Tag: Raj Thackeray

Raj Thackeray

  • Uddhav Thackeray: “সেদিন থেকেই পতন শুরু…”, উদ্ধবকে ট্যুইট-বাণ রাজ ঠাকরের

    Uddhav Thackeray: “সেদিন থেকেই পতন শুরু…”, উদ্ধবকে ট্যুইট-বাণ রাজ ঠাকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ একজন ব্যক্তির সেদিন থেকেই পতন শুরু হয়, যেদিন সে সৌভাগ্যকে নিজের ব্যক্তিগত কৃতিত্ব হিসেবে ভুল বোঝে।” মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) ইস্তফার পর কয়েক ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তাঁকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা (MNS) প্রধান রাজ ঠাকরে (Raj Thackeray)। হিন্দিতে করা একটি ট্যুইটে উদ্ধবের পতন শুরু হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে উদ্ধব-রাজের দ্বন্দ্ব বেশ পুরানো। ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হতেই সেই দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করেছিল। প্রকাশ্যে উদ্ধব ও তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিতেও দেখা গিয়েছে বালাসাহেবের ভাইপো রাজকে। গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে রাজনৈতিক ডামাডোল চললেও, শারীরিক অসুস্থতার কারণে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন রাজ। মুখ খুললেন শিন্ডে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর। নিক্ষেপ করলেন ট্যুইট বাণ।

    আরও পড়ুন : সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    মহারাষ্ট্রের মসনদে পালাবদল ঘটেছে বৃহস্পতিবারই। উদ্ধব ঠাকরে ইস্তফা দেওয়ার পরে মহারাষ্ট্রের রাশ এখন শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়ক একনাথ শিন্ডের হাতে। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন তিনি। এহেন পরিস্থিতিত মহারাষ্ট্রের রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছেন রাজ।

    সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব হিন্দুত্বের আদর্শ থেকে সরে এসেছেন বলে অভিযোগ করেছিলেন শিন্ডে। উদ্ধব যাতে কংগ্রেস-এনসিপি জোট ছেড়ে বেরিয়ে আসেন, সেই দাবিতেই সোচ্চার হয়েছিলেন তাঁরা। রাজ নিজেকে হিন্দুত্ববাদী বলে দাবি করেন। শিন্ডে শিবিরের বিদ্রোহী বিধায়করা যদি বিজেপিতে যোগদান না করেন, তাহলে তাঁরা রাজের নবনির্মাণ সেনায় যোগ দিতে পারেন। ২৮৮ আসনের মহারাষ্ট্র বিধানসভায় নবনির্মাণ সেনার একজন বিধায়ক রয়েছেন। দিন কয়েক আগে শিন্ডে শিবিরের এক নেতা ফোন করেছিলেন রাজকে। ফোনে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের। কেননা শিবসেনার বিদ্রোহীরা বিজেপিতে যোগ দিলে ক্ষমতার লোভের অভিযোগ উঠতে পারে তাঁদের বিরুদ্ধে। তাঁরা যদি রাজ শিবিরে যোগ দেন তাহলে একনাথ শিবিরের মান এবং কূল দুইই রক্ষা হবে। কেবল শিন্ডে নয়, বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গেও রাজের কথা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন : বালাসাহেবের হিন্দুত্বের পথেই চলবে শিবসেনা, জানিয়ে দিলেন শিন্ডে

    এদিকে, উদ্ধবের সঙ্গে আপাতত রয়েছেন ১৬ জন বিধায়ক। তাঁদের মধ্যেও কয়েকজন শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন বলে খবর। এঁদের সিংহভাগ যদি শিন্ডে শিবিরে নাম লেখান, তাহলে উদ্ধবের ওপর চাপ আরও বাড়বে। সেক্ষেত্রে শিবসেনার প্রতীক পাওয়ার জন্য বিদ্রোহীদের নিয়ে রাজ স্বয়ং আসরে নামতে পারেন বলেও সূত্রের খবর।

     

  • Maharashtra Loudspeaker: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

    Maharashtra Loudspeaker: “ক্ষমতা আসে-যায়…” উদ্ধবকে কী হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ ঠাকরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতা স্থায়ী নয়। তা আসবে-যাবে। আজ যে সরকারে রয়েছে কাল তাঁর হাতে ক্ষমতা না-ও থাকতে পারে। এই চিরন্তন সত্যটা মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী (Maharashtra CM) উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) মনে রাখা উচিত বলে মনে করেন মহারাষ্ট্র নব নির্মাণ সেনার (MNS) প্রধান রাজ ঠাকরে (RajThackeray)।

    মঙ্গলবার এক টুইট বার্তায় তিনি শিবসেনা (Shivsena) প্রধান উদ্ধবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহার ঠিক নয়। মহারাষ্ট্রে লাউডস্পিকার (Loudspeaker row) বিতর্কে অন্তত এক হাজার এমএনএস কর্মীকে আটক করে রেখেছে পুলিশ। যা কখনওই ঠিক নয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত এবং রাজ্যের বাইরে  বহু জায়গায় এমএনএস কর্মীদের আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করা হয়েছে। যাঁরা আইন মানছেন তাঁদের আটক করা হচ্ছে। আর যাঁরা আইন ভাঙছেন তাঁরা বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, বলে দাবি রাজের।

    [tw]


    [/tw]

    সম্প্রতি রাজ ঠাকরে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মহারাষ্ট্রের মসজিদগুলি থেকে লাউডস্পিকার সরিয়ে দিতে হবে। না হলে, মসজিদের বাইরে হনুমান চালিশা (Hanuman Chalisa) পাঠ করা হবে।  ইদের (Eid) আগে উস্কানিমূলক ওই ভাষণ দেওয়ার অভিযোগে মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনার শীর্ষ নেতা রাজ ঠাকরের বিরুদ্ধে মামলা করে মহারাষ্ট্র পুলিশ। রাজ হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৩ মে-র মধ্যে মহারাষ্ট্রের মসজিদগুলি থেকে সব লাউডস্পিকার সরিয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু সেই হুমকিতে গুরুত্ব না দিয়ে মহারাষ্ট্রে শিবসেনার নেতৃত্বাধীন জোট সরকার এমএনএস নেতার বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করতে শুরু করে। লাউডস্পিকার সরানোর যে সময়সীমা বেধে দেন রাজ, তার আগেই অবশ্য তাঁর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে মহারাষ্ট্রের একটি আদালত।

    রাজ জানিয়েছেন, স্পিকার বিষয়টি শুধু মসজিদের নয়। অনেক মন্দির আছে যেখানে অবৈধ ভাবে লাউডস্পিকার বাজানো হচ্ছে। তাঁর কথায়, “আমি ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, অবৈধ লাউডস্পিকারের ব্যবহার কোনও ধর্মীয় বিষয় নয়, এটি একটি সামাজিক বিষয়।” এর সঙ্গে সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার কোনও সম্পর্ক নেই বলে দাবি রাজের। তাঁর কথায়, “সাম্প্রদায়িক অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করার কোনও ইচ্ছা নেই। এই শব্দদূষণ মহারাষ্ট্রে বন্ধ হওয়া উচিত। যত দিন না এই শব্দদূষণ বন্ধ হচ্ছে, তত দিন প্রতিবাদ চলবে।”

    এমএনএস প্রধানের হুঁশিয়ারিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না শিবসেনা। দলের মুখপাত্র সাংসদ সঞ্জয় রাউতের কথায়, ‘‘লাউডস্পিকার নিয়ে যা হচ্ছে, তা আদতে হিন্দুত্বের শ্বাসরোধ করছে। বহু মন্দিরেও লাউডস্পিকার বাজানো হয়। কারণ, ভক্তেরা যাতে সকালে প্রার্থনা শুনতে পান। শিবসেনা কারও কাছ থেকে হিন্দুত্বের পাঠ নেবে না।’’

LinkedIn
Share