Tag: Puri

Puri

  • PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    PM Modi: জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি কোথায়? নবীনকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবার নির্বাচনী প্রচারের ফাঁকে জগন্নাথধামে গেলেন তিনি। আর পুজো দিয়ে বেরিয়েই জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডারের চাবি হারিয়ে যাওয়া নিয়ে নবীন পট্টনায়কের নেতৃত্বাধীন সরকারকে তোপ দাগলেন মোদি। তাঁর কথায় বিজেডি শাসনে নিরাপদ নয় পুরীর ঐতিহাসিক মন্দির।

    মোদির নিশানায় রত্নভান্ডারের ‘চাবি রহস্য’ (PM Modi)

    সোমবার পুরীতে পৌঁছে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করেন মোদি। আর প্রচারের ফাঁকেই জগন্নাথধামে পুজো দিয়ে বেরিয়ে মন্দিরের রত্ন ভান্ডারের চাবি নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের দিকে প্রশ্ন ছুড়লেন মোদি। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডারের চাবি হারানোর ঘটনাকেও এ বার ভোটপ্রচারের হাতিয়ার করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পুরীর মন্দিরের (Puri Temple) সামনেই গ্রান্ড রোড ধরে রোড শো করার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন তোলেন চাবি নিখোঁজ কেন? তিনি বলেন, “১২ শতাব্দীর এই পবিত্র জগন্নাথধাম বিজেডি সরকারের হাতে নিরাপদ নয়। বিজেডির শাসনকালে পুরীর এই জগন্নাথ মন্দির নিরাপদে নেই। রত্ন ভান্ডারের চাবি গত ছয় বছর ধরে পাওয়া যায়নি। মহাপ্রভু জগন্নাথের মন্দিরে পুজো দিলাম। তাঁর আশীর্বাদ যেন সর্বদা আমাদের সকলের মাথার উপর থাকে। তিনি যেন আমাদের জীবনে চলার পথে উন্নতির দিকে পৌঁছে দিতে সহায়তা করেন।”

    জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভান্ডার

    ওড়িশার জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Temple) ধর্মীয় তাৎপর্য কারও অজানা নয়। এই রত্নভান্ডারে বিগ্রহের জন্য নিবেদিত বহু মূল্যবান অলঙ্কার রয়েছে। জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার উদ্দেশ্যে এই অলঙ্কারগুলি নিবেদিত। এসব আজকের কথা নয়, যুগ-যুগ ধরে ভক্তকূল এবং একসময়ে রাজা-মহারাজারাও এই রত্ন ভান্ডারে অবদান করেছেন। শেষবার ১৪ জুলাই, ১৯৮৫ সালে খোলা হয়েছিল এই ভান্ডার।    

    আরও পড়ুন: ২ বছরে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক থাকবে ভারতে! দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে ওড়িশা হাইকোর্ট সরকারকে মন্দিরের (Puri Temple) রত্নভান্ডার খোলার নির্দেশ দেয়। যদিও রত্নভান্ডারের চাবি পাওয়া যায়নি বলে তা সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় রাজ্যবাসী ক্ষুব্ধ হয়। আগামী শনিবার ষষ্ঠ দফায় ২৫ মে পুরী, কটক, ভুবনেশ্বর-সহ ওড়িশার একাংশে ভোট রয়েছে। আর তার আগেই ভোটের মধ্যে রত্নভান্ডারের চাবি প্রসঙ্গকে আরও একবার সামনে আনলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    Puri: নতুন বছরের ভিড় সামলাতে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দরজা খুলল রাত ১টায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা বছর পুরীর (Puri) জগন্নাথ মন্দির ভক্তদের ভিড়ে ঠাসা থাকে। প্রভুকে দর্শন করতে প্রত্যেকদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী আসেন মন্দিরে। এত বেশি ভিড় হয় যে ভক্তদের গর্ভগৃহে পৌঁছানো মাঝে মধ্যে অসম্ভব হয়ে পড়ে। এবার সেই সমস্যারই সুরাহা হতে চলেছে। ঝঞ্ঝাট এড়িয়ে অনায়াসেই জগন্নাথদেবের দর্শন মিলবে পুরীতে। চালু হচ্ছে হেরিটেজ করিডর। অন্যদিকে ভক্তদের জন্য মন্দিরের দরজা ৩১ ডিসেম্বরই খুলে গেল রাত ১ টায় এবং খোলা থাকবে ১ জানুয়ারি রাত ১১ টা পর্যন্ত।

    নয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

    ভিড় সামাল দিতে নবীন পট্টনায়েকের সরকার নয়া উদ্যোগ নিয়েছে। এবার থেকে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাবেন স্পেশাল সিকিউরিটি ব্যাটালিয়নের ১,১৯০ জন কর্মী। নবীন পট্টনায়ক সরকারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, বিশ্ব বিখ্যাত জগন্নাথ মন্দিরের জন্য এবার থেকে স্পেশাল ব্যাটালিয়ন ফোর্সের নিরাপত্তারক্ষীদের মোতায়েন করা হবে। দর্শনার্থীরা আরও সহজে জগন্নাথধামে প্রবেশ করতে পারবেন। আরও মজবুত হবে নিরাপত্তা। ভিড় সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। ওড়িশা সরকারের বিবৃতি অনুযায়ী, পুরীর মন্দিরে হেরিটেজ করিডর নির্মাণ হওয়ার পর দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ৯৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জগন্নাথ মন্দিরের চতুর্দিকে মেঘনাদ পচেরি ঘিরে একটি পাঁচিল নির্মাণ করা হচ্ছে। ৭৫ মিটার এলাকা জুড়ে তৈরি হচ্ছে এই করিডর। যানবাহন চলাচলের ওপরেও নিয়ন্ত্রণ লাগানো হচ্ছে। হাফপ্যান্ট পরে মন্দিরে প্রবেশ আগেই বন্ধ হয়েছে। এর পাশাপাশি বাতানুকূল সেডও তৈরি হচ্ছে যেখানে আরামদায়কভাবে লাইনে দাঁড়াতে পারবেন পুণার্থীরা (Puri)।

    হেরিটেজ করিডরের উদ্বোধন ১৭ জানুয়ারি

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে কেবলমাত্র সিংহদুয়ার দিয়ে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে প্রবেশ করেন ভক্তরা। ভিড় বেশি হওয়াতে ভক্তদের খুবই কষ্ট হয়। গর্ভগৃহের কাছে পৌঁছনো তো দূর, ভিতরে মিনিট খানেকও সময় পান না দর্শনের জন্য। জানা গিয়েছে প্রায় দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ শ্রীমন্দিরের বাকি তিন দিকের গেট। এই নিয়েও পুণার্থীরা (Puri) অনুযোগ জানাতেন এতদিন। তবে হেরিটেজ করিডর উদ্বোধন হলে ভিড় ঠেলে জগন্নাথদেবের দর্শন অনেকটাই সহজ হবে। ১৭ জানুয়ারি এই করিডরের উদ্বোধন হওয়ার কথা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: পুরীতে পুণ্যার্থীদের জন্য এসি করিডর, লাইনে দাঁড়ানো ভক্তদের পুড়তে হবে না কাঠফাটা রোদে

    Jagannath Temple: পুরীতে পুণ্যার্থীদের জন্য এসি করিডর, লাইনে দাঁড়ানো ভক্তদের পুড়তে হবে না কাঠফাটা রোদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বাতানুকূল লাইনে দাঁড়িয়েই প্রবেশ করা যাবে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে (Jagannath Temple)। ভক্তরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্যে তীর্থযাত্রা সম্পন্ন করতে পারেন তাই মন্দির কর্তৃপক্ষের এই বিশেষ সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, মাস কয়েক আগেই পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছিল যে কোনওভাবেই হাফপ্যান্ট অথবা ছেঁড়াফাটা জিন্স পরে মন্দিরে প্রবেশ করা যাবে না।

    হিন্দু ধর্মের পবিত্র তীর্থস্থান পুরী

    হিন্দুধর্মের অন্যতম পবিত্র তীর্থস্থান হল পুরী। ভগবান জগন্নাথদেবকে দর্শন করতে দেশ-বিদেশের বহু ভক্তই হাজির হন মন্দিরে। তাই ভক্তদের ভাবাবেগে আঘাত লাগুক তা কখনোই চায়না মন্দির কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি পুণ্যার্থীদের মন্দির (Jagannath Temple) দর্শনে যতটা সম্ভব কষ্ট লাঘব করারও চেষ্টা করা হয়। এবার থেকে আর কাঠফাটা রোদে দাঁড়িয়ে থেকে মন্দিরে প্রবেশের লাইনে দাঁড়াতে হবেনা ভক্তদের। ভিজতেও হবে না বৃষ্টিতে। এসির হাওয়ায় ভক্তরা লাইনে দাঁড়ালে বয়স্ক ভক্তদের বিশেষ সুবিধা হবে। আবার গরমে অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কাও কমবে। জানা গিয়েছে, সাধারণত সিংহদ্বার দিয়েই জগন্নাথ ধামে প্রবেশ করেন ভক্তরা।

    ৮৫ মিটারের এসি করিডর

    গ্রান্ড রোডের ওপর মরিচকোট স্কোয়ার থেকে ওই সিংহদ্বার পর্যন্তই এই এসি করিডর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) কর্তৃপক্ষ। মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর বাতানুকুল এই করিডর হতে চলেছে ৮৫ মিটারের।  এ বিষয়ে পুরীর অতিরিক্ত জেলাশাসক ভবাতারানা শাহ বলেন, “রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে পুণ্যার্থীদের দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। তাঁদের জন্যই একটি করিডর নির্মাণ করা হবে। মরিচকোচ স্কোয়্যার থেকে জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) পর্যন্ত বাতানুকূল করিডর নির্মাণ করা হবে। এই বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। শীঘ্রই এটি নির্মিত হবে।” পুরীর মন্দির কর্তৃপক্ষ বরাবরই অবশ্য ভক্তদের কথা মাথায় রাখে। এর আগে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বয়স্ক মানুষদের জন্য চেয়ারের ব্যবস্থাও করেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। লাইনের ভক্তদের জন্য জলের বোতলের ব্যবস্থাও করে মন্দির কর্তৃপক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kashi Vishwanath Temple: পুরীর পর এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও চালু হচ্ছে পোশাক বিধি?

    Kashi Vishwanath Temple: পুরীর পর এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও চালু হচ্ছে পোশাক বিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী পোশাকের ঢেউ আছড়ে পড়েছে সনাতনী ভারতে। শরীরের অনেকখানি অংশ দেখা যাচ্ছে এমন পোশাক পরে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন ভাবগ্রাহী জনার্দনের দ্বারে। ভাবগম্ভীরতাই যেখানে মূল সুর হওয়া প্রয়োজন, এক শ্রেণির দর্শনার্থীর জন্য সেখানেই বইছে আগুনে-কামের হাওয়া। এতে মন্দিরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল দর্শনার্থীদেরই একাংশের মধ্যে থেকে।

    পোশাক বিধি

    সেই কারণেই পোশাক বিধি চালু করেছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) কর্তৃপক্ষও। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে এখনও অবধি পোশাক বিধি চালু নেই। মন্দিরের পিআরও পীযূষ তিওয়ারি বলেন, “বর্তমানে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও পোশাকবিধি চালু নেই।” তবে অচিরেই লাগু হতে পারে পোশাক বিধি। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নগেন্দ্র পাণ্ডে বলেন, “শীঘ্রই একটি বৈঠকে বসতে চলেছেন কমিটির সদস্যরা। সেখানেই ভক্তদের জন্য পোশাক বিধি নির্দিষ্ট করা হবে কিনা, তা বিবেচনা করা হবে।”

    মন্দির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “দর্শনার্থীরা কী ধরনের পোশাক পরে আসছেন সেটি ভাল করে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় কিছু ভক্ত, এলাকার বাসিন্দা এবং সংবাদ মাধ্যমের একাংশও চাইছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পোশাক বিধি। নভেম্বরে এই মর্মে মন্দির কমিটির বৈঠকে আলোচনা হবে।” কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বলেন, “সম্প্রতি একাধিক ভক্তের তরফেও দর্শনার্থীদের একাংশের পোশাক নিয়ে আপত্তি এসেছে। সকলেই চাইছেন, অন্য জনপ্রিয় মন্দিরগুলির মতো এই মন্দিরেও চালু হোক পোশাক বিধি। সব কিছু বিচার-বিবেচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

    আরও পড়ুুন: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা, সাংবাদিকদের প্রশ্নে হারালেন মেজাজ

    তিনি বলেন, “কারও বিশ্বাস কিংবা ভাবাবেগে আঘাত না করে বাস্তবোচিত পোশাক পরে মন্দিরে পুজো দিতে আসাটাই শ্রেয়।” নগেন্দ্র বলেন, “তিরুপতি, মীনাক্ষী এবং উজ্জ্বয়িনীর মতো মন্দিরে ইতিমধ্যেই পোশাক বিধি চালু করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তগুলিও পর্যালোচনা করা হবে। ট্রাস্টের সদস্যরা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, দেখা যাক। তবে আমরা সব সময়ই চাইব, ভক্তরা যেন শালীন পোশাক পরে মন্দিরে (Kashi Vishwanath Temple) পুজো দিতে আসেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

     
     
  • Jagannath Temple: বিকেল পর্যন্ত অভুক্ত রইলেন প্রভু জগন্নাথদেব! পুরীর মন্দিরে কেন এমন ঘটল?

    Jagannath Temple: বিকেল পর্যন্ত অভুক্ত রইলেন প্রভু জগন্নাথদেব! পুরীর মন্দিরে কেন এমন ঘটল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেলা গড়িয়ে দুপুর থেকে বিকেল হলেও অভুক্ত রইলেন পুরীর ভগবান জগন্নাথদেব (Jagannath Temple )। এই ঘটনায় জগন্নাথ ভক্তদের মধ্যে তীব্র শোরগোল। কীভাবে ঘটল এই ঘটনা! কেন প্রভু জগন্নাথকে ভোগ নিবেদন করা হল না? এই প্রশ্নই বার বার উঠছে ভক্তদের মধ্যে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা?

    সূত্রে জানা গেছে, নিষিদ্ধ এক সেবায়েত জোর করে মন্দিরে (Jagannath Temple) ঢুকে পড়লে এই বিপত্তি ঘটে। মন্দিরে যে সেবায়েতের প্রবেশাধিকার নেই, তিনি ঢুকে পড়লে মন্দিরের ভিতরে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। আর এই গোলমালের ঘটনায় প্রভু জগন্নাথকে মধ্যাহ্ন ভোগ নিবেদন বাধাপ্রাপ্ত হয়। দেওয়া হয়নি প্রভুর জন্য নৈবেদ্য। ফলে অনেকটা সময় না খেয়ে থাকতে হয় প্রভু জগন্নাথকে।

    দৈনিক ভোগ নিবেদনের সময়সূচি হিসাবে জানা গেছে, প্রভু জগন্নাথকে সকাল সাড়ে ৮ টা নাগাদ প্রাতঃরাশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে প্রভু বলরাম এবং মা শুভদ্রাকেও তা নিবেদন করা হয়। কিন্তু গত শুক্রবার দুপুর হয়ে বিকাল ৫ টা বেজে গেলেও দেওয়া হল না ভোগ।

    মন্দিরের সেবায়েতের বক্তব্য

    মন্দিরের (Jagannath Temple) সেবায়েত দেবব্রত মাহাপাত্র বলেন, ২০১৭ সালে অন্য জাতির মহিলাকে বিয়ে করার জন্য মন্দির কমিটি এক সেবায়েতকে (সিংহরি) নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। মন্দিরের ভিতরে যে কোনও রকম পূজা-আচার এবং রীতি পালন করতে পারবেন না এই নিষিদ্ধ সেবায়ত। মন্দির কমিটি জারি করে তাঁর উপর নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু গত শুক্রবার জোর করে সিংহরি সেবায়েত মন্দিরে ঢুকে পড়েন। আর এই ঘটনায় মন্দির কক্ষে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। ফলে পূজা-অর্চনার কাজে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। সাময়িক ভাবে সব কিছু বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ভগবান জগন্নাথকে বেশ সময় অভুক্ত থাকতে হয়।

    অবশেষে কখন করলেন প্রাতঃরাশ

    মন্দিরের (Jagannath Temple) মধ্যে অবশেষে সমস্যা মিটলে আনুমানিক দুপুর ২ বেজে ২০ মিনিটে মন্দিরের গর্ভগৃহ পরিষ্কার করা হয়। এরপর বিকেল সাড়ে ৫ টায় জগন্নাথদেব প্রাতঃরাশ নৈবেদ্য অর্পণ করা হয়।

    নিষিদ্ধ সেবায়েতের বক্তব্য

    নিষিদ্ধ সেবায়েত বলেন, “আমি নির্দোষ, ২০২২ সালেও আমি এই মন্দিরে (Jagannath Temple) প্রবেশ করেছিলাম। জগন্নাথ ধামের বিশেষ কর্তব্য পালন করি আমি। কিন্তু মন্দিরে প্রবেশ করতে গেলে নিরাপত্তা কর্মীদের সঙ্গে বচসা হয়।”

    পরিস্থিতি সামাল দিতে, শ্রী জগন্নাথ টেম্পল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের আধিকারিকরা মধ্যস্থতা করেন জগন্নাথ মন্দিরের সেবায়েতদের সংগঠনের সঙ্গে। এরপর বৈঠক করে সমস্যার সমাধান করা হয় বলে জানা গেছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে প্রণামী বাক্স ভেঙে টাকা ও গয়না লুট! তদন্তে পুলিশ

    Jagannath Temple: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে প্রণামী বাক্স ভেঙে টাকা ও গয়না লুট! তদন্তে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Jagannath Temple) প্রণামী বাক্স থেকে চুরি গেল টাকা ও মূল্যবান গয়না। জগন্নাথ মন্দিরের চুরি সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে প্রণামী বাক্স থেকে এই টাকা লুট হয়েছে।  স্থানীয় কিছু সংবাদ মাধ্যমের দাবি, মন্দিরের দক্ষিণ দ্বারে রাখা ছিল একটি প্রণামী বাক্স। সেটি ভেঙেই লুটপাট চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। তবে কত টাকা খোয়া গিয়েছে তা জানা যায়নি।

    খালি প্রণামী বাক্স পড়ে থাকতে দেখেন সেবায়েতরা

    শুক্রবার নৃসিংহ মন্দিরের (Jagannath Temple) পিছন থেকে খালি প্রণামী বাক্স পড়ে থাকতে দেখা যায়। তার পরই চুরির বিষয়টি সামনে আসে। একটি সূত্রের দাবি, বিষয়টি শুক্রবার সকালে প্রথমে দেখেন সেবায়েতদের। এদিন পুজোর সময় নৃসিংহ মন্দিরে প্রবেশ করেই হাঁ হয়ে যান সেবায়েতদের। তাঁরা দেখেন প্রণামী বাক্স খালি এবং তা ভাঙা। তখনই বোঝা যায় যে প্রণামীর টাকা এবং গয়না চুরি গিয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই ছুটে আসেন সকল সেবায়েত, পুলিশ কর্মী এবং জগন্নাথ মন্দির (Jagannath Temple) কমিটির সদস্যরা।

    তদন্ত করছে পুলিশ

    জানা গিয়েছে ভাঙা ওই প্রণামী বাক্সটি (Jagannath Temple) শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যে নবীন পট্টনায়েকের পুলিশ তদন্তও শুরু করেছে গোটা ঘটনার। মন্দির চত্বরে নিরাপত্তা বেশ আঁটোসাটো। মন্দির বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে কোনও ভক্ত সেই প্রাঙ্গণে থাকতে পারেন না, মন্দিরের ভিতরে ছবি তোলাও নিষিদ্ধ। ড্রোনের মাধ্যমে চলে সর্বক্ষণের নজরদারি। তারপরেও কীভাবে এই চুরি হল সেটাই ভাবাচ্ছে প্রশাসনকে। পুলিশের একাংশ বলছে, দুষ্কৃতীদের ধরতে সিসিটিভি ফুটেজ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। যদিও মন্দির কমিটি (Jagannath Temple) এখনও কোনও লিখিত অভিযোগা দায়ের করেনি বলেই জানা গিয়েছে। কত পরিমাণ টাকার সম্পত্তি চুরি গিয়েছে তার কোনও সঠিক হিসেব প্রকাশ্যে আসেনি। মনে করা হচ্ছে, ভাল পরিমাণেই ক্ষতিই হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। ১৫ মে থেকে ছুটবে রাজ্যের দ্বিতীয় বন্দে ভারত। হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস ইতিমধ্যে সফল ট্রায়াল রান সম্পন্ন করেছে। ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ১৫ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে, হাওড়া পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। তবে হাওড়া থেকে এই যাত্রা শুরু হবে না, পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি সশরীরে উদ্বোধন করবেন নাকি ভার্চুয়ালি তা এখনও স্থির হয়নি। পাশাপাশি ওই দিনই গড়িয়া থেকে রুবি অবধি মেট্রো পরিষেবারও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    হাওড়া থেকে পুরীর উদ্দেশে কখন ছাড়বে বন্দে ভারত (Vande Bharat)? 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতায় আসার কথা থাকলেও সে সময় অবশ্য ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করতে হয় প্রধানমন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রীর মাতৃ বিয়োগ হওয়াতেই কাটছাঁট হয় তাঁর কর্মসূচি। পরবর্তীকালে হাওড়া-রাঁচি রুটের বন্দে ভারতের কথা শোনা যায়। কিন্তু পরে তা পরিবর্তিত হয়ে হাওড়া-পুরী রুট করা হয়। তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পুরীর বিপুল জনপ্রিয়তাকেই এক্ষেত্রে মাথায় রাখা হয়েছিল। ১৫ মে দুপুর দেড়টা নাগাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এই রুটে প্রথম যাত্রা শুরু করবে বলে জানা যাচ্ছে, তবে তা পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকালে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং দুপুরে পুরীতে পৌঁছাবে। আবার ওই ট্রেন পুরী থেকে ছাড়বে এবং হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের পুরী পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৬ ঘন্টা। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন সকাল ৬:১০ মিনিটে হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু করবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, পুরী থেকে দুপুর ১:৫০ মিনিটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আবার হাওড়া উদ্দেশে রওনা দেবে, পৌঁছাবে রাত সাড়ে আটটায়। জানা গিয়েছে হাওড়া পুরীর মাঝে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধু একটিমাত্র স্টপেজ থাকবে তা হল খড়্গপুর, এছাড়াও ওড়িশার বালাসোর, ভদ্রক, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদায় স্টপেজ দেবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ট্রেনের গতিবেগ সম্পর্কে রেলওয়ে আধিকারিকরা জানিয়েছেন তা ঘন্টায় সাধারণভাবে ৭৭ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: হাওড়া থেকে আরও একটি রুটে বন্দে ভারত, ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাতেই পুরী?

    Vande Bharat: হাওড়া থেকে আরও একটি রুটে বন্দে ভারত, ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাতেই পুরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শৈলশহর দার্জিলিং, ডুয়ার্স বা গ্যাংটকের পর্যটকদের জন্য মুশকিল আসান হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। বেড়াতে বেরিয়ে পর্যটকদের কাছে পাহাড়, কাঞ্চনজঙ্ঘা  বা বনজঙ্গলের মতোই সমান আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের মধ্যে চলাচলকারী এই হাই স্পিড এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাংলার নয়া আইকনও বলা চলে। উল্লেখ্য, এটিই হল রাজ্যের প্রথম এবং একমাত্র বন্দে ভারত। পর্যটকদের জন্য আরও একটি উপহার আসতে চলেছে কেন্দ্রের তরফে। শীঘ্রই অন্য একটি রুটে দেখা যাবে বন্দে ভারতকে। সম্ভবত দ্বিতীয় বন্দে ভারতটি চলবে বাঙালির চিরকালের পছন্দের পর্যটন কেন্দ্র পুরী রুটে। সেক্ষেত্রে হয়তো পাঁচ-ছয় ঘণ্টার মধ্যেই হাওড়া থেকে পৌঁছে যাওয়া যাবে জগন্নাথ ধামে। যদিও অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন রেকটি হাওড়া থেকে রাঁচি রুটেও চলতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে পুরীর পাল্লাই ভারী।

    সাঁতরাগাছিতে হাজির বন্দে ভারতের নতুন রেক

    বুধবার রাতে সাঁতরাগাছিতে এসে পৌঁছেছে বন্দে ভারতের (Vande Bharat) নতুন একটি রেক। আর তারপরই একে ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব সম্ভবত এই সপ্তাহেই এর ট্রায়াল রান হবে। সকাল ৬ টা ১০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে বন্দে ভারত পুরী পৌঁছবে ১২ টা ৩৫ মিনিটে। পুরী থেকে ফের ১ টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে ট্রেনটি হাওড়া পৌঁছাবে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে। আপাতত যে সমস্ত জায়গায় ট্রেনটি দাঁড়াবে, তার মধ্যে অবশ্যই থাকবে খড়্গপুর, কটক এবং ভুবনেশ্বর। এই ট্রেনটিতে ১৬ টি কামরা থাকবে এবং ক্যাটারিং-এর সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এই সূচি চূড়ান্ত নয়, যে কোনও সময় পরিবর্তন হতে পারে বলেই জানা গিয়েছে। 

    রুটের কথা খোলসা করল না রেল

    অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বন্দে ভারতের একটি রেক (Vande Bharat) এসেছে, এ কথা ঠিক। তবে কোন রুটে চলবে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে চাননি। তিনি জানান, এ ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে রেলমন্ত্রক। তারা ওই সংক্রান্ত ঘোষণা করলে তবেই তাঁরা রুটের ব্যাপারে বিশদ জানাতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandanyatra Utsav: অক্ষয় তৃতীয়ার দিন চন্দনযাত্রা উৎসব শুরু হয় পুরীতে! জানুন এর মাহাত্ম্য

    Chandanyatra Utsav: অক্ষয় তৃতীয়ার দিন চন্দনযাত্রা উৎসব শুরু হয় পুরীতে! জানুন এর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৈশাখ মাসের শুক্লাপক্ষের তৃতীয়া তিথি অক্ষয় তৃতীয়া নামে প্রসিদ্ধ। ভক্তদের কাছে, এই দিনটির গুরুত্ব দীপাবলীর থেকে কোনও অংশে কম নয়। ব্যবসায়ীরা হালখাতা পুজো, লক্ষ্মী-গণেশের আরাধনা করেন এদিন। তাছাড়াও বাংলার ঘরে ঘরে বিশেষ মাহাত্ম্য রয়েছে দিনটির। অক্ষয় তৃতীয়ার দিন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে পালিত হয় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের। এদিন থেকেই জগন্নাথ মন্দিরে শুরু হয় চন্দনযাত্রা উৎসবের (Chandanyatra Utsav)। 

    কী এই চন্দনযাত্রা উৎসব (Chandanyatra Utsav)

    প্রতিবছর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন পুরীর জগন্নাথধামে চন্দনযাত্রা উৎসবের (Chandanyatra Utsav) সূচনা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনটিকেই এই রথ নির্মাণের কাজ শুরুর জন্য বেছে নেয় মন্দির কর্তৃপক্ষ। এদিন থেকেই জগন্নাথ, বলরাম এবং সুভদ্রার জন্য তিনটি বড় মালা বয়ে আনেন তিনজন সেবায়েত। সব মিলিয়ে কার্যত উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ে এদিন জগন্নাথদেবের মন্দিরে।

    ইংরেজি মাস হিসেবে ধরলে জুলাই এবং বাংলা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আষাঢ় মাসে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে রথযাত্রা উৎসব। ওই দিন মন্দিরে তৈরি এই রথে চেপেই মাসির বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন জগন্নাথদেব, বলরাম এবং সুভদ্রা। অগণিত মানুষের ঢল নামে সেই দিন পুরীতে। রথের পবিত্র দড়ি একবার স্পর্শ করার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে জগন্নাথ ভক্তরা ভিড় জমান পুরীতে। চন্দনযাত্রা উৎসব শেষে এই রথযাত্রা উৎসবের সূচনা হয়। এই সময়টা অত্যন্ত ব্যস্ততার সঙ্গেই কাটে মন্দিরের সেবায়েতদের।

     শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত অনুযায়ী চন্দনযাত্রার (Chandanyatra Utsav) ব্যাখা

    শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতে দেখা যায়, বৃন্দাবনে পরম বৈষ্ণব শ্রীমাধবেন্দ্র পুরীকে স্বপ্নে তাঁর আরাধ্য শ্রীগোপাল বলছেন, “আমার শরীরের তাপ জুড়োচ্ছে না। মলয় প্রদেশ থেকে চন্দন নিয়ে এসো এবং তা ঘষে আমার অঙ্গে লেপন কর, তা হলে তাপ জুড়োবে।” তার পর বৃদ্ধ মাধবেন্দ্র পুরীপাদ পূর্বভারতে নীলাচলে জগন্নাথধাম পুরীতে এসে রাজার কাছে পূর্ব স্বপ্নগত সমস্ত কথা বললেন। রাজা গোপালের জন্য এক মণ মলয়জ চন্দন, ২০ তুলা কর্পূর এবং এই চন্দন বহে নিয়ে আসার জন্য দুইজন সেবকের ব্যবস্থা করেদিলেন। মাধবেন্দ্র পুরীপাদ রাজার কাছে মলয়জ চন্দন ও কর্পূর নিয়ে বৃন্দাবনে ফিরছিলেন। পথে রেমুণাতে শ্রীগোপীনাথ মন্দিরে আসেন। সেই রাত্রে সেখানে শয়ন কালে স্বপ্ন দেখেন, গোপাল এসে বলছেন, “হে মাধবেন্দ্র পুরী, আমি ইতিমধ্যেই সমস্ত চন্দন ও কর্পূর গ্রহণ করেছি। এখন কর্পূর সহ এই চন্দন ঘষে ঘষে শ্রীগোপীনাথের অঙ্গে লেপন কর। গোপীনাথ ও আমি অভিন্ন। গোপীনাথের অঙ্গে চন্দন লাগালেই আমার অঙ্গ শীতল হবে।” সকালে শ্রীমাধবেন্দ্র পুরিপাদ পূজারীর নিকট রাত্রের স্বপ্নের সমস্ত কথা বলিলেন। পূজারী প্রভু শুনে খুব খুশি হলেন এবং কর্পূর আর চন্দন ঘষে শ্রীগোপীনাথের শ্রীঅঙ্গে লেপন করলেন। দীর্ঘ ২১ দিন ধরে এইভাবে প্রত্যহ পূজারী প্রভু গোপীনাথের শ্রীঅঙ্গে লেপন করলেন। ভক্তদের মতে, সেইদিন থেকেই চন্দন যাত্রা শুরু হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Puri Flight: পুরীতে হচ্ছে বিমানবন্দর! এক ঘণ্টায়ই যাওয়া যাবে জগন্নাথ দর্শনে

    Kolkata Puri Flight: পুরীতে হচ্ছে বিমানবন্দর! এক ঘণ্টায়ই যাওয়া যাবে জগন্নাথ দর্শনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র এক ঘণ্টা লাগবে জগন্নাথ দর্শনে যেতে। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও, এটাই হতে চলেছে। পুরীতে (Kolkata Puri Flight) শ্রী জগন্নাথ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির পরিকল্পনা করেছে ওড়িশা সরকার। প্রয়োজনীয় জমির ছাড়পত্র দিয়েছে অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক। গ্রিনফিল্ড এয়ারপোর্টস নীতি, ২০০৮ অনুযায়ী বিমানবন্দর তৈরির ছাড়পত্র চেয়েছিল মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে। বছরখানেক আগে প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জমা দিয়েছিল ওড়িশা সরকার। সম্প্রতি সেই ছাড়পত্র মিলেছে। আগামী দু’ বছরের মধ্যে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দরের স্টিয়ারিং কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য ডিপিআর সহ আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।

    বিমানবন্দর নির্মাণে ব্যয়

    বিমানবন্দরের জন্য পুরী জেলা প্রশাসন ইতিমধ্যেই ব্রহ্মগিরি তহসিলের অধীনে সিপাসরুবালি ও সন্ধ্যাপুরে ৬৮ একর বনভূমি ও ২২১.৪৮ একর ব্যক্তিগত জমি সহ প্রায় ১,১৬৪ একর জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যেহেতু প্রস্তাবিত জমিতে কোথাও বসতি নেই, তাই পুনর্বাসন দিতে হবে না। বিমানবন্দরটি নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৫ হাজার ৬৩১ কোটি টাকা। 

    সাইট ক্লিয়ারেন্সে ছাড়পত্র

    বিমানবন্দর প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত এক কর্তা বলেন, “বিমানবন্দর গড়ে তোলার জন্য উপযুক্ত জমি বাছাইয়ের পর প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়। ব্যক্তিগত জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রেও অনুমতি নেওয়া হয়েছে জমির মালিকদের কাছ থেকে। কিছু সরকারি জমিও কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। সাইট ক্লিয়ারেন্সে ছাড়পত্র মেলায় কাজের গতি এবার বাড়বে।”

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলের হানায় হত নুখবার শীর্ষ কমান্ডার, এবার হামাসের ঘরে ঢুকে জঙ্গি নিধন!

    প্রতিদিন (Kolkata Puri Flight) দেশের বিভিন্ন প্রান্ত তো বটেই, বিদেশ থেকেও বহু পুণ্যার্থী আসেন জগন্নাথ দর্শনে। এখন তাঁদের যেতে হয় ট্রেন কিংবা বাসে করে পুরী স্টেশন। সেখান থেকে ছোট গাড়ি ধরে যেতে হয় দেব দর্শনে। আর যাঁরা দূর-দুরান্ত কিংবা বিদেশ থেকে আসেন, আকাশ পথে তাঁরা এসে নামেন ভুবনেশ্বর বিমানবন্দরে। তার পর গাড়ি ধরে আসতে হয় পুরী। এতে পয়সা এবং পরিশ্রম দুইই খরচ হয় বেশি। সেই কারণেই পুরীর কাছাকাছি কোনও এলাকায় বিমানবন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছিল ওড়িশা সরকার। সেই মতো জমা দেওয়া হয় কাগজপত্র। জানা গিয়েছে, কলকাতা-পুরী (Kolkata Puri Flight) রুটে বিমান চলাচল শুরু হলে ঘণ্টাখানেক সময় ব্যয় করলেই পৌঁছে যাওয়া হবে শ্রীক্ষেত্র পুরীতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

LinkedIn
Share