Tag: Raj Bhawan

Raj Bhawan

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে পড়ুয়া চিকিৎসকের  ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। স্বাধীনতা দিবসে নারী সুরক্ষার দাবিই ছিল রাজ্যজুড়ে। পরোক্ষে এই ঘটনার জন্যই স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রে রাজভবনে (Raj Bhawan) দেখা যায়নি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার সেই অনুপস্থিতির কারণ জানালেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । 

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৃহস্পতিবারের সেই চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম প্রমুখ। তবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) না যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বাড়ে জল্পনা। শুক্রবার শুভেন্দু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন “স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজভবনের চা চক্রে মাননীয় রাজ্যপাল আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এদের (উপস্থিতি অতিথি) সঙ্গে দেখা হয়ে হলে আমার ছোট্ট ডাক্তার বোনটির বিদেহী আত্মা হয়তো কষ্ট পেত। তাই আমন্ত্রণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।” চা চক্রের ছবির সঙ্গে আমন্ত্রণপত্রটিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট! পাশবিক অত্যাচার, গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুরা

    রাজভবনের চা-চক্র

    আরজি কর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজ্যে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে নেমে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় জমায়েত চলছে। নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে রাজ্য তথা দেশ। তাই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে অন্যান্যবারের মতো এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়নি। তবে রাজভবনে (Raj Bhawan) প্রতিবারের মতো চা-চক্রের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে যাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, ১৫ অগাস্টের চা চক্রে ১০ জনের প্রতিনিধি দলকে নিয়ে রাজভবনে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য পরে জানান, তাঁর রাজভবনে একা যেতে অসুবিধা ছিল তাই প্রতিনিধিদের নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে জলস্পর্শ করেননি। তবে রাজভবন সূত্রে খবর, কমিশনার এবং মেয়রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি স্বাধীনতা দিবসের চা-চক্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Principal Secretary: রাজ্যপালের সচিব পদের জন্য তিনটি নাম পাঠাল নবান্ন! জানেন তাঁরা কে?

    Principal Secretary: রাজ্যপালের সচিব পদের জন্য তিনটি নাম পাঠাল নবান্ন! জানেন তাঁরা কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোসের সচিব (Principal Secretary) পদের জন্য তিনটি নাম রাজভবনে (Raj Bhawan) পাঠাল নবান্ন (Nabanna)। এই তিনজন হলেন, সুন্দরবন উন্নয়নের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব অত্রি ভট্টাচার্য, শ্রম দফতরের সচিব বরুণকুমার রায় এবং উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের সচিব অজিতরঞ্জন বর্ধন। নিয়ম অনুযায়ী, এই তিন জনের মধ্যে থেকেই একজনকে রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) হিসাবে বেছে নেওয়ার কথা রাজভবনের।

    রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) পদে কে?

    সম্প্রতি রাজ্যপালের প্রধান সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে রাজভবন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আর তারপর থেকেই জল্পনা ছিল, রাজ্যপালের পরবর্তী প্রধান সচিব (Principal Secretary) কে হবেন। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস কাকে নিজের প্রধান সচিব হিসাবে বেছে নেন সেটাই দেখার। রাজভবন এবং বিজেপি সূত্রের খবর, নবান্নের পাঠানো এই তিন নামের বাইরে থাকা আইএএস সুব্রত গুপ্তকে সচিব হিসেবে চাইছেন রাজ্যপাল। যদিও এই বিষয়ে নবান্ন কিংবা রাজভবনের তরফ থেকে কোনওরকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি। শনিবার এই সুব্রত গুপ্তকেই মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী নবান্নে ডেকেছিলেন। তাঁর সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বৈঠকও করেছিলেন। তবে সেই বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, তা সামনে আসেনি। মনে করা হচ্ছে, রাজ্যপালের সচিব (Principal Secretary) প্রসঙ্গেই আলোচনা হলেও হতে পারে। এখন দেখার রাজ্যপাল কী করেন? তাঁর প্রধান সচিব হিসেবে (Principal Secretary) অন্য নাম পাঠাবেন না এঁদের মধ্যে থেকেই কাউকে নিজের সচিব হিসেবে বেছে নেবেন তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘পার্থ’-কে টাকা দিয়েও মেলেনি চাকরি! আত্মহত্যা যুবকের, সিবিআই-নির্দেশ হাইকোর্টের

    রাজ্যের একাধিক দফতরের সচিব পদ সামলানোর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নন্দিনী চক্রবর্তী ছিলেন রাজ্যপালের প্রধান সচিব (Principal Secretary)। লা গণেশন যখন কিছু সময়ের জন্য বাংলার রাজ্যপাল হিসাবে এসেছিলেন, তখন থেকেই নন্দিনী চক্রবর্তী এই পদে ছিলেন। এরআগে এই পদের দায়িত্ব সামলেছেন সুনীলকুমার গুপ্তা। এবার কে এই পদে বসে তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: ফের রাজভবন-নবান্ন সংঘাত! বিধানসভার বাদল অধিবেশন নিয়ে প্রশ্ন রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার থেকে দিল্লিতে সংসদ ভবনে শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন। রাজ্য সরকার চাইছে আগামী ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন (West Bengal State Assembly)শুরু করতে। কিন্তু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের (Governor CV Ananda Bose) সম্মতি না মেলায় সেই অধিবেশনের উপর প্রশ্নচিহ্ন ঝুলছে। তবে প্রকাশ্যে বাদল অধিবেশন নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ কোনও মন্তব্য করেননি।

    কেন এত কম সময়ের নোটিসে অধিবেশন

    সরকারি সূত্রের খবর, সোমবার, ২৪ জুলাই থেকে রাজ্য বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু করতে চেয়ে রাজভবনে (Raj Bhawan)ফাইল পাঠিয়েছিল পরিষদীয় দফতর। সেই ফাইলে রাজ্যপাল অনুমোদন দিলেই সোমবার থেকে শুরু হতে পারত বিধানসভার বাদল অধিবেশন। সেই মর্মে প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল বিধানসভায়। কিন্তু রাজভবন প্রশ্ন তোলে, কেন এত কম সময়ের নোটিসে বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হচ্ছে? রাজ্যপাল সেই ফাইল আটকে রেখে রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে রাজভবনে ডেকে পাঠিয়েছেন। যদি তিনি কোনও কারণে আসতে না পারেন তাহলে রাজ্যের মুখ্যসচিবকে(Chief Secretary) সশরীরে রাজভবনে এসে রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের(C V Anand Bose) সঙ্গে দেখা করতে হবে। কার্যত রাজ্যপাল বুঝিয়ে দিচ্ছেন তাঁর নির্দেশ না মানলে তিনি রাজ্য বিধানসভায় বর্ষাকালীন অধিবেশন বসার অনুমতি দেবেন না।

    আরও পড়ুুন: ‘‘আগামী সপ্তাহে তৃণমূলের আরও একটি চুরি ফাঁস করব’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    সোমবার থেকে বিধানসভার বাদল অধিবেশন শুরু হচ্ছে ধরে নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২৪ জুলাই, সোমবার বিধানসভা ভবনেই বসবে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। মন্ত্রীরা প্রচারের কাজে ব্যস্ত থাকায় পঞ্চায়েত ভোটের কারণে গত এক মাস মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়নি। তাই সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক আবার শুরু হবে বলে জানানো হয়। কিন্তু রাজভবন থেকে অধিবেশন শুরুর ফাইলটিতে অনুমোদন না দেওয়ায় বুধবার রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক প্রসঙ্গে আরও একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। দ্বিতীয় বিজ্ঞপ্তিটিতে বলা হয়, ২৪ জুলাই সোমবার বিধানসভার বদলে মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে নবান্নে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে গরহাজির শুভেন্দু-সুকান্তরা, কেন?

    Suvendu Adhikari: রাজ্যপালের শপথ অনুষ্ঠানে গরহাজির শুভেন্দু-সুকান্তরা, কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে পছন্দ হয়নি সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট। তাই নয়া রাজ্যপালের (Governor) শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন না শুভেন্দু। ওই অনুষ্ঠানে বসার ব্যবস্থা হয়েছে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের নির্দেশে। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির হননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar)।  

    নেপথ্য কাহিনি…

    প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় উপরাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেওয়ার পর অস্থায়ী রাজ্যপালের পদে বসেন লা গণেশন। সেবার আমন্ত্রণই জানানো হয়নি শুভেন্দুকে। মঙ্গলবার বিধানসভায় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্য সরকারের তরফে অস্থায়ী রাজ্যপাল লা গণেশনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। দেখা যাক, এবার আমন্ত্রণ পাই কিনা। এরই কিছুক্ষণের মধ্যেই বিরোধী দলনেতার কাছে পৌঁছয় রাজভবনে নয়া রাজ্যপালের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র। এই অনুষ্ঠানেই যাচ্ছেন না শুভেন্দু। কেন যাচ্ছেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা? এর উত্তর শুভেন্দু দিয়েছেন ট্যুইট বার্তায়। নয়া রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি শুভেন্দু লিখেছেন সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের নির্দেশে। অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে তথ্য সংস্কৃতি দফতর। এই দফতরের কাজকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)) ‘অসাংস্কৃতিক আচরণ’ বলে উল্লেখ করেছেন। কারণ, শুভেন্দুর বসার ব্যবস্থা হয়েছে দুই দলবদলু কৃষ্ণ কল্যাণী এবং বিশ্বজিৎ দাসের পাশে। কৃষ্ণ এবং বিশ্বজিৎ দুজনেই বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়ে রাজনীতির ঘোলা জলে মাছ ধরতে ভিড়েছেন তৃণমূলে গিয়ে। তাঁদের বিরুদ্ধে দলবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এই দুই দলবদলুর পাশে বসার আসন হওয়ায় ক্ষুব্ধ শুভেন্দু। রাজ্য সরকারের এই আচরণকে ‘অসৌজন্যের রাজনীতি’ বলে অন্য একটি ট্যুইটে কটাক্ষ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, ১৯৫৬ ভোটে নন্দীগ্রামে হেরে যাওয়া এখনও দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে বেড়াচ্ছে ‘কম্পার্টমেন্টাল’ মুখ্যমন্ত্রীকে। তাই হিংসা করে তিনি এভাবে সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করেছেন। শুভেন্দুর মতে, বাংলা অ্যাকাডেমি পুরস্কারের বদলে তাঁকে (মুখ্যমন্ত্রীকে) দেওয়া উচিত প্রতিহিংসাপরায়ণ পুরস্কার। মুখ্যমন্ত্রীকে হতভাগ্য রাজনীতিবিদ বলেও উল্লেখ করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এর পরেই শুভেন্দু লিখেছেন, আমার পক্ষে এই অনুষ্ঠানে যাওয়া সম্ভব নয়। রাজ্যপাল যদি তাঁকে আলাদা করে সময় দেন, এবং সেটা যদি আজই হয়, তাহলে ভাল হয় বলেও জানান শুভেন্দু। কোন প্রটোকল মেনে বিশ্বজিৎ দাস ও কৃষ্ণকল্যাণীকে রাজভবনে আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে? প্রশ্ন শুভেন্দুর। এদিকে, শুভেন্দুকে দুই দলবদলুর পাশে ঠাঁই দেওয়া হলেও, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংসদ হলেও তাঁকে আসন দেওয়া হয়েছে তৃণমূল সাংসদের পিছনে। তাই অনুষ্ঠানে যাননি তিনি।  

     

    আরও পড়ুন: ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে ‘অশান্তি’ তৃণমূলের, সিবিআই চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share