Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • National Herald: রাহুলের হাজিরাকে কেন্দ্র করে নয়া ছক কংগ্রেসের? সোনিয়াকে সময় দিল ইডি

    National Herald: রাহুলের হাজিরাকে কেন্দ্র করে নয়া ছক কংগ্রেসের? সোনিয়াকে সময় দিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Corruption Case) কংগ্রেস সুপ্রিমো সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) ৮ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিন সপ্তাহের সময় চেয়ে নিয়েছিলেন নেত্রী। সোনিয়াকে তিন সপ্তাহের সময় দিতে রাজি হয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী সোনিয়াকে নতুন সমন পাঠাবে ইডি।   

    আরও পড়ুন: সোনিয়ার আরোগ্য কামনা মোদির, এবার করোনা আক্রান্ত প্রিয়ঙ্কাও

    গত ২ জুন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর করোনা ধরা পড়ে। সেইমতো তিনি ইডি কর্তৃপক্ষের কাছে সুস্থ হওয়ার জন্যে তিন সপ্তাহের সময় চেয়ে নেন। কারণ চিকিৎসকরা এখনও তাঁকে ঘরের বাইরে বেরোনোর অনুমতি দেননি।

    আরও পড়ুন: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    এদিকে আগামী ১৩ জুন, সোমবার ওই একই মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা তাঁর পুত্র রাহুল গান্ধীর। গত সোমবারই ইডির দফতরে যাওয়ার কথা ছিল জুনিয়র গান্ধীর। কিন্তু সেই সময় তিনি বিদেশ সফরে থাকায় হাজিরার জন্যে কিছুটা সময় চেয়ে নেন। তাঁকে এক সপ্তাহের সময় দেয় ইডি।

    শোনা যাচ্ছে রাহুলের এই হাজিরাকে হাতিয়ার করে দিল্লির রাস্তায় সরকার-বিরোধী প্রতিবাদের ঝড় তুলতে পারে কংগ্রেস (Congress)। ওই দিন রাহুলের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা মিছিল করে ইডি-র দফতরে যাবেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে মোদি (Modi) সরকার। আর এরই প্রতিবাদে মিছিল করবে কংগ্রেস। এমনকি আগামী অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে সংসদে সরব হওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কংগ্রেস।  

    আরও পড়ুন: ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    ন্যাশনাল হেরাল্ড অর্থ পাচার মামলায় রাহুল-সোনিয়াকে নোটিস পাঠিয়েছে এই তদন্তকারী সংস্থা। ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থা অভিযোগ করে যে, ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রটির পরিচালন সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় আর্থিক নয়ছয় হয়েছে।

     

  • Rahul Gandhi: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    Rahul Gandhi: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ন্যাশনাল হেরাল্ড (Natiaonal Herald) মামলায় বেআইনি ভাবে অর্থ লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। কিন্তু বিদেশে থাকার জন্য ২৪ ঘণ্টার নোটিসে তাঁর পক্ষে হাজিরা দেওয়া সম্ভব নয়, বলে জানিয়ে দেন রাহুল। শুক্রবার রাহুলকে নতুন নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। আগামী ১৩ জুন তাঁকে ইডি-র দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে। বুধবার পাঠানো ইডি-র (ED) ওই নোটিসে আগামী ৮ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছিল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গাঁধীকে (Sonia Gandhi)। কিন্তু তিনি করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আপাতত নোটিস পাঠানো হচ্ছে না বলে ইডি সূত্রের খবর।

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কী কী মামলা রয়েছে—

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা: 

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র নিয়ে ২০১৩ সালে, মনমোহন সিংয়ের সময় দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। যার মূল হোতা ছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী। তাঁর অভিযোগ, ‘অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড’ নামে যে সংস্থার হাতে সংবাদপত্রটির মালিকানা ছিল, বাজারে ৯০ কোটি টাকা দেনা ছিল তাদের। যার বেশিরভাগটাই কংগ্রেসের কাছ থেকে নেওয়া।

    ২০০৮ সালে সংবাদপত্রটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। সেই অবস্থাতেই সংস্থাটি অধিগ্রহণ করে সোনিয়া, রাহুল এবং শীর্ষস্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের ‘ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড’ সংস্থা। যার পর ন্যাশনাল হেরাল্ডের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি ইয়ং ইন্ডিয়ানের দখলে চলে আসে। ৯০ কোটি টাকা দেনার বোঝাও চাপে তাদের ঘাড়ে। এর কিছু দিন পর ‘দেনার টাকা উদ্ধার করা সম্ভব নয়’ বলে কারণ দেখিয়ে কংগ্রেসের তরফে ঋণের টাকা মকুব করে দেওয়া হয়। এখানেই আপত্তি তোলে বিজেপি।

    তাঁর যুক্তি, কংগ্রেস রাজনৈতিক দল। তাদের কোনও কর দিতে হয় না। কোনও বাণিজ্যক সংস্থাকে ঋণ দেওয়াও তাদের এক্তিয়ারের বাইরে। ২০১৫-র গোড়ায় মামলার তদন্তের ভার যায় ইডি-র হাতে। যদিও কংগ্রেস নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, ইয়ং ইন্ডিয়া অলাভজনক সংস্থা। এই সংস্থা কোনও মালিককে ডিভিডেন্ট (মুনাফার ভাগ) দিতে পারে না। কোনও সম্পত্তির হাতবদল বা আর্থিক লেনদেনও হয়নি। বস্তুত, প্রথম দফার তদন্তের পর ইডি কংগ্রেসের দাবিকেই মান্যতা দিয়ে মামলাটি বন্ধ করার সুপারিশ করেছিল। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত খারিজ করে তড়িঘড়ি ইডি-র তৎকালীন অধিকর্তা রাজন কাটোচকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আবার তদন্ত শুরি করে ইডি।

    আরও পড়ুন: ৩২ বছর ধরে দেশসেবা, ‘অবসর’ অক্ষয়, নিশাঙ্কের

    ভিওয়ান্ডির আদালতে মামলা:

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা ছাড়াও বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে রাহুল গান্ধীর নামে। মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর জন্য দায়ী রাষ্ট্রীয় সমাজসেবক সঙ্ঘ (RSS)! ২০১৪ সালে এক বক্তৃতায় এমনই অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। যার জেরে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মানহানি মামলা দায়ের করেন আরএসএস কর্মী রাজেশ কুন্তে। ভিওয়ান্ডি আদালতে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। যদিও সেই মামলাতে মামলাকারীকেই ১ হাজার টাকা জরিমানার নির্দেশ দেয় প্রথম শ্রেণির বিচার বিভাগীয় আদালত।

    সুরাট আদালতে মামলা:

    ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের আগে এপ্রিল মাসে কর্নাটকের একটি নির্বাচনী জনসভায় রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন যে, “সব চোরেদেরই পদবি মোদি”। তাঁর (Rahul Gandhi) মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সুরাট আদালতে কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে একটি মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতে (Modi surname) আদালতে হাজিরা দিয়ে নিজের পক্ষে যুক্তি দেন রাহুল গান্ধী। ২০১৯ সালের ভোটের প্রচার চলাকালীন তৎকালীন কংগ্রেস (Congress) সভাপতি কর্নাটকের কোলারের এক সভায় ছড়া কেটে বলেছিলেন, “নীরব মোদি, ললিত মোদি, নরেন্দ্র মোদি। এদের প্রত্যেকের নামেই মোদি আছে কেন? সব চোরেদের নামেই মোদি কেন থাকে?” কংগ্রেস নেতার সেই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেন একাধিক বিজেপি নেতা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, এই মন্তব্য করে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি গোটা মোদি (Modi) সম্প্রদায়কেই অপমান করেছেন। পাটনায় বিহারের তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী সুশীল মোদি (Sushil Modi) এবং সুরাটে বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেশ মোদি রাহুলের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন।  কয়েক বছর ধরে সেই মামলা চলছে সুরাটের আদালতে।

    রাফাল (Rafale) চুক্তি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করে রাহুল গত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ স্লোগান তুলেছিলেন । রাহুলের এই স্লোগানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মানহানির মামলা করেছিলেন BJP সাংসদ মীনাক্ষী লেখি । রাহুলকে এই ধরনের মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দেয় দেশের শীর্ষ আদালত।

    আসানসোল আদালতে মামলা:

    ‘হিন্দু বনাম হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যের জন্য সম্প্রতি বিপাকে পড়েছেন রাহুল গান্ধী। পীযূষকান্তি গোস্বামী নামক আসানসোলের এক আইনজীবী রাহুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।  পীযূষকান্তির অভিযোগ, গত ১২ এবং ১৯ ডিসেম্বর রাজস্থান ও উত্তর প্রদেশের দুটি সভায় হিন্দুত্ববাদীদের প্রসঙ্গ টেনে রাহুল বলেছিলেন, ক্ষমতার লোভে হিন্দুত্ববাদীরা সত্যকেও ভুলে যায়। দেশের দুর্দশার জন্য এরা দায়ী। ওয়েনাড়ের সাংসদের এই মন্তব্য ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করছে বলে অভিমত পীযূষের। আসানসোল আদালতে এই মামলাটি চলছে।

  • BJP to Rahul Gandhi: কংগ্রেসে কি গণতন্ত্র রয়েছে? পরিবারতন্ত্রই সম্বল, রাহুলকে তোপ বিজেপির

    BJP to Rahul Gandhi: কংগ্রেসে কি গণতন্ত্র রয়েছে? পরিবারতন্ত্রই সম্বল, রাহুলকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সংস্থা-প্রতিষ্ঠানগুলিকে অপমান করা বন্ধ করুন, রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে কড়া বার্তা বিজেপির। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী শুক্রবার বিজেপির আমলে দেশে গণতন্ত্র নষ্ট হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তারই প্রেক্ষিতে বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবি শঙ্কর প্রসাদ বলেন, রাহুল গান্ধী গণতন্ত্রের কথা বলছেন কিন্তু দেশে পরিবারতন্ত্র চালায় কংগ্রেস। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী একদা দেশে ‘ইমার্জেন্সি’ ঘোষণা করে গণতন্ত্রের পরিবেশ নষ্ট করেছিলেন বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

    শুক্রবার সংসদ ভবনের বাইরে রাহুল গান্ধী-সহ একাধিক কংগ্রেস সাংসদকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। মূল্যবৃদ্ধি, বেকারত্ব এবং খাদ্যপণ্যের উপর জিএসটি বসানোর প্রতিবাদে রাজধানীতে তুমুল বিক্ষোভ আন্দোলনের  ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। সাংসদদের একটি মিছিল নিয়ে সংসদ থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন রাহুল। বিজয় চক পৌঁছনোর আগেই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। এ দিন সংসদ ভবন চত্বরে সনিয়া গান্ধীকেও বিক্ষোভ দেখাতে দেখা যায়। শুক্রবার পার্লামেন্টের ভেতরে ও বাইরে কংগ্রেস সংসদ সদস্যরা বিক্ষোভ করতে থাকে। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিক্ষোভের কারণে দিল্লির কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বাধা পায়। তাই রাজপথে শান্তি বজায় রাখতে আটক করতে হয় রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, শশী তারুর-সহ কংগ্রেস নেতাদের। 

    আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে উদ্ধার ৭০০ কেজি নিষিদ্ধ মাদক, গ্রেফতার স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ যুবক সহ ৫

    এদিন রাহুল গান্ধী বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, “আমরা গণতন্ত্রের মৃত্যু দেখছি। সাত দশক ধরে আমরা এক একটা ইট জুড়ে গণতন্ত্র তৈরি করেছিলাম, তা পাঁচ বছরেই ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আমাদের চোখের সামনে গণতন্ত্রকে ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যারাই একনায়কতন্ত্রের চিন্তাধারার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে, তাদের উপরই নৃশংসভাবে আক্রমণ করা হচ্ছে, গ্রেফতার করা হচ্ছে, জেলে ভরা হচ্ছে এবং মারধর করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুন: জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় কাশ্মীরে হত পরিযায়ী শ্রমিক, জখম ২

    রাহুল গান্ধীর এই আক্রমণের পাল্টা জবাব দেয় বিজেপিও। বিজেপি নেতা গৌরব ভাটিয়া বলেন, “২০১৫ সালে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা জামিন পেয়েছিলেন সনিয়া ও রাহুল গান্ধী। এই মামলা বহু পুরনো, তখন ওনারা অভিযোগ করেননি যে ইডিকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। নিজেরা ধরা পড়ে গিয়েছেন, এই বিষয় থেকে সাধারণের নজর ঘোরাতেই এইসব প্রচেষ্টা করছে কংগ্রেস।”

  • PM Modi: সোনিয়ার আরোগ্য কামনা মোদির, এবার করোনা আক্রান্ত প্রিয়ঙ্কাও

    PM Modi: সোনিয়ার আরোগ্য কামনা মোদির, এবার করোনা আক্রান্ত প্রিয়ঙ্কাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। এই খবর শোনার পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) ট্যুইট করে তাঁর দ্রুত সুস্থতার জন্য কামনা করেন। সোনিয়া গান্ধী করোনা পজিটিভ হওয়ার পরেই নিজেকে নিভৃতবাস রেখেছেন। বৃহস্পতিবার সোনিয়া (Sonia) গান্ধীর  অসুস্থতার খবর প্রথম জানান কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সুরজেওয়ালা (Randeep Singh Surjewala)। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধীর হালকা জ্বর এসেছিল ও অন্যান্য কোভিডের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ট্যুইট করে লেখেন, “কোভিড-১৯ (Covid-19) থেকে সোনিয়াজির দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।”

    [tw]


    [/tw]

    উল্লেখ্য, ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধীকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। ৮ জুনে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা  সোনিয়ার। আর তার আগেই করোনায় আক্রান্ত হলেন কংগ্রেস নেত্রী। 

    আরও পড়ুন: কোভিড আক্রান্ত সোনিয়া, রয়েছেন নিভৃতবাসে, ইডি তলবের পরদিনই জানাল কংগ্রেস

    সোনিয়ার হাজিরা নিয়ে কংগ্রেস থেকে জানানো হয়েছে, সোনিয়াজি চাইছেন ৮ তারিখই তিনি ইডি-র দফতরে যাবেন। তবে অবশ্যই যদি সেই সময় কোভিড সংক্রান্ত জটিলতা না থাকে। পাশাপাশি, এই মামলায় তাদের যে কিছুই লুকোনোর নেই তাও মনে করিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। দল বলেছে, “আমরা আইনি, রাজনৈতিক, সামাজিক পথেই লড়াই করব।” 

    কংগ্রেস মন্ত্রী ও আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, এই মামলায় অর্থ পাচার বা বিনিময়ের কোনও প্রমাণই নেই। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বিরোধী দলকে নিশানা করতেই এই মামলা দায়ের করেছে এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার অপব্যবহার করছে।

    আরও পড়ুন: সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    এদিকে, সোনিয়া গান্ধীর পর এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন তাঁর মেয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। করোনায় আক্রান্তের খবর শুক্রবার নিজেই ট্যুইট করে জানালেন তিনি। তিনি ট্য়ুইটে লেখেন, “আমার করোনা পজিটিভ এসেছে ও করোনার মৃদু উপসর্গ রয়েছে। বাড়িতেই রয়েছি। গত বেশ কয়েকদিন যাঁরা আমার কাছাকাছি এসেছেন, তাঁদের করোনা পরীক্ষা করার জন্য অনুগ্রহ করছি।”

    [tw]


    [/tw]

  • Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha election) বিজেপির (BJP) বিজয়রথ কীভাবে থামানো যাবে, সেই নিয়ে আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে ১৩ মে থেকে রাজস্থানের উদয়পুরে বসছে কংগ্রেসের (congress) চিন্তন শিবির (chintan shivir)।

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতীতে, পরিবার-তন্ত্রকে ইস্যু করে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিরোধীদের এই অস্ত্রেই বিভিন্ন নির্বাচনে ঘায়েল হয়েছে কংগ্রেস। শুধু বিরোধী নয়, দলের অভ্যন্তরেও এই নিয়ে অনেক অপ্রিয় প্রশ্ন উঠেছে। দলের অন্দরে ও বাইরে উভয়ক্ষেত্রেই একাধিকবার, এই পরিবারতন্ত্রের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে হাত-শিবিরকে। 

    আগামী লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরকে টেক্কা দিতে এবার আগে থেকে কোমর বেঁধে নামতে চলেছে শতাব্দী-প্রাচীন দলটি। এবার তাই পরিবারতন্ত্রে ইতি টানতে চাইছে কংগ্রেস। সূত্রের খবর, বিরোধীদের জবাব দিতে এবার এক পরিবার এক টিকিট নীতি (one family, one ticket) চালু করতে পারেন কংগ্রেস হাইকমান্ড। 

    সম্প্রতি, ভোটকূশলী প্রশান্ত কিশোর কংগ্রেসকে চাঙা করার একগুচ্ছ খসড়া পেশ করেন হাইকমান্ডের কাছে। ওই খসড়ায়ই ছিল এক পরিবার, এক টিকিট নীতি লাগু করার কথা। পিকে কংগ্রেসে যোগ দেননি। তবে তাঁর প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে আলোচনা। 

    সূত্রের খবর, দলের মধ্যেই প্রস্তাব উঠেছে, দলকে জেতাতে অবিলম্বে চালু হোক এক পরিবার এক টিকিট নীতি।  ইতিমধ্যেই দলের শীর্ষস্তরে এই নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনা হয়েছে। আসন্ন চিন্তন শিবিরেই প্রস্তাবে পড়তে পারে হাইকমান্ডের শিলমোহর। 

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    তবে সূত্রের খবর, এই নীতি-রূপায়ণের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে! আর সেই ব্যতিক্রমের নাম গান্ধী পরিবার। অর্থাৎ, এক পরিবার এক টিকিট নীতি বাকি সকলের জন্য কার্যকর হলেও, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে নয়। অর্থাৎ, গান্ধী পরিবারকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলেই খবর।

    সূত্রের খবর, আলোচনার সময়, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে। স্বাস্থ্যের কারণে হয়তো এবার আর রায়বেরিলি থেকে ভোটে লড়বেন না সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। তবে আমেঠি থেকে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)  লড়বেন বলেই খবর। এক পরিবার এক নীতি লাগু হলে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার টিকিট পাওয়ার কথা নয়। যদিও প্রিয়ঙ্কাও লড়বেন বলে এখনও পর্যন্ত খবর।

    পরপর দু’দফায় দিল্লির তখতে বসেছে বিজেপি সরকার। দীর্ঘদিন ক্ষমতা থেকে দূরে শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষয় শুরু হয়েছে দলে। যার ফলশ্রুতিতে একের পর এক রাজ্যে ধরাশায়ী হচ্ছে দল। এমতাবস্থায় দলকে চাঙা করার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে ওই চিন্তন শিবিরে। তার মধ্যেই একটি হতে চলেছে, এক পরিবার এক টিকিট নীতি।

    কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, বিজেপি যাতে ফের পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ করতে না পারে, সেই জন্যই এই নীতি চালু করার ভাবনা। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি গান্ধী পরিবারকে এই নীতি থেকে “ফ্রি পাস” দেওয়া হয়, তাহলে কংগ্রেসের দ্বিচারিতা আরও প্রকট হবে। সেক্ষেত্রে, নির্বাচনের আগে, বিজেপির হাতে নতুন অস্ত্র উঠে আসবে। 

    শুধু তাই নয়। দলের কংগ্রেসেরই অন্দরে এই নিয়ে আরও অসন্তোষ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, ইতিমধ্য়েই, দলের একাংশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে খুশি নয়। অনেকেই মনে করেন, পুনরুজ্জীবনের জন্য গান্ধী পরিবারের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, তা আখেরে কতটা হয়, তা আসন্ন চিন্তন শিবিরেই বোঝা যাবে। 

  • Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চর্চায় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল রাহুল গান্ধীর প্রতিবেশী দেশের নাইট ক্লাবে (Night Club) পার্টি করার ভিডিও। ভিডিওয় ক্লাবের আলো আধারিতে হঠাৎই মুখ ভেসে ওঠে কংগ্রেস সাংসদের। নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমান্ডুর (Kathmandu) একটি নাইট ক্লাবে বন্ধুর সঙ্গে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতিকে। মঙ্গলবার ভিডিওটি নেটমাধ্যমে ভাইরাল (viral video) হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।     

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya) প্রথম টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করেন। টুইটে তিনি লেখেন, “গোটা মুম্বই যখন অবরুদ্ধ তখন  রাহুল গান্ধী ছিলেন নাইট ক্লাবে। তাঁর দলে যখন একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে, তখন তাঁকে উল্লাসে মাততে দেখা গেল।” 

    [tw]


    [/tw]

    যদিও এখনও পর্যন্ত ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা যায় নি। তবে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ভিডিওটি কাঠমান্ডুর একটি নাইট ক্লাবের। সোমবার এক সাংবাদিক বন্ধু সুমনিমা দাসের বিয়েতে গিয়েছিলেন গান্ধী পরিবারের এই সদস্য। বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল ম্যারিয়ট (Mariott) হোটেলে।  

    এদিন রাহুল (Rahul) গান্ধীর ভিডিও সামনে আসতেই আক্রমণ শানায় ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) জার্মানি, ডেনমার্ক, ফ্রান্স সফরকেও রেয়াত করেনি হাত শিবির। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, “দেশে যখন একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি চলছে, তখন সাহেব বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত।” এরপরই রাহুল গান্ধীর নাইট ক্লাবের ভিডিও প্রকাশ্যে এলে কংগ্রেসকে (Congress) খোঁচা মারতে এক মূহূর্তও দেরি করেনি বিজেপি।

     

     

  • Congress Chintan Shivir: লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    Congress Chintan Shivir: লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha Election) বিজেপির (BJP) মোকাবিলা করার আগে হারানো জমি কীভাবে ফিরে পাওয়া সম্ভব, সেই রোডম্যাপ তৈরি করতে উদয়পুরে চিন্তন শিবিরের (Chintan Shivir) আয়োজন করেছিল কংগ্রেস (Congress)। লক্ষ্য, আগামী নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে দলীয় সংগঠনকে মজবুত করে তোলা। এই মর্মে, তিনদিনের সম্মেলন শেষে একাধিক বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা করল শতাব্দী-প্রাচীন দলটি।

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কংগ্রেস থেকে বেশ কয়েকজন তরুণ নেতা বেরিয়ে গিয়েছেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল পার্টির পুরনো ও নব্য নেতাদের মধ্যে মত-পার্থক্য প্রকট হয়ে পড়া। ফলে তরুণ নেতাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে দল৷ সেই কথা মাথায় রেখে কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তরুণ প্রজন্মকে তুলে আনতে সংগঠনের সব স্তরে ৫০ শতাংশ পদে ৫০ বছরের কমবয়সিদের প্রার্থী করা হবে। পাশাপাশি ২০২৪-এর নির্বাচন থেকে শুরু করে তার পরে লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনেও ৫০ শতাংশ আসনে ৫০ বছরের কম বয়সীদের প্রার্থী করা হবে। সংগঠন ও প্রার্থী তালিকায় দলিত, সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং মহিলাদের যুক্তিসঙ্গত প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

    চিন্তন শিবির, যাকে কংগ্রেস উল্লেখ করেছে ‘নব সংকল্প শিবির’ (Nav Sankalp Shivir) হিসেবে, তার শেষ দিন দলীয় সংগঠনে একাধিক সংস্কার আনতে তিনদিনের সম্মেলন শেষে “উদয়পুর নব-সংকল্প ঘোষণাপত্র” (Udaipur Nav Sankalp Declaration) গৃহীত হল কংগ্রেসে। সেখানে দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) স্বীকার করে নেন, কংগ্রেস এখন খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবে তাঁর দাবি,  এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসবে দল। তিনি জানান, জনজাগরণ অভিযানের মাধ্যমে মানুষকে যুক্ত করা হবে। তারপর দেশজুড়ো অভিযান চালানো হবে। রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi) একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করে নিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস নেতাদের। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের বিষয়টি পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং এর কোন সহজ রাস্তা নেই।

    বস্তুত, চিন্তন শিবিরে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ জুন থেকে দ্বিতীয় পর্বের ‘জনজাগরণ অভিযান’ (Janajagaran Abhiyan) চালাবে কংগ্রেস। এরপর আগামী ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে কংগ্রেস শুরু করতে চলেছে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ (Bharat Jodo Yatra)।  কংগ্রেস বলেছে, ঠিক ৮০ বছর আগে,  সালে, মহাত্মা গান্ধী “ভারত ছাড়ো” স্লোগান দিয়েছিলেন এবং ২০২২ সালে, “জোড়ো ভারত” (এক ভারত) স্লোগানটি গ্রহণ করা উচিত।

    বেশ কিছুদিন ধরেই কংগ্রেসে “এক পরিবার এক টিকিট” চালু করার দাবি উঠেছে। সেই কারণে দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে ‘এক ব্যক্তি এক পদ ও এক পরিবার ও একটি টিকিট’ এই নীতি চালু করতে চলেছে। উদয়পুরের সাংবাদিক সম্মেলনে তা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ ও ‘এক পরিবার এক টিকিট’ তখনই বাদ দেওয়া হবে যখন কোনও একটি পরিবারের একাধিক সদস্য টানা পাঁচ বছরেও বেশি সময় কংগ্রেসের জন্য কাজ করেছেন। সেই অর্থে এক পরিবার একাধিক টিকিট পেতে পারে। যার অর্থ গান্ধী পরিবারের তিন জনই কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই করতে পারবেন। 

    চিন্তন শিবিরে কংগ্রেসের নেওয়া অন্য বড় সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে জনমত গ্রহণের জন্য পৃথক বিভাগ গঠন। কর্পোরেট ধাঁচে জনতার মন বুঝতে জনসমীক্ষার জন্য ‘পাবলিক ইনসাইট’ শাখা, পদাধিকারীদের কাজের মূল্যায়নে ‘অ্যাসেসমেন্ট’ বিভাগ তৈরি হবে। তার ভিত্তিতেই নেতাদের পদোন্নতি, পদচ্যুত করা হবে। এআইসিসি ও প্রদেশ স্তরে রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটি গঠন হবে।

    এছাড়া, কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ব্লক কংগ্রেস কমিটির নীচে মণ্ডল কমিটি গঠন করা হবে। দলের কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি হবে। কেরালার ‘রাজীব গান্ধী ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ থেকে তার সূত্রপাত হবে। আরেকটি গৃহীত সিদ্ধান্ত হল, কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির (Congress Working Committee) বাছাই করা সদস্যদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা গোষ্ঠী তৈরি হবে। কংগ্রেস সভানেত্রীর নেতৃত্বে সেই কমিটি নিয়মিত রাজনৈতিক বিষয় ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনায় বসবে।

     

     

  • Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের কোনও আদর্শ নেই। উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে(chintan shivir) এহেন মন্তব্য করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের(Opposition parties) বিরাগভাজন হলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী(Rahul gandhi)। কংগ্রেসকে তাঁদের নয়, বরং আঞ্চলিক দলগুলিকে(regional parties) প্রয়োজন কংগ্রেসেরই, সাফ জানিয়ে দিলেন আঞ্চলিক দলগুলির নেতারা। রাহুলকে চালকের আসনে বসিয়ে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা হচ্ছিল। রাহুলের মন্তব্যে তা ধাক্কা খেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। এদিকে, আঞ্চলিক দলগুলির ‘ক্ষোভ’ সামাল দিতে তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল কংগ্রেস।

    রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিন ব্যাপী চিন্তন শিবির হয়ে গেল কংগ্রেসের। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরি করতেই বসেছিল শিবির। এই শিবিরে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাহুল বলেন, বিজেপি শুরু কংগ্রেসকে নিয়েই কথা বলবে, কোনও আঞ্চলিক দল নয়, কংগ্রেস নেতা, কংগ্রেস কর্মীদের কথাই ঘুরেফিরে উঠে আসবে তাদের মুখে। কারণ স্ব স্ব ক্ষেত্রে শক্তিশালী হলেও, আদর্শ না থাকায় আঞ্চলিক দলগুলির যে তাদের হারানোর ক্ষমতা নেই, সে কথা জানে বিজেপি। যদিও এই শিবিরেই সমমনস্ক আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন খোদ সোনিয়া গান্ধি। 

    রাহুলের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতৃত্বের কাছ থেকে। ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোট রয়েছে কংগ্রেসে। যৌথভাবে চলছে সরকারও। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা সুপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ঝাড়খণ্ড ও বিহারে যথাক্রমে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাত ধরে টিকে রয়েছে কংগ্রেস। আমাদের নীতি না থাকলে বিজেপির মতো পার্টির বিরুদ্ধে মানুষ আঞ্চলিক দলকে বেছে নিচ্ছে কেন?

    বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে কংগ্রেসের। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই করেছিল রাহুল গান্ধির দল। বিহারের ওই দলের তরফে রাহুলকে সেকথা স্মরণও করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১৯৯৯ সালে নেতৃত্বের প্রশ্নে নিজের দলের নেতাদের পাশে না পেলেও, লালুপ্রসাদ যাদবকে পাশে পেয়েছিলেন সোনিয়া। রাহুলের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে আম-আদমি পার্টি, টিআরএস এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন : “আপনি কি ‘ভোট সময়ের হিন্দু’?” রাহুলকে প্রশ্ন বিজেপির

    বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের কড়া প্রতিক্রিয়া দৃশ্যতই জেরবার কংগ্রেস নেতৃত্ব। তড়িঘড়ি  ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামানো হয় শশী তারুরকে(Shashi Tharoor)। তারুর বলেন, রাহুল বলতে চেয়েছেন যে, জাতীয় রাজনীতিতে আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। আমাদের ভাবনা গোটা দেশকে নিয়ে। আঞ্চলিক দলগুলিকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিজেদের স্বার্থ বুঝে চলতে হয়। তিনি বলেন, আমার তো মনে হয়, তৃণমূল, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, সমাজবাদী পার্টি এমনকি ডিএমকের সঙ্গেও কংগ্রেসের আদর্শের মিল রয়েছে।

    তারুরের কথায় রাজনীতির চিঁড়ে ভেজে কিনা, তাই দেখার!

     

     

     

     

     

  • Rahul Gandhi: “আপনার নীতি ভুলে ভরা, ধ্বংসাত্মক…”, কেমব্রিজে রাহুলকে তোপ ভারতীয় অফিসারের

    Rahul Gandhi: “আপনার নীতি ভুলে ভরা, ধ্বংসাত্মক…”, কেমব্রিজে রাহুলকে তোপ ভারতীয় অফিসারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর ‘ইউনিয়ন অফ স্টেট’ তত্ত্বকে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশ্নের সামনে দাঁড় করালেন ভারতের এক সিভিল সার্ভিস আধিকারিক। সর্বভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতাকে দেশাত্মবোধের পাঠ পড়ালেন তিনি। ওই ভারতীয় সিভিল সার্ভেন্ট আধিকারিকের নাম সিদ্ধার্থ বর্মা।  তিনি IRTS অ্যাসোসিয়েশনের একজন সিভিল সার্ভেন্ট এবং কেমব্রিজে পাবলিক পলিসির একজন স্কলার।

    সাম্প্রতিককালে নানা অনুষ্ঠানে ‘ইউনিয়ন অফ স্টেট’ তত্ত্ব খাড়া করছেন রাহুল। যা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক অব্যাহত। রাহুলের বক্তব্য, ভারত কোনও দেশ নয়, বরং এটি রাজ্যের সমষ্টি। সংসদে দাঁড়িয়েও এই কথা বলেছিলেন তিনি। সম্প্রতি লন্ডনে একটি কনক্লেভে একই মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা। এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতেই এক কেমব্রিজ স্কলার পালটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন রাহুলের দিকে। সেই প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হয়ে চাণক্যের উদাহরণ তুলে ধরেন রাহুল। 

    রাহুলকে সিদ্ধার্থের প্রশ্ন ছিল, ‘আপনার মনে হয় না, ভারত সম্পর্কে আপনি যে ধারণা পোষণ করেন তা ভুল?’ রাহুলকে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘আপনি সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদ উদ্ধৃত করেছেন যে ভারত রাজ্যগুলির একটি ইউনিয়ন। আপনি যদি পৃষ্ঠাটি উলটে নিয়ে প্রস্তাবনাটি পড়েন তবে তাতে দেখবেন ভারতকে একটি জাতি হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভারত নিজেই বিশ্বের প্রাচীনতম টিকে থাকা সভ্যতাগুলির মধ্যে একটি। এবং এই শব্দটি বেদেও রয়েছে… এমনকি চাণক্য তক্ষশিলায় শিক্ষাদানের সময় তাঁর ছাত্রদের কাছে ভারতকে একটি জাতি হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন।’

    [tw]


    [/tw]

    এই যুক্তির জবাবে রাহুল বলেন, ‘চাণক্য ভারতকে জাতি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন, তবে দেশ হিসেবে কি উল্লেখ করেছিলেন?’ এর জবাবে সিদ্ধার্থ বলেন, ‘চাণক্য রাষ্ট্র শব্দটির প্রয়োগ করেছিলেন। যার অর্থ দেশ।’ যদিও রাহুল নিজের বক্তব্যকে সঠিক প্রমাণ করার মরিয়া প্রচেষ্টায় দাবি করেন, ‘রাষ্ট্র মানে রাজ্য (kingdom), দেশ নয়।’ 

    এর উত্তরে সিদ্ধার্থ রাহুলকে বলেন, ‘আপনার কাছে আমার প্রশ্ন হল, একজন রাজনৈতিক নেতা হিসাবে, আপনি কি মনে করেন না যে ভারত সম্পর্কে আপনার ধারণাটি কেবল ত্রুটিপূর্ণ এবং ভুলই নয় বরং ধ্বংসাত্মকও বটে। কারণ এটি হাজার বছরের ইতিহাসকে মুছে দেওয়ার করার চেষ্টা করছে?’এ বিষয়ে আর কোনও উত্তর দেননি রাহুল।

  • KK Demise: “সব বয়সের মানুষের মন ছুঁয়েছে তাঁর গান”, কেকে-র মৃত্যুতে শোকবার্তা মোদির

    KK Demise: “সব বয়সের মানুষের মন ছুঁয়েছে তাঁর গান”, কেকে-র মৃত্যুতে শোকবার্তা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে (singer K K)। মঙ্গলবার নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন অস্বস্তি বোধ করেন। এর পরই আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় তাঁর। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের গানের অনুষ্ঠান ছিল গতকাল। সন্ধ্যের দিকে অসুস্থ বোধ করেন। বয়স হয়েছিল ৫৪ বছর। বাংলা, হিন্দি ছাড়াও একাধিক ভাষায় গান গেয়েছেন তিনি। কৃষ্ণকুমার কুন্নাথের (Krishnakumar Kunnath) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ।    

    জানা গিয়েছে, গতকাল সন্ধ্যে ৬টা ৪৫ এ মঞ্চে ওঠেন তিনি। যখন থেকে তিনি গান গাইতে উঠেছিলেন তখন থেকে অন্য রকম লাগছিল গায়ককে। শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে বার বার ঘাম হচ্ছিল তাঁর। গানের ফাঁকে স্টেজের পিছনে গিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে যারা উপস্থিত ছিলেন তাঁরা জানিয়েছেন, তাঁর গানের মাঝেও তাঁর যে অস্বস্তি হচ্ছে, তা বোঝা যাচ্ছিল।  প্রথম  থেকেই তাঁকে অন্যরকম লাগছিল। গানের মাঝে অনেকটা সময় নিচ্ছিলেন।   

    সোমবার ও মঙ্গলবার দুদিনই কেকে-র কলকাতায় লাইভ কনসার্ট ছিল। প্রথম দিন বিবেকানন্দ কলেজের অনুষ্ঠানে নজরুল মঞ্চেই অনুষ্ঠান করেন তিনি। গতকালও সেখানেই তাঁর অনুষ্ঠান ছিল। গুরুদাস মহাবিদ্যালয়ের জন্য গতকাল তিনি মঞ্চে ওঠেন। কিন্তু খানিক পরে আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় আলিপুরের বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় লাইভ শো চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু শিল্পী কে কে-র

    গায়কের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ গোটা দেশ। শিল্পীর প্রয়াণে শোকবার্তা রাজনৈতিক মহলের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) লিখেছেন, “গায়ক কেকে-র অকাল প্রয়াণে শোকাহত। সব বয়সের মানুষের মন ছুঁয়েছে তাঁর গান। তাঁর গানের মধ্যে দিয়ে তাঁকে আমরা মনে রাখব। তাঁর পরিবার এবং ভক্তদের প্রতি সমবেদনা।” 

    [tw]


    [/tw]

    দেশের উপরাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডু (M Venkaiah Naidu), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), তথ্য এবং সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur), অরুনাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা কুন্ডু (Prema Kundu), রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে (Vasundhara Raje Scindia), কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রয়াত গায়কের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করেছেন।  

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

     

LinkedIn
Share