Tag: rahul gandhi

rahul gandhi

  • Lok Sabha Elections 2024: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

    Lok Sabha Elections 2024: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও”, বললেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমেঠির মতো রাহুলের পরিণতি হবে এখানেও।” সোমবার কথাগুলি বললেন কেরলের ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী কে সুরেন্দ্রন। ওয়েনাড় লোকসভা (Lok Sabha Elections 2024) কেন্দ্রে রাহুলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেরল বিজেপির এই রাজ্য সভাপতি। রাহুলকে হারানোর বিষয়ে আশাবাদী তিনি।

    আমেঠিতে হেরেছেন রাহুল (Lok Sabha Elections 2024)

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের আমেঠি ও কেরলের ওয়েনাড় এই দুই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। দীর্ঘদিন গান্ধী পরিবারের দখলে থাকা এই কেন্দ্রের রশি হাতছাড়া হয় গত লোকসভা নির্বাচনে। এই কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বিজেপির স্মৃতি ইরানির কাছে পরাস্ত হন রাহুল। চার লাখেরও বেশি ভোটে গান্ধী পরিবারের এই সদস্য জয়ী হন ওয়েনাড়ে। এবারও ওয়েনাড়েই প্রার্থী হয়েছেন (Lok Sabha Elections 2024) রাহুল।

    কী বলছেন ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী? 

    তাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন সুরেন্দর। তিনি বলেন, “আমেঠিতে রাহুলের যে দশা হয়েছিল, সেই একই দশা হবে ওয়েনাড়েও।” ওয়েনাড়ে লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন ‘ইন্ডি’ জোটের শরিক সিপিআইয়ের প্রার্থী অ্যানে রাজাও। ত্রিমুখী এই লড়াইয়ে বাজিমাত করবে বিজেপিই। অন্তত এমনই আশা গেরুয়া শিবিরের। ওয়েনাড়ের বিজেপি প্রার্থী বলেন, “এই লোকসভা কেন্দ্রে উন্নয়ন সেভাবে হয়নি। এই কেন্দ্রের জন্য রাহুল কিছুই করেননি। গত লোকসভা নির্বাচনে আমেঠিতে তাঁর পরিণতি যা হয়েছিল, ওয়েনাড়েতেও তা-ই হবে।”

    আরও পড়ুুন: চন্দ্রনাথের বাড়িতে উদ্ধার ৪১ লাখ, চলতি সপ্তাহেই মন্ত্রীকে তলব ইডির

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে রাহুল পরাস্ত করেছিলেন সিপিআইয়ের পিপি সুনীরকে। হারিয়েছিলেন সাড়ে চার লাখেরও বেশি ভোটে। সেবার ওয়েনাড়ে বিজেপি নয়, প্রার্থী দিয়েছিল এনডিএর শরিক দল ভারত ধর্ম জন সেনা। এই দলের ঝুলিতে পড়েছিল মাত্রই ৭৮ হাজার ৮১৬ ভোট। এবার প্রার্থী দিয়েছে খোদ বিজেপিই। সুরেন্দ্রন বলেন, “কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আমার ওপর ভরসা করেছেন। তাঁরা আমায় ওয়েনাড়েতে লড়তে বলেছেন। ওয়েনাড়ের ভোটাররা নিশ্চয়ই প্রশ্ন করবেন, ইন্ডি জোটের শরিকরা কেন একই কেন্দ্রে সম্মুখ সমরে।” ওয়েনাড় কেন্দ্রটি পাহাড়ি এলাকায়। সেখানে রয়েছে নানা সমস্যা। তার মধ্যে একটি হল মানুষ এবং পশুর লড়াই। এই ইস্যুতেই কংগ্রেস কুপোকাত হয়ে যাবে বলেই আশাবাদী বিজেপি (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘হিসেব খুললে কেউ মুখ দেখাতে পারবে না’’, বন্ড-ইস্যুতে বিরোধীদের তুলোধনা অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘হিসেব খুললে কেউ মুখ দেখাতে পারবে না’’, বন্ড-ইস্যুতে বিরোধীদের তুলোধনা অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইলেক্টোরাল বন্ড স্বচ্ছ, এমনই মন্তব্য করলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। বিরোধীদের নিশানা করে তিনি আরও বলেন, ‘‘হিসেব খুললে কেউ মুখ দেখাতে পারবে না।’’ এর পাশাপাশি এই ইস্যুতে রাজ্যের শাসক তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন শাহ। রীতিমতো পরিসংখ্যান পেশ করে তুলোধনা করেন বিরোধীদের। ‘ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ-২০২৪’-র একটি মঞ্চে এদিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘বিজেপি প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার নির্বাচনী বন্ড পেয়েছে। সব মিলিয়ে ২০ হাজার কোটির বন্ড বিক্রি হয়েছে। তাহলে ১৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড কোথায় গেল? তৃণমূল ১৬০০ কোটির বন্ড পেয়েছে, কংগ্রেস ১৪০০ কোটির বনড পেয়েছে, বিআরএস ১২০০ কোটির বন্ড পেয়েছে, বিজেডি ৭৭৫ কোটির বন্ড পেয়েছে আর ডিএমকে ৬৩৯ কোটির বন্ড পেয়েছে।’’

    বিরোধীদের তুলোধনা

    তাঁর (Amit Shah) আরও সংযোজন, ‘‘১৩ রাজ্যে আমরা ক্ষমতায়, লোকসভায় আমাদের ৩০৩ সাংসদ, আমাদের সদস্য সংখ্যা ১১ কোটি। সেই অনুপাতে দেখতে গেলে যদি তৃণমূল যদি আমাদের মতো বড় দল হত, তাহলে তারা যুক্তির খাতিরে ২০ হাজার কোটির বন্ড পেত, বিআরএস পেত ৪০ হাজার কোটির বন্ড আর কংগ্রেস পেত ৯ হাজার কোটির বন্ড। আমার বক্তব্য, ৩০৩ সাংসদের দল হয়ে আমরা ৬০০০ কোটির বন্ড পেয়েছি, আর বাকি ২৪২ সাংসদের দলগুলি পেয়েছে ১৪০০০ কোটির বন্ড।’’

    ইলেক্টোরাল বন্ড ভারতীয় রাজনীতি থেকে কালো ধন (টাকা) হটানোর লক্ষ্যে আনা হয়েছে

    অমিত শাহ (Amit Shah) এদিন বলেন, ‘‘ইলেক্টোরাল বন্ড ভারতীয় রাজনীতি থেকে কালো ধন (টাকা) হটানোর লক্ষ্যে আনা হয়েছে। আমাকে কেউ এটা বলুক, ইলেক্টোরাল বন্ডের আগে কীভাবে রাজনৈতিক দলগুলি চাঁদা পেত? বন্ডে কীভাবে টাকা আসে? সংশ্লিষ্ট সংস্থা নিজের চেক ব্যাঙ্ককে দিয়ে একটি বন্ড কেনে এবং নিজের পছন্দের রাজনৈতিক দলকে দিয়ে থাকে। এখানে গোপনীয়তার প্রশ্ন উঠছে। আর যখন নগদে চাঁদা আসত, তখন কী হত? সেই সময় কারও নাম প্রকাশ্যে এসেছে?’’

    নিশানা রাহুল গান্ধীকেও

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘একটা ধারণা তৈরি করা হচ্ছে যে ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে ভারতীয় জনতা পার্টির অনেক লাভ হয়েছে। কারণ বিজেপি ক্ষমতায় আছে… রাহুল গান্ধী তো অভিযোগ করেছেন যে এটা বিশ্বের সবচেয়ে বড় দুর্নীতির মাধ্যম এই ইলেক্টোরাল বন্ড। জানি না, কে রাহুল গান্ধীকে এই ধরনের কথা লিখে দেয় এবং তা তিনি বলেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Vote: ২০১৯ সালে পরাস্ত হন রাহুল, আমেথি কেন্দ্র থেকে ফের বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি

    Loksabha Vote: ২০১৯ সালে পরাস্ত হন রাহুল, আমেথি কেন্দ্র থেকে ফের বিজেপি প্রার্থী স্মৃতি ইরানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয়বারের জন্য আমেথি কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য তিনি ভোটে দাঁড়ান একদা কংগ্রেসের ঘাঁটি বলে পরিচিত আমেথি কেন্দ্র (Loksabha Vote) থেকে। রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে সেবার জোর টক্কর দেন তিনি। হারেন অল্প ব্যবধানে। ২০১৯ সালে শীর্ষ কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী পরাস্ত হন স্মৃতি ইরানির কাছে, আমেথি কেন্দ্র থেকে। প্রসঙ্গত, আমেথিতে নিজের জন্য একটি বাড়িও তৈরি করেছেন স্মৃতি ইরানি। সম্প্রতি সেই বাড়ির গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের পরিবারতন্ত্রকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন স্মৃতি।

    একদা কংগ্রেসের গড় আমেথির পতন

    জানা যায়, ১৯৬৭ সালে আমেথি লোকসভা কেন্দ্র তৈরি হয়। পরবর্তীকালে যা হয়ে ওঠে গান্ধী নেহেরু পরিবারের ঘাঁটি। ইন্দিরাপুত্র সঞ্জয় গান্ধী, রাজীব গান্ধী, রাহুল গান্ধীর মা সোনিয়া গান্ধী প্রত্যেকেই আমেথি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু ২০১৯ সালেই সেই গড় মোদি ঝড়ে কার্যত ধূলিস্যাৎ হয়ে যায়। প্রায় ৫৫ হাজার ভোটে স্মৃতি ইরানির কাছে পরাস্ত হন রাহুল গান্ধী।  রাহুল গান্ধী প্রথমবার জন্য আমেথিতে আত্মপ্রকাশ (Loksabha Vote) করেন ২০০৪ সালে। এবং সে বছর ভালো ব্যবধানে জেতেন তিনি। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রথম বারের জন্য তাঁর জয়ের মার্জিন অনেকটাই কমে যায়। পরাস্ত হন ২০১৯ সালে। তৃতীয়বারের জন্য মোদি সরকারের ক্ষমতায় (Loksabha Vote) ফেরা সময়ের অপেক্ষা, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। রাম মন্দির উদ্বোধনের পরে দেশজুড়ে বইছে গেরুয়া ঝড়। এক্ষেত্রে আমেথি কেন্দ্র বিজেপির কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়া কংগ্রেসের পক্ষে সম্ভব হবে না বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের।

    শনিবার বিজেপি প্রকাশ করে ১৯৫ প্রার্থীর নাম

    বিজেপি শনিবার যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে ঠাঁই হয়েছে ৩৪জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর। প্রার্থী করা হয়েছে ৪৭ জন তরুণ তুর্কিকেও। এদিন গেরুয়া শিবিরের যে ১৯৫ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে ২৮ জন মহিলাও রয়েছেন। এই ১৯৫ জন প্রার্থী ১৬টি রাজ্য ও দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ৩০ বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে পালিত হয়েছে জন্মাষ্টমী, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: ৩০ বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে পালিত হয়েছে জন্মাষ্টমী, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে মোদি সরকার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দিয়েছিল। এরপর থেকেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে উপত্যকায়। শনিবারে এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ৩০ বছর পরে জন্মাষ্টমী পালন হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরের লাল চৌকে। পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘ভূস্বর্গ ক্রমশই উন্নতির শিখরে পৌঁছাচ্ছে কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে। প্রসঙ্গত ৩৭০ ধারা জম্মু-কাশ্মীর থেকে সরানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।

    ভোপালে বক্তব্য রাখেন অমিত শাহ

    রবিবারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাজির ছিলেন ভোপালে ‘প্রবুদ্ধ জনসম্মেলন’ নামের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘যখন আমি একজন পার্টির সাধারণ কর্মী ছিলাম প্রথম দিকে, তখন আশ্চর্য হতাম ৩৭০ ধারা সরানোর কথা ভাবলে। কিন্তু ৫ অগাস্ট ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ৩৭০ ধারা তুলে দিতে পেরেছে। একই দেশে দুটো সংবিধান চলতে পারে না, দুজন প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারেন না এবং দুটি পতাকাও থাকতে পারে না। ৭০ বছর ধরে কংগ্রেসের তোষণনীতির কারণে ৩৭০ ধারা টিকে ছিল। ধারা ওঠার পরেই, ৩০ বছর পরে লাল চৌকে ফের জন্মাষ্টমী পালন হয়।’’

    আক্রমণ ‘ইন্ডি’ জোটকে

    এর পাশাপাশি অমিত শাহ (Amit Shah) আরও জানিয়েছেন যে জাতপাতের রাজনীতি, পরিবারতন্ত্র, তোষণ নীতি এবং দুর্নীতির ফাঁদে পড়েছিল দেশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সমস্ত অপশক্তিগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে সেই খাত থেকে দেশকে টেনে এনেছেন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, ‘‘আমরা মহাভারতে দেখেছিলাম, সেখানে পাণ্ডব পক্ষ ছিল একদিকে, অপরদিকে ছিল কৌরব পক্ষ। বর্তমানেও দেশে একদল গ্রুপ আছে যেটি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে চলছে এবং অপরদিকে একটি জোট আছে যেটা চালাচ্ছে সাতটা পরিবার একসঙ্গে।’’ এদিন ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা শানিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘তারা কখনও চায় না একজন গরিব পরিবার থেকে কেউ উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী হোক। এ বিষয়ে তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সোনিয়া গান্ধী চান তাঁর ছেলে রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোক। শরদ পাওয়ার চান তাঁর মেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান তাঁর ভাইপো মুখ্যমন্ত্রী হোক। লালু যাদব চান তাঁর ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হোক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রায়’ চরম বিশৃঙ্খলা! পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি কংগ্রেস কর্মীদের

    Rahul Gandhi: রাহুলের ‘ন্যায় যাত্রায়’ চরম বিশৃঙ্খলা! পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি কংগ্রেস কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ভারতজোড়ো ন্যায় যাত্রায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। মধ্যাহ্ন ভোজনের স্থানে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় কংগ্রেস কর্মীদের। অন্যদিকে, মাধ্যমিকের প্রথম দিনে রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রার জন্য একাধিক অভিযোগ জমা পড়ল বীরভূম পুলিশের কাছে। পুলিশের কাছে  অভিযোগ করেন অভিবাবকেরা।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Rahul Gandhi)

    পশ্চিমবঙ্গে সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ভারতজোড়ো ন্যায় যাত্রা পঞ্চম দিন ছিল বীরভূম জেলা সফর। শুক্রবার থেকে মাধ্যমিক শুরু হওয়ায় রাহুলের ন্যায় যাত্রায় আপত্তি ছিল পুলিশের। এমনকী বেশ কয়েক দফা শর্ত বেঁধে দেয় পুলিশ। ফলে, পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যেই এদিন রাহুলের ন্যায় যাত্রা হয় বীরভূমে। জানা গিয়েছে, তারাপীঠের বুধীগ্রাম থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার রাজগ্রাম পর্যন্ত ছিল এই ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি। কিন্তু, এদিন থেকে শুরু হয় মাধ্যমিক পরীক্ষা। তাই রাহুল গান্ধীর কর্মসূচিতে অনুমতি ছিল না বীরভূম পুলিশের। তাই, সোজা তারাপীঠের বুধিগ্রাম থেকে রামপুরহাটে মধ্যাহ্ন ভোজনের স্থানে আসে রাহুল গান্ধীর র‍্যালি। সেখানে দলের নেতাকে দেখার জন্য ভিড় জমান দলীয় কর্মীরা। শুরু হয় চরম বিশৃঙ্খলা। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় কংগ্রেস কর্মীদের। বিশাল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী এসে ভিড় দূরে সরিয়ে কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেয়। বাংলা সফরে এসে একাধিক জেলায় মমতার পুলিশের হাতে বাধা পেল রাহুলের ন্যায় যাত্রা। পরে, বীরভূম সফর শেষে ঝাড়খণ্ডে প্রবেশ করে রাহুল গান্ধীর কনভয়।

    ‘ন্যায় যাত্রা’- বিরুদ্ধে অভিযোগ অভিভাবকদের

    অন্যদিকে, মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ভারতজোড়ো যাত্রা করায় অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। ফলে, এই কর্মসূচি নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ অভিবাবকেরা। ইতিমধ্যের বীরভূম জেলা পুলিশের কাছে রাহুলের এই ন্যায় যাত্রায় তাঁদের অসুবিধার কথা জানিয়ে ১৫ জন অভিবাবক পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না রাহুল, আর কী শর্ত দিল পুলিশ?

    Rahul Gandhi: জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না রাহুল, আর কী শর্ত দিল পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচি বার বার বাধা পেয়েছে মমতার পুলিশের কাছে। শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। বীরভূমে রাহুলের ন্যায় যাত্রা কর্মসূচিতে আপত্তি জানিয়েছে পুলিশ। তারপরই এদিন মুর্শিদাবাদ থেকে বীরভূমের উদ্দেশে রওনা দেন।

    কর্মসূচিতে বেঁধে দেওয়া হয়েছে শর্ত (Rahul Gandhi)

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রায় বেশ কিছু শর্ত আরোপ করেছে পুলিশ। বীরভূম ও মুর্শিদাবাদের বাকি অংশ যাত্রার সময় গাড়ি থেকে বা গাড়ি থেকে নেমে জনতার উদ্দেশে হাত নাড়তে পারবেন না। জরুরি পরিস্থিতি ছাড়া কনভয় কোথাও দাঁড় করানো যাবে না। রাহুলের কনভয়ে সর্বোচ্চ পাঁচটি গাড়ি থাকবে। রাহুলের যাত্রায় ‘সঙ্গী’ কংগ্রেস কর্মীরা দড়ি দিয়ে রাস্তার দু’পাশ আটকাতে পারবেন না। কোনও ভাবে যাতে পথ অবরুদ্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রাহুলের যাত্রার রুটে যান চলাচল পুলিশই নিয়ন্ত্রণ করবে। তাতে নাক গলাবেন না কংগ্রেস নেতার নিরাপত্তারক্ষীরা। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কংগ্রেস কর্মীরা পুলিশকে সবরকম ভাবে সহায়তা করবে। রাহুলকে যদি জরুরি পরিস্থিতিতে গাড়ি থেকে নামতে হয়, তা হলে সর্বোচ্চ তিনজন তাঁর সঙ্গে নামতে পারবেন। রাহুলের যাত্রাপথে কোনও মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র থাকলে সচেতন থাকতে হবে। পরীক্ষা শেষ হলে আশপাশেই কোথাও যাত্রা থামিয়ে দিতে হবে। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে গেলে তারপর আবার যাত্রা শুরু করা যেতে পারে। মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও ভাবে অসুবিধায় পড়তে না হয়, তা খেয়াল রাখতে হবে। পুলিশের দেওয়া শর্ত মেনে রাহুল তাঁর কর্মসূচি সফল করেন তা নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। দলের অনেকেই বলেছেন, বকলমে কর্মসূচি যাতে ভালোভাবে রূপায়ণ না হয় তার জন্য পুলিশ এই শর্ত বেঁধে দিয়েছে।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, পুলিশ এমন কিছু শর্ত দিয়েছে তা কর্মসূচি না পালনের মতো। যদিও ওই কর্মসূচিতে পুলিশই নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তবে, ন্যায় যাত্রায় এখনও পুলিশ কোথাও আটকানোর খবর মেলেনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: বীরভূমে ‘ন্যায় যাত্রায়’ আপত্তি পুলিশের, রাহুলের কর্মসূচি ঘিরে সংশয়!

    Rahul Gandhi: বীরভূমে ‘ন্যায় যাত্রায়’ আপত্তি পুলিশের, রাহুলের কর্মসূচি ঘিরে সংশয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ থেকেই রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ করতে বাধা দিয়েছিল মমতার পুলিশ। কোচবিহারে খুলে নেওয়া হয়েছিল মঞ্চ। মালদায় সরকারি গেস্ট হাউসে মধ্যাহ্ন ভোজনের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। এবার দক্ষিণবঙ্গের বীরভূমে রাহুলের সেই ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি ধাক্কা খেল। ২ ফেব্রুয়ারি কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ঢুকছে বীরভূমে। সে জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে জেলা কংগ্রেস। কিন্তু, ওই দিনই মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য রাহুলের যাত্রার অনুমোদন দিল না মমতার পুলিশ। এই অবস্থায় ২ তারিখ রাহুলের কর্মসূচি নিয়েই সংশয় দেখা দিয়েছে।

    রাহুলের (Rahul Gandhi) “ন্যায় যাত্রায়” আপত্তি পুলিশের

    মুর্শিদাবাদের পর ২ তারিখ রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রা বীরভূমে ঢোকার কথা। জেলা কংগ্রেস সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের খড়গ্রাম, এড়োয়ালি, আওগ্রাম, মাঝিপাড়া মোড় হয়ে বীরভূমের তারাপীঠ থানার বুধিগ্রামে তা পৌঁছনোর কথা। ন্যায় যাত্রার অনুমতি চেয়ে সাত দিন আগে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রাজ্য পুলিশের ডিআইজি, আইজি-র কাছে সমস্ত রকম সহযোগিতা চেয়ে আবেদন জানানো হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি জেলা পুলিশ সুপার এবং রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রা সকাল সাড়ে নটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত হওয়ার কথা। ওই দিনই মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। সেই কারণে প্রশাসনের কাছে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র র‍্যালির জন্য সমস্ত রকম সহযোগিতার জন্য আবেদন জানানো হয়। রাহুলের সফর ঘিরে সংশয় দেখা দিলেও জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। জেলায় প্রচারও শুরু হয়ে গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় বিশেষ করে রামপুরহাট শহরের জনবহুল মোড়ে রাহুলের ন্যায় যাত্রার ফ্লেক্স টাঙানো হয়েছে। পুলিশ সুপার রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় বলেন, মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য কোনও রকম সভা বা মাইক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। র‍্যালি হলে মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে যাবে কী করে? কংগ্রেসের পক্ষ থেকে আবেদন জানানো হয়েছিল। আপত্তির কথা জানানো হয়েছে।

    জেলা কংগ্রেস সভাপতি কী বললেন?

    বীরভূম জেলা কংগ্রেস সভাপতি মিল্টন রশিদ বলেন, আমরা প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রার বার্তা জনগণের কাছে দিতে চাইছি। প্রশাসনের সঙ্গে কোনও রকম দ্বন্দ্বে আমরা যেতে চাই না। কর্মসূচি অনুযায়ী রাহুল গান্ধী শুধুমাত্র গাড়ি নিয়ে র‍্যালি করবেন। কোথাও কোথাও নেমে হয়তো মানুষের সঙ্গে হাত মেলাবেন। কিন্তু, কোনও পথসভা করার কর্মসূচি নেওয়া হয়নি। মাইকও ব্যবহার হবে না। যাত্রাপথে মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্রের এক কিলোমিটার দূর থেকে কর্মীরা চুপচাপ থেকে কোনও রকম আওয়াজ না করে রাহুল গান্ধীর ন্যায় যাত্রাকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    Rahul Gandhi: মালদায় রাহুল গান্ধীর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার পিছনের কাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রায় বিহার থেকে মালদায় প্রবেশ করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। বুধবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় দেওয়ানগঞ্জে জনরোষের মধ্যে পড়েন তিনি। এরপরই তাঁর গাড়িতে পড়ল ইট, ভেঙে চুরমার করা হল পিছনের কাচ। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ঘটনার সমালোচনা করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “বুঝে নিন কে ভাঙতে পারে?”। অপর দিকে আজই মালদায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ সভা রয়েছে। তাই মোদি-বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোট কতটা সুরক্ষিত এই রাজ্যে, তা নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো হল। আরও একবার প্রশ্ন উঠল, জোটের ভবিষ্যৎ কী?

    কী বললেন অধীররঞ্জন (Rahul Gandhi)?

    ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরি আগে থেকেই মমতার বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। ৩১ জানুয়ারিতেই রাহুলের মধ্যাহ্ন ভোজনের জন্য ভালুকা রোডের গেস্ট হাউস চেয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয়নি। আজ গাড়ির উইন্ড স্ক্রিন পুরোটাই ভেঙে গিয়েছে ইটের আঘাতে। রাহুল গান্ধীর কালো গাড়িতে সঙ্গী ছিলেন অধীরও। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কে ইট মেরে গাড়ির কাচ ভাঙতে পারে, তা বুঝে নিন। বাংলায় রাহুলের (Rahul Gandhi) ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা কর্মসূচি প্রবেশের পর থেকেই নানান বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই রাজ্যের শাসক দল যত রকমের বিরোধিতা করা যায়, তা করে চলেছে। কোচবিহার থেকেই এই অসহযোগিতা চলছে।” তাঁর এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য যে তৃণমূলকেই লক্ষ্য করে, তা রাজনৈতিক মহলের একাংশের মানুষ মনে করছেন।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ

    রাহুলের (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রাকে ঘিরে রাজ্যের তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে নানা অভিযোগ বঙ্গ কংগ্রেসের মুখে। রাজ্যের জেলায় জেলায় সরকারি একাধিক অতথিশালায় প্রশাসনের অধিকারিকরা সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছেন। কোথাও কোনও অতিথিশালা, স্টেডিয়াম দেওয়া হচ্ছে না রাহুলের জন্য। মুর্শিদাবাদে যাওয়ার পর যে স্টেডিয়ামের মধ্যে রাত্রিবাসের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে, তা এখনও মমতার সরকার অনুমতি দেয়নি। আগেও রাহুলের নামে পোস্টার, ফ্লেক্স, ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে এই রাজ্যে। সবটা মিলিয়ে তৃণমূল এবং কংগ্রেসের সংঘাত যে লোকসভার ভোটে মোদি বিরোধী জোটে প্রত্যক্ষ প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা রাজনীতির বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। এই অবস্থায় আসন সমঝোতা এবং সমন্বয় সম্ভব কিনা, তা রাহুলের গাড়ির কাচ ভাঙার পর থেকে আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ল। উল্লেখ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশ কিছুক্ষণের জন্য সাংবাদিক বৈঠক করলেও চুপ ছিলেন গাড়ির কাচ ভাঙার প্রসঙ্গে।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: রাহুল আসার আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান

    Rahul Gandhi: রাহুল আসার আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন, বিজেপিতে যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংসদ অধীর চৌধুরীর গড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল কংগ্রেস। তাও আবার দলের সুপ্রিমো রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) জেলা সফরে আসার আগেই। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে নাম লেখালেন কয়েকশো পরিবার। তারমধ্যে গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য রয়েছেন। লোকসভা ভোটের আগে অধীর গড়ে কংগ্রেসে ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ২ জন পঞ্চায়েত সদস্য সহ ৪০০টি পরিবার বিজেপি যোগদান (Rahul Gandhi)

    অধীর চৌধুরীর খাসতালুক মুর্শিদাবাদে ন্যায় যাত্রা করতে আসছেন রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। তার আগেই সোমবার হরিহরপাড়ায় কংগ্রেসে ধস নামে। এদিন হরিহরপাড়ার চোয়া গ্রামপঞ্চায়েতের পাঁচগাছি শিবনগর এলাকায় বিজেপির এই যোগদান কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কংগ্রেসের ২ জন গ্রামপঞ্চায়েত সদস্য আব্দুস সামাদ ও দিবস মণ্ডলের  সঙ্গে প্রায় ৪০০টি পরিবার এদিন হাত ছেড়ে পদ্মশিবিরে নাম লেখায়। সিপিএম ও কংগ্রেস থেকে এসেছে সেই পরিবারগুলি। বিজেপি নেতা তন্ময় বিশ্বাসের হাত ধরে এই যোগদান হয়। যোগদানকারীদের বক্তব্য, কংগ্রেস আমাদের গুরুত্ব দিচ্ছে না বলেই এই সিদ্ধান্ত।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি নেতা তন্ময় বিশ্বাসও বলেন, এই যোগদানে লোকসভা ভোটের আগে কিছুটা হলেও আমাদের সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি হল। এখানে তৃণমূল ছাড়া যে সে-ই দল করুন না কেন, তাদের কেউ নিরাপত্তা দিতে পারেনি। দলের নেতৃত্ব তাঁদের পাশে থাকেনি। মিথ্যা মামলায় পুলিশ ফাঁসালেও দল কোনও প্রতিবাদ করেনি। সিপিএমেরও একই অবস্থা। তবে আমাদের বিজেপির কাউকে কেস দেওয়া তো দূর, কেস দেওয়ার কথাও ভাবতে পারে না।

    কংগ্রেস নেতৃত্ব কী বললেন?

    কংগ্রেসের হরিহরপাড়া ব্লকের সভাপতি জাহাঙ্গির শেখ বলেন, কংগ্রেসের টিকিটে জিতে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকা করল। এখন কংগ্রেসের নামে বদনাম করছে। আসলে নিজেদের স্বার্থের জন্য তারা দল ত্যাগ করেছে। এলাকার মানুষ ওদের ক্ষমা করবে না। আর ওদের দল ত্যাগের কারণে দলের কোনও ক্ষতি হবে না। কংগ্রেস সবসময় মানুষের পাশে থাকে। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    Rahul Gandhi: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তৃণমূলের সঙ্গে জোট করতে চাইলেও জোটের বিপক্ষে কংগ্রেসের নীচুতলার কর্মীরা। রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ন্যায় যাত্রা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে মমতার পুলিশ ও প্রশাসনের বার বার হেনস্থা হয়ে কংগ্রেস নেতা কর্মীরা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভের প্রকাশ ঘটল জলপাইগুড়ি জেলায় কংগ্রেসের এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশের কর্মসূচিতে। বাংলায় ইন্ডি জোট ঘেঁটে ঘ হয়ে গিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মনে করছে।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোটে আপত্তির কথা জানিয়ে দিলেন কংগ্রেস কর্মীরা

    রবিবার সকালে ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ কর্মসূচির আগে জলপাইগুড়ির কংগ্রেস অফিসে জয়রাম রমেশ সাংবাদিক বৈঠক করেন। এর কিছু আগে নীতীশ কুমার ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়েছেন। এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে চলতি টানাপড়েন নিয়ে বলেন, “কখনও তৃণমূলের কেউ কোনও কথা বলে দেন, কখনও আমাদের দলের কেউ উত্তর দেন। কখনও আমাদের দলের কেউ বলেন, কখনও তৃণমূলের কেউ উত্তর দেন। গণতন্ত্রে এমনই চলে। ইন্ডি জোটে গণতন্ত্র আছে, এখানে একনায়কতন্ত্র নেই।” একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একবারও বলেননি তিনি ইন্ডি জোটে নেই। আবার বলছি, মমতা ইন্ডি জোটের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।”কিন্তু জলপাইগুড়িতে স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীদের মনোভাব ছিল এর উল্টো। সাংবাদিক বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই জয়রামের পাশ থেকে উঠে যান জেলা কংগ্রেস সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত। পরে জলপাইগুড়ি জেলা কংগ্রেসের সভাপতি পিনাকী সেনগুপ্ত বলেন, “এটা (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইন্ডিয় জোটের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ) কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মতামত হতে পারে। তবে নীচুতলার কংগ্রেস কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কোনও দিন ক্ষমা করবে না।”

    স্থানীয় কংগ্রেস কর্মীরা কী বললেন?  

    কংগ্রেস কর্মীরা বলেন, একাধিক জায়গায় দলের ফ্লেক্স ছিড়ে দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় জয়রামের সঙ্গে একমত হতে পারছি আমরা। কারণ, গত ২৫ জানুয়ারি কোচবিহারে যখন রাহুলের (Rahul Gandhi) ‘ন্যায় যাত্রা’ ঢোকে, তখন থেকেই তৃণমূল নানাভাবে কংগ্রেসের বিরোধিতা করে আসছে। ‘বাংলায় বিজেপিকে আটকাতে দিদিই একাই যথেষ্ট’- এমন লেখা পোস্টার নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল। ব্যানার ছেড়া, কালো পতাকা দেখানো।

     সরকারি অতিথি নিবাসে মধাহ্নভোজে অনুমতি পেল না রাহুল (Rahul Gandhi)

    কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদায় ৩১ জানুয়ারি রাহুলের (Rahul Gandhi) কর্মসূচি রয়েছে। সেই মতো ওইদিন রাহুলের রতুয়া সেচ দফতরের অতিথি নিবাসে মধ্যাহ্ন ভোজনের আয়োজন করেছিলেন কংগ্রেস কর্মীরা। কিন্তু, মমতার পুলিশ তার অনুমতি দেয়নি। মুর্শিদাবাদে ১ ফেব্রুয়ারি  কর্মসূচি রয়েছে রাহুলের। সেখানেও কংগ্রেস কর্মীদের রাতে থাকার জন্য বহরমপুর স্টেডিয়াম চাওয়া হয়েছিল। মমতার প্রশাসন তাতেও আপত্তি জানিয়েছে। স্বাভাবিকভাবে তৃণমূলের সঙ্গে ইন্ডি জোট নিয়ে কংগ্রেস কর্মীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share