Tag: Rainy Season

Rainy Season

  • Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    Dengue Fever: বর্ষার মরশুমে ডেঙ্গি‌ বাড়াচ্ছে উদ্বেগ! কোন জেলার পরিস্থিতি বিপজ্জনক?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুমে এ বছরেও চোখ রাঙাচ্ছে ডেঙ্গি। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ডেঙ্গি (Dengue Fever) সংক্রমণ উদ্বেগজনক। যদিও কলকাতা পুরসভার তরফে বারবার বলা হচ্ছে ডেঙ্গি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট জানাচ্ছে, গত বছরের মতোই এবছরেও রাজ্যবাসীর ভোগান্তির কারণ হবে ডেঙ্গি। পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    কোন জেলা চিন্তা বাড়াচ্ছে? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য ভবনের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছে, চলতি বছরে ডেঙ্গি নিয়ে সব চেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা। তাঁরা জানাচ্ছেন, বছরভর কলকাতায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হচ্ছিল। কিন্তু জুন মাস থেকে সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। কলকাতায় চলতি মাসে শতাধিক মানুষ নতুন করে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশপাশি উত্তর চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি নিয়েও যথেষ্ট উদ্বিগ্ন রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন। ২০২৩ সালে নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় ডেঙ্গি পরিস্থিতি ছিল ভয়ানক। এই দুই জেলার প্রায় পনেরো হাজারের বেশি মানুষ ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরেও সংক্রমণ যথেষ্ট ছিল। তবে গত দেড় মাসে এই দুই জেলায় সংক্রমণের হার উদ্বেগজনক‌ভাবে‌ বেড়েছে।

    বাড়তি দুশ্চিন্তা ম্যালেরিয়া?

    স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, ডেঙ্গি (Dengue Fever) নিয়ে নাজেহাল রাজ্য প্রশাসন। প্রত্যেক বছরেই সংক্রমণ, আগের সব রেকর্ড ছাপিয়ে যায়। এবছরে তার সঙ্গে বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ ম্যালেরিয়া। কারণ, বর্ষার মরশুম (Rainy Season) শুরু হওয়ার আগেই কলকাতা ও তার আশপাশের জেলায় ম্যালেরিয়ার দাপট জারি ছিল। প্রত্যেক মাসে শতাধিক মানুষ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্ষার মরশুমে সেই সংক্রমণ কয়েক গুণ বেড়েছে। 
    একদিকে ডেঙ্গি, আরেক দিকে ম্যালেরিয়া, মশাবাহিত এই দুই জোড়া সংক্রমণ রুখতে আরও সক্রিয়তা জরুরি বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তাদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, প্রত্যেক এলাকা পরিষ্কারের দিকে এই সময়ে বাড়তি নজর দিতে হবে। স্কুল, কলেজ, পার্ক এই সব জায়গায় যাতে জল জমে না থাকে, আগাছা না জন্মায় সেটা দেখা জরুরি। বাড়িতে গিয়ে পরিদর্শন আরও বাড়াতে হবে। মশার আঁতুরঘর ভাঙতে পারলেই রাজ্যবাসীর ভোগান্তি কমবে। তবে সাধারণ মানুষকেও‌ সচেতন হতে হবে। প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য কর্তারা।

    পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করবেন? (Dengue Fever)

    স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের একাংশ জানাচ্ছেন, রাজ্যের সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় না বাড়ালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। পুরসভা, পঞ্চায়েত, পুর্ত দফতর সবাইকেই একযোগে কাজ করতে হবে। এক স্বাস্থ্য কর্তার কথায়, “ডেঙ্গি কিংবা ম্যালেরিয়া কীভাবে নিয়ন্ত্রত করতে হয়, এটা এখন সকলেই জানেন। শুধু সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। পুরসভা আর পঞ্চায়েতকে আরও সক্রিয় হতে হবে। আর স্বাস্থ্য দফতরেও ঠিকমতো রিপোর্ট পাঠাতে হবে। নিজেদের মতো যা খুশি করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ মুশকিল (Rainy Season)।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    Pineapple: কাশি এবং ডায়ারিয়া কমায় আনারস! বর্ষার মরশুমের এই ফল কি কারও পক্ষে বিপজ্জনকও?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্য জুড়ে বৃষ্টি চলছেই। বর্ষায় যেমন বাঙালির পাতে থাকে ইলিশ, তেমনি বর্ষার মরশুমের আরেক খাবারও বাঙালির প্রিয়। আর সেটা হল আনারস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস খুবই উপকারী। বিশেষত এই সময়ে আনারস (Pineapple) নিয়মিত খেলে একাধিক উপকার পাওয়া যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে সতর্কতাও জরুরি। না হলে আনারস বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। প্রথমে দেখে নেওয়া যাক, আনারসের উপকার কতখানি?

    আনারস কমায় ডায়ারিয়ার ঝুঁকি

    বর্ষায় (Rainy Season) ডায়ারিয়ার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। বিভিন্ন জায়গায় জমা ও অপরিচ্ছন্ন জলের জেরে ডায়ারিয়ার মতো পেটের অসুখের ঝুঁকি তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস ডায়ারিয়ার ঝুঁকি কমায়। তাই বর্ষার সময় অন্তত সপ্তাহে দু’দিন আনারস খেলে একাধিক পেটের অসুখের মোকাবিলা সহজ হয়। আনারস পেটের জন্য খুবই উপকারী। তাই ডায়ারিয়ার মতো রোগকেও সহজেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

    কাশি কমাতে সাহায্য করে আনারস (Pineapple)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষায় অনেকেই মারাত্মক সর্দি-কাশিতে ভোগেন। আনারস এই ধরনের সমস্যা মোকাবিলায় সাহায্য করে। আনারস গলার সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। তাই আনারস খেলে কাশির সমস্যার সহজেই মোকাবিলা করা যায়।

    ত্বকের সমস্যা কমায় আনারসের রস

    বর্ষায় স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া থাকে। আর তার জেরেই অনেকে নানান ফাঙ্গাস ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়। দেহের বিভিন্ন জায়গায় চুলকানি বা লাল হয়ে থাকা এর প্রধান লক্ষণ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারসের (Pineapple) রস সেই জায়গায় লাগালে দারুণ উপকার হয়। দ্রুত সংক্রমণ কমে। চুলকানির সমস্যাও কমে।

    কিডনি ভালো রাখে আনারস

    কিডনির জন্য আনারস ভীষণ উপকারী। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আনারস মূত্রনালীর সংক্রমণ ও কিডনির সমস্যা মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। অনেকেই মূত্রনালীর সংক্রমণে ভোগেন। বিশেষত মহিলাদের এই ধরনের সমস্যা বেশি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এক কাপ আনারসের রস নিয়মিত খেলে কিডনি সুস্থ থাকে‌। কিডনিতে পাথরের মতো জটিল রোগের ঝুঁকি অনেক কমে। আবার মূত্রনালীর সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। তাই মহিলাদের বিশেষ করে এই দিকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কাদের বিপদ বাড়াতে পারে বর্ষার এই ফল? (Pineapple)

    লিভার, কিডনি কিংবা ত্বকের জন্য উপকারী হলেও আনারস নিয়মিত খেলে কিছু ক্ষেত্রে তা বিপজ্জনক হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, মাঝেমধ্যে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে নিয়মিত আনারস খেলে বিপদ হতে পারে। এবার দেখে নেওয়া যাক, সেগুলি কী কী।

    ক্যাভেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়! 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দাঁতের জন্য অনেক সময়েই আনারস (Pineapple) ঝুঁকি তৈরি করে‌। ক্যাভেটিস এবং জিংজাইভেটিসের মতো রোগের ঝুঁকি অনেক সময় আনারস বাড়িয়ে দেয়।

    রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দেয়

    আনারস মিষ্টি ফল। আবার অনেকেই চিনি মিশিয়ে আনারস খান। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তরা নিয়মিত আনারস খেলে অনেক সময়েই রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়। তাই বাড়তি বিপদ তৈরি হয়।

    অ্যালার্জি থাকলে ভোগান্তি বাড়াবে

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অনেকেই অ্যালার্জিপ্রবণ হন।‌ বিভিন্ন ধরনের খাবারে তাঁদের চুলকানি, ঠোঁট ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা যায়। তাঁদের জন্য আনারস বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করতে পারে। তাই আনারস খাওয়ার আগে ভালোভাবে ধুয়ে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ (Rainy Season)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    Cold and Cough: সন্তানের সর্দি-কাশিতে নাজেহাল? কোন ঘরোয়া উপাদান করবে মুশকিল আসান?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বর্ষার মরশুম হাজির হতেই শুরু ভোগান্তি। কখনও ভ্যাপসা গরম, আবার কখনও লাগাতার বৃষ্টি। আবহাওয়ার এই রকমফেরের জেরে নানান অসুখ বাড়ছে। বিশেষ করে ভাইরাস ঘটিত রোগের দাপট বাড়ছে। সর্দি-কাশি, গলাব্যথায় কাবু অধিকাংশ স্কুলপড়ুয়া‌। ঋতু পরিবর্তনের সময় লাগাতার সন্তানের সর্দি-কাশির জেরে নাজেহাল বাবা-মায়েরাও। বিশেষজ্ঞদের একাংশ অবশ্য জানাচ্ছেন, কিছু ঘরোয়া উপাদানের (Domestic Ingredients) ব্যবহারেই হবে মুশকিল আসান। সামান্য কয়েকটি বিষয়ে সচেতনতা আর কিছু নিয়মিত অভ্যাসের বদল কমাবে ভোগান্তি। এবার একনজরে দেখে নিন, কোন ঘরোয়া উপাদান সমস্যা কমাবে?

    মেথি কমাবে শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি (Cold and Cough)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশির ভোগান্তি রুখতে মেথি খুবই সাহায্য করে। শ্বাসনালীতে ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের জেরে সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়ার মতো জটিল সমস্যাও তৈরি হয়। পাশপাশি ফুসফুসের কার্যকারিতাও সমস্যায় পড়ে। ফলে হাঁপানির মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ে। মেথির মতো মশলা রান্নায় নিয়মিত ব্যবহার করলে শ্বাসনালী ভালো থাকে। সংক্রমণের ঝুঁকি কমে। তাই বর্ষায় সন্তানকে সুস্থ রাখতে রান্নায় মেথির ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

    নিয়মিত রান্নায় থাকুক আদা আর রসুন

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আদা আর রসুন-এই দুই উপাদান সর্দি-কাশি (Cold and Cough) মোকাবিলায় বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত যে কোনও একটি তরকারি রান্নার সময় এই দুই উপাদান ব্যবহার করলে সর্দি-কাশি মোকাবিলা সহজ হয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রসুন রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে তোলে। বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই সহজ হয়। বর্ষার মরশুমে সর্দি-কাশির এই সমস্যা মূলত বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত হয়। তাই দেহে পর্যাপ্ত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকলে, তা প্রতিরোধ সহজ হবে। পাশপাশি, আদা শ্বাসনালীর সংক্রমণ রুখতে বিশেষ সাহায্য করে। তাই বর্ষার আবহাওয়ায় নিয়মিত আদা খেলে গলাব্যথা আর কাশির মতো সমস্যা কমবে।

    এক চামচ মধু-লেবুর সিরাপ কমাবে সর্দির ঝুঁকি (Cold and Cough)

    মধু শরীরের জন্য খুবই উপকারী। মধু যেমন দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, তেমনি রোগ প্রতিরোধ শক্তিও‌ বাড়ায়। সর্দি-কাশির মতো সমস্যা কমাতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। আবার লেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি। যে কোনও রকম লেবু নিয়মিত খেলে দেহে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি পৌঁছয়। এর জেরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ে। সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে বাড়িতেই এক ধরনের সিরাপ তৈরি থাক। নিয়মিত লেবুর রস আর মধু (Domestic Ingredients) মিশিয়ে খেলে সর্দি-কাশির ভোগান্তি কম হবে। এতে শরীর সুস্থ থাকবে।

    কোন অভ্যাস ছাড়লে কমবে রোগের ঝুঁকি?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বর্ষার আবহাওয়ায় তাপমাত্রা ওঠানামা করছে। কিন্তু অনেকেই এখনও সারারাত এসি চালিয়ে ঘুমোচ্ছেন। বিশেষত শিশুরা এই আবহাওয়ায় কোনও রকম চাদর গায়ে ঢাকা না দিয়ে, সারা রাত এসি ঘরে ঘুমোলে সর্দি-কাশির (Cold and Cough) ঝুঁকি বেড়ে যাবে। এসির ব্যবহারে তাই লাগাম টানতে হবে। ঠান্ডা পানীয় বা আইসক্রিম খাওয়ার ক্ষেত্রেও রাশ টানা জরুরি। খুব ঠান্ডা জাতীয় খাবার খেয়েই আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক ইনফেকশন হয়। আর তার থেকেই সর্দি-কাশির ভোগান্তিও বাড়ে। তাই আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় খাবারে রাশ জরুরি। ফ্রিজে রাখ ঠান্ডা জল এই আবহাওয়ায় একেবারেই খাওয়া উচিত নয় বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসক মহল।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Snake Bite: বর্ষার জমা জলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব! দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে ওষুধের আকাল

    Snake Bite: বর্ষার জমা জলে বাড়ছে সাপের উপদ্রব! দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে উঠছে ওষুধের আকাল

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    উত্তর থেকে দক্ষিণ, রাজ্যের সর্বত্র বর্ষা হাজির। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির দাপটে ভোগান্তি বাড়ছে। একাধিক জেলায় জমা জলে সমস্যা হচ্ছে। আর সেই ভোগান্তিকে আরও প্রাণঘাতী করে তুলছে সাপের উপদ্রব (Snake Bite)। উত্তরের আলিপুরদুয়ার, মালদা থেকে দক্ষিণবঙ্গের নদীয়া, বর্ধমান, দুই চব্বিশ পরগনা, বর্ষায় সাপের উপদ্রবে নাজেহাল সাধারণ মানুষ।

    কী অভিযোগ উঠছে?

    রাজ্যের একাধিক জেলার বাসিন্দাদের অভিযোগ, বর্ষা (Rainy Season) শুরু হতেই জল জমছে। নিকাশি ব্যবস্থার বেহাল দশা। তাই নর্দমা দিয়ে জল যাচ্ছে না। রাস্তায় জল জমার পাশপাশি ঘরেও জল জমছে। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিভিন্ন স্কুলের ক্লাসরুমেও জল জমছে‌। আর এর জেরেই বাড়ছে সাপের উপদ্রব। একাধিক সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে ক্লাসরুমের ভিতরে সাপ থাকার জেরে পড়ুয়ারা ক্লাস করতে পারছে না। জমা জলের জেরে ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, ডায়ারিয়ার মতো নানান রোগের প্রকোপ বাড়ছে। তার উপরে সাপের উপদ্রব (Snake Bite)। সব মিলিয়ে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হচ্ছে। 
    তবে, সাপের উপদ্রবের চেয়েও বড় দুশ্চিন্তা ওষুধের আকাল। সাপে কামড়ের পরে হাসপাতালে গেলেও‌ ওষুধ পাওয়া যায়নি, এমন অভিযোগ উঠছে। রাজ্যের একাধিক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে অ্যান্টি স্নেক ভেনম (এএসভি) ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। সাপের কামড়ের টিকা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। রোগীকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে যাওয়া আরও কঠিন হয়ে উঠছে বলেই জানাচ্ছেন ভুক্তভোগীদের একাংশ।

    দুশ্চিন্তা কোথায়? (Snake Bite)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, অ্যান্টি স্নেক ভেনম একটি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই এই টিকা সমস্ত স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নেই। চিকিৎসক মহলের একাংশের অভিযোগ, বারবার প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে জানানোর পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বিশেষত সরকারি প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে এই টিকা অমিল।‌ কিন্তু কুকুরে কামড়ানোর অ্যান্টি রেবিস টিকা কিংবা সাপে কামড়ানোর অ্যান্টি স্নেক ভেনম-র মতো‌ ওষুধ প্রত্যেকটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থাকা জরুরি। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাপে কামড়ানোর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে এই টিকা দিলে প্রাণনাশের ঝুঁকি কমে‌। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে, সাপের কামড়ে মৃত্যুঝুঁকি কমাতে পারে একমাত্র অ্যান্টি স্নেক ভেনম। কামড়ের পরে যত দ্রুত এই ওষুধ দেওয়া হবে, তত মৃত্যুর আশঙ্কা কমবে। পাশপাশি কিডনি সহ শরীরের একাধিক অঙ্গ ক্ষতির ঝুঁকিও কমবে। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই রাজ্যে অনেকক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, ওষুধের জন্য রোগী ও পরিজনদের বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরতে হচ্ছে‌। এর জেরে অনেকটাই দেরি হয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।

    কী বলছেন রাজ্য প্রশাসনের কর্তারা? (Snake Bite)

    স্বাস্থ্য ভবন অবশ্য ওষুধের আকালের অভিযোগ মানতে নারাজ। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তা জানান, অনেক সময়েই প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলি থেকে নির্দিষ্ট সময়ে ওষুধের তালিকা পাঠানো‌ হয় না। কোন ওষুধের প্রয়োজন বেশি, সে সম্পর্কে স্পষ্ট তালিকা না পৌঁছলে, সরাবরাহ করতে দেরি হয়। আবার বর্ষার সময়ে (Rainy Season) রাস্তার অবস্থা স্বাভাবিক থাকে না। তাই অনেক সময়েই প্রত্যন্ত এলাকায় ওষুধ পৌঁছতে সময় লাগে। কিন্তু এক-দুদিনের মধ্যেই সেই সমস্যা মিটে যায়। ওই স্বাস্থ্যকর্তার কথায়, “ওষুধের কোনও আকাল নেই। সব হাসপাতালেই অ্যান্টি স্নেক ভেনম ওষুধ রয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রেও প্রয়োজন মতো‌ ওষুধ পৌঁছে যাচ্ছে। দুশ্চিন্তার কারণ নেই।”

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    Dengue cases: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির থাবা! কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার শুরুতেই রাজ্যে ফের ডেঙ্গির (Dengue cases) চোখরাঙানি। গত সাত দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৯। স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন পর্যন্ত রাজ্যে ১ হাজার ৩২৮ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে গিয়েছে। তবে আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। স্বাস্থ্য দফতরের উদ্বেগ বাড়িয়েছে মালদা, মুর্শিদাবাদ, হুগলির মতো জেলাগুলির পরিসংখ্যানও।

    উত্তর ২৪ পরগনায় ডেঙ্গির থাবা (Dengue cases)!

    জানা গিয়েছে, এই বছরে বর্ষার (Rainy season) শুরুতেই ডেঙ্গি (Dengue cases) সব থেকে বেশি থাবা বাসিয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এই জেলায় মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ১৭৬। এরপর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালদা। এখানে মোট আক্রান্ত ১৭৪। মুর্শিদাবাদে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৩। একই ভাবে কলকাতায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১১৩। ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্তকতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলায় জেলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। তাতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে ডেঙ্গি পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর প্রস্তুতি যেন খতিয়ে দেখা হয়।

    আরও পড়ুনঃ সোনাঝুরির হাট কি উঠে যাবে? শান্তিনিকেতনের ব্যবসায়ীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ!

    এখন থেকেই সক্রিয় প্রশাসন

    গত বছর ১২ বছরের রেকর্ড ভেঙে গোটা রাজ্যে ডেঙ্গি (Dengue cases) আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১ লক্ষের কাছাকাছি। এই বছর যাতে সেই রকম খারাপ পরিস্থিতি না হয়, তাই এখন থেকেই পঞ্চায়েত এবং পুরসভাগুলি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। স্থানীয় প্রশাসন থেকে নিকাশি নালা, জমা জল, আবর্জনা পরিষ্কার, মশানিরোধক ওষুধ ব্যবহারের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তবে বর্ষায় (Rainy season) মশার কামড় রুখতে বাড়িতে বাড়িতে মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বেশি করে। পাশাপাশি জন সচেতনতার প্রচার-প্রসারের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেচ দফতর রাজ্যের প্রতিটি খালের দিকে নজর রাখবে। একই সঙ্গে পঞ্চায়েত এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরকে মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Adeno Virus: ফের বাড়ছে অ্যাডিনোর দাপট! সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    Adeno Virus: ফের বাড়ছে অ্যাডিনোর দাপট! সন্তানকে সুস্থ রাখবেন কীভাবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চোখ রাঙাচ্ছে অ্যাডিনো ভাইরাস। বছরের শুরুতেই এই ভাইরাসের (Adeno Virus) দাপটে নাজেহাল হয়েছিল রাজ্যবাসী। কয়েকশো শিশুর প্রাণহানি ঘটেছিল। কলকাতার হাসপাতালে শিশু ভর্তি নিয়ে নাজেহাল হয়ে উঠেছিলেন বাবা-মায়েরা। সেই ভাইরাসের দাপট ফের দেখা দিয়েছে।

    কী বলছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ? 

    কলকাতার একাধিক হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, ফের অ্যাডিনোর (Adeno Virus) উপসর্গ নিয়ে শিশুরা ভর্তি হচ্ছে। ভর্তি থাকা রোগীদের বেশির ভাগের বয়স পাঁচ বছরের বেশি। তবে, ভর্তি থাকা রোগীদের জন্মগত বা ক্রনিক ফুসফুস ঘটিত সমস্যা থাকার জেরে, পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়েছে। তাই এখন থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ, পরিস্থিতি যে কোনও সময় বিপজ্জনক হতে পারে বলেই তাঁদের আশঙ্কা।

    কোন কোন উপসর্গে বাড়তি সতর্কতা জরুরি? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, অ্যাডিনো ভাইরাসে (Adeno Virus) আক্রান্ত হলে সর্দি-কাশির মতো উপসর্গ দেখা যায়। তার সঙ্গে জ্বর হয়। তাছাড়াও চোখে সংক্রমণ হয়। তার জেরে ভোগান্তি বাড়ে শিশুদের। তাই সর্দি-কাশির পাশাপাশি চোখ লাল হয়ে উঠলে বা চোখে অস্বস্তির মতো উপসর্গ দেখা দিলে বাড়তি সতর্ক হতে হবে। তাছাড়া, যাদের হাপানি বা ফুসফুসের অন্য কোনও সমস্যা কিংবা শ্বাসকষ্ট জাতীয় কোনও সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা জরুরি বলেই জানাচ্ছে চিকিৎসক মহল। কারণ, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থাকলে অ্যাডিনো বাড়তি বিপদ তৈরি করছে। তাই জ্বর বা কাশির মতো উপসর্গ দেখা দিলেই আর সময় নষ্ট করা যাবে না। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

    বর্ষাকাল কি অ্যাডিনো (Adeno Virus) আক্রমণে বাড়তি শক্তি জোগাবে? 

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বর্ষার মরশুমে অ্যাডিনো বাড়তি শক্তি সঞ্চয় করবে। কয়েক মাস আগে অ্যাডিনো যখন থাবা বসিয়েছিল, তখন শীতের শেষ ও গরমের শুরু ছিল। অর্থাৎ, ঋতু পরিবর্তনের সময়েই এই ভাইরাস দাপট বাড়িয়েছিল। এ বছর বর্ষায় দ্রুত তাপমাত্রার পারদ কমছে। আবহাওয়ার তারতম্য দ্রুত হচ্ছে। ফলে, ভাইরাসঘটিত রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ছে। এই আবহাওয়ায় অ্যাডিনোও শক্তি বাড়াতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে বিশেষজ্ঞ মহল। তাছাড়া, স্কুল পড়ুয়ারা যাতায়াতের সময় অনেকেই হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যায়। ফলে, সর্দি-জ্বরের আশঙ্কা বেড়ে যায়। তাই বর্ষায় অ্যাডিনোর (Adeno Virus) ঝুঁকি বাড়ছে বলেই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল।

    সন্তানকে কীভাবে সুস্থ রাখবেন? 

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, তাপমাত্রার এই তারতম্যে সচেতনতা সবচেয়ে জরুরি। অতিরিক্ত এসি না চালানোর পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। তাঁরা জানাচ্ছেন, কোনও ভাবেই এই আবহাওয়ায় সারা রাত এসি চালিয়ে ঘুমনো চলবে না। এতে সর্দি-কাশির ঝুঁকি বাড়বে। তাছাড়া, এসি চালালেও তাপমাত্রা ২৫-২৬ ডিগ্রির নিচে রাখা যাবে না। 
    বৃষ্টিতে ভিজলে অবশ্যই বাড়িতে ফিরে গরম জলে ফের স্নান করে নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। তাছাড়া গরম দুধ বা যে কোনও গরম পানীয় খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। কারণ তাতে গলাব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা কমে। 
    আইসক্রিম বা ঠান্ডা পানীয় এই আবহাওয়ায় বাচ্চাদের না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল। কারণ, তাতে ভাইরাস ঘটিত রোগে আক্রান্তের ঝুঁকি বেড়ে যাবে।
    এছাড়াও, বাইরে থেকে ফিরে অবশ্যই হাত-মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা যে কোনও ভাইরাস ঘটিত অসুখ ঠেকাতে সাহায্য করে। 
    চোখে কোনও রকম অস্বস্তি হলে কিংবা লাল হয়ে গেলে, বারবার চোখ পরিষ্কার জলে ধুতে হবে। প্রয়োজনে গরম জলে পরিষ্কার তুলো ভিজিয়ে চোখ পরিষ্কার করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। এতে ভাইরাসের (Adeno Virus) শক্তি কমবে বলেই তাঁরা জানাচ্ছেন।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    Panchayet Road: বর্ষাকালে কর্দমাক্ত আলপথে পড়ুয়াদের হাতে ওঠে জুতো, চলে না সবুজসাথীর সাইকেলও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি পালিত হয়ে গেল দেশজুড়ে। দুর্গাপুরের বুদবুদ থানার আউশগ্রাম ব্লকের আমানিডাঙার বাসিন্দারা পেলেন না সামান্য রাস্তাটুকুও। একাধিকবার ভোট বয়কট করেও মেলেনি সুরাহা। পথশ্রী, রাস্তাশ্রী ইত্যাদি নিয়ে গোটা বাংলা যখন মাতোয়ারা, তখনও চরম বঞ্চনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন পূর্ব-বর্ধমান জেলার অন্তর্গত আউশগ্রামের আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা গ্রামের বাসিন্দারা। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বিগত ৮ বছর ধরে ভোট বয়কট করছেন গ্রামবাসীরা। তাতে রাস্তা আংশিক কংক্রিট হলেও, জমিজটে উধাও প্রায় ৩ হাজার ফুট রাস্তা। ফলে দুর্ভোগ মেটেনি। সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষায় কাদামাখা আলপথই ভরসা। এমনই পরিস্থিতিতে আবার আসছে পঞ্চায়েত নির্বাচন!

    সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা

    কুনুর নদীর পাড়ে বহু পুরনো গ্রাম আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙা। আউশগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের ওই গ্রাম তিনটিতে ৬৫টি পরিবারের বসবাস। বেশিরভাগই আদিবাসী সম্প্রদায়ের দিনমজুর। গ্রামের ভিতর রাস্তার অবস্থা বেহাল। মোরামের দানাটুকুও পড়েনি। গ্রাম থেকে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দূরে কাঁকসার পিয়ারিগঞ্জ। সদর বাজারে যেতে হলে কর্দমাক্ত আলপথই ভরসা। বছর কয়েক আগে বীরভুম থেকে ফেরার পথে পিয়ারিগঞ্জ স্কুলের সামনে ক্ষুদে পড়ুয়াদের দেখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। সেখান থেকেই রাজ্যে ক্ষুদে পড়ুয়াদের জুতো দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেইমতো জুতো পেলেও বর্ষাকালে মেঠো আলপথে হাতে জুতো নিয়ে স্কুলে যেতে হয় পড়ুয়াদের। পায়ে পরার উপায় নেই। পড়ুয়াদের সবুজসাথীর সাইকেলও জুটেছে। তবে বর্ষাকালে সেটা চালিয়ে স্কুলে যাওয়ার উপায় নেই। কাদামাখা মেঠো আলপথে সাইকেল চালানোও দায়। গ্রামের মধ্যে মোটরগাড়ি তো দূর অস্ত, সাইকেল বা রিকশ যাতায়াতের রাস্তাটুকু (Panchayet Road) নেই।

    ভোট বয়কটেও সমস্যা মেটেনি

    গত ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে ভোট বয়কট করেছিলেন গ্রামবাসীরা। ২০১৯ ও ২০২১ সালেও ভোট বয়কট করেন গ্রামবাসীরা। তারপর কুনুর নদী দিয়ে বয়ে গেছে অনেক জল। যদিও খবর চাউর হতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাংসদ তহবিলের টাকায় প্রায় ১৪০০ ফুট রাস্তা কংক্রিট করা হয়। তবে গ্রামের রাস্তা আগের মতোই বেহাল রয়েছে। তারপরও প্রায় ৪ হাজার ফুট মেটো আলপথ রয়েছে। ফলে সমস্যা সেই তিমিরেই রয়েছে। 

    উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত, বলছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা

    উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথশ্রী ও রাস্তাশ্রী প্রকল্পে ১২ হাজার কিলোমিটার রাস্তার নতুন করে নির্মাণ ও পুনরায় সংস্কারের সূচনা করেন। তাছাড়াও গ্রামীণ সড়ক তৈরিতে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয় সরকারই তৎপর। আদিবাসী গ্রামে ঢালাও উন্নয়নের ফিরিস্তি শোনা যায়। কিন্তু তারপরও কেন দুর্দশায় আমানিডাঙা, বাবলাবনি, ধডাঙার গ্রামবাসীরা? প্রশ্ন থেকেই যায়। স্থানীয় বাসিন্দা তাপস সোরেন, সনাতন সোরেন প্রমুখ তরুণরা জানান, “উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনে ক্লান্ত। ২০১৬ সালে ভোট বয়কটের পর বছর খানেক হল বিদ্যুৎ পেয়েছি। রাস্তার (Panchayet Road) দাবিতে বহুবার আবেদন করেছি। এক-চতুর্থাংশ রাস্তা ঢালাই হয়েছে। এখনও অনেকটাই রাস্তা নেই। মেঠো পথ। বর্ষায় চরম সমস্যায় পড়তে হয়। গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে খাটিয়াতে করে নিয়ে যেতে হয়। ছেলে মেয়েদের স্কুলে যেতে অসুবিধা হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Good Health During Monsoon: বর্ষায় বদহজম! জানেন এই মরসুমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

    Good Health During Monsoon: বর্ষায় বদহজম! জানেন এই মরসুমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষায় সর্দি-জ্বর-কাশি, ডেঙ্গু,ম্যালেরিয়ার মতো মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের পাশাপাশি ডায়রিয়া,বমির মতো বিভিন্ন জলবাহিত রোগও দেখা যায়। বদহজম,গ্যাস-অম্বলের সমস্যার বাড়বাড়ন্ত বেশি হয়। তাই এই সময় কিছু নিয়ম মেনে চললে বা উপযুক্ত খাবার খেলে শরীর সুস্থ রাখা যায়। জেনে নিন বর্ষায় সুস্থ থাকার পাঁচ দাওয়াই:

    ১) জল ফুটিয়ে খান। ফিল্টারের জল হলেও খাওয়ার আগে এক বার গরম করে নিন। ফুটিয়ে নিলে জলে থাকা সব জীবাণু নষ্ট হয়ে যায়। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা আর থাকবে না।

    ২) বর্ষায় তিতকুটে বা হালকা ঝাঁঝ আছে এমন খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। করলা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি। তাই এই সময় উচ্ছে, করলা খান। খেতে ভাল না হলেও আপনি এর উপকারিতা উপেক্ষা করতে পারবেন না। বর্ষাকালে যেখানে রোগের ঝুঁকি বাড়ে সেখানে করলা খাওয়া খুবই উপকারী প্রমাণিত হতে পারে। হালকা ঝাঁঝ রয়েছে এমন খাবার হল রসুন। রসুনে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। পুরো পরিবারের জন্য রসুনের চাটনি তৈরি করতে পারেন।

    ৩)ভাজাপোড়া নয় সবজি খান। বিশেষত আলু, পটল, কচু এসব বেশি খাওয়ার চেষ্টা করুন। কুমড়ো, উচ্ছে বা করলা, ঝিঙে, লাউ ইত্যাদি খাবার তালিকায় রাখুন। এর সঙ্গে গোলমরিচ, তুলসি, পুদিনা, নিম ইত্যাদিও খেলে শরীর থাকবে তরতাজা। বিভিন্ন পেটের রোগ ও অনান্য সমস্যা দূর করতে এসব খাবারের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে, কাঁচা অবস্থায় কোনও সব্জি বা খাবার খাবেন না। পুরোপুরি সেদ্ধ হলে তার পরেই খান।

    আরও পড়ুন: অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলো

    ৪) হজমশক্তি বাড়ায় এমন মশলা যেমন আদা, রসুন, জিরা, ধনে, হলুদ এগুলো রান্নায় বেশি ব্যবহার করুন। হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী তাতে কোনও সন্দেহ নেই। হলুদে রয়েছে কারকিউমিন যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। রাতে ঘুমানোর আগে দুধ-হলুদ খেতে পারেন। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি দেয়।

    ৫) সামুদ্রিক খাবার এই বর্ষায় বেশি না খাওয়াই ভাল। চিংড়ি, কাঁকড়া এড়িয়ে চলা ভাল। এগুলো হজম করা কষ্টকর। এতে পেটের সমস্যা বাড়তে পারে।

LinkedIn
Share