার বিষয় জেলার ২৫ টি পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ কার দখলে যায়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    Purba Medinipur: কাঁথির বুথে নেই পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী, ভোট বয়কট ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যাপক গন্ডগোলের জেরে আজ পুনরায় ভোট ঘোষণা করা হয়েছে কাঁথি (Purba Medinipur) দেশপ্রাণ ব্লকের আমতলীয়া পশ্চিম বুথে। কিন্তু বুথে পর্যাপ্ত বাহিনী না থাকায় ভোটাররা ভোট বয়কটের ডাক দিয়েছেন। মহিলারাও লাঠি-বঁটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন। অপর দিকে এগরায় স্ট্রং রুমের সামনে বিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশকে লক্ষ্য করে চলল ইটবৃষ্টি! পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশের লাঠিচার্জ। এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য। 

    কাঁথিতে (Purba Medinipur) কী ঘটল?

    ভোট কর্মী এবং পুলিশ কর্মীরা উপস্থিত হলেও বুথে হাজির হননি কোনও ভোটার। কারণ নিরাপত্তার অভাব অনুভব করছেন সাধারণ ভোটাররা। বুথে পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকায় ভোট বয়কটের পথে হেঁটেছেন দলমত নির্বিশেষে গ্রামের মানুষজন। বঁটি-ঝাঁটা হাতে প্রতিবাদে গ্রামের রাস্তায় দেখা গেল এলাকার মহিলাদের। নির্বাচনের দিনে তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।

    এগরায় (Purba Medinipur) কী হয়েছে?

    ৮ই জুলাই পঞ্চায়েত ভোট মিটলেও অশান্তি থামছে না। স্ট্রং রুম পাহারাকে কেন্দ্র করে তুলকালাম ঘটনা ঘটে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এগরাতে। রাতের অন্ধকারে ব্যালট বাক্সে কারচুপির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ফলে এগরা দু’নম্বর ব্লকের বালিঘাই হাইস্কুলে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। এখানে প্রধান অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে তৃণমূল কর্মীরা স্ট্রং রুমের মধ্যে যায়। কিন্তু বিজেপি কর্মীদের ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। স্ট্রং রুমের মধ্যে তৃণমূল ঢুকে ব্যালট বাক্সে কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার রাতে স্ট্রং রুমের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে বিজেপি কর্মীরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশের ওপর শুরু হয় ইটবর্ষণ। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কার্যত রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে কেন্দ্র। ভোটের পরে ব্যালট পরিবর্তন যাতে না করতে পারে তৃণমূল, সেই জন্য এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজেপির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    Purba Medinipur: নাড়ুয়াবিলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে তৃণমূলের প্রার্থীকে ডাকল এনআইএ, তীব্র উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাড়ুয়াবিলা (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডে এবার এনআইএ তলব করল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের তৃণমূল প্রার্থী মানব পড়ুয়াকে। আগামী ৫ ই জুলাই ডাকা হয়েছে তাঁকে। ভোটের আগে এই  নিয়ে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্য।

    বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Purba Medinipur) কেন ডাকল এনআইএ?

    নাড়ুয়াবিলা  (Purba Medinipur) বিস্ফোরণ কাণ্ডের তদন্তে গত জুন মাসের ২০ তারিখ ভূপতিনগর থানায় এসেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র চার সদস্যের এক প্রতিনিধিদল। তাঁরা নাড়ুয়াবিলা গ্রামের বিস্ফোরণস্থলেও গিয়েছিলেন। এই স্থানেই গত বছর ডিসেম্বর মাসের ২ তারিখের রাতে এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

    নাড়ুয়াবিলা গ্রামে কী ঘটেছিল?

    ভগবানপুর (Purba Medinipur) ২ ব্লকের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূল নেতা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে ঘটা সেদিনের বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় তিন তৃণমূল কর্মীর। সেই বিস্ফোরণের ঘটনায় এবার ডাকা হল মানব পড়ুয়াকে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের বিদায়ী সদস্য তথা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পরিষদের বর্তমান প্রার্থীকে নির্বাচনের তিন দিন আগে ডেকে পাঠানোর খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভগবানপুরের রাজনৈতিক মহলে। সূত্রের খবর, শুধু মানব পড়ুয়া নয়, আরও কয়েক জনকে ডেকেছে এনআইএ, যারা প্রত্যেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা বা কর্মী। এই বিস্ফোরণের সঙ্গে তৃণমূলের এই নেতাদের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করছে তদন্তকারী সংস্থা।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাকর্মী ও প্রার্থীদের এইভাবে ডাকার জন্য নিন্দা করেছেন ভগবানপুর দুই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অম্বিকেশ মান্না। তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ঠেকাতে ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বিজেপি। অপর দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। ভগবানপুর (Purba Medinipur) বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, আইন আইনের পথে চলছে, বিস্ফোরণের ঘটনায় অভিযুক্তরা আজ না হয় কাল ধরা পড়বেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: তৃণমূলের বিধায়ক ও প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘ছিঃ ছিঃ ছিঃ’ পোস্টার, শোরগোল মহিষাদলে

    Purba Medinipur: তৃণমূলের বিধায়ক ও প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘ছিঃ ছিঃ ছিঃ’ পোস্টার, শোরগোল মহিষাদলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন হাতে গোনা কয়েক দিন পরেই। তার মধ্যেই মহিষাদল (Purba Medinipur) ব্লকের কিসমৎ নাইকুন্ডি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৯ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের প্রার্থী বিরুদ্ধে ঘাগরা এবং শরবেড়িয়া এলাকায় পোস্টার ঘিরে জোর শোরগোল পড়েছে। প্রার্থী নিজে এলাকার রাস্তাঘাট এবং মানুষদের তেমন চেনেন না বলে অভিযোগ উঠেছে পোস্টারে। বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে (Purba Medinipur)?

    পোস্টারে লেখা রয়েছে, “বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-মহিষাদল ২০৮ এর বিধায়ক, মহিষাদল (Purba Medinipur) পঞ্চায়েত সমিতিতে কাকে প্রার্থী করেছেন? বাগদা, বাসুদেবপুর, শরবেড়িয়া, ঘাগরা, গোপালপুর গ্রামে যিনি রাস্তা চিনে না এবং বাড়ি বাড়ি তো দূরের কথা। বড় লজ্জা। ছিঃ ছিঃ ছিঃ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    যদিও বিষয়টিকে বিরোধীদের চক্রান্ত বলছেন মহিষাদলের (Purba Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক তিলককুমার চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আমাদের দলে নেত্রীর আঁকা প্রতীকই বড় কথা। বিরোধীরা তাঁদের পরাজয় বুঝতে পেরে এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে চলেছেন। এর জবাব সঠিক সময়, ভোটের ফলাফল ঘোষণার দিন পাবেন।

    মহিষাদল ব্লকের ৯ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের প্রার্থী সুজাতা জানা ফাদিকা বলেন, গত ১৩ বছর ধরে আমি মহিষাদলে রয়েছি। মহিষাদলের মানুষের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগ তুলে মানুষের মন পাওয়ার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। এতে লাভ হবে না। জয় তৃণমূল কংগ্রেসের নিশ্চিত।

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির (Purba Medinipur) প্রার্থী সুন্দরানন্দ গুড়িয়া বলেন, এই ধরনের পোস্টার বিজেপিকে করতে হয় না। তৃণমূলের নিজেদের লোকেরা যাঁরা প্রার্থীকে পছন্দ করেননি তাঁরাই এই কাজ করেছেন। সবটাই তৃণমূলেরই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তৃণমূলের প্রার্থী বাইরে থেকে এসেছেন, এলাকার কোনও লোকজনকেই চেনেন না। যারা দীর্ঘদিন ধরে দল করল, টিকিট না পাওয়ায় এই ক্ষোভ তাদেরই। এসব তৃণমূলের মূলত গোষ্ঠী কোন্দলের পরিচয় ছাড়া আর কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেন এই বিজেপির প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: জালে পড়ল ১৩ কেজি ওজনের দৈত্যাকার চিতল!

    Purba Medinipur: জালে পড়ল ১৩ কেজি ওজনের দৈত্যাকার চিতল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) সুবর্ণরেখা নদীতে জালে পড়ল ১৩ কেজির দৈত্যাকার চিতল মাছ। লম্বায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট। এই মাছকে ঘিরে এলাকায় বেশ উৎসাহের ছবি ধরা পড়ে।

    কীভাবে ধরা পড়ল (Purba Medinipur)?

    শনিবার বিকেলে দৈত্যাকার এমনই এক চিতল মাছ ধরা পড়ল পশ্চিম মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলার দাঁতনের বালিডাংরি এলাকায়। সুবর্ণরেখা নদীতে জাল ফেললে ১২ কেজি ৭৫০ গ্রাম ওজনের এই বিশাল মাছটি ধরা পড়ে গতকাল বিকেলে। স্থানীয় এক মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে ‘এক মানুষ সমান’ এই চিতল মাছটি। মূলত মিষ্টি জল বা স্বাদু জলের মাছ হল এই চিতল। এই মাছের মুইঠ্যা বাঙালি ভোজন রসিকদের অত্যন্ত প্রিয়। বিকেলে জালে ধরা পড়া দৈত্যাকার চিতল মাছটিকে ঘিরে নিমেষে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে চাঞ্চল্য। মাছটিকে শুধু একবার চোখের দেখা দেখতে ভিড় জমান বহু মানুষ। যাঁরা নিজের চোখে মাছটি দেখেছেন তাঁরাই জানান, “বড় চিতল মাছ দেখেছি। কিন্তু, এমন দৈত্যাকার, এক মানুষ সমান চিতল মাছ দেখিনি!”। এই মাছকে ঘিরে এলাকার মানুষ রীতিমতো ছবি তুলে সামজিক গণমাধ্যমে ব্যবহার করেছেন। কেউ কেউ আবার যিনি ধরেছেন মাছটি, তাঁকে ঘিরেও ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করে আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন।

    মৎসজীবীর বক্তব্য

    যিনি মাছ ধরেছেন তিনি বলেন, প্রত্যেক দিনের মতো আজও কয়েকজন মিলে নদীতে (Purba Medinipur) মাছ ধরতে গিয়েছিলাম। বিকালের দিকে জাল তুলে দেখি এই বড় চিতল মাছটি জালে পড়ল। অনেকদিন পর এত বড় একটা চিতল মাছ ধরতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। তিনি আরও বলেন, এই মাছ বিক্রি করতে সমস্যা হয়নি। বাজারে নিয়ে গেলে, কিছুক্ষণের মধ্যেই বিক্রি হয়ে যায় মাছটি। বিক্রি হল প্রায় ১০ হাজার টাকায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rath Yatra: জগন্নাথ দেবের পাশেই মদনগোপাল জিউ, মহিষাদল রাজবাড়ির রথে ভক্তের ঢল

    Rath Yatra: জগন্নাথ দেবের পাশেই মদনগোপাল জিউ, মহিষাদল রাজবাড়ির রথে ভক্তের ঢল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরী, মাহেশের পর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদলের রাজবাড়ির রথও (Mahishadal Rath Yatra) ঐতিহ্যের দিক থেকে কোনও অংশেই কম সুপ্রাচীন নয়। এই বছর মহিষাদলের রথ পড়ল ২৪৭ বছরে। মহিষাদলের রাজবাড়ির রথের বিশেষত্ব হল, এই রথে জগন্নাথদেবের পাশাপাশি ওঠেন রাজবাড়ির কুলদেবতা মদনগোপাল জিউ। রথকে কেন্দ্র করে এক মাস ধরে মেলা চলে মহিষাদলে। প্রচুর ভক্ত সমাগমে পরিপূর্ণ আজকের এই রথের মেলা।

    ইতিহাসে রথযাত্রা

    রথের প্রসঙ্গ উঠলেই প্রথমে আসে পুরী, মাহেশের রথের (Mahishadal Rath Yatra) কথা। কিন্তু জানেন কি পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের রথও ঐতিহ্যের দিক থেকে কোনও অংশেই পিছিয়ে নেই। ইতিহাস ঘাঁটলে অন্তত তেমনই জানা যায়। এই রথ আজও একই রকম ঐতিহ্য বহন করে চলেছে। মহিষাদল রাজ পরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় এই রথের যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য এই রাজ পরিবার থেকেই ১৭৩৮ সালে রাজা হন যুবরাজ আনন্দলাল উপাধ্যায়। তিনি ৩১ বছর রাজত্ব করার পরে মারা গেলে, তাঁর স্ত্রী রানী জানকী জগন্নাথ পূজা এবং রথের দায়িত্ব নেন। তিনিই ১৭৭৬ সাল থেকে এই রথযাত্রা শুরু করেন।

    কেমন হয় রথযাত্রা

    সেই সময় এই রথে (Mahishadal Rath Yatra) ১৭টি চূড়া ছিল। চাকার উচ্চতা ছিল ৬ ফুট। এই রথ তৈরিতে সে সময় খরচ হয়েছিল ৬৪ হাজার টাকা। পরে এই রথের চূড়া কমিয়ে ১৩টি করা হয়। ২০১৭ সালে এই রথকে আরেক বার নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়। তখনও খরচ হয়েছিল প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা। এক মাস ধরে এই রথের মেলা চলে মহিষাদলে। রাজ পরিবার ও মহিষাদল সমিতির যৌথ উদ্যোগে এই রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এই মেলায় হাজার হাজার মানুষের ভিড় হয়। এই মেলায় বিভিন্ন শিল্পীরা ভিড় করেন। নানা রকমের হস্তশিল্প থেকে খাওয়া দাওয়া সব মিলে একেবারে জমে ওঠে মহিষাদলের রথযাত্রা।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও হাজার হাজার ভক্তের তীর্থধাম হয়ে ওঠে এই মহিষাদল। দুপুর তিনটের পর প্রথা মেনে রাজবাড়ির কোনও সদস্য রথের রশিতে টান দেওয়ার পর সেই রথ টানা শুরু হয়। মহিষাদল রথতলা থেকে গুন্ডিচাবাটি পর্যন্ত প্রায় দেড় কিমি রথে করে জগন্নাথদেব গিয়ে থাকেন মাসির বাড়িতে। সাত দিন মাসির বাড়িতে থেকে আবার ফিরে আসেন উল্টো রথে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: হেঁশেল ছেড়ে ভোটের ময়দানে! মুখোমুখি লড়াইয়ে একই পরিবারের দুই বৌমা

    Purba Medinipur: হেঁশেল ছেড়ে ভোটের ময়দানে! মুখোমুখি লড়াইয়ে একই পরিবারের দুই বৌমা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী ময়নার একই পরিবারের দুই গৃহবধূ। ময়না (Purba Medinipur) ব্লকের গোজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ২১৫ নম্বর বুথে গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এঁরা। একজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিজেপির হয়ে, অন্যজন তৃণমূলের হয়ে। হেঁশেলের সুসম্পর্ক রাজনীতির উঠোনে এসে কী দাঁড়ায়, তা নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে।

    কারা এই প্রার্থী

    গোজিনা (Purba Medinipur) গ্রামের ২১৫ নম্বর বুথে বিজেপির প্রার্থী মন্দিরা পাল এবং তৃণমূল প্রার্থী সুমিতা পাল। তাঁরা দুজনে দুই ভাইয়ের স্ত্রী অর্থাৎ দুজনে সম্পর্কে জা। দুজনই গৃহবধূ। এই প্রথমবার রাজনীতির ময়দানে নামলেন। প্রসঙ্গত, পরিবারের কর্তা ঈশ্বর মুরারীমোহন পালের ছয় ছেলে। তাঁর পরিবারেই মোট ভোট রয়েছে ১৫টি। যদিও প্রত্যেকে পৃথক বাড়ি করে আলাদা রয়েছেন। তবে এই পরিবারের সবার সঙ্গে সবার সম্পর্ক ভালো। পরিবারের দুই বৌমা হলেন নির্বাচনে দুই বিরোধী প্রার্থী।

    প্রার্থীদের বক্তব্য

    এলাকার (Purba Medinipur) মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তৃণমূল প্রার্থী সুমিতা পালের স্বামীর নাম সুশান্ত পাল এবং বিজেপি প্রার্থী মন্দিরা পালের স্বামীর নাম প্রশান্ত পাল। দুই জা বলেন, পারিবারিক সম্পর্ক ঠিক রেখে আমরা রাজনীতির ময়দানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব। রাজনৈতিক লড়াই যাই হোক না কেন, দুই জায়ের সম্পর্ক ভালোই থাকবে বলে জানান তাঁরা।

    পরিবারের বক্তব্য

    পরিবারের (Purba Medinipur) বড় ভাই কৃষ্ণপ্রসাদ পাল জানিয়েছেন, আমাদের চোখে দুই ভাই কিংবা দুই বৌমা সমান। আমরা সবার সাফল্য কামনা করি। পরিবারের ভোট আমরা ভাগ করে দুজনকেই দেওয়ার চেষ্টা করব।

    গত বিধানসভা ভোটের পর থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষে ময়না (Purba Medinipur) খবরের শিরোনামে আছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে দূরে সরিয়ে রেখে, সাংসারিক সম্পর্ককে অক্ষুন্ন রেখে কীভাবে এই লড়াই লড়বেন এই দুই জা, এটা দেখায় বিষয়। রাজনীতির ময়দানে কোন জা জয়লাভ করে সাধারণ জনগণের আশীর্বাদ লাভ করেন, সেটাও দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: মোদির কাজে আকৃষ্ট হয়ে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

    Purba Medinipur: মোদির কাজে আকৃষ্ট হয়ে তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন এলেই দল বদলের চিত্র দেখা যায়। যেমনটা দেখা গেল মহিষাদল (Purba Medinipur) ব্লকের নাটশাল-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের গাজিপুর এলাকার ১১৪ নম্বর বুথে। শাসক দল থেকে বিজেপিতে যোগদান করায় জেলায় দল আরও মজবুত বলে মনে করছে নেতৃত্ব।

    কীভাবে হল যোগদান?

    রবিবার রাতে এলাকার (Purba Medinipur) তৃণমূল, সিপিএম ও কংগ্রেস থেকে প্রায় ১৫০ জন বিজেপিতে যোগদান করেন। তাঁদের হাতে দলের পতাকা তুলে দেন মহিষাদল বিধানসভার বিজেপি কিষান মোর্চার জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ ব্যানার্জি এবং বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তথা প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস। মোদিজির কাজে খুশি হয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা যোগদান করায় লড়াইয়ে পথ অনেকটাই শক্ত হল বলে মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। আগামী দিনে শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ আমাদের সাথে যুক্ত হচ্ছে, দাবি বিজেপির। বাংলার গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে স্বচ্ছ  ও সুন্দর গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছি, জানান বিজেপির প্রাক্তন জেলা সভাপতি প্রদীপ দাস।

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও এই ভাবে বিজেপিতে যোগদানকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসক দল তৃণমূল। স্থানীয় (Purba Medinipur) তৃণমূলের বিধায়ক তিলককুমার চক্রবর্তী বলেন, বুথ, পঞ্চায়েত এবং ব্লক স্তরের নেতারা কেউ কেউ সামজিক সম্মান চান, সমাজের কাছে স্যার স্যার শুনতে চান! কিন্তু আমাদের দল নবজোয়ারের মাধ্যমে এলাকায় এলাকায় সমীক্ষা করে যোগ্য ব্যক্তিদেরই টিকিট দিয়েছে। এখানে যাঁরা টিকিট পাননি, তাঁরা হয়তো নির্দলে মনোনয়ন করেছেন। কিন্তু দল তাঁদের পাশে নেই। তাছাড়া ব্লকের অধিকাংশ আসনে প্রার্থী খুঁজে পায়নি বিজেপি। সুতরাং শাসক দলের কর্মীদের তৃণমূল থেকে বেরিয়ে বিজেপিতে যোগদানের ঘটনা অত্যন্ত হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই না। তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষ কাদের সঙ্গে আছেন, তা ১১ ই জুলাই পরিস্কার হয়ে যাবে। তৃণমূলের জয় নিশ্চিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: এবার শুরু মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি! কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    Purba Medinipur: এবার শুরু মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি! কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুর (Purba Medinipur) ২ নম্বর ব্লকের আডগোয়াল অঞ্চলের পানিলালা বুথে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী সমীরণ ঋষির বাড়িতে রাতের অন্ধকারে হামলা চালাল তৃণমূলীরা। তাঁকে নমিনেশন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির হয়ে কেন প্রার্থী? আমাদের নেতৃত্বের সঙ্গে কেন কোনও কথা বলেনি? অবিলম্বে নমিনেশন তুলে ফেলতে হবে। এইভাবেই চলে হুমকি। পরিবারের আরও দাবি, নমিনেশন না তুলে নিলে যে কোনও ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকারও হুঁশিয়ারি দিয়ে গেছে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা।

    বিজেপির কাঁথি (Purba Medinipur) সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতির বক্তব্য

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করছে তৃণমূল কংগ্রেস। পটাশপুরে (Purba Medinipur) রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে নমিনেশন তুলে নেওয়ার হুমাকি দেওয়া হচ্ছে। সমীরণবাবুকে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দেওয়া হয়, নমিনেশন তুলে না নিলে বাড়ির কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটাই তৃণমূলের আসল রূপ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, যদি বাংলায় মানুষ ঠিকঠাক নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন, তাহলে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।

    কেন হুমকির রাজনীতি

    মনোনয়নের আগে থেকেই পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলায় শাসক দলের অন্দরে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দল হিসাবে বিজেপি যত মনোনয়ন করেছে, তা সুস্থ, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হলে তৃণমূল পায়ের নিচের মাটি একেবারেই হারিয়ে ফেলবে, বলছে বিজিপি। আর তাই এক প্রকার হারের ভয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের গ্রামে-গ্রামে, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বিজেপি পদপ্রার্থীদের হুমকি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। বিরোধী শিবিরের আরও দাবি, শাসক দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলের জন্য অনেক তৃণমূল প্রার্থী বিজেপিকে ভোট দেবে। আর এই কারণে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব হারের ভয়ের মধ্যে রয়েছেন। এলাকায় বিজেপির দাবি, সিপিএমের হার্মাদরা আগে বাড়িতে বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে হত্যার ভয় দেখাত। আর বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস রাতের অন্ধকারে বাড়িতে গিয়ে বিরোধী দল করার জন্য বিজেপিকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সিপিএম এবং তৃণমূলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই বলে জানান বিজেপির স্থানীয় নেতারা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share