Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • Congress: সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    Congress: সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কংগ্রেসের অন্তর্বতীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) এবং রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নোটিস পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। বেআইনিভাবে অর্থ লেনদেনে (money laundering case) জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের নোটিস পাঠানো হয়েছে। বুধবার কেন্দ্রীয় তদন্তাকারী সংস্থার তরফেই এ খবর জানানো হয়েছে।

    ইডি-র (ED) তরফে জানানো হয়েছে, ন্যাশনাল হেরাল্ড (National Herald) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাহুলকে ২ জুন আর সোনিয়াকে ৮ জুন ইডি-র দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের দুই হেভিওয়েট নেতাকে যে ডেকে পাঠানো হয়েছে, তা স্বীকারও করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি বলেন, সোনিয়া গান্ধীকে ৮ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছে ইডি। তবে তাঁরা যে এতে ভয় পাচ্ছেন না, তা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন হাত শিবিরের নেতা রণদীপ সুরজেওয়ালা। তিনি বলেন, আমরা এই নোটিসে ভয় পাই না। মাথা নতও করব না।

    আরও পড়ুন : রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    আইনজীবী তথা কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি বলেন, এটি বেআইনি অর্থ লেনদেন মামলার এক অদ্ভুত নোটিস, যার সঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন জড়িত নেই। এটি পুরোপুরি প্রতিহিংসার রাজনীতি। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এর মোকাবিলা করব। সিংভি বলেন, সোনিয়া, রাহুল তদন্তে সহযোগিতা করবেন। রাহুল আপাতত বিদেশে রয়েছেন। ফিরে এলে তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হবেন। অন্যথায় ইডির কাছে আরও সময় চাওয়া হবে।

    তদন্তে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি এদিন প্রধানমন্ত্রীকে একহাত নেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। রণদীপ বলেন, পুরো ষড়যন্ত্রের পিছনে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পোষা সংস্থা ইডি। মোদি (Modi) সরকার প্রতিশোধের জন্য অন্ধ হয়ে গিয়েছে। ইডির নোটিসকে নয়া কাপুরুষোচিত কাজ বলে তোপ দাগেন তিনি। রণদীপ জানান, ন্যাশনাল হেরাল্ড ১৯৪২ সালের একটি সংবাদপত্র। তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার তা দমনের কাজ করেছিল। এখন মোদি সরকার ইডিকে হাতিয়ার করে এসব করছে।

    আরও পড়ুন : “আলবিদা কংগ্রেস”, ফেসবুক লাইভ করে সোনিয়া-সঙ্গ ছাড়লেন সুনীল জাখর

    জওহরলাল নেহরু প্রতিষ্ঠিত ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বিজেপি (BJP) তুলেছিল মনমোহন সিং (Manmohan Singh)-এর জমানায়ই। ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়। যার মূল হোতা ছিলেন বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামী।

    তাঁর অভিযোগ, অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেড নামে যে সংস্থার হাতে সংবাদপত্রটির মালিকানা ছিল, বাজারে ৯০ কোটি টাকা দেনা ছিল তাদের। সংবাদপত্রটির সম্পত্তি বিক্রি করে কেন কংগ্রেস নেতৃত্ব ঋণের টাকা মেটালেন না, সেই প্রশ্ন তুলে আদালতে অভিযোগ করেন ঘুরপথে আয়কর মুক্ত পুরো টাকা নিজেদের পকেটে ভরেছেন সোনিয়া, রাহুল সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব।

     

  • Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ম্যারাথন জেরা রাহুলকে, আজ ফের তলব

    Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ম্যারাথন জেরা রাহুলকে, আজ ফের তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা ১০ ঘণ্টার বেশি জেরা করা হল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। সোমবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ছেড়ে দেওয়া হয় তাঁকে। মঙ্গলবার ফের ইডি (Ed) দফতরে তলব করা হয়েছে রাহুলকে।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) সোমবার রাহুলকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। প্রথম দফায় জেরা করা হয় টানা তিন ঘণ্টা।দ্বিতীয় দফায় সাত ঘণ্টারও বেশি। রাহুলের ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে এদিন পথে নেমে পড়ে কংগ্রেস। বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে অবস্থান-বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন কংগ্রেস কর্মীরা। কংগ্রেস কর্মীদের আটকাতে ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। ঘটনার জেরে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তা কার্যত হয়ে ওঠে রণক্ষেত্র। যদিও পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন সকাল থেকেই রাহুল গান্ধীর বাসভবন, কংগ্রেস সদর দফতর এবং ইডি দফতরের বাইরে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

    আরও পড়ুন : রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    সূত্রের খবর, এদিন সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার বাড়িতে পৌঁছান রাহুল। সেখান থেকে দুজনে এসে পৌঁছান কংগ্রেসের সদর দফতরে। পরে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মিছিল করে, পায়ে হেঁটে ইডি দফতরের দিকে রওনা দেন রাহুল। কিছুটা দূরেই মিছিল আটকে দেয় দিল্লি পুলিশ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের বুকের হাড়ে চিড় ধরেছে বলে দাবি কংগ্রেসের। কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, চিদম্বরমের হাড় ভেঙেছে। ২০১৫ সালে এই মামলা বন্ধ করেছিল ইডি। এখন বিজেপির কাছে কিছু না থাকায় ভিতু মোদি সরকার এই ধরনের অঘোষিত জরুরি অবস্থা জারি করছে।

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    এদিন প্রথম দফার জেরা শেষে ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে রাহুল হাসপাতালে যান করোনা সংক্রমিত সোনিয়া গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে। ফের যান ইডি দফতরে। শুরু হয় দ্বিতীয় দফার জিজ্ঞাসাবাদ। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি বলেন, কংগ্রেসের তরফে যে প্রতিরোধ করা হচ্ছে, এটা দেশের গণতন্ত্র নয়। কংগ্রেসের গান্ধী পরিবারের দু হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি বাঁচানোর প্রয়াস।

     

  • Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে জেরা করা হল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। ইডি সূত্রে খবর, ডেটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, তাঁকে ফের তলব করা হতে পারে। সোমবার রাহুল গান্ধীর ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লি। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সত্যাগ্রহ মিছিলের আয়োজন করেছিল কংগ্রেস (Congress)। পুলিশ তাদের পথ আগলায় বলে অভিযোগ। কংগ্রেস ও পুলিশ কর্মীদের বচসার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি রাজধানীতে। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) এদিন ইডি (ED) দফতরে হাজির হন রাহুল। পায়ে হেঁটেই তিনি পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে। 

    রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ইডি দফতরে হাজির হন রাহুল। ডটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সেল কোম্পানির বিষয়ে রাহুল কিছু জানেন কিনা, তা জানতে চান তদন্তকারীরা। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া উত্তরের প্রেক্ষিতেই পরে জেরা করা হবে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। এদিন সকাল থেকেই দিল্লির রাজপথে রাহুলের সমর্থনে স্লোগান দিতে শুরু করেন কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনার জেরে কংগ্রেস সদর দফতরের সামনে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ কর্মী। অশান্তির আঁচ যাতে না লাগে, তাই জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ইডি দফতরেও। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল ইডি অফিস। 

    কংগ্রেসের এই সত্যাগ্রহ মিছিলের অনুমতি না থাকায় পুলিশ একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে থেকেই প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবেই আন্দোলন করছিলেন। তাঁরা রাহুল গান্ধীর সমর্থনে জড়ো হয়েছিলেন। অধীরের প্রশ্ন, আমরা কী কোনও বেআইনি কাজ করেছি? এদিকে, রাহুলের ইডি দফতরে হাজিরাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের প্রতিবাদ প্রদর্শনকে কংগ্রেসের ‘ভুয়ো সত্যাগ্রহ’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    এদিন সকাল থেকেই কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে গোলমিঠি জংশন, তুঘলক রোড জংশন, মৌলানা আজাদ রোড জংশন, ক্ল্যারিজেস জংশন, কিউ পয়েন্ট জংশন, সুনহেরি মসজিদ জংশন, মান সিং রোড জংশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি বেলা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। গোল ডাকখানা জংশন, প্যাটেল চক, উইন্ডসর প্লেস, তিন মূর্তি চক, পৃথ্বীরাজ রোড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস চলাচল।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও দলের হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধীকে নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। ২ জুন রাহুলকে এবং ৮ জুন সোনিয়াকে ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিদেশে থাকায় ওই দিন হাজিরা দিতে পারেননি রাহুল। সেই কারণেই ১৩ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় রাহুলকে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অভিষেক মনু সিংভি লেন, এজেন্সি লাগিয়ে কেন্দ্রের প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস।  

     

  • Rahul Gandhi: রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    Rahul Gandhi: রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিটেনে গিয়েছিলেন। অথচ সফরের আগে কেন্দ্রীয় বিদেশমন্ত্রক থেকে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক ছাড়পত্র (political clearance) নেননি কংগ্রেস (congress) সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকারের একটি সূত্রেই এই দাবি করা হয়েছে। ওই সূত্র জানাচ্ছে, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের বিদেশের কোনও কর্মসূচি বা অনুষ্ঠানে যোগদানের আগে বিদেশ মন্ত্রক থেকে রাজনৈতিক ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু রাহুল সেই নিয়ম না মেনেই চলতি সপ্তাহে লন্ডনে সফরে (London trip) গিয়েছিলেন।

    আইডিয়াস ফর ইন্ডিয়া (Ideas for India) সম্মেলনে যোগ দিতে লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল। সেখানে তিনি তীব্র ভাষায় বিজেপিকে (BJP) আক্রমণ শানান। পরে বিতর্কিত ব্রিটিশ লেবার পার্টির এক নেতার সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। সরকারের একটি সূত্র জানাচ্ছে, রাহুল রাজনৈতিক ছাড়পত্র না নিলেও, জাতীয় জনতা দলের আর এক সাংসদ অধ্যাপক মনোজ ঝা, যিনি লন্ডনের ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন, তাঁর কাছে রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছিল। রাহুলের একদিন আগেই কেমব্রিজের ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন ওই অধ্যাপক।

    অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পর ব্রিটেনের লেবার পার্টির প্রাক্তন নেতা জেরেমি করবিনের (Jeremy Corbyn) সঙ্গেও দেখা করেন কংগ্রেস সাংসদ। এই জেরেমি করবিন তাঁর ভারত-বিরোধী (Anti-India), হিন্দুত্ব-বিরোধী (Anti-Hindu) অবস্থানের জন্য পরিচিত। ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেস (আইওসি) দ্বারা শেয়ার করা একটি ছবিতে জেরেমি করবিনকে আইওসির চেয়ারম্যান স্যাম পিত্রোদা (Sam Pitroda) ও রাহুল গান্ধীর সঙ্গে পোজ দিতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, জেরেমি করবিনকে তাঁর ‘অর্থবিরোধী’ দৃষ্টিভঙ্গির জন্য লেবার পার্টির নেতৃত্ব দল থেকে বহিষ্কার করেছিল। জেরেমি করবিন জম্মু-কাশ্মীরে পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ সমর্থকও।  

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের প্রশ্ন, কংগ্রেস নেতা ব্রিটিশ রাজনীতিকের সঙ্গে কী করছেন, যে ব্রিটিশ নেতা প্রকাশ্যে ভারত থেকে কাশ্মীরকে আলাদা করার পক্ষে সওয়াল করেন? বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালার প্রশ্ন, জেরেমি করবিনের মতো ভারত-বিরোধী মানুষের সঙ্গে দেখা করা হোক কিংবা ডোকলামের (Doklam) সময় চিনাদের সঙ্গে দেখা করা কেন রাহুল গান্ধীর হাত সবসময় তাঁদের সঙ্গে থাকে, যাঁদের হাত ভারতের বিরুদ্ধে? যদিও কংগ্রেসের বক্তব্য, রাহুলের বিদেশ সফরের জন্য সরকারি অনুমতির কোনও প্রয়োজনই নেই।

     

  • Rahul Gandhi: উদয়পুরে আজ শুরু চিন্তন শিবির, ‘রাহুল ফেরাও’ ডাক দিতে চলেছে কংগ্রেস?

    Rahul Gandhi: উদয়পুরে আজ শুরু চিন্তন শিবির, ‘রাহুল ফেরাও’ ডাক দিতে চলেছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘রাহুল ফেরাও’ স্লোগান উঠল কংগ্রেসে (Congress)! আজ থেকে রাজস্থানের উদয়পুরে (Udaipur) শুরু হচ্ছে কংগ্রেসের তিনদিন ব্যাপী চিন্তন শিবির (chintan shivir)। ওই শিবিরেরই সোনিয়ার (Sonia Gandhi) বদলে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) ফেরানোর তোড়জোড় করছেন কংগ্রেস নেতারা।

    কংগ্রেস সূত্রে খবর, উদয়পুরে চিন্তন শিবির শুরু হবে দলের হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধীর ভাষণ দিয়ে। তার পরেই আলোচনা হবে দলীয় সংগঠন নিয়ে। ২০২৪ দেশে সাধারণ নির্বাচন (2024 Loksabha Elections)। ওই নির্বাচনে বিজেপিকে (BJP) পরাস্ত করতে চিন্তন শিবির থেকেই কোমর কষে নামতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর দল।

    এর আগে সোনিয়ার নেতৃত্বে তিনবার চিন্তন শিবির হয়েছে কংগ্রেসে। ১৯৯৮, ২০০৩ এবং ২০১৩ সালে। এর মধ্যে ২০০৩ সালের চিন্তন শিবিরের পর লাভের কড়ি ঘরে তোলে কংগ্রেস। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রের কুর্সিতে ফেরে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকার ক্ষমতায় ছিল টানা ১০ বছর।

    ২০১৪ সালের পর থেকে প্রায় প্রতিটি নির্বাচনে হেরে চলেছে কংগ্রেস। বেহাল দলের হাল ফেরাতে দলের সর্বাধিনায়ক করা হয় রাহুল গান্ধীকে। ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে তাঁর নেতৃত্বেই ভোটে যায় কংগ্রেস। ওই ভোটে গোহারা হয় রাহুলের দল। এরপরেই দলের শীর্ষ পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল। দলের ভাঙা হাল ধরার দায়িত্ব ফের এসে পড়ে সোনিয়ার (Sonia Gandhi) ঘাড়ে। অন্তবর্তীকালীন প্রসিডেন্ট পদে বসানো হয় তাঁকে।

    আরও পড়ুন : “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    তবে এবারের চিন্তন শিবিরে ফের রাহুল ফের দাবি উঠতে চলেছে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর। এই সূত্রেই এও জানা গিয়েছে, রাহুল স্বয়ং ওই পদে যোগ দিতে রাজি হয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও (Adhir Ranjan Chowdhury) বলেন, লোকসভা ভোট বৈতরণী পার হতে দলের হাল ধরা উচিত রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)। অগাস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন (Congress President election) হওয়ার কথা। ওই নির্বাচনেই কংগ্রেস রাহুলকেই ফেরাতে চান স্বপদে। তবে বিষয়টিকে কংগ্রেসের জি-২৩ এর নেতা কীভাবে নেন, সেটাই দেখার। কারণ গান্ধী-মুক্ত কংগ্রেসের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই দলের অন্দরে লড়াই করছেন ওই গোষ্ঠীর নেতারা।

     

  • Rahul Gandhi: ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    Rahul Gandhi: ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) টানা তৃতীয় দিন ইডির (ED) জিজ্ঞাসাবাদের মুখে কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সোম, মঙ্গলের পর বুধবারও ফের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। বুধবার যে তাঁকে ইডি দফতরে ফের হাজিরা দিতে হবে, মঙ্গলবারই জেরা শেষে তা জানিয়ে দিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকরা। এদিকে, সোমের পর মঙ্গলবারও ওই ঘটনার জেরে কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান কংগ্রেস কর্মীরা।পুলিশ গিয়ে কয়েকজনকে আটকও করে।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় রাহুলকে প্রথম তলব করা হয় সোমবার। সেদিন কংগ্রেস সাংসদকে দু দফায় প্রায় ১০ ঘণ্টা জেরা করা হয়। ইডি আধিকারিকরা তার জবাবে সন্তুষ্ট হতে না পেরে মঙ্গলবার ফের তলব করেন তাঁকে। এদিনও গভীর রাত পর্যন্ত জেরা করা হয় কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে। ইডি দফতর থেকে বেরিয়ে রাহুল সটান চলে যান স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে। সেখানেই ভর্তি রয়েছেন করোনা সংক্রমিত সোনিয়া। বুধবার সকালে ফের বোন তথা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে সঙ্গে নিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে যান রাহুল।

    আরও পড়ুন : ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    এদিকে, গত তিনদিন ধরে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে লাগাতার বিক্ষোভ প্রদর্শন করে চলেছেন কংগ্রেস কর্মীরা। গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অভিযোগ, প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির কারণেই হেনস্থা করা হচ্ছে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতিকে। বিপ্রতীপ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য আপাতত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের সদর দফতরের সিংহদ্বার। দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট ও ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেশ বাঘেল ছাড়া আর কাউকেই বুধবার ঢুকতে দেওয়া হবে না সদর দফতরে।

    আরও পড়ুন : সোনিয়া, রাহুলকে সমন ইডি-র! ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বিপাকে কংগ্রেস

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় গত ৮ জুন ইডি দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও। বছর পঁচাত্তরের সোনিয়া করোনা সংক্রমিত হয়ে ভর্তি হাসপাতালে। তাই হাজিরার নয়া দিন চাওয়া হয়েছিল সোনিয়ার তরফে। তার পরেই ইডি তাঁকে জানিয়ে দেয় ২৩ জুন কংগ্রেস সভানেত্রীকে উপস্থিত হতে হবে ইডি দফতরে।

     

  • Sonia Gandhi: কোভিড পরবর্তী জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ সোনিয়া, মাকে দেখতে হাসপাতালে রাহুল

    Sonia Gandhi: কোভিড পরবর্তী জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ সোনিয়া, মাকে দেখতে হাসপাতালে রাহুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোভিড-পরবর্তী  (Post Covid) শারীরিক অসুস্থতা বেড়েছে কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi)। করোনায় (Corona) সংক্রমিত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।  তাঁর নাক দিয়ে রক্তপাত হচ্ছে। পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রে ছত্রাক সংক্রমণও (Fungal infection) রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    এক বিবৃতিতে এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ জানিয়েছেন, ‘গত ১২ জুন কংগ্রেস সভাপতিকে গঙ্গারাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কোভিড সংক্রমণের জেরে তাঁর নাক দিয়ে প্রচুর রক্তপাত হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তাঁর শ্বাসযন্ত্রের নিম্নাংশে ছত্রাক সংক্রমণ ঘটেছে। কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে’।

    আরও পড়ুন: ইডি-র ম্যারাথন জেরার মুখে ফের রাহুল, হাজিরা বুধেও

    বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দিল্লির স্যার গঙ্গারাম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মা সোনিয়াকে দেখতে যান রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সূত্রের খবর, রাহুল প্রায় সারা রাত হাসপাতালে ছিলেন। সেখানে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। গত ১ জুন সনিয়ার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। শ্বাসকষ্টের সমস্যা ও অন্য কিছু উপসর্গ দেখা দেওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। দলনেত্রীর গুরুতর অসুস্থতার খবরে কংগ্রেস কর্মী ও নেতারা উদগ্রীব হয়ে পড়েন৷ তাঁরা সোনিয়ার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন৷ 

    আরও পড়ুন: পুলিশের উর্দি ধরে টান রেণুকার! রাহুল ইস্যুতে বিক্ষোভ কংগ্রেসের

    চলতি মাসের আট তারিখ কংগ্রেস সভানেত্রীকে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে ইডি। কোভিড সংক্রমণের জেরে ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারেননি ৭৫ বছর বয়সী সোনিয়া। নতুন করে আগামী ২৩ জুন তাঁকে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন রাজীব-পত্নী। অন্য দিকে, ইতিমধ্যেই টানা তিন দিন ইডি দফতরে এই মামলায় হাজিরা দিয়েছেন রাহুল। চতুর্থ দফার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শুক্রবার ফের প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে তলব করা হয়েছিল। কিন্তু মায়ের অসুস্থতার কারণে সময় চেয়েছিলেন রাহুল। সেই আবেদন মেনে সোমবার ফের ডাকা হয়েছে তাঁকে।

  • Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    Rahul Gandhi: মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে প্রোফাইল পিকচার বদলালেন রাহুল গান্ধীও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) করেছিলেন একদিন আগেই। আর কেন্দ্রের বিরোধী দল কংগ্রেসের (Congress) নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) তাঁর ট্যুইটারের প্রোফাইল পিকচার বদলালেন একদিন পরে। স্বাধীনতার পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে হর ঘর তিরঙ্গা (Har Ghar Tiranga) কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ডাকে সাড়া দিয়েই রাহুলও বদলালেন প্রোফাইল পিকচার।

    রবিবার মন কি বাত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেদিনই তিনি দেশবাসীকে অনুরোধ করেন, হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজাদির অমৃত মহোৎসবের অধীনে আগামী ১৩ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত আমরা হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচি পালন করব। আপনারাও সকলে এই কর্মসূচির অংশীদার হোন এবং নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করুন। ২ থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল পিকচারে তিরঙ্গা (Tricolor) ব্যবহারের অনুরোধও জানান তিনি।

    আরও পড়ুন : হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    প্রধানমন্ত্রীর সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই নিজের ডিসপ্লে পিকচার বদলান রাহুল। তাঁর পোস্ট করা ছবিটি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর সাদা কালো ছবি। তবে তাঁর হাতে ধরা জাতীয় পতাকাটি রঙিন। সঙ্গে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতির ট্যুইট, দেশের গর্ব, আমাদের তেরঙ্গা / প্রতিটি হিন্দুস্তানির হৃদয়ে, আমাদের তেরঙ্গা।

    রাহুলের এহেন পোস্টে অন্য ইঙ্গিত দেখছেন রাজনৈতিক মহল। একদিকে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে রাহুল বদলেছেন ডিপির ছবি। আবার নেহরুর ছবি দিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির অবদানের কথাও দেশবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাইলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ২ অগাস্ট পিঙ্গালি বেঙ্কাইয়ার জন্মবার্ষিকী। তিনি জাতীয় পতাকার নকশা এঁকেছিলেন। তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই এদিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলের ডিপি হিসেবে ব্যবহার করুন তেরঙ্গার ছবি।

    আরও পড়ুন : ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

     

  • Himanta on Congress: কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই, ভবিষ্যদ্বাণী অসমের মুখ্যমন্ত্রীর  

    Himanta on Congress: কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই, ভবিষ্যদ্বাণী অসমের মুখ্যমন্ত্রীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেবলমাত্র গান্ধীরাই (Gandhis) কংগ্রেসে (Congress) থাকবেন। শুক্রবার এমনই মন্তব্য করলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির (BJP) হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। হিমন্ত এই মন্তব্য করার আগে আগেই কংগ্রেস ছেড়েছেন প্রবীণ নেতা গুলাম নবি আজাদ (Gulam Nabi Azad)।

    দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে মত বিরোধের জেরে দল ছাড়েন গুলাম নবি আজাদ। তার আগে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন দলের দেওয়া পদও। কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ অংশ জি-২৩ নামে পরিচিত। গুলাম নবি আজাদ ছিলেন এই শিবিরেই। তাঁর দল ছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে হিমন্ত বলেন, কংগ্রেসে প্রত্যেকেই জানেন রাহুল গান্ধী অপরিপক্ক। সোনিয়া গান্ধী দল সম্পর্কে উদাসীন। তিনি শুধু চেষ্টা করছেন তাঁর ছেলেকে নেতা হিসেবে তুলে ধরতে। এটা একটা ব্যর্থ চেষ্টা।

    সোনিয়ার এই ব্যর্থ চেষ্টার কারণেই যে কংগ্রেসে ভাঙন ধরছে, এদিন তাও জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। এক সময় হিমন্তও ছিলেন কংগ্রেসে। পরে কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দেন বিজেপিতে। হন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সোনিয়ার এই চেষ্টার জন্যই লোকজন কংগ্রেস ছাড়ছেন। তিনি বলেন, আমি ভবিষ্যৎবাণী করেছিলাম যে একটা সময় এমন আসবে যখন কংগ্রেসে থাকবেন কেবল গান্ধীরাই। এবং সেটাই ঘটছে। তাঁর সংযোজন, প্রকৃতপক্ষে রাহুল গান্ধী ক্রমেই বিজেপির পক্ষে আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন।

    আরও পড়ুন : রাহুল গান্ধী রাজি না হলে কংগ্রেস সভাপতি পদে কে জানেন?

    দল ছাড়ার কারণ দর্শিয়ে সোনিয়া গান্ধীকে একটি চিঠি লিখেছিলেন গুলাম নবি আজাদ। তিনি লিখেছিলেন, দলে প্রবীণ নেতাদের কোণঠাসা করে দেওয়া হচ্ছে। অনভিজ্ঞ নেতাদের অযথা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেই কারণেই দল ছাড়ছেন তিনি। কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছিলেন গুলাম নবি আজাদ। মেয়াদ শেষের পরে আর দাঁড়াননি জম্মু-কাশ্মীরের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন দল ছাড়ার আগে রাহুল গান্ধীকেও নিশানা করেন জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, তাঁর অপরিপক্কতার কারণেই কংগ্রেসে এই হাল। বিভিন্ন নির্বাচনে দল হারছে তাঁর দুর্বল পারফরমেন্সের জন্য। প্রসঙ্গত, দল ছাড়ার আগে ১৬ অগাস্ট আজাদ ছাড়েন জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেস প্রচার কমিটির শীর্ষপদ। এদিন সম্পর্ক চুকোলেন কংগ্রেসের সঙ্গেও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    India Covid-19 deaths: করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর(Rahul Gandhi) দাবি খারিজ করে দিলেন দলেরই এক নেতা! সম্প্রতি করোনা নিয়ে একটি তথ্য প্রকাশ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। তাতে দাবি করা হয়, করোনায় (coronavirous) ভারতে (India) মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লক্ষ মানুষের। যদিও কেন্দ্রের দাবি, ৪৭ লক্ষ নয়, দেশে কোভিডে মৃত্যু (India Covid-19 deaths) হয়েছে ৪.৮ লক্ষ মানুষের।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট যে ঠিক নয়, তেমন দাবি করেছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী টিএস সিং দেও। কেবল তিনিই নন, এই একই দাবি করেছেন সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স (central council of health and family welfare conference)। এই কনফারেন্সে রয়েছেন ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা, যার মধ্যে কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন।

    করোনায় বিশ্বজুড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে কোভিডে ভারতে মোট ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। যদিও সরকারি হিসেবে মৃত্যু হয়েছে মাত্র ৪.৮ লক্ষ মানুষের। এর পরেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) রিপোর্টকে হাতিয়ার করে কেন্দ্রকে তোপ দাগেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এক ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি অনুযায়ী, ৪.৮ লক্ষ নয়, বরং কোভিড অতিমারীতে ৪৭ লক্ষ ভারতীয় মারা গিয়েছেন। বিজ্ঞান মিথ্যা বলে না। মোদি বলেন। প্রিয়জন হারিয়েছে এমন পরিবারকে সম্মান করুন। বাধ্যতামূলক ৪ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে তাঁদের সাহায্য করুন। এর আগেও নানা সময় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে ভারতে করোনা নিয়ে নানা রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেগুলিতে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে করোনার বলি হয়েছে সরকারি হিসেবের কয়েকগুন বেশি মানুষ। যদিও প্রতিবারই সেই দাবি খণ্ডন করা হয়েছে ভারতের তরফে।

    এবার রাহুলের দাবিও খারিজ করে দিল বিভিন্ন রাজ্যের ২০ জন স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে নিয়ে গঠিত সেন্ট্রাল কাউন্সিল অফ হেল্থ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার কনফারেন্স। এই কনফারেন্সে যে ২০টি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরা রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেস শাসিত ছত্তিশগড়ের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কংগ্রেসের টিএস সিং দেও। কনফারেন্সে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অতিরঞ্জিত। তারা এটাকে সিরিয়াসলি নিচ্ছে না। 

LinkedIn
Share