Tag: Qatar

Qatar

  • Pakistan Electricity Crisis: একটানা ১৬-২৪ ঘণ্টা লোডশেডিং! দামি এলএনজি কেনার ক্ষমতা নেই, পাকিস্তানে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট

    Pakistan Electricity Crisis: একটানা ১৬-২৪ ঘণ্টা লোডশেডিং! দামি এলএনজি কেনার ক্ষমতা নেই, পাকিস্তানে ভয়াবহ বিদ্যুৎ সংকট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে বিদ্যুৎ সংকট (Pakistan Electricity Crisis) আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলা সংঘাতের জেরে কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ (Blackouts) ব্যাহত হওয়ার পর বিকল্প হিসেবে জরুরি ভিত্তিতে গ্যাস কিনতে চেয়েছিল ইসলামাবাদ। কিন্তু বাজারদর অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় সেই উদ্যোগও আপাতত থমকে গিয়েছে। যার মাশুল গুণতে হচ্ছে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে।

    দরপত্রটি বাতিল (Pakistan Electricity Crisis)

    জানা গিয়েছে, পাকিস্তান একটি জরুরি চালানের জন্য মাত্র একটি প্রস্তাবই পেয়েছিল। ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম সংস্থাটি প্রতি মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিটের জন্য ২৭ ডলার দর দেয়। সংঘাত শুরুর আগের বাজারদরের তুলনায় এই দাম প্রায় তিন গুণ। ফলে পাকিস্তান রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাকিস্তান এলএনজি লিমিটেড ৮ সেপ্টেম্বর সরবরাহের কথা থাকা জরুরি দরপত্রটি বাতিল করেছে। তবে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হতে পারে। বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত না হলে সন্ধ্যার পর পাকিস্তানে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে। দিনের বেলায় সৌরবিদ্যুৎ কিছুটা ঘাটতি সামাল দিলেও, সূর্য ডোবার পর বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে গ্যাস ও অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ওপর নির্ভর করতে হয়। এলএনজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় সেই ব্যবস্থাই এখন বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে।

    কাতার থেকে গ্যাস সরবরাহে বড় ধাক্কা

    ইরানকে ঘিরে ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায়। পাকিস্তানের প্রধান এলএনজি সরবরাহকারী কাতার থেকে জ্বালানি আনা ব্যাহত হওয়ায় দেশটির বিদ্যুৎ খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে।

    কাতার চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, অনিয়ন্ত্রিত ও নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা পরিস্থিতির কারণে চুক্তিবদ্ধ সরবরাহ স্থগিত রাখার আইনি সুযোগ আরও বাড়ানো হয়েছে। ইউরোপ ও এশিয়ার ক্রেতাদের জন্য এই স্থগিতাদেশ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকতে পারে।

    জুলাইয়ের শুরুতে কাতারের একটি এলএনজিবাহী জাহাজে হামলার পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহণ কার্যত ব্যাপকভাবে কমে যায়। ফলে পাকিস্তানকে বিকল্প হিসেবে খোলা বাজার থেকে এলএনজি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। কিন্তু সংঘাতের পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সেই বিকল্পও এখন অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে (Pakistan Electricity Crisis)।

    সন্ধ্যার পরই সবচেয়ে বড় সমস্যা

    পাকিস্তানের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার একটি পুরোনো দুর্বলতাও এই সংকটে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। জ্বালানি খাত নিয়ে কাজ করা ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফিন্যান্সিয়াল অ্যানালিসিসের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ও চাহিদার ব্যবধান পূরণে এলএনজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ করে সূর্যাস্তের পর সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেলে এই নির্ভরতা আরও বাড়ে।

    সংকটের প্রভাব ইতিমধ্যেই সাধারণ মানুষের জীবনে স্পষ্ট। করাচির বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা ১৬ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ করেছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলি বলছে, দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের কাজ, পড়াশোনা, দৈনন্দিন গৃহস্থালির কার্যক্রম এবং পানির সরবরাহও ব্যাহত হচ্ছে।

    শুধু করাচি নয়, লাহোরসহ পাঞ্জাবের বিভিন্ন এলাকাতেও দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির জাতীয় বিদ্যুৎ ঘাটতি ৪ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    বিদ্যুতের দামও বাড়ছে

    জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় বাড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ গ্রাহকের ওপর। পাকিস্তানের জাতীয় বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জুন মাসের জ্বালানি ব্যয় সমন্বয়ের আওতায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম আরও শূন্য দশমিক ৭৫ পাকিস্তানি রুপি বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। ফলে একদিকে দীর্ঘ লোডশেডিং, অন্যদিকে বাড়তি বিদ্যুৎ বিল—দুই দিক থেকেই চাপের মুখে পড়েছেন গ্রাহকেরা।

    তেল আমদানি ও প্রবাসী আয় নিয়েও উদ্বেগ

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে পাকিস্তানের জন্য সমস্যা শুধু বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জ্বালানি আমদানির ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি দেশটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈদেশিক মুদ্রার উৎস প্রবাসী আয়ও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

    রাষ্ট্রসংঘের উন্নয়ন সমন্বয় কার্যালয়ের একটি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সৌদি আরব থেকে পাকিস্তানে প্রায় ৯৪০ কোটি মার্কিন ডলার (প্রবাসী আয়) এসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও এসেছে প্রায় ৭৮৩ কোটি মার্কিন ডলার।

    ফলে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা হলে পাকিস্তান একই সঙ্গে জ্বালানি আমদানির বাড়তি ব্যয় এবং প্রবাসী আয় কমে যাওয়ার চাপের মুখে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে (Blackouts) দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার মজুত, অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর আরও বড় চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের (Pakistan Electricity Crisis)।

     

  • Hormuz: হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানে নতুন করে হামলা আমেরিকার, উত্তেজনা চরমে

    Hormuz: হরমুজ প্রণালীতে জাহাজে হামলার অভিযোগে ইরানে নতুন করে হামলা আমেরিকার, উত্তেজনা চরমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরমুজ (Hormuz) প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার অভিযোগকে ঘিরে ইরানে তৃতীয় দফার সামরিক হামলা চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (US Launches Fresh Strikes)। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে এই হামলা শুরু হয় বলে জানিয়েছে আমেরিকার কেন্দ্রীয় কমান্ড।

    বিবৃতিতে যা জানাল আমেরিকা (Hormuz)

    সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় কমান্ডের তরফে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সাইপ্রাসের পতাকাবাহী কনটেইনারবাহী জাহাজ ‘এম/ভি জিএফএস গ্যালাক্সি’তে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস হামলা চালিয়েছে। এতে জাহাজে আগুন ধরে যায়, ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ইঞ্জিন রুম, নিখোঁজ হয়েছেন এক নাবিক। ক্ষয়ক্ষতির কারণে জাহাজটি আর এগোতে পারেনি।বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজে আগের হামলাগুলির জন্য জবাবদিহির পরে সমঝোতা স্মারক মেনে চলার সুযোগ ইরানকে দেওয়া হলেও, তারা তা মানেনি। এর জবাবে হরমুজ প্রণালীতে চলাচলকারী অসামরিক নৌযান ও বাণিজ্যিক জাহাজে ইরান যাতে আর হামলা চালাতে না পারে, তাই এই সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের নির্দেশেই এই হামলা চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে বিবৃতিতে।

    বন্ধ থাকবে হরমুজ প্রণালী!

    কেন্দ্রীয় কমান্ডের ওই পোস্টের জবাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, “ইরান ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন তাদের তার মূল্য দিতে হবে।” এদিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস জানিয়ে দেয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে। তাদের দাবি, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবৈধ হস্তক্ষেপের’ ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এই সময়ে কোনও জাহাজকে আর ওই প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনী আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী বন্ধের অজুহাতে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অঞ্চলে থাকা প্রতিপক্ষের আরও সামরিক ঘাঁটিতে হামলার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। এই ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা, ইজরায়েল এবং যেসব আঞ্চলিক দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ দিয়েছে, তাদেরই দায়ী করেছে ইরান।

    অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতা

    অন্যদিকে, সামরিক উত্তেজনার আবহেই কূটনৈতিক তৎপরতাও অব্যাহত রয়েছে। উত্তেজনা কমিয়ে (Hormuz) আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ফের শুরুর পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ইরান ঘুরে গিয়েছেন কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা। শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকাটে ওমানের বিদেশমন্ত্রী সাঈদ বদর আলবুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী সাঈদ আব্বাস আরাগচি। বৈঠক শেষে নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইরানের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, বৈঠকে বিশেষভাবে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের পঞ্চম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে (US Launches Fresh Strikes) আলোচনা হয়। একই সঙ্গে উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক উদ্যোগের প্রতি তাদের সমর্থনের কথা আরও একবার জানিয়ে দিয়েছে (Hormuz) ওমান।

     

  • Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    Donald Trump: মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান ট্রাম্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কয়েকটি মুসলিম ও আরব দেশকে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে’ (Abraham Accords) যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। সোমবার এই আহ্বান জানান তিনি। ট্রাম্প একে তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির সঙ্গে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতার অংশ হিসেবে তুলে ধরেন, জানিয়ে দেন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হতে পারে। তিনি সৌদি আরব, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডন এবং বাহরিন-সহ বিভিন্ন দেশকে একসঙ্গে ওই অ্যাকর্ডসে সই করার আহ্বান জানান।

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Donald Trump)

    দীর্ঘ ওই পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট লেখেন, “ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা সুন্দরভাবে এগোচ্ছে! এটি সবার জন্যই একটি দারুণ চুক্তি হবে, না হলে কোনও চুক্তিই হবে না।” সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, “যদি কোনও সমঝোতায় পৌঁছনো না যায়, তাহলে আবার যুদ্ধক্ষেত্রে ফিরে যেতে হবে এবং গোলাগুলি আগের চেয়ে আরও বড় ও মারাত্মক হবে।” ট্রাম্পের দাবি, ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর সৌদি আরব এবং কাতারের অবিলম্বে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়া উচিত। পরে অন্যান্য দেশগুলোরও একে অনুসরণ করা উচিত। তাঁর ইঙ্গিত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফলভাবে চুক্তি সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ইরানও এই কাঠামোর অংশ হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের মতে, আব্রাহাম অ্যাকর্ডস বর্তমান সদস্য দেশগুলির জন্য আর্থিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের ‘বিস্ফোরণ’ নিয়ে এসেছে। তিনি সদস্য দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, মরক্কো, সুদান এবং কাজাখাস্তানের নাম করেন (Abraham Accords)।

    ট্রাম্পের দাবি

    ট্রাম্প বলেন, “আব্রাহাম অ্যাকর্ডস তাদের পক্ষে খুবই উপকারী হয়েছে। সবার জন্যই আরও ভালো হবে। এটি মধ্যপ্রাচ্যে প্রকৃত শক্তি, ক্ষমতা ও শান্তি নিয়ে আসবে।” তিনি জানান, ওই দেশগুলির অনেক নেতার সঙ্গে কথা বলে তিনি বুঝেছেন, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর তারা ইরানকেও আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের অংশ হিসেবে দেখতে সম্মানিত বোধ করবেন। ট্রাম্প একে এই অঞ্চলের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিগুলির একটি বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, তিনি তাঁর প্রতিনিধিদের আরও দেশকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস

    আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল ২০২০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত এক ঐতিহাসিক চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েল এবং একাধিক আরব দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়। জানা গিয়েছে, শনিবার ট্রাম্প (Donald Trump) কয়েকটি আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের নেতাদের সঙ্গে কনফারেন্স কলে আলোচনা করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে তিনি আরও বিভিন্ন দেশকে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দিতে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে যোগ দেওয়াতে চান। ট্রাম্পের এহেন প্রস্তাবের পর ওই ভার্চুয়াল বৈঠকে কিছু সময়ের জন্য নীরবতা নেমে আসে, চুপ করে (Abraham Accords) যান সৌদি আরব, কাতার এবং পাকিস্তানের প্রধানরা। কারণ এই দেশগুলির সঙ্গে ইজরায়েলের আনুষ্ঠানিক কোনও কূটনৈতিক সম্পর্কই নেই (Donald Trump)।

     

  • Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    Israel: মোদি তেল আভিভ ছাড়ার পরেই ইরানে হানার ছক কষা হয়, সাফ জানালেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে কাজে লাগানো হয়েছে “অপারেশনাল সুযোগ”। অন্তত ইজরায়েলের (Israel) তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে সংবাদ মাধ্যমে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র–ইজরায়েল যৌথ হামলা চালায় ইরানে। ইজরায়েলি আধিকারিকরা একেই অপারেশনাল সুযোগ বলে বিবৃতি দিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সুযোগটি তৈরি হয় কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) তেল আভিভ সফর শেষ হওয়ার পর। ভারতে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার সংবাদ মাধ্যমে জানান, মোদির সফরের সময় তেহরানের বিরুদ্ধে আসন্ন সামরিক অভিযানের কোনও পূর্বাভাস ছিল না। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তাই মোদি থাকার সময় ইজরায়েলের ইরান হানার ছক কষা হয়েছিল বলে যে দাবি কংগ্রেস করছে, সেটা খারিজ করে দিলেন ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত। প্রসঙ্গত, গত দু’দিন ধরে কংগ্রেস এ নিয়ে আক্রমণ করেছে মোদিকে।

    অপারেশনাল সুযোগ (Israel)

    তিনি বলেন, “এটি ছিল একটি অপারেশনাল সুযোগ, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চলে যাওয়ার পর সৃষ্টি হয়। তাঁর সঙ্গে আলোচনায় আমরা আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছিলাম, কিন্তু যে বিষয়টি তখনও আমরা জানতাম না, তা শেয়ার করা সম্ভব হয়নি।” আজার আরও জানান, মোদির সফর শেষ হওয়ার পর প্রায় দু’দিন সময় লাগে সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত রূপ নিতে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইজরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার তরফে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। আমেরিকা ও ইজরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যৌথ সামরিক অভিযান চালায়। হামলা করা হয় রাজধানী তেহরান-সহ একাধিক শহরে। “অপারেশন এপিক ফিউরি” নামে পরিচিত এই অভিযানটি স্থগিত হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে এবং তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু অংশ পুনরায় শুরু করেছে—এমন অভিযোগের পর পরিচালিত হয়। হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পাল্টা আঘাত হানে। এর কয়েকটি উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত হেনেছে, যার মধ্যে রয়েছে দুবাই, আবুধাবি, কাতার ও বাহরাইন (Israel)।

    ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

    তেহরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেইনির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পায়। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, “যুদ্ধ এড়াতে আলোচনার চেষ্টা করার জন্য ইরানের অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।” আজার জানান, ইরানকে কেন্দ্র করে গোয়েন্দা ও সামরিক সক্ষমতা গড়ে তুলতে ইজরায়েল বহু বছর ধরে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। তিনি বলেন, “আমাদের এমন গোয়েন্দা সক্ষমতা তৈরি (PM Modi) করতে হয়েছে যাতে আমরা ইরানের শাসনব্যবস্থা ও তাদের সামরিক কাঠামোকে বুঝতে পারি—তারা পরবর্তী পদক্ষেপ কী নিতে পারে, কে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, তারা কোথায় অবস্থান করছে এবং কোন সক্ষমতাগুলি ইজরায়েলের জন্য হুমকির সৃষ্টি করছে।” তিনি আরও বলেন, “ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করার প্রযুক্তি উন্নয়নে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার বিরুদ্ধে নিজেদের প্রতিরক্ষা ঢাল শক্তিশালী করতে ইজরায়েল বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে। এই হুমকি শুধু ইরান থেকেই নয়, বরং তেহরান-সমর্থিত আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলির কাছ থেকেও আসে (Israel)।” দু’দিনের ইজরায়েল সফরে প্রধানমন্ত্রী মোদি দুই দেশের সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সম্পর্ককে বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করতে রাজি হন (PM Modi)।

     

  • PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    PM Modi: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগী মোদি, কথা বললেন ৮ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) কথা বলেছেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইজরায়েল, সৌদি আরব, জর্ডন, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং কাতারের নেতাদের সঙ্গে (Peace Stability Security)। এই অঞ্চলে দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা এবং ইরান ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলির পক্ষ থেকে ইজরায়েল, উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশ, এবং ওই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক টার্গেটে হামলার জেরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

    কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে কথা বলেন। তিনি কাতারের ওপর হামলার নিন্দে করেন এবং কাতারে বসবাসকারী ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি সমর্থন ও যত্নের জন্য আমিরকে ধন্যবাদও জানান। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার ভাই, মহামান্য শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি, কাতারের আমিরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা কাতারের সঙ্গে দৃঢ় সংহতি প্রকাশ করছি এবং তার (Peace Stability Security) সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার যে কোনও লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দে করি। সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে দ্রুত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর আমরা জোর দিয়েছি। এই কঠিন সময়ে কাতারে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি তাঁর অব্যাহত সমর্থন ও যত্নের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছি।”

    কথা আরও ৭ বিশ্বনেতার সঙ্গেও

    মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও (PM Modi) দুই গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গেও কথা বলেন। তিনি ওমানের সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন কুয়েতের যুবরাজ সাবাহ আল-খালেদ আল-হামাদ আল-মুবারক আল-সাবাহ-এর সঙ্গেও। দুটি ক্ষেত্রেই আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং সেখানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনা করেন। এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “মহামান্য সুলতান হাইথাম বিন তারিকের সঙ্গে কথা বলেছি এবং পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছি। ওমানের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা লঙ্ঘনের নিন্দে করেছি। আমরা একমত হয়েছি যে, টেকসই কূটনৈতিক সম্পৃক্ততাই দ্রুত আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য। ওমানে ভারতীয় সম্প্রদায়ের প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছি (PM Modi)।”

    হামলার তীব্র নিন্দে

    এদিনই প্রধানমন্ত্রী জর্ডনের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহের সঙ্গেও কথা (Peace Stability Security) বলেন এবং জর্ডনের জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও কল্যাণের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। পশ্চিম এশিয়ার পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেন তিনি এবং এই কঠিন সময়ে জর্ডনে প্রবাসী ভারতীয়দের দেখভাল করার জন্য ধন্যবাদ জানান বাদশাহকে। এর আগে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ এবং বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ঈসা আল খলিফার সঙ্গেও আলাদা করে কথা বলেন টেলিফোনে। আলোচনায় তিনি সৌদি আরব ও বাহরাইনের ওপর সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দে করেন। পাশাপাশি ওই দেশগুলিতে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক ভারতীয় সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সুস্থতা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। আঞ্চলিক অস্থিরতার মধ্যে প্রবাসী ভারতীয়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে ভারতের অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয় (PM Modi)।

    শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান

    প্রসঙ্গত, এই ফোনালাপগুলি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও ইরানকে ঘিরে শুরু হওয়া সংঘাতের পর থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ। ১ মার্চ, রবিবার তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন এবং দ্রুত সব ধরনের শত্রুতার অবসান ঘটিয়ে অঞ্চলে শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান (Peace Stability Security)। ভারতের এই কূটনৈতিক উদ্যোগ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমষ্টিগত নিরাপত্তার প্রতি দেশের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে এবং সর্বোপরি নিরীহ অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বিষয়টিকেই গুরুত্ব দেয় বলে দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (PM Modi)।

  • Strait of Hormuz: ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধে বন্ধ হতে পারে হরমুজ প্রণালি! কেন ভারতের জন্য এই জলপথ গুরুত্বপূর্ণ?

    Strait of Hormuz: ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধে বন্ধ হতে পারে হরমুজ প্রণালি! কেন ভারতের জন্য এই জলপথ গুরুত্বপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান-ইজরায়েল মধ্যে যুদ্ধ ক্রমশই ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। এই আবহে দক্ষিণ এশিয়ায় জ্বালানি তেল আমদানির অন্যতম পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে আশঙ্কার মেঘ ঘনীভূত হয়েছে। মনে করা হচ্ছে ইরান বন্ধ করে দিতে পারে হরমুজ প্রণালি। এই হরমুজ প্রণালির (Strait of Hormuz) উত্তরে রয়েছে ইরান, দক্ষিণে রয়েছে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী।

    ২১ মাইল বা ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত হল হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz)

    হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর সংযুক্ত হয় এবং পরে এর মাধ্যমে তা আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত হয়। হরমুজ প্রণালি মাত্র ২১ মাইল বা ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত, তবে জাহাজের জন্য প্রকৃত নাব্য চ্যানেলটি মাত্র কয়েক কিলোমিটারই প্রশস্ত রয়েছে। এই কারণেই এই অঞ্চল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। হরমুজ প্রণালির কাছে অবস্থিত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর রয়েছে। এগুলি হল—ইরানের আব্বাস বন্দর, এই বন্দর মূলত একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল সংরক্ষণ কেন্দ্র। হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি রয়েছে ওমানের সোহার বন্দর, এই বন্দর বাণিজ্য তথা জাহাজের রুট বদলের জন্য ব্যবহৃত হয়। হরমুজ প্রণালিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ফুজাইরা বন্দর, এই বন্দরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল সংরক্ষণ এবং জাহাজ বন্দর হিসেবে পরিচিত।

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন যায় বিশ্বের পাঁচ ভাগের একভাগ তেল

    হরমুজ প্রণালির (Strait of Hormuz) মাধ্যমেই আশেপাশের বেশিরভাগ উপসাগরীয় দেশ তেল ও গ্যাস রফতানি করে। এই কারণে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল প্রতিদিন (১ কোটি ৭০ লক্ষ ব্যারেলেরও বেশি) এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে যায়। সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির মতো উৎপাদক দেশগুলি থেকে জ্বালানির রফতানির অন্যতম প্রধান জাহাজপথ হল এই প্রণালি।

    ভারতের ৮৫ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি তথ্য প্রশাসন (EIA) যে তথ্য দিয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ, অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় ২০.৯ মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই সংকীর্ণ হরমুজ প্রণালির জলপথ দিয়েই যায়। এর ৮৩ শতাংশই এশিয়ার বিভিন্ন বাজারের জন্য নির্ধারিত। ভারতের (India) ৮৫ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত তেল আসে এই হরমুজ প্রণালি দিয়েই। তাই বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সমুদ্রপথ বন্ধ হলে তা দেশের জন্য বেশ উদ্বেগের কারণ। বিপুলভাবে বাড়তে পারে জ্বালানি তেলের দাম। এই হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) বন্ধ হলে ইরাক, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী থেকে আসা তেলের সরবরাহ বাধাপ্রাপ্ত হবে। এর ফলে অন্য দেশ থেকে তেল আমদানি করতে হতে পারে ভারতকে, যার প্রভাব ব্যাপকভাবে পড়বে তেলের দামে। শুধু তেল নয়, এই পথেই কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি করে ভারত। তাই এই প্রাকৃতিক গ্যাসের আমদানিও বন্ধ হতে পারে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়।

    হরমুজ প্রণালি দিয়ে ভারতের রফতানি (Strait of Hormuz)

    অন্যদিকে, এই পথ (Strait of Hormuz) দিয়ে ভারত রফতানিও করে অনেক কিছু। যেমন যন্ত্রপাতি, বস্ত্র, গয়না, রাসায়নিক ইত্যাদি। যার ফলে এই সমুদ্রপথ বন্ধ হলে ভারতীয় ব্যবসায়ীদেরও ক্ষতি হতে পারে। একইসঙ্গে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয় এবং তার সঙ্গে তেলের দাম বাড়ে, তাহলে বিমান সংস্থা ও টায়ার শিল্পের মতো ক্ষেত্রগুলি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভারতের টাকাও ব্যাপক চাপের মধ্যে পড়বে। ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ককে তখন আর্থিক নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হতে হবে, বিশেষ করে বাড়বে মুদ্রাস্ফীতি। অর্থাৎ, হরমুজ প্রণালি যদি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে প্রতিটি ভারতবাসী এর প্রভাব অনুভব করতে পারবে। পেট্রোলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতি মাসে সাংসারিক খরচও প্রতিটি পরিবারকে বেঁধে দিতে হবে, বাড়তে পারে মুদ্রাস্ফীতিও।

    বিকল্প কী রয়েছে ভারতের কাছে?

    মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ এবং আমেরিকা থেকেও তেল কেনে ভারত, তাই এগুলোই বিকল্প হতে পারে যদি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়। তবে এই দেশগুলি থেকে যে পরিমাণ তেল আমদানি করা হয় তা অনেকটাই কম। পরিসংখ্যান বলছে, বিগত এপ্রিল মাসে ভারত আফ্রিকার দেশগুলি থেকে ১২ শতাংশ তেল আমদানি করেছিল, গত মে মাসে সেটা কমে দাঁড়ায় ৫ শতাংশে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সংঘাত শুরু হয়েছে, তাতে পরিস্থিতি অনেকটাই পাল্টে গিয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যদি হরমুজ প্রণালি সত্যিই বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে বিকল্প হিসেবে আফ্রিকার দেশগুলি থেকে তেল কেনার কথা ভারত (India) ভাববে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে এখান থেকে তেল নিয়ে তেলের ঘাটতি কতটা মেটানো যাবে, সে নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। বিভিন্ন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যাচ্ছে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক ইতিমধ্যেই জানিয়েছে যে সারাদেশে বর্তমানে ৭৪ দিনের তেল মজুত রয়েছে এবং কৌশলগত মজুতও রয়েছে ৯.৫ দিনের তেল। তবে ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে তেল নিয়ে ভাবতে হবে ভারতকে।

  • Qatar Fifa World Cup: ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হবার আগেই অভিবাসী শ্রমিকদের বের করে দিয়েছে কাতার

    Qatar Fifa World Cup: ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হবার আগেই অভিবাসী শ্রমিকদের বের করে দিয়েছে কাতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হতে এক মাসেরও বাকি নেই। তবে আয়োজক কাতারকে সামলাতে হচ্ছে নানাবিধ চ্যালেঞ্জ। কাতারের অস্বস্তি বাড়াচ্ছে মানবাধিকার রক্ষা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান। সম্প্রতি কাতার ফিফা বিশ্বকাপের (Qatar Fifa World Cup) জন্য রাজধানী দোহার কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিল্ডিং থেকে অভিবাসী শ্রমিকদের বের করে দিচ্ছে।

    স্থানীয় এক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ নভেম্বর টুর্নামেন্ট (Qatar Fifa World Cup) শুরুর আগেই কাতারের নিরাপত্তা রক্ষীরা শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত ১২ টি বিল্ডিংয়ে বসবাসকারী পরিযায়ী শ্রমিকদের তাদের বাসস্থান থেকে বের করে শহরের অন্য স্থানে তাদের স্থানান্তরিত করা হয়। 
    যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, এই বিল্ডিংগুলি বিপজ্জনক অবস্থায় থাকায় এই শ্রমিকদের ওই বিল্ডিং থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।আল মনসুরা এই এলাকাটিতে বিদেশী পর্যটকদের থাকার জন্য অনেক দিন ধরেই নতুন নতুন বিল্ডিং বানানো হচ্ছে। 

    [tw]


    [/tw] 

    বাংলাদেশের একজন পরিযায়ী শ্রমিক যে ড্রাইভার হিসেবে কাতারে কাজ করে তাকে একপ্রকার জোর করে তার বাসস্থান থেকে বের করে দেয় কাতার নিরাপত্তা রক্ষীরা। পরে সে সারা রাত তার গাড়ির ভেতরে শুয়ে কাটায়। ইউনুস জানায় এই নিয়ে তাকে  তিনবার তার আস্তানা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরাপত্তাহীনতার প্রশ্নে এর আগেও প্রশ্নের মুখে পড়েছে খনিজ তেল সমৃদ্ধ এই ধনী দেশটি। পরিযায়ী শ্রমিকদের এমন পরিস্থিতির জন্য সরব হয়েছে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী কয়েকটি দেশ।কাতারে বিশ্বকাপের (Qatar Fifa World Cup) সময় হাজির থাকবেন না বলে জানিয়েছেন প্রিন্স উইলিয়াম।
    অস্ট্রেলিয়াও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয় সেখানে একজন অস্ট্রেলীয় ফুটবলার বলেছেন, আমরা জানতে পেরেছি কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজনের ফলে অসংখ্য সাধারণ শ্রমিককে দুর্দশা ও ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ফুটবল অস্ট্রেলিয়ার তরফে বিবৃতিতেও বলা হয়েছে, কাতার বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, যদিও তার জন্য অনেক পরিযায়ী শ্রমিক ও তাঁদের পরিবারকে অনেক দুঃখ-কষ্ট-দুর্দশার মধ্যে দিয়ে যেতে হচ্ছে। এছাড়াও কাতারে সমকামীতা নিষিদ্ধ তাই সমকামী দর্শকদের কাতারে নিশ্চয়তার দাবী জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান এক ফুটবলার।

    [tw]


    [/tw]

    যদিও কাতার কর্তৃপক্ষ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানান, প্রথম আরব দেশ হিসেবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে বলেই কাতারকে বেনজিরভাবে সমালোচনা করা হচ্ছে। সমকামীতার বিষয়ে কাতার কর্তৃপক্ষ জানান, বিশ্বকাপে এলজিবিটিকিউ-সহ সমস্ত ফ্যানেরাই স্বাগত। তবে তাঁদের কাতারের রক্ষণশীল সংস্কৃতি মেনে চলতে হবে। 
    প্রসঙ্গত, ভারত,বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নেপাল,ফিলিপাইন, উগান্ডা সহ আফ্রিকার নানা দেশ থেকে জীবিকা নির্বাহের জন্য প্রচুর মানুষ কাতারে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে আসেন। বর্তমানে কাতারে মূল অভিবাসীদের সংখ্যা শতকরা ২০ শতাংশ বাকি ৮০ শতাংশই বাইরে দেশ থেকে জীবিকার সন্ধানে কাতারে গিয়ে বসবাস করছে। এরাই মূলত কাতারের চালিকা শক্তি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • PM Modi In Qatar: ‘‘ভারত-কাতার সম্পর্কের পুনর্জাগরণ’’, দোহায় বৈঠকের পর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    PM Modi In Qatar: ‘‘ভারত-কাতার সম্পর্কের পুনর্জাগরণ’’, দোহায় বৈঠকের পর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাতারেও আবেগে ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি কাতারে নামতেই উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় প্রবাসী ভারতীয়রা। ‘মোদি মোদি’ স্লোগান এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনি দেন তাঁরা। কাতার সরকারের কাছেও রাজকীয় সম্মান পান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। 

    নয়াদিল্লি-দোহা সম্পর্ক 

    পশ্চিম এশিয়া সফরে গিয়ে নয়াদিল্লি-দোহা সম্পর্ক নিবিড় করতে সক্রিয় হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে বৈঠকের পর ইতিবাচক বার্তা দেন তিনি। বৈঠকের পর এক্স হ্যান্ডেলে মোদি লেখেন, “কাতারের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির সঙ্গে দুর্দান্ত বৈঠক। আমাদের আলাপচারিতায় পুনর্জাগরণ হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভারত-কাতার সম্পর্কের।” ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘‘দুই রাষ্ট্রনেতার বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অর্থ এবং প্রযুক্তিক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’’ 

    কী কী নিয়ে আলোচনা

    দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার পাশাপাশি মোদি-থানির বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। দুই রাষ্ট্রনেতা আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এটি মোদির দ্বিতীয় কাতার সফর। এর আগে ২০১৬ সালে কাতারে গিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সংক্রান্ত সাতটি চুক্তি করেছিলেন তিনি। কাতারের তরফে বিবৃতিতেও শক্তি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে দুই দেশে শীর্ষ নেতার আলাপচারিতার কথা বলা হয়। পাশাপাশি উভয় রাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের কথাও উল্লেখ করা হয়। এখানেই মোদি তথা নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সাফল্য দেখছে বিশ্লেষকরা।

    এক সময় মুসলিম দেশগুলির আন্তর্জাতিক সংগঠন ওআইসি কার্যক্ষেত্রে ভারতবিরোধী ছিল। অযোধ্যার পর আবু ধাবিতে মন্দির তৈরি করার পরেও সেই মুসলিম বিশ্বকে বন্ধুত্বের বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্বও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi in Doha: উপচে পড়া ভিড়! ভারত-কাতার বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করতে দোহায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    Modi in Doha: উপচে পড়া ভিড়! ভারত-কাতার বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করতে দোহায় প্রধানমন্ত্রী মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ভারত ও কাতারের বন্ধুত্বকে আরও দৃঢ় করার লক্ষ্যে দোহায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বুধবার দোহায় পৌঁছে কাতারের  প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানির (Sheikh Mohammed bin Abdulrahman Al Thani) সঙ্গে সাক্ষাত করেন মোদি (Modi in Doha)। যেখানে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি, অর্থের মতো ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত করতে দুই নেতার মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

    নজরকাড়া সম্বর্ধনা

    এই নিয়ে দ্বিতীয়বার কাতার সফরে (Modi in Doha) গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ২০১৬ সালের জুনে তিনি প্রথম কাতার সফর করেন। সেখানে পৌঁছালে মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোলতান বিন সাদ আল-মুরাইখি। সেখানে মোদিকে দেখতে ভিড় করে প্রচুর প্রবাসী ভারতীয়রা। পরে তিনি কাতারের প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন যে ভারত-কাতারের বন্ধুত্বকে আরও মজবুত করতে আশাবাদী তিনি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ভারত ঘোষণা করে, কাতারের রাজধানী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। কাতারে জেলবন্দি ভারতীয় নৌবাহিনীর আট সদস্যের মধ্যে সাতজন দেশে ফেরার পর এই ঘোষণা করা হয়। 

    কাতারের রাজার সঙ্গে সাক্ষাত

    দুইদিনের সফরে তিনি কাতারের (Modi in Doha) এমির বা রাজা শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করতে কাতারের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। সম্প্রতিই কাতার থেকে নৌসেনার প্রাক্তন ৮ কর্তার মুক্তিকে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও ভারত সরকারের বিরাট কূটনৈতিক জয় বলেই দেখা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: মোদি-ডোভাল-জয়শঙ্কর, ত্রয়ীর চালেই বাজিমাত, দেশে ফিরলেন কাতারের আট বন্দি

    PM Modi: মোদি-ডোভাল-জয়শঙ্কর, ত্রয়ীর চালেই বাজিমাত, দেশে ফিরলেন কাতারের আট বন্দি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাজা হয়েছিল মৃত্যুদণ্ড। সেখান থেকে একেবারে মুক্তি পেয়ে দেশে ফেরা। কাতারের জেলবন্দি নৌবাহিনীর ৮ প্রাক্তন আধিকারিক দেশে ফিরে গাইছেন মোদি-স্তুতি (PM Modi)। তবে কেবল মোদি নন, এই আটজনের বেঁচে ফেরার নেপথ্যে রয়েছেন আরও দুজন। একজন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অন্যজন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। এই ত্রয়ীর চালেই হয় বাজিমাত। দেশে ফেরেন কাতারে মৃত্যু দণ্ডাজ্ঞাপ্রাপ্ত আটজন।

    চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার

    ওমান ভিত্তিক দারা গ্লোবালে কাজ করছিলেন ওই আটজন। চরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার হন ২০২২ সালের ৩০ অগাস্ট। তার পর থেকে বন্দি ছিলেন সে দেশের জেলে। পরের বছর ২৬ অক্টোবর তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেয় কাতারের আদালত। এর পরেই নৌসেনার প্রাক্তন এই আট আধিকারিককে বাঁচাতে প্রাণপণ করে ভারত সরকার (PM Modi)। ২০২২ সালের অগাস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্করকে তাঁদের মুক্তির বিষয়ে কাতার সরকারের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। বিদেশমন্ত্রক জানায়, গ্রেফতার হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তাঁদের মুক্ত করতে উঠেপড়ে লাগে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই জয়শঙ্কর কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত ছয় কূটনীতিককে নিয়ে একটি দল গঠন করেন। মধ্য প্রাচ্য ও পশ্চিম এশিয়ার যাবতীয় তথ্য এঁদের নখদর্পণে।

    কাতার সরকারের সঙ্গে আলোচনা

    কাতার সরকারের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন এঁরাই। ধৃতদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে ভারতও। জানা যায়, চরবৃত্তির যে অভিযোগ এই আটজনের বিরুদ্ধে তোলা হয়েছে তা সর্বৈব মিথ্যে। এর পাশাপাশি নয়াদিল্লি ওমানের দারা ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সিকিউরিটি সার্ভিসেস এলএসসির সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। ওমানের সুলতান, যাঁর সঙ্গে মোদির সম্পর্ক খুবই ভালো, তিনিও এই আটজনকে কাতার যাতে মুক্তি দেয়, সে ব্যাপারে সওয়াল করেন। কাতার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন লন্ডন ভিত্তিক এক ব্যবসায়ীও। এর পাশাপাশি ভারত ইরানকেও এ বিষয়ে কাতারের সঙ্গে কথা বলতে অনুরোধ করে। এমতাবস্থায় ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এঁদের মুক্তির বিষয়ে চিঠি লেখেন কাতারকে। দু দিনের সফরে তিনি চলে যান দোহা। সেখানে বৈঠক করেন সে দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা শেখ মহম্মদ বিন আহমেদ আল মুসনাদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুুন: দুবাইতে স্কুল খুলছে সিবিএসই, আবু ধাবিতে ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী

    ডোভাল মার্কিন নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভানের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। মার্কিন স্টেট সেক্রেটারি অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকেও এ ব্যাপারে অনুরোধ করেন। কাতারের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক বেশ ভালো। সেই কারণেই অনুরোধ করা হয় ব্লিঙ্কেনকে। ভারতের হয়ে সওয়াল করেন তাঁরা। হামাস-ইজরায়েল যুদ্ধে কাতার হামাসদের পক্ষে। এমতাবস্থায় ভারত কথা বলে দোহা, ওয়াশিংটন, তেহরান এবং ম্যাসকটের সঙ্গে। মোদি (PM Modi) স্বয়ং কথা বলেন সে দেশের আমির আল থানির সঙ্গে। এই আটজনকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রী। এঁরা যে চরবৃত্তি করছিলেন না, তার অকাট্য প্রমাণ তুলে ধরেন ডোভাল।

    কাতারে যে প্রচুর ভারতীয় রয়েছেন, ভারত যে সে দেশে ১৫.০৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাণিজ্য করতে চায়, প্রধানমন্ত্রী এসবই জানান আমিরকে। সেদেশে যে ছ’ হাজার ভারতীয় কোম্পানি রয়েছে, তাও জানান প্রধানমন্ত্রী। এই বৈঠকের পরেই গলে বরফ। ক্ষমা করে দেওয়া হয় জেলবন্দি আটজনকে। তার পরেই মেলে কাঙ্খিত মুক্তি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share