Tag: R Praggnanandhaa

R Praggnanandhaa

  • Tata Steel Chess India: বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ফিডে রেটিং! ৩ বছরের অনীশকে দেখে অবাক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কার্লসেন

    Tata Steel Chess India: বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ফিডে রেটিং! ৩ বছরের অনীশকে দেখে অবাক পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কার্লসেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ফিডে রেটিং পাওয়া তিন বছরের অনীশকে দেখে অবাক পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেন। ‘টাটা স্টিল চেস ইন্ডিয়া’ (Tata Steel Chess India) প্রতিযোগিতার উদ্বোধনের মঞ্চে মঙ্গলবার নজর কাড়ল কলকাতার অনীশ সরকার (Anish Sarkar)। কখনও নিজের মনে দাবা খেলল, কখনও সই নিল কার্লসেনের থেকে, কখনও আবার প্রজ্ঞানন্দর কোলে দেখা গেল কলকাতার সর্বকনিষ্ঠ ফিডে রেটিং পাওয়া দাবাড়ুকে। কোচ তথা গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া সারাক্ষণ আগলে রাখলেন ভবিষ্যতের সম্পদকে।

    অনীশের হাত ধরেই মুখোমুখি কার্লসেন-প্রজ্ঞানন্দ

    চেস ইন্ডিয়া প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডের সূচি ঘোষণা অনুষ্ঠানেও উজ্জ্বল অনীশ। সূচি প্রকাশে ছিল নতুনত্ব। টেবিলের উপর দশটি স্কার্ফ রাখা ছিল। প্রতিটিতে এক জন করে খেলোয়াড়ের নাম লেখা ছিল। পাশে ছিল দশটি বেলুন। তার মধ্যে ১ থেকে ১০ লেখা নম্বর। যাঁর স্কার্ফ উঠছিল, তিনি একটি বেলুন ফাটাচ্ছিলেন। তাতে যে নম্বর লেখা ছিল বোর্ডে তাঁর নাম সেখানে উঠে যাচ্ছিল। এ ভাবেই ১০ জনকে দু’টি গ্রুপে ভাগ করে প্রথম রাউন্ডের সূচি তৈরি হয়েছে। সেখানে ওপেন ও মহিলাদের বিভাগে দু’টি করে স্কার্ফ তুলল অনীশ। মহিলাদের বিভাগে তার হাতে উঠল ভারতের এক নম্বর দাবা খেলোয়াড় কোনেরু হাম্পি ও প্রজ্ঞানন্দের দিদি রমেশবাবু বৈশালীর নাম। আর ওপেন বিভাগে কার্লসেন ও প্রজ্ঞানন্দের নাম। এক অদ্ভুত সমাপতন। অনীশই ঠিক করে দিল যে পাঁচ বছর পর কলকাতায় খেলতে এসে প্রথম রাউন্ডেই প্রজ্ঞার সামনে কার্লসেন।

    পাঁচ বছর পর কলকাতায় কার্লসেন

    পাঁচ বছর পর কলকাতায় কোনও প্রতিযোগিতা (Tata Steel Chess India) খেলতে নামছেন কার্লসেন। শেষ বার ২০১৯ সালে যখন খেলেছিলেন তখন তিনি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। তার পর অনেক কিছু হয়েছে সাদা-কালোর চৌষট্টি খোপে। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়িয়েছেন। আবার শূন্য থেকে শুরু করেছেন। অনীশকে দেখে অবাক কার্লসেনও। তিনি বললেন, “আমার চার বছর বয়সি এক ভাইপো আছে। সে দাবা খেলে। কিন্তু ১৫৫০ রেটিং পয়েন্টের কাছেও যায়নি। এই বয়সে এই রেটিং পয়েন্ট পাওয়া অবিশ্বাস্য।” অনীশকে পরামর্শও দিলেন টানা ১১ বছর ধরে বিশ্বের এক নম্বর থাকা কার্লসেন। বললেন, “বাইরের কোনও কথা কানে নেবে না। নিজের উপর চাপ নেবে না। দাবাকে উপভোগ করো। মনের আনন্দে খেলো।” 

    আরও পড়ুন: ভারতের ‘না’! বিসিসিআই-কে মান্যতা, পাকিস্তানে বাতিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অনুষ্ঠান

    প্রজ্ঞানন্দের কোলে অনীশ

    মাত্র ১২ বছর বয়সে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার তিনি। সেই প্রজ্ঞাও উচ্ছ্বসিত অনীশকে দেখে। অনীশকে (Anish Sarkar) কোলে নিয়ে তিনি বললেন, “আমি তিন বছর বয়স থেকেই দাবা খেলছি। কিন্তু এত অল্প বয়সে রেটিং পাওয়া মুখের কথা নয়।” এ বারের চেস ইন্ডিয়া (Tata Steel Chess India) প্রতিযোগিতায় মহিলাদের বিভাগে খেলছেন আলেকসান্দ্রা গোরিয়াশকিনা, ক্যাটেরিনা লাগনো, আলেকসান্দ্রা কস্টেনিয়াক, নানা জাগনিদজ়ে, ভ্যালেন্টিনা গুনিয়া, কোনেরু হাম্পি, রমেশবাবু বৈশালী, হরিকা দ্রোনাবল্লি, দিব্যা দেশমুখ ও বন্তিকা আগরওয়াল। ওপেন বিভাগে খেলছেন ম্যাগনাস কার্লসেন, নোদিরবেক আবদুসাত্তারভ, ওয়েসলি সো, ভিনসেন্ট কেমার, ড্যানিল ডুবভ, অর্জুন এরিগাইসি, রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ, বিদিত গুজরাতি, নিহাল সারিন ও এসএল নারায়ণন। ১৩ থেকে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে প্রতিযোগিতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chess Olympiad 2024: প্রজ্ঞা-তানিয়াদের দাপট! দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম বার জোড়া সোনা ভারতের

    Chess Olympiad 2024: প্রজ্ঞা-তানিয়াদের দাপট! দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম বার জোড়া সোনা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট-বিশ্বে শীর্ষে ভারত। ফুটবলের জন্যও পাগল। হকি-কাবাডিতেও সেরা। এবার দাবা-ক্ষেত্রেও (Chess Olympiad 2024) সোনালি ইতিহাস রচনা করল ভারত। হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে দাবার ৪৫তম অলিম্পিয়াডে দেশের মুখ উজ্জ্বল করলেন ভারতের দাবার তারকারা। রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ ও ডি গুকেশদের পাশাপাশি দিব্যা দেশমুখ ও তানিয়া সচদেবরাও দুরন্ত দাবা খেলে জিতে নিলেন সোনা। ভারতীয় দাবাড়ুদের এই সাফল্য নজর কেড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও।

    দুরন্ত প্রজ্ঞানন্দ-গুকেশরা

    প্রথম বার ওপেন বিভাগে ছেলে ও মেয়েরা সোনা জিতল। শেষ রাউন্ডে স্লোভেনিয়াকে হারিয়েছেন ডি গুকেশ, রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ, অর্জুন এরিগাইসি, বিদিত গুজরাটি, পেন্টালা হরিকৃষ্ণ এবং শ্রীনাথ নারায়ণন (ক্যাপ্টেন)রা। স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে শেষ রাউন্ডের আগে ভারতের পয়েন্ট ছিল ১০ রাউন্ডে ১৯। দ্বিতীয় স্থানে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে ছিল চিন। শেষ রাউন্ডে আমেরিকার বিরুদ্ধে দু’টি খেলায় পয়েন্ট নষ্ট করে চিন। তখনই ভারতের সোনা প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অন্য দলের খেলার উপর নির্ভর করেনি ভারত। ভারতের গুকেশ, অর্জুন এরিগাইসি ও প্রজ্ঞানন্দ নিজেদের ম্যাচ জেতেন। স্লোভেনিয়ার বিরুদ্ধে শুরুটা করেছিলেন বিশ্বের তিন নম্বর গুকেশ। ভ্লাদিমির ফেদোসিভের বিরুদ্ধে কালো ঘুঁটি নিয়ে খেলেন তিনি। তাতে অবশ্য সমস্যা হয়নি তাঁর। ভ্লাদিমির লড়াই করেও ভারতের ১৮ বছর বয়সি গুকেশকে হারাতে পারেননি। সামনেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (Chess Olympiad 2024) হওয়ার জন্য চিনের ডিং লিরেনের বিরুদ্ধে নামবেন গুকেশ। তার আগে দাবা অলিম্পিয়াডে সোনা গুকেশের আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়াবে। দ্বিতীয় ম্যাচে নামেন অর্জুন। তিনিও কালো ঘুঁটি নিয়ে খেলেন। স্লোভেনিয়ার ইয়ান সুবেলিকে হারান তিনি। এই দুই জয়ের পরে ভারতের সোনা নিশ্চিত হয়ে যায়। কিন্তু প্রজ্ঞানন্দ নিজের ম্যাচ হাল্কা ভাবে নেননি। তিনি অ্যান্টন ডেমচেঙ্কোকে হারান। 

    আরও পড়ুন: “ভারত বললে বিশ্ব শোনে, প্রবাসীরাই প্রধান রাষ্ট্রদূত”, নিউ ইয়র্কে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    সাফল্য মেয়েদেরও

    পুরুষদের পরে ভারতের মহিলা দলও সোনা জিতেছে (Chess Olympiad 2024) অলিম্পিয়াডে। ১০ নম্বর রাউন্ডে চিনকে হারিয়ে সোনার সামনে পৌঁছে গিয়েছিলেন আর বৈশালীরা। শেষ রাউন্ডে ভারতের সামনে ছিল আজারবাইজান। তাদের বিরুদ্ধে ৩.৫-০.৫ জয়ের সুবাদে সোনা জিতেছেন। ডি হারিকা ছিলেন সেরা ফর্মে। দলের হয়ে দারুণ খেললেন। তাঁর কৌশল ছিল দেখার মতো। অন্যদিকে, দিব্যা দেশমুখ আবারও তৃতীয় বোর্ডেই তাঁর ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক নিশ্চিত করে ফেলেন। আর বৈশালী ড্র করার পর, ভান্তিকা আগরওয়ালের দুর্দান্ত জয়ের মাধ্যমে সোনা নিশ্চিত করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    R Praggnanandhaa: শহরে দাবা বিশ্বকাপের রানার্স! মা-ই মনের জোর, সিনেমাও ভালবাসেন জানালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্র ১৮ বছর। এর মধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলেছেন। বিশ্বনাথন আনন্দের পর তিনিই প্রথম ভারতীয়, যিনি এই কৃতিত্ব গড়লেন। যদিও জিততে পারেননি। কিন্তু ভারতীয়দের মধ্যে দাবা নিয়ে আগ্রহ তৈরি করার কাজটা করে ফেলেছেন রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। সোমবার সকালে বাইপাসের ধারে একটি পাঁচতারা হোটেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন তামিল তরুণ দাবাড়ু। সেখানেই বিশ্বকাপের শিক্ষা থেকে প্রিয় ক্রিকেটার একাধিক বিষয়ে নিজের মতামত জানালেন প্রজ্ঞানন্দ।

    মন ভাল করে সিনেমা

    দাবা ছাড়াও তাঁর পছন্দের বিষয় হল সিনেমা। দাবা থেকে বিরতি নিয়ে মন ভাল রাখার জন্য সব রকমের সিনেমা দেখেন বলে জানালেন প্রজ্ঞা। এছাড়া ক্রিকেটও দেখেন। ৩৬ মিনিটের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “আমি ক্রিকেট দেখি। ভারতীয় দলের খেলা দেখতে ভাল লাগে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন আমার প্রিয় খেলোয়াড় কারণ ও দাবা খেলতে পছন্দ করে।”

    মা মানসিক জোর

    তিলোত্তমায় বসেছে দাবার সর্বভারতীয় আসর। বিগত কয়েকবছর ধরে এই প্রতিযোগিতার অন্যতম মুখ ছিলেন বিশ্বনাথন আনন্দ। কিন্তু চলতি বছরে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের থেকেও আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ। বিশ্বকাপের সময় দেখা গিয়েছে, প্রজ্ঞার মা নাগালক্ষ্মী সব সময় তাঁর পাশে রয়েছেন। প্রজ্ঞা মনে করেন দাবা খেলতে গেলে, পরিবারের পাশে থাকাটা খুব প্রয়োজন। প্রজ্ঞানন্দ বললেন, “প্রতিপক্ষ হয়তো আমার মুখ দেখে বুঝতে পারে না, আমি চাপে আছি কি না। কিন্তু মা পারে। আমার মুখ দেখে মা বলে দিতে পারে ম্যাচের কোন সময় আমি একটু চিন্তিত। মায়ের পাশে থাকাটা আমার কাছে খুবই বড় একটা মানসিক জোর। প্রতিযোগিতা যখন চলে, সেই সময় আমার মাথায় দাবা ছাড়া আর কিছু থাকে না। মা সব কিছু সামলে নেয়। বাইরে খেলতে গিয়ে আমি যাতে ঘরের খাবার খেতে পারি, সেই ব্যবস্থাও করে মা। ভারতীয় খাবার খেতেই পছন্দ করি আমি।”

    আরও পড়ুন: ধরাশায়ী ইস্টবেঙ্গল, ১০ জনে খেলেও ডুরান্ড জয় মোহনবাগানের

    এই তো সবে শুরু

    বিগত কয়েক বছরে উল্কার গতিতে উত্থান হয়েছে তাঁর। প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলে সামনের সারিতে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞা। তবে আত্মতুষ্টিকে নিজের মধ্যে জায়গা দিতে নারাজ তামিল তরুণ। তাঁর কথায়, ‘আমি মনে করি অনেক অনেক দূর যেতে হবে। এই তো সবে শুরু। আমি এসব নিয়ে ভাবছি না। কঠিন পরিশ্রম করছি। খেলার প্রতি ফোকাস করছি।’ একইসঙ্গে তাঁর সংযোজন, ‘মানসিকভাবে ঠিক থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক দিক থেকে ভালো থাকতে হয়। একইসঙ্গে শারীরিক সুস্থতা প্রয়োজন । আক্রমণ এবং রক্ষণ দুটোই খেলার অঙ্গ। কিছু কিছু সময় বদল করতে হয় রণকৌশল।’ বিশ্ব ক্রমতালিকায় ১৯ নম্বরে উঠে এসেছেন প্রজ্ঞানন্দ। ভারতীয়দের মধ্যে তাঁর সামনে ডি গুকেশ (অষ্টম) এবং বিশ্বনাথন আনন্দ (নবম)। প্রজ্ঞানন্দ জানালেন তাঁর দাবা শেখার পিছনে বিরাট কৃতিত্ব রয়েছে আনন্দের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share