Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • Rahul Gandhi Citizenship Row: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    Rahul Gandhi Citizenship Row: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক (Rahul Gandhi Citizenship Row)! আজ্ঞে হ্যাঁ। এমনই দাবি করেছেন কর্নাটকের বাসিন্দা এস ভিগনেশ শিশির। তাঁর দাবি, রাহুলের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। এলাহাবাদ হাইকোর্টে তিনি রাহুলের নাগরিকত্ব বাতিলের দাবিতে পিটিশনও দাখিল করেছেন। এই পিটিশনের ভিত্তিতেই আদালতের (Delhi HC) তরফে সরকারের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সিবিআই তদন্ত শুরু (Rahul Gandhi Citizenship Row)

    এদিকে, রাহুলের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে দিল্লি হাইকোর্টকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। মামলাটি এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন একটি জনস্বার্থ মামলা (PIL) থেকে উদ্ভূত। প্রধান বিচারপতি মনমোহন ও বিচারপতি তুষার রাও গেদেলার সমন্বয়ে গঠিত একটি বেঞ্চ জানিয়েছে, তারা পরস্পরবিরোধী নির্দেশ দেওয়া এড়াতে চান। একই বিষয়ে দুটি সমান্তরাল আবেদন থাকা উচিত নয় বলেও মনে করেন তাঁরা। বেঞ্চ শিশিরকে এলাহাবাদ হাইকোর্টে তাঁর জনস্বার্থ মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে একটি হলফনামা দাখিল করার অনুমতি দিয়েছে।

    ভারতীয় নাগরিকত্ব বাতিলের দাবি

    দিল্লি হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাটি বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর একটি আবেদন সংক্রান্ত। এই আবেদনে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে তাঁর প্রতিনিধিত্বের জবাব দিতে অনুরোধ করেছেন। রাহুল গান্ধীর ভারতীয় নাগরিকত্ব (Rahul Gandhi Citizenship Row) বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে। স্বামী তাঁর অভিযোগের বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে একটি স্ট্যাটাস রিপোর্টও চেয়েছেন। প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী লোকসভায় বিরোধী দলের নেতা।

    আরও পড়ুন: হিন্দুদের প্রতিবাদ সভায় হামলা পুলিশের, রণক্ষেত্র বাংলাদেশ

    সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দাবি, এলাহাবাদ হাইকোর্টে বিচারাধীন মামলাটি তাঁর আবেদনের থেকে আলাদা। কারণ বিষয়বস্তু ভিন্ন। যদিও শিশির এই দাবি অস্বীকার করে বলেন, “স্বামীর আবেদনটি ডুপ্লিকেটিভ এবং প্যারালাল প্রোসিডিংস।” শিশির বলেন, “আমি এলাহাবাদ হাইকোর্ট মামলার আবেদনকারী। মামলার শুনানি হয়েছে ২৪ অক্টোবর। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আমার রিপ্রেজেন্টেশনের বিষয়ে নির্দেশ পেয়েছে। আমি সিবিআইয়ের সামনে হাজির হয়ে গোপনীয় প্রমাণ জমা দিয়েছি। আমি দিল্লি হাইকোর্টেও আমার আপত্তিগুলি জানিয়েছি।”

    আবেদনকারীর দাবি, একই সঙ্গে দুই দেশের নাগরিকত্ব রাখতে পারেন না রাহুল। তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে (Delhi HC), ব্রিটেনের নাগরিকত্বের রেকর্ডে রাহুলের নাম রয়েছে। ব্রিটিশ সরকারও তা নিশ্চিত করেছে। যাবতীয় তথ্য এলাহাবাদ হাইকোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে (Rahul Gandhi Citizenship Row)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    Cash For Vote: রাহুল, খাড়্গে-সহ কংগ্রেসের তিন নেতাকে মানহানির নোটিশ পাঠাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের তিন নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা ঠুকে দেওয়ার (Cash For Vote) হুমকি দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনেটকে মানহানির নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা তাওড়ের বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা বিলি করার অভিযোগ তুলেছেন।

    ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি (Cash For Vote)

    আইনি নোটিশে তাঁদের নিঃশর্তে তাওড়ের কাছে ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে দেওয়ানি মানহানির মামলা এবং ফৌজদারি মানহানির মামলা করবেন। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাওড়ে বলেন, “কংগ্রেস নেতারা আমাকে ও আমার দলের মানহানির জন্য নির্বাচনের আগে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।”

    কী বলেছিলেন খাড়্গেরা?

    তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে, ১৯ নভেম্বর, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী এবং দলের মুখপাত্র সুপ্রিয়া বলেছিলেন যে বিনোদ তাওড়েকে ভোটারদের মধ্যে ৫ কোটি টাকা বিলি করার সময় হাতে-নাতে ধরা হয়েছে। তাঁরা কেবল (Cash For Vote) আমাকে ও আমার দলের মানহানি করতে চেয়েছিল।”

    বিজেপির এই নেতা বলেন, “আমি অত্যন্ত আঘাত পেয়েছি। আমি একটি সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। গত ৪০ বছর ধরে রাজনীতিতে আছি। আমি কখনওই এমন কিছু করিনি। কংগ্রেস নেতারা আমাকে, আমার দল ও আমার নেতাদের মানহানি করতে চেয়েছিলেন। তাই তাঁরা ইচ্ছাকৃতভাবে সংবাদমাধ্যম ও জনগণের কাছে এই মিথ্যা কথা বলেছিলেন। তাই আমি তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিশ পাঠিয়েছি যে তারা যেন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান, অন্যথায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: নিজ্জর খুনের ঘটনা জানতেন না মোদি-জয়শঙ্কর-ডোভাল, দিল্লির চাপে ‘ঢোঁক গিলল’ ট্রুডো সরকার

    তাওড়ের বিরুদ্ধে টাকা বিলির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পদ্ম-সাংসদ সম্বিত পাত্র বলেন, “এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। আমাদের সাধারণ সম্পাদক বিনোদ তাওড়ে স্পষ্টভাবে রাহুলকে চ্যালেঞ্জ করেছেন যে তিনি এসে (BJP) সিসিটিভির ফুটেজ দেখুন, নিজেই দেখুন এবং বলুন কোথায় অর্থ রয়েছে (Cash For Vote), কে বিতরণ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মুখে বাজার-বিরোধী বক্তব্য, রাহুল নিজে ৬.৭ কোটি টাকার শেয়ারের মালিক! ফাঁস করল বিজেপি

    Rahul Gandhi: মুখে বাজার-বিরোধী বক্তব্য, রাহুল নিজে ৬.৭ কোটি টাকার শেয়ারের মালিক! ফাঁস করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শেয়ার বাজার সম্পর্কে ভিত্তিহীন ভয় ছড়াচ্ছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এমনই অভিযোগ বিজেপির তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের প্রধান অমিত মালব্যের।  মালব্যর দাবি দেশের শেয়ার মার্কেট নিয়ে রাহুলের বক্তব্যগুলি রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য তৈরি করা হয়েছে। যাতে সাধারণ ভারতীয়রা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আর্থিক সমৃদ্ধি অর্জন করতে না পারে।

    অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির প্রয়াস

    সম্প্রতি, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) ভারতীয় শেয়ার বাজারের সততা এবং স্থিতিশীলতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। মালব্য জানান, রাহুলের মন্তব্যগুলিকে অসত্য এবং অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী শেয়ার বাজার নিয়ে ভয় ছড়াচ্ছেন কারণ তিনি এবং তাঁর দলের সদস্যরা ভয় পেয়ে গিয়েছেন যে ভারতীয়রা বৈধভাবে অর্থ উপার্জন করছে এবং দারিদ্র্য থেকে উত্তরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।”

    মধ্যবিত্ত ভারতীয়কে প্রভাবিত করার চেষ্টা

    মালব্যের অভিযোগ, গান্ধীর (Rahul Gandhi) এমন বক্তব্য ভারতের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে প্রাভাবিত করার জন্য। সাধারণ মানুষের বাজারে বিনিয়োগের প্রতি যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ভেঙে দেওয়ার জন্য। ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ধাক্কা দেওয়ার চেষ্টা করছেন রাহুল। তিনি ভারতের শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রতি সমর্থন জানিয়ে, সিএলএসএ এবং মোতিলাল ওসওয়ালের মতো স্বীকৃত ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক ভবিষ্যদ্বাণীর উল্লেখ করেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলি দীর্ঘমেয়াদি ভারতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী, যা মোদি সরকারের সংস্কারের ফলে অর্জিত হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘‘সন্ত্রাসবাদের কারণে বিশ্বাসের সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে’’, পাকিস্তানকে নিশানা ভারতের

    রাহুল গান্ধীর নিজের পোর্টফোলিও

    মালব্য এক্ষেত্রে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ব্যক্তিগত আর্থিক বিনিয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, রাহুল গান্ধীর শেয়ার পোর্টফোলিও ২০১৪ সালে সামান্য ছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের মধ্যে তাঁর শেয়ার পোর্টফোলিও প্রায় ৬.৭ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। কংগ্রেস দলের ঐতিহ্যগত পরস্পরবিরোধিতার কথাও তুলে ধরেন মালব্য। তিনি বলেন, “এটা ক্লাসিক কংগ্রেসের দুইমুখী নীতির উদাহরণ। তাঁরা ‘গরিবী হটাও’ স্লোগান দিয়েছিল, কিন্তু বাস্তবে ভারতকে দরিদ্র এবং সরকারি ভাতা-নির্ভর রেখে দিয়েছিল। আর গান্ধী পরিবার গোপনে বাজার থেকে বিপুল সম্পদ সঞ্চয় করে গিয়েছে, যা এখন মানুষ বুঝতে পারছে।” মালব্য মন্তব্য করেন, “রাহুল গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনের প্রতি বাড়তি আত্মবিশ্বাস তাঁর খালি কথাবার্তার চেয়ে অনেক বেশি জোরালো। তিনি শেয়ার বাজারের বিরুদ্ধে নন—তিনি সাধারণ ভারতীয়দের অর্থ উপার্জন এবং ধনী হওয়া দেখতে চাইছেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধী নেতা কীভাবে হয়, রাহুলকে তা স্মরণ করালেন অমিত শাহ

    Amit Shah: প্রধানমন্ত্রী আর বিরোধী নেতা কীভাবে হয়, রাহুলকে তা স্মরণ করালেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘নির্বাচনে যিনি জয়ী হন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। আর যিনি পরাজিত হন, তিনি বিরোধী আসনে বসেন। এই সাধারণ বোধ রাহুল ‘বাবা’র (রাহুল গান্ধী) নেই।‘‘ রবিবার পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রাহুলকে শাহি-তোপ (Amit Shah)

    তিনি (Amit Shah) বলেন, ‘‘রাহুল ‘বাবা’ এবং তাঁর কোম্পানি (ইন্ডি জোট) যার মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রয়েছেন। দেশের একাধিক নির্বাচনে বিজেপি ধরাশায়ী হবে বলে তাঁরা দিবাস্বপ্ন দেখছিলেন। কিন্তু, বাস্তবে দেখা গেল, ছত্তিশগড় এবং ওড়িশায় বিজেপি জিতেছে। শুধু তাই নয়, টানা তৃতীয়বারের জন্য হরিয়ানাতে বিজেপি সরকার গঠন করেছে। ঝাড়খণ্ড এবং মহারাষ্ট্রতেও বিজেপি সরকার গঠন করবে। লোকসভা নির্বাচনের পর রাহুল বাবা সংসদে জানিয়েছিলেন, বিজেপিকে তাঁরা পরাজিত করেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই, যিনি নির্বাচনে জয়ী হন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হন। আর যিনি হেরে যান, তিনি বিরোধী আসনে বসেন। ২৪০ আসনে গত লোকসভায় আমরা জয়ী হয়েছি। তারপরও উপহাস করেছিল। আমি তাঁদের বলতে চাই, আমরা ২৪০ আসন পেয়েছি, এই আসন একত্রিত করলেও ২০১৪, ২০১৯ এবং ২০২৪ সালে ওরা যে আসন পেয়েছে, তা ২৪০ এর থেকে কম।’’

    আরও পড়ুন: “এক কোটি সদস্য হলেই আমরা জিতব”, শাহি সভায় বললেন মিঠুন

    আয়ুষ্মান ভারত যোজনা প্রতিটি গরিব ঘরে

    ২০২৬ সাল থেকে বাংলার প্রতিটি গরিব পরিবার আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাবে বলে শাহ দাবি করেন। তিনি (Amit Shah) বলেন, ‘‘এদিন আমি সীমান্তে গিয়েছিলাম এবং সেখানে কিছু লোক আমাকে বলেছিল যে তারা আয়ুষ্মান ভারত যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না। আমি তাদের বলেছি চিন্তা করবেন না। ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ২০২৬ সাল থেকে বাংলার প্রতিটি দরিদ্র এর সুবিধা পাবে। আয়ুষ্মান ভারত যোজনায় যুবকদের চাকরি ও শিক্ষার জন্য কোনও ঘুষ দিতে হবে না।’’

    মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন শাহ। সন্দেশখালি এবং আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির কথা তিনি উল্লেখ করেছেন, জোর দিয়ে বলেছেন এই সব ঘটনা প্রমাণ করে পশ্চিমবঙ্গে মহিলাদের নিরাপত্তার অভাব। তিনি বলেন, ‘‘বাংলায় মা-বোনদের মর্যাদা লঙ্ঘন করা হচ্ছে। ২০২৬ সালে রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে সন্দেশখালি এবং আরজি করের মতো ঘটনা অবশ্যই বন্ধ হয়ে যাবে।  ২০২৬ সালে আমরা পশ্চিমবঙ্গে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করব।’’ কর্মীদের সেই লক্ষ্যমাত্রা বেধে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত লোকসভায় বিজেপি এককভাবে ২৪০টি আসন পেয়েছিল। এনডিএ পেয়েছিল ২৯৩টি আসন। আর কংগ্রেস এককভাবে পেয়েছিল ৯৯টি আসন। আর ইন্ডি জোট পেয়েছিল ২৩০টি আসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: হরিয়ানার হার হজম করাতে রাহুলকে জিলিপি পাঠাল বিজেপি, কেন জানেন?

    Rahul Gandhi: হরিয়ানার হার হজম করাতে রাহুলকে জিলিপি পাঠাল বিজেপি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিয়ানায় এবার হ্যাটট্রিক করল গেরুয়া শিবির। তৃতীয়বার সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। হরিয়ানাতে (Haryana) প্রথম কোনও রাজনৈতিক দল হিসেবে টানা তিনবার জিতল বিজেপি। গেরুয়া ঝড়ে ধুলিসাৎ হল কংগ্রেস-আপ। সোমবার ফল প্রকাশের পরই আনন্দ-উচ্ছ্বাসে ভাসছেন বিজেপি কর্মীরা। এক্সিট পোলের হিসেবে এই রাজ্যে কংগ্রেসের বাজিমাত করার কথা। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন, তার স্বপ্ন দেখা শুরু করেছিলেন রাজ্যের নেতারা। আশাবাদী ছিলেন রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi)। সব স্বপ্নের ফানুস ফুটো করে দিয়েছে ভোটের ফল। কংগ্রেসকে ধরাশায়ী করে বাজিমাত করে বিজেপি।

    বিজেপির কাছে হেরে নির্বাচন কমিশনে কংগ্রেস! (Rahul Gandhi)

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ৯০ আসন বিশিষ্ট হরিয়ানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৪৬ আসন। বিজেপি একাই সেখানে পৌঁছে গিয়েছে ৪৯-এ। গতবারের তুলনায় ভোটের শতাংশ বেড়েছে। আর বাকি ৯০ আসনের মধ্যে হরিয়ানাতে কংগ্রেস পেয়েছে ৩৭টি আসন, আইএনএলডি পেয়েছে ২টি আসন এবং নির্দলীয় ভাবে মোট ৩টি আসন পেয়েছে। অথচ, সোমবার সকালে যখন গণনা শুরু হয়, তখন থেকেই খুশির হাওয়া বইছিল কংগ্রেস অফিসে। প্রথম দুই রাউন্ডের গণনার পরই মিষ্টিমুখ শুরু হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বেলা গড়াতেই ফলও গেল বদলে। পাশা উলটে সেই বিজেপির ঝুলিতেই গেল হরিয়ানা। ভোটের এই ফলাফল হজম করতে পারছে না কংগ্রেস। কারণ, প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে থাকার পরও কীভাবে শেষ মুহূর্তে খেলা বদলে গেল, তা নিয়ে সন্দিহান কংগ্রেস নেতৃত্ব। জাতীয় নির্বাচন কমিশনে এই নিয়ে চিঠিও দিয়েছে। এদিকে, হরিয়ানার জয় নিশ্চিত হতেই বিজেপির তরফে রাহুল গান্ধির (Rahul Gandhi) জন্য কংগ্রেসের সদর দফতরে জিলিপি পাঠানো হয় অনলাইনে। এক্স হ্যান্ডেলে সেই অর্ডারের ছবিও পোস্ট করা হয়। যদিও এই জিলিপি পাঠিয়ে রাহুলকে খোঁচাই দিয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: “বাংলায় আমরা সরকার গঠন করব”, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ শুভেন্দু বলে দিলেন কৌশলও

    কেন জিলিপি পাঠাল বিজেপি?

    হরিয়ানায় নির্বাচনী প্রচারের সময় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) বলেছিলেন যে কেন্দ্রের জিএসটি-র কোপে জিলিপি ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। সেই সময়ই বিজেপি কটাক্ষ করে বলেছিল যে রাহুল গান্ধী জানেনই না কীভাবে জিলিপি তৈরি হয়। এবার ভোটের ফল প্রকাশ হতেই রাহুলকে জিলিপি পাঠাল বিজেপি। অন্যদিকে, ভোটের ফল নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি বুথ লেভেল ম্যানেজমেন্ট দুর্দান্ত করতে পেরেছে। হরিয়ানাতে জাঠ ভোট রয়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। তপশিলি জাতির ভোট ২১ শতাংশ, ওবিসি সম্প্রদায়ের ভোট রয়েছে ৩৩ শতাংশ। এদের মধ্যে উচ্চবর্ণ ও ওবিসি ভোটের বেশিরভাগটাই গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। প্রসঙ্গত, হরিয়ানা বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী নয়াব সিং সাইনি ওবিসি জনগোষ্ঠীর। এক্ষেত্রে বিজেপি অনেকটাই সুবিধা পেয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • JP Nadda: ‘‘মওত কা সওদাগর কে বলেছিলেন?’’ রাহুল ইস্যুতে খাড়্গেকে চিঠি দিয়ে তোপ নাড্ডার

    JP Nadda: ‘‘মওত কা সওদাগর কে বলেছিলেন?’’ রাহুল ইস্যুতে খাড়্গেকে চিঠি দিয়ে তোপ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে, এই মর্মে অভিযোগ তুলে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখেছিল কংগ্রেস। এমনকী দিল্লি পুলিশের কাছেও অভিযোগ জানানো হয়েছিল। এবার কংগ্রেসের সর্ব ভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে পাল্টা চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি কংগ্রেসকে স্মরণ করিয়ে দিলেন তাঁদের করুচিপূর্ণ মন্তব্যের কথা। মনে করানো হল, কীভাবে রাহুল ও কংগ্রেস নেতারা একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন। ঘটনায় ব্যাপক ভাবে রাজনৈতিক শোরগোল পড়েছে। 

    কী বলেলেন নাড্ডা (JP Nadda)?

    প্রবীণ বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা (JP Nadda) কংগ্রেসকে দেওয়া চিঠিতে লিখেছেন, শতাব্দীপ্রাচীন দলের মনে রাখা উচিত কীভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কংগ্রেস নেতারা কখনও সাপ, কখনও কাঁকড়াবিছে, রাক্ষস, আবার পকেটমারের মতো ভাষায় আক্রমণ করেছেন। প্রবীণ বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা (JP Nadda) কংগ্রেসকে দেওয়া চিঠিতে লিখেছেন, “আমি চিঠি পড়েছি। বাস্তবের সঙ্গে কোনও মিল নেই। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মা সোনিয়া গান্ধী মোদিজিকে উদ্দেশ করে ‘মওত কা সওদাগর’ বলেছিলেন না? আপনি এবং আপনার দলই এই ধরনের লজ্জাজনক মন্তব্যকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। তখন কি কংগ্রেস রাজনৈতিক সৌজন্য-ভদ্রতা ভুলে গিয়েছিল?” নাড্ডা (JP Nadda) আরও বলেন, ‘‘কেন রাহুল গান্ধীর মতো ব্যর্থ প্রজেক্টরকে বার বার পণ্য হিসাবে ব্যবহার করতে চাইছে কংগ্রেস? অলচপণ্য বাজারে বার বার চালাতে চাইছে। দেশের সবচেয়ে পুরনো দল এখন ‘কপি পেস্টে’ পরিণত হয়েছে। দেশের মধ্যে সংরক্ষণ এবং জাতপাত নিয়ে যেমন রাজনীতি করেন, ঠিক তেমন আবার বিদেশে গিয়ে সংরক্ষণ শেষ করার কথাও বলেন।”

    আরও পড়ুনঃ ২৭ সেপ্টেম্বর আরজি কর মামলার সুপ্রিম-শুনানি, কোন কোন বিষয় উঠতে পারে

    আমেরিকা সফরে গিয়ে দেশে গণতন্ত্র নেই বলেছেন রাহুল

    ইতিমধ্যে জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভার ভোট শুরু হয়েছে। অক্টোবরের প্রথমেই হরিয়ানায় ভোট গ্রহণ। অপরদিকে সামনেই মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খণ্ডেও নির্বাচন আসন্ন। দেশে রাজনীতির হাওয়া এখন ব্যাপক উত্তাল। এরমধ্যে রাহুলের (Rahul Gandhi) প্রাণ রক্ষার বিষয়ে হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও, প্রধানমন্ত্রী তাতে কোনও উত্তর দেননি। উল্লেখ্য সম্প্রতি আমেরিকা সফরে গিয়ে দেশের বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেসের নির্বাচিত সাংসদ বলেছেন, ‘‘ভারতে গণতন্ত্র নেই! দেশের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’’ আর এই কথায় সামজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। তার মধ্যেই পত্র দিয়ে রাহুল এবং কংগ্রেসকে ধুয়ে দিলেন নাড্ডা (JP Nadda)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Press Club: বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন, আমেরিকায় সাংবাদিককে নিগ্রহ কং সমর্থকদের

    US Press Club: বাংলাদেশে হিন্দু-নির্যাতন নিয়ে প্রশ্ন, আমেরিকায় সাংবাদিককে নিগ্রহ কং সমর্থকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন সফরে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। প্রত্যাশিতভাবেই ভিড় করেছিলেন সাংবাদিকরা। সেই অনুষ্ঠানেই এক সাংবাদিককে আক্রমণ করে বসেন কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। আক্রান্ত সাংবাদিকটি হলেন ‘ইন্ডিয়া টুডে’র রোহিত শর্মা। তিনি ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের সদস্য। তাঁর ‘অপরাধ’, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন স্যাম পিত্রোদাকে তিনি বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচার প্রসঙ্গে রাহুল গান্ধীর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। এর পরেই কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা তাঁকে আক্রমণ করেন। এভাবে সাংবাদিককে হেনস্থার তীব্র নিন্দা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    মার্কিন প্রেস ক্লাবের বিবৃতি (US Press Club)

    এই ঘটনার কড়া নিন্দা করে বিবৃতি দিল আমেরিকার প্রেস ক্লাব (US Press Club)। বিবৃতিতে ডালাস এলাকার এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এনপিসি-র প্রেসিডেন্ট এমিলি উইলকিন্স জানান, ঘটনাটি যখন ঘটেছিল, তখন শর্মা ডালাস এয়ারপোর্টের কাছাকাছি একটি হোটেলে পিত্রোদার সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইন্ডিয়া টুডে’র ওই সাংবাদিক কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর আগমনের অপেক্ষায় ছিলেন।

    নিগ্রহের শিকার সাংবাদিক

    সাক্ষাৎকারের সময় আইওসি-র বেশ কয়েকজন সদস্য ও কংগ্রেস কর্মীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। শর্মা যখন তাঁর শেষ প্রশ্ন করেন, তখন উপস্থিত কয়েকজন আপত্তি জানান। তাঁকে বাধা দিয়ে চিৎকার করতে শুরু করেন। ধাক্কাধাক্কিও করা হয় তাঁকে। কেড়ে নেওয়া হয় তাঁর ফোন। অভিযোগ, ওই দলে থাকা রাহুল গান্ধীর কর্মীরা শর্মার ফোন থেকে কিছু ফাইল মুছে দিয়েছিলেন। তার পরেই ফেরত দেওয়া হয়েছিল ফোনটি।’

    আরও পড়ুন: দশ বছর পর বিধানসভা নির্বাচন জম্মু-কাশ্মীরে, ভোটগ্রহণ শুরু ২৪ আসনে

    পরে অবশ্য পিত্রোদাকে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি পরে শর্মার কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন। উইলকিন্স বলেছিলেন, “নিরাপত্তা কর্মীদের অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করা সাংবাদিকরা তিনি যে দেশেরই হোন না কেন, তিনি প্রথম সংশোধনী দ্বারা সুরক্ষিত। শর্মার ফোন বাজেয়াপ্ত করা, বিষয়বস্তু মুছে ফেল ঠিক হয়নি। এটা একটা অননুমোদিত একটি (US Press Club) কাজ।”

    ঘটনায় কংগ্রেসকে একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি বলেন, “তারা (কংগ্রেস) মহব্বত কি দুকান চালাচ্ছে। কিন্তু আমাদের দেশের এক সাংবাদিকক আমেরিকায় কংগ্রেসের নিষ্ঠুরতার শিকার হতে হচ্ছে। ভারতের এক সন্তানকে আমেরিকায় অপমান করা হয়েছে (Rahul Gandhi)। যারা মত প্রকাশের দাবিদার, তারা বর্বরতায় লিপ্ত হয়েছে (US Press Club)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ravneet Singh Bittu: “রাহুল গান্ধী দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী,” তোপ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    Ravneet Singh Bittu: “রাহুল গান্ধী দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী,” তোপ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসবাদী।” এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু (Ravneet Singh Bittu)। এক সময় কংগ্রেসে ছিলেন বিট্টু। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। রবিবার রেলের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিট্টু। এই অনুষ্ঠান থেকেই রাহুলকে চাঁদমারি করেন তিনি। এদিন ভাগলপুরে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধন করেন বিট্টু।

    “রাহুল গান্ধী ভারতীয় নন” (Ravneet Singh Bittu)

    তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী ভারতীয় নন। তিনি বেশিরভাগ সময় দেশের বাইরে কাটিয়েছেন। তিনি দেশকে খুব একটা ভালোবাসেন না। তাঁর পরিবার থেকে শুরু করে বন্ধুরা ভারতে থাকলেও, তিনি এই দেশটাকে ততটা ভালোবাসেন না। আর তাই বিদেশে গিয়ে ভারত সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেন।” বিট্টু বলেন, “রাহুল বিদেশে গিয়ে সব ভুল বলেন। যারা মোস্ট ওয়ান্টেড, বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং বোমা-বন্দুক ও শেল তৈরিতে সিদ্ধহস্ত, তারা রাহুল গান্ধীর কথার প্রশংশা করে। যারা দেশের শত্রু, যারা বিমান, ট্রেন, রাস্তা উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, তারা রাহুল গান্ধীর সমর্থনে।”

    “রাহুল গান্ধী দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসী”

    এর পরেই কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন (Ravneet Singh Bittu), “রাহুল গান্ধী দেশের এক নম্বর সন্ত্রাসী। দেশের সব চেয়ে বড় শত্রু, যাকে এজেন্সিদের ধরা উচিত, তিনি হলেন রাহুল গান্ধী।” মন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস দেশের মুসলমান সম্প্রদায়কে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। তাতে কাজ না হওয়ায় তারা এখন শিখদের মধ্যে বিভাজন তৈরির অপচেষ্টা শুরু করেছে।” জাতি ভিত্তিক জনগণনা নিয়ে রাহুলকে নিশানা করে বিজেপির এই নেতা বলেন, “রাহুল ওবিসি থেকে শুরু করে অন্য বিভিন্ন জাতির মানুষের হয়ে কথা বলেন। অথচ সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে অন্যদের যন্ত্রণা তিনি বোঝেন না।” বিট্টু বলেন, “এর চেয়ে আর হাস্যকর কী হতে পারে।”

    আরও পড়ুন: ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ চালু হচ্ছে মোদি সরকারের এই মেয়াদেই!

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে আমেরিকায় গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেছিলেন, ভারতে ধর্মীয় আচার পালন করার আগে শিখদের ভাবতে হয়। মাথায় পাগড়ি বা হাতে বালা পরার আগে নিরাপত্তার বিষয়ে (Rahul Gandhi) তাঁদের ভাবতে হয় (Ravneet Singh Bittu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vice President Dhankhar: “সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি…”, নাম না করে রাহুলকে নিশানা ধনখড়ের

    Vice President Dhankhar: “সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি…”, নাম না করে রাহুলকে নিশানা ধনখড়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম না করে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করলেন উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় (Vice President Dhankhar)। তাঁর অভিযোগ, সাংবিধানিক পদে আসীন ব্যক্তি যদি দেশ-বিরোধী মন্তব্য করেন, তাহলে তার থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। আমেরিকায় রাহুল গান্ধীর মন্তব্য নিয়ে বিতর্কের রেশ অব্যাহত রয়েছে। বিজেপি বিরোধী দলনেতার মন্তব্যকে ‘দেশ বিরোধী’ বলে তোপ দেগেছে। কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এবার একই কথা বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ও।

    কোন প্রসঙ্গে মন্তব্য

    মঙ্গলবার আমেরিকায় একটি অনুষ্ঠানে রাহুলের ভারতে ধর্মাচরনের স্বাধীনতা ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। ওয়াশিংটনের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলাপচারিতায় রাহুল বলেন, “সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হলে তবেই আমরা সংরক্ষণ ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার কথা ভাবব। কিন্তু এখনও সেই সময় আসেনি।” সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে তিনি শিখদের প্রসঙ্গ তোলেন। এমনকী, বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাকিস্তান নীতির সমর্থন করলেও চিন নিয়ে অবস্থানের সমালোচনা করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, ‘লাদাখে দিল্লির সমান ভূখণ্ড চিনা ফৌজের হাতে তুলে দিয়েছি আমরা। এটা বড় বিপর্যয়।’ 

    ধনখড়ের সমালোচনা

    সংসদ ভবনে রাজ্যসভার ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের তৃতীয় ব্যাচের উদ্দেশে কথা বলার সময় উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Vice President Dhankhar) নাম না করে কংগ্রেস নেতাকে আক্রমণ করেন। ধনখড় বলেন, “ভাবুন, এই স্বাধীনতা পেতে, এই স্বাধীনতা রক্ষা করতে, জাতিকে রক্ষা করতে কত মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। আমাদের ভাই-বোনেরা এখনও সীমান্তে দেশকে রক্ষা করছেন। কত মা তাঁদের ছেলেদের হারিয়েছে, স্ত্রীরা তাঁদের স্বামীকে হারিয়েছে। আমরা আমাদের জাতীয়তাবাদকে নিয়ে উপহাস করতে পারি না। এই সময় দাঁড়িয়ে যদি সাংবিধানিক পদে আসীন কোনও ব্যক্তি দেশ বিরোধী কথা বলেন, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।”

    শত্রুর সঙ্গে হাত মেলাবেন না

    গণতান্ত্রিক দেশে বিরোধিতা থাকতে পারে, তবে কখনওই তা দেশ-বিরোধী না হয় আর্জি উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের। তিনি বলেন, “দেশের বাইরে থাকা প্রত্যেক ভারতীয়কে এই জাতির একজন রাষ্ট্রদূত হতে হবে। সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তি এটির উল্টোটা করছেন তা বেদনাদায়ক। আপনি শত্রুদের অংশ হতে পারেন না। আপনি যদি নিজের স্বার্থ চরিতার্থের জন্য শত্রুদের মিত্র হন, তাহলে তা হবে নিন্দনীয়, ঘৃণ্য এবং অসহনীয়। এই দেশের সভ্যতার গভীরতা পাঁচ হাজার বছরের। কিছু লোক আমাদের জাতিকে বিভক্ত করতে চায়। এটা চরম অজ্ঞতা। তাঁরা স্বাধীনতার মূল্য বোঝে না।”   

    আরও পড়ুন: মোদির তৈরি রাশিয়া-ইউক্রেন শান্তি ফর্মুলা নিয়ে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক ডোভালের

    রাহুলকে কটাক্ষ সম্বিতের

    ভারত সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য লোকসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা করেন বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্রও। রাহুলকে কটাক্ষ করে সম্বিত পাত্র বলেছেন, “রাহুল গান্ধীর বিরোধী দলনেতা হওয়ার ঔদ্ধত্য শুধু সংসদেই দেখা যায় না, তাঁর বোকামি আমেরিকাতেও দেখা গিয়েছে।” দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে সম্বিত পাত্র বলেছেন, “আমি এই শব্দ ব্যবহার করছি, কারণ তিনি যেভাবে আমেরিকায় ভারতকে চিত্রিত করেছেন তাতে কোটি কোটি ভারতীয় আঘাত পেয়েছেন। রাহুল গান্ধী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন… তিনি বিদেশের মাটিতে দেশ ও ধর্মকে বিভক্ত করার চেষ্টা করেছেন… তিনি বাইরের দেশে শিখদের সম্পর্কে কঠোর মন্তব্য করেছেন.. এটা রাষ্ট্রদ্রোহ। যেখানে রাষ্ট্রদ্রোহ হয়, তখন ‘মূর্খতা’-র মতো শব্দ ব্যবহার করা উপযুক্ত।” 

    প্রসঙ্গত, এর আগেই রাহুলের (Rahul Gandhi) মন্তব্যের সমালোচনা করে বুধবার এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের পাশে দাঁড়িয়ে জাতীয়তাবাদ বিরোধী মন্তব্য করা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে। বিদেশের মঞ্চও তার ব্যক্তিক্রম নয়। এভাবে রাহুল দেশের নিরাপত্তা ও ভাবাবেগকে আঘাত করছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ লিখিছিলেন, ‘ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং তথ্য ছাড়াই মন্তব্য করে দেশের সম্মান ডুবিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।’ মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য ইলহান ওমরের সঙ্গে রাহুলের সাক্ষাৎ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikh Group Protests: রাহুল-সোনিয়ার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের

    Sikh Group Protests: রাহুল-সোনিয়ার বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল ও সোনিয়া গান্ধীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শিখ সংগঠনের (Sikh Group Protests)। বিরোধী দলনেতা রাহুলকে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে, এই দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় শিখ সংগঠন। সম্প্রতি আমেরিকা সফরে গিয়ে ভারতে শিখ ধর্মাচরণের অধিকার নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে (Sonia Gandhi) বুধবার রাহুলের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান ওই সংগঠনের সদস্যরা। কেবল রাহুল নন, বিক্ষোভ দেখানো হয় সনিয়া গান্ধীর বাড়ির সামনেও।

    শিখ সংগঠনে বিক্ষোভ (Sikh Group Protests)

    জানা গিয়েছে, বিজেপির শিখ সংগঠন প্রকোষ্ঠের সদস্যরা এদিন বিক্ষোভ দেখান।পুলিশ ব্যারিকেড করে তাঁদের আটকায়। এই সময় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সামান্য ধস্তাধ্বস্তিও হয়। বিজেপি নেতা আরপি সিং বলেন, “রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে হবে। ভারতের মুখে কালি মাখাতে তিনি সব সময় বিদেশের মাটিকে ব্যবহার করেন। ভারতে শিখদের পাগড়ি কিংবা কড়া (বালা) পরতে দেওয়া হবে না বলে তিনি যা বলছেন, তা সর্বৈব মিথ্যে বলছেন।“

    কী বলছেন পুরী

    রাহুলের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, তাঁর (রাহুলের) কথার সঙ্গে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি পান্নুনের দাবি মিল রয়েছে। উনি কি পান্নুনের সঙ্গেও (Sikh Group Protests) দেখা করেছেন, প্রশ্ন পুরীর। বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, “কংগ্রেস আবার জঙ্গিদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। পাগড়ি নিয়ে তাঁর মন্তব্যে দেশের শিখদের মধ্যে কোনও প্রভাব পড়েনি। তবে বিদেশে লুকিয়ে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠনগুলির সুবিধা হয়ে গিয়েছে। ওরা সমর্থন করছে রাহুল গান্ধীর বক্তব্যকে।

    আরও পড়ুন: মার্কিন মুলুকে গিয়ে ওমরের সঙ্গে সাক্ষাৎ, রাহুলকে নিশানা বিজেপির

    শিখরা ধর্ম কাণ। মাথায় রঙিন পাগড়ি পরেন। পাগড়ি পরে তাঁরা গুরুদ্বারে যেতে পারেন। পঞ্চ ক ধারণ করা শিখ ধর্মে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এহেন শিখ সম্প্রদায়ই নেমেছে অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে। জানা গিয়েছে, রাহুলের ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। ওয়াকিবহাল মহলের অনুমান, এদিনের (Sonia Gandhi) সভায় খালিস্তানপন্থীরাও উপস্থিত ছিলেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং আবার রাহুলের লোকসভার সাংসদ পদ খারিজের দাবি জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share