Tag: radicalisation

  • Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    Terror Outfits: কাশ্মীরে কৌশল বদলাচ্ছে আইএসআই, জঙ্গিদের ভিড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারতের রাজনীতিতে! সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৌশল বদলানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্ত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিরন্তর অভিযানের হাত থেকে বাঁচতে জম্মু-কাশ্মীরে তাদের ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার (OGW) নেটওয়ার্ককে মূলধারার জাতীয় রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে মিশে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বলে জানান আধিকারিকরা।

    আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা (Terror Outfits)

    আন্তর্জাতিক অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF)-এর নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তান। সেই কারণেও আইএসআইয়ের কৌশল পরিবর্তনের চেষ্টা। এরই অংশ হিসেবে তারা নয়ের দশকের শুরুতে স্থানীয়ভাবে গঠিত এবং বর্তমানে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়া জঙ্গি সংগঠনগুলিকে সক্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। জঙ্গি কার্যকলাপগুলির ‘ভারতীয়করণে’র রূপ দিতে এবং পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ মদত দেওয়ার বিষয়টিকে আড়াল করতেই এই পন্থা অবলম্বন করছে পাক-চর সংস্থা।

    জেরায় কী জানিয়েছে জঙ্গিরা?

    কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার আধিকারিকদের মতে, সম্প্রতি শ্রীনগর পুলিশ পাকড়াও করেছে কয়েকজন ওজিডব্লিউকে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই জানা গিয়েছে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ জাতীয় রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিল। জঙ্গি সংগঠনগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক সহায়তা, নিয়োগ এবং অর্থায়নকারী সমর্থকদের বৈধ রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ভিড়িয়ে দিয়ে আইএসআই তাদের এজেন্টদের নিরাপত্তা অভিযানের হাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে।

    জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে

    নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক আধিকারিক জানান, এই কৌশলটি মূলত হতাশা থেকে নেওয়া। কারণ নিরাপত্তা বাহিনীর প্রবল চাপে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কোমর ভেঙে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছে নয়া প্রক্সি সংগঠনগুলির প্রতি স্থানীয়দের সমর্থনও। পুরানো সংগঠনগুলির নাম পুনরুজ্জীবিত করে এবং তাদের কর্মীদের মূলধারার রাজনীতির স্রোতে মিশিয়ে দিয়ে নতুন প্রজন্মের যুবকদের আকৃষ্ট করতে এবং একই সঙ্গে তাদের কর্মীদের রাজনৈতিক সুরক্ষাও নিশ্চিত করতে চাইছে আইএসআই। আধিকারিকদের মতে, যখন কোনও ওজিডব্লিউ ঘেরাও এবং তল্লাশি অভিযানে ধরা পড়ে, তখন তারা অনেক সময় জাতীয় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সদস্যপদের ‘প্রমাণপত্র’ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর ব্যর্থ চেষ্টা করে।

    জঙ্গিদের ছল

    নিরাপত্তা আধিকারিকরা লক্ষ্য করেছেন, জঙ্গিদের এই কৌশল বদলেছে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। নয়ের দশকের শেষ দিকে সন্দেহভাজনরা পুলিশের হাত এড়াতে ভোটারকার্ড ব্যবহার করত। পরে তদন্ত এড়াতে তারা আধার কার্ডও ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে। যদিও তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কখনও এই ধরনের লোকজনকে রক্ষা করতে হস্তক্ষেপ করেনি। এদিকে, ওজিডব্লিউ কার্যকলাপের মাধ্যমে ১৯৯৩ সালের পর প্রায় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়া কিছু সংগঠনকে ফের সক্রিয় করার চেষ্টা করতেও দেখা যাচ্ছে।

    আইএসআইয়ের কৌশল

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বর্তমানে ১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুর দিকে জম্মু- কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত পুরোনো সংগঠনগুলির নাম ফের সামনে আসার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এই সব সংগঠনের মধ্যে রয়েছে আল-উমর মুজাহিদিন, আল বদর, এবং তেহরিক-উল-মুজাহিদিনও। আধিকারিকদের মতে, এই পুরোনো স্থানীয় পরিচয়ের সংগঠনগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে আইএসআই এমন একটি ভুল ধারণা তৈরি করতে চায় যে জম্মু-কাশ্মীরের জঙ্গি কার্যকলাপ একটি অভ্যন্তরীণ এবং স্থানীয় আন্দোলন, সীমান্তপারের পরিকল্পিত ছায়াযুদ্ধ নয়।

    বহাল তবিয়তে রয়েছে জঙ্গিদের মাথারা

    তাঁরা এও জানান, পুনরুজ্জীবিত এই সব সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপদে রয়েছে। যদিও তারা ফিল্ড লেভেলের নেটওয়ার্ক প্রচার, অর্থ জোগাড় এবং উগ্রপন্থায় প্ররোচনা দেওয়ার কাজে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জঙ্গিদের এসব তৎপরতার ওপর কঠোর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে এবং ফের সক্রিয় হওয়া ওজিডব্লিউ নেটওয়ার্কের লজিস্টিক সহায়তা ব্যবস্থাকে নিষ্ক্রিয় করার কাজ করছে। একই সঙ্গে, জঙ্গিদের সমর্থকদের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে উগ্র মতাদর্শ ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টাও প্রতিরোধ করা হচ্ছে। অর্জিত শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই জানান গোয়েন্দা সংস্থাগুলির কর্তারা।

     

  • Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    Canada: ঢোক গিলল কানাডা! খালিস্তানপন্থীরা উদ্বেগের কারণ, এবার জানাল সেদেশের গোয়েন্দা সংস্থাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ কূটনৈতিক জয় হল ভারতেরই! ঢোক গিলতে হল কানাডাকে। খালিস্তানপন্থীরা যে ক্রমেই কানাডায় জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণ হচ্ছে, তা জানিয়ে দিয়েছে কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)। সাম্প্রতিক গোয়েন্দা মূল্যায়নে সতর্ক করা হয়েছে, খালিস্তানপন্থীরা এখনও কানাডার ভেতরে চরমপন্থী অ্যাজেন্ডা প্রচার করছে। বস্তুত, এই কথাটাই নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে কানাডাকে, প্রকাশ করেছে উদ্বেগও। এবার সেই একই উদ্বেগ প্রকাশ করলেন কানাডার গোয়েন্দারা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারতের একটি কূটনৈতিক স্বীকৃতি।

    হুমকির পরিবেশ তৈরি করছে খালিস্তানপন্থীরা (Canada)

    ২০২৫ সালের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি এই রিপোর্টটি কানাডার সংসদে উপস্থাপন করা হয়। তাতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে কানাডার মাটিতে কোনও হামলা না হলেও, অব্যাহত রয়েছে উদ্বেগ। রিপোর্টটি এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ বোমা হামলার ৪০তম বার্ষিকীর প্রেক্ষাপটে তৈরি, যেখানে ৩২৯ জন নিহত হয়েছিলেন। কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচিত হয় ওই ঘটনা। যদিও ২০২৫ সালে কানাডা-ভিত্তিক খালিস্তানি চরমপন্থীদের সঙ্গে যুক্ত কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি, তবুও এতে সতর্ক করা হয়েছে যে হুমকির পরিবেশ এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং পরিবর্তনশীল। গোয়েন্দাদের মতে, “সিবিকেইদের হিংসাত্মক চরমপন্থী কার্যকলাপ অব্যাহত। এটি কানাডা এবং কানাডার স্বার্থের জন্য একটি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে রয়ে গিয়েছে।” প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি কানাডিয়ান সমাজেও সংযুক্ত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে চরমপন্থী মতাদর্শ প্রচার করছে। সাধারণ মানুষের অজান্তে তহবিল জোগাড় করে তা হিংসাত্মক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কানাডার ভূখণ্ডকে ঘাঁটি করা হচ্ছে

    প্রসঙ্গত, এটি গত এক বছরে সিএসআইএসের পক্ষ থেকে দ্বিতীয়বারের মতো এমন সতর্কবার্তা। ২০২৫ সালের জুন মাসের প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছিল, খালিস্তানি চরমপন্থীরা কানাডার ভূখণ্ডকে প্রচার, তহবিল জোগাড় এবং হিংসার ষড়যন্ত্র ছকার নীল নকশার ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে, যার মূল লক্ষ্য হল ভারত। এইসব তথ্য নয়াদিল্লির দীর্ঘদিনের উদ্বেগকে আরও জোরালো করেছে। ভারত বারবার অটোয়াকে (কানাডার রাজধানী) এই ধরনের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছে। এই ইস্যুটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করেছে, বিশেষ করে প্রাক্তন কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সময়ে। নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে মতবিরোধের কারণে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক পৌঁছেছিল তলানিতে।

    কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির বক্তব্য

    ২০২৫ সালের জুন মাস থেকে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার যৌথ প্রচেষ্টার প্রেক্ষাপটে, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত ভারত সফর করেন। এই সফরে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দশ মাসে তৃতীয়বারের মতো সাক্ষাৎ করেন, যা সম্পর্ক পুনর্গঠনের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ইঙ্গিত দেয় বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের। এই সফরের আগে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল অটোয়া সফর করেন, যা সংবেদনশীল নিরাপত্তা বিষয় নিয়ে যে আলাপ-আলোচনা চলছে, তারই প্রতিফলন। তার সঙ্গে কানাডার জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা উপদেষ্টা নাথালি দ্রুইনের আলোচনার ফলে উভয় দেশই নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার যোগাযোগ রাখতে আধিকারিক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়। এর উদ্দেশ্য হল, জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য দ্রুত বিনিময় করা এবং সহযোগিতা জোরদার করা।

    মার্চ মাসে ভারতের বৈঠকে মোদি সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার বৈশ্বিক প্রভাবের ওপর জোর দেন। যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই চ্যালেঞ্জগুলি শুধু ভারত ও কানাডার জন্য নয়, বরং পুরো বিশ্বের জন্যই গুরুতর। এই হুমকিগুলি মোকাবিলায় দুই দেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।” ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই নয়া কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং গোয়েন্দা পর্যায়ের সমন্বয় দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনর্গঠন এবং নিরাপত্তা উদ্বেগ মোকাবিলায় সতর্ক এবং দৃঢ় প্রচেষ্টার প্রতিফলন।

     

  • Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে বারবার হিংসার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    Hindus Under Attack: দেশ-বিদেশে বারবার হিংসার শিকার হচ্ছেন হিন্দুরা, দেখে নিন এ সপ্তাহের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ-বিদেশে অব্যাহত হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack)। বিশ্বের বহু অঞ্চলে এই নির্যাতন ধীরে ধীরে গণহত্যার রূপ নিচ্ছে, যা আমাদের চোখের সামনেই ঘটছে। দশকের পর দশক ধরে বিশ্ব এই আক্রমণের প্রকৃত গভীরতা ও বিস্তার উপেক্ষা করেছে। অথচ এটি উদ্বেগজনক হিন্দুবিরোধী পক্ষপাতিত্ব দ্বারা (Roundup Week) পরিচালিত। খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবের ওপর আক্রমণ (Hindus Under Attack), মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণামূলক বক্তব্য, যৌন হিংসা থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্য পর্যন্ত—হিন্দুরা তাদের অস্তিত্বের ওপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের মুখে পড়ছে, শিকার হচ্ছে নজিরবিহীন হিন্দুবিদ্বেষের। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক ১২ থেকে ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ পর্যন্ত সময়ের ছবিটা।

    কর্নাটকে লাভ জেহাদ (Hindus Under Attack)

    প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক ভারতের ছবিটা। কর্নাটকের কোপ্পাল থেকে একটি উদ্বেগজনক ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যা হুব্বলির অনুরূপ ঘটনার পর তথাকথিত “লাভ জেহাদ” সংক্রান্ত আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন হিন্দু নারী পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেন। ভিএইচপি নেতা সঙ্গমেশ হিরেমঠ প্রথমে কোপ্পালের মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, মুস্তাফা নামের এক মুসলমান যুবক হিন্দু মেয়েদের টার্গেট করছিল, অশ্লীল আচরণে জড়িত ছিল এবং তার মোবাইলে আপত্তিকর কনটেন্ট সংরক্ষণ করত। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা দুটি মোবাইলে প্রায় ৭,০০০টি ছবি এবং ৯,৭০০টি ভিডিও রয়েছে, যার মধ্যে একাধিক তরুণীকে নিয়ে অশ্লীল উপাদানও আছে।

    হিন্দু তরুণীদের ডিজিটাল মাধ্যমে টার্গেট

    নাসিকের টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস (TCS)-এর চাঞ্চল্যকর তথ্য কর্পোরেট পরিবেশে যৌন শোষণ, জবরদস্তি এবং বিশ্বাসভঙ্গের একটি গভীর উদ্বেগজনক ধারা প্রকাশ করেছে। যেখানে তরুণ পেশাজীবীদের জন্য নিরাপদ কর্মক্ষেত্র হওয়ার কথা ছিল, সেখানে দুর্বলতাকে কাজে লাগানো হয়েছে এবং কণ্ঠস্বর দমন করা হয়েছে। নাসিকের টিসিএসের ধর্মান্তর-যৌন শোষণ চক্রে প্রথম শিকার ছিলেন এক দলিত নারী। এই ঘটনা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, ‘জাতি রক্ষার’ দাবি করা অনেকেই অভিযুক্ত মুসলিম হলে তাদের তথাকথিত দলিতপ্রীতি থেকে সরে দাঁড়ায়।  হিন্দু তরুণীদের ডিজিটাল মাধ্যমে টার্গেট করে ফাঁদে ফেলা ও যৌন শোষণ করা হচ্ছে এই (Hindus Under Attack) অভিযোগে পুলিশ মহারাষ্ট্রের আমরাবতী জেলায় মোহাম্মদ আয়াজ তানভীরকে গ্রেফতার করেছে। অভিযোগ, সে একটি যৌন শোষণ ও ব্ল্যাকমেল চক্র পরিচালনা করছিল। তাকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে (Roundup Week)।

    লাভ জেহাদ ও লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন

    কর্নাটকের বাগালকোট জেলায় ১৯ বছর বয়সী ভূমিকা তিপ্পান্নভার আত্মহত্যা করেন। এক ইসলামপন্থী যুবক ডংরিসাব নাদাফের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার পর এই কাণ্ড ঘটান ওই তরুণী। এই ঘটনা তথাকথিত “লাভ জেহাদ” ও লক্ষ্যভিত্তিক আক্রমণ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ধর্মীয় পার্থক্যের কারণে তার পরিবার এই সম্পর্কের বিরোধিতা করেছিল। জুহাইব নামে এক ব্যক্তি এক হিন্দু মডেলকে প্রকাশ্যে আক্রমণ করে। কারণ তিনি তার বিয়ে ও ধর্মান্তরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ঘটনাটি বেঙ্গালুরুর ফ্রেজার টাউন এলাকার। এটি রাজ্যে জবরদস্তি ও লক্ষ্যভিত্তিক হয়রানির অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। ভুক্তভোগী প্রথমে কাজের সূত্রে জুহাইবের সঙ্গে পরিচিত হন, যা পরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের রূপ নেয়। তবে ২০২৪ সাল থেকে অভিযুক্ত তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে বলে অভিযোগ (Roundup Week)।

    দেশের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের ছবি

    এদিকে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তিনটি রাজ্য থেকে চারজন উগ্রপন্থায় প্রভাবিত যুবককে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে মহারাষ্ট্র থেকে দুজন, ওড়িশা ও বিহার থেকে একজন করে। অভিযোগ, তারা ইসলামপন্থী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে জঙ্গি কার্যকলাপের ষড়যন্ত্র করছিল। পুলিশ জানিয়েছে, তারা খিলাফত প্রতিষ্ঠার আহ্বানে প্রভাবিত হয়েছিল এবং “লস্কর-ই-খোরাসান” ধারণায় বিশ্বাস করত। তারা “গাজওয়া-ই-হিন্দ”-এ অংশ নেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছিল বলেও খবর (Hindus Under Attack)। বহির্বিশ্বের ছবিটাও খুব একটা আলাদা নয়। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে অত্যাচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বরকতের এক গবেষণা অনুযায়ী, প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে আর কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্মনিন্দার অভিযোগে হামলা, ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তর এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য—এসবই হিন্দুদের ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের বাড়ি ভাঙচুর

    রংপুরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামাল কাচনা দাসপাড়া এলাকায় ৩০–৫০ জন দুষ্কৃতীর একটি দল স্থানীয় হিন্দু পরিবারগুলির বাড়িঘরে হামলা চালায়। অন্তত ৬টি বাড়ি ও ১টি দোকান ভাঙচুর করা হয়। বস্তুত, অধিকাংশ ঘৃণামূলক অপরাধের পেছনে নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা ও রাজনৈতিক মতাদর্শে নিহিত হিন্দুবিরোধী বিদ্বেষ কাজ করে বলে দাবি করা হয়। ইসলামি দেশগুলিতে এই বিদ্বেষ স্পষ্ট হলেও, ভারতের মতো তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ও জনপরিসরেও একটি সূক্ষ্ম হিন্দুবিরোধী মনোভাব দেখা যায়, যা “হিন্দুফোবিয়া” ও ঘৃণাজনিত অপরাধকে উৎসাহ দেয়। এই সূক্ষ্ম বৈষম্য অনেক সময় নজরে আসে না, যদি না আইন ও সামাজিক ধারা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। দীপাবলিতে ধীরে ধীরে আতশবাজি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি একটি উদাহরণ। আপাতভাবে এটি দূষণ নিয়ন্ত্রণ বলে মনে হলেও, বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে হিন্দু উৎসবগুলির ওপর বিধিনিষেধ এবং যুক্তির অসামঞ্জস্যতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে (Hindus Under Attack)।

     

  • ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    ISIS Radicalisation: ফের ‘হোয়াইট-কলার মডিউল’! আইসিস-যোগের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আইএসআইএসের (ISIS) সঙ্গে যুক্ত একটি মডিউলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে গ্রেফতার ডাক্তারির ছাত্র। উত্তরপ্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (ATS) গ্রেফতার করে তাকে।  সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সে যুবকদের উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করছিল বলেও অভিযোগ।  অভিযুক্ত তরুণ  বিডিএসের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

    গ্রেফতার হরিশ আলি (ISIS Radicalisation)

    অভিযুক্তের পড়ুয়ার বয়স ১৯ বছর। নাম হরিশ আলি। সে সাহারানপুর জেলার বাসিন্দা। তাকে গ্রেফতার করা হয় মোরাদাবাদ থেকে। কর্তৃপক্ষের মতে, কিছুদিন ধরেই গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছিল উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু ব্যক্তি আইএসআইএসের একটি মডিউলের সঙ্গে যুক্ত। এই নেটওয়ার্কের পরিচালনাকারীরা জেহাদি মতাদর্শ প্রচার করে। ওই তরুণরা ভারতে-সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শরিয়াভিত্তিক খিলাফত প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রচার চালিয়ে মানুষকে উগ্রপন্থায় প্ররোচিত করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজন পাকিস্তানে রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল

    তদন্তকারীদের মতে, হরিশ ও তার সহযোগীরা ইনস্টাগ্রাম-সহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং এনক্রিপ্টেড মেসেজিং অ্যাপ যেমন সেশন (Session) ও ডিসকর্ড (Discord)-এ গ্রুপ তৈরি করেছিল। এই প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে তারা আইএসআইএসের প্রচারমূলক সামগ্রী, মতাদর্শভিত্তিক বিষয়বস্তু এবং অপারেশনাল নির্দেশাবলী ছড়িয়ে দিত। এর পাশাপাশি নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টাও করত। এটিএস জানিয়েছে, হরিশ ‘এআই ইত্তিহাদ মিডিয়া ফাউন্ডেশন’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছিল। এর মাধ্যমে উসকানিমূলক ভিডিও, পোস্ট এবং আইএসআইএস-সংক্রান্ত জঙ্গি কার্যকলাপের বিষয়বস্তু প্রচার করা হত। আধিকারিকরা আরও জানান, হরিশ আলি নিয়মিত আইএসআইএস-সংক্রান্ত মিডিয়া চ্যানেল যেমন এআই নব (Al Naba) অনুসরণ করত এবং সংগঠনের প্রচার ম্যাগাজিন ডাবিক (Dabiq) পড়ত।

    শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক

    জিজ্ঞাসাবাদে হরিশ স্বীকার করেছে, সে ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে না। সে শরিয়াভিত্তিক আইন ও খিলাফতধর্মী শাসনব্যবস্থার সমর্থক। আধিকারিকরা জানান, সে একাধিক ভুয়ো নাম এবং ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (VPN) ব্যবহার করে নিজের পরিচয় গোপন রাখত এবং একাধিক অনলাইন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করত। এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে সে নিহত আইএসআইএস জঙ্গিদের ছবি, ভিডিও এবং অডিও ক্লিপ এবং সন্ত্রাসবাদের গুণগান গাওয়া প্রভাবশালী মতাদর্শীদের বক্তৃতা শেয়ার করত বলে অভিযোগ। এটিএস জানিয়েছে, মামলাটি লখনউতে দায়ের করার আগে ব্যাপক শারীরিক ও ইলেকট্রনিক নজরদারি চালানো হয়েছিল। তার পরেই শুরু হয় বিস্তারিত তদন্ত।

    তদন্তকারীরা এখন এই সন্দেহভাজন নেটওয়ার্কের অন্য সদস্যদের খোঁজ করার চেষ্টা করছেন। কারণ হরিশ আলির গ্রেফতারের পর তার কয়েকজন সঙ্গী আত্মগোপন করেছে বলেও অনুমান। এদিকে, স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলি মোরাদাবাদে তার যোগাযোগগুলিও খতিয়ে দেখছে। তার স্থানীয় কোনও সহযোগী ছিল কি না, তা জানতেও শুরু হয়েছে তদন্ত।

  • Biswa Ijtema: ভোটমুখী বাংলায় বিশ্ব ইজতেমা, কড়া নজর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের

    Biswa Ijtema: ভোটমুখী বাংলায় বিশ্ব ইজতেমা, কড়া নজর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার কাছে পুঁইনান গ্রামে শেষ হল বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ইসলামি সমাবেশ। চার দিনের বিশ্ব ইজতেমা (Biswa Ijtema) শেষ হয়েছে  ৫ জানুয়ারি। ৩৪ বছর পর এই প্রথম ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে অনুষ্ঠিত হল বিশ্ব ইজতেমা। এর আগে এই সমাবেশ হয়েছিল ১৯৯২ সালে, হাওড়ার নিবড়া এলাকায় (Terror Recruitment Risks)। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে এই বিশাল সমাবেশের আয়োজন হওয়ায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। আধিকারিকদের আশঙ্কা, এত বড় আন্তর্জাতিক জমায়েত তাদের আদর্শিক প্রভাব বিস্তার করতে পারে, অপব্যবহার করা হতে পারে গোপন নেটওয়ার্ক গঠনের কাজেও।

    ইজতেমা ভারতে ফেরাতে সক্রিয় তৃণমূল! (Biswa Ijtema)

    জানা গিয়েছে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, নির্বাচনজনিত বিধিনিষেধ এবং আয়োজক গোষ্ঠীগুলির মধ্যে হিংসাত্মক অন্তর্দ্বন্দ্বের জেরে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মূল ইজতেমা বাতিল হওয়ায় এবারের বিশ্ব ইজতেমা ঠাঁই বদলে হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার এই ইজতেমা ভারতে ফিরিয়ে আনতে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রস্তুতি তদারকি করেন। রাজ্য সচিবালয় নবান্নে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয় এবং যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সমস্ত রকম ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয় (Terror Recruitment Risks)। তৃণমূলের দুই প্রবীণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীকে স্বাস্থ্য পরিষেবা, স্যানিটেশন, ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং সাইবার নজরদারির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যা এই আয়োজনে রাজ্য সরকারের সরাসরি সম্পৃক্ততাকেই স্পষ্ট করে।

    আখেরি মুনাজাত

    যদিও অনুষ্ঠানটি ঐতিহ্যবাহী আখেরি মুনাজাত—বিশ্বশান্তি ও সম্প্রীতির জন্য চূড়ান্ত প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে, তবুও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির উদ্বেগ কাটছে কই! শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রগুলির মতে, অতীতে এই ধরনের সমাবেশে উগ্রপন্থী গোষ্ঠীগুলি দুর্বল ব্যক্তিদের শনাক্ত, প্রভাবিত ও তাদের নিয়োগ করার কাজে ব্যবহার করা হয়েছে (Biswa Ijtema)। গোয়েন্দা সংস্থাগুলি জানিয়েছে, তাবলিঘি জামাতের সঙ্গে যুক্ত কিছু প্রাক্তন সদস্য পরবর্তীকালে নিষিদ্ধ বা কট্টর সংগঠন যেমন পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া (PFI) এবং জামাত-ই-ইসলামির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েছিল, যা আদর্শিক সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বড় সতর্কবার্তা

    সূত্রের খবর, একটি বড় সতর্কবার্তা ছিল বিতর্কিত ধর্মীয় নেতা মৌলানা সাদ কান্ধলভির উপস্থিতি ও তাঁর বক্তব্য। তিনি তাবলিঘি জামাতের নিজামুদ্দিন মারকাজ গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, চরমপন্থা ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আশঙ্কায় বাংলাদেশে তাঁর অংশগ্রহণ আগে সীমিত করা হয়েছিল। দিল্লির নিজামুদ্দিনে বসবাসকারী কান্ধলভির বিরুদ্ধে কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় একটি এফআইআরও দায়ের হয়েছিল। গোয়েন্দা আধিকারিকদের মতে, তাঁর উপস্থিতি উগ্র মতাদর্শকে উসকে দিতে পারে এবং দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে তাবলিঘি জামাতের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে (Terror Recruitment Risks)।

    ইজতেমার জায়গা

    নিরাপত্তা সংস্থাগুলি আরও একটি গুরুতর দুর্বলতার দিক তুলে ধরেছে। সেটি হল, ইজতেমার জন্য যে জায়গাটি বেছে নেওয়া হয়েছিল, সেটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের অত্যন্ত কাছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার মূল্যায়ন অনুযায়ী, অতীতে এই অঞ্চল আইএসআই–সমর্থিত জঙ্গি সংগঠন যেমন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB), হরকত-উল-জিহাদ-আল-ইসলামি (HuJI), আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (ABT) এবং হিজবুত-তাহরির (HuT) কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে (Biswa Ijtema)। মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো সীমান্ত জেলাগুলিকে, যেখানে সক্রিয় স্লিপার সেল নেটওয়ার্ক রয়েছে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে, সমাবেশ চলাকালীন বাড়তি নজরদারির আওতায় রাখা হয়েছিল।

    সমাবেশে রাজনৈতিক বার্তা

    মার্চ–এপ্রিল মাসে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনার প্রেক্ষিতে গোয়েন্দা আধিকারিকরা মনে করছেন, এই সমাবেশে রাজনৈতিক বার্তাও নিহিত ছিল। সূত্রের মতে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতি সহানুভূতি ও কল্যাণমূলক ভাবমূর্তি তুলে ধরার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার এই অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দিয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তাঁরা সতর্ক করেছেন, সীমান্তবর্তী রাজ্যে দীর্ঘদিনের আন্তঃসীমান্ত উগ্রপন্থী নেটওয়ার্কের ইতিহাস থাকায়, এই ধরনের রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় নিরাপত্তার দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া জরুরি (Biswa Ijtema)।

    যদিও সমাবেশ চলাকালীন নিরাপত্তা লঙ্ঘনের কোনও ঘটনা ঘটেনি, তবুও অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি উচ্চ সতর্কতা বজায় রেখেছে। আধিকারিকরা জানান, অংশগ্রহণকারীদের গতিবিধি, অর্থের উৎস এবং ডিজিটাল যোগাযোগের ওপর অনুষ্ঠান-পরবর্তী নজরদারি এখনও চলছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনও (Terror Recruitment Risks) বিলম্বিত নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হয় কি না, তা মূল্যায়ন করা যায় (Biswa Ijtema)।

     

LinkedIn
Share