Tag: rain

rain

  • Balurghat Heat wave: ৪১ ডিগ্রিতে জ্বলছে শহর, একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে তাপমাত্রার পারদ

    Balurghat Heat wave: ৪১ ডিগ্রিতে জ্বলছে শহর, একের পর এক রেকর্ড ভাঙছে তাপমাত্রার পারদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকে দুপুর। বালুরঘাটের রাস্তাঘাট ফাঁকা। শহরে বিগত প্রায় দেড় মাস বৃষ্টির দেখা নেই। তীব্র তাপপ্রবাহে (Balurghat Heat wave) কার্যত ধুঁকছেন জেলাবাসী। বৃষ্টির অভাবে একদিকে যেমন চাষবাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে, অন্যদিকে খুব প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বেরোচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। সমস্যায় শহরবাসী। সকাল থেকেই সূর্যের চোখরাঙানি। তাপমাত্রার পারদ দুপুরে গিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে চল্লিশের কাছাকাছি। 

    এমন আবহাওয়া কবে দেখেছেন, মনে করতে পারছেন না কেউ

    বালুরঘাটে সাধারণ মানুষের কাছে এইরকম আবহাওয়া স্মরণাতীত। ছোট থেকে যাঁরা বালুরঘাটে বড় হয়েছেন, তাঁরাও মনে করতে পারছেন না, এত দীর্ঘ সময় বৃষ্টিবিহীন বালুরঘাট কবে ছিল। এত গরম (Balurghat Heat wave) এর আগে কখনও হয়েছে বলে তাঁদের জানা নেই। সকাল থেকেই রাস্তাঘাট ফাঁকা। অফিসপাড়াতেও সেভাবে ব্যস্ততা চোখে পড়ছে না। জেলাবাসী তাকিয়ে রয়েছেন আকাশের দিকে এক ফোঁটা বৃষ্টির জন্য।

    কংক্রিটের বহুতলই কি এর কারণ?

    গত বছর এই মরশুমে বালুরঘাটের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫° সেলসিয়াস, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১°। যা গরমের মরশুমের রেকর্ড তাপমাত্রা (Balurghat Heat wave)। বালুরঘাট শহরের এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ গাছ কেটে, জলাশয় ভরাট করে কংক্রিটের বহুতল গড়ে তোলা বলে জানান পরিবেশপ্রেমী তুহিনশুভ্র মন্ডল। তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় পুরসভা, প্রশাসন সহ শহরের মানুষকে আরও সচেতন হতে হবে।

    তিনি বলেন, আসলে বালুরঘাটের মতো আপাত দূষণহীন একটা শহরে, বালুরঘাটের মতো সবুজ একটা শহরে কেন হঠাৎ এত গরম বাড়ছে? আমরা একটা সমীক্ষা করে দেখেছি, প্রতি বছর শহরে গাছের সংখ্যা কমছে। প্রতি বছর ক্রমশ হাইরাইজের সংখ্যা বাড়ছে, জলাভূমিকে বুজিয়ে ফেলা হচ্ছে। এ নিয়ে আমরা অনেকবার পৌরসভা এবং প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। সচেতনতার বার্তা নিয়ে আমরা মানুষের কাছে পৌঁছেছি। বিপদ আমাদের ঘরের দুয়ারে চলে এসেছে। পরিবেশকে বাঁচাতে না পারলে আমরা কেউ বাঁচবো না। এটা বোঝার সময় হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ভরা বসন্তে ঝড়-শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি রাজ্যে, জানুন কখন, কোথায়

    Weather Update: ভরা বসন্তে ঝড়-শিলাবৃষ্টির ভ্রুকুটি রাজ্যে, জানুন কখন, কোথায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর-পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের ওপর সক্রিয় রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার জেরে ভোল বদলেছে বসন্তের (Weather Update)। ভরা বসন্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ, বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যের সব জেলায়ই। বৃষ্টির সঙ্গে কোনও কোনও জেলায় বইতে পারে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হওয়া। দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছ। এদিন বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি হতে পারে কলকাতাতেও। বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও।

    উপভোগ্য হবে বসন্ত?

    তবে বৃষ্টি (Weather Update) হলেও, এখন আর কমবে না তাপমাত্রা। তাই উপভোগ্য হবে বসন্ত। বৃহস্পতিবার রাজ্যের গড় তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ৩২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হতে পারে ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শহরের আকাশ থাকবে মেঘাচ্ছন্ন। বৃষ্টি হতে পারে দফায় দফায়। আগামী পাঁচদিন রাজ্যের তাপমাত্রার খুব একটা হেরফের হবে না। তাই গ্রীষ্মের ভ্রুকুটি নয়, বসন্তই উপভোগ করবেন বঙ্গবাসী।

    রাজ্যে শিলাবৃষ্টি 

    পূর্বাভাস মতো রাজ্যের প্রায় সবকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে বুধবারও। উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় হয়েছে শিলাবৃষ্টিও। শুক্রবার পর্যন্ত আবহাওয়া এরকমই থাকবে বলে পূর্বাভাস ছিল হাওয়া অফিসের। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণ জলীয় বাষ্প ঢুকবে। তার জেরেই পরিবর্তন হবে আবহাওয়ার। আবহবিদদের একাংশের মতে, বৃষ্টির কারণও এটাই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘মমতার বিবেকের মৃত্যু হয়েছে’’, সন্দেশখালিকাণ্ডে তীব্র আক্রমণ রবিশঙ্করের

    পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সঙ্গে পূবালি হাওয়ার সংঘাতের ফলেরই বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। অসমের ওপরও একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এগোচ্ছে উত্তর-পূর্ব ভারতের দিকে। শনিবার আরও একটি ঢুকবে বলেও পূর্বাভাস। তার জেরেই এই অকাল বর্ষণ। আজ শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলার কিছু অংশে। শিলাবৃষ্টি হতে পারে মালদা, দুই দিনাজপুর, দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলার কিছু অংশে (Weather Update)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Weather Update: বসন্তেই রাজ্যে ‘হাওয়া’ বদল, কবে কোথায় বৃষ্টি জানেন?

    Weather Update: বসন্তেই রাজ্যে ‘হাওয়া’ বদল, কবে কোথায় বৃষ্টি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসন্তেই রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update)। বুধবার থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভবনা দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায়। বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গেও। অন্তত এমনই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

    ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ

    হাওয়া অফিসের খবর, বুধবার বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া জেলা। এই জেলাগুলিতে হতে পারে হালকা বৃষ্টি। বৃহস্পতিবার বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায়ই। বৃষ্টি হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি। শুক্রবারও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে দুই চব্বিশ পরগনা এবং দুই মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকা।

    ভিজতে পারে উত্তরও

    হাওয়া অফিসের তরফে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে উত্তরবঙ্গেও। আজ, সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং জেলায়। বুধবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলায়। হালকা বৃষ্টি হতে পারে আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, দুই দিনাজপুর ও মালদা জেলায়। বৃহস্পতিবার হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে উত্তরবঙ্গের সব জেলায়। দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে (Weather Update) বৃষ্টি হতে পারে শুক্রবার। তবে বৃষ্টি হলেও, আর ঠান্ডা পড়বে না। হাওয়া অফিসের খবর, আগামী তিন-চার দিনের মধ্যে রাজ্যে তাপমাত্রার পারদ চড়তে পারে তিন থেকে চার ডিগ্রি। আগামী ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য বৃষ্টির কোনও সম্ভবনা নেই। আকাশ থাকবে পরিষ্কার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘নির্ভয়ে কথা বলুক নির্যাতিতারা’’, সন্দেশখালিতে জাতীয় মহিলা কমিশন

    চড়ছে কলকাতার পারদ

    তাপমাত্রা যে বাড়তে চলেছে, তার আঁচ মিলেছে সোমবারই। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সেই তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় তিন ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। রবিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার এটা হতে পারে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহেই রাজ্যের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পার হতে পারে। কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চৌকাঠ। পশ্চিমের জেলাগুলির তাপমাত্রা আরও দু ডিগ্রি বেড়ে গিয়ে হতে পারে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (Weather Update)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: জোড়া ঘূর্ণাবর্ত, মেঘলা আকাশ ভরা শীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: জোড়া ঘূর্ণাবর্ত, মেঘলা আকাশ ভরা শীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহর থেকে জেলা, গত কয়েক দিনে শীতের কামড় টের পেয়েছে সাধারণ মানুষ। তবে  বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মেঘলা আকাশ। জোড়া ঘূর্ণাবর্তের জের, ভরা শীতেও বৃষ্টির ভ্রূকুটি। শহরের কোথাও কোথাও বৃষ্টি শুরুও হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, আজ কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়ায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। ভরা মাঘে ফের বৃষ্টি-শঙ্কা ঘুম কেড়েছে কৃষকদের। 

    ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব বঙ্গে

    বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এরই পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম ভারতে রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট। উত্তুরে হাওয়া হাত গুটিয়ে নেওয়ায় বঙ্গে পূবালি হাওয়ার (Rain in Kolkata) দাপট বাড়ছে। বৃহস্পতিবার কলকাতা (Kolkata) শহরে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মহানগরীতে শীতের দাপট কমবে। চড়বে তাপমাত্রা। আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিনে চার ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। কলকাতায় তাপমাত্রা এক ধাক্কায় ৩ ডিগ্রি বেড়ে আজ ১৬.৩। স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। আগামীকাল সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি চলতে পারে, বেলার দিকে আবহাওয়ার উন্নতি। রাতের তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে। দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা নিচে থাকবে। শীতের আমেজ থাকলেও কাঁপন কমবে। কলকাতার তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে। বৃষ্টির পরেও তাপমাত্রা খুব একটা নামার সম্ভাবনা কম। এবার ধীরে ধীরে শীতের দাপট কমবে, বাড়বে তাপমাত্রা, এমনই পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের।

    আরও পড়ুন: নজির রোহিতের, জোড়া সুপার ওভার, আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বরেকর্ড ভারতের

    উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মিলিয়ে গত কালই তুষারপাত হয়েছে দার্জিলিং জেলার কিছু অংশে। বরফে ঢেকেছে দার্জিলিং। শীতে কাঁপছে শৈলশহর। আবহাওয়া দফতর আরও জানায়, উত্তরবঙ্গে বিহার সংলগ্ন জেলায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে। ঘন কুয়াশার সতর্কতা রয়েছে মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এছাড়াও দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারে ঘন কুয়াশার দাপট থাকবে। আজ দার্জিলিঙের তাপমাত্রা মাইনাসে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী দু-তিনদিন তুষারপাত হতে পারে। পার্বত্য এলাকায় শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: অতি গভীর নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    Weather Update: অতি গভীর নিম্নচাপ! কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই শহরের আকাশে কালো মেঘ। এক ধাক্কায় কমেছে দিনের তাপমাত্রা। ইডেনের আকাশে ক্রমেই গাঢ় হচ্ছে নিম্নচাপের মেঘ। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, বৃহস্পতিবার দিনভর বিক্ষিপ্ত এবং হালকা বৃষ্টি চলতে পারে কলকাতায়। কারণ বঙ্গোপসাগরে যে নিম্নচাপ ঘনিয়েছিল, তা ইতিমধ্যেই পরিণত হয়েছে গভীর নিম্নচাপে। আজ, ইডেনে রয়েছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। বৃষ্টির ফলে ব্যহত হতে পারে সেই ম্যাচ।

    কী বলছে হাওয়া অফিস

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এদিন বেলা যত বাড়বে বৃষ্টির (Rain) সম্ভাবনা ততই বাড়বে। দফায় দফায় হালকা মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুধু তাই নয়, উপকূলের জেলাগুলিতে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। শনিবার পর্যন্ত উপকূলের জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভানা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ শক্তি বাড়িয়ে অতি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এরপর তা গতি পরিবর্তন করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগোবে। আগামীকাল অর্থাৎ ১৭ নভেম্বর সকালে এটি ভুবনেশ্বরের কাছাকাছি ওড়িশা উপকূলে অবস্থান করবে। এরপর উপকূল বরাবর বাংলাদেশের দিকে এগোবে। শনিবার বিকেল অথবা সন্ধ্যের দিকে এটি বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকার পাথরঘাটা মাথাবেড়িয়া দিয়ে বরিশালের অভিমুখে যাবে। এর প্রভাবে ১৬ থেকে ১৮ নভেম্বর মৎস্যজীবীদের উত্তর বঙ্গোপসাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: নতুন বছরের শুরুতে পাঁচটি স্টেশনকে ঢেলে সংস্কারের উদ্যোগ, তালিকায় কাদের নাম রয়েছে জানেন?

    শহরে বৃষ্টির সতর্কতা

    বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম মেদিনীপুর উত্তর ২৪ পরগনা কলকাতা হাওড়া হুগলি পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়াতে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর,শুক্রবার ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতে। পূর্ব মেদিনীপুর ও হাওড়া জেলার কিছু অংশে রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, কলকাতা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান এবং নদিয়া, মুর্শিদাবাদে হতে পারে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি। শনিবার বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে। শুক্রবারও মেঘলা আকাশ ও দু এক পশলা হালকা মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতায় আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিক। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৪৬ থেকে ৯০ শতাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: ভাইফোঁটার পর ফের বৃষ্টি! কালীপুজোর পরই কি ঠান্ডার আমেজ?

    Weather Update: ভাইফোঁটার পর ফের বৃষ্টি! কালীপুজোর পরই কি ঠান্ডার আমেজ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই কালীপুজো (Kalipuja)। হেমন্তের মনোরম আবহাওয়াতে আলোর মালায় সেজে উঠেছে কলকাতা। রাতের দিকে বইছে ঠান্ডা হাওয়া। উত্তরে হাওয়ায় নামছে পারদ। আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতর সূত্রে খবর, ভাই ফোঁটা পর্যন্ত রাজ্যে বৃষ্টি নেই। প্রধানত শুষ্ক আবহাওয়া বাংলা (West Bengal ) জুড়ে। নতুন করে আর তাপমাত্রা কমার বা বাড়ার পূর্বাভাস নেই বুধবার পর্যন্ত।  তবে তারপরে বৃষ্টি হতে পারে বাংলায়।

    বৃষ্টির সম্ভাবনা!

     আগামী বুধবার দক্ষিণ পূর্ব এবং দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের মধ্যবর্তী কেন্দ্রে নিম্নচাপ তৈরি হতে চলেছে বলে পূর্বাভাস। এর জেরে বাড়বে তাপমাত্রা। বাড়বে জলীয় বাষ্পপূর্ণ অস্বস্তি। বাড়বে বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা। হাওয়া (Weather Update) অফিসের তরফে জানান হয়েছে, ১৬ এবং ১৭ নভেম্বর গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলা এবং উপকূল বা তার লাগোয়া দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি এবং দু এক পশলা বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে।  বুধবারের পর তাপমাত্রা ও আপেক্ষিক আর্দ্রতা বাড়বে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে কিছু কিছু এলাকায়। কাল দিনের তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি। আজ ভোরের তাপমাত্রা ২১.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। সর্বনিম্ন ৫০ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: লোহাদহ থেকে আসত ক্ষীর, ছানা, দুধ! বলি হত ১০৮টি! কেমন ছিল ঘোষালবাড়ির পুজো?

    হালকা শীতের পরশ

    আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের খবর, শনিবার ভূত চতুর্দশীর দিন থেকেই পারদ পতন হতে শুরু করবে। আগামী ২-৩ দিনে তাপমাত্রা প্রায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমতে পারে। তিলোত্তমার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। অন্যদিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছাবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় ভোরে ও রাতে হালকা শীতের পরশ অনুভূত হবে। পশ্চিমাঞ্চলের কিছু জেলায় তা ১৭ থেকে ১৮ এর মধ্যে থাকবে। দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও এখনই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: নিম্নচাপের কালো মেঘ! বৃষ্টি নামল, দশমীতে ভাসবে কলকাতা?

    Weather Update: নিম্নচাপের কালো মেঘ! বৃষ্টি নামল, দশমীতে ভাসবে কলকাতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নবমীর সকাল থেকেই আকাশের মেঘের আনোগোনা। চলছিল সুয্যিমামার লুকোচুরি খেলা। বেলা গড়াতেই শুরু হল বৃষ্টি। বৃষ্টি নামল দক্ষিণ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায়। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে গড়িয়াহাট, যোধপুর পার্ক, রাসবিহারী, গোলপার্ক সহ দক্ষিণ কলকাতার বেশ কিছু এলাকায়। কলকাতার (Weather Update) পাশাপাশি উপকূল সংলগ্ন জেলাগুলিতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। 

    কেন অসময়ে বৃষ্টি

    পুজোর শেষ দিকে চিন্তা বাড়াচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ। আজ মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে রিকার্ভ করবে গভীর নিম্নচাপ। উপকূল বরাবর এটি উত্তর বঙ্গোপসাগরের দিকে এগিয়ে আসার সম্ভাবনা। এর অভিমুখ থাকবে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবন এলাকা। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ইতিমধ্যে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। তা ধীরে ধীরে স্থলভাগের দিকে এগোচ্ছে। এই নিম্নচাপ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নয়া এই ঘূর্নিঝড়ের নাম হামুন। তবে বিরাট কোনও দুর্যোগের আশঙ্কা নেই। ২৫ অক্টোবর, একাদশীর বিকেলে, চট্টগ্রাম লাগোয়া বাংলাদেশ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়টি  ল্যান্ডফল হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তার প্রভাবেই কলকাতা-সহ কিছু কিছু এলাকায় নবমী থেকে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহবিদেরা।

    সকাল থেকেই বৃষ্টি

    আজ, পুজোর শেষ দিন। কাল বিদায়ের পালা। নবমীর সকাল থেকে বৃষ্টির মধ্যেই ঠাকুর দেখার ভিড় মণ্ডপে মণ্ডপে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস মেনে অনেকেই ছাতা সঙ্গে নিয়েই বেরিয়েছেন ঠাকুর দেখতে। তাঁদের অনেককেই দেখা গেল, ছাতা মাথায় মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে পড়তে। আজ, বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের কয়েকটি এলাকায়। সোমবার বেলা ১২টা নাগাদ আবহাওয়ার বুলেটিনে এ কথা জানিয়েছে আলিপুরের হাওয়া অফিস। এই সময়ের মধ্যে মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শও দিয়েছেন আবহবিদেরা।

    আরও পড়ুন: ক্রিকেট উৎসবে সামিল সকলে! ধর্মশালার গ্যালারিতে পাশাপাশি কারা?

    নিম্নচাপের প্রভাব

    এই নিম্নচাপের প্রভাবে  রাজ্যের উপকূলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। সঙ্গে উপকূলের জেলায় হালকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। দশমী থেকে দ্বাদশী পর্যন্ত দুর্যোগ বাড়তে পারে। দশমী ও একাদশীতে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা সমুদ্রে আছেন তাদের নবমীর রাতে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ,দশমীর দিন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে মেঘলা আকাশ। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Weather Update: প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতা-সহ ১৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি

    Weather Update: প্রবল ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস, কলকাতা-সহ ১৫ জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, শুক্রবার রাত থেকে শহরে বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানাল আলিপুর হাওয়া অফিস। উত্তরপ্রদেশ ও সংলগ্ন বিহারে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত (cyclone)। অমৃতসর, নাজিবাবাদ, দ্বারভাঙ্গা  থেকে জলপাইগুড়ির ওপর দিয়ে দক্ষিণ পূর্ব দিকে এগিয়ে মিজোরাম পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। এর প্রভাবেই জলীয় (Rain) বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে আর তার থেকেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শনিবার থেকে মৌসুমী অক্ষরেখা নিচের দিকে নামতে পারে বলে পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। 

    দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা

    দক্ষিণবঙ্গে প্রায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে ঝড়-বৃষ্টির দাপট। রাজ্যের সমস্ত জেলাতেই কম-বেশি ঝড়-বৃষ্টি সম্ভাবনা, জারি করা হয়েছে হলুদ সতর্কতা। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ঝড়বৃষ্টির কারণে দক্ষিণের জেলাগুলিতে তাপমাত্রার পারদ বেশ খানিকটা কমেছে। কলকাতায় শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের ২ ডিগ্রি কম। তবে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বহাল রয়েছে। মূলত মেঘলা আকাশই থাকবে দক্ষিণবঙ্গে (West Bengal Weather Update) । ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকলেও বেশ কয়েক পশলা হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। শুক্রবার কলকাতার আকাশ মূলত মেঘলা ছিল। শনিবার থেকে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির (Weather Update) পরিমাণ বাড়তে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। 

    আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে সরানোর নির্দেশ রাজ্যপালের

    উত্তরে ভারী বৃষ্টি

    মৌসুমী অক্ষরেখার অবস্থানের জেরে উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে আগামী ৪৮ ঘন্টায়। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি – এই পাঁচ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সর্তকতা জারি করা হয়েছে। শুক্রবার কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সর্তকতা। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকছে মালদা এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে। এমনকী পার্বত্য এলাকায় ধসও নামতে পারে। নদীর জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। অতি বৃষ্টির কারণে দৃশ্যমানতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rain: প্রবল বৃষ্টি উত্তর পশ্চিম ভারতেও, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৫

    Rain: প্রবল বৃষ্টি উত্তর পশ্চিম ভারতেও, হিমাচল প্রদেশে মৃত ৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দু দিন ধরে প্রবল বৃষ্টি (Rain) হয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া বৃষ্টি চলছে রবিবারও। ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে দিল্লিতেও। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ১৯৮২ সালের জুলাই মাসের পর এবারই একদিনে রকর্ড বৃষ্টি হল। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৫৩ মিলিমিটার। বস্তুত মরশুমের প্রথম ভারী বৃষ্টি হল এদিনই।

    হিমাচল প্রদেশে মৃত্যু, ভূমিধস

    প্রবল বর্ষণ হয়েছে হিমাচল প্রদেশেও। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শিমলায় রয়েছেন তিনজন, কুল্লু ও ছাম্বায় একজন করে। বিপদ সীমার ওপর দিয়ে বইছে বিয়াস নদীর জল। কাংড়া, মান্ডি ও শিমলায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের। বিরামহীন বৃষ্টিপাত হচ্ছে হিমাচল প্রদেশের মানালিতে। রাজ্যের সাত জেলায় আবহাওয়া দফতর জারি করেছে (Rain) রেড অ্যালার্ট। সোলান জেলার কাসাউলি এলাকায় ধসের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬টি নির্মীয়মাণ বাড়ি। ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই। শ্রমিকদের সরানো হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। ধস ও হড়পা বানের জেরে শিমলা, সিরমাউর, লাহাউল, স্পিতি, ছাম্বা ও সোলান জেলায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন রাস্তা।

    কাশ্মীরে বাড়ছে নদীর জল 

    প্রবল বর্ষণের জেরে দ্রুত বাড়ছে কাশ্মীরের ঝিলম নদীর জল। নদীর পাড়ে যাঁরা বসবাস করেন, তাঁদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। নিষেধ করা হয়ছে নদীতে নামতে। কোনও কোনও জায়গায় নদীর জল বইছে বিপদ সীমার (Rain) ওপর দিয়ে। অমরনাথ সহ বিভিন্ন এলাকায় রবিবার সকালের দিকে তুষারপাত হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে এদিন বিরতি দেওয়া হয়েছে অমরনাথ যাত্রায়। ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে পঞ্জাব এবং হরিয়ানায়ও।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেস মানেই লুঠের দোকান, মিথ্যের বেসাতি”, রাজস্থানের জনসভায় বললেন মোদি

    ভারী বৃষ্টি হয়েছে রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায়ও। পৃথক দুর্ঘটনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। চিত্তোরগড়ে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলা ও এক পুরুষের। বিচ্ছন্ন ঘটনায় সাওয়াই মাধোপুরে জলে ডুবে মৃত্যু হয়ে দুজনের। এদিকে, আজমেঢ়, আলোয়ার সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    এদিকে, মৌসম ভবনের পূর্বাভাস, আগামী তিন থেকে পাঁচ দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি (Rain) হতে পারে দিল্লি, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, রাজস্থান, পঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরে। উত্তর ভারতের পাশাপাশি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণ ভারতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gujarat Rain: প্রবল বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি গুজরাটে, দু’ দিনে মৃত ৯

    Gujarat Rain: প্রবল বর্ষণে বন্যা পরিস্থিতি গুজরাটে, দু’ দিনে মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে গুজরাটের (Gujarat Rain) বহু জেলায়। গত দু দিনে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। এর মধ্যে কেবল জামনগরেই মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেলের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “ভারী বৃষ্টির কারণে গুজরাটের বহু জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকায় সব রকম সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার।”

    ত্রাণ বিলি ও উদ্ধারের কাজ

    শাহ জানান, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন একযোগে ত্রাণ বিলি ও উদ্ধারের কাজ (Gujarat Rain) করছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, শহর ও গ্রামাঞ্চলের নিচু এলাকাগুলির অবস্থা ভয়াবহ। সেখানকার বাসিন্দাদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নিরাপদ স্থানে। সব চেয়ে খারাপ পরিস্থিতি কচ্ছ, জামনগর, জুনাগড় ও নবসারি জেলার। গত ২৪ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে সৌরাষ্ট্র-কচ্ছ ও দক্ষিণ গুজরাটে।

    ধারা বর্ষণের পরিমাণ

    জানা গিয়েছে, শনিবার জুনাগড়ের বিসাভাদর তালুকে বৃষ্টি হয়েছে ৩৯৮ মিলিমিটার। জামনগরের (Gujarat Rain) জামনগরে বৃষ্টি হয়েছে ২৬৯ মিলিমিটার। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে ভালসারের কাপরাদায়ও। সেখানে বৃষ্টি হয়েছে ২৪৭ মিলিমিটার। কচ্ছে অঞ্জর ও নবসারির খেরগ্রামে বৃষ্টি হয়েছে যথাক্রমে ২৩৯ ও ২২২ মিলিমিটার।

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, এখনই বৃষ্টি থামছে না গুজরাট। রবিবার জুনাগড়, জামনগর, ভালসার ও সুরাটে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের ধারা বর্ষণের জেরে এমনিতেই প্লাবিত হয়ে রয়েছে ওই জেলাগুলির বিস্তীর্ণ এলাকা। তার পর ফের প্রবল বৃষ্টি হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে প্রশাসনের পাশাপাশি আশঙ্কা স্থানীয়দেরও।

    আরও পড়ুুন: প্রয়োজনে ঘরে ঢুকে মেরে আসতে পারি, পাকিস্তানকে বার্তা রাজনাথের

    ইতিমধ্যেই ওই জেলাগুলির কোনও কোনও এলাকায় মানুষ সমান জল। সব চেয়ে করুণ দশা জুনাগড়ের। মৌসম ভবনের খবর, জুনাগড়ে বৃষ্টি হবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ধারাপাতের সঙ্গে সঙ্গে হচ্ছে বাঁধ থেকে জল ছাড়াও। ওজাত ও হিরণ বাঁধ থেকে জল ছাড়ায় ভেসে (Gujarat Rain) গিয়েছে বেশ কয়েকটি রাস্তা ও বহু সেতু। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে বহু গ্রাম। স্টেট ইমর্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার জানিয়েছে, গত দু দিনে বৃষ্টিপাতজনিত দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share