Tag: Qutub Minar

Qutub Minar

  • Qutub Minar: আমি কুতুব মিনারের মালিক! দাবি আগ্রার রাজার স্বঘোষিত বংশধরের, পাল্টা এএসআই

    Qutub Minar: আমি কুতুব মিনারের মালিক! দাবি আগ্রার রাজার স্বঘোষিত বংশধরের, পাল্টা এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ফের কুতুব মিনার নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কুতুব মিনারের (Qutb Minar) মালিকানা (Ownership) দাবি করে আদালতে আবেদন করেন কুনওয়ার মহেন্দ্র ধ্বজ প্রসাদ সিং (Kunwar Mahendra Dhwaj Prasad Singh) নামে এক ব্যক্তি। তিনি নিজেকে দিল্লির বেশওয়ান (Beswan) বংশধর বলে দাবি করেছেন। আদালতে (Court) করা আবেদনে ওই ব্যক্তি বলেছেন, জমি ও কুতুব কমপ্লেক্স সিং পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। সেই কারণে কুতুব মিনারের আশপাশের জমি সম্পর্কে কোনও আদেশ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সরকারের নেই। যদিও এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (ASI)।

    অন্যদিকে হিন্দু ও জৈন আবেদনকারীরা কুতুব মিনার কমপ্লেক্সের অন্তর্গত মন্দির পুনরুদ্ধার করার দাবি করতে আদালতে গিয়েছিলেন। এরই মধ্যে আরও এক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তারা জানিয়েছে, জমির মালিক হিসেবে দাবি করার সঙ্গে তাঁদের মামলার কোনও যোগ নেই। এটি সরকারের সঙ্গে মালিকের ব্যাপার। তবে ১০০ বছর ধরে যারা কোনও দাবি করেননি তারা এখন কী করে দাবি করতে পারে। তবে এই ব্যাপারে আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    এএসআই-এর তরফে আইনজীবী সুভাষ গুপ্তা বলেছেন, কুনওয়ার মহেন্দ্র ধোয়াজ সিং ১০০ কিমি বিস্তৃত জমির মালিকানা দাবি করেছেন, কিন্তু গত ১৫০ বছরে এই সংক্রান্ত কোনও দাবি ওঠেনি। কীভাবে এই দাবি এখন ওঠে? কুমার সিং-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এএসআই বলেছে, এটির কোনও ভিত্তি নেই। তাই এটি তারা মেনে নিতে পারবে না।

    মহেন্দ্র সিং-এর আইনজীবী এম এল শর্মা দাবি করেন, মহেন্দ্র সিং, রাজা রোহিণী রমন ধ্বজের বংশধর ও রাজা নন্দ রামের উত্তরাধিকারী। ১৯৪৭ সালে তাঁর পূর্বপুরুষ রাজা রোহিণী রমন ধ্বজ প্রসাদের সময়ে ভারত স্বাধীন হয়েছিল। যদিও তাঁদের বিভিন্ন দাবি উড়িয়ে দিয়েছে এএসআই। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া ও হিন্দু আবেদনকারীর মধ্যে কুতুব মিনারের নতুন আবেদনকারী আসাতে নতুন করে বিতর্ক শুরু করেছে। যদিও এএসআই ও হিন্দু আবেদনকারী উভয় পক্ষই কুমার সিং-এর দাবির বিরোধিতা করেছে।

    সুপ্রিম কোর্ট কুতুব মিনার নিয়ে আগের বিতর্ক ও এই নতুন মামলার পরবর্তী শুনানি করবে ১৩ সেপ্টেম্বর।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
  • Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    Qutub Minar Case: কুতুব-মামলায় স্থগিতাদেশ, জমির অধিকার নিয়ে আদালতে রাজ পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুতুব মিনার (Qutub Minar) চত্বরে মন্দির পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত মামলায় স্থগিতাদেশ দিল দিল্লির আদালত (Delhi Saket Court)। এই সৌধ চত্বর তাঁদেরই বলে দাবি করে এক ব্যক্তির আর্জি ঘিরে এই মামলা অন্য মোড় নিয়েছে। ওই ব্যক্তির নাম কুনওয়ার মহেন্দ্র প্রসাদ সিং। নিজেকে আগরার এক রাজ পরিবারের সদস্য (Royal Family} বলে দাবি করেছেন তিনি। আদালতকে মহেন্দ্র জানিয়েছেন, তিনি বেসওয়ান রাজপরিবারের কর্তা। তাঁরা জাঠ। আদতে আলিগড়ের বাসিন্দা ।  দক্ষিণ দিল্লির বহু এলাকা তাঁদের অধীনেই আছে। 

    আরও পড়ুন : হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মহেন্দ্রর আর্জির শুনানি প্রসঙ্গে অতিরিক্ত জেলাশাসক দীনেশ কুমার জানান, আগামিদিনে এই মামলার শুনানি হবে। মহেন্দ্র সিং নামের ওই ব্যক্তির আইনজীবী এমএল শর্মার দাবি, ১৯৪৭ সালে তাঁর মক্কেলের পূর্বপুরুষ রাজা রোহিণীরমণ প্রসাদ সিংয়ের জীবিতকালে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছিল। ১৯৫০ সাল পর্যন্ত মিরাট থেকে আগরা পর্যন্ত চারটি এস্টেটের মালিক ছিলেন তিনি। আদালতে শর্মা জানান, স্বাধীনতার পরে তৎকালীন জওহরলাল নেহরু সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর পরিবারের সঙ্গে কোনও চুক্তি করা হয়নি। অধিগ্রহণও হয়নি। দেওয়া হয়নি ক্ষতিপূরণও।

    আরও পড়ুন :অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    মহেন্দ্রর অভিযোগ, এতদিন দিল্লি ও উত্তর প্রদেশ সরকার কোনও আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই তার আইনি অধিকার হরণ করেছে। তাঁর আইনজীবীর দাবি, তিনি মামলাটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেছেন এবং তাঁর মক্কেলের সম্পত্তির আইনি অধিকার রক্ষা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। কুতুব-চত্বরের আইনি অধিকার কার, সেই শুনানির পরই মন্দির পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত মামলা শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত। 

    কিছুদিন আগেই দাবি ওঠে, কুতুবউদ্দিন আইবক তাঁর শাসনকালে হিন্দু ও জৈন মিলিয়ে মোট ২৭টি মন্দির ধ্বংস করেছিলেন। সেই জায়গায় গড়ে তুলেছিলেন মসজিদ। আদালতে উঠলে এই মামলা গোড়াতেই থামিয়ে দিয়েছিল আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়া । তাদের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য স্থাপত্য খনন করে মাটি তছনছ করা চলবে না। পরে আবার একই দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের হয়।

     

  • Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    Qutub Minar Mosque: হিন্দু মন্দিরের ওপরই গড়ে তোলা হয়েছিল কুতুব মিনার! প্রমাণ এএসআই রিপোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) মন্দিরের (temple) জায়গায়ই গড়ে তোলা হয়েছিল মসজিদ (mosque)!

    কুতুবমিনার (Qutub minar) চত্বরে হিন্দু মন্দিরের প্রমাণ রয়েছে বলে দাবি প্রাক্তন এএসআই (ASI) কর্তার। প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর ডঃ অমরেন্দ্র নাথ এএসআইয়ের রিপোর্টের তথ্যগুলি সত্য বলে দাবি করেন। তাঁর মতে, রিপোর্টে উল্লিখিত তথ্যগুলি সম্পূর্ণ সত্য।

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্ক এখনও চলছে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, বিশ্বেশ্বরের মন্দির (Kashi Viswanath temple) ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়ে গড়ে তোলা হয়েছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের আমলে। তাঁরই নির্দেশে মন্দির ভেঙে মসজিদ তৈরি হয়েছিল। পরে রানি অহল্যবাই বর্তমান মন্দিরটি তৈরি করেন। ১৮০০ খিষ্টাব্দে নেপালের রানা মন্দির চত্বরে থাকা নন্দীমূর্তিটি মন্দির কর্তৃপক্ষকে উপহার দেন। মুসলমান সম্প্রদায়ের অনেকেই অবশ্য এই দাবি সমর্থন করেন না।

    আরও পড়ুন : অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    দেশজুড়ে যখন কার্যত চায়ের ঠেকে চলছে জ্ঞানবাপী চর্চা, ঠিক তখনই বিতর্ক দানা বেঁধেছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। ইতিহাসবিদদের একাংশের মতে, কুতুবউদ্দিন আইবক তৈরি করেছিলেন পেল্লাই মিনার। তাঁর নাম অনুসারে মিনারের নাম হয় কুতুব মিনার।

    এএসআইয়ের প্রাক্তন আঞ্চলিক পরিচালক ধরমবীর শর্মার দাবি, কুতুবউদ্দিন আইবক নন, কুতুব মিনার তৈরি করেছিলেন হিন্দু রাজা বিক্রমাদিত্য। সূর্যের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্যই তৈরি হয়েছিল মিনার। সেজন্য মিনারটি হেলে রয়েছে ২৫ ইঞ্চি।

    প্রাক্তন এএসআই ডিরেক্টর অমরেন্দ্র নাথ বলেন, ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান স্যার আলেকজান্ডার কানিংহামের তত্ত্বাবধানে ১৮৭১-৭২ সালে জেডি বেগলার এবং এসিএল কার্লেইল এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি মন্দিরের জায়গায় একটি মসজিদ তৈরি করা হয়েছিল। কারণ মসজিদের ভিত্তি অনেক পুরনো। তারও আগে এখানে একটি মন্দির ছিল।

    আরও পড়ুন : খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    খননকার্যের সময় পাওয়া কাঠামোর বিন্যাসের বিশদ বিবরণ দিয়ে নাথ বলেন, তিনটি প্রধান স্তর দৃশ্যমান, যার মধ্যে মসজিদটি সবচেয়ে ওপরের স্তরে রয়েছে। তিনি বলেন, এটি (মসজিদ) ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত হয়েছিল। নাথের দাবি, স্মৃতিস্তম্ভের প্রাচীন লোহার স্তম্ভটি ‘গরুড় স্তম্ভ’ নামে পরিচিত ছিল। স্তম্ভটি পঞ্চম শতাব্দীর বলে মনে হয়। এই স্তম্ভে অনেক শিলালিপি আছে। সেখানে নিশ্চয়ই গরুড়ের মূর্তিও ছিল। তিনি বলেন, কালো পাথরের তৈরি বিষ্ণু ও লক্ষ্মীর মতো হিন্দু দেবতাদের মূর্তিও মেহরাউলিতে পাওয়া গেছে। সেগুলি রাখা হয়েছে জাতীয় যাদুঘরে।

     

  • Qutub Minar:   অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    Qutub Minar: অধ্যয়ন করা হবে কুতুব মিনারে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির! বিবেচনা সংস্কৃতি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির কুতুব মিনার (Qutub minar) চত্বরে পাওয়া হিন্দু ও জৈন মূর্তিগুলির (hindu jain idols) “আইকনোগ্রাফি” (মূর্তি শিল্পের অধ্যয়ন) করার বিবেচনা করার কথা ভাবছে সংস্কৃতি মন্ত্রক। সোমবার একথা জানান মন্ত্রকের এক প্রবীণ আধিকারিক। তিনি বলেন, কুতুব মিনার চত্বরে খনন কিংবা সেখানে কোনও ধর্মীয় অনুশীলন বন্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। তবে “অসম্মানজনক স্থানে”র কারণে কুওয়াত-উল-ইসলাম মসজিদে পাওয়া দুটি গণেশ মূর্তিগুলি সরিয়ে ফেলা হবে বলেও জানা গিয়েছে। ওই আধিকারিক জানান, মূর্তিগুলির মধ্যে কয়েকটিকে প্রদর্শন করা যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করছে মন্ত্রণালয়। তবে সেগুলিকে পুনঃস্থাপন বা অন্য কোথাও স্থানান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : মন্দির ভেঙেই জ্ঞানবাপী মসজিদ! প্রমাণ মিলল ইতিহাসেও

    সম্প্রতি সংস্কৃতি মন্ত্রক ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগকে (ASI) কুতুব মিনার চত্বরে খননকার্য চালানোর নির্দেশ দিয়েছে বলে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবরটির যে কোনও সারবত্তা নেই, তা জানিয়ে দিয়েছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি। মন্ত্রকের এক আধিকারিক জানান, এএসআই সম্প্রতি ওই স্থানে প্রার্থনা বন্ধ করার জন্য কোনও আবেদন করেনি।

    শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, আইএসআইয়ের দ্বারা কোনও স্থাপত্য অধিগ্রহণ করার সময় যাঁরা সেই জায়গায় উপাসনা করতেন, তাঁদের সেই অনুমতি দেওয়া হবে। তবে আইএসআই অধিগ্রহণ করার আগে পর্যন্ত কোনও সম্প্রদায় যদি উপাসনা না করে তবে তাঁদের নতুন করে আর উপাসনার অনুমতি দেওয়া হবে না। তাঁরা জানান, আইএসআই ওই স্থানে প্রার্থনা বন্ধ করার ব্যাপারে এখনও অবধি কোনও আবেদন করেনি।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের ওজুখানার জলাধার সুরক্ষিত করার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    কাশীর বিশ্বনাথ মন্দির-জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi mosque) বিতর্কের অবসান এখনও হয়নি। মামলাটি আদালতের বিচারাধীন। সম্প্রতি শুরু হয়েছে মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদকে (Shahi Idgah mosque) ঘিরে বিতর্কও। এই আবহেই মাথাচাড়া দিয়েছে কুতুব মিনার। তবে কুতুব মিনারকে ঘিরে বিতর্ক এই প্রথম নয়। এর আগেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র বিনোদ বনশল দাবি করেছিলেন, কুতুব মিনারের প্রকৃত নাম বিষ্ণুস্তম্ভ। ২৭টি হিন্দু ও জৈন মন্দিরের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে এই মিনার গড়া হয়েছে। মিনারের নাম পরিবর্তন করে বিষ্ণু স্তম্ভ করার দাবি জানিয়ে হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন গোষ্ঠী বিক্ষোভও দেখিয়েছিল। হিন্দুদের একটি সংগঠনের আবার দাবি, কুতুব মিনার কুতুবউদ্দিন আইবকের আমলে তৈরি হয়নি। এটি তৈরি করিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত

     

  • Qutub Minar: খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    Qutub Minar: খননকার্য এখনই নয়, কুতুব মিনার প্রসঙ্গে জানাল সংস্কৃত মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুতুব মিনার (Qutub Minar) চত্বরে খননকার্যের কোনও নির্দেশ দেয়নি সরকার, এ নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী (Ministry of Culture) জি কিষাণ রেড্ডি (G Kishan Reddy)। রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, কুতুব মিনারের খনন কাজ শুরু হবে- এজাতীয় কোনও নির্দেশ এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার দেয়নি। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এমন কোনও সিদ্ধান্তই নেওয়া হয়নি, বলে জানান তিনি। 

    প্রসঙ্গত, জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে কুতুব মিনারকে নিয়ে। সম্প্রতি আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (ASI) প্রাক্তন কর্তা দাবি করেছিলেন, তাঁর কাছে এমন অনেক তথ্য প্রমাণ রয়েছে যা দেখে তিনি নিশ্চিত এটি রাজা বিক্রামাদিত্য তৈরি করেছিলেন। তাঁর অভিমত, কুতুব উদ্দিন আইবকের নির্দেশে কুতুব মিনার তৈরি হয়েছে এমনটা নয়। রাজা বিক্রমাদিত্য সূর্যের গতিবিধি নিয়ে চর্চার জন্য এই মিনার তৈরি করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    পাশাপাশি আরও অনেকে দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদ, বা মথুরার শাহি ইদগাহ মসজিদের (Shahi Idgah mosque) মতোই কুতুব মিনারের মধ্যেও হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে।  বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কুতুব মিনার আসলে বিষ্ণু মিনার। হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীরা এই মিনার নির্মাণ করেছিল। তাই সত্য অনুসন্ধানের জন্য  কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকায় খননকার্য চালানোর দাবিও জানিয়েছে কয়েকটি হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। 

    এ প্রসঙ্গে শনিবার এএসআইকে সংস্কৃতি মন্ত্রক তাদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শনও করেছেন সংস্কৃতি মন্ত্রকের সচিব গোপিন্দ মোহন। শনিবার কুতুব মিনার সংলগ্ন এলাকা ঘুরে দেখেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তিন ইতিহাসবিদ ও চার এএসআই কর্তা। তাঁরা এ নিয়ে তাঁদের অভিমত জানাবেন। তবে খননকার্য নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি মন্ত্রক। আর্কিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কুতুব মিনারের খনন কার্য ১৯৯১ সালের পর থেকে আর করা হয়নি।

  • Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    Qutub Minar: কুতুব মিনার বানিয়েছিলেন রাজা বিক্রমাদিত্য! দাবি প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিক আধিকারিকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন স্মৃতি সৌধগুলি নিয়ে বিতর্ক দিন দিন বাড়ছে। অনেকেরই দাবি ভারতের ইতিহাসে সব সত্যি কথা বলা নেই। তাজমহল (Taj Mahal) বিতর্ক তো ছিলই এবার কুতুব মিনারকে (Qutub Minar) নিয়েও নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হল। কুতুবুদ্দিন আইবক নন, সূর্যের দিক নির্ণয়ের জন্য রাজা বিক্রমাদিত্য বানিয়েছিলেন কুতুব মিনার। কোনও হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নয়, এমন দাবি করলেন খোদ ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের (ASI) প্রাক্তন আধিকারিক ধর্মবীর শর্মা। তাঁর কথায়, “এটি আদেও কুতুবমিনার নয়, বরং সূর্যের স্তম্ভ। পঞ্চম শতাব্দীতে রাজা বিক্রমাদিত্য এটি নির্মাণ করেছিলেন। কুতুবুদ্দিন আইবক করেননি। আমার কাছে এই সংক্রান্ত অনেক প্রমাণ আছে।’ প্রসঙ্গত, এই প্রাক্তন আধিকারিক বেশ কয়েকবার কুতুব মিনার নিয়ে কাজও করেছেন। ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের দিল্লি শাখার আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন ধর্মবীর শর্মা। ফলে তাঁর যুক্তিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হবে তা বলাই বাহুল্য।    

    আরও পড়ুনঃ জ্ঞানবাপী মসজিদের কুয়োয় মিলল ‘শিবলিঙ্গ’! এলাকা ‘সিল’ করল আদালত
     
    এবিষয়ে ধর্মবীর শর্মা বলেন, “কুতুব মিনারের মাথাটি ২৫ ইঞ্চি হেলে রয়েছে। কারণ এটি সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তাই, ২১ জুন অয়নকালের সময় সূর্যের অবস্থানে বিশেষ পরিবর্তন হয়। আধ ঘণ্টা সেখানে ছায়া পড়ে না। পুরো বিষয়টিই বিজ্ঞান ও প্রত্নতাত্ত্বের ওপর নির্ভরশীল।” 

    প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক আরও বলেন “তাই এখন যাকে কুতুব মিনার বলা হয় সেটি একটি স্বাধীন পরিকাঠামো। এর সঙ্গে মসজিদের কোনও সম্পর্ক নেই। রাতে ধ্রুবতারা যাতে দেখা যায় সেজন্যে কুতুব মিনারের দরজাও উত্তরমুখী।”

    সম্প্রতি হিন্দু সংগঠন মহাকাল মানব সেবার বেশ কয়েকজন সদস্য কুতুব মিনারের বাইরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন৷ তাঁদের দাবি কুতুব মিনারের  নাম পরিবর্তন করে ‘বিষ্ণু স্তম্ভ’ রাখতে হবে। তাঁদের যুক্তি, এটি হিন্দু রাজাদের হাতেই নির্মিত! ধর্মবীর শর্মার দাবিতে সেই যুক্তি আরও জোড়ালো হল।   

    এই বিতর্কের মাঝেই এক নয়া তথ্য সামনে এসেছে। পুরোনো হিন্দু মূর্তি পাওয়া গিয়েছে কুতুব মিনার চত্বরে। ধর্মবীর শর্মা মূর্তিটিকে সনাক্ত করেন এবং জানান মূর্তিটি নরসিংহ দেবের। কুয়াত-উল-ইসলাম মসজিতে পাওয়া গিয়েছে মূর্তিটি। এই মসজিতটি কুতুব মিনার চত্বরে অবস্থিত। তথ্যটি সামনে আসতেই প্রাক্তন প্রত্নতাত্ত্বিকের দাবিটি আরও জোড়ালো হয়।    

    দাবি করা হচ্ছে মূর্তিটি ১২০০ বছরের পুরোনো এবং প্রতিহারার রাজা অনঙ্গপালের সময়ের।  ধর্মবীর শর্মা জানান, মূর্তিটি অষ্টম বা নবম শতাব্দীতে তৈরি। ওই সময়কালেই রাজত্ব করতেন অনঙ্গপাল। মূর্তিটির ছবি এই মুহূর্তে দায়িত্বে থাকা প্রত্নতাত্ত্বিকদের পাঠানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ তাজমহলের বন্ধ ঘরে আছে বহু হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি? আদালতে তালা খোলার আবেদন

    সম্প্রতি বেনারসের জ্ঞানবাপী মসজিতে শিবলিঙ্গ পাওয়ার দাবি করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। তা নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। তাহমহলের বিষয়েও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। নাম পরিবর্তনের দাবিও উঠেছে। এরই মাঝে বিতর্কে জড়িয়ে গেল কুতুব মিনারের নাম।  

LinkedIn
Share