Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! প্রশ্ন তুলে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে অভিযোগ দায়ের

    Rahul Gandhi: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! প্রশ্ন তুলে মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে অভিযোগ দায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রায়বরেলি আসনে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), ঠিক এই আবহে তাঁর নমিনেশন বাতিলের দাবি তুললেন অনিরুদ্ধ প্রতাপ সিং নামে এক ব্যক্তি। জনৈক ওই ব্যক্তি রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন! তাঁর দাবি রাহুল গান্ধীর ব্রিটিশ নাগরিকত্ব রয়েছে। তাহলে তিনি ভারতে নির্বাচনের লড়ছেন কী হিসেবে? এই পরিপ্রেক্ষিতে অভিযোগও দায়ের করেছেন অনিরুদ্ধ প্রতাপ সিং।

    গুজরাটের আদালতের সাজা ঘোষণা

    এর পাশাপাশি ওই অভিযোগে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) মোদি পদবী নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যের কারণে ২ বছরের কারাবাসের সাজার কথাও তুলে ধরা হয়ছে। উল্লেখ্য, সাজা প্রাপ্ত কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন না। প্রসঙ্গত, বছর কয়েক আগেই রাহুল গান্ধী মন্তব্য করেছিলেন এক জনসভায়, ‘‘সব চোরেদের পদবী কেন মোদি হয়?’’ সে সময় এ নিয়ে মামলা দায়ের করেন তেলি সমাজের পক্ষ থেকে প্রহ্লাদ মোদি। গুজরাটের আদালত এই মামলায় রাহুল গান্ধীকে দু বছরের সাজা ঘোষণা করে। পরবর্তীকালে সুপ্রিম কোর্ট সাজাতে স্থগিতাদেশ দেয়।

    কী বলছেন মামলাকারীর আইনজীবী? 

    এনিয়ে অভিযোগকারীর আইনজীবী অশোক পাণ্ডে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “প্রথমত, রাহুল গান্ধীকে দুই বছরের সাজা দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে উনি নির্বাচনে লড়ার অযোগ্য। সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সাজায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে, কিন্তু আফজল আনসারির মতো নির্বাচনে লড়াইয়ের অনুমতি দেয়নি। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উচিত নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো।” তিনি আরও বলেন, “২০০৬ সালে রাহুল গান্ধী একবার নিজেই বলেছিলেন, তিনি ব্রিটিশ নাগরিক। ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে উনি কীভাবে ভারতের নির্বাচনে লড়ছে? আমার অভিযোগ জানানোর পরই রাহুল গান্ধীর প্রতিনিধিকেও ডাকা হয়। আমার অভিযোগ গৃহীত হয়েছে।” কেরালার ওয়েনাড়ে কংগ্রেস প্রার্থী হয়েছেন রাহুল গান্ধী। সেই আসনে ভোট মিটেছে ২৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান চায় রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শান্তির আশায় পাকিস্তানকে প্রেমপত্র পাঠাত কংগ্রেস। কিন্তু সেই সব চিঠির প্রেক্ষিতে আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত ভারতের প্রতিবেশী দেশটি।” শনিবার ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ের নির্বাচনী জনসভায় এই ভাষায়ই কংগ্রেসকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গঠিত হওয়ার পর সন্ত্রাসবাদ প্রশ্নে পাকিস্তানের প্রতি যে ভারতের দৃষ্টিভঙ্গী বদলেছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর মোক্ষম বাণ (PM Modi)

    এর পরেই মোক্ষম বাণটি নিক্ষেপ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “এই লোকসভা নির্বাচনে জিতে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন বলে আশা করছেন পাকিস্তানি নেতারা। এক সময় নিরীহ পর্যটককে খুন করত সন্ত্রাসবাদীরা। তার পরেও সরকার পাকিস্তানকে প্রায়ই প্রেমপত্র পাঠাত। তার প্রেক্ষিতে পাকিস্তান আরও বেশি করে জঙ্গি পাঠাত। কিন্তু আপনাদের মূল্যবান একটি ভোটের শক্তিতে আমি বললাম, ঢের হয়েছে। আজকের নয়া ভারত আর কোনও দলিল পাঠাবে না পাকিস্তানকে। এই হল নয়া ভারত – ‘ঘর মে ঘুষ কে মারতা হ্যায়’ (ঘরে ঢুকে গিয়ে মারছে)।” তিনি (PM Modi) বলেন, “একটা সময় ছিল যখন বিহার ও ঝাড়খণ্ডের লোকজন আমাদের দেশকে রক্ষা করতে যেতেন। সীমান্তে তাঁরা দেশের জন্য প্রাণ দিতেন। এ ছবি প্রায় প্রতি মাসেরই ছিল। কংগ্রেসের ভীরু সরকার গোটা বিশ্বে এনিয়ে কান্নাকাটি করত।”

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে কানাডায় ধৃত ৩ শিখ, নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?

    দুই স্ট্রাইকের ‘গল্প’

    প্রধানমন্ত্রীর এদিনের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবে উঠে আসে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইকের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোট স্ট্রাইক পাকিস্তানকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। এখন পাকিস্তান বিশ্বের দরবারে গিয়ে কাঁদছে আর বলছে, বাঁচাও, বাঁচাও। তাই পাকিস্তানের নেতারা প্রার্থনা করছেন যাতে কংগ্রেসের শাহাজাদা প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। কিন্তু শক্তিশালী ভারত এখন একটা শক্তিশালী সরকার চায়।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের মন্ত্রী ফুয়াদ চৌধুরী রাহুল গান্ধীর প্রশংসা করছেন এই বলে যে তাঁর মধ্যে সোশ্যালিস্টিক ইডিওলজি রয়েছে।” এদিনের জনসভায় ফুয়াদের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেন প্রধানমন্ত্রী। দেশে যে নকশালবাদ, সন্ত্রাসবাদের অবসান হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে রদ হয়েছে ৩৭০ ধারা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    Rahul Gandhi: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলিতে জিতুন”, রাহুলকে ‘পরামর্শ’ কাসপারভের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “শীর্ষ পদে পৌঁছানোর আগে রায়বরেলি কেন্দ্র থেকে জিতুন।” এক্স হ্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi) এমনই ‘পরামর্শ’ দিয়েছেন কিংবদন্তী সুপার গ্রান্ডমাস্টার গ্যারি কাসপারভ। পরে অবশ্য এই দাবাড়ু জানান, নিছক মজার করার উদ্দেশেই এই মন্তব্য করেছেন তিনি। একে মজা হিসেবেই দেখা উচিত।

    কী বললেন কাসপারভ? (Rahul Gandhi)

    একেবারে শেষ মুহূর্তে উত্তরপ্রদেশের রায়বরেলি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হিসেবে রাহুলের নাম ঘোষণা করে কংগ্রেস। শুক্রবারই মনোনয়নপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি। এদিনই রাহুলকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন দাবাখেলার প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। সম্প্রতি লোকসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় এক সাক্ষাৎকারে দাবা খেলার প্রতি আকর্ষণের কথা জানিয়ে কাসপারভকে প্রিয় দাবাড়ু বলে বর্ণনা করেছিলেন রাহুল (Rahul Gandhi)। দাবা ও রাজনীতির তুলনাও করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “প্রতিপক্ষের ওপর কাসপারভ যে চাপের কৌশল প্রয়োগ করেন, তা অত্যন্ত কার্যকরী।”

    রাহুলের দাবা-প্রেম!

    দাবায় বিশ্বজয় করতে পারলেও, রাজনীতির ময়দানে চূড়ান্ত ব্যর্থ কাসপারভ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরোধিতায় আন্দোলনে নেমে গ্রেফতার হওয়ার পরে দেশ ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে। সম্প্রতি তাঁকে জঙ্গি তকমাও দিয়েছে পুতিনের সরকার। সেই তিনিই রাহুলকে দিয়েছেন ‘পরামর্শ’! সম্প্রতি কংগ্রেসের তরফে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়। তাতে দেখা যায়, প্রচারের ফাঁকে মোবাইলে দাবা খেলছেন রাহুল। এখানে উল্লেখ করা হয় রাহুলের প্রিয় খেলা এবং প্রিয় দাবাড়ুর নাম। এই ভিডিওতে রাহুল নিজেকে রাজনীতিকদের মধ্যে সেরা দাবা খেলোয়াড় বলেও উল্লেখ করেন।

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    রাহুল দাবা ও রাজনীতিকে সমানভাবে দেখানোর চেষ্টা করেছিলেন। এ ব্যাপারে কাসপারভ বলেন, “গান্ধী বলেছিলেন দাবায় কেউ কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করছে, তা ধারণা করে নেওয়া যায়। কিন্তু যদি কেউ কেন্দ্রকে না বোঝে, তাহলে সে সঠিকভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে না। একইভাবে রাজনীতিতে কেউই কী করতে চলেছে, সে সম্পর্কে যদি পরিষ্কার ধারণা না থাকে, তাহলে বলা যায় তিনি কেন্দ্রকে বুঝতে পারছেন না।” প্রসঙ্গত, বয়সের কারণে এবার রায়বরেলিতে প্রার্থী হচ্ছেন না সোনিয়া গান্ধী। তাঁর বদলে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল। এর পাশাপাশি রাহুল (Rahul Gandhi) প্রার্থী হয়েছেন কেরলের ওয়েনাড়েও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    Smriti Irani: গান্ধী পরিবার মুক্ত আমেঠি, মানুষের জয় বললেন স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়ানাড়ের (Wayanad) পর রাহুল গান্ধির এবারের ঠিকানা রায়বরেলি (Raybareli)। এই কেন্দ্র থেকে রাহুল গান্ধীর নাম (Rahul Gandhi) ঘোষণা হওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির আমেঠি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani)। কংগ্রেসের যুবরাজের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “ভোট গ্রহণের আগেই রাহুল তাঁর নির্ধারিত পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। যার জন্যই কংগ্রেস এখানে একজন প্রক্সি ক্যান্ডিডেট দিয়েছেন।”

    আমেঠিতে অতিথিদের স্বাগত

    তিনি আরও বলেন, “আমি আমেঠিতে (Amethi) অতিথিদের স্বাগত করব। এখানে এই কেন্দ্রে গান্ধী পরিবার আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। ভোট গ্রহণে এখনও দেরি আছে। কিন্তু আগেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছে। সেই কারণে গান্ধী পরিবারের কোনও প্রতিনিধি আমেঠি থেকে দাঁড়াল না। প্রসঙ্গত আমেঠি থেকে কংগ্রেস পরিবারের বহু সদস্য আগে সাংসদ হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) বলেন, “রায়বেরেলি থেকে রাহুল গান্ধীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সিদ্ধান্ত আমেঠির মানুষের বড় জয়। অনেকেই ইতিমধ্যেই বলতে শুরু করে দিয়েছেন ভারত কংগ্রেসমুক্ত হোক না হোক, আমেঠি গান্ধী পরিবার মুক্ত হয়ে গেছে।”

    আমেঠি কেন্দ্রে উন্নয়ন হয়েছে

    স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) দাবি করেছেন, “আমেঠি কেন্দ্রে প্রচুর উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু মাঝের ২ বছর করোনার জন্য এখানকার মানুষ যে পরিমাণ উন্নয়ন আশা করেছিলেন তা করতে দেরি হয়েছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রে মানুষের জীবনের মানোন্নয়ন ও পরিকাঠামগত উন্নয়নের দিকে নজর দেব”। তাঁর প্রশ্ন, “আমেঠি কেন্দ্র জয়ী হয়েছেন গান্ধী পরিবারের বহু সদস্য। প্রতিদান স্বরূপ তাঁরা এই কেন্দ্রের জন্য কী করেছেন? স্মৃতি ইরানির দাবি, “মোদি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পরেই আমেঠির জন্য একাধিক পরিকল্পনা নিয়েছে।”

    আরও পড়ুন: সৎ চাকরিহারাদের জন্য সুকান্তকে লিগ্যাল ও সোশ্যাল মিডিয়া সেল খোলার নির্দেশ দিলেন মোদি

    সুরক্ষিত আসনের খোঁজে রাহুল

    এদিন স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সেই কথার পুনরাবৃত্তি করেন যেখানে তিনি বলেছিলেন, “কংগ্রেস এবার কেরালাতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। রাহুল গান্ধী সেই কারণেই একটি তুলনামূলক সুরক্ষিত আসন খুঁজছেন”। প্রসঙ্গত এবার মায়ের ছেড়ে যাওয়া আসন রায়বরেলি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন কংগ্রেসের যুবরাজ। আমেঠি থেকে গান্ধীর পরিবারের যোগাযোগ সেই আশির দশক থেকে। এই কেন্দ্র থেকে ১৯৮০ সালে জয়ী হয়েছিলেন সঞ্জয় গান্ধী। এরপর ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সাংসদ ছিলেন রাহুল গান্ধীর পিতা রাজীব গান্ধী। ১৯৯৯ সাল থেকে ২০০৪ পর্যন্ত এ কেন্দ্র থেকে সাংসদদের দায়িত্ব সামলেছেন প্রয়াত রাজীব গান্ধীর স্ত্রী এবং রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধী। রাহুল গান্ধী নিজেও ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ পর্যন্ত এই কেন্দ্র থেকে সাংসদ ছিলেন। ২০১৯ সালে রাহুল দুই জায়গা থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। আমেঠির ও ওয়ানাড়। আমেঠি থেকে হেরে গেলেও রাহুলের মান রক্ষা হয় ওয়ানাড়ে। চলতি বছর আর রাহুল গান্ধী এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস দেখাতে পারলেন না। তিনি মায়ের ছেড়ে যাওয়া রায়বরেলি আসন থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন। যদিও রাহুলকে হারিয়ে ২০১৯ সালে জয়ী হওয়া স্মৃতি জুবিন ইরানি (Smriti Irani) এবারও এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেস শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে”, কটাক্ষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের প্রাক্তন মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী (Fawad Chowdhury) রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) প্রশংসা ও তাঁকে সমর্থন করেন। গুজরাটের আনন্দের জনসভা থেকে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বললেন, “কংগ্রেস ও পাকিস্তানের মধ্যে যে “গলায় গলায় ভাব” তা জনসমক্ষে চলে এসেছে। জনসভাকে সম্বোধন করার সময় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)  বলেন, “পাকিস্তানি নেতৃত্ব চাইছে কংগ্রেস ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে কংগ্রেস ভারতে কমজোর হচ্ছে। পাকিস্তান (Pakistan) চাইছে রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হোক।”

    গুজরাটের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী 

    এদের কংগ্রেসকে (INC) তুলধোনা করার সময় প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ছিল হাসি। তিনি বলেন, “কাকতালীয় ব্যাপার কংগ্রেস (Congress) শেষ হচ্ছে আর পাকিস্তান কাঁদছে। পাকিস্তানের মন্ত্রীরা কংগ্রেসের জন্য প্রার্থনা করছেন। তাঁরা ভাবছে যুবরাজ কবে ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসবে। আমরা সকলেই জানি কংগ্রেস কতটা পাকিস্তানপ্রেমী।”কংগ্রেসকে তুলোধোনা করার পাশাপাশি নিজের (PM Modi সরকারের) কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আগে যখন কংগ্রেসের সরকার ছিল তখন জঙ্গি হামলা হলে পাকিস্তানকে শুধু ডোজিয়ার দেওয়া হত। আর ভাষণ দেওয়ার সময় বলা হত কড়া নিন্দা করছি। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হত না। এখন শুধু নিন্দা হয় না। আমাদের সময়ে আমরা সন্ত্রাসবাদীদের ঘরে ঢুকে তাদের নিকেশ করি।”

    আরও পড়ুন: ভোটবঙ্গে ফের শহরে প্রধান নরেন্দ্র মোদি! রাত্রিবাস রাজভবনে

    ইমরান ক্যাবিনেটের মন্ত্রী ছিলেন ফাওয়াদ 

    প্রসঙ্গত একটি সর্বভারতীয় বৈদ্যুতিন মাধ্যমে যে খবর সম্প্রচারিত হয় তাতে দেখা যায় পাকিস্তানের মন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী ভারতের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের কথা বলতে গিয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। রাহুল গান্ধী সম্পর্কে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে পাকিস্তানের মন্ত্রী বলেন, “তিনি রাহুল গান্ধী কেন, যে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি সঠিক ইস্যুতে কথা বলেন তাঁকে সমর্থন করবেন।” পাকিস্তানি মন্ত্রীর বক্তব্য ইতিমধ্যেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান, “অমিত মালব্যর নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন চৌধুরী ফাওয়াদ হোসেন যিনি ইমরান খানের(Imran Khan) ক্যাবিনেটে তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন তিনি রাহুল গান্ধীকে প্রোমোট করছেন। তাহলে কী কংগ্রেস এবার পাকিস্তানে নির্বাচনের লড়ার চিন্তা ভাবনা করছে। কংগ্রেসের এবারের মেনিফেস্টোতে মুসলিম লিগের ছোঁয়া রয়েছে। কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের বোঝাপড়া প্রকাশ্যে চলে এসছে।”

    কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়ল 

    প্রসঙ্গত স্বাধীনতার সময় থেকেই পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের (India vs Pakistan) যে শত্রুতা তৈরি হয়েছে তা আজও অব্যাহত। চারটি লড়াইয়ে পাকিস্তান হারার পরেও ভারত যতই উদার হওয়ার চেষ্টা করুক না কেন পাকিস্তানের তরফ থেকে অশান্তি বন্ধ করার কোন ইঙ্গিত নেই। এমতাবস্থায় কংগ্রেস নেতাকে পাকিস্তানের নেতারা সমর্থন করলে জনসমক্ষে কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ছবি আরও খারাপ হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এবং বিজেপিকে কোনঠাসা করতে গিয়ে পাকিস্তানি নেতারা কংগ্রেসকে সমর্থন করে উল্টে কংগ্রেসের বিড়ম্বনা বাড়াচ্ছেন এমনটাই মনে করছে দেশের একটা বড় অংশের মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    Raebareli: অমেঠিতে গান্ধি পরিবারের ওপর ভরসা নেই কংগ্রেসের, নিরাপদ বুঝেই কি রায়বরেলিতে রাহুল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ জল্পনার অবসান। অবশেষে রায়বরেলি (Raebareli) থেকে প্রার্থী হচ্ছেন রাহুল গান্ধি। রাহুলের পুরানো কেন্দ্র অমেঠি কেন্দ্রে তিনি যে এবার প্রার্থী হচ্ছেন না তা একেবারেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। কারণ, অমেঠি কেন্দ্রে কেএল শর্মাকে প্রার্থী করা হয়েছে। শুক্রবার কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    অমেঠিতে বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানির বিরুদ্ধে কংগ্রেসের কেএল শর্মা (Raebareli)

    সমাজবাদী পার্টির (এসপি) সঙ্গে আসন ভাগাভাগি অনুযায়ী উত্তর প্রদেশের ১৭টি লোকসভা আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা কংগ্রেস আমেঠি এবং রায়বরেলি (Raebareli) বাদে সমস্ত আসনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তাই, এই দুই আসনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। জানা গিয়েছে,আগামী ২০ জুন পঞ্চম দফায় ভোট অমেঠি এবং রায়বরেলিতে। শুক্রবারই এই দুই কেন্দ্রের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন পেশের শেষ দিন। তাই প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণার দিনই মনোনয়ন পেশ করতে হবে রাহুল এবং কিশোরীলালকে। ইতিমধ্যেই অমেঠি থেকে বিজেপির বিদায়ী সাংসদ স্মৃতি ইরানি মনোনয়ন জমা দিয়ে দিয়েছেন। ২০০৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছর অমেঠির সাংসদ ছিলেন রাহুল। তাঁর বাবা এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধিও ১৯৮১ থেকে ১৯৯১ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত আমেঠির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন। এর আগে ১৯৯৯ সালে সোনিয়া গান্ধী এখান থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ২০০৪ সালে রাহুলের অমেঠি থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন।

     নিরাপদ বুঝেই কী রাহুলকে রায়বরেলিতে প্রার্থী!

    ১৯৫২ সালের পর বিজেপি মাত্র দু’বার এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে। আর এসপি, বিএসপি কখনও এই কেন্দ্রে জয়ের মুখ দেখেনি। পরিসংখ্যান মাথায় রেখে রায়বরেলি কেন্দ্রটিকে রাহুলের জন্য ‘নিরাপদ’ বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ, সেই জহরলাল নেহরুর আমল থেকেই রায়বরেলি (Raebareli) কংগ্রেসের গড় হিসাবে পরিচিত। ১৯৬২ এবং ১৯৯৯ সাল বাদ দিয়ে এই কেন্দ্রে সব সময়ই নেহরু-গান্ধি পরিবারের কেউ প্রার্থী হয়েছেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধি এই কেন্দ্র থেকে তিন বার জয়ী হয়েছেন। সনিয়া টানা পাঁচ বার এই কেন্দ্রে জিতে লোকসভায় গিয়েছেন। রাহুল গত লোকসভা ভোটের অমেঠির সঙ্গে কেরলের ওয়েনাড় কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। ওয়েনাড়ে জিতলেও অমেঠিতে হেরে যান তিনি। এবারও ওয়েনাড় থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। গত ২৬ এপ্রিল ওই কেন্দ্রে ভোট হয়ে গিয়েছে। এবার রায়বরেলি থেকে তিনি নির্বাচনে লড়াই করতে চলেছেন। আর তাঁর বিরুদ্ধে রায়বেরেলিতে বিজেপি প্রার্থী করেছে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী দীনেশ প্রতাপ সিংহকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: আমেঠি, রায়বরেলিতে প্রার্থী হতে চাইছেন না রাহুল, প্রিয়ঙ্কা! কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: আমেঠি, রায়বরেলিতে প্রার্থী হতে চাইছেন না রাহুল, প্রিয়ঙ্কা! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়নপত্র পেশের জন্য হাতে সময় মাত্র দু’দিন। অথচ একদা গান্ধী পরিবারের খাসতালুক আমেঠি ও রায়বরেলিতে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারেনি কংগ্রেস (Lok Sabha Elections 2024)। এই দুই লোকসভা কেন্দ্রে দলের নিচুতলার কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে বলেন, “চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই এই দুই কেন্দ্র নিয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে।” কংগ্রেস সূত্রে খবর, এই দুই কেন্দ্রে লড়তে রাজি নন রাহুল গান্ধী ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। দলের সভাপতিকে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন তাঁরা।

    স্মৃতির কাছে হার (Lok Sabha Elections 2024)

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে আমেঠিতে বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে ৫৫ হাজার ভোটে হেরে গিয়েছিলেন রাহুল। সেবারও আমেঠির পাশাপাশি রাহুল প্রার্থী হয়েছিলেন ওয়েনাড়েতেও। ওয়েনাড়ে জেতায় মুখ রক্ষা হয়েছিল রাহুলের। সূত্রের খবর, আমেঠিতে ফের হেরে আর মুখ পোড়াতে রাজি হননি রাহুল। সেই কারণেই দলীয় সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছেন আমেঠিতে প্রার্থী হতে চান না তিনি। আমেঠি গান্ধী পরিবারকে শূন্য হাতে ফেরালেও, রায়বরেলিতে জিতেছিল কংগ্রেস (Lok Sabha Elections 2024)।

    রায়বরেলিতেও প্রার্থী হতে চাইছে না গান্ধী পরিবার

    জয়ী হয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। তবে বয়সের কারণে এবার আর প্রার্থী হচ্ছেন না তিনি। তাই খোঁজা হচ্ছিল নতুন মুখ। জল্পনা ছড়িয়েছিল, মায়ের ছেড়ে যাওয়া আসনে প্রার্থী হবেন মেয়ে প্রিয়ঙ্কা। কংগ্রেস সূত্রে খবর, এই কেন্দ্রে প্রার্থী হতে চাননি প্রিয়ঙ্কাও। তাঁর যুক্তি, সোনিয়া রাজ্যসভার সাংসদ, ওয়েনাড়ে জিতবেন রাহুল। তাই রায়বরেলিতে তিনিও প্রার্থী হলে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ তুলবে বিজেপি। হাত শিবির সূত্রে খবর, প্রিয়ঙ্কাকে আমেঠিতে লড়তে বলা হয়েছিল। এই কেন্দ্রেও দাঁড়াতে চাননি তিনি। হেরো সিটে দাঁড়িয়ে বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে পরাস্ত হয়ে (যার সম্ভাবনাই বেশি) সংসদীয় রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করতে নিমরাজি প্রিয়ঙ্কা। সেই কারণেই মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার জন্য কংগ্রেসের হাতে আর আটচল্লিশ ঘণ্টা সময় থাকলেও, আমেঠি এবং রায়বরেলি কেন্দ্রে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা নিয়ে দোটানায় কংগ্রেস।

    আরও পড়ুুন: বাঙালি সাজে পদ্ম পার্টিতে যোগ ‘অনুপমা’র, কী বললেন রূপালি গঙ্গোপাধ্যায়?

    এদিকে, মঙ্গলবারও আমেঠির একটি পার্টি অফিসের বাইরে কংগ্রেস কর্মীরা আওয়াজ তোলেন, “অমেঠি মাঙ্গে গান্ধী পরিবার।” আমেঠি ও রায়বরেলি এই দুই কেন্দ্রেই নির্বাচন ২০ মে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩ মে। ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন স্মৃতি। আর প্রার্থীর নামই ঘোষণা করতে পারেনি কংগ্রেস (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির ইস্যু কারা ঝুলিয়ে রেখেছিল বছরের পর বছর? করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল কারা? রাম মন্দিরই বা নির্মাণ করল কারা?” রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রশ্নগুলি ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন এটা-কাশগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী রাজবীর সিংহের সমর্থনে সভা করেছিলেন শাহ। সেখানেই বিরোধীদের নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি।

    করসেবকদের কারা গুলি করেছিল? (Amit Shah)

    রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে বিরোধীরা যোগ না দেওয়ায়ও তাঁদের কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে তাঁরা করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “দু’টি দলের মধ্যে থেকে একটি গ্রুপকে পছন্দ করতে হবে আপনাদের। একটি গ্রুপ রাম ভক্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আর অন্য দলটি রাম মন্দির নির্মাণ করেছিল।” শাহ বলেন, “কংগ্রেস, রাহুল বাবা এবং অখিলেশ যাদবের পার্টি সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে রাম মন্দির ইস্যু ঝুলিয়ে রেখেছিল। আপনারা যখন মোদিজিকে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসালেন, তখন তিনি ২২ জানুয়ারি জয় শ্রীরামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    বিরোধীদের নিশানা করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পিছড়েবর্গদের যে অধিকার দিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের শাসনকালে তা উপেক্ষা করেছিলেন বিরোধীরা।” এদিন শাহের নিশানায় চলে আসেন রাহুল গান্ধি স্বয়ং। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধি বলছেন যদি বিজেপি চারশো আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তারা সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি আপনাদের বলতে চাই যে, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুটো টার্মে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, তার পরেও সংরক্ষণ তুলে দেওয়া হয়নি। কারণ নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং সংরক্ষণের পক্ষে।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই যে মোদির গ্যারেন্টিই হল বিজেপি তপশিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবে না, আর কাউকে তা করতেও দেবে না।” নিখরচায় রেশন সামগ্রী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মিলবে বলেও জানান শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির ইস্যু কারা ঝুলিয়ে রেখেছিল বছরের পর বছর? করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল কারা? রাম মন্দিরই বা নির্মাণ করল কারা?” রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রশ্নগুলি ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন এটা-কাশগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী রাজবীর সিংহের সমর্থনে সভা করেছিলেন শাহ। সেখানেই বিরোধীদের নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি।

    করসেবকদের কারা গুলি করেছিল? (Amit Shah)

    রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে বিরোধীরা যোগ না দেওয়ায়ও তাঁদের কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে তাঁরা করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “দু’টি দলের মধ্যে থেকে একটি গ্রুপকে পছন্দ করতে হবে আপনাদের। একটি গ্রুপ রাম ভক্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আর অন্য দলটি রাম মন্দির নির্মাণ করেছিল।” শাহ বলেন, “কংগ্রেস, রাহুল বাবা এবং অখিলেশ যাদবের পার্টি সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে রাম মন্দির ইস্যু ঝুলিয়ে রেখেছিল। আপনারা যখন মোদিজিকে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসালেন, তখন তিনি ২২ জানুয়ারি জয় শ্রীরামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    বিরোধীদের নিশানা করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পিছড়েবর্গদের যে অধিকার দিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের শাসনকালে তা উপেক্ষা করেছিলেন বিরোধীরা।” এদিন শাহের নিশানায় চলে আসেন রাহুল গান্ধি স্বয়ং। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধি বলছেন যদি বিজেপি চারশো আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তারা সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি আপনাদের বলতে চাই যে, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুটো টার্মে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, তার পরেও সংরক্ষণ তুলে দেওয়া হয়নি। কারণ নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং সংরক্ষণের পক্ষে।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই যে মোদির গ্যারেন্টিই হল বিজেপি তপশিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবে না, আর কাউকে তা করতেও দেবে না।” নিখরচায় রেশন সামগ্রী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মিলবে বলেও জানান শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের নেতা বদলেছে। তবে ‘চরিত্র’ বদলায়নি। তাই অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেস (Congress)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দু বিরোধী রাজনীতি করতে গিয়েই সর্বস্ব খুইয়ে অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে সোনিয়া গান্ধী-মল্লিকার্জুন খাড়্গের দল। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, চলতি লোকসভা নির্বাচনে কেবল কংগ্রেস নয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর কাছে গোহারা হারতে চলেছে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর বিধানসভা নির্বাচনে হাতছাড়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ের রাশ। তার পরেও দিব্যি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে চলেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, তার জেরেই সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে ইন্দিরা গান্ধির দলের।

    চিন্তন শিবিরের দাবি (Congress)

    দলের হাল ফেরাতে ২০২২ সালের মে মাসে রাজস্থানে দু’দিনের চিন্তন শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস (Congress) নেতারা। এই চিন্তন শিবিরের দ্বিতীয় দিনে উত্তরের নেতারা যা বলেছিলেন, তার নির্যাস হিন্দুত্বের লাইনে না ফিরলে দলের সমূহ বিপদ। উত্তরের এই প্রতিনিধিরা বলেছিলেন, কংগ্রেস নেতাদের উচিত ‘দহি হান্ডি’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, বিভিন্ন রাজ্য এবং জেলা কংগ্রেস কমিটির দফতরে গণেশ মূর্তি স্থাপন করা এবং অবশ্যই নবদুর্গা উৎসবের আয়োজন করা। উত্তরের নেতাদের দমিয়ে দিয়েছিলেন জয়রাম রমেশের মতো কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা। তাঁরা সাফ বলেছিলেন, ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। বিজেপি লাইন (হিন্দুত্বের লাইন) থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলেও চিন্তন শিবিরে জানিয়েছিলেন এক প্রবীণ নেতা। কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা নন, উত্তরের নেতারাই যে ঠিক বলেছিলেন, কংগ্রেসের ভোট ম্যানেজাররা তা টের পান রাজস্থান-সহ তিন রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর। তবে সরাসরি হিন্দুত্বের লাইনে না গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী দেশের বিভিন্ন মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন, ভারসাম্য বজায় রাখতে যোগ দিয়েছেন মুসলমানদের ইফতার পার্টিতেও।

    পার্টি লাইন নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে অতীতেও

    এই পার্টি লাইন নিয়ে অতীতে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে মতদ্বৈততা প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁরই শিষ্য জওহরলাল নেহরুরও। গান্ধি প্রায়ই বলতেন, “ধর্ম হল ধর্মনিরপেক্ষতার অবিচ্ছদ্য অঙ্গ। ধর্মহীন রাজনীতি আদতে ধুলো।” ওয়াকিবহালের মতে, এই সত্যটাই বুঝতে চাননি নেহরু। তারই মাশুল গুণছে দল। এক সময় যে দল রাজ করত দেশের সিংহভাগ রাজ্যে, এখন সেই দলটি পরিণত হতে চলেছে আঞ্চলিক দলে।

    কংগ্রেসের (Congress) এই দুর্দিন ঘুচবে কি?

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share