Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • PM Modi: ”এই ভাষণ সকলের শোনা উচিত”, জাতগণনা ইস্যুতে অনুরাগের বক্তৃতার প্রশংসা মোদির

    PM Modi: ”এই ভাষণ সকলের শোনা উচিত”, জাতগণনা ইস্যুতে অনুরাগের বক্তৃতার প্রশংসা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি জাতগণনা ইস্যুতে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ করে বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের মন্তব্য (Anurag Thakur Vs Rahul Gandhi) ঘিরে উত্তাল হয় লোকসভা। এবার অনুরাগ ঠাকুরের সেই মন্তব্যেরই ভরপুর সমর্থন করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। 

    প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য (PM Modi)   

    এ প্রসঙ্গে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভায় বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের বক্তৃতার প্রশংসা করেছেন। একইসঙ্গে তিনি সমাজমাধ্যমে সাংসদ কক্ষের সেই তর্কবিতর্কের ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন যে, ”আমার তরুণ সহকর্মীর বক্তব্য শুনুন সকলে। তিনি কত সুন্দর করে তথ্য এবং যুক্তি দিয়ে ‘ইন্ডি জোটের নোংরা রাজনীতি’ সকলের কাছে ফাঁস করে দিলেন।”   

    আগে কী বলেছিলেন অনুরাগ ঠাকুর? 

    এর আগে লোকসভায় বাজেট নিয়ে বিতর্কে রাহুল গান্ধী দাবি করেছিলেন, ‘ইন্ডি জোট’ ক্ষমতায় এলে দেশের ওবিসিদের সংখ্যা নির্ধারণে জাতগণনা করাবে। এই মন্তব্যের পরেই বিজেপি সাংসদ, প্রাক্তন মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর নাম না করেই রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে বলেছিলেন, ”যাঁর নিজের জাতের ঠিক নেই, সে এখন গণনার কথা বলছে।” এখানেই শেষ নয়, অনুরাগ আরও কটাক্ষ (Anurag Thakur Vs Rahul Gandhi) করে বলেন যে, ” কিছু মানুষ আছে যারা হঠাৎ করে হিন্দু হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয় তাঁদের মহাভারত সম্বন্ধেও কম জ্ঞান আছে।” 

    আরও পড়ুন: ওয়েনাড়ে ধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫৩! চলছে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান

    অনুরাগ ঠাকুরের এই মন্তব্যের পরেই গোটা বিরোধী শিবির প্রতিবাদ জানায়। রাহুল নিজে উঠে বলেন, ”এ দেশে বঞ্চিত, গরিবের জন্য যে মুখ খুলেছে, তাঁকে গালিগালাজ শুনতে হয়েছে। আপনারা আমায় যত অপমান করুন, আমি ক্ষমা চাইতে বলব না। কিন্তু এই সংসদে জাতগণনা পাশ করিয়ে ছাড়ব।” এদিনের এই বাকবিতণ্ডার মধ্যে অনুরাগ ঠাকুরের কটাক্ষকেই এবার ভরপুর সমর্থন করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)। 
     
      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Row: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    NEET Row: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় মেডিক্যাল প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট (NEET Row) বাতিলের দাবি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের। শীর্ষ আদালতের অভিমত, পরীক্ষায়  এমন ব্যাপক দুর্নীতির প্রমাণ মেলেনি, যে কারণে পুনরায় নিট পরীক্ষা নিতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)৷ তাঁর মতে, আদালতে সত্যের জয় হয়েছে৷ একইসঙ্গে বিরোধীদের, যারা দিনকয়েক আগেই সংসদে একযোগে তাঁকে আক্রমণ করেছিলেন, তাদেরও পাল্টা জবাব দিতে ভোলেননি শিক্ষামন্ত্রী।

    শীর্ষ আদালতের অভিমত

    মঙ্গলবার নিট-ইউজি (NEET Row) নিয়ে একগুচ্ছ মামলার শুনানি ছিল সুপ্রিম কোর্টে। শুনানি শেষে দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের গঠিত বেঞ্চ নিট-ইউজি বাতিল এবং ফের পরীক্ষা নেওয়া সংক্রান্ত সব মামলা খারিজ করে দেয়৷ বেঞ্চ জানায়, পরীক্ষায় এমন কোনও বিস্তর অনিয়ম নজরে আসেনি, যার জন্য ফের নিট পরীক্ষা নিতে হবে।   

    কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী  

    শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তে দারুণ খুশি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “এটা দেশের যুবদের জয়। সুপ্রিম কোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়ের পর আমি একটাই কথা বলতে চাই, সত্যমেব জয়তে। যখন নিটের (NEET Row) প্রসঙ্গটি সামনে আসে, তখন আজকের সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই বিরোধীদের ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে গেল। গতকাল পর্যন্ত লোকসভার বিরোধী দলনেতার আচরণ যা ছিল…দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ‘রাবিশ’ বলা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলাই ওনার মানসিক অবস্থা স্পষ্ট করে।” নিটের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে ক্ষমা চাইতে বলেন শিক্ষামন্ত্রী। 

    বিরোধীদের রাজনীতি

    নিট (NEET Row) নিয়ে বিরোধীরা রাজনীতি করছে বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan)। তিনি বলেন, “দেশের পড়ুয়াদের বিভ্রান্ত করে, ভুল পথে চালনার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। এগুলি সবই তাদের রাজনীতির অংশ ছিল। আমি বিরোধী পক্ষে থাকা সকলকে, যারা এই ধরনের দায়িত্বহীন আচরণে যুক্ত ছিলেন, তাদের বলছি, দেশের পড়ুয়া, যুব সমাজ ও অভিভাবকদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তোমরা দেশের ক্ষতি করেছো, দেশে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেছো। দেশ কখনও ক্ষমা করবে না। রাজনৈতিক শত্রুতা আলাদা বিষয়, কিন্তু পড়ুয়ারা দেশের ভবিষ্যত।”

    রাহুলকে আক্রমণ

    এদিন এক্স হ্যান্ডলে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Dharmendra Pradhan) লেখেন, “লোকসভার বিরোধী দলনেতা এবং তাঁর ক্ষুদ্র চক্রীদল মায়াকান্না করছে। কিন্তু, বাস্তব বলছে, কেন্দ্রে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সময় এবং উত্তর প্রদেশের মসনদে অখিলেশ যাদব থাকাকালীন যা প্রশ্নফাঁস হয়েছে, তাতে রাহুল গান্ধী ও অখিলেশ যাদবের জন্য পোকাভর্তি পাত্র খুলে যাবে।” লোকসভার বিরোধী দলনেতাকে আক্রমণ করে ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও লেখেন, “হতে পারে অন্যায্য কাজের মৌলিক বিষয়গুলি খুব ভাল জানেন রাহুল গান্ধী। সেজন্যই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে অপকর্ম রুখতে বিল বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছে কংগ্রেস। কোন চাপে এবং কোন সমঝোতায় বেনিয়ম রুখতে কংগ্রেস আইন আনতে অস্বীকার করেছিল, সেটা কি বিরোধী দলনেতা বলবেন?”

    দুদিনের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা

    পাশাপাশি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী জানান, দু’দিনের মধ্যেই ২০২৪ সালের নিট-ইউজি পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হবে ৷ তিনি এ-ও জানান, এনটিএ পুনর্গঠনের জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিটিও গঠন করেছে কেন্দ্র। ধর্মেন্দ্র বলেন, ‘‘এনটিএ-কে সম্পূর্ণ রূপে ত্রুটিমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। আগামী দু’দিনের মধ্যে এনটিএ নিট-ইউজির চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করবে। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে পরীক্ষার মেধাতালিকা স‌ংশোধন করা হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: ট্রেনের চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান, রাহুলের দাবি খারিজ করে জানালেন রেলমন্ত্রী

    Rahul Gandhi: ট্রেনের চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান, রাহুলের দাবি খারিজ করে জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন কয়েক আগে নিউ দিল্লি স্টেশনে গিয়ে লোকো পাইলট অর্থাৎ ট্রেনের চালকের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। জানতে চেয়েছিলেন তাঁদের সমস্যার কথা। তাঁরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন না বলে পরে অভিযোগ করেছিলেন রাহুল। এরপরেই লোকো পাইলটদের নিয়ে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে নাম না করে বিরোধী দলনেতাকে নিশানা করেন রেলমন্ত্রী অশ্বীনি বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। তিনি বলেন, ‘‘বিরোধীরা নাটক করছেন। ভুল তথ্য দিয়ে লোকো পাইলটদের কাজে অনুৎসাহী করে তোলার চেষ্টা করছে বিরোধীরা।’’

    নাম না করে তাঁর পোস্টে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেন রেলমন্ত্রী

    বুধবার রেলমন্ত্রী (Ashwini Vaishnaw) নাম না করে তাঁর পোস্টে রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) নিশানা করেন। বিরোধী দলনেতার (Rahul Gandhi) আচমকা লোকো পাইলটদের সঙ্গে দেখা করার ঘটনাকে নাটক বলেও কটাক্ষ করেন রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব। তিনি বলেছেন, লোকো পাইলটেরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন। রেলমন্ত্রীর দাবি, দিনে গড়ে আট ঘণ্টা কাজ করতে হয় তাঁদের। গত মাসেই এই গড় ছিল। কোনও কারণে কাজের মেয়াদ বেড়ে গেলে বিশ্রামের জন্য বাড়তি সময় বরাদ্দ করা হয়।

    ২০১৪-র পর লোকো পাইলটদের কাজের পরিবেশের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে 

    রেলমন্ত্রীর দাবি, ২০১৪-র পর লোকো পাইলটদের কাজের পরিবেশের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। সারা দেশে লোকো পাইলটদের বিশ্রামের জন্য ৫৫৮টি রানিং রুম আছে। প্রায় সব ক’টিই এয়ার কন্ডিশনড। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রেন চলাচলের সঙ্গে যুক্ত ৩৪ হাজার পদ বিগত কয়েক বছরে পূরণ করা হয়েছে। আরও ১৮ হাজার পদ পূরণের প্রক্রিয়া জারি আছে। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে বেশ কয়েকটি রেল দুর্ঘটনায় আলোচনায় ট্রেনের চালকদের শরীর-স্বাস্থ্যের বিষয়টি সামনে আসে। ঠিক এই আবহে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়েন রাহুল। কিন্তু রাহুলের দাবি যে সর্বৈব মিথ্যা তা রীতিমতো তথ্য পরিসংখ্য়ান তুলে ধরে প্রমাণ করেন রেলমন্ত্রী।

    লোকো পাইলটদের বক্তব্য নিয়ে আগেই ভিডিও প্রকাশ করেছিল উত্তর রেল 

    প্রসঙ্গত, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) নিউ দিল্লি স্টেশনে লোকো পাইলটদের রেস্ট রুমে গিয়েছিলেন। সেখানে উপস্থিত লোকো পাইলটদের একাংশ তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। সেই ছবি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সৌজন্যে সামনেও আসে। পরে উত্তর রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বিবৃতি দিয়ে দাবি করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) যাঁদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা বহিরাগত। রেলের লোকো পাইলট নন। উত্তর রেল এরপর একাধিক লোকো পাইলটের ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে। ভিডিও সাক্ষাৎকারে ট্রেন চালকেরা জানান, তাঁদের কাজের পরিবেশ এবং সুযোগ সুবিধা আগের তুলনায় যথেষ্ট ভাল। তাঁরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন। তখনই  বোঝা যায় রাহুলের দাবি ঠিক কতটা মিথ্যা। এরপর সামনে আসে রেলমন্ত্রীর ট্যুইট। এর আগে লোকসভায় রাহুল (Rahul Gandhi) এক নিহত অগ্নিবীরের পরিবার ক্ষতিপূরণের বিষয়েও লোকসভায় মিথ্যা তথ্য তুলে ধরেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: জানেন কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে?

    Rahul Gandhi: জানেন কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের শাসনব্যবস্থাকে অস্থির করে তুলে, ভারতের শাসনক্ষমতা পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে এমন কিছু বৈদেশিক সংস্থার হাতের পুতুল হয়ে কাজ করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। ভারতে গণতন্ত্র বা তার অভাব নিয়ে বিশ্বমঞ্চে উদ্বেগ তৈরি করে এই ধরনের সংস্থাগুলি নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করতে চাইছে। আর তাতে মদত দিচ্ছে দেশের বিরোধী দলগুলি (Opposition in India)। সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা তারই প্রমাণ। 

    এক অস্পষ্ট জোটের প্রভাব

    যে কোনও দেশের অভ্যন্তরে বা দেশের বাইরে জনমত গঠনের জন্য কয়েকটি গোষ্ঠী একযোগে কাজ করে। সারা বিশ্বে ভারতের অগ্রগতি রুখতে পশ্চিমের গোয়েন্দা সংস্থা, বড় বড় ফাউন্ডেশন, বহুজাতিক সংস্থা, সিভিল সোসাইটি, রাজনৈতিক কর্মী, মানবাধিকার সংস্থা, গণতন্ত্র রেটিং সংস্থা, মিডিয়া সবাই মিলে একযোগে কাজ করে। এরা প্রাচ্যের আধিপত্য মানতে নারাজ। এই সংস্থাগুলি প্রায়ই একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করে এবং আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি, উদারনীতিবাদ এবং গ্লোবালাইজেশনের প্রধান লক্ষ্যগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যায়। ভারতে, বিরোধী দল প্রায়শই সরকারের সাথে দোষারোপের খেলা খেলে। এটাকেই হাতিয়ার করে ওই সংস্থাগুলি। দেশীয় শক্তির দ্বারাই দেশ-বিরোধী প্রচার চালায়।

    চিন সম্পর্কিত তথ্য

    উদাহরণস্বরূপ, বিরোধী দল (Opposition in India) নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকারকে চিনা সেনাবাহিনীর ভারতীয় জমিতে অবকাঠামো নির্মাণের উপগ্রহ চিত্রগুলি উপেক্ষা করার কথা বলেছিল। কিন্তু বাস্তবে এই চিত্রগুলি ব্ল্যাকস্কাই দ্বারা প্রকাশিত। যা স্পেসফ্লাইট ইন্ডাস্ট্রিজের একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান এবং মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাথে যুক্ত। আমেরিকার চির শত্রু চিন। ভারতের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে চিনের সমস্যা রয়েছে। তাই এটাকে হাতিয়ার করা হয়েছিল। 

    ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা সম্পর্কিত রিপোর্ট নিয়ে সরকারকে কোণঠাসা করার বিষয়ে বিরোধীরা বরাবর একজোট। কিন্তু এই রিপোর্ট ইউএসসিআইআরএফ-এর দেওয়া। যা মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ দ্বারা প্রকাশিত হয়, এটি ভারতীয় রাজনীতিতে একটি বিশেষ সংবেদনশীল বিষয়। ভারতীয় রাজনীতিবিদরা প্রায়ই এটি ব্যবহার করেন।

    সূচকগুলির খেলা 

    নানা বিষয়ে সারা বিশ্বে সূচক তুলে ধরে আমেরিকার বিভিন্ন সংস্থা। তারা তাদের মতো করে গবেষণা চালিয়ে এই সূচক তুলে ধরে। এর গ্রহণযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন থেকে যায়। ক্ষুধা সূচক, প্রেস স্বাধীনতা সূচক এবং গণতন্ত্র সূচকে ভারতের ক্রমহ্রাসমান অবস্থানের কারণে বিরোধীরা (Opposition in India) বারবার সংসদ উত্ত্বাল করেন। কিন্তু এই সংস্থাগুলি মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরেসের প্রভাবিত। অক্সফামের রিপোর্টের ভিত্তিতে পুঁজিবাদ এবং আয় বৈষম্য বাড়ানোর জন্য সরকারকে সমালোচনা করে। কিন্তু অক্সফাম সংস্থাটি মার্কিন পররাষ্ট্র বিভাগ এবং ধনকুবের জর্জ সোরোস দ্বারা অর্থায়িত।

    আরও পড়ুন: বাজেটের আগে বিশেষ বৈঠক, অর্থনীতিবিদদের থেকে পরামর্শ নিলেন মোদি

    হিন্ডেনবার্গ রিপোর্ট

    বিরোধী দল (Opposition in India), বিশেষ করে রাহুল গান্ধী, গৌতম আদানির উপর একটি রিপোর্টও তুলে ধরেছেন, যা মার্কিন ভিত্তিক হিন্ডেনবার্গ এজেন্সি দ্বারা মার্ক কিংডন নামক মার্কিন হেজ ফান্ড বিনিয়োগকারীর অনুরোধে প্রকাশিত হয়েছিল। এই সংযোগটি এখন প্রকাশ্যে চলে এসেছে, তবে যা উদ্বেগজনক তা হল এখনও এরা নানা মিথ্যা গল্প রচনা করে চলেছে। এর থেকেই বোঝা যায় কেন কিছুদিন আগে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই দেশগুলি ভ্রমণ করেছিলেন। কিন্তু রাহুল বা বিরোধী জোট এটা বুঝতে পারছেন না যে তাঁরা কীভাবে ভারতের বিরুদ্ধে বর্ণনা প্রচারের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছেন।

    রাহুলের মনোভাব (Rahul Gandhi)

    মার্কিন মানাবাধিকার কর্মী সুনিতা বিশ্বনাথের সঙ্গে রাহুল গান্ধীর বৈঠক তার প্রমাণ। ভারত বিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে ওই মানবাধিকার কর্মী জড়িত বলে অভিযোগ। রাহুলের (Rahul Gandhi) গত মার্কিন সফরের সময় এই বৈঠকটি হয় বলে দাবি। জর্জ সোরেসের ঘনিষ্ঠ এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত সুনিতার সঙ্গে দেশের বাইরে সাক্ষাত রাহুল গান্ধীর মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তোলে। এই ধরনের নানা ঘটনা থেকে মনে হয়, যদি বিরোধী দল সরকারের কার্যকলাপের সাথে একমত না হয়, তবে কেন তারা তাদের মূল এবং প্রকৃত অভিযোগ বা গঠনমূলক সমালোচনা উপস্থাপন করছে না? কেন তারা আমেরিকা দ্বারা পরিচালিত সংস্থাগুলির মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করছে, যা ভারতীয় বিরোধী দলকে কেবল শাসন ব্যবস্থা পতনের একটা যন্ত্র হিসেবে রেখে দিচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন ভারতে বিরোধী দলগুলি (Opposition in India) অন্যের হাতের পুতুলের মতো আচরণ করছে? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘‘১০ বছর পূর্ণ করেছি, আরও ২০ বছর বাকি’’, রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    PM Modi: ‘‘১০ বছর পূর্ণ করেছি, আরও ২০ বছর বাকি’’, রাজ্যসভায় কংগ্রেসকে খোঁচা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের আসন সংখ্যা কমলেও আত্মবিশ্বাসের কোনও অভাব নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। বুধবার রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) ভাষণ দিতে উঠে মোদি বিরোধী শিবিরের কড়া সমালোচনা করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা যতই হট্টগোল করুক, আরও দু-দশক দেশে ক্ষমতায় থাকবে বিজেপি। আমরা এক তৃতীয়াংশ সময় কাটিয়ে ফেলেছি। এখনও দুই-তৃতীয়াংশ সময় বাকি আছে। বিরোধীদের এজেন্ডাকে পরাজিত করেছে দেশবাসী। ছয় দশক পর দেশের মানুষ মোদিকে তৃতীয়বার দেশের সরকার গঠনের সুযোগ দিয়েছে।”

    হিন্দুদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র (PM Modi)

    রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে মোদি (PM Modi) আরও বলেন, “হিন্দুদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। পিএম মোদি রাহুল গান্ধীর সাম্প্রতিক বক্তৃতাকে ‘সহানুভূতিমূলক নাটক’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন এবং বিরোধী দলের নেতাকে ‘বালক বুদ্ধি’ বা শিশুর স্তরের বুদ্ধি আছে বলে চিহ্নিত করেন। তিনি অগ্নিবীর প্রকল্প, কৃষকদের জন্য ন্যূনতম সমর্থন মূল্য (MSP), এসসি, এসটি-র জন্য সংরক্ষণ এবং ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন সহ ইস্যুতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।

    মোদির ভাষণ চলাকালীন প্রবল হট্টগোল (Rajya Sabha)

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এদিন রাজ্যসভায় ভাষণ দিতে উঠতেই প্রবল হট্টগোল শুরু করে বিরোধীরা। চিৎকার-চেঁচামেচি ও স্লোগান ভেসে আসে বিরোধীদের শিবির থেকে। বিরোধীদের ব্যাপক বাধা উপেক্ষা করেই প্রধানমন্ত্রী দৃপ্ত কণ্ঠে নিজের বক্তব্য রাখেন।

    আরও পড়ুন: “এর থেকে লজ্জাজনক আর কী হতে পারে?”, চোপড়াকাণ্ডে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মোদি (PM Modi) বলেন, “জনগণের আস্থা শুধু এনডিএ’র উপর রয়েছে। এই নির্বাচন গত ১০ বছরের কৃতিত্বকে সিলমোহর নয়, ভবিষ্যতের উন্নয়নের আরও এক সুবর্ণ সুযোগ। দেশের অর্থব্যবস্থা ১০ থেকে ৫ নম্বরে উঠে এসেছে। এরপর বিরোধীদের তোপ দেগে তিনি বলেন, “দেশের রায়কে ব্ল্যাকআউট করার চেষ্টা চলছে। আজ যারা সংবিধান হাতে নিয়ে সরকারের বিরোধিতা করছে, তারা সংবিধান দিবস পালন করতে চাইনি। এখন লড়তে না পেরে ময়দান ছেড়ে চলে যাওয়াই বিরোধীদের অস্ত্র।”

    অর্থ ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি

    ভারতের অর্থ ব্যবস্থাকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মোদি (PM Modi) । তিনি বলেন, “দেশের আর্থিক পরিস্থিতি করোনা কালের মতো কঠিন সময়েও ভেঙে পড়েনি। আমরা ভেঙে পড়তে দেইনি। আমি আবার বলছি, ভারতের অর্থ ব্যবস্থাকে বিশ্বের তৃতীয় স্থানে নিয়ে যাব।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবেন না”, রাহুলের ‘হিন্দু’-মন্তব্য প্রসঙ্গে বললেন মোদি

    PM Modi: “মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবেন না”, রাহুলের ‘হিন্দু’-মন্তব্য প্রসঙ্গে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবেন না।” মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সোমবারই লোকসভায় হিন্দুদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন ওয়েনাড়ের সাংসদ। তার জেরেই এদিন তিনি চলে আসেন প্রধানমন্ত্রীর চাঁদমারিতে। রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মুর ভাষণের ওপর চলছে মোশন অফ থ্যাংকস।

    ‘ঈশ্বরের ছবি দেখানোয় দেশবাসী আঘাত পেয়েছেন’ (PM Modi)

    এই প্রসঙ্গেই লোকসভায় বক্তব্য রাখছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে মানুষ আপনাদের ক্ষমা করবেন না…হিন্দুরা সহনশীল। সেই হিন্দুদের মিথ্যে অভিযোগে অভিযুক্ত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। বলা হচ্ছে, হিন্দুরা হিংস্র।” তিনি বলেন, “এটা আপনার চরিত্র, মননে এবং ঘৃণায়।” সংসদে ঈশ্বরের ছবি দেখানোয় দেশবাসী আঘাত পেয়েছেন বলেও দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “তাঁরা আমাদের ঈশ্বরদের অপমান করেছেন। জিনকে দর্শন হোতে হ্যায়, উনকে প্রদর্শন নহি হোতে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকালের ঘটনা দেখে হিন্দুদের ভাবতে হবে এটা (লোকসভায় শিবের ছবি দেখানো) কী কাকতালীয় না কি পূর্বপরিকল্পিত।”

    রাহুলকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    রাহুলকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সহানুভূতি কুড়োনোর একটা প্রবণতার সৃষ্টি হয়েছে। আমি একটি শিশুর সম্পর্কে বলতে চাই যে স্কুল থেকে ফিরে মাকে বলছে স্কুলে তাকে মারধর করা হয়েছে। শিশুটি তার মাকে বলল না যে স্কুলে সে একজনকে গালি দিয়েছে, একটি শিশুর বই ছিঁড়ে দিয়েছে এবং একজনের টিফিন চুরি করেছে। গতকাল আমরা সংসদে একটি শিশুসুলভ আচরণ দেখেছি। এটা করা হয়েছিল স্রেফ সহানুভূতি কুড়োতে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যাইহোক, গোটা দেশ জানে এই ব্যক্তি একটি দুর্নীতি মামলায় জামিনে ছাড়া পেয়েছেন, একজন ওবিসি সম্প্রদায়ের মানুষকে চোর বলায় সাজা পেয়েছেন, বীর সাভারকরকে অপমান করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।”

    আর পড়ুন: নিট-পিজিতে প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে অভিনব বন্দোবস্ত, কী হচ্ছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, সংসদে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাহুল (Rahul Gandhi) বলেছিলেন, “হিন্দুরা কখনওই হিংসা ছড়ায় না। কিন্তু বিজেপি গোটা দেশে হিংসা এবং ঘৃণা ছড়িয়ে চলেছে। যদিও আমাদের মনে রাখতে হবে যে বিজেপি এবং আরএসএসই সম্পূর্ণ হিন্দু সম্প্রদায় নয়।” ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি ভগবান শিবের ছবিও দেখিয়েছিলেন। এদিন লোকসভায় তারই জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Modi vs Rahul Gandhi: সংসদে রাহুল-মোদি বাকযুদ্ধ! বিরোধী দলনেতার ‘হিন্দুত্ব’ মন্তব্যে পাল্টা জবাব প্রধানমন্ত্রীর

    Modi vs Rahul Gandhi: সংসদে রাহুল-মোদি বাকযুদ্ধ! বিরোধী দলনেতার ‘হিন্দুত্ব’ মন্তব্যে পাল্টা জবাব প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দলনেতা হিসেবে প্রথমবার অষ্টাদশ লোকসভায় ভাষণ রাহুল গান্ধীর। কিন্তু বিরোধী দলনেতার প্রথম ভাষণেই তুলকালাম বাঁধল লোকসভায়। এদিন নিজের ভাষণে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) মন্তব্য করেন, ”হিন্দুরা কখনই হিংসা ছড়ায় না। কিন্তু বিজেপি গোটা দেশে হিংসা এবং ঘৃণা ছড়িয়ে চলেছে। যদিও আমাদের মনে রাখতে হবে যে বিজেপি এবং আরএসএসই সম্পূর্ণ হিন্দু সম্প্রদায় নয়।” আর কংগ্রেস নেতার এই মন্তব্যের পরেই পাল্টা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।   

    রাহুল গান্ধীর মন্তব্য (Modi vs Rahul Gandhi) 

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতেই সংসদে (Lok Sabha) ঝড় তুললেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সাংসদ এদিন গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ”ভারতের ধারণা, সংবিধানকে বিজেপি আক্রমণ করেছে।” তিনি আরও বলেন, ”ভারতের ধারণা, সংবিধান এবং বিজেপির প্রস্তাবিত ধারণার বিরোধী লক্ষ লক্ষ লোকের উপর নিয়ম মাফিক আক্রমণ করা হচ্ছিল। আমার ওপরেও আক্রমণ শানানো হয়েছে। আমাদের বিরোধীদের অনেকের ওপরই ব্যক্তিগতভাবে হামলা হয়েছে। যারা যারা ক্ষমতা, সম্পদের কেন্দ্রীভূত করার বিরোধিতা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানানো হয়েছে এবং যারা দরিদ্র, দলিত, সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তাদেরও নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা হয়েছে। লোকজনকে জেলে ঢোকানো হয়েছে এবং হুমকি দেওয়া হয়েছে।” এরপর রাহুল গান্ধী বলেন, ”আমাদের সমস্ত মহাপুরুষরা অহিংসার কথা বলেছেন। কিন্তু, যারা নিজেদেরকে হিন্দু বলে দাবি করে, তারা শুধু হিংসা, ঘৃণা, অসত্যের কথা বলে… আপনারা হিন্দুই না।” 

    কী জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী?   

    এরপরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাঁড়িয়ে উঠে বলেন, ”গোটা হিন্দু সমাজকে এভাবে হিংসত্মক বলে দাবি করা হচ্ছে। এটা খুবই গুরুতর বিষয়।” এরপর রাহুল (Modi vs Rahul Gandhi) পাল্টা জবাবে বলেন, ”নরেন্দ্র মোদি সমগ্র হিন্দু সমাজ নন। বিজেপি পুরো হিন্দু সমাজ নয়। আরএসএস সমগ্র হিন্দু সমাজ নয়। এটা বিজেপির কোনও চুক্তি নয়।” 

    আরও পড়ুন: কোচবিহার-চোপড়া নিয়ে চাপে রাজ্য, বিধানসভায় ধর্না বিজেপির, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

    প্রসঙ্গত, এদিন প্রথম থেকেই সংসদে (Lok Sabha) আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন রাহুল গান্ধী। নিজের ভাষণ দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী শিবঠাকুরের একটি ছবি তুলে ধরেন। এরপর তাঁর হিন্দু মন্তব্যের জেরে সংসদে হট্টোগোল শুরু হয়। যদিও সেসময় রাহুলকে বাধা দিয়ে স্পিকার ওম বিড়লা বলেন, ”সংসদে কোনও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের নিয়ম নেই।” বিরোধী দলনেতার বক্তব্যের মাঝেই আসরে নামেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি রাহুলের হিন্দু মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। বিজেপির বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগের প্রতিবাদ করেন তিনি। বলেন, এভাবে কোনও দলকে দোষারোপ করা যায় না। এমনকি এদিন বিরোধী দলনেতাকে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Speaker: লোকসভায় টানা দ্বিতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা

    Lok Sabha Speaker: লোকসভায় টানা দ্বিতীয়বার স্পিকার নির্বাচিত হলেন ওম বিড়লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন বারের বিজেপি সাংসদ ওম বিড়লা আজ টানা দ্বিতীয়বারের জন্য লোকসভার স্পিকারের পদে (Lok Sabha Speaker) নির্বাচিত হয়েছেন। এনডিএ প্রার্থীদের ভোটে নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী, তাঁর কাছে গিয়ে অভিনন্দন জানান। স্পিকারকে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে শাসক শিবির এবং বিরোধীদের মধ্যে বিরল বন্ধুত্বের একটি মুহূর্তের ছবি ধরা পড়েছে।

    মোদির অভিনন্দন (Lok Sabha Speaker)

    স্পিকার (Lok Sabha Speaker) পদে ওম বিড়লাকে নির্বাচনের পর, তাঁকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিরোধী দলনেতা এবং সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু একত্রিত হয়ে স্পিকারের চেয়ারে নিয়ে যান। নবনির্বাচিত লোকসভার স্পিকারকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেছেন, “তাঁর মিষ্টি হাসি পুরো হাউসকে খুশি রাখে। আমাদের কাছে এটি একটি সম্মানের বিষয় যে আপনি দ্বিতীয়বারের জন্য এই চেয়ারে নির্বাচিত হয়েছেন।”

    কী বলেন রাহুল গান্ধী

    বিরোধী দলের নেতারাও স্পিকারকে (Lok Sabha Speaker) অভিনন্দন জানিয়েছেন এদিন। তবে এই শুভেচ্ছা বিনিময়ের সঙ্গে একটি তীক্ষ্ণ বার্তাও যোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছেন, “আমি আত্মবিশ্বাসী যে আপনি আমাদের কথা বলার অনুমতি দেবেন। অধিবেশন চালানো বড় কথা নয়, বড় প্রশ্ন হল কতটা দক্ষতা এবং নিরপেক্ষতা থাকবে কাজে। বিরোধীদের কণ্ঠস্বর গণতন্ত্রের মূলস্তম্ভ। তাই আপনি নিরপেক্ষ হোন এবং সংবিধান রক্ষা করুন। এই নির্বাচন দেখিয়েছে যে ভারতের সংবিধানকে কীভাবে রক্ষা করতে হয়।”

    আরও পড়ুনঃ বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ বিমান চলাচলের বাজারে উদীয়মান ভারত

    কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছিল

    স্বাধীনতার পর লোকসভা স্পিকারের (Lok Sabha Speaker) জন্য এটি ছিল তৃতীয় নির্বাচন। তবে কংগ্রেস জোর করে এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আট বারের সাংসদ কে সুরেশকে প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে প্রার্থী করেছিল। অবশ্য সংখ্যা গরিষ্ঠতার বিচার স্পষ্টতই ওম বিড়লার পক্ষে ছিল। যদিও এনডিএ প্রার্থীর সমর্থন ছিল ২৯৭ জন সাংসদের। আর বিরোধীদের পক্ষে ছিল ২৩২ জন সাংসদ। সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কংগ্রেসকে এদিন আক্রমণ করে বলেছেন, “আমরা তাঁদের কাছে স্পিকারের সমর্থনের জন্য আবেদন করেছিলাম, কিন্তু তাঁর বলেছিল যে সমর্থন করবে কিন্তু বিনিময়ে ডেপুটি স্পিকারের পদ চাই। এরপর আমরা বলেছিলাম যে উভয় পদের নির্বাচনের প্রক্রিয়া ভিন্ন ভিন্ন। স্পিকার নির্বাচনের জন্য ডেপুটি স্পিকারের আগে কাজ করা হয়, তাই উভয়কে একত্রিত করা ঠিক হবে না।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    Rahul Gandhi: সত্যি হল জল্পনা! লোকসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন রাহুল গান্ধী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে জল্পনা সত্যি করে এবারের লোকসভায় বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত হলেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। মঙ্গলবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কে একথা জানালেন সি বেণুগোপাল। এদিন নয়াদিল্লিতে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাড়িতে ইন্ডিয়া ব্লকের নেতাদের নিয়ে বৈঠক হয়। সেখানেই রাহুল গান্ধীকে বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে ২০১৪ ও ২০১৯ সালে পরপর দুবার লোকসভা ভোটে ন্যূনতম ১০ শতাংশ আসনও কংগ্রেসের অধরা ছিল। ফলে লোকসভার বিরোধী দলের মর্যাদা পায়নি কংগ্রেস। তবে এবারের ছবিটা উল্টো। 

    লোকসভায় একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ কংগ্রেসের 

    ২০২৪-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেস একাই ৯৯টি আসনে জয়লাভ করেছে। ইন্ডি জোটে যে সব দল রয়েছে তাদের মধ্যে কংগ্রেসই সর্বাধিক আসনে জিতেছে। স্বাভাবিকভাবেই বিরোধী শিবিরে এবার তাদের জোরও বেশি হওয়ার কথা, এমনই বলছে রাজনৈতিক মহল। তাছাড়া লোকসভা বিরোধী দলনেতার পদ পাওয়ার জন্য একটি রাজনৈতিক দলের ৫৫টির বেশি আসনে জয়লাভের প্রয়োজন। এই পরিস্থিতিতে রাহুলের (Rahul Gandhi) লোকসভা বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) পদে নিয়োগ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে কারণ হচ্ছে। কারণ, বুধবার লোকসভার স্পিকার পদে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই স্পিকার পদ নিতে বিস্তর প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু হয়ে গেছে শাসক ও বিরোধী শিবিরের।  

    আরও পড়ুন: স্পিকার পদে ভোটাভুটি আজ, জয় নিশ্চিত বিড়লার, অতীতে তিনবার এই পদে নির্বাচন হয়েছে

    ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই বিরোধী দলনেতা নির্বাচন

    উল্লেখ্য, ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকে রাহুল গান্ধীকেই (Rahul Gandhi) বিরোধী দলনেতার করার দাবি তুলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদরা। এমনকী, এই মর্মে প্রস্তাবও পাস করা হয় দলের বর্ধিত কর্মসমিতির বৈঠকে। এ প্রসঙ্গে বেনুগোপাল বলেছেন, “সিপিপি চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মাহতাবকে একটি চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতা (Leader of Opposition) হিসাবে রাহুল গান্ধীকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। অন্যান্য পদাধিকারীদের বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” এরপরে এদিন অধিবেশনের শেষদিকে রাহুলের নাম বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেন প্রোটেম স্পিকার ভর্তৃহরি মহতাব। জানা গিয়েছে ইন্ডি জোটের সর্বসম্মতিতেই রাহুলকে বিরোধী দলনেতা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  
    প্রসঙ্গত, এবছর কেরলের ওয়ানাড থেকে ফের সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। আবার সোনিয়া গান্ধীর ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলিতেও রেকর্ড  ৪ লাখ ৪২ হাজারের বেশি ভোটে হারিয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশ যোগী আদিত্যনাথের মন্ত্রিসভার সদস্য দীনেশ প্রতাপ সিংকেও। পরে অবশ্য নিয়মাফিক ওয়ানাড কেন্দ্রটি ছেড়ে দিতে হয় তাঁকে। ওই কেন্দ্রে উপনির্বাচনী কংগ্রেস প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stock Market: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    Stock Market: রেপো রেট এক রাখল আরবিআই, মোদির উপর আস্থা রেখে ফের সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির গ্যারান্টিতেই ভরসা দেখাল শেয়ার বাজার (Stock Market)। নরেন্দ্র মোদি এনডিএ সরকারের নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরই শুক্রবার ফের চাঙ্গা শেয়ার রাজার। সর্বকালীন উচ্চতায় পৌঁছল সেনসেক্স। শেয়ার বাজরে ধসের জন্য গতকালই  মোদিকে (Narendra Modi) দায়ী করেছিলেন রাহুল গান্ধী। কিন্তু কংগ্রেস নেতার অভিযোগের জবাব এদিন দিয়ে দিল শেয়ার বাজার। ভরসা রাখল মোদি ৩.০-তে।

    রেপো রেট এক রইল

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস এদিন মুদ্রানীতির বৈঠক শেষে জানান যে, এবারেও রেপো রেট একই থাকবে। এই নিয়ে অষ্টমবার রেপো রেটে কোনও বদল আনল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর আগে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার রেপো রেট (RBI MPC Meeting) বদল করেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তখনই রেপো রেট বাড়িয়ে করা হয় ৬.৫ শতাংশ আর তারপর থেকে একই আছে সেই রেপো রেট। এই ঘোষণার পরই ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি দেখা যায় নিফটি, সেনসেক্সে (Stock Market)। রেপো রেট এক রাখার সঙ্গে জিডিপি গ্রোথও বাড়িয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এর আগে দেশের সম্ভাব্য জিডিপি গ্রোথ ৭ শতাংশ রেখেছিলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ফের মোদী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন তা সুনিশ্চিত হওয়ার পরেই ৭.২ শতাংশ করা হয়েছে। যার জেরেই হু হু করে চড়তে শুরু করে সেনসেক্স। ফের বিনিয়োগ কারীরা আস্থা ফিরে পেয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    শেয়ার বাজারে প্রভাব

    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপোরেট এবং জিডিপি গ্রোথ ঘোষণা করতেইপর পর ২ দিনের মন্দা কাটিয়ে ফের চাঙ্গা হয়ে উঠেছে শেয়ার বাজার (Stock Market)। এক ধাক্কায় ৬০০ পয়েন্ট চড়ল সেনসেক্স। শুক্রবার নিফটি ২৩ হাজার পয়েন্টে ছাড়িয়ে যায়। সেনসেক্স বৃদ্ধি পায় ৮০০ পয়েন্ট। বিএসই সেনসেক্স ৫০০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। বিএসই মিডক্যাপ ০.১৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, তবে বিএসই স্মলক্যাপ ০.৩৪ শতাংশ বেশি হয়েছে। সেক্টরগুলির মধ্যে, নিফটি আইটি এবং রিয়েলটি সূচকগুলি প্রতিটি ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: পাশে নীতীশ, নায়ডু, মোদির নেতৃত্বেই সরকার গড়ার পথে এনডিএ

    রাহুলের অভিযোগ

    বৃহস্পতিবারই শেয়ার বাজার (Share Market) নিয়ে মারাত্মক অভিযোগ করেছিলেন কংগ্রস নেতা রাহুল গান্ধী। লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশের আগের দিন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছিল শেয়ার বাজার। একাধিক শেয়ারের দাম হু হু করে চড়েছিল। খুশির হাওয়া বইছিল শেয়ার বাজারে। আবার ফল প্রকাশের দিন শেয়ার বাজার মুখ থুবড়ে পড়ে। ভোটের ফল প্রকাশের আগের দিন শেয়ার বাজারের এই বিপুল উর্ধ্বগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন ইচ্ছে করে শেয়ার বাজারে দর বাড়ানো হয়েছিল। তিনি এই দুর্নীতির তদন্ত দাবি করেছিলেন। কিন্তু এদিন রাহুলের অভিযোগ নয় মোদির (Narendra Modi) গ্যারান্টিই মেনে নিল শেয়ার মার্কেট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share