Tag: Raj Bhavan

Raj Bhavan

  • CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজ্যের অভিযোগ অস্বীকার, রাজভবনে একটিও বিল আটকে নেই, বললেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঠানো বিল আটকে রাখার অভিযোগ অস্বীকার করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। রাজ্যের একাধিক বিল আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। সম্প্রতি  এই ইস্যুতে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য। সোমবার রাজ্যের অভিযোগের পালটা মুখ খুললেন রাজ্যপাল। বললেন, ”রাজভবনে একটিও বিল নেই, এই অভিযোগ ভুল।” 

    সরকারের অভিযোগ

    রাজ্য সরকারের অভিযোগ ছিল, বিধানসভায় পাশ করা আটটি বিল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রেখেছেন রাজ্যপাল (CV Ananda Bose)। সম্প্রতি এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের তরফে আদালতে রাজভবনে (Raj Bhavan) বিল আটকে রাখা নিয়ে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। আইনজীবী আস্থা শর্মা এই পিটিশন দায়ের করেছেন। তিনি অভিযোগ তুলেছেন, রাজ্যপাল ওই বিলগুলি আটকে রেখে সংবিধানের ২০০ নম্বর বিধি ভঙ্গ করছেন। এটা সংবিধান বিরোধী। 

    রাজ্যপালের মন্তব্য (CV Ananda Bose)

    রাজ্যের এই অভিযোগের পরেই এ প্রসঙ্গে রাজ্যপাল বলেন, ”রাজ্য সরকারের পাঠানো ৮টি মধ্যে ৬ টি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। তাঁর কাছে সেই বিলগুলি এখনও রয়েছে। একটি এখনও বিবেচনা করা হচ্ছে, আর অষ্টম বিলটিতে বেশ কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। তার জন্য রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিকে তিনি ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও রাজ্যের তরফে কোনও প্রতিনিধি রাজ্যপালের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। আমার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ ভুল। কারণ রাজভবনে (Raj Bhavan) একটিও বিল আটকে নেই।”

    আরও পড়ুন: গ্যাসের কালোবাজারি রুখতে এবার আধারে বায়োমেট্রিক যোগ!

    প্রসঙ্গত, যে ৮টি বিল রাজ্যপালের কাছে পড়ে রয়েছে সেগুলি হল- পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য বিজ্ঞান সংক্রান্ত বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ পশু এবং মৎসবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গ আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল, পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন(সংশোধনী) বিল এবং পশ্চিমবঙ্গ নগর পরিকল্পনা এবং নগরোন্নয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত আইন (সংশোধনী) বিল। এই সমস্ত বিলের মধ্যে জগদীপ ধনখড় রাজ্যপাল থাকাকালীন ৬টি পাশ হয়েছিল রাজ্য বিধানসভায়। আর বাকি দুটি বিল সিভি আনন্দের (CV Ananda Bose) সময়ে পাশ হয়েছে। তবে উল্লেখ্য, রাজ্যের দায়ের করা পিটিশন নিয়ে এতদিন চুপ ছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু এদিন তিনি সমস্ত অভিযোগের জবাব দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    Suvendu Adhikari: রাজভবনের সামনে ৪ ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দুরা, মিলল হাইকোর্টের অনুমতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে বিজেপির ধর্নায় সায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্না করতে চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। প্রথমে বিজেপিকে সেই অনুমতি না দিলেও অবশেষে বিজেপির ধর্নায় অনুমতি দিল হাইকোর্ট। তবে আদালতের তরফে জানানো হয়েছে নির্দিষ্ট শর্ত মেনেই বিজেপিকে এই ধর্নায় বসতে হবে। 

    কী জানিয়েছে হাইকোর্ট? (BJP Dharna) 

    বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে শুভেন্দুর মামলার শুনানি ছিল। আদালতে রাজ্যের আইনজীবী জানান, ১৪ জুলাই, রবিবার সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের সামনে শুভেন্দুরা যদি ধর্নায় বসেন, তাতে তাঁদের আপত্তি নেই। এরপর রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ধর্নায় অনুমতি দিয়ে  বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশ, ১৪ জুলাই সকাল ১০টা থেকে রাজভবনের নর্থ গেট থেকে দশ মিটার দূরে শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে হবে শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)। তবে সেখান থেকে করা যাবে না কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য। কোনও ব্যক্তি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারবেন না। শান্তিপূর্ণ ভাবে কর্মসূচি করতে হবে। কোনও প্রকার অশান্তি সেখানে বরদাস্ত করা হবে না। দূষণবিধি মানতে হবে শুভেন্দু এবং তাঁর সঙ্গীদের। সকাল দশটা থেকে চার ঘণ্টা ধর্নায় বসতে পারবেন শুভেন্দু। আদালতের শর্ত অনুযায়ী ৩০০ লোক নিয়ে ধর্নায় বসতে পারবেন বিরোধী দলনেতা।   

    আরও পড়ুন: ভেঙেছে গত ১৪ বছরের রেকর্ড! চলতি বছর দেশে তাপপ্রবাহে মৃত্যু শতাধিক

    আগে কী ঘটেছিল? 

    তবে এর আগে প্রথমে আপত্তি জানিয়েছিল রাজ্য। বলা হয়, রাজভবনের সামনে ওই জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। তাই নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে বিজেপির কর্মসূচিতে অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়। সে প্রসঙ্গে শুভেন্দুদের (Suvendu Adhikari) তরফে গত বছর একই জায়গায় শাসকদলের কর্মসূচির দৃষ্টান্ত দেওয়া হয়। যেখানে ১০০ দিনের কাজের টাকার দাবিতে রাজভবনের সামনেই টানা পাঁচ দিন ধর্নায় বসেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নাম না করেই সেই দৃষ্টান্ত আদালতে জানান শুভেন্দু। সে সময় আদালত জানিয়েছিল, শাসকদলের নেতা ধর্নায় বসেছিলেন বলে তাঁদেরও ওই জায়গাতেই কর্মসূচি করতে হবে, তার কোনও যুক্তি নেই। শুভেন্দুদের কর্মসূচির জন্য বিকল্প জায়গাও খুঁজতে বলেছিল আদালত। এরপর আদালতে বিজেপির তরফে জানানো হয়, রাজভবনের সামনে কর্মসূচির অনুমতি না পেলে তাঁরা রাজ্য পুলিশের ডিজির দফতরের সামনে ধর্নায় (BJP Dharna) বসতে চান। যদিও পরে রাজভবনের সামনে বিরোধী দলনেতার কর্মসূচিতে সায় দেয় আদালত।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    CV Ananda Bose: রাজভবনের সুরক্ষায় আর প্রয়োজন নেই কলকাতা পুলিশের! অবিলম্বে খালি করার নির্দেশ বোসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লালবাজারের নিরাপত্তায় সুরক্ষিত নন রাজ্যপাল। অবিলম্বে রাজভবন খালি করুন। সোমবার সকালে রাজভবনে মোতায়েন কলকাতা পুলিশের কর্মীদের এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। ইতিমধ্যেই রাজভবন চত্বরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের সরানোর নির্দেশ দিয়ে নবান্নে চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। এ প্রসঙ্গে রাজভবনের (Raj Bhavan) ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানিয়েছেন, রাজ্যপাল রাজভবনের ভিতরে মোতায়েন পুলিশ কর্মীদের অবিলম্বে প্রাঙ্গন খালি করার নির্দেশ দিয়েছেন।  

    কী জানিয়েছেন রাজ্যপাল? (CV Ananda Bose)

    চিঠিতে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যে, রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তায় থাকা পুলিশ কর্মীরা তাঁর নির্দেশনা মানছে না। ফলে রাজভবন চত্বরে থাকা কলকাতা পুলিশের নিরাপত্তায় তিনি একেবারেই সুরক্ষিত বোধ করছেন না। তাই অবিলম্বে রাজভবনের (Raj Bhavan) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের সরিয়ে ফেলা হোক। যদিও রাজ্যপালের এই চিঠির প্রেক্ষিতে নবান্নের তরফে এখনও কোনও বক্তব্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    আগে কী ঘটেছিল?  

    গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসায় ‘আক্রান্তদের’ নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কিন্তু সে সময় তাঁকে রাজভবনের ভিতরে ঢুকতে দেয়নি কর্তব্যরত কলকাতা পুলিশ। রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা জারি থাকার কারণ দেখিয়ে শুভেন্দু সহ শো দুয়েক লোককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) অনুমতি থাকা সত্ত্বেও রাজভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেন বিরোধী দলনেতা। শুনানিতে বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যপাল কি গৃহবন্দী নাকি। তাঁর অনুমতি সত্ত্বেও কেন দেখা করার অনুমতি দেওয়া হল না। আর বিচারপতির এই মন্তব্যের পরেই এবার রাজভবন (Raj Bhavan) চত্বর থেকে লালবাজারের নিরাপত্তা সরিয়ে নেওয়ার জন্যে নবান্নকে চিঠি পাঠালেন রাজ্যপাল।

    যদিও রবিবার বিরোধী দলনেতা একশোর বেশি ঘরছাড়াকে নিয়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের (CV Ananda Bose) সঙ্গে দেখা করেন। সেই সময় রাজ্যপাল শুভেন্দু অধিকারীকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে তিনি হিংসা মুক্ত করবেন। তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন বলেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এসবের মাঝেই এবার বিচারপতির ওই মন্তব্যের পর সোমবার সকালে রাজ্যপাল এই নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিঃসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গত বছরের শেষ দিকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে ধর্নায় বসেছিলেন, ঠিক সেখানেই এবার ধর্নায় বসতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই ধর্নার অনুমতি চেয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গয়ালকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। এসব ইস্যু সামনে রেখেই আগামী ১৯ জুন থেকে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের নির্দেশ (Calcutta High Court) 

    এ প্রসঙ্গে, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যপালের কাছে নতুন করে আবেদন জানাতে পারেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যপালের অনুমতি সাপেক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও নির্বাচন পরবর্তী অশান্তিতে ‘আক্রান্ত’ ব্যক্তিরা। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কতজন দেখা করতে যাবেন, সেটা পুলিশকে জানাতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতির নির্দেশ, যদি গাড়ি নিয়ে রাজ ভবনের (Raj Bhavan) ভেতরে যাওয়া হয়, তাহলে কতগুলি গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে, সেটাও জানাতে হবে পুলিশকে। 
    তবে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষের আইনজীবী এদিন আদালতে জানিয়ে দেন, তাঁদের কোনও গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে না। সকলেই হেঁটে রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে রাজ্যের তরফে আবার সওয়াল করা হয়, যাঁরা রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন, তাঁদের শনাক্তকরণের কাজ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পক্ষ থেকে কোনও ব্যক্তিকে করতে হবে। রাজ্যের এই দাবিতে বিচারপতি সম্মতি দিলেও, তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, কারও পরিচয় নথিবদ্ধ করা যাবে না। কারণ, সেরকম হলে পরে আবার তাঁদের হেনস্থা করার আশঙ্কা থেকে যায় বলেই মনে করছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    আরও পড়ুন: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    কেন এই ধর্নার সিদ্ধান্ত? 

    বিজেপি জানিয়েছে, এ বছর লোকসভা ভোটের ফলাফলে কিছুটা আশাহত দলের নিচুতলার কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতারা পাশে না থাকলে সংগঠন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই শুভেন্দু অধিকারীর এই ধর্নার উদ্যোগকে দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়ানোই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  নগরপালকে জানিয়েছেন, তিনি আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের নিয়েই ধর্নায় বসতে চান। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের (kolkata police) পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর মেলেনি।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এবং রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবিতে রাজভবনের সামনে টানা ধর্নায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে ওই একই স্থানে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু অধিকারী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WB Advocate General: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি, ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত

    WB Advocate General: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি, ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা জমানায় ১২ বছরে ৬ এজি (WB Advocate General), ফের দায়িত্বে ইস্তফা দেওয়া কিশোর দত্ত। শনিবারই এজি হিসেবে কিশোর দত্তকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ করে রাজ্য। তাঁর নামে সিলমোহর দেয় রাজভবন। জানা গিয়েছে, শনাবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখাও করেছেন কিশোর দত্ত। প্রসঙ্গত, কিশোর দত্ত এর আগেও এজি পদ সামলেছেন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি নিজের ইস্তফাপত্র দেন রাজ্যপালকে। বিধানসভা ভোটের পরে রাজ্যজুড়ে লাগামছাড়া হিংসা ছড়ায় শাসক দলের মদতে। এই ঘটনায় একের পর এক মামলায় ভর্ৎসিত হতে থাকে রাজ্য। ঠিক এই কারণেই সেসময় ইস্তফা দেন কিশোর দত্ত।

    কিশোর দত্তের পরে দায়িত্বে আসা সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ও ইস্তফা দেন

    কিশোর দত্তের পরে দায়িত্বে (WB Advocate General) নিয়ে আসা হয় সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়কে। তিনিও ইস্তফা দেন চলতি বছরের নভেম্বর মাসের প্রথমেই। ইস্তফার পরে রাজ্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার কথাই বলেন সৌমেন্দ্রনাথবাবু। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। বারবার কেন পদত্যাগ করতে বাধ্য হচ্ছেন রাজ্যের এজির? তথ্য বলছে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মমতা সরকার ৬ বার বদল করেছে আইজি। দেশের কোনও রাজ্যে এমন নজির রয়েছে কিনা, তা মনে করতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরাও। ক্ষমতায় আসার পরেই মমতা সরকার এজি (WB Advocate General) পদে নিয়োগ করে অনিন্দ্য মিত্রকে। তাঁর মেয়াদকাল ২৪ মে ২০১১- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। তারপর এজি পদে নিয়োগ পান যথাক্রমে, বিমল চট্টোপাধ্যায় (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ – ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪), জয়ন্ত মিত্র (১৬ ডিসেম্বর ২০১৪- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭), কিশোর দত্ত (৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৭- ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১), সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ – ১০ নভেম্বর ২০২৩), কিশোর দত্ত (১৬ ডিসেম্বর ২০২৩)।

    বদল হয়েছে রাজ্যের পিপি পদেও

    প্রসঙ্গত, গত ৭ নভেম্বর রাজ্যের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় শাশ্বতগোপাল মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর জায়গায় আসেন হন দেবাশিস রায়। তার পর থেকেই এজি (WB Advocate General) পদে বদল নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। সেই আবহেই সৌমেন্দ্রনাথ ইস্তফা দেন। তাঁর ইস্তফার পরে ফের দায়িত্বে এলেন কিশোর দত্ত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICC World Cup 2023: ইডেন ম্যাচের টিকিট কেলেঙ্কারির জের, আজ রাজভবনে ‘জনতা ক্রিকেট স্টেডিয়াম’

    ICC World Cup 2023: ইডেন ম্যাচের টিকিট কেলেঙ্কারির জের, আজ রাজভবনে ‘জনতা ক্রিকেট স্টেডিয়াম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিলোত্তমায় চড়ছে উন্মাদনার পারদ! আজ রবিবার ইডেনে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকা (ICC World Cup 2023)। বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে ফাইনাল বললেও খুব একটা ভুল হবে না। লিগ টেবিলের শীর্ষস্থান দখলের লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেমি ফাইনালের টিকিট দুই দলের পাকা হয়ে গেলেও, প্রেস্টিজ ফাইটে একে অপরকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে নারাজ দুই দল। তবে অতীতে, ওডিআই বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রোটিয়াদের সঙ্গে ভারতের সাক্ষাৎ খুব একটা ভালো হয়নি। কারণ ওডিআই (ICC World Cup 2023) বিশ্বকাপে মোট ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে এই দুই দল। তার মধ্যে ভারতের জয় ২টি, দক্ষিণ আফ্রিকার জয় ৩টি। অন্যদিকে ইডেনের ম্যাচের আগে টিকিটের কালোবাজারির অভিযোগও সামনে এসেছে। এরই মধ্যে ফের রাজভবনে বসে খেলা দেখার ব্যবস্থা করলেন সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনে খোলা হচ্ছে ‘জনতা স্টেডিয়াম’।

    রাজভবনে ম্যাচ দেখতে পারবেন সাধারণ মানুষ

    জানা গিয়েছে, দুপুর বারোটা থেকে দুটো পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকবে রাজভবন। প্রথমে আগত ৫০০ জনকে বড় পর্দায় ক্রিকেট (ICC World Cup 2023) ম্যাচ দেখার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে তার জন্য অনলাইনে একটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে বলে জানা গিয়েছে। ইডেনে এর আগেও অনেক এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচ হয়েছে, তবে রাজভবনের তরফে এমন উদ্যোগ এই প্রথম নেওয়া হল। দর্শকরা চাইলে আগে থেকে নামও নতিভুক্ত করতে পারবেন। তাঁদের জন্য একটি ইমেল আইডি (aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com) দেওয়া হয়েছে। ইমেল-এর মাধ্যমে আবেদন করতে হলে যে কোনও একটি পরিচয়পত্র আপনাকে দিতে হবে, আধার কার্ড বা ড্রাইভিং লাইসেন্স। এছাড়া ঢোকার সময় সচিত্র পরিচয়পত্র দেখিয়ে রাজভবনে ঢুকতে পারবেন দর্শকরা। রাজভবনের এই উদ্যোগে খুশি ক্রিকেটপ্রেমী মহল। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভূয়সী প্রশংসা শোনা যাচ্ছে তাঁদের মুখে।

    টিকিটের কালোবাজারিতে গ্রেফতার ২১

    অন্যদিকে, টিকিট কালোবাজারিতে এখনও পর্যন্ত ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হয়েছে ১২৭টি টিকিট। ময়দান থানায় এ নিয়ে এফআইআর-ও দায়ের হয়েছে। সিএবির প্রতিনিধিদের পুলিশ তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। টিকিট বিক্রির অনলাইন সংস্থার আধিকারিকদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: রাজ্যের সেরা পুজোকে ‘বাঙালিয়ানা পুরস্কার’ দেবেন রাজ্যপাল, জানাল রাজভবন

    Durga Puja 2023: রাজ্যের সেরা পুজোকে ‘বাঙালিয়ানা পুরস্কার’ দেবেন রাজ্যপাল, জানাল রাজভবন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় (Durga Puja 2023) সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা এই সমস্ত কিছুকে সামনে রেখে পুরস্কার প্রদান প্রথা রাজ্যেঅনেক পুরনো। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও তাতে অংশগ্রহণ করে। এবার বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের প্রাক্কালে এরকমই উদ্যোগ নিতে দেখা গেল রাজভবনকেও। সেরা পুজো প্যান্ডেলকে রাজ্যপাল দেবেন ‘বাঙালিয়ানা পুরস্কার’।

    রাজভবনের প্রেস বিবৃতি

    মহাপঞ্চমীর দিন বৃহস্পতিবারই রাজভবন থেকে এক প্রেস বিবৃতি জারি করা হয় এবং তাতে উল্লেখ করা হয়েছে বাঙালিয়ানা পুরস্কারের বিষয়ে। এই প্রেস বিবৃতি অনুযায়ী, বাছাই করা সেরা পুজো প্যান্ডেলকে ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। বিজয়া দশমীর (Durga Puja 2023) দিনই দেওয়া হবে এই পুরস্কার। এবার কোনটা সেরা প্যান্ডেল হবে তা নির্ণয় কে করবেন?  রাজভবনে তরফে প্রেস বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে তা বাছবেন সাধারণ মানুষই। সরকারি অর্থ যে খরচ করা হবে না কোনভাবেই, ওই প্রেস বিবৃতিতে তাও স্পষ্ট। রাজভবনের তরফে একটি মেইল আইডিও দেওয়া হয়েছে। এই মেইল আইডি টি হল aamnesaamne.rajbhavankolkata@gmail.com. পুজো প্যান্ডেলগুলি এই মেইল আইডির মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

    কী বলছেন রাজ্যপাল?

    প্রসঙ্গত, এবার পুজোতে প্রতিপদ থেকেই দুর্গাপুজো পরিদর্শনে বেরিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। চলতি সপ্তাহের রবিবারই দুটি মন্ডপে যান তিনি। রবিবার বিকেল নাগাদ রাজভবন থেকে বেরিয়ে  কুমোরটুলিও যেতে দেখা যায় বোসকে। সেখানে মৃৎশিল্পীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায় সিভি আনন্দ বোসকে। রবিবার রাজ্যপালের হাতে মাটির তৈরি লক্ষ্মী এবং গণেশের মূর্তিও তুলে দেন কুমোরটুলির এক শিল্পী। দুর্গাপুজোয় এবার রাজ্য সরকারের পাশাপাশি রাজভবনও বিশেষ সম্মান প্রদান করেছে। জানা গিয়েছে, এই অনুষ্ঠানের পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে ‘মিশন কলাক্রান্তি’। এই সম্মানের সম্মানিত করা হয় পন্ডিত অজয় চক্রবর্তীকে। পুজোর (Durga Puja 2023) আবহে রাজ্যের শাসক দলকে খোঁচা দিতে ছাড়েননি রাজ্যপাল। তাঁর মন্তব্য, ‘‘রাজ্যের দুর্নীতি রক্তবীজের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। মা দুর্গা যেমন অসুর নিধন করেছিলেন, তেমনিই এই দুর্নীতিরও অবসান ঘটাতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা থাকার কথা”, অভিষেকের ধর্নাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: “রাজভবনের বাইরে ১৪৪ ধারা থাকার কথা”, অভিষেকের ধর্নাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের বাউন্ডারির বাইরে ১৫০ মিটার পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকার কথা। সেখানে কীভাবে তৃণমূল মঞ্চ বেঁধে অবস্থান করছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে ‘সস্তার রাজনীতি’ বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। আঞ্চলিক দল তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের এক একটি স্তম্ভকে পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করছে, বলেও দাবি করেন শুভেন্দু।

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    সোশ্যাল সাইটে শুভেন্দু লিখেছেন, “পুলিশের সহযোগিতায় তারা ১৪৪ ধারা জারি থাকা চত্বরে শুধু মিছিলই করেনি, একইসঙ্গে সেখানে ক্যাম্পও বানিয়ে ফেলেছে।”এক্স হ্যান্ডেলে বিরোধী দলনেতা  শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, “রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান, রাজ্যপালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে এই সস্তার রাজনৈতিক নাটকের জন্য। আর পুলিশ এই কাজে সাহায্য করছে।” প্রসঙ্গত, রাজ্য রাজনীতিতে এখন ‘জমিদারি’ শব্দটি নিয়ে ব্যাপক চর্চা হচ্ছে। তৃণমূলের মুখে শোনা যাচ্ছে ‘জমিদারি’, রাজ্যপালের বিবৃতিতেও ব্যবহার হচ্ছে ‘জমিদারি’। এবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও ‘জমিদারি’ নিয়ে খোঁচা দিলেন রাজ্যের শাসক শিবিরকে।

    অভিষেকদের এই আন্দোলনকে অগণতান্ত্রিক বলে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজধানী দিল্লি থেকে রাজভবন চলোর ডাক দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু গতকাল রাজভবনে ছিলেন না রাজ্যপাল। উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি চলে যান উত্তরবঙ্গে। সম্প্রতি তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ঘোষণা করেন রাজ্যপাল যতক্ষণ না তাঁদের সঙ্গে দেখা করছেন ততক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ চলবে । সূত্রের খবর দিল্লিতে আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করবেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    Vice Chancellor: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে রবীন্দ্রভারতীর অন্তর্বর্তী উপাচার্য নিয়োগ রাজভবনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়কে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য (Vice Chancellor) নিয়োগ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। অবসর নেওয়ার পরবর্তী সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রের দায়িত্ব এর আগেও পালন করেছেন তিনি। মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি তাঁকে সাবিত্রীবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাছাইয়ের সার্চ কমিটির চেয়ারম্যান পদে বসিয়েছিলেন। আর এবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেলেন তিনি। 

    রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ

    অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত না থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার নজির স্বাধীনতার পর বাংলায় আর একটি আছে। ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৬৮ পর্যন্ত কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য করা হয়েছিল এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বিধূভূষণ মালিককে। উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে নবান্ন–রাজভবন সংঘাত অনেকদিন ধরেই চলছিল। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর প্রকাশ্যে সংঘাত থেমেছে। কলকাতা হাইকোর্টের রায় ছিল, অস্থায়ী উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত বৈধ। আর এই উপাচার্যদের বেতন–সহ অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা যাবে না। তারপরই রাজ্যপালের এই সিদ্ধান্ত। 

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোট গণনাও করতে হবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঘেরাটোপে, নির্দেশ আদালতের

    শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায়ের পরিচয়

    আগে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য ছিলেন নির্মাল্যনারায়ণ চক্রবর্তী। তাঁর মেয়াদ ফুরিয়েছে। তারপর প্রায় দু’মাস উপাচার্যহীন ছিল রবীন্দ্রভারতী। এবার নির্মাল্যের মেয়াদ শেষ হতেই প্রাক্তন বিচারপতি শুভ্রকমল মুখোপাধ্যায় হলেন রবীন্দ্রভারতীর নতুন অস্থায়ী উপাচার্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন নিয়ে পাশ করেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতিও ছিলেন তিনি। পরবর্তীতে কর্নাটক হাইকোর্টে চলে যান।  ২০১৫ সালে তিনি কর্নাটক হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হন। ২০১৬ সালে তাঁকে কর্নাটক হাইকোর্টের স্থায়ী প্রধান বিচারপতি করা হয়। ২০১৭ সালে তিনি অবসর নেন। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থায়ী উপাচার্যের পাশাপাশি শুভ্রকমলকে  শান্তি ও সম্প্রীতি কমিটির চেয়ারম্যানও করা হয়েছে। এই কমিটিও রাজ্যপাল গঠন করেছেন, সেই কমিটির অন্যতম প্রধান কাজ হল শিক্ষাঙ্গনের ভিতরে সংহতির উপর নজর রাখা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share