Tag: R G kar medical college

R G kar medical college

  • RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    RG Kar: ছাত্র সমাজের ‘নবান্ন অভিযান’ নিয়ে দিশাহারা পুলিশ, ফের দমনের চেষ্টায় নোটিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ডের (RG Kar) প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে কলকাতা সহ গোটা দেশ। এই অবস্থায় নির্যাতিতার জন্য ন্যায় বিচার চেয়ে ২৭ অগাস্ট মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’। তবে কোনও ছাত্র সংগঠনের পক্ষে ডাকা হয়নি এই অভিযান (Nabanna Abhijan)। তাঁদের দাবি, মূলত সাধারণ সমাজের প্রতিনিধি তাঁরা। কলেজ স্কোয়্যার এবং সাঁতরাগাছিতে দুপুর ১ টায় জমায়েত হবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু এই অভিযানে কত লোক হবে, রুট কী হবে, সেই বিষয়ে কোনও ইঙ্গিত মেলেনি। ফলে হাওড়া পুলিশ আন্দোলনের স্বরূপ সম্পর্কে বিড়ম্বনায় রয়েছে। যেহেতু কোনও সংগঠনের পক্ষে মিছিল ডাকা হয়নি, তাই হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের পক্ষ থেকে শনিবার একটি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার কলকাতা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক বৈঠক করা তিন আয়োজককেই এই নোটিশ পাঠিয়েছে তারা। পুলিশের এই পদক্ষেপকে ছাত্র সমাজের একাংশ দমন নীতির সুকৌশল বলে উল্লেখ করেছে।

    পুলিশের আশঙ্কার সাত প্রশ্ন

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে যে তিনজন নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছেন, তাঁদেরকে পুলিশ নোটিশ পাঠিয়ে মোট সাতটি প্রশ্ন করেছে। পুলিশ কার্যত বড় জমায়েত (Nabanna Abhijan) হতে পারে বলে অনুমান করছে। পুলিশ জানিয়েছে, সাংবাদিক বৈঠক থেকে তারা জানতে পেরেছে যে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে বহু মানুষ মঙ্গলবার এই প্রতিবাদ অভিযানে যোগদান করবে। কোন এলাকায় কারা নেতৃত্ব দিচ্ছে? কত মানুষ জমায়েত হবে? কোথা থেকে কোন পথ অনুসরণ করে মিছিল করে নবান্নে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে? কেমন করে এবং কত সময় ধরে এই অভিযান নেওয়া হবে? ঠিক কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে, এই বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগে থেকে যাতে পার্কিং-এর ব্যবস্থা করা যায় সেই জন্য কত গাড়ি আসবে, এই সব বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, রাজ্যের প্রধান সচিবালয় নবান্ন এলাকায় সব সময় ভারতীয় নাগরিক সংহিতার ১৬৩ (ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৪) ধারা বলবৎ থাকে। যারা এদিনের কর্মসূচিতে যোগদান করবে তারা যেন আইন মেনে চলে এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখে।

    আয়োজকের বক্তব্য

    এদিকে পুলিশের এই নোটিশ সম্পর্কে পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের পক্ষে আয়োজক শুভঙ্কর বলেন, “আমাকে পুলিশ অনেকবার ফোন করেছে। পুলিশ কমিশনার প্রবীণ ত্রিপাঠী স্বয়ং কথা বলেছেন। বিষয় সম্পর্কে আমরা জানিয়ে দেব। তবে কত সংখ্যা হবে, এই মুহূর্তে বলা সম্ভবপর নয়। তবে ন্যায় বিচারের (RG Kar) জন্য প্রচুর মানুষ যোগদান (Nabanna Abhijan) করবেন। পুলিশ অযথা বাধা প্রদান না করে, আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করলে ভালো হবে।”

    আরও পড়ুন: সন্দীপের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করল সিবিআই

    নিরাপত্তায় ২১০০ পুলিশ

    আরজি কর (RG Kar) ইস্যুতে ছাত্র অভিযানের (Nabanna Abhijan) কথা মাথায় রেখে পুলিশ যে আশঙ্কিত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইতিমধ্যে নবান্নের নির্দেশে জানা গিয়েছে, পুলিশ সুপার, ডিসিপি বা কমান্ডান্ট পদমর্যাদার ১৩ জন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এডিসিপি পদের ১৫ জন, ডেপুটি পুলিশ সুপার বা এসিপি পদের ২২ এবং ২৬ জন ইনস্পেক্টর আন্দোলন ঠেকাতে নামানো হবে। পুলিশ কর্মীদের শিলিগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, নদিয়া, দুই মেদিনীপুর, হুগলি, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, সুন্দরবন এলাকা থেকে আনা হচ্ছে। একই সঙ্গে র‌্যাফ, ইএফআর, স্ট্রাকো বাহিনীর জওয়ান-সহ প্রায় ২১০০ পুলিশকর্মী নিযুক্ত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Medical College: দুর্নীতির আখড়া আর জি কর হাসপাতাল! হাইকোর্টে মামলা সুকান্তর

    RG Kar Medical College: দুর্নীতির আখড়া আর জি কর হাসপাতাল! হাইকোর্টে মামলা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ এবং রেশন দুর্নীতির অভিযোগ আগেই উঠেছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। প্রভাবশালী মন্ত্রীরা গ্রেফতারও হয়েছেন এই মামলাগুলিতে। বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন বিষয়গুলি। এবার স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়েও বিস্তর অনিয়মের অভিযোগ তুলল রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। কলকাতার সরকারি হাসপাতাল আর জি করের (RG Kar Medical College) পরিষেবা নিয়ে মামলা দায়ের হল হাইকোর্টে। সোমবার এই মর্মে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। আগামী সপ্তাহে মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের বেঞ্চে। 

    কেন এই মামলা দায়ের করলেন সুকান্ত মজুমদার?

    বালুরঘাটের সাংসদের অভিযোগ, কলকাতার অন্যতম সরকারি হাসপাতাল আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ (RG Kar Medical College) দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে উঠেছে। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল সন্দীপ ঘোষের নাম। বঙ্গ বিজেপির প্রধানের দাবি, এই কলেজের প্রিন্সিপাল যাবতীয় দুর্নীতির পরেও, এমনকী তাঁর পদ থেকে বারবার বদলি হওয়া সত্ত্বেও ফিরে আসছেন। অন্যদিকে সুকান্তর আরও অভিযোগ, মৃতদেহগুলি এই হাসপাতালে বেআইনিভাবে ব্যবহার হয়। মৃতদের পরিবারের অনুমতি ছাড়াই তাতে কাটাছেঁড়া করা হয়। হাসপাতালের (RG Kar Medical College) বর্জ্য পদার্থও বেআইনিভাবে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয় বলে অভিযোগ সুকান্তর। হাসপাতালের বর্জ্য পদার্থ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ কার্যত নজিরবিহীন। বালুরঘাটের সাংসদের মতে, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সেগুলি পুনর্ব্যবহার করেন।

    কাটমানি নেওয়া হয় টেন্ডার পাশ করতে

    রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবাও যে কাটমানির অপসংস্কৃতির বাইরে নয়, তা সুকান্ত মজুমদারের অভিযোগেই স্পষ্ট। সুকান্তর দাবি, আর জি করে টেন্ডার পাশ করাতে গেলে লাগে মোটা অঙ্কের কাটমানি। এর পাশাপাশি ছাত্রদের জন্য আসা অ্যাকাডেমিক ফান্ডের টাকা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা হয় যা বেআইনি। পরিকাঠামো উন্নয়নের দ্বিগুণ খরচ দেখানো হয় আবার কম দামি যন্ত্রপাতি বেশি দামে কেনা হয় বলেও অভিযোগ বালুরঘাটের সাংসদের। এর পাশাপাশি বেশিরভাগ কাজের বরাত পায় একটি বিশেষ সংস্থা। এই গোটা দুর্নীতি চক্র কাজ করছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের (RG Kar Medical College) নির্দেশে। এমনটাই অভিযোগ সুকান্তর।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • R G Kar Medical College: এবার আর জি করের হস্টেলে র‌্যাগিং! অভিযোগ দায়ের থানায়

    R G Kar Medical College: এবার আর জি করের হস্টেলে র‌্যাগিং! অভিযোগ দায়ের থানায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগিং-এর ফলে মৃত্যু হয়েছে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের র‌্যাগিং-এর (R G Kar Medical College) অভিযোগ উঠল আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে। র‌্যাগিং-এর অভিযোগ তুলে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন আর জি করের কিছু পড়ুয়া। ছাত্রদের দাবি, ছাত্রাবাসে মানসিক অত্যাচার করা হয়েছে তাঁদের উপর। বুধবার এ নিয়ে তাঁরা অভিযোগ জানান আমহার্স্ট স্ট্রিট থানায়।

    কী বলছেন ছাত্ররা?

    ওই ছাত্রদের বয়ান অনুযায়ী, মানিকতলা ক্রসিংয়ের কাছে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের একটি ছাত্রাবাস রয়েছে। তাঁরা সেখানেই থাকেন। হস্টেলের কয়েকজন প্রাক্তন আবাসিক, কর্মী এবং আর জি করের জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা র‍্যাগিং-এর (R G Kar Medical College)। ছাত্রদের দাবি, তাঁদের ওপর চরম মানসিক অত্যাচার করা হয় রাত তিনটে নাগাদ হস্টেলের দরজা বন্ধ করে। র‌্যাগিং করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, র‌্যাগিং-এর অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে মামলা দায়ের করেছে আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ।

    সোমবারই সরানো হয় আর জি করের অধ্যক্ষকে

    অন্যদিকে সোমবারই আর জি করের (R G Kar Medical College) অধ্যক্ষ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সন্দীপ ঘোষকে। এর প্রতিবাদে আর জি করের ছাত্রদের একাংশ এবং কিছু জুনিয়র ডাক্তারকে বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায়। মঙ্গলবার নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, সন্দীপ ঘোষকে সরানোর প্রতিবাদে যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন, সেই বিক্ষোভকারীদেরই একাংশ এদিন এপিসি রোডের বয়েজ হস্টেলে হামলা চালায় এবং ছাত্রদের উপর মানসিক অত্যাচার করে। গত ৯ অগাস্ট র‌্যাগিং-এর ফলে মৃত্যু হয় যাদবপুরের প্রথম বর্ষের বাংলা অনার্সের ছাত্র স্বপ্নদ্বীপ কুণ্ডুর। এই ঘটনায় মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এখনও এই মামলা চলছে এবং তদন্তে নানা রকমের তথ্য উঠে আসছে। এরই মধ্যে আবার আর জি কর (RG Kar Medical College) হস্টেলে র‌্যাগিং-এর অভিযোগ উঠল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Shantanu Sen: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    Shantanu Sen: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেলেঙ্কারির রথ যেন থামতেই চাইছে না। কখনও কয়লা, কখনও বালি আবার কখনও শিক্ষক নিয়োগ। একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হচ্ছে রাজ্যের শাসক দল। সেই কেলেঙ্কারি আর স্বজন পোষণের তালিকায় নয়া সংযোজন এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া! রাজ্যের আরেক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এবার অভিযোগ! 

    এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি

    তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেনের মেয়ে সৌমিলি সেন এবার আরজিকর হাসপাতালে এমবিবিএস কোর্সে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছেন। অভিযোগ, এই ভর্তি কিন্তু স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়নি। ডাক্তারিতে পড়ার সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় সৌমিলির নাম ছিল ১৩০০০০ নম্বরে। অর্থাৎ, একেবারে তালিকার শেষের দিকে। সেখানে কীভাবে তিনি আরজিকর হাসপাতালে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

    রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিট পরীক্ষার মেধা তালিকায় প্রথম পঞ্চাশের মধ্যে নাম না থাকলে কখনওই আরজিকর হাসপাতালের মত রাজ্যের প্রথম সারির সরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় না। সেখানে কীভাবে নিট তালিকায় এত পিছনে নাম থাকলেও সৌমিলি আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন? 

    একাংশের অভিযোগ, আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি শান্তনু সেন। তাছাড়া তিনি ওই এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। তার ‘পছন্দের’ চিকিৎসকেরাই ওই হাসপাতালের প্রশাসনিক প্রধান পদে রয়েছেন। এর আগেও হাসপাতালের একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে তাঁর অঙ্গুলি হেলনে। এমনকি আরজিকরের কয়েক জন পড়ুয়া তৃণমূলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায়, তাদের রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে। তাই এমন প্রভাবশালী নেতা, তাঁর প্রভাব খাটিয়েই মেয়েকে ওই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেছেন বলে অভিযোগ করছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ। 

    যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেন। তার যুক্তি, এগুলো সব মিথ্যা অভিযোগ। রাজনৈতিক ভাবে বিরোধী দল লড়াই করতে পারছে না। তাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে। বিশেষত, তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ নেই। লড়াই করার ক্ষমতা নেই। তাই তাঁর মেয়েকে টার্গেট করা হয়েছে। 

    তিনি জানান, তার মেয়ে সৌমিলি স্কুলে প্রতি বছর প্রথম হত। একবারেই পরীক্ষায় বসে ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করেছেন। নিট পাশ না করলে কেউ ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পান না বলে সাফাই শান্তনুর। তিনি বলেন, “দরকার হলে মেয়ের সব সার্টিফিকেট দেখাতে পারি। দয়া করে কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। রাজনৈতিক লড়াই, রাজনৈতিক ভাবে করতে শিখুন। ” 

    শুধু মেয়ের ভর্তি নয়। প্রশ্ন উঠেছে শান্তনু সেনের দেওয়া বার্ষিক আয়ের হিসাব নিয়েও। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন, শান্তনু সেন বলেছেন, তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা। এ নিয়ে শান্তনু সেনকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, তিনি নিয়মিত রেডিওলজিস্ট হিসাবে প্র্যাকটিস করেন। আর এটাই তাঁর রোজগার।

    যদিও বিরোধীদের দাবি, পুরো দলটাই দুর্নীতি আর মিথ্যাচারে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। যেগুলো দেখা যাচ্ছে, তা হিমশৈলের চূড়া মাত্র।

LinkedIn
Share