Tag: rail blocked

rail blocked

  • BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    BJP Bangla Bandh: বন‍্ধে রণক্ষেত্র মানকুণ্ডু স্টেশন, বিজেপি-পুলিশ খণ্ডযুদ্ধে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির ডাকা বাংলা বন‍্ধে (BJP Bangla Bandh) রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়া-বর্ধমান শাখার হুগলির (Hooghly) মানকুন্ডু স্টেশন। ট্রেন আটকাতে এই স্টেশনে রেললাইনের ওপর নেমে পড়েন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। তাদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। উন্মত্ত কর্মীদের রেললাইন থেকে হঠাতে লাঠি উঁচিয়ে তেড়ে যায় পুলিশ। পুলিশের বিরুদ্ধে বন‍্‍ধ সমর্থকদের ওপর লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলে বিজেপি। কর্মীরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (BJP Bangla Bandh)

    বন‍্‍ধ সমর্থকরা এদিন হুগলি জেলার একাধিক রেল স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করেন। শ্রীরামপুর, চন্দননগর, হুগলি, হিন্দমোটর, কোন্নগর, ত্রিবেণী স্টেশনেও অবরোধ করা হয়। তাতে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। কোথাও দেড় ঘণ্টা, কোথাও দুঘণ্টা অবরোধ চলে। বুধবার সকাল থেকেই রেল অবরোধে (BJP Bangla Bandh) সামিল হন বিজেপি কর্মীরা। মানকুন্ডু স্টেশনেও এদিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে আপ ও ডাউন লাইনে রেল অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। দুটি লাইনেই দাঁড়িয়ে পড়ে ট্রেন। একটিতে দূরপাল্লার বালুরঘাট এক্সপ্রেসও দাঁড়িয়ে পড়ে। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলে অবরোধ। জিআরপি ও আরপিএফ অবরোধ হঠানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। দীর্ঘক্ষণ হাওড়া-বর্ধমান মেন ও ব্যান্ডেল শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ কর্তারা। পুলিশ লাইন থেকে বিশাল পুলিশ বাহিনী-র‍্যাফ-উইনার্স টিম ও কমব্যাট ফোর্সও ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এরপরেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ডাকা বন‍্ধে জেলায় জেলায় অবরোধ, সমর্থক-পুলিশ ধস্তাধস্তি

    মানকুণ্ডু স্টেশনের অবরোধ নিয়ে ট্যুইট সুকান্তর

    রেল অবরোধ (BJP Bangla Bandh) নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করে বলেন, বনধের সমর্থনে সাধারণ মানুষও সামিল হয়েছেন।

    <p

    পথ অবরোধে বিজেপি কর্মীরা

    ট্রেন ছাড়া হুগলি জেলার একাধিক জায়গায় পথ অবরোধও (BJP Bangla Bandh) করেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। শ্রীরামপুরের পেয়ারাপুরের কাছে দিল্লি রোডের মোড়ে অবরোধকারীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীদের হাতাহাতি হয়। হাতাহাতিতে আহত হন দুপক্ষের বেশ কয়েকজন। শ্রীরামপুর থানা থেকে পুলিশের বড় বাহিনী গিয়ে দুপক্ষকে বুঝিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sealdah: সকাল থেকে শিয়ালদা মেন শাখায় রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ, চরম ভোগান্তি

    Sealdah: সকাল থেকে শিয়ালদা মেন শাখায় রেল অবরোধ করে বিক্ষোভ, চরম ভোগান্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অফিস টাইমে লোকাল ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে শিয়ালদা (Sealdah)-রানাঘাট মেন শাখায় মদনপুর স্টেশনে রেল অবরোধ করলেন স্থানীয় নিত্যযাত্রীরা। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছে। আর সকাল থেকে অবরোধের জেরে আপ-ডাউনের বিভিন্ন শাখায় ট্রেন দাঁড়িয়ে রয়েছে। আপ হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস কল্যাণী স্টেশনে আটকে রয়েছে। অবরোধের জেরে অফিস যাত্রীরা চরম ভোগান্তির শিকার হন। একইসঙ্গে চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েছেন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরা।

    কেন রেল অবরোধ

    অবরোধকারীদের বক্তব্য, সকালে একের পর এক মেমু ট্রেন মদনপুর স্টেশনে দাঁড়ায়। কিন্তু, ট্রেন নোংরায় ভর্তি। বাথরুমের জল গোটা কামরায় চলে আসে। আর লালগোলা থেকে এই ট্রেন আসে বলে যাত্রী বোঝাই থাকে। ফলে, ওই ভিড় ট্রেনে মদনপুর সহ আশপাশের এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দারা কেউ উঠতে পারেন না। অন্যদিকে, সকালের দিকে একের পর এক লোকাল ট্রেন রয়েছে, যেগুলো বেশিরভাগই মদনপুর স্টেশনে দাঁড়ায় না। আর অফিস টাইমে লোকাল ট্রেন খুব কম দাঁড়ায়। সেই কারণেই চূড়ান্ত হয়রানির মধ্যে পড়তে হয় অফিস টাইমে। এর আগেও একাধিকবার স্টেশন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আশ্বাস মিললেও কোনও সুরাহা হয়নি। তাই, পথে নেমে আন্দোলন করার সিদ্ধান্ত নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবশেষে এদিন সকাল ৭.৪০মিনিট নাগাদ শিয়ালদা (Sealdah)-রানাঘাট লোকাল আটকে ট্রেন অবরোধ শুরু হয়। এ বিষয়ে এক নিত্যযাত্রী শুভজিৎ বিশ্বাস বলেন, প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ মিনিট পর পর ট্রেন দেওয়া হয়। তাও আবার মেমু ট্রেন। সেই কারণে চূড়ান্ত সমস্যার মধ্যে পড়তে হয় আমাদের। আমরা চাই, অবিলম্বে ইলেকট্রিক ট্রেন এবং ১২ বগির ট্রেন দেওয়া হোক। আমাদের দাবি, যতক্ষণ না রেল কর্তৃপক্ষ এসে নতুন করে ট্রেনের স্টপেজ দেওয়ার আশ্বাস দিচ্ছে ততক্ষণ এই অবরোধ চলবে।

    কী বললেন অবরোধে আটকে পড়া এক যাত্রী?

    হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস ট্রেনে করে সন্তোষ মুখোপাধ্যায় বহরমপুর যাচ্ছিলেন। তিনি বলেন, বেলা ১১ টা নাগাদ আমরা বহরমরপুর পৌঁছে যাই। মদনপুরে রেল অবরোধের জন্য এখন আমাদের ট্রেন কল্যাণী স্টেশনে আটকে রয়েছে। কখন বাড়ি পৌঁছাব তা বুঝতে পারছি না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: মুরারই স্টেশনে রেল অবরোধের জেরে চরম ভোগান্তি, আটকে বন্দে ভারত সহ একাধিক ট্রেন

    Birbhum: মুরারই স্টেশনে রেল অবরোধের জেরে চরম ভোগান্তি, আটকে বন্দে ভারত সহ একাধিক ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছুটির দিন সকাল থেকে বীরভূমের (Birbhum) মুরারই স্টেশনে রেল অবরোধের জেরে চরম ভোগান্তি হয়। রামপুরহাট লাইনের একাধিক স্টেশনে আপ-ডাউন লাইনে একাধিক ট্রেন আটকে পড়ে। নলহাটি জংশনে হাও়ড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আটকে পড়ে। সাহেবগঞ্জ-রামপুরহাট প্যাসেঞ্জার ট্রেন মুরারই স্টেশনে আটকে পড়ে। অবরোধের জেরে ট্রেনে থাকা যাত্রীদের চরম ভোগান্তি হয়।

    ঠিক কী নিয়ে অবরোধ?

    বীরভূমের (Birbhum) মুরারই স্টেশনে করোনার আগে বেশিরভাগ ট্রেন দাঁড়াত। কিন্তু, করোনার পর থেকে বহু ট্রেন এই স্টেশনে দাঁড়ায় না। করোনা দাপট এখন কমে গিয়েছে। কিন্তু, এই স্টেশনে এতদিন যে সব ট্রেন দাঁড়ানোর কথা ছিল। কোনও ট্রেনের স্টপেজ আর নেই। এরফলেই এলাকার মানুষের তরম ভোগান্তি শুরু হয়। এর আগে এলাকার বাসিন্দারা বহু জায়গায় দরবার করেছে তাতে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। মুরারই নাগরিক কমিটির ব্যানারে সাধারণ মানুষ রেল অবরোধ শুরু করেন। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ রেল অবরোধ শুরু হয়। প্রথমে কিছুক্ষণ অবরোধ হয়ে উঠে যাবে ধরে নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষ ততটা গুরুত্ব দেয়নি। কিন্তু, বন্দে ভারতের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন আটকে প়়ড়ায় রেল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসে। অবরোধ তোলার জন্য বহুবার দরবার করে। কিন্তু, বাস্তবে কাজের কাজ কিছুই হয়নি। অবরোধকারীদের বক্তব্য, এর আগে স্টেশন মাস্টারের কাছে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। কিন্তু,তাতে কাজ হয়নি। তাই, আমরা লিখিত প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত অবরোধ চালিয়ে যাব।

    কী বললেন ট্রেনের যাত্রীরা?

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনে আটকে পড়া এক যাত্রী বলেন , কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাব বলে বন্দে এক্সপ্রেসে মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কেটেছিলাম। কিন্তু, তাতে লাভ কী হল? বীরভূমে (Birbhum) সকাল থেকে আটকে রয়েছি। অবরোধ ওঠার পর হাওড়া পৌঁছাব কবে তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tribal People: ৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি আদিবাসীদের! কেন জানেন?

    Tribal People: ৫ এপ্রিল অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধের হুমকি আদিবাসীদের! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ ঠিকানা সেই কুস্তাউর রেল স্টেশন। গত বছর পুরুলিয়া জেলায় দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা বিভাগের এই স্টেশনে টানা পাঁচদিন রেল অবরোধের জেরে ট্রেন চলাচল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। রেলের ক্ষতি হয়েছিল কোটি কোটি টাকার। ভোগান্তিতে পড়েছিলেন হাজার হাজার যাত্রী। ফের একই কারণে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে চলেছেন রেলযাত্রীরা। আগামী ৫ এপ্রিল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেল অবরোধে সামিল হতে চলেছে কুরমি সমাজ। কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন আদিবাসী (Tribal People) কুরমি সমাজের মুখ্য উপদেষ্টা (মূল মানতা) অজিতপ্রসাদ মাহাতো। কয়েকদিন আগেই জেলা ও রাজ্য কমিটির সমস্ত পদাধিকারীদের নিয়ে পুরুলিয়া বিটি সরকার রোডে অবস্থিত কার্যালয়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    কেন রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত? Tribal People

    কুরমি জাতিকে এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে রেল অবরোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে, ৫ এপ্রিল রেল অবরোধ কর্মসূচির নিশ্চয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সেই বিভ্রান্তি কাটল কুরমি নেতা অজিতপ্রসাদ মাহাতোর দিল্লি সফরের পর। কারণ, দিল্লি সফরে গিয়ে তিনি জানতে পেরেছেন, কেন্দ্রীয় আদিবাসী (Tribal People) কল্যাণ মন্ত্রক রাজ্য সরকারের কাছে ২০১৭ সালের রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে শুধুমাত্র কমেন্ট এবং জাস্টিফিকেশন চেয়েছিল। কিন্ত, রাজ্য সরকার সেই রাস্তায় না হেঁটে কেন্দ্রের ঘাড়ে দায় চাপিয়েছে। আদিবাসী (Tribal People) কুরমি সমাজ সহ কুরমিদের বিভিন্ন সংগঠন রাজ্য সরকারের কাছে বারবার এই বিষয়ে দরবার করেও বিফল হয়েছে। অজিতবাবু বলেন, কুরমিদের এস টি তালিকাভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন চলছে। গতবার রেল অবরোধের সময় রাজ্য সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা পূরণ করেনি। কুরমিদের স্বাভিমানে আঘাত করা হয়েছে। তাঁদের আন্দোলনকে তুচ্ছ করা হয়েছে। সরকার কথা দিয়েছিল। কিন্তু, সেই কথা তারা রাখেনি। তাই, দাবি পূরণে আবারও রেল অবরোধ করতে কোমর বেঁধে নামবে আন্দোলনরত কুরমি সৈনিকরা।

    কী বললেন বিজেপির জেলা সভাপতি? Tribal People

    রেল অবরোধের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি বিবেক রাঙা বলেন, যে কোনো সমাজ নিজের অধিকারের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাতেই পারে। যদি তাদের দাবি সঠিক হয়, তাহলে সেই বিষয়টিতে বিশেষ নজর দেওয়া সরকারের দায়িত্ব। তিনি আরও বলেন, রাজ্য সরকার বার বার বলছে, রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছি। এভাবে কুরমি সম্প্রদায়কে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেছে তারা এবং পরিষ্কারভাবে কিছুই বলছে না। সরকারের উচিত সমাজের ন্যায্য দাবিগুলো দেখা। রেল অবরোধ নিয়ে তিনি বলেন, এতে সাধারণ মানুষ বিপদে পড়বে। তবে রেল অবরোধ না করে নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে অন্য পন্থা অবলম্বন করলে ভালো হবে।

    কী বললেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি? Tribal People

    পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। তাদের জন্য কী তথ্যপ্রমাণ পাঠানো জরুরি, সেই বিষয়ে নির্দেশিকা রয়েছে সংবিধানে। তারপরেও কেন্দ্র টালবাহানা করছে। যদিও রেল অবরোধ কর্মসূচিকে আমরা সমর্থন করছি না।

    আদিবাসীদের দাবি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কী বক্তব্য? Tribal People

    কেন্দ্রীয় সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য, তারা কোনোভাবেই এই সিদ্ধান্ত নেবে না। কোনও জাতিকে এসটি তালিকায় সংযোজন বা বিয়োজনের দায় একমাত্র রাজ্য সরকারের। কেন্দ্র সরকার রাজ্য সরকারের পাঠানো বিভিন্ন রিপোর্ট পরীক্ষা করতে পারে মাত্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share