Tag: Ragging

Ragging

  • Murshidabad: ব়্যাগিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে! চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কারের ঘোষণা

    Murshidabad: ব়্যাগিং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে! চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কারের ঘোষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল। এবার মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। কলেজের হস্টেলের ভিতরে প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে কান ধরে ওঠবস করানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় টেক্সটাইল কলেজের অ্যান্টি ব়্যাগিং কমিটির কাছে মৌখিকভাবে অভিযোগ করা হয়েছিল। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত চার ছাত্রকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ঘটনায় পড়ুয়াদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    উল্লেখ্য গত বছর পুজোর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এক প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুকে ঘিরে ক্যাম্পাস উত্তাল হয়ে উঠেছিল। সেই উত্তাপের আঁচ গিয়ে পড়েছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, বিরোধী দলনেতা এবং ইউজিসিতে। সেই ছাত্রের বাড়ি ছিল নদিয়া জেলায়। বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। এছাড়াও খড়্গপুরে আইআইটির ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া, আরজিকর মেডিক্যালের ডাক্তারি পড়ুয়া, দুর্গাপুরের এমবিএ পড়ুয়া সহ একাধিক ছাত্রের ব়্যাগিং এবং রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। ফের একবার ক্যাম্পাসে পড়ুয়াদের ব়্যাগিংয়ের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) কোন ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ?

    ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুরের গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেক্সটাইল কলেজে। এই কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রকে হস্টেলের রুমে কানধরে ওঠবস করানো হয়। ঘটনার পর গত ১২ ফেব্রুয়ারি বহরমপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কলেজের কর্তৃপক্ষ তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। ঘটনায় রাজ্যে শিক্ষাঙ্গনে ফের ব়্যাগিংয়ের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    অভিযুক্তরা চতুর্থ, তৃতীয় এবং প্রথম বর্ষের ছাত্র

    কলেজ (Murshidabad) সূত্রে জানা গিয়েছে, ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ মূলত চারজন ছাত্রের বিরুদ্ধে। এরপর এই চারজনের বিরুদ্ধে অ্যান্টি ব়্যাগিংয়ের ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্ত চারজনের মধ্যে একজন প্রথম বর্ষের, আরও দু’জন তৃতীয় বর্ষের এবং অপর আরেক জন হল প্রথম বর্ষের ছাত্র। ব়্যাগিংয়ের অভিযোগ পেয়ে বহরমপুর থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    Ragging: এবার কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ! পড়ুয়াকে লাগাতার হেনস্থার অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা শহরে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ। লাগাতার ছাত্র হেনস্থার পরেও কর্তৃপক্ষ কোনও পদক্ষেপ করেনি, এমনই অভিযোগ উঠছে। আর এবার অভিযোগ উঠেছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২০২৩ সালে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক স্তরের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য পড়ুয়া ও প্রাক্তন পড়ুয়াদের হেনস্থার জেরেই ওই প্রথম বর্ষের পড়ুয়া মারা যান।‌ কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্র হেনস্থা নিয়ে বিতর্ক চরমে পৌঁছায়। কিন্তু ২০২৪ সালের প্রথমেই ফের কলকাতার আর এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র হেনস্থার অভিযোগ উঠল।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাগাতার ছাত্র হেনস্থা হচ্ছে। অভিযোগ, কলেজ ক্যাম্পাসে এবং হস্টেলে ছাত্রদের হেনস্থা করা হয়। সম্প্রতি, মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছে, অস্থি বিভাগের পোস্ট গ্রাজুয়েট ট্রেনি অর্থাৎ, স্নাতকোত্তর পাঠরত প্রথম বর্ষের পড়ুয়া হেনস্থার শিকার হয়েছেন। দীর্ঘ চার মাস ধরে লাগাতার হেনস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগ, কখনও রোগী দেখার সময়ে, রোগীর পরিজনদের সামনে কর্তব্যরত ওই ট্রেনি চিকিৎসকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন ওই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের স্নাতকোত্তর পড়ুয়ারা।‌ আবার কখনও কাজ নিয়ে মানসিক চাপ তৈরি করা হচ্ছে। এমনকী রোগী ও পরিজনদের সামনেই গালাগালি করা হয়েছে‌। এছাড়াও অভিযোগ, হস্টেলেও হেনস্থা করা হয়েছে। এমনকী শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে। তলপেটে লাথি মারা, মারধর করা সহ একাধিক অভিযোগ জানানো‌ হয়েছে। আরও অভিযোগ, এই ধরনের ঘটনা মাসের পর মাস ঘটলেও‌ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকেরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। দুজন নির্দিষ্ট চিকিৎসক-পড়ুয়ার বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এমনকী, হস্টেল কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও প্রয়োজনীয় সমাধান পাওয়া যায়নি। অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পাশপাশি অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন, এরপরেও পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে আইনি সাহায্য তাঁরা নেবেন। 

    কী বলছে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    মেডিক্যাল কলেজ কলকাতা রেসিডেন্স ডক্টর্স অ্যাসোসিয়েশনের অভিযোগ প্রসঙ্গে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল‌ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।‌ অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবে।‌ কলেজ ক্যাম্পাস হোক কিংবা হস্টেল, কোথাও ছাত্র হেনস্থা বরদাস্ত করা হবে না বলেও তারা সাফ জানিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে! সিনিয়রদের বেধড়ক মারে অচৈতন্য মেডিক্যাল পড়ুয়া

    Raiganj: যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে! সিনিয়রদের বেধড়ক মারে অচৈতন্য মেডিক্যাল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের যাদবপুরের ছায়া রায়গঞ্জে (Raiganj)। এবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের একাংশকে শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে। ঘটনার রীতিমতো আতঙ্কিত নিগৃহীত পড়ুয়ারা। তাদের ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাগিং কাণ্ড ঘিরে তোলপাড় হয়েছিল গোটা রাজ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে র‍্যাগিং রুখতে নড়েচড়ে বসেছিল সরকার থেকে শুরু করে প্রশাসন। কিন্তু তার পরেও মাঝে মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে সিনিয়রদের দ্বারা জুনিয়রদের নিগ্রহের ঘটনা। এবার এমনই অভিযোগ উঠল রায়গঞ্জ (Raiganj) মেডিক্যাল কলেজের হস্টেলে। এমবিবিএস দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রছাত্রীদের একাংশ সিনিয়রদের বিরুদ্ধে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে সরব হন। ৩ ডিসেম্বর হস্টেল ক্যাম্পাসে একটি বার্থ ডে পার্টির সেলিব্রেশন ঘিরে ঝামেলার সূত্রপাত হয়। নিগৃহীত মেডিক্যাল পড়ুয়াদের অভিযোগ, তাঁরা ওই দিন এক সহপাঠীর বার্থ ডে সেলিব্রেট করছিলেন। তখনই সিনিয়র অর্থাৎ তৃতীয় বর্ষের কিছু পড়ুয়া তাঁদের বকাঝকা করে। তখনকার মতো ঝামেলা মিটে গেলেও ওই ইস্যুতেই ৮ ডিসেম্বর গভীর রাতে তাদের ডেকে পাঠান সিনিয়ররা। অভিযোগ, এরপরই জুনিয়রদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। মারধর পর্যন্ত করা হয় বলে অভিযোগ। সিনিয়রদের নির্যাতনের প্রতিবাদে জুনিয়ররা জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানান। দোষীদের শাস্তির দাবিতে কলেজ ক্যাম্পাসে জোটবদ্ধ হয়ে বিক্ষোভ দেখান।

    নির্যাতিত ছাত্র কী বললেন?

    কোমল মীনা নামের এক জুনিয়র ছাত্র বলেন, সিনিয়ররা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। আমি অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলাম। পরে, জল ঢেলে আমাকে সুস্থ করে আবার নির্যাতন করা হয়। আমাদের আবার মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। যার জেরে আতঙ্কিত রাজস্থানের বাসিন্দা এই মেডিক্যাল পড়ুয়া। নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন তিনি। ঘটনায় রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন ছাত্রীরাও। রিয়া সিং নামের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী বলেন, ওই ঘটনার পর আমরা আতঙ্কে হস্টেলে থাকতে পারছি না। আমাকে উদ্দেশ্য করে নানা কুমন্তব্য করা হচ্ছে।

    অভিযোগ অস্বীকার তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ার

    জুনিয়রদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রিষভ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ছাত্রছাত্রীরা কলেজে নেশা করে। কলেজের পঠন-পাঠনের পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে, পাল্টা অভিযোগ এনেছেন তিনি। এ বিষয়ে মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন ।

    ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কী বললেন?

    এ ঘটনায় রায়গঞ্জ (Raiganj) মেডিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডঃ বিদ্যুৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    Kharagpur IIT: খড়্গপুর আইআইটিতে র‍্যাগিং! অভিযোগ পেয়ে চিঠি দিল ইউজিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের জেরে এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্পাসে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। তার প্রভাবে গোটা রাজ্যের রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছিল। এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল খড়্গপুর আইআইটিতে (Kharagpur IIT)। দ্বিতীয়বর্ষের ছাত্রকে সারারাত ধরে করানো হল নাচ এবং খেলা। সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কাছে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ জমা পড়লে পুলিশের কাছে একটি মামলা রুজু করা হয়। ক্যাম্পাসের ছাত্রাবাসে যাতে কোনও আর অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সেজন্য কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কড়া করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    অভিযোগে কারও নাম নেই (Kharagpur IIT)

    রাজ্যের একমাত্র আইআইটিতে (Kharagpur IIT) র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ক্যাম্পাসে তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরই আরও এক ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল খড়্গপুর আইআইটি কর্তৃপক্ষকে। এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ! যদিও অভিযোগ ঠিক কার বিরুদ্ধে এবং কে করেছেন অভিযোগ, দুটি বিষয়েই অভিযোগপত্রে নামের উল্লেখ নেই বলে জানা গিয়েছে। ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে হস্টেলগুলি পরিদর্শন করতে প্রতিষ্ঠানের ডিনদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের তরফ থেকে বিশেষ নোটিশ দিয়ে ১৬ হাজার পড়ুয়াকে সচেতন করা হয়েছে।

    ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ ধারায় মামলা (Kharagpur IIT)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১, ৩২৩, ৫০৬, ৩৪ নম্বর ধারায় পুলিশের কাছে মামলা রুজু করা হয়েছে। প্রথমে অ্যান্টির‍্যাগিং-এর পোর্টালে অভিযোগ করা হয়, তারপর ইউজিসির তরফ থেকে একটি মেইল করে খড়্গপুর আইআইটিকে (Kharagpur IIT) জানানো হয় র‍্যাগিংয়ের বিষয়ে। আর তারপরই আইআইটি থেকে পুলিশের কাছে খড়্গপুর টাউন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। চতুর্থ এবং তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা, দ্বিতীয় বর্ষের তৃতীয় সেমেস্টারের এক ছাত্রকে সারারাত নাচ এবং খেলা করতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    পুলিশের বক্তব্য

    খড়্গপুর টাউন থানার এক আধিকারিক বলেন, “আইআইটির (Kharagpur IIT) কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই আমরা মামলা দায়ের করেছি। এখন তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগের সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: র‍্যাগিংয়ের বলি! আত্মঘাতী মালদার আদিবাসী ছাত্র, চাঞ্চল্য

    Malda: র‍্যাগিংয়ের বলি! আত্মঘাতী মালদার আদিবাসী ছাত্র, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের এক ছাত্র র‍্যাগিংয়ের বলি হয়েছেন। যে-ঘটনায় রাজ্যজুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনায় বেশ কয়েকজন বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্র গ্রেফতার হয়। এবার ফের র‍্যাগিংয়ের জেরে ছাত্রমৃত্যুর অভিযোগ উঠল।  মৃত ছাত্রের নাম উত্তম মারডি (২২)। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন মালদার (Malda) বাসিন্দা ওই আদিবাসী ছাত্র। এমনটাই অভিযোগ মৃতের পরিবারের সদস্যদের। তাঁদের দাবি, র‍্যাগিংয়ের জেরে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ায় বাড়ির বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন পিএইচডি পাঠরত ওই ছাত্র।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    গত ৩ অক্টোবর উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পিএইচডি করতে ভর্তি হন উত্তম। বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলেই থাকতেন তিনি। ভর্তি হওয়ার পর থেকেই নাকি ওই ছাত্রের সঙ্গে অশালীন আচরণ শুরু করেন সিনিয়র আন্তর্জাতি ছাত্রদের একাংশ, এমনই অভিযোগ করেছেন পরিবারের লোকজন। দু’দিন আগে তিনি বাড়ি ফিরে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে আর পড়তে যাবেন না বলে জানিয়েছিলেন বাড়ির লোকদের। এরপরই মালদার (Malda) গাজোল থানার শিসাডাঙা এলাকায় বাড়ির বাথরুম থেকে ওই ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠায় পুলিশ। ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে অভিযোগ জানাতে চলেছেন মৃত ছাত্রের বাবা কমলা মারডি ও মা মিনতি হাঁসদা।

    মৃতের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য?

    মৃত ছাত্রের জ্যাঠা জোনাস মারডি পুলিশকে অভিযোগে জানিয়েছেন, ভালো নম্বর নিয়ে ভাইপো উত্তম মারডি মালদার গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু, তার আগে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাসে পিএইচডি করার সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় সেখানে গিয়ে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা শুরু করে। তারপরই বাড়ি ফিরে আর সেখানে পড়তে না যাওয়ার কথা বলেছিল সে। ফলে, চরম আতঙ্কে ছিল তা বোঝা যাচ্ছে। আমরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: র‍্যাগিংয়ের শিকার কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্র, চাঞ্চল্য

    Ragging: র‍্যাগিংয়ের শিকার কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্র, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংকাণ্ডে (Ragging) তোলপাড় হয়ে যায় গোটা রাজ্য। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই ফের র‍্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটল কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের দুই ছাত্রের সঙ্গে। এদের মধ্যে একজন মেকানিক্যাল এবং অপরজন অটোমোবাইলের প্রথম বর্ষের ছাত্র। তাঁদের বাড়ি কোচবিহার মাথাভাঙ্গা-২ নম্বর ব্লকের ঘোকসাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা। সিনিয়ার মেসে গিয়ে দুজন প্রথম বর্ষের ছাত্রের উপর এতটাই অত্যাচার করে যে তাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কোচবিহার জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, ঘটনা তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ragging)

    স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত আটটা নাগাদ কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র আকাশ আইচ এবং খোকন বর্মন তাদের মেসে ছিল। সে সময় সেই মেসে থাকা  আরেকজন সিনিয়ার বাইরে থেকে বহিরাগতদের নিয়ে এসে তাদের উপর আক্রমণ চালায়। তাদের মুখে রুমাল গুঁজে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এর আগেও এই সিনিয়ার এসে তাদের উপর অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। শুক্রবার রাতেও সে হামলা চালায়। কোচবিহার পলিটেকনিক কলেজের জেনারেল সেক্রেটারি মিসবাহুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত ওই সিনিয়ার প্রায় দিনই একটি মেয়েকে সঙ্গে করে নিয়ে এসে মেসে উঠত। দীর্ঘদিন থেকে এই বিষয়টির প্রতিবাদ জানিয়ে আসছিল আকাশ এবং খোকন। এটাই তাদের অপরাধ। তাই, বাইরে থেকে দুজনকে নিয়ে এসে ওই দুই পড়ুয়াকে বেধড়ক মারধর করা হয়। আকাশ আইচকে কোচবিহার এন জে এন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিছুটা সুস্থ অবস্থায় শনিবার ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু, অত্যন্ত গুরুতরভাবে জখম খোকন বর্মন কোচবিহারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ইতিমধ্যেই ঘটনায় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    আক্রান্তের ছাত্রের বাবা ও মেসের মালিক কী বললেন?

    ঝকম খোকন বর্মনের বাবা পরিমল বর্মন বলেন, মেসের মধ্যেইও র‍্যাগিংয়ের (Ragging) ঘটনা ঘটল। এটা মেনে নিতে পারছি না। আমরা অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। মেসের মালিক কার্তিক শীল বলেন, মাত্র এক মাস হয়েছে ওই দুই ছাত্র আমার মেসে এসেছে। মেসের দেখভাল করে আমার স্ত্রী। র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি আমার জানা নেই।

    কী বললেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ?

    পলিটেকনকিক কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রণব সাহারায় বলেন, অ্যান্টি র‍্যাগিং (Ragging) টিম বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ধরনের ঘটনাকে প্রশয় দেওয়া হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    Ragging: যাদবপুরের পর এবার বসিরহাটের স্কুল হস্টেলে র‍্যাগিং! পালিয়ে গেল তিন স্কুল পড়ুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। ফের র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় তোলপাড় শিক্ষামহল। এবার ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট। সিনিয়র দাদাদের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে স্কুলের হস্টেল থেকে পালিয়ে গেল তিন ছাত্র। মঙ্গলবার দেগঙ্গা থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির হাতে তুলে দিয়েছে। এর আগেও এই জেলায় বনগাঁ মহকুমায় একটি হস্টেল থেকে সিনিয়রদের র‍্যাগিংয়ে এক স্কুল পড়ুয়া গভীর রাতে হস্টেলের পাঁচিল টপকে বাড়ি পালিয়ে যায়। ফের দেগঙ্গায় একই ঘটনা ঘটায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বেলা একটা নাগাদ দেগঙ্গার বেড়াচাঁপা বাজারে স্কুলের পোশাকে তিন ছাত্রকে উদ্দেশ্যহীন  ঘোরাঘুরি করতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ছাত্রদের পড়নে যে স্কুলড্রেস ছিল, তা এলাকার কোনও স্কুলের নয়। তাই, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা তাদের একটি দোকানে বসিয়ে রাখেন। এরপরই তাঁরা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে দেগঙ্গা থানার পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। উদ্ধার হওয়া পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ জানতে পারে, তারা তিনজন  মাটিয়া থানার বেলে ধান্যকুড়িয়া হাইস্কুলের ছাত্র। দুজন পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। অন্যজন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। একজনের বাড়ি হাবড়া ও অন্য দুই ছাত্রের বাড়ি নদিয়া জেলার কল্যাণী ও শান্তিপুরে। তারা হস্টেলে থেকেই পড়াশোনা করত। তিন পড়ুয়ার অভিযোগ, হস্টেলের সিনিয়র দাদারা তাদের মারধর করে। নানা অত্যাচার করে। হস্টেলে থাকতে পাচ্ছিলাম না। তাই, তারা হস্টেল ছেড়ে পালিয়েছিল।

    পুলিশ প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করল?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল পর্যন্ত থানায় র‍্যাগিংয়ের কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। ওই তিন ছাত্রের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। আপাতত উদ্ধার হওয়া তিন ছাত্রকে চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিশনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। অভিভাবকরা আসার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যাদবপুরের ঘটনার পর ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ঘিরে বিভিন্ন মহলে উঠেছে। বিশেষ করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IIEST Shibpur: শিবপুর আইআইইএসটি-তে নেই র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা, কীভাবে সম্ভব হল?

    IIEST Shibpur: শিবপুর আইআইইএসটি-তে নেই র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা, কীভাবে সম্ভব হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ছাত্রমৃত্যুতে উত্তাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। অথচ এরকমই ছাত্রমৃত্যুর পর বন্ধ হয়ে গিয়েছিল হাওড়ার শিবপুর আইআইইএসটি-তে ছাত্র সংঘর্ষ ও র‍্যাগিংয়ের ঘটনা। অভিযোগ, ২০০৬ সালের আগে বারবার র‍্যাগিং ও ছাত্র সংঘর্ষের অভিযোগ আসত হাওড়ার শিবপুরের বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি থেকে। ২০০৬ সালে তৎকালীন বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি বা বেসু-র ১১ নম্বর হস্টেলের দোতলার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় সৌমিক বসু নামে তৃতীয় বর্ষের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্রের। সেই সময় বেসুতে এসএফআই  এবং ইন্ডিপেন্ডেন্ট কনসলিডেশন নামে দুই ছাত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ প্রায়শই লেগে থাকত। মাঝে মধ্যে অভিযোগ আসত র‍্যাগিংয়েরও।

    কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল সৌমিক বসুর?

    সৌমিক বসু এসএফআই-এর সমর্থক ছিলেন। ২০০৬ সালের ৭ই অগাস্ট রাতে ১১ নম্বর হস্টেলে দুই ছাত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ৮ ই অগাস্ট যখন ততকালীন রেজিস্ট্রার ইন্দ্রনাথ সিনহা (বর্তমানে মাইনিং ডিপার্টমেন্টের অধ্যাপক) হস্টেলে ঢুকছিলেন, সেই সময় ওই ছেলেটি মনে করেন যে ইন্দ্রনাথবাবু পুরো ব্যাপারটা জেনে গেছেন। তখন তিনি ছুটে পালাতে যান। তখন ছিল বর্ষাকাল। বারান্দা ভিজে ছিল। পা পিছলে দোতলা থেকে নিচে পড়ে যান ওই যুবক। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বেরোতে থাকে। প্রথমে কলেজের ছাত্র ও শিক্ষকরা দ্রুত তাঁকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে গ্রিন করিডোর করে সিএমআরআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার পরেও বাঁচানো যায়নি। ১২ তারিখ অর্থাৎ ঘটনার তিন দিন পর তাঁর মৃত্যু হয়।

    কীভাবে ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে গেল র‍্যাগিং?

    সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়। সিআইডির তদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। পরে পরশমণি চট্টোপাধ্যায় কমিশন গঠন করা হয়। পরশমণি চট্টোপাধ্যায় বেসু-র প্রাক্তন উপাচার্য ছিলেন। তিনি এই ক্যাম্পাসে গন্ডগোল এবং র‍্যাগিং রুখতে বেশ কিছু পরামর্শ দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও এ ব্যাপারে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়। তার ফলে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ আস্তে আস্তে কমে যায় এবং র‍্যাগিংয়ের ঘটনাও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ২০১৪ সালে বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সায়েন্স ইউনিভার্সিটি বেসু রূপান্তরিত হয় শিবপুর আইআইইএসটি-তে। কেন্দ্রের মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের অধীনে চলে আসে বেসু। শিবপুরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইঞ্জিনিয়ারিং সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি বর্তমানে ইউজিসি সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে।

    এরপর ‍র‍্যাগিং বা ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা রুখতে আইআইইএসটির অধ্যাপকরা উদ্যোগী হন। ‍র‍্যাগিং এবং ছাত্র সংগঠনের ঘটনা বন্ধে যেমন অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটিকে সক্রিয় করা হয়, এর পাশাপাশি ছাত্রদের অভাব-অভিযোগ নিয়ে নিয়মিত বৈঠক হয়। ক্যাম্পাস চত্বরে সিসিটিভি, অ্যান্টি রাগিং হেল্পলাইন চালু করা, বাইরের রাজনীতি থেকে শিক্ষা ক্ষেত্রে রাজনীতি বন্ধ করা, আইআইইএসটি-র গেটে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, কোনও রকম আইডি কার্ড ছাড়া কাউকে ক্যাম্পাসে ঢুকতে না দেওয়া, এই সমস্ত নানা পদক্ষেপের ফলে র‍্যাগিং ও ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

    কী বলছেন ছাত্ররা?

    আইআইইএসটির এক ছাত্র বলেন, যাদবপুরে যেমন বহিরাগত রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ অনেক বেশি দেখা যায়, সে দিক থেকে শিবপুর আইআইইএসটি সম্পূর্ণ ভাবে বাইরের রাজনীতি থেকে মুক্ত। কেন্দ্র সরকারের অধীনে সরাসরি চলে যাওয়ার পর সেখানে ছাত্র নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়। ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই তাঁদের লিডার নির্বাচন করেন। এছাড়া হস্টেল ক্যাম্পাসে পাশ আউট ছাত্রদের থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই। হস্টেল, লাইব্রেরি সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বিভাগ থেকে ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দিলে তবেই ছাত্রদের হাতে মার্কশিট দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই আইআইইএসটি-তে বহিরাগত বা পাশ আউট ছাত্রছাত্রীরা থাকার কোনও ব্যবস্থা নেই।

    কী বলছেন জয়েন্ট রেজিস্ট্রার? 

    বর্তমান জয়েন্ট রেজিস্ট্রার (অ্যাকাডেমিক) নির্মাল্যকুমার ভট্টাচার্য বলেন, ২০০৬ সালে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার পর ছাত্র-ছাত্রীদের উপলব্ধি হয় যে অযথা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছেন তাঁরা। তারপর থেকে নিজেরাই আস্তে আস্তে এই ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করে দেন। অন্যদিকে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে এখানে র‍্যাগিং বলে কিছু নেই। উল্টে তাঁরা সিনিয়রদের কাছ থেকে সহযোগিতা পান অনেক বেশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging: এবার বিশ্বভারতীতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, দু’জনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা উপাচার্যের

    Ragging: এবার বিশ্বভারতীতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, দু’জনের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা উপাচার্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিংয়ের (Ragging) ঘটনা নিয়ে গোটা রাজ্য তোলপাড়। হস্টেলের ভিতরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত এখনও চলছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠল খোদ বিশ্বভারতীতে। বিশ্বভারতীর নিচুবাংলো ছাত্রবাসে বসবাসকারী ফ্রেঞ্চ বিভাগের এক ছাত্র, তাঁর সহপাঠীর বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ তুলছেন। যা নিয়ে শান্তিনিকেতন জুড়়ে তোলপাড়় শুরু হয়েছে।

    কীভাবে র‍্যাগিংয়ের বিষয়টি সামনে এল? (Ragging)

    বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, হস্টেলে র‍্যাগিংয়ের (Ragging) অভিযোগের কথা কর্তৃপক্ষকে ই মেল মারফত জানান আবাসিক এক ছাত্র। নির্যাতনের স্বীকার হাওয়া ছাত্র একেবারে সোজাসুজি ইউজিসি দফতরে ই মেল মারফত অভিযোগ করে দেন। বেশ কয়েকজন অভিভাবকও একই অভিযোগ জানান কর্তৃপক্ষকে। ইউজিসি থেকে মেল আসতেই তড়িঘড়ি ব্যবস্থা গ্রহণ কর্তৃপক্ষের। বিশ্বভারতীর কাছে এই বিষয়ে সঠিক তদন্ত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে ইউজিসি কর্তৃপক্ষ। সেই চিঠি পেয়ে তড়িঘড়ি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সোমবার রাতে হস্টেলে যান উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। বিশ্বভারতীর সমস্ত হস্টেলে পরিদর্শনে যান কর্তৃপক্ষ। তাঁরা আবাসিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের কারও কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, বিশ্বভারতীর নিচু বাংলো হস্টেলে থাকতেন শুভ সরকার, অঙ্কিত কুমার এবং মণীশ কুমার নামে তিন ছাত্র। তাঁদের বিরুদ্ধে হস্টেলের বেশ কয়েক জন আবাসিক র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ আনেন। এর পর সোমবার সকালে হস্টেলে যান বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ। অভিযুক্ত পড়ুয়াদের ডেকে পাঠানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল অফিসে। কিন্তু, অভিযুক্ত তিন জনের মধ্যে এক ছাত্র হস্টেলে ছিলেন না। বাকি দু’জন কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হন। পরে, হস্টেল থেকে তাঁদের সমস্ত জিনিসপত্র নিয়ে আসতে বলা হয়। নির্দেশ মতো বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিসে অভিযুক্তরা জিনিসপত্র নিয়ে আসেন। সোমবার রাতে কর্তৃপক্ষের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই আবাসিককে বহিষ্কার করা হয়েছে। যদিও এ নিয়ে সরকারি ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। রাতের অন্ধকারে অভিযোগকারী ছাত্রকে ছাত্রাবাস থেকে নিয়ে শান্তিনিকেতনের পূর্বপল্লি গেস্ট হাউসে অস্থায়ীভাবে রাখা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তনী এবং পড়ুয়া মিলিয়ে মোট ৯ জনকে। ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে সরগরম অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে (North 24 Parganas)। এই কলেজের ইউনিয়ন রুমের মধ্যেই প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে র‍্যাগিং এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্ত ওই পড়ুয়া এসএফআইয়ের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

    কেন অভিযোগ (North 24 Parganas)?

    প্রথম বর্ষের এই ছাত্রের অভিযোগ, কলেজের ইউনিয়ন (North 24 Parganas) রুমে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে কয়েকজন ছাত্রনেতা। অভিযুক্তরা সকলে তৃণমূলের সমর্থক। যদিও র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। পাশাপাশি ওই ছাত্রের আরও অভিযোগ, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও একজন ছাত্র প্রহৃত হয়েছেন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই কলেজে। এই নিয়ে তীব্র বাগযুদ্ধে জড়িয়েছে এসএফআই এবং টিএমসিপি।

    আক্রান্ত ছাত্রের বক্তব্য

    অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের (North 24 Parganas) আক্রান্ত ছাত্র জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কলেজে যাওয়ার পরে তাঁকে ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে চড়, থাপ্পড়, কিল, ঘুষি মারা হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, ফেসবুক থেকে এসএফআই-এর যাবতীয় পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। আর যদি তা না করেন, তাহলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।

    এসএফআই-এর বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) এসএফআই জেলা সম্পাদক আকাশ করের বক্তব্য, “র‌্যাগিংয়ের এই ঘটনাকে ধিক্কার জানাচ্ছি। এসএফআই করার অপরাধে, বাবার বয়সি নেতারা যেভাবে একজন ছাত্রকে মারধর করল, এই অসভ্যতা মেনে নেওয়া যায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বো আমরাও।”

    টিএমসিপি’র বক্তব্য

    এই বিষয়ে সাংগঠনিক জেলা (North 24 Parganas) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি সোহম পাল বলেন, “মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। তবে কী ঘটনা ঘটেছে তা খোঁজ না নিয়ে বলতে পারবো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share