Tag: Rainfall

Rainfall

  • Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৪-৫ দিন চলবে বৃষ্টি

    Weather Update: বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্ত! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আগামী ৪-৫ দিন চলবে বৃষ্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গোপসাগরে সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী ৪-৫ দিন ধরে বৃষ্টি চলবে দক্ষিণবঙ্গে। বৃহস্পতিবারও সকাল থেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টি হয়েছে শহরে। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা যে কারণে জলমগ্ন। ফলে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণেও সমস্যা হচ্ছে। যানজটের সমস্যা হচ্ছে শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায়। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আপাতত আগামী তিন দিন বৃষ্টি চলবে শহরে।

    কোন কোন রাস্তা জলমগ্ন

    কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, জল জমেছে থিয়েটার রোড, এজেসি ফ্লাইওভার, এজেসি বোস রোড, বর্ধমান রোডে। এছাড়া সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ, মহাত্মা গান্ধী রোড ও কলেজ স্ট্রিটের বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। আমহার্স্ট স্ট্রিট এবং বিধান সরণিতেও জল দাঁড়িয়েছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি এলাকাতেও জল। প্রবল বৃষ্টিতে জল জমেছে দমদম এবং উল্টোডাঙা আন্ডারপাসেও। দক্ষিণ কলকাতারও কিছু এলাকাতে জল জমেছে। গোলপার্ক, গড়িয়াহাট এবং কসবায় হালকা জল জমেছে। বেহালার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল রয়েছে বলে খবর।

    হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    কলকাতায় মূলত বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। বৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণাবর্ত। তবে স্থানীয় বজ্রগর্ভ মেঘ থেকেও বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে এখনই কলকাতায় তাপমাত্রার বড় কোনও হেরফের হবে না। আলিপুরের হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার কলকাতায় সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর আড়াইটে পর্যন্ত তিন ঘণ্টায় ৪২.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বিকেলেও বৃষ্টি চলতে পারে। এই মুহূর্তে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যার অবস্থান উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর। মৌসুমী অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গের ওপরে রয়েছে। ঘূর্ণাবর্তের জন্য প্রচুর মেঘ তৈরি হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের উপর। এর ফলে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব মেদিনীপুর, উত্তর ২৪ পরগনায়।

    আরও পড়ুন: নিয়োগ-দুর্নীতির তদন্তের জাল গুটিয়ে আনছে ইডি, নোটিশ ১২টি পুরসভাকে

    উত্তরবঙ্গে আগামী চার পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। যেহেতু ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে বঙ্গোপসাগরের উপর তাই দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি হবে আগামী ৪-৫ দিন। দক্ষিণবঙ্গে আগামী চার-পাঁচ দিন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। আগামী রবিবার দক্ষিণবঙ্গের পাঁচটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে আলিপুর। তবে কলকাতায় এই মুহূর্তে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! সকালেই স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতা এবং শহরতলিতে

    Weather Update: কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! সকালেই স্বস্তির বৃষ্টি কলকাতা এবং শহরতলিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহের শুরুতেই শহরের আকাশে কালো মেঘ। অফিস যাত্রী থেকে স্কুল পড়ুয়া এক ছুটে গন্তব্যে পৌঁছনোর প্রয়াস সোমবার শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে। অবশেষে নামল বৃষ্টি। স্বস্তির খবর শোনাল হাওয়া অফিস (Weather Update)। রথের দিনই দক্ষিণবঙ্গে পা রাখছে বর্ষা (Monsoon)।    

    প্রাক বর্ষার বৃষ্টি

    হাওয়া অফিসের (Weather Update) তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি (Rainfall)। আজ সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢাকা। সকাল সাতটা থেকেই কলকাতা সহ আশেপাশের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। আজ দিনভর আবহাওয়া একইরকম থাকবে বলে জানা গিয়েছে। আকাশ মূলত মেঘলাই থাকবে। বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ ডিগ্রি থাকবে, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৯ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে সর্বাধিক ৯১ শতাংশ আর্দ্রতা থাকতে পারে।

    বুধবার থেকে ভালো বৃষ্টি

    মঙ্গলবার থেকে বাড়বে প্রাক বর্ষার বৃষ্টি (Weather Update)। বৃহষ্পতিবার ভালো বৃষ্টি পেতে পারে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বাংলা। আগামী ৭২ ঘন্টায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে তাপমাত্রা, এমনটাই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আগামী পাঁচ দিন বঙ্গের তাপমাত্রা নতুন করে বাড়ার আশঙ্কা কম। কলকাতা এবং লাগোয়া এলাকায় সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। শিয়ালদহ-বনগাঁ এবং শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখার মধ্যমগ্রাম স্টেশনে সিগন্যাল ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত। আপ এবং ডাউনের বহু ট্রেন আটকে রয়েছে শহরতলির বিভিন্ন স্টেশনে। বহু ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আধ ঘণ্টা, এক ঘণ্টা দেরিতে চলছে। যার ফলে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

    আরও পড়ুন: ২১ তারিখ আসছেন মোদি, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দফতরে প্রস্তুতি তুঙ্গে, দেখুন ভিডিও

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি

    আগামী পাঁচ দিন উত্তরের ৫ জেলা অর্থাৎ দার্জিলিং, কালিম্পং,জলপাইগুড়ি ,আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেশি থাকবে। মালদা এবং দুই দিনাজপুরে হালকা বৃষ্টিপাত থাকবে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার এই তিন জেলায় আগামী তিনদিন ভারি থেকে থেকে অতিভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকছে। এদিন দিনের তাপমাত্রা ৩৫.৪ ডিগ্রি থেকে কমে ৩২.৯ ডিগ্রি হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা ৩০.৪ ডিগ্রি থেকে কমে ২৯.৯ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৯১ শতাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আরও কয়েকদিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা শহর-জুড়ে! কবে থেকে হতে পারে বৃষ্টি?

    Weather Update: আরও কয়েকদিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা শহর-জুড়ে! কবে থেকে হতে পারে বৃষ্টি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্রের শেষ থেকেই ফুটছে বাংলা। নববর্ষেও তার পরিবর্তন হয়নি। একই মুডে বৈশাখ। কবে পড়বে বৃষ্টি, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে। এতদিন স্বস্তির কোনও খবরই দিতে পারছিল না আবহাওয়া দফতর। এবার আশার আলো দেখাল আলিপুর হাওয়া অফিস। শনিবার, ২২ শে এপ্রিল থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে। সপ্তাহান্তে দক্ষিণবঙ্গের চারটি জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। প্রচণ্ড দাবদাহ থেকে কিছুটা হলেও মুক্তি দেবে সেই বৃষ্টি।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    আলিপুর আবহাওয়া দফতর মঙ্গলবার সকালের বুলেটিনে জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই গরমের দাপট জারি থাকবে। তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে। শুক্রবার থেকে গরম খানিকটা কমতে পারে। সপ্তাহের শেষের দিকে তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি। উপকূলের জেলা সহ তিন চার জেলায় ছিটেফোঁটা হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকতে পারে সপ্তাহের শেষে। শুক্রবার এবং শনিবার দুই মেদিনীপুরে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া, শুক্রবার থেকে বৃষ্টি হতে পারে ঝাড়গ্রাম এবং বাঁকুড়াতেও। 

    শুকনো গরম থাকবে

    বিক্ষিপ্ত এই বৃষ্টির পূর্বাভাস অবশ্য দক্ষিণবঙ্গে এখনই সামগ্রিক ভাবে স্বস্তির বার্তা দিতে পারছে না। গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকতে পারে শুক্রবার পর্যন্ত। রীতিমতো শুকনো ও অস্বস্তিকর গরমে ভুগতে হবে দক্ষিণবঙ্গের বাসিন্দাদের। বিভিন্ন জেলায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে পাঁচ ডিগ্রি পর্যন্ত বেশি থাকবে। কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। বেলা বাড়লেই লু বইবে বলে জানা গিয়েছে। কলকাতায় সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁয়েছে ৪০ ডিগ্রি। মঙ্গলবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও ২৯.৩ ডিগ্রি। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ কমছে। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতার বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ছিল ৩১ থেকে ৮৭ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘অহঙ্কারীকে ধ্বংস করার জন্য এক হাজার বার গুন্ডামি করব’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির আশা

    দক্ষিণবঙ্গ জ্বললেও, বুধবার থেকেই উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকার জেলাগুলিতে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে দু-এক পশলা বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং সহ পার্বত্য এলাকার সংলগ্ন জেলাগুলিতে। শনি এবং রবিবার উত্তরবঙ্গের উপরের দিকের ৫ জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এখন উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাতেই স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি উপরে পারদ। দার্জিলিং-এও গরমের অনুভূতি। উত্তরবঙ্গের নিচের দিকের তিন জেলায় তাপপ্রবাহ চলছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার! আজ শহর থেকে জেলা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: সকাল থেকে আকাশের মুখ ভার! আজ শহর থেকে জেলা বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কোথাও কোথাও দু-চার ফোঁটা বৃষ্টিও পড়ছে। চলছে মেঘ-রোদের লুকোচুরি। শুক্রবার থেকে ৩ দিন রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই রয়েছে বৃষ্টির পূ্র্বাভাস। কলকাতা-সহ উত্তর এবং দক্ষিণের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়া। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি, এমনকী শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। আজ রাজ্যের সব জেলাতেই কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টির জেরে গরমের অস্বস্তি অনেকটাই কমতে পারে। 

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে থেকেই আকাশে ছিল বিদ্যুতের ঝলকানি। সঙ্গী ছিল হালকা বৃষ্টিও। কোনও কোনও জায়গায় অফিস ফিরতিদের ভিজতে হয়েছে অল্প বিস্তর। বৃহস্পতিবার রাতের বৃষ্টি তাপমাত্রা অনেকটাই কমিয়েছে। আজ, ভোর থেকে শিরশিরি বাতাস, মেঘলা আকাশে মনোরম পরিবেশ শহরে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, একটি অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত রয়েছে। যেটি বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে গেছে। এর প্রভাবেই আজ, শুক্রবার থেকে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, বাঁকুড়ায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। শিলাবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া। বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও। উত্তরের জেলাগুলিতে ৪ এপ্রিল আর দক্ষিণের জেলাগুলিতে ২ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

    আরও পড়ুন: পাঁচটি জ্যোতির্লিঙ্গসহ ৮টি তীর্থক্ষেত্র ভ্রমণের ব্যবস্থা করছে রেল মন্ত্রক! থাকছে ইএমআইয়ের সুবিধা, কবে ছাড়ছে এই ট্রেন?

    কবে থেকে আবহাওয়ার উন্নতি

    হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্র ও শনিবার আবহাওয়ায় তেমন কোনও হেরফের হবে না। তাপমাত্রাও প্রায় একই থাকবে। তার পরবর্তী দুই দিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে। এরপর পার্বত্য এলাকা ছাড়া রাজ্যের বাকি অংশে ফের তাপমাত্রা ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Meghalaya Rainfall: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন?

    Meghalaya Rainfall: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে জলের নিচে আসামসহ উত্তর-পূর্ব (North-East) ভারতের একাধিক রাজ্য। বৃষ্টিপাত (Rainfall) থামার নামই নেই সেখানে। লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে আসাম (Assam) ও মেঘালয়ে (Meghalaya)। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মেঘালয়ের দুই জায়গাতেই। এমনিতেই চেরাপুঞ্জি (Cherrapunji) এবং মৌসিনরামে (Mawsynram) দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। কিন্তু এই বছর সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। আবহাওয়া দফতর এবং মেঘালয় প্রশাসন জানিয়েছে, বুধবারে ১৯৯৫ সালের পরে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে চেরাপুঞ্জির সহরা এলাকায়। আর ১৯৬৬ সালের পরে সব থেকে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে মৌসিনরামে। আধিকারিকরা জানান, সহরায় একদিনে ৯১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। বুধবার, চেরাপুঞ্জিতে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে ৮১১.৬ মিলিমিটার।    

    গত এক সপ্তাহে চেরাপুঞ্জিতে ৩৫৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর আগে ১৯৯৫ সালের ১৬ জুন এই এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছিল। পরিমাণ ছিল ১৫৬৩ মিলিমিটার। বিগত ১২২ বছরের বৃষ্টিপাতের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে চলতি বর্ষা।

    আরও পড়ুন: উত্তর-পুর্ব ভারতে বন্যায় মৃত ৭১, শুধু আসামেই ক্ষতিগ্রস্ত ৪২ লক্ষ মানুষ 

    আবহাওয়া দফতরের মতে, আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রবেশ করেছে। তার জেরেই এই বৃষ্টিপাত। বায়ুর গতিপথের দিকে চেরাপুঞ্জির অবস্থান হওয়ায় এই এলাকায় আদ্রতার পরিমাণ ভীষণ বেড়ে যায়। যদিও আবহাওয়া দফতরের মতে, প্রবল বর্ষার সময় যেতে শুরু করেছে। আশা করা হচ্ছে এবার বৃষ্টির পরিমাণও কমবে।

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪   

    এছাড়াও এই প্রবল বৃষ্টিপাতের আরও বেশ কিছু কারণ রয়েছে। উত্তরের সমভূমি থেকে নাগাল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত একটি খাদ রয়েছে। সেখান থেকেও প্রচুর জলীয় বাষ্প উত্তর-পূর্বে ঢুকেছে। ভৌগলিক কারণেই জলীয় বাষ্পকে ধরে রাখতে পারার মতো ক্ষমতা নেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যগুলির। তাই অন্যান্য জায়গার থেকে এমনিতেই এখানে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। আবহাওয়া দফতরের মতে, ধীরে এই মৌসুমি বায়ু পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের দিকে অগ্রসর হবে।   

     

  • Assam-Meghalaya Rainfall: ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি অসম-মেঘালয়ে! আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন, জানুন…

    Assam-Meghalaya Rainfall: ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি অসম-মেঘালয়ে! আবহাওয়াবিদরা কী বলছেন, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর প্রবল বৃষ্টি হয়েছে অসম, মেঘালয় সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু এই বছর সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে বৃষ্টির পরিমাণ। আবহাওয়া দফতর এবং মেঘালয় প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘ ১২১ বছর পর রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে। ১৯৬৬ সালে ৭৮৯.৫ মিমি বৃষ্টি হয়েছিল এরপরেই ২০২২-এ ৮৫৮.১ মিমি বৃষ্টি হয়ে এক রেকর্ড গড়ে তুলেছে। এই বছরেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে আসাম ও মেঘালয়ে, এমনটাই জানানো হয়েছে আবহাওয়া দফতরের তরফে।

    আরও পড়ুন: বন্যায় বিধ্বস্ত গুজরাট – মহারাষ্ট্র, মৃতের সংখ্যা ১০০-এর বেশি

    রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, বর্ষাকালের প্রথম মাসে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে মোট ৩১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন, ৭২ জন আহত হয়েছেন ও ৫০ জন নিখোঁজ। এছাড়াও অনেকই বাড়ি ছাড়া হয়েছেন। ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি যেমন- অসম, মেঘালয়, অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুরে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে ও এই রাজ্যেই হতাহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এছাড়াও বিহার, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশে বজ্রপাতের ফলে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। প্রবল বর্ষণের ফলে অসম ও মেঘালয়ার বিভিন্ন জায়গায় ভূমিধসও হয়েছে, এর ফলে জুন মাসে ১৫০ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

    আবহওয়াবিদ রক্সি ম্যাথিউ কোল (Roxy Mathew Koll) জানিয়েছেন, অসম, মেঘালয়, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, ওড়িশা, ঝাড়খণ্ড ইত্যাদি জায়গায় ১৯৫০ সাল থেকেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বলেছন গ্লোবাল ওয়ার্মিং (Global Warming)। অর্থাৎ আবহাওয়ায় বর্তমানে অনেক পরিবর্তন আসতে দেখা গিয়েছে। ফলে ভারত মহাসাগর  বিশেষ করে আরব সাগরের জল বেশি গরম হতে শুরু করেছে। ও বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে।

    এছাড়াও আধুনিকীকরণ (Modernization), মাটির ব্যবহারে পরিবর্তন এসবও বন্যা, ভূমিধসের (Landslide) ওপর প্রভাব ফেলে থাকে। তাপমাত্রাতেও বিপুল পরিমাণে পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। ১৯৮১- ২০১০ সাল পর্যন্ত যেখানে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ছিল ৩৩.৭৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তেমনি ২০২২-এ তাপমাত্রা বেড়ে হয়েছে ৩৪.১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এছাড়াও আরব সাগরের (Arabian Sea) ওপর নিম্নচাপের (Depression) সৃষ্টি হওয়ায় জুন মাসে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। অন্যদিকে সমুদ্রের জলস্তরও (sea level) বাড়তে শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: রেকর্ড বৃষ্টিপাত মেঘালয়ে, কারন জানেন? 

  • Weather Update: বৃষ্টিপাত নিয়ে আগাম বার্তা দিল মৌসম ভবন

    Weather Update: বৃষ্টিপাত নিয়ে আগাম বার্তা দিল মৌসম ভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই বছর অর্থাৎ ২০২২ এ বর্ষা নিয়ে বড়সড় ভবিষ্যদ্বাণী করেছে ভারতের আবহাওয়া দফতর ( IMD)। শুক্রবার আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানান হয়, এবছর কেমন বর্ষা হবে। সেপ্টেম্বর ২০২২-এ বৃষ্টিপাত হতে পারে গড় ৮৬৮.৬ মিলি ৷ ৯৯ শতাংশ বৃষ্টিপাত হওয়ার কথা রয়েছে এবছর৷ মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে (IMD) এইবার গড় বৃষ্টিপাত হবে (Average Rainfall), ৮৬৮.৬ মিমি। ৮৬০.৬ মিমি বৃষ্টিপাত হবে জুনে। আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ১৯৭১ থেকে ২০২১ এর মধ্যে ৫০ বছরের বৃষ্টিপাতের গড় ৮.৬ মিমি বেড়েছে ৷ মৌসম ভবনের পক্ষ থেকে জানতে পারা গিয়েছে (IMD) বছরে ২ বার বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে ৷ অনুমান (Prediction for Monsoon) করতে হয় ৷ প্রধানত বৃষ্টিপাতের অনুমান যা জুনে ২০২২ গিয়ে প্রকাশিত হয় ৷ মৌসম ভবনের (IMD) পক্ষ বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে ৷ এই ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী এই বছরে বৃষ্টিপাত হবে ভাল মতই ৷ উত্তর ভারতে ভাল বৃষ্টিপাত হবে ৷ এছাড়াও উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টিপাত হবে বলে অনুমান আবহাওয়া দফতরের।

LinkedIn
Share