Tag: railway minister

railway minister

  • Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: ট্রেনে খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা দেখানো হবে যাত্রীদের, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলযাত্রীদের স্বচ্ছ ও মানসম্মত পরিষেবা অনেক ক্ষেত্রেই বহু ক্ষেত্রে প্রশংসিত। আবার কিছুক্ষেত্রে যাত্রীরা সমালোচনাও করেন। রেলের খাবার এবং তার নির্দিষ্ট দাম থাকে না বলে অনেকেই অভিযোগ করেন। তবে এবার থেকে আর তেমনটা হবে। উদ্যোগ নিল রেল। ট্রেনে পরিবেশিত খাবারের মেনু ও মূল্য তালিকা স্পষ্টভাবে প্রদর্শন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বলে জানিয়ছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Railway Minister)। লোকসভায় দেওয়া এক লিখিত উত্তরে রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, যাত্রীদের সুবিধার্থে আইআরসিটিসি ওয়েবসাইট ও এসএমএস-এর মাধ্যমে মেনু ও মূল্য তালিকা জানানো হচ্ছে। এছাড়াও, ট্রেনের ওয়েটারদের কাছে প্রিন্টেড মেনু কার্ড থাকবে। যাত্রীরা চাইলে তা দেখতে পারবেন। ট্রেনের প্যান্ট্রি কারেও এই মূল্য তালিকা দেখানো থাকবে।

    খাবারের মান হবে উন্নত (Railway Minister)

    পাশাপাশি, খাবারের মান নিশ্চিত করতেও নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) বলেন, ‘‘নির্ধারিত বেস কিচেন থেকে খাবার সরবরাহ করা, আধুনিক বেস কিচেন চালু করা ও রান্নার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’’ খাবারের মানোন্নয়নে নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের কাঁচামাল ব্যবহারেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। যেমন- নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের তেল, চাল, আটা, ডাল, মশলা, দুধ ও পনির ইত্যাদি। এ ছাড়াও, প্রতিটি বেস কিচেনে খাদ্য নিরাপত্তা তদারকি করতে ফুড সেফটি সুপারভাইজারদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। যাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন।

    বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলো নিয়মিত পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে

    রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, ট্রেনে আইআরসিটিসি সুপারভাইজাররা দায়িত্ব পালন করবেন। খাবারের প্যাকেটে দেওয়া হবে কিউআর কোড। এটা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন খাবার কোথায় প্রস্তুত হয়েছে ও কখন প্যাকেজিং করা হয়েছে। খাবারের গুণগত মান বজায় রাখতেও নেওয়া হয়েছে একাধিক উদ্যোগ। বেস কিচেন ও প্যান্ট্রি কারগুলোতে নিয়মিত গভীর পরিচ্ছন্নতা ও কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে প্রতিটি ক্যাটারিং ইউনিটের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা (FSSAI) সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভালো মানের খাবার নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষকে দিয়ে সমীক্ষা চালানো হচ্ছে বলে খবর। একইসঙ্গে যাত্রীদের মতামতও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান রেলমন্ত্রী।

  • Indian Railways: বড় ঘোষণা রেলের, দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে ছুটবে ৭ হাজার বিশেষ ট্রেন

    Indian Railways: বড় ঘোষণা রেলের, দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে ছুটবে ৭ হাজার বিশেষ ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল হল দেশের লাইফ লাইন (Indian Railways)। তীর্থস্থান ভ্রমণ, ঘুরতে যাওয়া কিংবা প্রতিদিনকার যাতায়াত-দেশের সবচেয়ে বড় অংশের মানুষ রেলের ওপরেই নির্ভরশীল। রেলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থানও। বিশেষ উৎসবগুলিতে অতিরিক্ত ট্রেনও চালায় ভারতীয় রেল। দীপাবলি ও ছটপুজোর মরসুমে দেশবাসীর জন্য সুখবর দিল ভারতীয় রেল (Indian Railway)। রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই মরসুমে ৭ হাজার অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালানো হবে।

    গত বছরের তুলনায় ৪,৪২৯টি বেশি ট্রেন (Indian Railways) 

    প্রসঙ্গত, দেশব্যাপী দীপাবলি ও ছট পুজো পালনের এই সময়ে বহু মানুষ কর্মক্ষেত্রে ছুটি পান। তাঁরা বাড়ি ফিরে আসেন। আবার উৎসব শেষ হয়ে গেলে তাঁদের কাজের স্থানে ফিরতে হয়। তাই অন্য সময়ের থেকে এই সময়ে ট্রেনের চাহিদাও ব্যাপক বাড়ে। সে কথা মাথায় রেখে, অতিরিক্ত স্পেশাল ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করল রেল (Special Train)। ভারতের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বৃহস্পতিবারই, এই বিশেষ ট্রেন চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, গত ১ অক্টোবর থেকে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতীয় রেলের (Special Train) যাত্রী সংখ্যা হবে প্রায় এক কোটি। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, গত বছরের তুলনায় ৪,৪২৯টি বেশি ট্রেন চালানো হবে এ বছরে। জানা গিয়েছে, গত বছরের তুলনায় ষাট শতাংশ বেশি ট্রেন চলবে, যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে।

    দীপাবলির সময় প্রতিদিন ১৩৬টি করে অতিরিক্ত ট্রেন 

    প্রসঙ্গত, এই সময় মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ডে বিধানসভার ভোটও রয়েছে। সেই ভোটের কথা মাথায় রেখেও বিশেষ ট্রেন (Indian Railways) চালানো হচ্ছে। রেলমন্ত্রী হিসেব দিয়ে জানিয়েছেন, দীপাবলির সময় প্রতিদিন ১৩৬টি করে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে। আর এই অতিরিক্ত ট্রেনগুলি থামবে বেশ কিছু স্টেশনেও। এরজন্য থাকবে অতিরিক্ত টিকিট কাউন্টারের ব্যবস্থা, কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা, পানীয় জলের ব্যবস্থা। এছাড়া ছট পুজোর কারণে আগামী ২, ৩ ও ৪ নভেম্বর প্রতিদিন ১৪৫টি করে অতিরিক্ত ট্রেন চালানো হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Railway Minister: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    Railway Minister: মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুর্ঘটনা কত ছিল! পরিসংখ্যান তুলে আক্রমণ বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে সংসদে দাঁড়িয়ে ঠিক কী বলেছিলেন! সেই তথ্য-পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাঁকে তুলোধনা করলেন বর্তমান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সম্প্রতি, ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে রেলমন্ত্রককে (Railway Minister) কাঠগড়ায় তোলে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই নিয়েই রীতিমতো তথ্য তুলে ধরে তৃণমূল কংগ্রেসকে এক হাত নেন বর্তমান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। বৃহস্পতিবার সংসদে ট্রেন দুর্ঘটনা সংক্রান্ত অভিযোগের একের পর এক জবাব দিতে থাকেন তিনি। মমতা রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ট্রেন দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তিনি এই সংসদে দাঁড়িয়েই বলতেন, দেশে ট্রেন দুর্ঘটনা ০.২৪ শতাংশ থেকে কমে ০.১৯ শতাংশ হয়েছে। তখন এখানে বাকিরা হাততালি দিতেন। আর এখন, যখন দেশের ট্রেন দুর্ঘটনার পরিমাণ ০.১৯ থেকে কমে ০.০৩ শতাংশ হয়েছে, তখন তাঁরা উল্টে আমাকে দোষারোপ করছেন! এ ভাবে কি দেশ চলবে?’’

    আক্রমণ কংগ্রেসকেও (Railway Minister)

    রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘কংগ্রেস তার দলবল নিয়ে সমাজমাধ্যমে মিথ্যা দাবি করছে। এই দেশে প্রতি দিন দু’কোটি মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাঁদের সকলের মনে কি বিরোধীরা এ ভাবে ভয় ঢুকিয়ে দিতে চাইছে?’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যাঁরা এখানে বেশি চিৎকার করছেন, তাঁদের জিজ্ঞেস করা উচিত, ৫৮ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকার পরেও কেন তাঁরা এক কিলোমিটারেও ‘স্বয়ংক্রিয় রেলসুরক্ষা’ (এটিপি) চালু করতে পারেননি?’’ চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রেলমন্ত্রী বলেন, ‘‘লোকো পাইলটদের গড় কাজ এবং বিশ্রামের সময়গুলি ২০০৫ সালে প্রণীত বিধি দ্বারা নির্ধারিত হয়। ২০১৬ সালে, কয়েকটি বিধি সংশোধন করে এবং লোকো পাইলটদের আরও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। যাঁরা রিল তৈরি করে সহানুভূতি দেখান, তাঁদের এই তথ্য জানা উচিত।’’

    বাড়ছে জেনারেল কোচের সংখ্যা

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবারই লোকসভায় রেলমন্ত্রী (Railway Minister) জানিয়েছেন যে মেইল ও এক্সপ্রেস ট্রেনে এবার থেকে বাড়ছে জেনারেল কোচের সংখ্যা। রেলমন্ত্রী (Railway Minister) আরও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবিগুলি জানানো হচ্ছে যাত্রীদের তরফ থেকে এবং সেই দাবিকেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, বর্তমানে সমস্ত এক্সপ্রেস মেল ট্রেনের ক্ষেত্রে দুই-তৃতীয়াংশ জেনারেল কোচ ও এক ভাগ এসি কোচ থাকে। জেনারেল কোচের চাহিদা যে বাড়ছে সে কথাও এদিন উল্লেখ করেন তিনি। রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নতুন প্রায় আড়াই হাজার মতো জেনারেল কোচ তৈরি করা হবে। আগামী দিনে দশ হাজার জেনারেল কোচ তৈরি করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী।

     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রীদের পাশে দাঁড়ালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সোমবার বিকেল নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে তিনি সোজা রাঙাপানির দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে রেলমন্ত্রী  হাসপাতালে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের দেখতে যান।

     রেলমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন (Rail Accident)

    এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলমন্ত্রী উদ্ধারকার্যের তদারকি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেল আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। জখম রোগীরা কোথায় রয়েছেন তা তিনি জানতে চান। পরে, রেলমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন জখম যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তাঁকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের পাশে থাকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী। জখম যাত্রীদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

     কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    রেলমন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন জোর দিয়েছি উদ্ধারকার্যে। এখনও সেই কাজ চলছে। এপর্যন্ত মোট আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এখানে জখমদের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনার পর পর স্থানীয় মানুষ, স্থানীয় জেলা প্রশাসন, এনডিআরএফ এবং রেল কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকার্য চালিয়ে যাচ্ছে। তাই, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন সবার আগে উদ্ধারকাজের ওপর নজর দেওয়া দরকার। যাত্রী নিরাপত্তার দিকে সম্পূর্ণ ফোকাস রয়েছে।” সিগনালিং ব্যর্থতার কারণেই কি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা? যদিও এই নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটির রিপোর্ট এলেই এই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে। তার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে, এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে কখনও পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা নিশ্চিত করা হবে।” প্রসঙ্গত, কলকাতাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মেরেছে মালগাড়ি। ট্রেনের একাধিক কামরা প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রেলমন্ত্রীর দরবারে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম তৈরির জন্য রেলমন্ত্রীর দরবারে সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে উত্তরবঙ্গের খেলাধুলোর প্রসারে আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্রীয় স্টেডিয়াম গড়ার উদ্যোগ নিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ক্রীড়া মন্ত্রকের তরফে ইতিমধ্যেই এই স্টেডিয়াম গড়ার বিষয়ে ছাড়পত্র মিলেছে। তবে, জমি পাওয়ার ক্ষেত্রে রেলের ছাড়পত্র না মেলায় এই প্রকল্প এখনও বাস্তবায়ন করা যায়নি। তাই ওই ছাড়পত্র দ্রুত দেওয়ার আর্জি নিয়ে দিল্লিতে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেন সুকান্ত মজুমদার। বুনিয়াদপুরে রেলের যে জমি রয়েছে, সেখানে জাতীয় উৎকর্ষ কেন্দ্র বা স্টেডিয়াম তৈরির বিষয়ে তাঁর হাতে চিঠি তুলে দেন তিনি।

    রেলের জমিতেই স্টেডিয়াম! (Sukanta Majumdar)

    শিল্পবিহীন সীমান্ত জেলা দক্ষিণ দিনাজপুরে কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১২ সালের ৩০ অগাস্ট বুনিয়াদপুরে রেলের ওয়াগন কারখানার শিলান্যাস করেছিলেন। দ্বিতীয় ইউপিএ আমলে রেলমন্ত্রী হয়ে মমতা যে ১৭টি বড় মাপের রেল কারখানা ঘোষণা করেছিলেন, তার মধ্যে ছিল বুনিয়াদপুরের কারখানাটি। জানা গেছে, ২০১০-১১ সালে ঘোষিত ওই প্রকল্পটি গড়ে তুলতে ১৩২.৮২ কোটি টাকা খরচ ধরেছিল রেল। শুধু প্রতিশ্রুতিই ছিল। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। শিলান্যাসের পর থেকেই নানা কারণে প্রকল্পটি ঠান্ডা ঘরে চলে যায়। আদৌ কোনওদিন ওই জমিতে ফ্যাক্টরি গড়া হবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দ রয়েছে। তাই ওই রেলের জমিকেই কাজে লাগাতে এবার উদ্যোগী হলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আর পরিকল্পনা মতো এই এলাকায় আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম গড়ার কাজ সম্পূর্ণ হলে এলাকার হাল বদলে যাবে বলে আশা সুকান্তবাবুর।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বুনিয়াদপুরে রেলের জমিতে একটি স্টেডিয়াম তৈরি করার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রক স্টেডিয়াম করার ছাড়পত্র দিয়েছে। কিন্তু, জমির জন্য ইতিমধ্যেই ক্রীড়া দফতর রেল দফতরকে চিঠি দিয়েছে। রেলের জমির এনওসি পাওয়ার পর সেখানে একটি স্টেডিয়াম গড়ে তোলা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway Minister: জমিজটে থমকে উত্তরবঙ্গের একাধিক রেলপ্রকল্প! রাজ্যকে চিঠি দিলেন রেলমন্ত্রী

    Railway Minister: জমিজটে থমকে উত্তরবঙ্গের একাধিক রেলপ্রকল্প! রাজ্যকে চিঠি দিলেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দূরত্ব বিচারে ব্যবধান খুবই কম। কোথাও সাত কিলোমিটার, কোথাও আবার আট কিলোমিটার। সামান্য এই পথে রেল পথ সম্প্রসারণ করা যাচ্ছে না শুধুমাত্র জমি জটের কারণে। এরমধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রাজ্যের বেশ কয়েকটি নতুন রেল পথের শুভ সূচনা করেছিলেন। তার মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর থেকে উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ সহ এই জেলার আরও বেশ কয়েকটি রেল পথও রয়েছে। কিন্তু, জমি জটের কারণে  এই সব রেল পথের মেইন লাইনের কাজ এখনও থমকে রয়েছে। সম্প্রতি, রেলমন্ত্রী (Railway Minister) অশ্বিনী বৈষ্ণব নিজে এই বিষয়ে উদ্যোগী রেল সম্প্রসারণের জন্য রাজ্য সরকারকে জমি জট কাটানোর জন্য চিঠি দিয়েছেন।

    জমি জটে কোন কোন প্রকল্পে থমকে রয়েছে? (Railway Minister)

    জানা গিয়েছে, বুনিয়াদপুর থেকে কালিয়াগঞ্জ। রায়গঞ্জ থেকে ইটাহার। ইটাহার থেকে বুনিয়াদপুর এবং গুঞ্জরিয়া থেকে গাজোল এই সব এলাকায় রেল সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই মতো কাজ শুরু হলেও, পরবর্তী সময়ে জমি-জটের কারণে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। মূলত এটি সম্পূর্ণ হলে উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা এই তিন জেলার মানুষের পরিবহণ এবং ব্যবসায়িক দিক থেকে উন্নতি হবে বলে ব্যবসায়ী মহল সূত্রে জানা গিয়েছে। এ বিষয়ে কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা দীপঙ্কর চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই রেলপথ সম্প্রসারণ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে। শুনেছি রেল দফতর পুনরায় এ প্রকল্প চালু করার উদ্যোগ  গ্রহণ করেছে। তাতে আমরা খুশি।

    ব্যবসায়ীরা কী বলছেন?

    এ বিষয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তথা উত্তর দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্সের সদস্য অঞ্জন রায় বলেন,আমরা বারংবার এই দাবি জানিয়ে এসেছি। আমি হাইকোর্টে একটি মামলাও করেছি জমিজট নিরসনের জন্য। রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর সঙ্গে আমরা রেলমন্ত্রী (Railway Minister) অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছেও এই প্রকল্পটি চালু করার দাবি জানিয়েছি। এই প্রকল্পটি চালু হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধাও নেই বলে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। রাজ্য সরকারের উচিত দ্রুত জমি অধিগ্রহণ করে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করা। তাহলে তিন জেলার মানুষেরই উপকার হবে। এ বিষয়ে রায়গঞ্জ মার্চেন্টস এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক অতনু বন্ধু লাহিড়ী বলেন, আমরা চাই এই প্রকল্পটি দ্রুত সম্পন্ন হোক। জমিজটের কারণে প্রকল্পটি আটকে গেছে। আমরা চাই, দ্রুত এই সমস্যার সমাধান হোক। তাহলে সাধারণ মানুষের উপকার হবে তথা জেলার ব্যবসায়িক ক্ষেত্রেও উন্নতি হবে।

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, সামান্য রাস্তা শুধু জমিজটের কারণে রেল সম্প্রসারণ করা সম্ভব হয়নি। রাজ্য সরকারের উদ্যোগ না নেওয়া এর প্রধান কারণ। তাই, আমরা রেলমন্ত্রীর (Railway Minister) সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি এই বিষয়ে রাজ্য সরকারকে চিঠিও দিয়েছেন। জমিজট কেটে গেলেই রেল সম্প্রসারণে আর কোনও সমস্যা থাকবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী  পরিদর্শনের পরেই বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম (DRM) মহম্মদ সুজাত হাসমি। চলতি মাসের ২ তারিখ খড়গপুর ডিভিশনের ওড়িশার বালেশ্বেরর কাছে বাহানাগায় মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। প্রায় ৩০০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিবিআই। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আমির খান নামে এক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। রেল দুর্ঘটনার তিন সপ্তাহের মধ্যে ডিআরএমকে (DRM) বদলি করে দেওয়ার ঘটনা যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    নতুন কে ডিআরএম (DRM) হলেন?

    বুধবার খড়গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এর আগে দুর্ঘটনার পর পরই তিনি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে থেকে তিনি ট্রেন চলাচল শুরু করার পরই তিনি এলাকা ছাড়েন। রেলমন্ত্রীর এই ভূমিকায় সারা দেশবাসী প্রশংসা করেছিলেন। দুর্ঘটনার পর পরই রেলের সুরক্ষা কমিটি খড়্গপুর এসে একাধিক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। সমস্ত রিপোর্ট রেলের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার কয়েকদিন পরই সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রেলমন্ত্রী ফের পরিদর্শনে আসেন। রেলমন্ত্রী পরিদর্শনের পরেই বৃহস্পতিবারই বদলির নির্দেশ দেওয়া হল ডিআরএমকে। খড়গপুর ডিভিশনের নতুন ডিআরএম হতে চলেছেন কে আর চৌধুরী। তিনি এতদিন উত্তর-পশ্চিম রেলের রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ সামলেছেন।

    পরিদর্শনে এসে কী বলেছিলেন রেলমন্ত্রী?

    ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে বাহানাগা রেল দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রেল। প্রশ্ন উঠেছে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম নিয়ে। এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের সদর খড়গপুর স্টেশনে এসেই এশিয়ার বৃহত্তম রুট রিলে ইন্টারলকিংয়ের পরিকাঠামো পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, আরও শক্তিশালী করা হবে খড়্গপুরের রুটে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেমকে। একই সঙ্গে রেল দুর্ঘটনা নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন এড়িয়ে যান রেলমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: লক্ষ্য নিরাপত্তা, খড়্গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    Paschim Medinipur: লক্ষ্য নিরাপত্তা, খড়্গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম পরিদর্শনে রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল ট্রেন (Coromandel Express) দুর্ঘটনা ঘটেছিল ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে বাহানাগা রেল স্টেশনের পাশেই। এই রেল দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই বড় রেল দুর্ঘটনা থেকে প্রশ্ন উঠেছে রেলের রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম নিয়ে। এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়্গপুর ডিভিশনের সদর খড়্গপুর (Paschim Medinipur) স্টেশনে এসে এশিয়ার বৃহত্তম রুট রিলে ইন্টারলকিং পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেই সঙ্গে রেল মন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আরও শক্তিশালী করা হবে খড়্গপুরের রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেমকে। রেল মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ এবং বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব খড়্গপুরে এসে রেলের অফিস থেকে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, খড়্গপুর (Paschim Medinipur) রেল স্টেশন হল এশিয়ার সব থেকে কমপ্লেক্স রেল স্টেশন। খুবই গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন হল এই খড়্গপুর। যেহেতু খুব বড় স্টেশন, তাই খুব সচেতন ভাবে এখানে কাজ করতে হয়। সুরক্ষা বিধি এবং আগামী পরিকল্পনার কথা মাথায় রেখে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেন জানান তিনি। রেলমন্ত্রী আরও জানান, সকল দিক খতিয়ে দেখার জন্য খড়্গপুর রেল স্টেশনে এসেছেন তিনি। কীভাবে রেলকে খড়্গপুর শহরের সঙ্গে জুড়ে নতুন ভাবে উন্নয়ন করা যায়, সেই বিষয়েও রেলের আধিকারিক এবং ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, এই জংশনের ইন্টারলকিং ব্যবস্থা সব থেকে বৃহৎ ইন্টারলকিং ব্যবস্থা। আর তাই এর সঙ্গে যুক্ত সকল কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করে কাজ সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ নেওয়া হয়েছে। রেলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সচল, নিরাপদ এবং সুরক্ষিত হওয়াটা একান্ত প্রয়োজনীয়। আর তাই রেল বিভাগ থেকে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    Bande Bharat: ছ’ মাসের মধ্যেই চলবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, জানালেন রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুখবর শোনালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আগামী ছ’ মাসের মধ্যেই চলতে শুরু করবে বন্দে ভারত (Bande Bharat) স্লিপার ট্রেন। শনিবার এ খবর জানান তিনি। জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ট্রায়াল রান শুরু হবে। পরে বন্দে ভারতের সব ট্রেনেই এই সুবিধা মিলবে। বর্তমানে দেশের ৪১টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেন চলছে। চলছে দুটি অমৃত ভারত ট্রেনও।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    শনিবার বেঙ্গালুরুতে বিইএমএল ক্যাম্পাসে বন্দে ভারত স্লিপার কোচ উৎপাদন পরিদর্শন করেন রেলমন্ত্রী। তার পরেই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালানোর কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, “ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রেক্ষিতে দেশে আরও একশোটি অমৃত ভারত (নন এসি স্লিপার) ট্রেনের কোচের অর্ডার দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, তিনটি ফরমেটে বন্দে ভারত চলাচল শুরু করবে। এগুলি হল, বন্দে ভারত ট্রেন, বন্দে স্লিপার এবং বন্দে মেট্রো। এই এসি ট্রেনগুলিতে ১৬টি করে কোচ থাকবে। প্রতিটি ট্রেনে থাকবে ১১টি ৩ টিয়ার, ৪টি ২ টায়ার এবং একটি ফার্স্ট ক্লাস। ট্রেনগুলি ঘণ্টা প্রতি ১৬০ কিলোমিটার গতিতে দৌড়বে।

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য

    বন্দে ভারত স্লিপার কোচের বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “স্লিপার কোচগুলিতে কম্পন ও শব্দের মাত্রা শূন্যের কাছাকাছি হবে। ছাদ, গাড়ির বডি ও লোড ট্রেনের গতির সঙ্গে মানানসই করে ডিজাইন করা হয়েছে। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে মোট ৬৭টি বার্থ থাকবে। স্লিপার বার্থের জন্য আরোহনের সিঁড়ি ব্যবহার করা সহজ হবে। এসি নিয়ন্ত্রিত হবে।” মোবাইল চার্জিং ও স্টোরেজ স্পেস আরও ভালোভাবে ডিজাইন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর গড়ে তৃণমূলে ধাক্কা, ভোটের আগে আড়াইশো সংখ্যালঘু পরিবার যোগ দিল বিজেপিতে

    তিনি বলেন, “যাত্রীদের ভ্রমণ আরও নিরাপদ ও দক্ষ করার জন্য কাপলার, অ্যান্টি ক্লাইম্বার সহ অন্য বৈশিষ্ট্যগুলি ইনস্টল করা হয়েছে।” মন্ত্রী জানান, প্রথম স্লিপার কোচ সম্পূর্ণ হয়েছে। এটি একটি নয়া ডিজাইন পেয়েছে। আগামী চার-পাঁচ মাসের মধ্যে ১০টি ট্রেন ট্রায়াল রানের জন্য সেট করা হবে। অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, “বন্দে ভারত (Bande Bharat) ট্রেনটি ডিজাইনিং সহ পুরোটাই করা হয়েছে ভারতে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    Balurghat: রেলমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক, ভেলোরের জন্য ট্রেনের দাবি জানালেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে দক্ষিণ দিনাজপুর (Balurghat) জেলার জন্য একগুচ্ছ রেল প্রকল্প ও নতুন রেল পরিষেবা চালুর দাবিপত্র তুলে দিলেন বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। ২০২৪ লোকসভা ভোটে জেলার রেল পরিষেবার উন্নয়ন সহ একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নকেই পাখির চোখ করতে চলেছে বিজেপি। বিভিন্ন সময় সুকান্ত মজুমদার জেলা সফরে এসে রেল প্রকল্পের হাল হাকিকত খতিয়ে দেখতে মাঠে নামেন। পার্লামেন্টের অধিবেশন চলছে। এই সময় সুকান্ত মজুমদার দিল্লিতে রয়েছেন। তাই বেশ কিছু প্রকল্প নিয়ে অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে সেগুলির বাস্তবায়নের দাবি জানালেন তিনি।

    কোন কোন প্রকল্প (Balurghat) নিয়ে কথা হল?

    জেলার জনগণের চিকিৎসার সুবিধার জন্য বালুরঘাট (Balurghat) থেকে কাটপাটি (ভেলোর) পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও প্রচুর বাংলাদেশি নাগরিক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বালুরঘাট হয়ে কলকাতা বা শিলিগুড়ি গিয়ে সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য ভেলোরে যান। বালুরঘাট থেকে সরাসরি ভেলোর ট্রেন চালু হলে এই সুবিধা শুধু জেলার মানুষ নয়, বাংলাদেশিরাও পাবেন। বালুরঘাট, বুনিয়াদপুর ও গঙ্গারামপুর রেল স্টেশনকে অমৃত ভারত প্রকল্পে এনে স্টেশনের আধুনিকীকরণের প্রস্তাব রেখেছেন সুকান্ত মজুমদার। গাজোল-গুঞ্জরিয়া ভায়া ইটাহার বুনিয়াদপুর রেল প্রকল্পের ঘোষণা হয়েছিল ২০১০ সালে। জমি চিহ্নিতকরণের কাজ হয়েছে। কিন্তু পরের কাজ হয়নি। সেই প্রকল্পেরও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি করেছেন তিনি।

    এছাড়া, প্রস্তাবিত বুনিয়াদপুর-কালিয়াগঞ্জ রেলপথ সম্প্রসারণে জমি অধিগ্রহণ করে রেলপথ নির্মাণ যাতে দ্রুত শুরু হয়, সেই বিষয়েও কথা বলেছেন রেলমন্ত্রীর সঙ্গে। বালুরঘাট থেকে শিয়ালদা পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন চলাচলের প্রস্তাব আগেই রেখেছিলেন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। কিন্তু অন্য ট্রেনের সঙ্গে টাইম ম্যাচ না করায় এই ট্রেন দেওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেছিলেন সুকান্ত। এবার হাটে বাজারে এক্সপ্রেসের নতুন টাইম সিডিউল করার মাধ্যমে নতুন ট্রেনের টাইম টেবিল পাওয়া যাবে বলে দাবি তাঁর। এছাড়াও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর বুনিয়াদপুরে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। কোচবিহার থেকে দেওঘর পর্যন্ত ভায়া মালদা একটি নতুন ট্রেন চালুর কথাও বলেছেন তিনি।

    কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার এবং জেলার বিশিষ্টরা (Balurghat)?

    সুকান্ত মজুমদার বলেন, দক্ষিণ দিনাজপুরে (Balurghat) রেলের উন্নতিকল্পে যা যা করা দরকার, সে বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন রেলমন্ত্রী। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের এহেন ভূমিকায় খুশি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাসিন্দারা। হিলি এসআইবি কলেজের অধ্যাপক তথা গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকার বলেন, সাংসদের এহেন পদক্ষেপ খুবই ইতিবাচক এবং বাস্তবিক। এর দ্বারা আমরা প্রত্যক্ষভাবে লাভবান হব। সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে ধন্যবাদ। কবি ও সাহিত্যিক তথা বালুরঘাটের বাসিন্দা বঙ্গরত্ন বিশ্বনাথ লাহা বলেন, খুবই ভাল উদ্যোগ। আমরা আশা করি সাংসদের দেওয়া প্রস্তাবগুলি ফলপ্রসূ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share