Tag: Raiganj

Raiganj

  • Uttar Dinajpur: ক্লাবের চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত খোদ পুলিশকর্মী! রায়গঞ্জে তুমুল উত্তেজনা

    Uttar Dinajpur: ক্লাবের চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত খোদ পুলিশকর্মী! রায়গঞ্জে তুমুল উত্তেজনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এবারে চাঁদার জুলুম থেকে বাদ পড়লেন না খোদ পুলিশও। চাঁদা নিয়ে বচসার জেরে আক্রান্ত হলেন এক পুলিশকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলার রায়গঞ্জ থানার কর্ণজোড়ার কালীবাড়ি এলাকায়। আহত ওই পুলিশকর্মীর নাম নন্দ মন্ডল।

    নন্দবাবু আাবার রায়গঞ্জ মহকুমা শাসকের নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত। বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় নন্দবাবু রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় ওই ক্লাবের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছেন। বাকিদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন পুলিশ।

    চাঁদার জুলুমে আক্রান্ত পুলিশ কর্মী (Uttar Dinajpur)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রায়গঞ্জ (Uttar Dinajpur) মহকুমা শাসকের নিরাপত্তারক্ষী নন্দ মন্ডল তিনি এক বছর আগে কর্ণজোড়ার কালীবাড়ি এলাকায় নতুন বাড়ি করেন। বাড়িতে থাকেন নন্দবাবুর স্ত্রী ও একটি সন্তান। গতবছর তাঁর কাছে থেকে কালীপুজো উপলক্ষে কর্ণজোড়া কালীবাড়ি এলাকার বিপ্লবী ক্লাব ১৫ হাজার টাকা চাঁদা চেয়েছিল। সেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার পর এবারের কালীপুজোয় ফের নন্দবাবুকে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে বলে ক্লাব। নন্দবাবু ২ হাজার টাকা দিতে চেয়েছেন আর মন্দির করার সময় কিছু একটা ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানান ক্লাবের সদস্যদের।

    মদ্যপ অবস্থায় আক্রমণ

    চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা আদায় করতে না পারায় তাতে ক্লাব নারাজ। অবশেষে শনিবার রাতে বিপ্লবী ক্লাবের কিছু সদস্য মদ্যপ অবস্থায় নন্দবাবুর বাড়িতে (Uttar Dinajpur) গিয়ে হামলা চালায়। সেই সঙ্গে নন্দবাবুকে বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন কর্ণজোড়া ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই পুলিশের উপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।

    আহত পুলিশকর্মীর বক্তব্য

    আহত পুলিশকর্মী নন্দ মন্ডল বলেন, “১৫০০০ টাকা চাঁদার দাবীতে ওই এলাকার কিছু যুবক রাত্রিবেলা মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই মারধর করে আমাকে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে (Uttar Dinajpur) নিয়ে যান।”

    পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য

    গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রায়গঞ্জের (Uttar Dinajpur) মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি। তিনি বলেন, “এই ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের পাশাপাশি উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করার কথা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি। যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”

    অপরদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা কল্পনা বর্মন, চাঁদা চাওয়া ও গন্ডগোলের ঘটনার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, “শুনেছি ছেলেরা ঐদিন রাত্রি বেলা চাঁদা চাইতে গিয়েছিল এবং ওখানে গন্ডগোল হয়। পরে পুলিশ এসে বেশ কয়েকজনকে তুলে নিয়ে যায়। যারা দোষ করেছে তাদেরকেই পুলিশ গ্রেফতার করুক এবং যারা জড়িত নয় তাদেরকে ছেড়ে দিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের, এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: ক্লাবে এসে কালীপুজোর চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নির্মাণের কাজ বন্ধ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Raiganj: ক্লাবে এসে কালীপুজোর চাঁদা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীর নির্মাণের কাজ বন্ধ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর চাঁদা দিতে ক্লাব প্রাঙ্গনে না আসায় রায়গঞ্জের এক বিশিষ্ট ব্যাবসায়ীর বহুতল নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেওয়ার পাশাপাশি হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত এক পুজো কমিটির সদস্যদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ওই ব্যবসায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়গঞ্জ (Raiganj) থানায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রের প্রতিলিপি রায়গঞ্জ পুলিশ জেলার পুলিশ সুপারের পাশাপাশি বণিক সংগঠনের কাছেও পাঠিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর জুড়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Raiganj)

    রায়গঞ্জের (Raiganj) ওই বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জয়প্রকাশ আগরওয়াল পুলিশের কাছে করা অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন কয়েকদিন আগে রায়গঞ্জ শহরের মিলনপাড়ায় অবস্থিত ‘বয়েজ সুকান্ত’ ক্লাবের সভাপতি সহ কয়েকজন সদস্য তাঁর অফিসে এসে আন্তরিকতার সঙ্গে আমন্ত্রণপত্র দিয়ে চাঁদা দেওয়ার অনুরোধ করেন। সেই প্রস্তাবে রাজিও হন এই ব্যবসায়ী। অভিযোগ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ক্লাবের কয়েকজন যুবক তাঁর নির্মীয়মান বহুতলে আসেন। সংস্থার ম্যানেজারের কাছে পুজোর চাঁদার বিষয়ে জানতে চান। ম্যানেজারের ফোন থেকে ক্লাবের এক সদস্য জয়প্রকাশবাবুকে ফোনে জানান, পুজোর চাঁদা ক্লাবে গিয়ে দিয়ে আসতে হবে। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন জয়প্রকাশবাবু। চাঁদার জন্য নিজের অফিসে ক্লাব সদস্যদের আসতে বলেন তিনি। এরপরেই ক্ষুব্ধ ক্লাব সদস্যরা কর্মরত শ্রমিকদের জোর করে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য করে বলে অভিযোগ। বন্ধ হয়ে যায় বহুতল নির্মাণের কাজ। জয়প্রকাশ বাবুকে বলা হয় পুনরায় কাজ শুরু করতে হলে ক্লাবের মূল কর্মকর্তা রন্তু দাসের সঙ্গে কথা বলতে হবে। ততক্ষন বন্ধ থাকবে বহুতল নির্মাণের কাজ। উল্লেখ্য, রন্তুবাবু জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সভাপতির পাশাপাশি পুজো কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা ও বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর অতি ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত।

    কী বললেন ব্যবসায়ী?

    এদিন জয়প্রকাশবাবু বলেন, হুমকির মুখে স্থানীয় শ্রমিকেরা ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছে। এতো বড় প্রজেক্ট। নিয়ম মেনে রেজিষ্ট্রেশন, প্ল্যান পাস, জি এস টি সহ সমস্ত টাকা সরকারকে দিয়েছি। তারপরেও এধরণের ঘটনা ঘটলে কী ভাবে কাজ করবো? কাজ যাতে পুনরায় শুরু করতে পারি সেজন্য প্রশাসনিক সহযোগিতা চাইছি।

    তৃণমূল পরিচালিত ক্লাব কমিটির কর্মকর্তার কী বক্তব্য?

    যদিও গোটা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ক্লাবের সভাপতি নব্যেন্দু ঘোষ। তিনি বলেন,আমাদের ক্লাব কখনও চাঁদা নিয়ে জুলুমবাজি করে না। স্বেচ্ছায়,ভালোবেসে যে যা চাঁদা দেয় সেটাই নেওয়া হয়। জয়প্রকাশবাবু যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Kali Puja 2023: সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন!

    Kali Puja 2023: সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সূর্যের মুখ দেখেন না দেবী। তাই সূর্যাস্তের পর প্রতিমা তৈরি করে, রাতে শ্যামা মায়ের পুজো করে, ভোরের আলো ফোটার আগেই বিসর্জন হয়। প্রায় পাঁচশো বছর ধরে এমনই রীতি মেনে দীপাবলির রাতে কালীপূজো হয়ে আসছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগর কালীবাড়ির মন্দিরে। শুধু তাই নয়, দেবীর আদেশে এই মন্দিরে নেই কোনও ছাদ বা আচ্ছাদন। চারদিক দেওয়াল দিয়ে ঘিরে মন্দির থাকলেও খোলা আকাশের নিচেই পরম জাগ্রত দেবীনগর কালীবাড়ির দেবী পূজিতা হন বেদিতেই (Kali Puja 2023)।

    ভিনরাজ্য থেকে দর্শনার্থীদের সমাগম (Kali Puja 2023)

    শুধু উত্তর দিনাজপুর নয়, রাজ্যের অন্যান্য জেলা সহ কলকাতা, এমনকি ভিনরাজ্য থেকে হাজার হাজার দর্শনার্থীর সমাগম হয় দীপাবলির রাতে, ঐতিহ্যবাহী দেবীনগর কালীবাড়ির শ্যামাপুজোয়। কথিত আছে, রায়গঞ্জ শহরের দক্ষিণ প্রান্তে দেবীনগরে রাজপথের ধারে এই কালীমন্দিরে এক সময় গাছের তলায় ডাকাতদল পুজো করত। দিনাজপুরের জমিদার তাঁর লোকজন নিয়ে এসে এখানে পুজো করে ফিরে যেতেন। একবার এই পথ দিয়ে ভূপালপুর রাজবাড়ি যাওয়ার পথে এই স্থানে আটকে পড়েন তৎকালীন দিনাজপুরের জমিদার। সেই সময় তিনি দেবীর আদেশ পান এই স্থানে মন্দির তৈরি করে পুজো করার। দেবীর এই আদেশও ছিল মন্দির হবে ছাদ খোলা। মা রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে এখানে পূজিতা হবেন (Kali Puja 2023)। দিনাজপুরের রাজা স্বপ্নাদেশ পেয়েছিলেন দীপাবলির অমাবস্যায় সূর্য অস্ত যাওয়ার পরে মায়ের মূর্তি তৈরি করা শুরু হবে। আর সূর্য উদয় হওয়ার আগেই মায়ের বিসর্জন দিয়ে দিতে হবে। বাকি সারাটা বছর মা পূজিতা হবেন বেদিতেই। মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়ে দিনাজপুরের জমিদার রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগরে রাজপথের ধারে তৈরি করে দেন ছাদ খোলা মায়ের মন্দির। সেই থেকে আজও এই ছাদ খোলা মন্দিরে বেদিতে মা কালীর আরাধনা হয়। দীপাবলির রাতে এক রাতেই মায়ের মূর্তি তৈরি করে পুজো করে ভোরের আলো ফোটার আগে বিসর্জন দিয়ে দেওয়া হয় কালী প্রতিমার। একটিবারের জন্যও এই রীতির অন্যথা হয়নি রায়গঞ্জ শহরের দেবীনগর কালীবাড়ির পুজোয়।

    জাগ্রত দেবী বলে এর খ্যাতি (Kali Puja 2023)

    জাগ্রত দেবী বলে এর খ্যাতি ছড়িয়েছে গোটা দেশজুড়ে। অসম থেকে ঝাড়খণ্ড, ওডিশা, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় দীপাবলির কালীপুজোর রাতে। স্থানীয় পুরোহিত সাধন মুখার্জী বলেন, “আনুমানিক ৫০০ বছরের পুরনো এই পুজো। তৎকালীন দিনাজপুরের জমিদার স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেছিলেন। সেই থেকে পুজো হয়ে আসছে। দেবী সূর্যের মুখ দেখেন না। তাই সন্ধ্যায় চক্ষুদান হয় এবং ভোর হওয়ার আগেই বিসর্জন হয়। এখানে বৈষ্ণব মতে পুজো (Kali Puja 2023) হয়। অন্নভোগ হয় না। দেবী জাগ্রত হওয়ায় দূর-দূরান্ত থেকে ভক্তদের সমাগম হয় এখানে। ” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ration Card: রাস্তার পাশে ঝোপে ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে ডিজিটাল রেশন কার্ড, উঠল তদন্তের দাবি

    Ration Card: রাস্তার পাশে ঝোপে ডাঁই হয়ে পড়ে রয়েছে ডিজিটাল রেশন কার্ড, উঠল তদন্তের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেশন বন্টন দুর্নীতি নিয়ে তদন্তে নেমে ইতিমধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি গ্রেফতার করেছে প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এই দুর্নীতি নিয়ে তোলপাড় হচ্ছে বর্তমান রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যে লক্ষ লক্ষ ভুয়ো রেশন কার্ড (Ration Card) রয়েছে বলে বিরোধীরা বার বার অভিযোগ করছে। এরই মাঝে বেশ কিছু ডিজিটাল রেশন কার্ড রাস্তার পাশে থাকা ঝোপের মধ্যে পড়ে থাকার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের সুদর্শনপুর এলাকার পুরসভার ১ নং ওয়ার্ডে। এই ঘটনার প্রকৃত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ration Card)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দেখতে পান, রাস্তার ধারে থাকা একটি ঝোপের আড়ালে বেশ কিছু ডিজিটাল রেশন কার্ড (Ration Card) পড়ে রয়েছে। কিন্তু, ওই রেশন কার্ড কাদের তা জানা যায়নি। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা রায়গঞ্জ থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পড়ে থাকা ডিজিটাল রেশন কার্ডগুলিকে বাজেয়াপ্ত করে থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু, এই রেশন কার্ডগুলি কীভাবে রাস্তার ধারে এল, তা পরিষ্কার নয়। আর এই ঘটনা থেকে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। কে বা কারা এই রেশন কার্ড রাস্তায় ফেলে গেল, তা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দা মিন্টু দাস বলেন, প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে আমরা দেখতে পাই রাস্তার পাশে জঙ্গলের মধ্যে ডাঁই হয়ে বহু ডিজিটাল রেশন কার্ড (Ration Card) পড়ে আছে। এমন প্রয়োজনীয় জিনিস রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরবর্তী সময়ে আমরা পুলিশে খবর দিই। পুলিশ এসে তদন্ত শুরু করেছে। আমরা চাই, এই রেশন কার্ডগুলো যাদের, তাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। এই ঘটনায় রহস্য ভেদ করুক পুলিশ।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: ‘ডাইনি’ অপবাদে আদিবাসী বধূকে বেধড়ক মার, বাড়িতে তাণ্ডব, পুলিশ কী করছে?

    Raiganj: ‘ডাইনি’ অপবাদে আদিবাসী বধূকে বেধড়ক মার, বাড়িতে তাণ্ডব, পুলিশ কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামের লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। আর পিছনে রয়েছে ডাইনি। সেই ডাইনি অপবাদ দিয়ে এক আদিবাসী বধূকে বেধ়ড়ক মারধর করে ঘরছাড়া করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের (Raiganj) পশ্চিম মনোহরপুরের ঋষিপুর গ্রামে। বুধবার সন্ধেয় আতঙ্কিত ওই আদিবাসী দম্পতি নিরাপত্তার আর্জি জানিয়ে রায়গঞ্জ থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। স্থানীয় মিঠুন হেমব্রম-সহ পাঁচ আত্মীয়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত আদিবাসী দম্পতি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Raiganj)

    সপ্তমী থেকে রায়গঞ্জের (Raiganj) পশ্চিম মনোহরপুরের ঋষিপুর গ্রামে বিভিন্ন অসুখে একাধিক বাসিন্দা আক্রান্ত হয়ে ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন। কেউ কেউ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ছুটছেন। এই অবস্থায় স্থানীয় গ্রামবাসীদের একাংশের ধারণা, গ্রামে ‘ডাইনি’ এসেছে’। তার জন্যই অসুস্থ হচ্ছে্ন গ্রামের বাসিন্দারা। তারপর দুদিন আগে এক অসুস্থ মহিলার চিকিৎসার জন্য এক ওঝা গ্রামে আসেন। মূলত তারপরই ঘটনার সূত্রপাত। শাশুড়িকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে ছিলেন আদিবাসী বধূ। সেইসময় হঠাৎ হুড়মুড় করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনার সময় বধূর স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। তবে, অভিযোগ খতিয়ে দেখতে এদিনই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ।

    নির্যাতিতা বধূর কী বক্তব্য?

    নির্যাতিতা আদিবাসী বধূর বক্তব্য, দুষ্কৃতীরা যেভাবে বাড়িতে ঢুকে ঘরের দরজা ভাঙচুর করে, আমার হাতে, পিঠে আঘাত করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়, তার পর থেকে আর ঘরে যাওয়ার সাহস পাচ্ছি না। আমরা পুরোপুরি সুস্থ, অথচ আমাদের জন্য নাকি গ্রামের বিভিন্ন লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। দুদিন আগে এক ওঝা এসে আমার বউদিকে বলেছে। তার পর থেকেই জ্যাঠার ছেলেমেয়েরা ও বউদি আমাদের ডাইনি বলে বাড়িতে ঢুকে হামলা চালাচ্ছে। খুন করার চক্রান্ত করছে। এই অবস্থায় নিজের বাড়িতে থাকতেই ভয় করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: পুকুর দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত মন্ত্রীর স্ত্রী, সরকারি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন গ্রামবাসীদের

    Raiganj: পুকুর দুর্নীতিকাণ্ডে অভিযুক্ত মন্ত্রীর স্ত্রী, সরকারি তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন গ্রামবাসীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুকুর খননকাণ্ডে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ওঠে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী জ্যেৎস্না রানী বর্মনের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় তিনি রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। সেই ঘটনার তদন্তে এসে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে তদন্তকারি অফিসাররা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের-২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায়।

    সরকারি আধিকারিকদের কেন ঘেরাও করলেন গ্রামবাসীরা? (Raiganj)

    পুকুর খনন দুর্নীতি মামলায় জেলা প্রশাসনের এমজিএনআরইজিএ বিভাগের তদন্তকারি টিমকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায় পুকুর দুর্নীতি  মামলার তদন্তে শুরু থেকেই গাফিলতি হয়েছে। প্রকৃত তদন্ত হচ্ছে না। নির্দিষ্ট পথে না গিয়ে এলোমেলোভাবে তদন্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই মামলার মূল অভিযোগকারী আজগর আলি বলেন, একাধিকবার পুকুর দুর্নীতি মামলায় পরিদর্শনে এসেছেন সরকারি আধিকারিকরা। কিন্তু, তারা প্রকৃত জায়গায় না গিয়ে অন্যস্থান পরিদর্শন করছেন। গত বেশ কয়েকদিন আগেও একই অভিযোগে তদন্তকারি টিমকে আটকে রাখা হয়েছিল ওই এলাকায়। আজগরবাবু আরও বলেন, সম্প্রতি একটি নোটিশ জারি করেছে প্রশাসন। পঞ্চায়েত সেই নোটিশ পাঠিয়েছে কশেকজন গ্রামবাসীর বাড়িতে। যেখানেও গাফিলতি রয়েছে, যাদের আদতে কোনও পুকুরই নেই তাদের কাছে এই নোটিশে পুকুরের মালিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

    পঞ্চায়েতের নোটিশ প্রসঙ্গে কী বললেন স্থানীয় বাসিন্দারা?

    শেখ আজিজুল নামে এক গ্রামবাসী বলেন, পঞ্চায়েত থেকে আমার কাছে নোটিশ এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে আমার বাবার নামে পুকুর রয়েছে। কিন্তু, আদতে আমাদেই কোনও পুকুরই নেই। পাশাপাশি এলাকায় তদন্তের জন্য সরকারি আধিকারিকরা এলেও আমাদের সঙ্গে  কোনওরকম সাক্ষাৎ করেনি বলে অভিযোগ। সেকারণে আমাদের আধিকারিকদের আটকে বিক্ষোভ দেখান। একই অভিযোগ আইনুদ্দিন নামে অপর এক গ্রামবাসীর। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত থেকে নোটিশ পাঠিয়ে বলা হয় সকাল ১১ টায় তদন্ত করতে আসবেন সরকারি আধিকারিকরা। কিন্তু, কেউ আসেনি। পাশাপাশি আমার নামে পুকুর দেখানো হলেও আদতে আমার জমিতে কোনও পুকুরই নেই বলে। যদিও এবিষয়ে মন্তব্য করতে নারাজ তদন্তকারি অফিসাররা।

    পুকুর খননকাণ্ডে কত টাকার দুর্নীতি হয়েছে জানেন?

    প্রসঙ্গত, রায়গঞ্জ (Raiganj) ব্লকের ২ নং জগদীশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের খাঁড়ি সরিয়াবাদ এলাকায় ২১ টি পুকুর খননের প্রকল্প ঘিরে ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ ওঠে তৎকালীন প্রধান ও বর্তমান শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী সত্যজিৎ বর্মনের স্ত্রী জ্যেৎস্না রানী বর্মনের বিরুদ্ধে। খাতায় কলমে ২১ টি পুকুর খনন কার্য সম্পন্ন দেখিয়ে প্রায় ২৮ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগ। এই বিষয়ে বর্তমানে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও চলছে। সেই মামলার প্রক্ষিতেই এদিন তদন্তে আসেন আধিকারিকরা। তদন্তে চূড়ান্ত গাফিলতি হচ্ছে বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: রায়গঞ্জে তৃণমূল নেত্রীর উপর হামলা চালাল দলেরই কর্মী, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Raiganj: রায়গঞ্জে তৃণমূল নেত্রীর উপর হামলা চালাল দলেরই কর্মী, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত এলাকা। এবারে তৃণমূলের জেলা মহিলা সভানেত্রীর ওপর হামলার অভিযোগ এলাকার তৃণমূলেরই কিছু যুবকদের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) শহরের বন্দর এলাকার ১৭ নং ওয়ার্ডে। ঘটনায় জখম হন তৃণমূলের জেলা মহিলা সভানেত্রী তথা ওই ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর চৈতালি ঘোষ সাহা। তাঁকে রায়গঞ্জ গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অভিযোগের তির ওয়ার্ডের তৃণমূল কর্মী প্রসেনজিৎ সাহা, ছোটন সাহা সহ বেশ কিছু যুবকদের বিরুদ্ধে। তারা রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর অনুগামী বলেই পরিচিত এলাকায়। গোটা ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    কী বললেন আক্রান্ত তৃণমূল নেত্রী?

    আহত তৃণমূলের জেলা মহিলা সভানেত্রী চৈতালি ঘোষ সাহার অভিযোগ,বাড়িতে থাকাকালীন পরিকল্পনামাফিক ইচ্ছাকৃতভাবে আমার বাড়ির সামনে এসে গন্ডগোল বাধায় কিছু যুবক। তা থামাতে গেলে আমার উপরেই চড়াও হয় তারা। মারধরের পাশাপাশি আমার বাড়ি ভাঙচুরও করা হয়। তিনি আরও বলেন, যারা আমার ওপরে হামলা চালিয়েছে তারা সদ্য তৃণমূলে যোগদান করেছে। তারা কেন আমার ওপরে এমন আক্রমণ করল তা জানি না। বিষয়টি রায়গঞ্জ (Raiganj) থানার পুলিশকে জানিয়েছি।

    কী বললেন অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী?

     যদিও এ বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী প্রসেনজিৎ সাহা তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পাল্টা চৈতালি ঘোষ সাহা সহ তার অনুগামীরা তার ওপরে চরাও হয় বলে অভিযোগ প্রসেনজিৎ বাবুর। তিনি বলেন, আমি একজন তৃণমূল কর্মী। চৈতালি দেবী ও তার অনুগামীরা ওই ওয়ার্ডে বাড়ি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়া এবং বিভিন্ন জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি করেছেন। ওই এলাকায় মানুষ চৈতালি দেবীকে পছন্দ করেন না। আমি রায়গঞ্জ (Raiganj) এলাকায় সাধারণ মানুষের কাজ করি, তৃণমূলের বিভিন্ন নেতা নেত্রীরা আমার কাজে সন্তুষ্ট বলে চৈতালি দেবী ইচ্ছা করে আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করছেন। আমার অনুগামীদের মারধর করেছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    যদিও এ বিষয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, গোটা বিষয়টি শুনেছি। দোষীরা যেই হোক না কেন পুলিশকে ত অবিলম্বে গ্রেফতারের কথা বলেছি। যদিও গোটা ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও একবার প্রকাশ্যে এল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kaun Banega Crorepati: মায়ের ইচ্ছেপূরণে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-তে রায়গঞ্জের গৌরব

    Kaun Banega Crorepati: মায়ের ইচ্ছেপূরণে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-তে রায়গঞ্জের গৌরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:মায়ের ইচ্ছেপূরণ করতে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-র (Kaun Banega Crorepati) প্ল্যাটফর্মে বিগ বি’র মুখোমুখি রায়গঞ্জের গৌরব পোদ্দার। ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ নামক জনপ্রিয় রিয়ালিটি শোতে অংশ নিলেন রায়গঞ্জের ছেলে। শুধু অংশ নিলেন না, হট সিটে বসে বিগ বি-র সামনে একের পর এক প্রশ্নের জবাব দিলেন। বলিউড শাহেনশার সঙ্গে এত বড় প্ল্যাটফর্মে যেতে পেরে খুশি রায়গঞ্জবাসী।

    কী বললেন গৌরবের বাবা?(Kaun Banega Crorepati)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ শহরের উকিল পাড়ার বাসিন্দা চিকিৎসক গোপাল পোদ্দারের ছেলে গৌরব পোদ্দার। এবছরে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (Kaun Banega Crorepati) শোয়ে ডাক পান। চূড়ান্ত পর্বে হট সিটে বলিউডের সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চনের একের পর এক প্রশ্নের সম্মুখীন হন তিনি। সম্প্রতি সেই শোয়ের টেলিকাস্ট হতেই খুশির আবহ ছড়িয়ে পরে গোটা এলাকায়। গৌরবের বাবা গোপালবাবু বলেন, আমার স্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য অনেকবারই চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, ডাক পাননি। মায়ের ইচ্ছার কথা জেনে এবার ছেলে আবেদন করেছিল। ও ডাক পায়। সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারার কারণে ছেলে হট সিটে যাওয়ার সুযোগ পায়। ১০টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিয়ে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকা সে জিতে নেয়। পরে, সে ছিটকে যায়। তবে, এই প্রশ্নোত্তর পর্বের মাঝে বিগ বি’র সঙ্গে চলে খুনসুটিও। মায়ের স্বপ্ন এভাবে পূরণ করায় ছেলের জন্য বেশ গর্ব হচ্ছে।  

    প্রতিবেশীরা কী বললেন?

    পরিবারের পাশাপাশি গৌরবের এই সাফল্যে খুশি প্রতিবেশীরাও। তারাও গর্ব অনুভব করছেন। পুরসভার ওই ১৪নং ওয়ার্ডের কো-অর্ডিনেটর অনিরুদ্ধ সাহা বলেন, “খুবই গর্বের বিষয়। রায়গঞ্জের বাসিন্দা হয়ে এত বড় প্ল্যাটফর্মে (Kaun Banega Crorepati) অংশগ্রহণ করেছে গৌরব। আমরা খুবই আনন্দিত এবং গর্বিত।” প্রতিবেশী প্রিয়া পোদ্দার বলেন, ” এটা আমাদের কাছে একটা স্বপ্নের মত। যে আমাদের প্রতিবেশী এত বড় একটি জায়গায় পৌঁছেছে। আমরা খুবই আনন্দিত। গৌরবের এই সাফল্যে পরবর্তী প্রজন্ম আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের এক জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালত। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদের ২০ নম্বর জেলা পরিষদ আসনে। এই আসনে জয়ী হন তৃণমূলের প্রার্থী সেলিমা খাতুন। এই আসনের বিজেপি প্রার্থী রমা বর্মন তৃণমূলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

    কেন তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা?

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের (গ্রুপ ডি) চুক্তিভিত্তিক কর্মচারি। পঞ্চায়েত আইনে কোনও সরকারি দফতরের গ্রুপ ডি পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা ভোটে দাঁড়াতে পারবে না বলে জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই মতো বিজপির পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। শুক্রবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের বিচারপতি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী ওই তৃণমূল প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ কোথাও দেখাতে কিংবা জমা করতে পারবে না বলে রায় দেন। আইনজীবী উৎপল কুমার বাগচী বলেন, ‘হেমতাবাদ ২০ নং জেলা পরিষদ আসনের তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের গ্রুপ ডি ক্যাজুয়াল স্টাফ। সে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না, এই মর্মে মামলা দায়ের করে রমা বর্মন। জেলা আদালতের বিচারপতি ওই প্রার্থীর উইনিং সার্টিফিকেট কোথাও ব্যবহার করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন। কার্যত তা বাতিল করা হল।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ যোশি বলেন, ‘মনোনয়ন জমা করার সময় আমরা জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের যে গাইডলাইন, তাতে বলা আছে কোনও সরকারি কর্মচারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আমরা জানতে পারি তৃণমূল প্রার্থী একজন গ্রুপ ডি কর্মী। সরকারি কর্মচারি হয়ে নমিনেশন ফাইল করেছেন, তখন আমরা রায়গঞ্জে (Raiganj) আদালতের দ্বারস্থ হই। তারই স্থগিতাদেশ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্ক্রুটিনিতেও কি করে বিষয়টি ধরা পড়লো না এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগ-সাজসের অভিযোগ আনেন তিনি।

    তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর স্বামী কী বললেন?

    সেলিমা খাতুনের স্বামী মজিবুর রহমান বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনও তথ্য এখনও পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার স্ত্রীর নমিনেশন যদি অবৈধ হত তাহলে তা  স্ক্রুটিনিতেই ধরা পড়ত। তাঁকে উইনিং সার্টিফিকেট নির্বাচন কমিশন দিয়ে দিয়েছে। বিজেপি যেখানে ভোটে লড়াই জিততে পারে না সেখানে হয়তো আমাদেরই কিছু লোক তাদের সঙ্গে মিলে এ সমস্ত অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আর যদি সত্যিই কোর্টের এমন কোনও নির্দেশ আমার কাছে আসে তাহলে আমরাও আইনি পথে লড়ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gold: ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ৪০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়ে সোনা জিতল উত্তর দিনাজপুরের সোনিয়া

    Gold: ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে ৪০০ মিটার দৌড়ে প্রথম হয়ে সোনা জিতল উত্তর দিনাজপুরের সোনিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের হয়ে শ্রীলঙ্কার মাটিতে দৌড়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সোনা (Gold) জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন রায়গঞ্জের মেয়ে সোনিয়া বৈশ্য। শ্রীলঙ্কা ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৩-এ অংশগ্রহণ করে ৪০০ মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অধিকার করেন সোনিয়া। গত ২৮ শে জুলাই থেকে ৩০ শে জুলাই এই প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছিল শ্রীলংকার কলম্বোতে। সেখানে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ভারত ছাড়াও বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশগ্রহণ করেন। সেখানে সকলকে হারিয়ে দেশের মুখ উজ্জ্বল করে উত্তর দিনাজপুরের সোনার মেয়ে।

    সোনিয়ার লক্ষ্য এশিয়ান গেমস

    উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ শহরের নেতাজীপল্লির বাসিন্দা সোনিয়া। তাঁর বাবা বরেন বৈশ্য একজন ব্যবসায়ী। ছোটবেলা থেকেই সোনিয়ার স্বপ্ন ছিল যে বড় হয়ে একজন অ্যাথলেটিক হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এই স্বপ্নপূরণে সম্পূর্ণরূপে তাঁর পাশে দাঁড়ায় তাঁর বাবা বরেনবাবু। রায়গঞ্জে খেলা শুরু করে বর্তমানে বিদেশের মাটিতে নিজের প্রতিভাকে তুলে ধরে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন রায়গঞ্জের এই সোনার (Gold) মেয়ে সোনিয়া। এর আগেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছেন তিনি। তাঁর সামনের লক্ষ্য এশিয়ান গেমস ২০২৩, যা অনুষ্ঠিত হবে চিনে। সেখানে অংশগ্রহণ করে দেশের হয়ে সোনা  আনতে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছে তিনি। বর্তমানে সোনিয়া পুনেতে ন্যাশনাল অ্যাথলেটিক্স ক্যাম্পে রয়েছেন। উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত এই খেলায় তার ইভেন্ট ছিল ৪০০ মিটার দৌড়। তার ইভেন্টে প্রথম হয়েছে সোনিয়া। দ্বিতীয় হয়েছে ভারতেরই দিসনা ম্যাথিউ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন শ্রীলংকার একজন প্রতিযোগী। তাঁদের এই সাফল্যকে কুর্নিশ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুরও।

    কী বললেন সোনিয়ার বাবা?

    সোনিয়ার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া তাঁর পরিবারেও। তাঁর বাবা বলেন বরেন বৈশ্য বলেন,” মেয়ে শ্রীলঙ্কায় দেশের হয়ে ৪০০ মিটার দৌড়ে প্রথম স্থান অধিকার করে সোনা (Gold) জিতেছে। মেয়ের জন্য আমাদের গর্ব হচ্ছে। অনেকদিন ধরে ও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাচ্ছিল না, এবার পেল। আশা করি সামনে এশিয়ান গেমসে ও দেশের হয়ে খেলে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে এটাই প্রার্থনা করি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share