Tag: PWD

PWD

  • Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের রাজা নন। নিছক জমিদারও নন। ভারতের একটা অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এখন অবশ্য সেই কুর্সিটাও নেই। তবে রয়ে গিয়েছে তাঁর সাধের শিশমহল (Sheesh Mahal)। যে মহলের অন্দরে উঁকি দিলে মানসপটে ভেসে উঠতে বাধ্য রাজতন্ত্রের জমকালো ছবি। যাঁর বাসভবন নিয়ে এত ধানাই পানাই তাঁর দলের নামের গায়ে মাটির গন্ধ – আম আদমি পার্টি। সেই দলের নেতার বাসভবন দেখলে মনে হয় না, তাঁর দল সত্যিকারেরই আম আদমির। কারণ বাড়িটার প্রতিটি ইটে, কড়ি বর্গায়ও বড়লোকি গন্ধ।

    কেজরিওয়ালের কীর্তি ফাঁস

    দিল্লির ৬ নম্বর ফ্ল্যাগস্টাফ রোডে বাড়িটার নামই শিশমহল। গত ৯ বছর ধরে এখানেই বাস করছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন কেজরি। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে অতিশি মারলেনাকে। স্বাভাবিকভাবেই তার আগে রাজ্যের পূর্ত দফতর ওই মহলের আসবাবপত্রের একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। যা দেখে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) প্রথমবার নজরে আসেন ২০২৩ সালের মে মাসে, যখন সংবাদমাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত বিলাসিতায় করদাতাদের অর্থ অপচয়ের বিবরণ ফাঁস হয়ে যায়।

    বিজেপির নিশানা আপ সুপ্রিমোকে (Arvind Kejriwal)

    পিডব্লুডির তালিকা দেখার পরে আপ সুপ্রিমোকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “এই হচ্ছে বৈদ্যুতিক নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং গ্যাজেটসের তালিকা, যেগুলো ইনস্টল করা হয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শিশমহলে (Sheesh Mahal)।” মালব্য আরও লিখেছেন, “বিস্ময়ের আরও আছে। সেন্সর-সজ্জিত পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় টোটো স্মার্ট টয়লেট রয়েছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেটা খোলা-বন্ধ হয়। রয়েছে হিটেড সিট, ওয়্যারলেস রিমোট ডিওডোরাইজার এবং অটোমেটিক ফ্ল্যাশিং। এই জাতীয় টয়লেট সিটের দাম ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা।”

    আরও পড়ুন: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরে

    একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক শিশমহলের অন্দরে। ১৬টা ভয়েস কন্ট্রোলড আল্ট্রা স্লিম স্মার্ট ৪কে টিভি রয়েছে, দাম ৬৪ লাখ টাকা। সাড়ে ১৯ লাখের স্মার্ট এলইডি-ও রয়েছে। ফ্রিস্ট্যান্ডিং লুমিনেয়ার রয়েছে, মূল্য ৯.২ লাখ। ৪ লাখ টাকা দামের ওএসএডিএ ফুল বডি ম্যাসেজ চেয়ারও রয়েছে। রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের রিক্লাইনার সোফা, ৮টি মোটোরাইজড রিক্লাইনার সোফা রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের, বোস লাউডস্পিকার রয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দামের। দুটো স্মার্ট রেফ্রিজারেটর রয়েছে ৯ লাখ টাকা দামের। এই রেফ্রিজারেটরের মধ্যেই রয়েছে ইনবিল্ট টিভি এবং এআই ভিশন স্ক্রিন। ৯ লাখ টাকা দামের ৭৩ লিটারের স্টিম ওভেনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)।

    দামি গ্যাজেটসে সাজানো অন্দর

    কেজরিওয়ালের বাংলোতে (Arvind Kejriwal) ৫০ লিটারের মাইক্রোওয়েভ ওভেন রয়েছে, যার দাম ৬ লাখ টাকা। ৬ লাখ টাকা দামের দুটো মাউন্টেড হুডস ১৪০ সেমি স্টেনলেস স্টিল চিমনিও রয়েছে। বিওএসসিএইচ সিরিজের ৮ বিল্ট ইন কফি মেশিন রয়েছে, মূল্য আড়াই লাখ টাকা। তিনটে হট ওয়াটার জেনেরেটর রয়েছে, মূল্য সাড়ে ২২ লাখ টাকা। ১৫ কোটি টাকা মূল্যের সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটারি ইনস্টলেশনও রয়েছে। ২.১ লাখ টাকা দামের এলজির ১২ কেজি ফ্রন্ট লোড অটোমেটিক ওয়াশিং মেশিনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)। এসএস রেলিং, স্টিয়ারকেস কভারিং রয়েছে ১.২ কোটি টাকা মূল্যের। রয়েছে ২০টি গ্র্যান্ড এজেড ব্রাশ এন্ট্রাস স্কোনস আউটডোর লাইট, মূল্য ১০ লাখ টাকা। উডেন ও গ্লাসডোর উইথ অটোমেটিক স্লাইডিং সেন্সর রয়েছে ৭০ লাখ টাকা দামের। ২৪টি ডেকোরেটিভ পিলার রয়েছে, যার মূল্য ৩৬ লাখ টাকা। জানালার পর্দা রয়েছে ৮০টি, মূল্য ৪ থেকে ৫.৬ কোটি টাকা। সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই রয়েছে ১৫ কোটি টাকার।

    আপ সুপ্রিমোর চমক!

    ২০১৩ সালে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেছিলেন তিনি ও তাঁর দলের মন্ত্রীরা সরকারি বাংলো ব্যবহার করবেন না। তার পরিবর্তে তাঁরা ব্যবহার করবেন ছোট ছোট সরকারি ফ্ল্যাট। আপ সুপ্রিমোর সেই প্রতিশ্রুতি যে নিছকই চমক, তাঁর বাংলোর ছবিই তার প্রমাণ। ১৩ হাজার স্কোয়ার ফিট এলাকজুড়ে রয়েছে শিশমহল (Sheesh Mahal)। এর মধ্যে লন রয়েছে ৩৯৯ স্কোয়ার ফিট। সমস্ত ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা মেলে সেখানে।

    ‘অপারেশন শিশমহল’ নাম দিয়ে একটি খবর প্রকাশ করে ‘টাইমস নাও’-ও। সেখানেও দেখানো হয় শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরের সাজসজ্জা। যে অন্দরসজ্জা দেখলে হয়তো হাত কামড়াতেন রাজা-রাজড়ারাও। কারণ রাজার ঘরে যে ধন আছে…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    South 24 Parganas: একদিকে হকার উচ্ছেদ, অন্যদিকে নয়নজুলি দখল করে চলছে অবৈধ নির্মাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেকটি দফতর থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কোনও ভাবেই সরকারি জায়গা দখল করা যাবে না। যারা যারা দখল করেছে, তাদের উচ্ছেদ করতে হবে। আর সেই নির্দেশের পরেও উল্টো ছবি দেখা গেল কুলপি বিধানসভার (South 24 Parganas) বিভিন্ন জায়গায়। সেখানে নয়নজুলি দখল করে চলছে একের পর এক অবৈধ নির্মাণ। হেলদোল নেই প্রশাসনের।

    কোথায় চলছে এই বেপরোয়া কার্যকলাপ? (South 24 Parganas)

    কুলপি বিধানসভার নিশ্চিন্তপুর স্টেশন রোড সংলগ্ন এলাকায় একের পর এক নয়নজুলি ও পিডব্লিউডি’র জায়গা দখল করে গড়ে উঠেছে একাধিক অবৈধ নির্মাণ। নিশ্চিন্তপুর এলাকায় রাস্তার পাশেই দীর্ঘদিন ধরে সিপিএমের পার্টি অফিস ছিল। তার পাশে পিডব্লিউডি’র ফাঁকা জায়গা দীর্ঘদিন ধরেই সিপিএমের দখলে ছিল। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছিল জায়গাটি, যাতে নয়নজুলি থেকে জল ব্যবহার করতে পারেন তাঁরা। কিন্তু সেই জায়গাটিও রাতারাতি এলাকারই শাসকদল ঘনিষ্ঠ উমাপদ দাস নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক দখল করে নেয় বলে অভিযোগ। এমনকী নয়নজুলি দখল করে চলে নির্মাণকাজও (Eviction)। এই বিষয় নিয়ে সিপিএমের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগও করা হয়।

    কে শুনছে কার কথা?

    শুধুমাত্র এই নিশ্চিন্তপুর এলাকাতেই নয়, কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকাতেও (South 24 Parganas) নয়নজুলি দখল করে দিনে-দুপুরে চলছে এই অবৈধ নির্মাণের কাজ। তবে এই বিষয় নিয়ে বেলপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বর্ণালী মণ্ডলের দাবি, তাঁরা এই অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও কার অনুমতিতে এই অবৈধ নির্মাণ হচ্ছে, তা তাঁদের কিছুই জানা নেই।অন্যদিকে কুলপি বিধানসভার বাগারিয়া এলাকা নিয়ে বিডিও, এসডিও, পুলিশ-প্রশাসন থেকে প্রত্যেকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও কোনও ফল লাভ হয়নি। এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, এইভাবে একের পর এক নয়নজুলি দখল করে অবৈধ নির্মাণের ফলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জল নিকাশি ব্যবস্থা। আগামী দিনে চাষের কাজ একদিকে যেমন বন্ধ হয়ে যাবে, ঠিক তেমনি ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ মানুষকে। তবে এই অবৈধ দখলদারি নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কেউ কিছুই বলতে চাননি। কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুপ্রিয় হালদার জানান, ইতিমধ্যেই যে যে জায়গায় অবৈধ নির্মাণ হচ্ছিল, প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন বন্ধ করে দিয়েছে সেই নির্মাণ কাজ। 

    কটাক্ষ বিজেপি’র (South 24 Parganas)

    তবে এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি। কুলপি বিধানসভার শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক স্বপন হালদার জানান, মুখ্যমন্ত্রীর ওই নির্দেশ শুধুমাত্রই ভাঁওতা ছাড়া অন্য কিছুই নয়। শাসকদলের মদত ছাড়া এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এইভাবে নয়নজুলি দখল করে নির্মাণ কোনও দিনই করা যায় না। এই বিষয় নিয়ে বারে বারে তাঁদের পক্ষ থেকেও প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও ফল লাভ হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে, এক দিকে যখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কড়া নির্দেশ দিচ্ছেন অবৈধ নির্মাণ বন্ধের জন্য, তখন কীভাবে গোটা কুলপি বিধানসভা জুড়ে দিনে-দুপুরে চলছে অবৈধ নির্মাণ (Eviction)? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘৮ ইঞ্চির বদলে রাস্তায় ৪ ইঞ্চির ঢালাই’, পূর্তের কাজ নিয়ে প্রশ্ন খোদ তৃণমূল বিধায়কের

    Murshidabad: ‘৮ ইঞ্চির বদলে রাস্তায় ৪ ইঞ্চির ঢালাই’, পূর্তের কাজ নিয়ে প্রশ্ন খোদ তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এমনিতেই মেলা খেলায় কোটি কোটি টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। পুজো কমিটিগুলিকে ঢালাও টাকা দেওয়া হচ্ছে। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। আর পুজোর মুখে খানাখন্দে ভরে রয়েছে রাস্তাঘাট। নজর নেই সরকারের। আর যেখানে রাস্তা তৈরি হচ্ছে, সেখানে গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এমনই ঘটনার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর এলাকা। হাসপাতালে যাওয়ার রাস্তা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ করেছেন খোদ তৃণমূলের বিধায়ক জাকির হোসেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Murshidabad)

    কিছুদিন আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নবগ্রামের বিধায়ক বাঁধ ভেঙে যাওয়া দেখতে গিয়ে ইঞ্জিনিয়ার এর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় শুরু হয়। সেই সময় বিধায়ক বলেছিলেন, কোনওরকম কাজের দুর্নীতি মানব না। প্রয়োজন হলে মানুষ গাছে বেঁধে রাখবে। এবার জঙ্গিপুর হাসপাতালে রাস্তার কাজ নিয়ে পূর্ত দফতরের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক জাকির হোসেন। আচমকা জঙ্গিপুর হাসপাতালে ওই রাস্তা পরিদর্শনে যান তিনি। কংক্রিট রাস্তা হাত দিলেই ভেঙে যাচ্ছে, চাঙড় উঠে আসছে, বিধায়ককে এলাকার মানুষ তা দেখান। চোখের সামনে এসব দেখে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করেন। রাস্তার কাজের বেনিয়ম নিয়ম নিয়ে এলাকাবাসী তাঁকে নালিশ জানান। তাঁরা রাস্তা খুঁড়ে দেখান যেখানে ৪ ইঞ্চি ঢালাই করার কথা থাকলেও রাস্তার পাশে দেখা যাচ্ছে দুই ইঞ্চি ঢালাই।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক জাকির হোসেন বলেন, পূর্ত দফতর যে রাস্তা তৈরি করেছে তাতে সিডিউলে আছে ৮ ইঞ্চি পুরু রাস্তা তৈরি করার। কিন্তু, দেখা যাচ্ছে মাঝখানে ৪ ইঞ্চি পুরু রাস্তা তৈরি করেছে। রাস্তার দু’পাশের দুই ইঞ্চি করে রাস্তা হয়েছে। হাসপাতালের সুপারকে ঠিকাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেন। শুধু তাই নয় তিনি আরও বলেন, আমি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জেলা প্রশাসনের কর্তাদের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীকে এবং পূর্ত দফতরের মন্ত্রীকে অভিযোগ করব। কোনওমতেই এই রাস্তা আমরা মেনে নেব না।

    কী বললেন পূর্ত দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার?

    পূর্ত দফতরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার এই অভিযোগ মানতে নারাজ। তিনি বলেন, রাস্তা ঠিক হয়েছে, আমি এখনও এই অবস্থায় বলছি।  চেয়ারম্যান সাহেব দেখে গিয়েছেন, তিনি বলেছেন ঠিক আছে। বিধায়কের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি তো অভিযোগ করতেই পারেন, তাঁরা আমাদের মাথার উপরে আছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।                                                                     

  • Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর ঘাসফুলের ব্যাটন এখন তাঁর হাতে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকও (Abhishek Banerjee), পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতিও তিনিই। দলে বর্ষীয়ান সাংসদরা থাকলেও যুবরাজ থাকলে কারও নাকি কথা বলারই সাহস থাকে না, এমনটাই জনশ্রুতি। অভিষেক (Abhishek Banerjee) কোনও জেলা সফরে গেলে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের থরহরিকম্প অবস্থা হয়। সভায় যাওয়ার রাস্তা খারাপ থাকলে প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে সেই রাস্তা মেরামত করে দেয়। 

    ২৯ মার্চ কী  ছিল শহিদ মিনারে?

    এবার ২৯ মার্চ কলকাতার শহিদ মিনারে যুব তৃণমূলের সভার আয়োজন ছিল। রাজ্যের সমস্ত জেলার ছাত্র, যুব এবং মাদারের কর্মীরা সেই সভায় হাজির হয়েছিলেন। আর সভার প্রধান বক্তা ছিলেন তৃণমূলের এই যুবরাজ (Abhishek Banerjee)। ফল যা হওয়ার, তাই-ই হয়েছে। পার্টির প্রোগ্রাম, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সরকার। তাঁর সভার ব্যারিকেড, এমনকী অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরির জন্য টেন্ডার ডেকে দেয় খোদ পূর্ত দফতর। পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে যেভাবে টেন্ডার ডেকে যুবরাজের (Abhishek Banerjee) সভার পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, সেই বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সভার আয়োজন প্রশাসন কী করে করতে পারে, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যদিও প্রশাসনের সাফাই, নিরাপত্তার স্বার্থেই যা করার করা হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের মিটিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেখা যাক, টেন্ডারে কী রয়েছে?

    অনুষ্ঠানের আগেই শহিদ মিনার ও রেড রোড চত্বরে অস্থায়ী প্যান্ডেল, ব্যারিকেড, বাফার ব্যারিকেড এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরির জন্য টেন্ডার ডাকা হয়। ২৫ মার্চ এই টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। নোটিশে শুধু ২৯ মার্চ শহিদ মিনারে অস্থায়ী প্যান্ডেলসহ পরিকাঠামো তৈরির কথা বলা হয়। কোনও দলের উল্লেখ নেই। তবে, ওইদিন যুবরাজের সভা ছাড়া শহিদ মিনারে আর কোনও কর্মসূচি ছিল না। ফলে, নোটিশে উল্লেখ না থাকলেও অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভার জন্যই যে এই আয়োজন করা হয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এই ধরনের সভার জন্য দলীয় ফান্ড থেকেই খরচ করে প্যান্ডেল তৈরি করার কথা। তাহলে সরকারি টাকা খরচ করে দলীয় সভার আয়োজন করা হল কেন? উত্তর নেই। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় সভার জন্য টেন্ডার ডাকায় পূর্ত দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রাস্তার জন্য মাথা খুঁড়ে মরছেন বাসিন্দারা। আর….!!

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই রাজ্যের একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামবাসীরা ভোট বয়কটের ডাক দিচ্ছেন। শুক্রবারই মালদহের গাজোলে রাস্তা না হওয়ায় বহু বাসিন্দা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজ্য জুড়ে অনুন্নয়নের ছবি সামনে আসছে। সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দলীয় সভার প্যান্ডেল করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, দলীয় সভার জন্য পূর্ত দফতর এই ধরনের উদ্যোগ কি নিতে পারে? সরকারি টাকা জনগনের কাজে ব্যবহার হবে। তা না করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতাকে তুষ্ট করতে আসরে নেমেছে সরকার। এই রাজ্যে এতদিন দলদাস ছিল পুলিশ। এখন প্রশাসনও দলদাসে পরিণত হয়েছে। বাংলার মানুষ এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী আগে কখনও হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share