Tag: Rail Accident

Rail Accident

  • Rail Accident: ছুটি কাটিয়ে আর কাজে ফেরা হল না, ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় কেড়ে নিল আবগারি ওসি-র প্রাণ

    Rail Accident: ছুটি কাটিয়ে আর কাজে ফেরা হল না, ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় কেড়ে নিল আবগারি ওসি-র প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ছুটি কাটিয়ে ফের কাজের জায়গায় ফিরছিলেন মালদার মানিকচক সার্কেলের আবগারি দফতরের ওসি সালেব সুব্বা। সোমবার সকালেও তিনি বুঝতে পারেননি অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চাপা তাঁর কাল হবে। বাড়ি থেকে আর চাকরির জায়গায় ফেরা হল না তাঁর। শিলিগুড়ির রাঙাপানিতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। রেল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই আবগারি আধিকারিকের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনকেও জানানো হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছেছেন।

    নিহত সরকারি আধিকারিকের বাড়ি গরুবাথানে (Rail Accident)  

    জানা গিয়েছে, আবগারি আধিকারিক সালেব সুব্বার বাড়ি কালিম্পঙের গরুবাথানে। এদিন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন তিনি। ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) মৃত্যু হয়েছে তাঁর। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে তাঁর রক্তাক্ত দেহ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সালেব মানিকচকে কর্মরত ছিলেন। তবে, সঠিক কতদিন আগে ছুটি নিয়ে তিনি বাড়িতে ছিলেন তা স্পষ্ট করে কোনও কিছু জানা যায়নি। তবে, এদিন ট্রেনে কর্মস্থলেই ফিরছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলাশাসকও। সোমবারই তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো সকালে ট্রেনে উঠেছিলেন তিনি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দুর্ঘটনার আগে শেষবার কথা হয়েছে কি না তা জানা যায়নি। কিন্তু, আর তাঁর কাজে যাওয়া হল না। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে তখনও পৌঁছতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    মৃত্যু হয়েছে মালগাড়ির লোকো পাইলটের

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের দেহ রয়েছে। দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। পিটিআই সূত্রে খবর, মৃতের সংখ্যা ১৫। আহত হয়েছেন বহু। সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের অদূরে রাঙাপানি এলাকায় শিয়ালদাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মারে মালগাড়ি। প্রাথমিকভাবে সিগন্যালের গন্ডগোলের জন্যই এই ট্রেন দুর্ঘটনা বলে জানা যাচ্ছে। যদিও কারণ এখনও তদন্ত সাপেক্ষ। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে, মালগাড়ির লোকো পাইলট সহকারি লোকো পাইলটের। মৃত্যু হয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘার গার্ডেরও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রীদের পাশে দাঁড়ালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সোমবার বিকেল নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে তিনি সোজা রাঙাপানির দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে রেলমন্ত্রী  হাসপাতালে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের দেখতে যান।

     রেলমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন (Rail Accident)

    এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলমন্ত্রী উদ্ধারকার্যের তদারকি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেল আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। জখম রোগীরা কোথায় রয়েছেন তা তিনি জানতে চান। পরে, রেলমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন জখম যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তাঁকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের পাশে থাকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী। জখম যাত্রীদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

     কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    রেলমন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন জোর দিয়েছি উদ্ধারকার্যে। এখনও সেই কাজ চলছে। এপর্যন্ত মোট আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এখানে জখমদের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনার পর পর স্থানীয় মানুষ, স্থানীয় জেলা প্রশাসন, এনডিআরএফ এবং রেল কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকার্য চালিয়ে যাচ্ছে। তাই, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন সবার আগে উদ্ধারকাজের ওপর নজর দেওয়া দরকার। যাত্রী নিরাপত্তার দিকে সম্পূর্ণ ফোকাস রয়েছে।” সিগনালিং ব্যর্থতার কারণেই কি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা? যদিও এই নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটির রিপোর্ট এলেই এই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে। তার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে, এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে কখনও পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা নিশ্চিত করা হবে।” প্রসঙ্গত, কলকাতাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মেরেছে মালগাড়ি। ট্রেনের একাধিক কামরা প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম। বেঁচে আছি বিশ্বাসই হচ্ছে না। নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখছি সত্যিই বেঁচে আছি তো। হাসপাতালের বেডে শুয়ে একথায় বললেন শিলিগুড়ির রাঙাপানিতে রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রী বিশ্বনাথ শর্মা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তাঁর বাড়ি নদিয়ার কৃষ্ণনগরে।  

    ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আস্ত কামরা (Rail Accident)

    সোমবার এনজেপির কাছে রাঙাপানি ও নিজবাড়ি স্টেশনের মাঝে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) বহু যাত্রী জখম হন। সর্বশেষ পাওয়া খবরে, আটজন জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সেই অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন বিশ্বনাথ শর্মা। তিনি বলেন, “আমি ট্রেনের পিছনের দিক থেকে দুনম্বর কোচে ছিলাম। ঘুম থেকে ভোরবেলায় উঠেছি। অসম থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। এনজেপি স্টেশন ছাড়ার পর চা-বিস্কুট খেয়ে বসেছিলাম। হঠাৎ একটা ধাক্কায় ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আমার বগি। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখি ট্রেনের বগির দুধারে দেওয়াল, সিট আমাকে দুদিক দিয়ে চেপে ধরছে। ওপরে তাকাতেই দেখি বগির সিলিং তিন ভাগ হয়ে ত্রিশূলের মতো আকৃতি নিয়ে আমার বুকের ওপর নেমে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে দুই হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করি। সেই চেষ্টায় একটা রড ধরতে পারি। সেই রড ধরেই এক ঝটকা মেরে পাশ কাটিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলাম। কোনওরকমে বাইরে ছিটকে পড়লাম। তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতেই দেখি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি।  যেভাবে সিলিং ভেঙে তিনটি ফলা ত্রিশূলের মতো হয়ে নেমে আসছিল,আমি যদি না ধরতাম তাহলে তার একটি আমার বুকে ঢুকে যেত। ঢুকলেই আমার মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।”

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

      জানি না কোন শক্তি দিয়ে, ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম! 

    জানা গিয়েছে, বিশ্বনাথ শর্মা পেশায় পাচক। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় রান্নার কাজ করেন। গুয়াহাটি থেকে অসম, ডিব্রুগড় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রান্নার কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বলেন, “এখন হাতে কোনও কাজ ছিল না। তাই বাড়ি ফিরছিলাম। এদিন রাতে শিয়ালদা স্টেশনে নেমে লোকাল ট্রেন ধরে কৃষ্ণনগরে বাড়ি পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। বাড়িতে সকলে অপেক্ষা করছে, আমি কতক্ষণে বাড়ি যাব। জানি না এখন বাড়ির লোক খবর পেয়েছে কিনা। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমার ও আমার পরিবারের কথা ভেবে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। আমি এখনও ভেবে উঠতে পারছি না, কোন শক্তি দিয়ে, দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে এনজেপির কাছে রাঙাপানি  রেল স্টেশন এলাকায় ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের কামরায় পিছন দিক থেকে একটি মালগাড়ি সজোরে এসে ধাক্কা মারে। যার জেরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় বেসরকারি সূত্রে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৬০ জন। তবে রেল সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আট। দুর্ঘটনাগ্রস্ত মালগাড়ির চালক মৃত।বহু যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি (Rail Accident) ঘটে এনজেপি থেকে রাঙাপানির কাছে ১১ কিলোমিটারের মধ্যে। ঘটনাস্থলে রেলের পদস্থ কর্তারা ইতিমধ্যে পৌঁচ্ছে গিয়েছেন। যে লাইনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির সঙ্গে রেল যোগাযোগের প্রধান লাইন সেটাই। ফলে, আপাতত দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    কী ভাবে এই দুর্ঘটনা? (Rail Accident)

    সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়েই রওনা দিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সকাল ন’টার কিছু পরে রাঙাপানি স্টেশন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বেরিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে একটি মাল গাড়ি এসে ধাক্কা মারে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।  কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এর দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। মালগাড়ির লোকো পাইলট ভিতরে আটকে পিষ্টঅবস্থায় আটকে রয়েছে। রেল সূত্রে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় মানুষরা উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসেছেন। রেলের পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা সেই নিয়ে এখনও তাঁরা কিছু  বলা পারছেন না। একই লাইনে দুটি ট্রেন কিভাবে এল এটা নিয়ে সকলেরই প্রশ্ন।

     কী পরিস্থিতি?

    এদিন সকাল  বৃষ্টি থাকায়  উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। এই দুর্ঘটনার জেরে কলকাতা – শিলিগুড়ির  সহ  দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি কামরা লাইন থেকে ওপরের দিকে উঠে রয়েছে। তার নীচে ঢুকে রয়েছে মালগাড়ির ইঞ্জিন। বৃষ্টি সেই সঙ্গে লাগোয়ায় জমা জলে পরিস্থিতি প্রতিকূল হয়ে ওঠে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেন থেকে ছিটকে যাওয়া কামরাদু’টি দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। এলাকায় বৃষ্টিও চলছে। অনেকে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

    শিয়ালদা স্টেশনে রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম

    রেল দুর্ঘটনার (Rail Accident) পর পরই যাত্রীর পরিবারের লোকজনের সহযোগিতার জন্য রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যাত্রীদের পরিবারের লোকজন শিয়ালদা স্টেশনে ভিড় করা শুরু করেছেন। যাত্রীদের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, দুর্ঘটনায় কতজন মারা গিয়েছেন। জখম কতজন হয়েছেন। তা আমরা জানতি পারিনি। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    Indian Railways: প্রতিনিয়ত উন্নত পরিষেবার লক্ষ্যে রেল, যাত্রীসুরক্ষায় জনপ্রিয় হচ্ছে এলএইচবি কোচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল দৈনন্দিন কয়েক কোটি মানুষকে পরিষেবা দিয়ে আসছে। আর এই পরিষেবা যাতে সুখকর হয়, আরামদায়ক হয়, সে কথা মাথায় রেখে রেল প্রতিনিয়ত তাদের পরিষেবা উন্নত থেকে উন্নততর করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান যুগে দাঁড়িয়ে ভারতের রেল (Indian Railways) পরিষেবা অনেকটাই উন্নতমানের। কয়েক হাজার কিমি যাত্রা করলেও মানুষের শরীরে তার কোনও ছাপ পড়ে না। আর এই সবকিছু নির্ভর করে একটি ট্রেনের কোচ কী ধরনের, তার ওপর। আগে ভারতীয় রেলে নীল রঙের আইসিএফ কোচের দেখা মিলত, এখনও অনেক ট্রেনেই এই আইসিএফ (ICF) কোচ দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে মানুষের কাছে সব থেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এলএইচবি(LHB) কোচ, ঝাঁ চকচকে, রং বেরংয়ের কোচ, যেগুলিতে মানুষ সাধারণত চাপতে খুবই ভালোবাসে। বর্তমানে রাজধানী সহ বহু দূরপাল্লার ট্রেনে এই এলএইচবি (LHB) কোচের দেখা মেলে। শুধু সুখ স্বাচ্ছন্দ্য, ঝাঁ চকচকে বলে নয়, এই কোচের আছে অনেক গুরুত্ব যা ট্রেনকে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা করে। তাই যাত্রী নিরাপত্তার দিক থেকে এই কোচগুলি শীর্ষে। এই প্রতিবেদনে আমরা জানব সেইসব বিশেষত্বের কথা।

    কেন আলাদা এই এলএইচবি (LHB) কোচ?

    এলএইচবি-র পুরো নাম লিঙ্ক হফম্যান বুশ। এই কোচ জার্মানির কোম্পানি লিঙ্ক-হফমান-বুশ এর দ্বারা উৎপাদন করা হয়, যা বর্তমানে ভারতে কপুরথলাতে তৈরি হওয়া শুরু হয়েছে। ভারত সরকারের তরফ থেকে ২০০০ সালে প্রথম ভারতে এই কোচ নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রথমে সাধারণত রাজধানীর সমগোত্রীয় ট্রেনে এর ব্যবহার  শুরু হয়। এই কোচের ট্রেনগুলি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে খুব কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই কোচের (Indian Railways) ব্যবহার শুরু হয়। এই এলএইচবি কোচের কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। যেমন এই কোচ অ্যান্টি রোল, অ্যান্টি কোলাপ্স এবং অ্যান্টি টেলিস্কোপিক। এই কোচগুলি সাধারণত মাইল্ড স্টাইল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এগুলি আইসিএফ (ICF) কোচের তুলনায় অনেকটাই হালকা। কারণ পুরানো কোচগুলিতে স্টেইনলেস স্টিল ব্যবহার করা হয়। এই ট্রেনে যাত্রা খুবই আরামদায়ক হয়। এই কামরাগুলিতে চাকায় লাগানো আছে উন্নতমানের ডিস্ক ব্রেক, যা দ্রুততম ট্রেনকে সহজেই ব্রেক করে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে। আইসিএফের তুলনায় দ্রুত গতিতে ছুটতে সক্ষম এই কোচের ট্রেনগুলি বর্তমানে ১৬০কিমি প্রতি ঘণ্টা পর্যন্ত গতিতে ছুটতে পারে। অপরদিকে ICF কোচের ট্রেনগুলি ঘণ্টায় ১১০ কিমির বেশি দৌড়াতে পারে না। আইসিএফ কোচে বসে থাকলে ট্রেন চলার সময় অনেক বেশি ঝাঁকুনি  অনুভব হত। কিন্তু এই উন্নত কোচগুলিতে সেই ঝাঁকুনির পরিমাণ অনেক কম।

    দুর্ঘটনার সময়ও এই কোচ দেয় বিশেষ নিরাপত্তা (Indian Railways) 

    পূর্বের অনেক রেল দুর্ঘটনার সময় আমরা লক্ষ্য করেছি একটি কোচের ওপর আরেকটি কোচের উঠে পড়া, ফলে অনেক মানুষ আহত এবং নিহত হন এবং দুর্ঘটনা এক ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। কিন্তু বিশেষ এলএইচবি কোচে এই সমস্যা হয় না। এই কোচের ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তা আড়াআড়ি ভাবে লাইনচ্যুত হয়ে যায়। ফলে যাত্রীদের প্রাণহানির ঘটনা অনেকটাই কম হয়। বর্তমানে রেল মন্ত্রকের (Indian Railways) তরফ থেকে জানা গিয়েছে, যাত্রী সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে ভবিষ্যতে আইসিএফ কোচগুলির পরিবর্তে সমস্ত ট্রেনকেই এলএইচবি (LHB) কোচে রূপান্তরিত করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় স্মৃতি ফিরল গাইসালের

    Coromandel Express Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় স্মৃতি ফিরল গাইসালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express Accident) ট্রেন দুর্ঘটনা ফের ভয়াবহতার স্মৃতি উস্কে দিল উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরবাসীর মনে। প্রায় ২৪ বছর আগে গাইসালে অবধ আসাম এক্সপ্রেস এবং ব্রহ্মপুত্র মেলের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল। আর এই ট্রেন দুর্ঘটনার কথা বর্তমান সময়ে এলাকার মানুষের মনকে শোকগ্রস্থ করে তুলেছে বলে জানা গেছে।

    কীভাবে হয়েছিল রেল দুর্ঘটনা

    উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালের ১লা আগষ্ট ইসলামপুর শহরের কাছে গাইসাল এলাকায় ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছিল। উত্তর দিনাজপুর জেলার গাইসাল একটি ছোট রেলস্টেশন। এই স্টেশন আর প্রত্যন্ত জায়গার নাম গোটা রাজ্য তথা দেশ জেনে গিয়েছিল, একমাত্র দুর্ঘটনার কারণেই। গভীর রাত্রি, আনুমানিক ১টা বেজে ৪৫ মিনিট সময়ে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটেছিল অবধ আসম এক্সপ্রেস আর ব্রহ্মপুত্র মেলের। প্রাণ গিয়েছিল কমপক্ষে ৩০০ যাত্রীর। প্রায় দু’দশক পেরিয়ে এসেও সেই বীভৎসতার কথা ভুলতে পারেননি গাইসাল তথা ইসলামপুরবাসী। শুক্রবার ওড়িশার বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনার (Coromandel Express Accident) খবর পেয়ে গাইসালের ভয়াবহতার স্মৃতি মনে পড়ছে ইসলামপুরবাসীর।

    পৌরপিতার স্মৃতিতে দুর্ঘটনা (Coromandel Express Accident)

    ইসলামপুর পৌরসভার তৎকালীন পৌরপিতা কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, গতকালের বালেশ্বর দুর্ঘটনার (Coromandel Express Accident) কথা জানতে পেরে গাইসালের দুর্ঘটনার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। প্রায় একই রকমই ঘটনা। দুটো ট্রেনের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে যে ভয়ানক দুর্ঘটনা ঘটেছিল, তার বিবরণ দিতে গেলে এখনো গা শিউরে ওঠে।  প্রায় ছয় দিন ধরে আমরা দুর্ঘটনাস্থলেই পড়েছিলাম এবং উদ্ধার কাজে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলাম। তিনি আরও বলেন, চারিদিকে শুধু মৃতদেহ পড়েছিল, সেই স্মৃতি বড়ই কষ্টদায়ক।

    গাইসালের স্থানীরা কী বললেন?

    অন্যদিকে গাইসাল স্টেশনের কাছে এক চা বিক্রেতা নরেশ দাস বলেন, গতকালকের (Coromandel Express Accident) অ্যাক্সিডেন্ট টিভিতে দেখে গাইসালের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। গাইসালেও এমনই হয়েছিল! রাতের বেলা বিকট আওয়াজ শুনে, এসে দেখি ট্রেন অ্যাক্সিডেন্ট হয়েছে। প্রচুর লোক মারা গিয়েছিল। গ্যাস কাটার দিয়ে কামরা কেটে মৃতদেহ বের করা হয়েছিল। খুব ভয়ানক অভিজ্ঞতা ছিল। গাইসালের অপর এক বাসিন্দা মহঃ বাধালু বলেন, গতকালকের ঘটনা টিভিতে দেখে গাইসাল ট্রেন দুর্ঘটনার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেইসময় একটার উপর একটা ট্রেনের কামরা উঠে গিয়েছিল। অন্ধকারে ঠিকমতো বোঝা যাচ্ছিল না। উদ্ধার কাজে আমরাও হাত লাগিয়েছিলাম।

    ইসালামপুরের বাসিন্দা কী বলছেন?

    ইসলামপুরের বাসিন্দা কাজল কুমার মন্ডল বলেন, বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনার (Coromandel Express Accident) খবর দেখে গাইসালের কথা মনে পড়ছে। তখনও মাধ্যমিক পরীক্ষা দিই। শিক্ষকের সঙ্গে গাড়িতে করে গাইসালে যাই দুর্ঘটনা দেখতে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে, ঘটনার ভয়াবহতা দেখে আর দেখতে পারিনা যে কোন রকমের দুর্ঘটনার দৃশ্য। দৃশ্য দেখে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়ি ফিরে এসেছিলাম।

    তবে গাইসাল ট্রেন দুর্ঘটনার সাক্ষী বহনকারী সকলের আশা যে, গাইসাল হোক কিংবা বালেশ্বরের রেল দুর্ঘটনা, আর যাতে না ঘটে, তা নিয়ে  রেল কর্তৃপক্ষ যেন সজাগ ও সতর্ক থাকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    Rail Accident: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের, মৃত অন্তত ৩০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় মালগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় লাইনচ্যুত হয় ট্রেনের অধিকাংশ বগি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা অন্তত ৩০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর দক্ষিণ-পূর্ব রেলের ওড়িশার বালেশ্বর স্টেশনের কাছে ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। সূত্রের খবর, একটি মালগাড়ি এবং এক্সপ্রেস ট্রেনটি একই লাইনে কোনওভাবে চলে এসেছিল। কী ভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে রেল। ইতিমধ্যেই খড়গপুর থেকে রেলের আধিকারিকদের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনটি বাদে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের প্রায় সব বগিই লাইনচ্যুত হয়েছে। আহত অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দেড়শোর বেশি যাত্রীকে।

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেস শালিমার স্টেশন থেকে ছেড়েছিল দুপুর ৩ টে ১৫ মিনিট নাগাদ। সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ বালেশ্বর ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। স্বাভাবিক গতিতে ছুটে চলা ট্রেনটি একটি মাল গাড়িকে সজোরে ধাক্কা মারে। তার তীব্রতা এতটাই ছিল যে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনটি মালগাড়ির উপরে উঠে যায়। ছিটকে যায় প্রায় সমস্ত বগি। বেশ কিছু বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়। আচমকা এই দুর্ঘটনায় ট্রেনের মধ্যে থাকা যাত্রীদের আর্ত চিৎকারে ছুটে আসেন আশপাশের এলাকার লোকজন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা 

    ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা পরিষ্কার নয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। পৌঁছেছে উদ্ধারকারী দল। কীভাবে চলন্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সামনে মালগাড়ি চলে এল, সেটাই এখন তদন্তের মূল বিষয়। এক্ষেত্রে চালকের কোনও ভুল ছিল, নাকি সিগন্যালিং-এর কোনও সমস্যার জেরেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া স্টেশনের জন্য:০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়গপুর স্টেশনের জন্য: ৮৯৭২০৭৩৯২৫,৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর স্টেশনের জন্য: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯,৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার স্টেশনের জন্য: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express Accident: পরিবারের একমাত্র আয় করতেন এই রাজমিস্ত্রি, মৃত্যু ট্রেন দুর্ঘটনায়

    Coromandel Express Accident: পরিবারের একমাত্র আয় করতেন এই রাজমিস্ত্রি, মৃত্যু ট্রেন দুর্ঘটনায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবারের একমাত্র রোজগার করতেন মহিউদ্দিন শেখ। তাঁর বাড়ি ছিল কাকদ্বীপের মধুসূদনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তিন নম্বর এলাকায়। কাজ করতে যাচ্ছিলেন দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যে। গতকাল বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনা (Coromandel Express Accident) প্রাণ কেড়ে নেয় তাঁর। পরিবারে মধ্যে শোকের ছায়া বর্তমান।

    ট্রেন দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) মৃত্যু হল কাকদ্বীপ বাসিন্দার

    মূলত প্রত্যন্ত সুন্দরবন এলাকার কাকদ্বীপ নামখানা পাথরপ্রতিমা সহ বিভিন্ন এলাকার শ্রমিকেরা ভিন রাজ্যে যান কাজের উদ্দেশ্যে। কাকদ্বীপের মধুসূদনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে সাত আট জনের একটি দল, ভিন রাজ্যে যাচ্ছিলেন শ্রমিকের কাজের উদ্দেশ্যে। শালিমার থেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেস করে যাচ্ছিলেন সকলেই। হঠাৎ করমণ্ডল এক্সপ্রেসের বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নেয়, পরিবারের একমাত্র রোজগার করা মহিউদ্দিন শেখের। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন বারে বারে ফোন করতে থাকে মহিউদ্দিনকে। কিন্তু দুর্ঘটনার পরে তৎক্ষণাৎ ফোনে পাওয়া যায়নি তাঁকে। আরও কিছুক্ষণ পর সহকর্মীদের মধ্যে থেকে একজনের ফোন আসে বাড়ির ফোনে এবং পরিবারকে জানানো হয়, মহিউদ্দিন আর নেই! ট্রেন দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) প্রাণ গেছে তাঁর! এরপর হোয়াটস্যাপে ছবি দেখে মহিউদ্দিন শেখকে শনাক্ত করে পরিবার। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনায় আরও বেশ কিছুজন গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। ট্রেনের এই দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যেই শোকের ছায়া গোটা এলাকায়।

    পরিবারের বক্তব্য

    দাদা আব্দুল সালাম বলেন, গতকাল রাতে ১২ টায় আমি মহিউদ্দিনের মোবাইলে ফোন করি, কিন্তু প্রথমে কেউ ধরে নি ফোন। পরে অন্য একজন ওর ফোন থেকে ফোন করে বলে যে দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) মারা গেছে সে। পরিবারকে চালানোর জন্য মহিউদ্দিন দক্ষিণ ভারতের কেরালা রাজ্যে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেই যাচ্ছিলেন। পেশায় একজন রাজমিস্ত্রী এবং পরিযায়ী শ্রমিক ছিলেন মহিউদ্দিন। দাদা আরও জানান, মহিউদ্দিনের বাড়িতে বর্তমানে তিন ছেলে এবং স্ত্রী বর্তমান। তাঁরই রোজগারে তাঁর পরিবারের সংসার চলত। কিন্তু এখন এই ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর শ্রমিকের পরিবারের এই সংসার, কীভাবে চলবে, তাই নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করছেন দাদা আব্দুল সালাম। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share