Tag: qom

qom

  • Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের (Khamenei) শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। তেহরানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তাঁরা ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় মার্গেরিটা জানান, বিহারের রাজ্যপালের সঙ্গে তিনি তেহরানে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (Khamenei)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি ভারত ও ইরানের দীর্ঘদিনের সভ্যতাগত সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। পাশাপাশি, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনির মোসাল্লা নমাজ প্রাঙ্গণে আজ, ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বিদায়ী অনুষ্ঠান। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ৬ জুলাই তেহরানে বের হবে শোকযাত্রা।

    শোকবইয়ে স্বাক্ষর ভারতের

    ৭ জুলাই ইরানের কোম শহরে আর একটি শোকযাত্রা হবে। ৯ জুলাই মাশহাদে হবে চূড়ান্ত শেষকৃত্য। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে খামেনেইকে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম (Khamenei)। এর আগে, ৫ মার্চ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। তিনি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ইরানের (Iran) দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন এবং খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন (Khamenei)।

     

  • PM Modi: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিহারের রাজ্যপাল-কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কী বার্তা দিতে চায় কেন্দ্র?

    PM Modi: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন বিহারের রাজ্যপাল-কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কী বার্তা দিতে চায় কেন্দ্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য এবং দাফন অনুষ্ঠানে (Khamenei State Funeral) উপস্থিত থাকতে পারবেন না ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। পূর্বনির্ধারিত আন্তর্জাতিক সফরের কারণে ওই শোকের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েও যেতে পারছেন না তিনি। তাই ভারতের পক্ষ থেকে ওই অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন বিহারের রাজ্যপাল লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন এবং বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা। সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে এঁদের।

    খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে প্রতিনিধি দল (PM Modi)

    ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে সরকারি সূত্রের খবর, ওই সময় প্রধানমন্ত্রী ইন্দোনেশিয়া, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকবেন। আগে থেকেই নির্ধারিত এই বিদেশ সফরের সূচির কারণে তাঁর পক্ষে ইরান সফর সম্ভব হচ্ছে না। এরপরই নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে বিহারের রাজ্যপাল এবং বিদেশমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রীকে ভারতের প্রতিনিধি মনোনীত করা হয়েছে। তাঁরাই যাবেন। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনেই নিহত হন বলে খবর। প্রথমে মার্চ মাসে তাঁর শেষকৃত্যের আয়োজনের পরিকল্পনা থাকলেও, পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তা স্থগিত করা হয়। পরে ইরান সরকার জুলাই মাসে নতুন করে অনুষ্ঠানের দিনক্ষণ নির্ধারণ করে (PM Modi)।

    ভারতের বার্তা

    আগামী ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য শুরু হবে। সেখানে সাধারণ মানুষের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য রাখা হবে খামেনেইয়ের দেহ। এরপর তেহরান ও পবিত্র শহর কোমে শোকযাত্রার আয়োজন করা হবে। ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজনের কথা জানানো হয়েছে। শিয়া মুসলিমদের কাছে এই দু’টি শহরের বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। ৯ জুলাই খামেনেইয়ের নিজের শহর মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে তাঁর দাফনের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হবে শেষকৃত্য পর্ব। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতেও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত ভারতের সঙ্গে (Khamenei State Funeral) ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের গুরুত্বকেই তুলে ধরে। যদিও, সরকারি সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির একমাত্র কারণ পূর্বনির্ধারিত বিদেশ সফরের সূচি (PM Modi)।

     

  • Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    Iran: খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ ইরানের প্রেসিডেন্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ সৈয়দ আলি খামেনেইর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ও দাফনের অনুষ্ঠান প্রথমে মার্চ মাসে আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান-ইজরায়েল এবং আমেরিকাকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে সেই কর্মসূচি স্থগিত করা হয়। পরে ইরানি কর্তৃপক্ষ ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন শহরে একাধিক অনুষ্ঠানের সূচি নির্ধারণ করে।

    খামেনেইর অন্ত্যেষ্টিতে আমন্ত্রণ ভারতের (Iran)

    অনুষ্ঠানের সূচনা হবে ৪ জুলাই তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সে। সেখানে খামেনেইর মরদেহ জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। দেশজুড়ে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোকানুষ্ঠান ও বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তেহরান এবং পবিত্র নগরী কোমে বিশাল শোকমিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি ইরাকের নাজাফ ও কারবালা শহরেও বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ৯ জুলাই উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজা মাজারে খামেনেইকে দাফন দেওয়া হবে। মাশহাদই ছিল খামেনেইর জন্মস্থান। সপ্তাহব্যাপী এই শোকানুষ্ঠানে লক্ষাধিক নয়, বরং কয়েক মিলিয়ন মানুষ অংশ নেবেন বলে আশা ইরানি প্রশাসনের (Iran)।

    ভারত-ইরান সম্পর্ক

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা বজায় রয়েছে। সাম্প্রতিক পশ্চিম এশিয়া সঙ্কটকালেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর একাধিকবার ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর আগে ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও ভারতের প্রতিনিধিত্ব দেখা গিয়েছে। ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়। একই বছরে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গডকরি।

    সম্প্রতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নয়াদিল্লি সফরে এসেছিলেন। ওই সফরে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন, সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও (Iran)। ইরানের এই (PM Modi) রাষ্ট্রীয় শোকের অনুষ্ঠানে ইরাক, পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন-সহ একাধিক আঞ্চলিক দেশের প্রতিনিধিদল উপস্থিত থাকতে পারে বলেও খবর।

     

  • Iran: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ! ইরানে একযোগে হামলা আমেরিকা-ইজরায়েলের, পাল্টা তেহরানের

    Iran: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ! ইরানে একযোগে হামলা আমেরিকা-ইজরায়েলের, পাল্টা তেহরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয়ে গেল পূর্ণমাত্রার সংঘাত। শনিবার সকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল (US Israel) একযোগে হামলা চালাল ইরানে (Iran)। ইরানজুড়ে একযোগে ৩০টিরও বেশি টার্গেটে আঘাত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্টের বাসভবন, সর্বোচ্চ নেতার দফতর এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কার্যালয়। জবাবে তেল আভিভের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে তেহরান।

    আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই কোথায় (Iran)

    ইরান জানিয়েছে, তেহরানের পূর্ব ও উত্তরাংশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ্ আলি খামেনেই বসবাস করেন। যদিও সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, খামেনেইকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তেহরান ‘চূর্ণবিচূর্ণ জবাবে’র প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। হামলার সপক্ষে যুক্তি দিয়ে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরান দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছিল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য দেশের জন্য হুমকি হতে পারে। ট্রাম্প তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, “অস্ত্র নামিয়ে রাখো, নইলে নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হবে।” এই নতুন হামলা ঘটল কয়েক মাস পর, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক কাঠামোয় আঘাত হেনেছিল এবং গত বছরের জুনে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান দেশজুড়ে ডজনখানেক টার্গেটে হামলা চালিয়েছিল।

    ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’

    ইজরায়েল জানায়, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ নামে একটি ‘প্রি-এম্পটিভ’ হামলা শুরু করেছে। এই অভিযানের পরিকল্পনা করা হচ্ছিল কয়েক মাস ধরে। হামলার তারিখও নির্ধারিত হয়েছিল কয়েক সপ্তাহ আগে। ইরানে প্রায় ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে টার্গেট করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সর্বোচ্চ নেতার দফতর, ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এবং পারচিন—যা ইরানের অন্যতম সংবেদনশীল সামরিক ঘাঁটি। প্রাথমিক চিত্রে তিন ধরনের টার্গেটের ইঙ্গিত মিলেছে। প্রথমত, পশ্চিম ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি—বিশেষ করে কেরমানশাহ, কারাজ এবং খোররামাবাদ অঞ্চলে। এই এলাকাগুলি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত। দ্বিতীয়ত, তেহরানের সরকারি ভবনগুলি। তৃতীয়ত, সন্দেহভাজন পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান—যেমন কোম ও বুশেহর (US Israel)।

    কী বলল আমেরিকা

    ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন হামলা আকাশ ও সমুদ্রপথে পরিচালিত হচ্ছে। আমেরিকা জানিয়েছে, হামলা কেবল ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুকেই কেন্দ্র করে হচ্ছে। হামলার খবর স্বীকার করে নিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমরা তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করব এবং তাদের ক্ষেপণাস্ত্র শিল্প সম্পূর্ণভাবে গুঁড়িয়ে দেব। ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না (Iran)।” এদিকে হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইরান ইজরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে এবং জানায়, তাদের জবাব হবে “চূর্ণকারী”। তেহরান ছাড়াও ইসফাহান, কোম, কারাজ ও কেরমানশাহ শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে খবর (US Israel)। হামলার পর ইজরায়েল ও ইরান উভয়ই অসামরিক উড়ানের জন্য তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে। ইরান থেকে সম্ভাব্য ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে।

    ইরানে শহর ছাড়ার ধুম

    আধিকারিকরা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে একাধিক দিনব্যাপী অভিযান চালাতে পারে। এদিকে তেহরানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানীতে পেট্রোল পাম্পগুলিতে লম্বা লাইন পড়েছে। কারণ বহু মানুষ শহর ছাড়ার চেষ্টা করছেন (US Israel)। সর্বশেষ হামলার ঢেউ আগের টার্গেটভিত্তিক হামলার তুলনায় আরও বড় হতে পারে। এক ভিডিও বার্তায় ট্রাম্প বলেন, “ইরানের অভ্যন্তরে তার সামরিক অভিযানের ফলে মার্কিন নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটতে পারে (Iran)।” মধ্যপ্রাচ্যে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের ঝুঁকির মধ্যেই ভারত ইজরায়েলে থাকা নাগরিকদের “সর্বোচ্চ সতর্কতা” অবলম্বন এবং নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। প্রসঙ্গত, এই হামলা এমন একটা সময়ে ঘটল, যখন ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে হামলার হুমকি দিচ্ছিলেন (US Israel)। পাশাপাশি তেহরানে খামেনেই সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দমন অভিযানে হাজার হাজার প্রতিবাদকারী নিহত হয়েছেন (Iran)।

    একাধিক মার্কিন বেসে পাল্টা হামলা ইরানের

    আমেরিকার হামলার পাল্টা হিসেবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। কাতার, কুয়েত ও জর্ডানের একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। লক্ষ্যবস্তু ঘাঁটিগুলি হল— কাতারের আল উদেইদ এয়ার বেস, কুয়েতের আল সালেম এয়ার বেস এবং জর্ডানের মুওয়াফাক আল-সালতি ঘাঁটি। এছাড়া, ইরান বাহরাইনে একটি মার্কিন নৌঘাঁটি এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)-র আল-ধাফরা এয়ারবেসেও হামলা চালিয়েছে। মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর তেহরানের বিরুদ্ধে অভিযানের পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইরানের এই হামলার পর বাহরাইনের রাজধানী মানামা এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহির রাজধানী আবু ধাবিতে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে বলে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করছে।

  • Qom: পড়াশোনা বন্ধ করতে ছাত্রীদের শরীরে বিষ প্রয়োগ ইরানে

    Qom: পড়াশোনা বন্ধ করতে ছাত্রীদের শরীরে বিষ প্রয়োগ ইরানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পড়াশোনা বন্ধ করতে বিষ প্রয়োগ। ইরানের রাজধানী তেহরানের দক্ষিণে কওম (Qom) শহরের কয়েকটি স্কুলে ছাত্রীদের শরীরে বিষ প্রয়োগ করা হল। মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ করতেই যে এই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে, তা কার্যত মেনে নিলেন ইরানের উপ স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনেস পানাহি। সম্প্রতি, উপ স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বীকার করেন, কেউ বা কারা ইচ্ছাকৃত ভাবেই ছাত্রীদের বিষ খাইয়েছেন। পানাহি বলেন, “কওম (Qom) শহরে ছাত্রীদের বিষক্রিয়ার ঘটনায় একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। কিছু মানুষ চান স্কুল বন্ধ হোক, বিশেষ করে ছাত্রীদের স্কুল।”  

    ভয় দেখানোই লক্ষ্য

    ভয় দেখানোই লক্ষ্য ছিল কওম (Qom) শহরে

    গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এই ঘটনায় শহরের প্রশানিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল অভিভাবক। তাঁরা এই বিষয়ে সরকারের জবাবদিহি চান। পরদিন ইরান সরকারের মুখপাত্র আলি বাহাদোরি জাহরোমি জানান, দেশের গোয়েন্দা এবং শিক্ষামন্ত্রক বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। কী ভাবে ছাত্রীদের শরীরে বিষ ঢুকল, তার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। তবে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে কিনা তা অবশ্য জানাননি ইরানের উপ স্বাস্থ্যমন্ত্রী। পানাহি জানিয়েছেন, এই বিষক্রিয়া ঘটানোর জন্য যে ধরনের রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছিল, সেগুলি যুদ্ধে ব্যবহৃত রাসায়নিক নয়। এবং সেই বিষ নিষ্কাশনের জন্য জটিল কোনও চিকিৎসারও প্রয়োজন নেই। ব্যবহৃত রাসায়নিকের বেশিরভাগেরই চিকিৎসা রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই অনুমান করা যায়, ছাত্রীদের ভয় দেখিয়ে তাদের পড়াশোনা বন্ধ করাই ছিল এই কাজের লক্ষ্য।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পকে ক্লিনচিট দিল্লি হাইকোর্টের, খারিজ যাবতীয় বিরোধী-মামলা

    গত নভেম্বর থেকে ইরানের কওম (Qom) শহরে একাধিক ছাত্রীর শরীরে বিষক্রিয়ার প্রমাণ মিলেছে। অনেককে ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালেও। ইতিমধ্যে প্রসিকিউটার জেনারেল মহম্মদ জাফর মোন্তাজেরি এই ঘটনায় একটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। সেই তদন্তে উঠে আসে, ইচ্ছাকৃতভাবে স্কুলগুলি বন্ধ করে দেওয়ার উদ্দেশে ছাত্রীদের শরীরে তাদের অলক্ষ্যে বিষ প্রবেশ করানো হচ্ছে। তবে কে বা কারা এই কাজ করছে সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। হিজাব না পরার জন্য নীতি পুলিশের হাতে ২২ বছর বয়সি মাহশা আমিনির (Mahsa Amini) মৃত্যুর পর থেকেই প্রতিবাদে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ইরান। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বহু সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল অজস্র প্রতিবাদীকে। এবার ছাত্রীদের বিষ খাওয়ানোর ঘটনা ঘটল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share