Tag: Purulia

Purulia

  • Suvendu Adhikari: ‘কত কর্মসংস্থান হচ্ছে, সেটাই আসল’, ইস্পাত কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: ‘কত কর্মসংস্থান হচ্ছে, সেটাই আসল’, ইস্পাত কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনে রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালা বদলের পর শিল্পায়নের আরও একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো পুরুলিয়ায়। সোমবার ‘অমিত মেটালিকস’ কোম্পানির ইস্পাত কারখানার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এই কারখানা থেকে প্রায় ৫ হাজার কর্মসংস্থান হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার বিশাল গ্রিনফিল্ড ইন্টিগ্রেটেড স্টিল প্ল্যান্টের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এদিন। রাজ্যে শিল্পের জোয়ার আনতে বদ্ধপরিকর সরকার। কেন্দ্র ও রাজ্যের যৌথ উদ্যোগে বাংলায় শিল্পের জোয়ার আসবে বলেই আশা করনে শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যাবাসীর কাছে এক বছর সময় চেয়ে নেন। তার মধ্যেই কর্মসংস্থানের আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    রাজ্যবাসীর কাছে ১ বছর সময় নিলেন

    পুরুলিয়ার সভা থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দেন মুখ্য়মন্ত্রী। তিনি বলেন, “আগামী ২০২৭ সালের ৯ মে আমার মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হবে। মুখ্যমন্ত্রিত্বের ১ বছর হলে আপনাদের সামনে পরীক্ষায় বসব। পরীক্ষায় আপনারা আমাকে নম্বর দেবেন। ১০-এর মধ্যে ৯ না পেলে ক্ষমা চেয়ে নেব। বলব পারলাম না। আপনারাই বলবেন ভুল লোককে ঠিক করিনি। সঠিক লোককে সঠিক দলকে এনেছি। বিশ্বাস-ভরসা রাখুন। সময় দিন।” তিনি আবারও বলেন, “কেন্দ্র-রাজ্য একসঙ্গে মিলে আপনাদের কল্যাণ করব। আমরা বদ্ধপরিকর।”

    ল্যান্ড পার্চেস পলিসি চালু

    সোমবার পুরুলিয়ায় পরপর দুটো কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। প্রথমে মানবাজারে জলপ্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে রঘুনাথপুরে তিনি একটি ইস্পাত কারখানার শিলান্যাস করেন। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে ওই ইস্পাত কারখানায় প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ করা হচ্ছে। প্রায় ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শিল্পায়নের জন্য আমরা সবরকম সাহায্য করব।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, “আমরা জোর করে শিল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ করব না, আমরা ল্যান্ড পার্চেস পলিসি চালু করেছি। ল্যান্ড পুলিং পলিসি চালু করেছি। চাষিদের থেকে জমি নিয়ে ল্যান্ড ডেভলপমেন্টও চালু করব।”  শিল্পায়নের লক্ষ্যে রাজ্যে নতুন শিল্প নীতির কথা আগেই জানানো হয়েছিল। তৈরি হবে ল্যান্ড ব্যাঙ্কও। মুখ্যমন্ত্রী এ দিন জানান, জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান সরকার করবে। প্রয়োজনে সরকার সরাসরি জমি কিনে তা শিল্পের জন্য তুলে দেওয়া হবে। ১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হলে ওয়ান উইন্ডো সিস্টেমে যাবতীয় কাজ হয়ে যাবে। গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ— কোথাও যেতে হবে না।

    ভিন রাজ্যে যাবেন না

    পেটের টানে পুরুলিয়া-বাঁকুড়া-সহ জঙ্গলমহলের প্রচুর মানুষ ভিন রাজ্যে কর্মসূত্রে চলে গিয়েছেন। তাঁদের রাজ্যে ফিরে আসার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। তাঁর কথায়, “আপনারা ফিরে আসুন। শিল্পে ভরিয়ে দেব।” রাজ্যে শিল্পের উন্নয়নে রাজ্য সরকার কী কী করছে সেই খতিয়ানও তুলে ধরেন মুখ্য়মন্ত্রী। অমিত মেটালিকসের ইন্টিগ্রেড গ্রিনফিল্ড প্রকল্পের মধ্যে ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট ও ফেরো এলয় এবং স্পঞ্জ আয়রন রয়েছে। ১৪৮ একর জমির উপর ওই প্রকল্প গড়ে উঠবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান হবে।

    ৮০০ দিনের মধ্যে কারখানা চালু

    সংস্থাটি ইতিমধ্যেই রঘুনাথপুরে বৃক্ষরোপণ, স্কিল ট্রেনিং সেন্টার, অটোমোবাইল ক্ষেত্র এবং সিএসআর (CSR) কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ১,০০০ দিনের নির্ধারিত সময়সীমা কমিয়ে মাত্র ৮০০ দিনের মধ্যে কারখানা চালু করার আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অদক্ষ কর্মী হিসেবে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দিতে হবে। সিএসআর-এ স্থানীয়দের মধ্যে কাজ করতে হবে।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমার কাছে কত টাকার বিনিয়োগ হলো সেটা বিচার্য নয়, কত কর্মসংস্থান হচ্ছে, সেটাই আসল। শুভেন্দু বলেন, ‘আমাদের জমি রয়েছে, পরিকাঠামো রয়েছে, রঘুনাথপুরের পাশে জাতীয় সড়কের কানেক্টিভিটি আছে, চরৈবেতি মন্ত্রে আমরা এগিয়ে যাওয়ার শপথ নিয়েছি।’

    আশার আলো দেখছেন বঙ্গবাসী

    গত দেড় দশকের তৃণমূল সরকারের আমলে শিল্প স্থাপন নিয়ে যতটা প্রচার হয়েছিল, সে ভাবে শিল্প আসেনি। স্থানীয়দের কর্মসংস্থান নিয়েও রয়েছে ক্ষোভ। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে তিন মাসের মধ্যে এখানে লৌহ ইস্পাত শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়ায় আশার আলো দেখছেন এলাকার মানুষ। এ দিনই মানবাজার ১ ব্লকের ধানাড়া পঞ্চায়েতের জামদা গ্রামের অদূরে গড়ে ওঠা পানীয় জল প্রকল্পটি উদ্বোধনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়ার মানবাজার ১, বরাবাজার, পুরুলিয়া ১, পুঞ্চা, আড়শা ব্লকে তীব্র সঙ্কট রয়েছে পানীয় জলের। এই এলাকাগুলি ছাড়া এই প্রকল্পের জল পৌঁছবে পুরুলিয়া শহরেও।

    ঘরে ঘরে পরিস্রুত পানীয় জল

    জামদা গ্রামের অদূরে গড়ে ওঠা এই জল প্রকল্প রূপায়ণের জন্য ১,২৯৬.২৫ কোটি টাকার চূড়ান্ত অনুমোদন মেলে। যার মধ্যে ‘জাইকা’র ঋণ ৮৮৯.০৬ কোটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৪৫৮ মৌজার ৮ লক্ষ ১৩ হাজার ৪০৬ জন মানুষ প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা নলবাহিত পানীয় জল পাবেন। জাপানের সংস্থা ‘জাইকা’-র আর্থিক সহায়তায় রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দফতর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করেছে। মুকুটমণিপুর জলাধারের গভীর থেকে জল তুলে ১.২ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে তা অন্য একটি জলাধারে আনা হবে। সেখানে আধুনিক প্রযুক্তিতে পরিশোধিত সেই জল ২৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ পরিবাহী নলের মাধ্যমে ৪২টি ওভারহেড ট্যাঙ্কে পৌঁছবে। এই ট্যাঙ্কগুলি থেকে দৈনিক ৬ কোটি ৮০ লক্ষ লিটার জল পৌঁছে দিতে পাতা হয়েছে ১,৫৯৪ কিলোমিটার দীর্ঘ পাইপলাইন। রাজ্যের মন্ত্রী নদিয়ারচাঁদ বাউড়ি বলেন, ‘জল জীবন মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মানুষের ঘরে ঘরে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সেই কাজই করা হচ্ছে। আগামী দিনে জেলার বাকি অংশে একই ভাবে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে।’

  • Malati Murmu: অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে বিনা পয়সার স্কুল গড়েছেন মালতী মুর্মু, পড়ছে আদিবাসী শিশুরা

    Malati Murmu: অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে বিনা পয়সার স্কুল গড়েছেন মালতী মুর্মু, পড়ছে আদিবাসী শিশুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের (Ayodhya Hills) কোলে ছোট্ট গ্রাম। নাম জিলিং সেরেং। পাহাড়ের হিলটপ থেকে প্রায় ২৫ কিমি দূরে। নেই আধুনিকতার ছোঁয়া। নেই বিদ্যুৎ, নেই রাস্তা। নেই সুযোগ-সুবিধা। তাতে কি! জনজাতি গ্রামের এক গৃহবধূ, এক মা নিজেই এগিয়ে নিয়ে চলেছেন শিক্ষার মশাল। নাম মালতী মুর্মু (Malati Murmu)। দুই মাসের সন্তানকে কোলে নিয়ে প্রায় ৪৫ জন শিশুকে পড়াচ্ছেন তিনি। না, কোনও বেতন নেই। নেই সরকারি সার্টিফিকেট। নেই মিড-ডে মিলের সাহায্য। আছে জনজাতি মায়ের এক অদম্য এক ইচ্ছাশক্তি। আছে ভালোবাসা। রয়েছে সংকল্প। সমাজকে বদলাতে হবে। সকাল হলেই মালতী দিদিমণির স্কুল শুরু হয়। একটা নামমাত্র ঘর রয়েছে। আছে কিছু খাতা-কলম, আর অনেকগুলো খুদে মুখ। যাদের চোখে রয়েছে স্বপ্ন। আর দিদিমণির কাছে শেখার আগ্রহ।

    করোনার ঢেউয়ে থেমে গিয়েছিল পৃথিবী, তখনই শুরু হয়েছিল মালতীদেবীর পথচলা

    ২০২০ সালে করোনার প্রথম ঢেউয়ে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল গোটা পৃথিবী। লকডাউনের সময় বন্ধ ছিল স্কুল। অনলাইনে পড়াশোনা শুরু হয়, কিন্তু সেই সময় গ্রামের অধিকাংশ ছেলেমেয়ের কাছেই স্মার্টফোন ছিল না। তখনই মালতি মুর্মু (Malati Murmu) নিজে একটি স্কুল গড়ার কথা ভাবেন। তিন-চারজন শিশুকে নিয়ে শুরু পথচলা। এই গ্রামে মোট পরিবার রয়েছে ৯৫টি। তবে অধিকাংশ লোকজনই জানেনা পড়াশোনা। শিক্ষার আলো হাতে মালতীদেবীর এগিয়ে চলা মুছে দিচ্ছে গ্রামের অশিক্ষার আলো।

    দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন মালতীদেবী

    জানা যায়, মালতি মুর্মুর (Malati Murmu) বিয়ে হয় ২০১৯ সালে। তারপর তিনি জিলিং সেরেং গ্রামের এক বাড়িতে আসেন। তখন তাঁর কোনও পরিকল্পনাই ছিল না শিক্ষক হওয়ার। অন্যান্য মহিলাদের মতো তিনিও বাড়ির কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন। এরপর তিনি লক্ষ্য করেন যে, গ্রামে একটি স্কুল আছে বটে, তবে শুধুমাত্র তার পরিকাঠামোই আছে—সেখানে কেউ পড়াতে আসেন না। এরপরেই তিনি নিজের একটি ঘরে স্কুল শুরু করেন। জানা যায়, তিনি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।

    কোন কোন বিষয় পড়ানো হয়?

    বর্তমানে ৪৫ জন পড়ুয়া প্রতিদিন মাটিতে বসে মালতি মুর্মুর কাছে ক্লাস নেন। তারা পড়েন ও লেখেন সাঁওতালি ভাষায় এবং অলচিকি অক্ষরে। এর পাশাপাশি সেখানে বাংলা, ইংরেজি, অঙ্ক ও বিজ্ঞানও পড়ানো হয়। জানা যাচ্ছে, মালতি মুর্মু (Malati Murmu) নিজেই বলেন, শিক্ষা শুধুমাত্র পরীক্ষা পাশ করার জন্য নয়—শিক্ষা কুসংস্কার দূর করে, শ্রদ্ধাবোধ আনে এবং সমাজে সমতা গড়ে তোলে। প্রথমে যখন মালতি এই স্কুল খুলেছিলেন, তখন অনেকেই এ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু এখন প্রত্যেকেই তাঁকে বিশ্বাস করেন এবং নিজেদের সন্তানদের তাঁর কাছে পড়তে পাঠান ভবিষ্যৎ নির্মাণের আশায়।

    নিজের সংকল্পে অটুট ছিলেন মালতী, শিক্ষিত করতেই হবে শিশুদের

    এমন উদ্যোগের কথা মালতীদেবী প্রথম তাঁর স্বামীকে জানান। পেশায় কৃষিজীবী স্বামী প্রথমে সায় দেননি (Ayodhya Hills)। সংসার, সন্তান, খেতের কাজ সব সামলে আবার পড়ানো! কীভাবে সম্ভব! কিন্তু মালতী মুর্মুর অদম্য মনোবলের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি কোনও কিছুই। অবশেষে স্বামীও বুঝলেন। পাশে দাঁড়ালেন স্ত্রীর। একজন গৃহবধূ, একজন মা, নিজে হাতে গড়ছেন ভারতের ভবিষ্যৎ। মালতী মুর্মু যেন এক জীবন্ত প্রতিমা। যিনি আমাদের শেখাচ্ছেন, সমাজ বদলাতে লাগে মনের ইচ্ছা আর সংকল্প। এর সামনে টিকতে পারেনা কোনও বাধা।

  • BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: আবাস নিয়ে তৃণমূলের ব্যাপক দুর্নীতি! পুরুলিয়ায় পঞ্চায়েত অফিসে ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবাস যোজনার (Awas Yojana) তালিকা তৈরি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ছিল। তার জেরে এর আগে বাতিল হয়েছিল গ্রামসভা। এ বারে সেই আবাসের তালিকা তৈরিতে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে চলল বিক্ষোভ। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ১ ব্লকের শাঁকা পঞ্চায়েতের ঘটনা। মূলত বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতৃত্বের তরফে আয়োজিত ওই বিক্ষোভে শামিল হন এলাকার শতাধিক মহিলা।

    ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ (BJP)

    বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সাধারণ মহিলারা ঝাঁটা হাতে পঞ্চায়েত অফিসে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের মধ্যে বাঘাডাবর গ্রামের চিন্তা মাহালি, বারমেস্যা গ্রামের বিজলা হেমব্রমরা বলেন, “আমাদের কাঁচা বাড়ি আছে। দিনমজুরি করে সংসার চলে। প্রথমে তালিকায় নাম থাকলেও পরে বাদ গিয়েছে। কেন আমাদের নাম বাদ গিয়েছে, তার উত্তর নিতেই পঞ্চায়েতে এসেছি।” পঞ্চায়েত সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ১৭১৯ জন উপভোক্তার নাম ছিল আবাসের তালিকায়। শেষমেশ তা ঠেকেছে ৮১৭ জনে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ ও বিজেপির অভিযোগ, দ্বিতীয় দফার সমীক্ষা যথাযথভাবে হয়নি। যাঁরা দুঃস্থ, কাঁচা ভাঙা বাড়িতে বসবাস করে, তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। পরিবর্তে এমন অনেকের নাম রয়েছে, যাঁরা যথেষ্ট সচ্ছল।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঢাকা থেকে ৩ লক্ষ হাতে টানা রিকশা রওনা দিয়েছে কলকাতা দখলের জন্য’’, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির (BJP) স্থানীয় নেতা সন্তু তেওয়ারি বলেন, ‘‘প্রথম বার সমীক্ষা শেষে আবাস তালিকা প্রকাশের পরে তাতে গোলমাল নজরে এসেছিল। আমাদের তৎকালীন পঞ্চায়েত প্রধান গোটা রাত ব্লক অফিস চত্বরে বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। এ বারে ফের সমীক্ষার পরে দেখা যাচ্ছে, যোগ্যদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিজেপির প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য থেকে কর্মীদের অনেকে ভাঙা বাড়িতে থাকলেও তাঁদের নাম তৃণমূলের চাপে প্রশাসন বাদ দিয়েছে। অভিযোগ মানতে নারাজ পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধা তৃণমূলের সুপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফ সমীক্ষা তথা সুপার সার্ভে সবটাই ব্লক প্রশাসন করেছে। পঞ্চায়েতের কোনও ভূমিকাই ছিল না।’’ ব্লকের সমাজকল্যাণ দফতরের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা আধিকারিক কল্যাণপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘তালিকা প্রকাশের পরে যাঁরা নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জনের নাম তালিকায় রাখা হয়েছিল। কিন্তু গ্রামসভার দিনে গ্রামবাসী তা ব্যাখ্যা করার সুযোগটাই দেননি।’’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Awas Yojana: তালিকায় নাম তৃণমূল নেতা থেকে রেশন ডিলারের, জেলায় জেলায় আবাস দুর্নীতি

    Awas Yojana: তালিকায় নাম তৃণমূল নেতা থেকে রেশন ডিলারের, জেলায় জেলায় আবাস দুর্নীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোথাও একজনের নাম রয়েছে পাঁচবার! আবার কোথাও বিলাসবহুল বাড়ি ও প্রচুর সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও আবাসের তালিকায় উঠেছে নাম। জেলায় জেলায় আবাস যোজনায় (Awas Yojana) দুর্নীতির ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ উঠছে, প্রকৃত উপভোক্তারা যেখানে টাকা পাচ্ছেন না, সেখানে আবাসের টাকা পাচ্ছেন শাসক দলের নেতারা। এনিয়ে এই মুহূর্তে তোলপাড় গোটা রাজ্য। ফলে, জেলায় জেলায় তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    আবাস তালিকায় পাঁচবার নাম ভূতুড়ে উপভোক্তার (Awas Yojana)  

    পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া-২ নম্বর ব্লকের জগদানন্দপুর গ্রামের সুদেষ্ণা রায় নামে এক বাসিন্দার আবাস যোজনার (Awas Yojana)  তালিকায় তাঁর নাম এসেছে পাঁচবার! কিন্তু, আরও বড় কেলেঙ্কারি সামনে এল এবার। যখন সরকারি আধিকারিকরা সমীক্ষা করতে গিয়ে দেখলেন, ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে সুদেষ্ণা রায় নামে কোনও মহিলার অস্তিত্বই নেই। আর এতেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, আবাস যোজনার টাকা লুট করতে কি এবার ভূতুড়ে উপভোক্তা তৈরি করা হচ্ছে? প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, তালিকায় যে গরমিলের অভিযোগ উঠেছে, তার সমাধান করা হবে। তালিকা খতিয়ে দেখে, সমস্ত ভুয়ো নাম যোগ হয়েছে। সেই সমস্ত নাম বাতিল করা হবে। বিজেপি নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের ঝোলা থেকে একের পর এক দুর্নীতি বেরিয়ে আসছে। আবাস যোজনার বাড়ি প্রতি তৃণমূল ২০ হাজার টাকা করে তুলছে। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলাবাজি চলছে এই আবাস যোজনার বাড়ি থেকে। তাই ভুয়ো নাম ঢুকিয়ে দিয়ে তারা টাকা তোলার কারবার ফেঁদেছে। সুদেষ্ণা রায় নামে এই পঞ্চায়েতে কাউকে পাওয়াই যায়নি।” জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাসের দাবি, “প্রশাসনিক ব্যাপার এটা। কারও নামে ভুলবশত বাড়ি এলে সেই নাম বাতিল হবে। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই বাড়ি পাবেন।” অন্যদিকে, যোগ্যকে বঞ্চনা, যাঁর পাকা বাড়ি, তাঁকেই আবাস? পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডিতে ঝালদা-বাঘমুণ্ডি রাজ্য সড়ক  অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান যোগ্যরা। মূলত দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    আবাসের তালিকায় নাম রেশন ডিলারের

    পশ্চিম বর্ধমানে আবার আবাসের (Awas Yojana) তালিকায় নাম ঢুকেছে রেশন ডিলারের। জানা গিয়েছে, জেলার কাঁকসার বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েতের জামদোহা এলাকায় থাকেন মৃণালকান্তি ঘোষ। তিনি আবার বিদবিহার গ্রামের রেশন ডিলার। তিনি থাকেন বিদবিহারের জামদহ এলাকায় এই বিলাসবহুল বাড়িতে। তারপরেও কীভাবে বাংলা আবাস যোজনায় নাম ঢুকল ওই ব্যক্তির সেই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বিদবিহার গ্রাম পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে যখন সমীক্ষা হয়েছিল তখন যে ৭৭৪ জনের নাম তালিকায় ছিল, সেই তালিকা গ্রাম পঞ্চায়েতের সার্ভার থেকে মুছে গিয়েছিল। সম্প্রতি সেগুলি আবার ফিরে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, ওই তালিকায় অধিকাংশ নামের ব্যক্তিরই রয়েছে পাকা বাড়ি। সেই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আবাসের তালিকায় নাম থাকা রেশন ডিলারকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি তড়িঘড়ি বাইক নিয়ে এলাকা ছাড়েন। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানীপ্রসাদ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, এই ধরনের কারও নাম আবাসের তালিকায় থাকার কথা নয়। যারা পাওয়ার যোগ্য তাদেরকেই দেওয়া হবে বাড়ি। সমালোচনায় সরব বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা সাংগঠনিকজেলার বিজেপির সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “সবাই বুঝতেই পারছে বাংলার কী হাল! যারা পাওয়ার যোগ্য তারা থাকছে মাটির ঘরে, আর যাদের রয়েছে বিলাসবহুল বাড়ি তাদের জাতি বদল করে আবাসের তালিকায় নাম দেওয়া হচ্ছে।” রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় দফতরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “যারা বাংলা আবাস যোজনার যোগ্য ব্যক্তি তাদেরকেই দেওয়া হবে আবাসের পাকা বাড়ি।”

    আবাসের তালিকায় তৃণমূল প্রধানের স্বামীর নাম

    এবার আউশগ্রাম ১ ব্লকের দিগনগর ২ পঞ্চায়েতেও আবাসের (Awas Yojana) অনিয়মের অভিযোগ সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে আবাসের তালিকায় নাম রয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর। যদিও প্রধান সবিতা মাহাতো তাঁর স্বামী পরশুরাম মাহাতোর নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ব্লক প্রশাসনের কাছে চিঠি লিখেছেন। একইভাবে ওই পঞ্চায়েতেরই এক তৃণমূল ছাত্রনেতার নাম জড়িয়েছে। এই অবস্থায় আবাসের তালিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। জানা গিয়েছে, ওই ছাত্র নেতার নাম হল তন্ময় গোস্বামী। তিনি আউশগ্রাম ১ ব্লক তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি এবং দিগনগর ২ পঞ্চায়েতের গোপীনাথবাটীর বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে আবাসের তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর বাবার। তবে তিনিও প্রধানের মতোই একইভাবে বিডিওকে চিঠি দিয়ে তালিকা থেকে বাবার নাম বাদ দেওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, বিডিও (আউশগ্রাম ১) শেখ কামরুল ইসলাম। এ বিষয়ে বিডিও জানান, সবকিছু খতিয়ে দেখার পরেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Awas Yojana scheme: আবাস যোজনায় ফের ‘দুর্নীতি’! জেলায় জেলায় ব্যাপক ক্ষোভ ‘বঞ্চিতদের’, মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার আবাস যোজনায় (Awas Yojana scheme) নতুন করে দুর্নীতির অভিযোগ দেগঙ্গায়। গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে রাজ্যের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা। ঘটনা ঘটেছে দেগঙ্গা থানার বেড়াচাঁপা ২ পঞ্চায়েতের পশ্চিম যাদবপুর গ্রামে। মূলত আবাস যোজনার সমীক্ষা করতে গেলে দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ব্যাপক ক্ষোভের মুখে পড়েন। ঘটনায় তৃণমূল অত্যন্ত চাপের মুখে। পাল্টা বিজেপি এক হাত নিয়েছে চুরি নিয়ে। উল্লেখ্য একই ভাবে সোমবারও পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল।

    যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি (Awas Yojana scheme)

    মমতা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, আবাস যোজনার (Awas Yojana scheme) পরিকল্পনায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। ক্যাগ রিপোর্টের ভিত্তিতে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার আবাস যোজনায় প্রচুর পরিমাণে আর্থিক নয়-ছয় করেছে। লোকসভার ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিক বার আবাসে আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। দুর্নীতির কারণে রাজ্যের বরাদ্দ অর্থও কমিয়ে দিয়েছিল কেন্দ্র।

    মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনায় সমীক্ষার কাজে গেলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা ক্ষোভের মুখে পড়েন। স্থানীয়দের বক্তব্য, “তৃণমূলের নেতারা মানুষের ন্যায্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত করেছে। প্রকৃত প্রাপকরা নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের কারণে। যাঁদের বাড়ি দরকার তাঁদের বাড়িতে সমীক্ষা হয়নি। যাঁদের দুটো তিনটে বাড়ি আছে তাঁদের বাড়িতেই সমীক্ষা করেছে রাজ্য সরকারের জনপ্রতিনিধি এবং আধিকারিকরা। প্রকল্পের সুবিধা থেকে গরিবদের বঞ্চনা করা হয়েছে।” এক সরকারি আধিকারিক বলেন, “পুরনো তালিকা অনুযায়ী আবাসের (Awas Yojana scheme) সমীক্ষা হচ্ছে। তালিকা চূড়ান্ত হলে সব কিছু স্পষ্ট হয়ে যাবে।” 

    পুরুলিয়া-জলপাইগুড়ি-বীরভূমে ব্যাপক ক্ষোভ

    একই ভাবে পুরুলিয়া জেলার মানবাজার ১ ব্লকে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। অভিযোগে ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত সোনাইজুড়ি পঞ্চায়েতে তালা ঝুলিয়ে দেন। আবার পঞ্চায়েতকে অন্ধকারে রেখে সরকারি সমীক্ষা করছেন বলে অভিযোগ তুলে কয়েকদিন আগে তৃণমূল পরিচালিত বাঘমুণ্ডি ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত অযোধ্যায় তালা ঝুলিয়ে দেন দলেরই কর্মীরা। আবার জলপাইগুড়ির সদর ব্লকে আরবিন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের করলাভ্যালি চা বাগানের শ্রমিক মহল্লার বঞ্চিতরা বিডিও-র দ্বারস্থ হয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি করেন। অন্যদিকে, বীরভূমের ইলামবাজারের মঙ্গলডিহি পঞ্চায়েতের সামনে আবাস যোজনার সমীক্ষা চালাতে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন ব্লকের আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুনঃ কালীপুজোয় আরও রাত পর্যন্ত চলবে মেট্রো, কবি সুভাষ-দক্ষিণেশ্বর রুটের সূচি পরিবর্তন

    শুভেন্দুর তোপ

    আসানসোলে একটি কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আবাসে ব্যাপক রাজনীতি হচ্ছে। তৃণমূল অনেকদিন খেতে পায়নি। তাই প্রকল্প বিক্রি করতে পথে নেমেছে। প্রথমত এই তালিকাতেই কয়েক লক্ষ যোগ্য লোকের নাম নেই ৷ দ্বিতীয়ত, যে নাম এসেছে, অধিকাংশই তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেদের নাম৷ যাঁদের পাকাবাড়ি (Awas Yojana scheme) আছে, পাওয়ার যোগ্য নয়৷ আমি অন্তত ১০০টা ছবি দেখাতে পারি।”

      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purnima Kandu: বিষ দিয়ে হত্যা পূর্ণিমা কান্দুকে? ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য

    Purnima Kandu: বিষ দিয়ে হত্যা পূর্ণিমা কান্দুকে? ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে গুলিতে নিহত পুরুলিয়ার কংগ্রেস নেতা তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমাদেবীর (Purnima Kandu) মৃত্যু ঘিরে ক্রমশই বাড়ছে জটিলতা। আগেই তাঁর দেওরপো মিঠুন কান্দু দাবি করেছিলেন, কাকিমাকে (পূর্ণিমা কান্দু) কেউ বা কারা খুন করেছে। এই মৃত্যু  স্বাভাবিক নয়, বলেই উল্লেখ করেন মিঠুন। ঠিক এই আবহে পূর্ণিমা কান্দুর ময়নাতদন্তের (Post Mortem) রিপোর্ট নিয়ে বাড়ছে জল্পনা। কংগ্রেস কাউন্সিলার পূর্ণিমা কান্দুর পেটে পাওয়া গিয়েছে ক্ষতিকারক পদার্থ। তবে কি শত্রুতার কারণে খাবারে বা পানীয়ে বিষ দেওয়া হয়েছিল? এনিয়েই শুরু হয়েছে জটিলতা, উঠছে একাধিক প্রশ্ন।

    দুর্গা পুজোয় নবমীর রাতে আচমকা মৃত্যু হয় পূর্ণিমাদেবীর (Purnima Kandu)

    প্রসঙ্গত, পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলর ছিলেন পূর্ণিমা কান্দু (Purnima Kandu)। চলতি বছরের দুর্গা পুজোয় নবমীর রাতে আচমকা মৃত্যু হয় পূর্ণিমাদেবীর। তাঁর চিকিৎসার সময়ও পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, গত ১১ অক্টোবর রাতে বাড়িতে পূর্ণিমাদেবী ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পরে বাড়ি ফিরে পূর্ণিমার সন্তানরা দেখেন অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে রয়েছেন তাঁদের মা। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে সেখানে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপরে ময়নাতদন্তের (Post Mortem) ব্যবস্থা করা হয়।

    ‘স্লো পয়জন’ দিয়ে মারা হয়েছে তাঁর কাকিমাকে, দাবি মিঠুনের

    সম্প্রতি, পূর্ণিমা কান্দুর (Purnima Kandu) ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট সামনে এসেছে। ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, পেট থেকে ক্ষতিকারক পদার্থ পাওয়া গিয়েছে। তবে কী সেই ক্ষতিকারক পদার্থ, তা স্পষ্ট হয়নি এখনও। মিঠুন কান্দুর আগেই দাবি করেছিলেন, ‘স্লো পয়জন’ দিয়ে মারা হয়েছে তাঁর কাকিমাকে। মিঠুন আরও দাবি করেন, কাকিমার বাড়ির সিসিটিভিও খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরে। ইতিমধ্যে এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছে বিজেপি ও কংগ্রেস- দুই দলই। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ১৩ মার্চ মাসের বিকেলে হাঁটতে বেরিয়ে পুরুলিয়ার ঝালদা শহরের কাছে গোকুলনগরে আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন তপন কান্দু। সেই ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: শাল, পলাশ, মহুয়ার ইতস্তত অরণ্য, মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে জয়চণ্ডী পাহাড়!

    Purulia: শাল, পলাশ, মহুয়ার ইতস্তত অরণ্য, মাঝে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে জয়চণ্ডী পাহাড়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র জয়চণ্ডী পাহাড় (Purulia)। প্রকৃতপক্ষে এই জয়চণ্ডী পাহাড় হল পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা বেশ কয়েকটি পাহাড়ের সমষ্টি। এইসব পাহাড়গুলির নামও আলাদা আলাদা। যেমন, একটি পাহাড়ের নাম ‘ঘড়ি’, একটির নাম ‘রাম-সীতা’, আবার অন্য একটি পাহাড়ের নাম ‘যোগীঢাল’ প্রভৃতি।

    অত্যন্ত জাগ্রত দেবী জয়চণ্ডী (Purulia)

    পুরুলিয়া জেলার সদর শহর রঘুনাথপুর থেকে তিন-সাড়ে তিন কিমি দূরে পুরুলিয়া-বরাকর রোডের ওপর অবস্থিত এই পাহাড় শ্রেণির মধ্যে মধ্যমণি হল এই জয়চণ্ডী পাহাড়। প্রায় ৫০৯ ফুট উঁচু এই পাহাড়ের শীর্ষে রয়েছে মা জয়চণ্ডী দেবীর মন্দির। বেশ কয়েক ধাপ সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠে যেতে হয় মন্দিরে। এখানকার স্থানীয় মানুষ এই দেবী জয়চণ্ডীকে অত্যন্ত জাগ্রত বলে মনে করেন। পাহাড়ের (Joychandi Pahar) আশেপাশে শাল, পলাশ, মহুয়া গাছের ইতস্তত বিক্ষিপ্ত অরণ্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্য, এক কথায় বলা যায়, অসাধারণ। উল্লেখ্য, এই জয়চণ্ডী পাহাড়েই হয়েছিল বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায় পরিচালিত জনপ্রিয় ছবি ‘হীরক রাজার দেশে’-র শুটিং।

    ঘুরে নিতে পারেন বড়ন্তি

    জয়চণ্ডী থেকে মাত্র ২১ কিমি দূরে পুরুলিয়ার আর এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র বড়ন্তি (Purulia)। ইচ্ছে হলে আর হাতে সময় থাকলে এক সঙ্গেই ঘুরে নেওয়া যায় বড়ন্তিও। সেক্ষেত্রে এক সঙ্গে রথ দেখা আর কলা বেচা, দুই-ই হবে। মন্দির দর্শনের পুণ্য যেমন হবে, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেও থাকা হবে। এখানকার লাল মাটির রাস্তা, আদিবাসী গ্রাম, সবই মন কেড়ে নেওয়ার মতো।

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন?

    কলকাতা থেকে জয়চণ্ডী যাওয়ার জন্য প্রথমে আসতে হবে আসানসোল। হাওড়া স্টেশন থেকে প্রচুর ট্রেন আসছে আসানসোল। ধর্মতলা থেকে বাসেও আসা যায় আসানসোল। এখান থেকে আদ্রা শাখার ট্রেনে মিনিট পনেরোর পথ জয়চণ্ডী স্টেশন (Purulia)। স্টেশন থেকে সামান্য পথ রিকশায় গেলেই জয়চণ্ডী পাহাড়। তবে মন্দির পর্যন্ত যেতে হলে শেষ ১ কিমি পথ পাহাড় ভেঙে উঠতে হবে।থাকা-খাওয়া-এখানে রয়েছে জয়চণ্ডী যুব আবাস (ফোন-৬২৯২২৪৮৮৭১)। এছাড়াও আছে কয়েকটি বেসরকারি হোটেল বা লজ। তবে এখানে হোটেলের অপ্রতুলতা আছে। সেক্ষেত্রে বড়ন্তি থেকেও ঘুরে নেওয়া যায় জয়চণ্ডী। বড়ন্তিতে তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি হোটেল রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা, শোরগোল

    Purulia: আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! খেলার মাঠ দখলের চেষ্টা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’! গ্রামের খেলার মাঠ দখল করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পুরুলিয়ার (Purulia) ঝালদা থানার তুলিন এলাকায়। ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। গ্রামবাসীরা জোটবদ্ধ হয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Purulia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তুলিন (Purulia) গ্রামের পাশে ইউনাইটেড ক্লাবের মাঠ। প্রায় দেড় একর জমি এখানে। সেই জমিই দখল করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ তোলেন গ্রামবাসীরা। অভিযোগের আঙুল তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ- সভাপতি শেখ সুলেমানের দিকে। এলাকার লোকজনের দাবি, প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন এই মাঠ। এখানে দিনের পর দিন এলাকার বাচ্চারা খেলাধূলা করে। এলাকার তিনটি প্রাথমিক স্কুলের খেলার মাঠ নেই। তাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতারও একমাত্র মাঠ এটিই। সেটাই দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ইউনাটেড ক্লাবের সদস্য যজ্ঞেশ্বর মাহাত বলেন, “মাঠটা ১০০ বছরের পুরানো। হঠাৎ শুনলাম তৃণমূল নেতা শেখ সুলেমান নিজের নামে জমি রেকর্ড করে নিয়েছে। এটা দখলের চেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। অস্ত্র নিয়ে এসেছিল। আমাদের মারধর করার চেষ্টা করে। এরপর এলাকার লোকজন রুখে দাঁড়াতেই ওরা চলে যায়। মাঠ তো আমরা ছাড়ব না।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা শেখ সুলেমান বলেন, ” দু’বছর আগে জমিটা কিনেছি। যখনই জমির মাপজোক করতে যাই আমাকে বাধার মুখে পড়তে হয়। খুনের হুমকি পর্যন্ত দেয়। বলে, অনেকদিন ধরে জমি দখল করে আছি, ছাড়ব না। আমি ঝালদার আইসি, বিডিও অফিস, বিএলআরও অফিসে চিঠিও দিয়েছি। জমি মাপজোক করতে গিয়ে দেখি, গ্রামের লোকজন লাঠি, শাবল নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমি বললাম, আমার রেকর্ডভুক্ত জমি, মাপ তো করবই। তোমরা বাধা দিচ্ছ কেন? আমি কোনও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যাইনি। এসব মিথ্যা অভিযোগ।”

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির পুরুলিয়া জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, “এই সরকার (Trinamool Congress) মাফিয়াদের ওপরই চলছে। জমি, বালি, কয়লা, চাকরি মাফিয়ারা এ সরকারের স্তম্ভ। গ্রামবাসীরা বলছেন, এই জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বাচ্চারা খেলাধূলা করে। অনুষ্ঠান হয়। সেই জমি নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দখল করতে চাইছেন তৃণমূল নেতা। এসব হতে পারে না। এই অন্যায়ের প্রতিরোধ হওয়া দরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malaria: চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    Malaria: চোখ রাঙাচ্ছে ম্যালেরিয়া! পুরুলিয়াতেই ১৬৬ জন আক্রান্ত, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষা আসতেই রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়ার দাপট শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই শিলিগুড়িতে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে ডেঙ্গিতে ১৪০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এরই পাশাপাশি এবার পুরুলিয়া জেলায় ম্যালেরিয়া (Malaria) আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। ফলে, জেলাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের কর্তারাও উদ্বিগ্ন।

    জেলায় ১৬৬ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত (Malaria)

    স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়া জেলায় (Purulia) আক্রান্তের সংখ্যা ১৬৬ জন। এর মধ্যে বলরামপুর ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। তাতে আরও উদ্বেগ বেড়েছে। ম্যালেরিয়া (Malaria) আক্রান্তের খবর পেয়ে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি পরিদর্শনে যান জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস। শনিবার পুরুলিয়ার বলরামপুর ব্লকের বাঁশগড় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন তিনি। সেখানে শিশু থেকে বৃদ্ধ প্রায় ৫০ জন ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বললেন। একইসঙ্গে আশাকর্মী এবং স্বাস্থ্য দফতরের টিম গ্রামে গ্রামে গিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্প করে সাধারণ মানুষের রক্ত পরীক্ষা শুরু করেছেন। ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের লক্ষণ ধরা পড়লেই প্রাথমিক চিকিৎসা করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করার ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য দফতরের ওই দল। বলরামপুর শহরের বেশ কয়েকজন ছাত্রী মাথা ব্যাথা জ্বর নিয়ে ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আসেন ম্যালেরিয়ার পরীক্ষা করাতে। রক্ত পরীক্ষা করার পর ম্যালেরিয়ার রিপোর্ট ধরা পড়ছে।

    আরও পড়ুন: ১৬ হাজার ফিট উচ্চতায় মোবাইল পরিষেবা, সেনাকে বিজয় দিবসের উপহার কেন্দ্রের

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বলরামপুর ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও প্রশাসনের সেভাবে নজর নেই। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ম্যালেরিয়া প্রতিরোধের জন্য প্রথম থেকে স্বাস্থ্য দফতরের যে ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া দরকার তা নেওয়া হয়নি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তেই এখন স্বাস্থ্য দফতরের হুঁশ ফিরেছে।

    গতবারের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে

    জেলা (Purulia) মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশোক বিশ্বাস বলেন, গত বছরের তুলনায় ম্যালেরিয়ার আক্রান্তের সংখ্যা জেলায় বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে বলরামপুর, বাগমুন্ডি, ঝালদা সহ একাধিক ব্লকে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। বেড সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামে গ্রামে অস্থায়ী শিবির করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    Purulia: পুরুলিয়া লোকসভায় হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের চিত্র প্রকাশ্যে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরুলিয়ায় (Purulia) লোকসভা নির্বাচনে হারের চর্চায় তৃণমূলের অন্দরে দলীয় সংঘাতের কথা উঠে আসল। তৃণমূলের শাখা সংগঠনগুলির মধ্যে কোন্দল, সমন্বয়ের অভাব, এবং বুথস্তরে জনপ্রতিনিধিদের জনসংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়াই অন্যতম বিপর্যয়ের কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত বুধবার দলের জেলা কমিটির পর্যালোচনায় এমন তথ্যই উঠে এসেছে। ফলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে এসেছে।

    বৈঠকে গরহাজির একাধিক তৃণমূল নেতা (Purulia)!

    তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা ভোটের দায়িত্বে থাকা ব্লক ও শহর কমিটির সভাপতি এবং জেলা তৃণমূলের প্রাথমিক পর্যালোচনা করে রিপোর্ট জমা দিয়েছে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। দলের নির্বাচন পর্যবেক্ষক তন্ময় ঘোষ বলেছেন, “কিছু ত্রুটি আমাদের নজরে এসেছে। দলের কাছে পেশ করা রিপোর্টে সবটাই জানানো হবে। রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্ব নিশ্চই সিদ্ধান্ত নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন।” উল্লেখ্য এদিন পুরুলিয়ায় (Purulia) বৈঠকে গরহাজির থেকে বিতর্ক বাড়িয়েছেন লোকসভা প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো, লোকসভার নির্বাচনী কোর কমিটির চেয়ারম্যান সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়, ছাত্র, যুব এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। ইচ্ছে করেই তাঁরা বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন। ফলে এই কোন্দলের কারণে দল নির্বাচনে হেরেছে বলে মনে করেছেন দলেরই একাংশ।

    বিক্ষুব্ধ তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    জেলার (Purulia) এক তৃণমূল (TMC) নেতার বক্তব্য, “আজকের বৈঠকে কিছু মঞ্চপ্রেমী নেতা-নেত্রী ও অনেক শাখা সংগঠনের প্রধানদের দেখতে পেলাম না। এর কারণ কী? লোকসভা নির্বাচনে হারের লজ্জা না কি গ্লানি? জেলা তৃণমূলের কর্মী হিসাবে আমি মনে করি অবিলম্বে পুরুলিয়া জেলা কমিটিতে বড় পরিবর্তন করার প্রয়োজন রয়েছে। মঞ্চে ওঠা তথাকথিত নেতাদের বাদ দিয়ে কাজের নেতাদের স্থান দিন।” একই ভাবে বৈঠকে বুথস্তরে আর্থিক সহায়তা ঠিক করে পৌঁছায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

    আরও পড়ুনঃ হকার উচ্ছেদে অক্ষত পার্টি অফিস! তৃণমূলের কার্যালয় বলেই কি ছাড়? শোরগোল বোলপুরে

    কী বললেন শান্তিরাম?

    বৈঠকে যোগদান না করে পুরুলিয়ার (Purulia) প্রার্থী শান্তিরাম বলেছেন, “আমি মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত বলেই বৈঠকে যাইনি। অন্তর্ঘাতের বিষয়টি যখন উঠে এসেছে তখন বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত।” আবার সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “এই দিন যে সাংগঠনিক বৈঠক বলা হচ্ছে, তা ভোটের আগেই করা উচিত ছিল। যদি ২১ জুলাইের প্রস্তুতি এবং ফলাফল পর্যালোচনার বিষয় আলোচনায় থাকত, তবে যেতাম।” আবার এই বিষয়ে তৃণমূল (TMC) জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেছেন, “সুজয় বাবু সহ একাধিক নেতাকে আমি ফোন করে মিটিং-এর কথা বলেছিলাম। তবুও কেন আসেননি আমার কাছে স্পষ্ট নয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share