Tag: Rajasekhar Mantha

Rajasekhar Mantha

  • Calcutta High Court: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ আন্দোলনকারীদের পর এবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদেরও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাড়ায় মিছিল করার অনুমতি দিলেন। সোমবার গ্ৰুপ ডি চাকরিপ্রার্থীদের হরিশ মুখার্জি রোডে হ্যারিকেন মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। বিচারপতি মান্থার নির্দেশ, শহিদ মিনার থেকে হরিশ মুখার্জি রোড হয়ে কালীঘাট পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ মিছিল করতে পারবেন ওই চাকরিপ্রার্থীরা। হ্যারিকেন হাতে মিছিল প্রসঙ্গে আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য সরকার তাঁদের হাতে হ্যারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে। তাই সেই হ্যারিকেন নিয়েই মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় মিছিল করতে চান তাঁরা।

    শর্ত মেনে মিছিল

    গত ৬ মে আদালতের (Calcutta High Court) অনুমতি নিয়ে হরিশ মুখার্জি স্ট্রিট দিয়ে ডিএ-র দাবিতে মিছিল করেন সরকারি কর্মীরা। মিছিলকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। সেই মিছিল শেষ হতেই মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি লাগোয়া বেশ কয়েকটি জায়গায় ১৪৪ ধারা লাগু করে দেয় প্রশাসন। এর পর ওই একই রাস্তায় মিছিল করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন গ্রুপ ডি চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য ছিল, শহিদ মিনার চত্বর থেকে শুরু করে কালীঘাট পর্যন্ত মিছিল করে যেতে চেয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পুলিশ কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে সেই মিছিলের অনুমতি দেয়নি। 

    আরও পড়ুন: চাকরি বাতিলের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের, ‘অযোগ্য’দের বাঁচাতে আদালতে যাচ্ছে পর্ষদ!

    চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী জানান, আদালত নির্ধারিত রুটে, আগামী ১৭ মে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত হ্যারিকেন নিয়ে প্রায় ৬০০ জন চাকরিপ্রার্থী মিছিল করবেন। তবে এই মিছিলের জন্য কিছু শর্ত নির্দিষ্ট করে দিয়েছে হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সোমবার বিচারপতি মান্থা জানান, “হরিশ মুখার্জি রোড একমুখী হওয়ায় কালীঘাট পর্যন্ত মিছিল করতে ওই রাস্তাই সুবিধার হবে। তবে মিছিলকারীদের ওই রাস্তার ৮০ শতাংশ ছেড়ে মিছিল নিয়ে যেতে হবে। দু’টি লাইনে মিছিল যাবে।” হাইকোর্টের নির্দেশ, মিছিল থেকে কোনও উস্কানিমূলক মন্তব্য করা যাবে না। মিছিলের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কলকাতা পুলিশকে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যু, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    Rajasekhar Mantha: দাড়িভিটে ছাত্র মৃত্যু, রাজ্য মানবাধিকার কমিশনকে ভর্ৎসনা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাড়িভিট (Darivit) স্কুলে গুলিতে ছাত্রের মৃত্যুর জেরে প্রশ্নের মুখে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন (State Human Rights Commission)। গোটা ঘটনায় নিজেদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে রেখেছে কমিশন। দূর থেকে গোটা ঘটনা দেখছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন। মন্তব্য কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha)। ডিএম-এসপির ওপর এতটাই ভরসা যে রিপোর্ট চেয়েই দায়িত্ব শেষ। ২০২০ সাল থেকে কমিশনের সদস্য ছিল না বলে দাবি করা হচ্ছে। আদালতের প্রশ্ন, ২০১৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ছিল, সেই সময় কী করেছে রাজ্য কমিশন?  জাতীয় মানবাধিকার কমিশন লোক পাঠিয়ে একাধিক রিপোর্ট তৈরি করেছে। সে রিপোর্ট নিয়ে যতই বিতর্ক হোক, তবুও তারা করেছে, আপনারা কী করছেন?

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha) প্রশ্ন…

    স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়েই প্রাণ হারিয়েছিলেন ইসলামপুরের দাড়িভিট স্কুলের দুই প্রাক্তন ছাত্র। ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মাসে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় তাপস বর্মণ ও রাজেশ সরকার নামে দুই ছাত্রের। সেই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য-রাজনীতি। তদন্ত করেছিল সিআইডি। যদিও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছিলেন দুই ছাত্রের পরিবারই। এ নিয়ে হাইকোর্টে দায়ের হয় মামলা। সোমবার হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে কি না, এদিন সে প্রশ্নও করেন বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha)।

    আরও পড়ুুন: কর্নাটকে বিজেপির ইস্তাহারে জোর কর্মসংস্থান, এনআরসি ও মহিলা ক্ষমতায়নে

    এর আগে আদালতে প্রায় একই রকম প্রশ্নের সম্মুখীন হয় সিআইডি। রাজ্যের এই তদন্তকারী সংস্থাকে বিচারপতি বলেন, সাংসদ, বিধায়ক, উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কী তথ্য পাওয়া গিয়েছে? যে পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তাঁদের কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে? করা হয়ে থাকলে তাঁরা কী জানিয়েছেন? ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ গুলির খোল উদ্ধার করলেও, সেগুলি সিআইডিকে হস্তান্তর করা হয়নি বলে অভিযোগ। সেই অভিযোগ কেন উঠছে?  সিআইডির উদ্দেশে বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha) বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অনুসন্ধান করে সিবিআই তদন্তের পক্ষে সুপারিশ করেছে। কিন্তু রাজ্য মানবাধিকার কমিশন প্রথমে অনুসন্ধান করলেও, পরে তারা সরে আসে কেন? এ নিয়ে সিআইডির বক্তব্য কী? সিআইডির পরে এবার হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়ল রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Rajasekhar Mantha: নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশেরই, জানাল হাইকোর্ট  

    Rajasekhar Mantha: নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্ব পুলিশেরই, জানাল হাইকোর্ট  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হয়েছেন কাঁকুড়গাছির বিজেপি (BJP) কর্মী অভিজিৎ সরকার (Abhijit Sarkar)। অন্তত এমনই অভিযোগ বিজেপির। এই সংক্রান্ত মামলায় প্রয়াত অভিজিতের মা ও দাদার নিরাপত্তা দিতে হবে পুলিশকেই। তাঁরাই এই মামলার মূল দুই সাক্ষী। সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) এই মন্তব্য করেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Rajasekhar Mantha)। তাঁর নির্দেশ, নারকেলডাঙা এলাকায় অভিজিতের বাড়িতে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ক্যাম্প করে পাহারা দিতে হবে পুলিশকে। এই সময়ের মধ্যে সিবিআই তাদের পাঠানো অভিযোগ বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha) প্রশ্ন…

    বিচারপতি মান্থার প্রশ্ন, নিরাপত্তার গাফিলতিতে যদি দুজনের ওপর আক্রমণ হয়, যদি বড় কোনও ঘটনা ঘটে যেত, তাহলে তার দায় কে নেবে? আদালতের পর্যবেক্ষণ, নিম্ন আদালতে অভিজিতের মা ও দাদা ১৯ ও ২০ মার্চ সাক্ষ্য দেবেন। এরই মধ্যে তাঁদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই অবস্থায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা খুব জরুরি। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয় ২ মে। এর পরেই কাঁকুড়গাছির বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের ওপর হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ, ওই বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে খুন করে তারা। পিটিয়ে মারা হয় তাঁর সঙ্গী কুকুটিকেও। এই ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আক্রান্তের পরিবারকে নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত (Rajasekhar Mantha)।

    অভিজিৎ খুনের প্রধান সাক্ষী তাঁর মা ও দাদা। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর দাদা বিশ্বজিতের বাড়িতে হামলা হয় বলে অভিযোগ। অভিজিৎ খুনে জেলবন্দি অভিযুক্তদের পরিবারের লোকজন আইনজীবী এনে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এমনকী অভিজিতের মাকে সাদা কাগজে সই করানোর চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। ঘটনার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়েন অভিজিতের মা। ওই রাতেই চিকিৎসার জন্য তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় এনআরএস হাসপাতালে। তার পরেই নিরাপত্তা চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন বিশ্বজিৎ।

    আরও পড়ুুন: ‘‘এবার মিছিল করে আসব’’! দলবদলু বিধায়কদের ইস্যুতে স্পিকারকে স্মারকলিপি শুভেন্দুদের

    ওই মামলার শুনানির আগেই ২৫ ফেব্রুয়ারির ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি মান্থা (Rajasekhar Mantha)। পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিতের পরিবারের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে। এদিন বিচারপতি মান্থা বলেন, আগামী ১৯ ও ২০ মার্চ অভিজিৎ হত্যা মামলায় নিম্ন আদালতে সাক্ষ্য দেবেন অভিজিতের মা ও দাদা। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পরিবারটিকে নিরাপত্তা দিতে হবে পুলিশকেই।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajasekhar Mantha: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারকে ‘পর্যাপ্ত’ নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    Rajasekhar Mantha: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবারকে ‘পর্যাপ্ত’ নিরাপত্তা দিতে নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালে বিধানসভা ভোট পরবর্তী হিংসায় মৃত বিজেপি কর্মীর দাদা বিশ্বজিৎ সরকার এবং তাঁর মা নিরাপত্তা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। অভিজিতের মাকে অভিযুক্তরা এসে হুমকি দিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ। মামলা প্রত্যাহার না করলে প্রাণনাশের ভয়ও দেখানো হয়েছে। এরপরেই নিরাপত্তা চেয়ে মামলা দায়ের করে সরকার পরিবার। সোমবার এই মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে উঠেছে। সেই মামলাতেই ‘পর্যাপ্ত নিরাপত্তা’ দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার (Rajasekhar Mantha) নির্দেশ, শিয়ালদহ আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় তাঁদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে পুলিশকে।

    কী জানা গিয়েছে?

    অভিজিতের দাদা বিশ্বজিতের দাবি, শনিবার দুপুরে তাঁদের বাড়িতে বেশ কয়েকটা গুন্ডা নিয়ে পৌঁছন অভিযুক্তদের আইনজীবী (Rajasekhar Mantha)। অভিজিতের মা-কে সাদা কাগজে সই করার জন্য চাপ দিতে থাকেন তিনি। সই করতে অস্বীকার করলে ওই বৃদ্ধাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। মানসিক চাপে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অভিজিতের মা। এমনকী তাঁকে এনআরএস হাসপাতালেও নিয়ে যেতে হয়। সেখানে চিকিৎসার পর বাড়ি নিয়ে আসেন বিশ্বজিৎবাবু।

    বিশ্বজিৎ বলেন, “আদালতের নির্দেশে আমাদের বাড়ির সামনে ২৪ ঘণ্টা পুলিশি নিরাপত্তা থাকে। থাকে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি। ঘটনার পর পুলিশকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখাতে বললে তারা জানায়, ক্যামেরা চালু হচ্ছে না।” এরপরেই আরও কড়া নিরাপত্তার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয় সরকার পরিবার।

    আরও পড়ুন: জার্মানিতে এসে কাজ করুন ভারতীয় তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষ কর্মীরা, আবেদন জার্মান চ্যান্সেলরের   
     
    সোমবারই বিজেপি কর্মী খুন মামলায় সাক্ষী দেওয়ার কথা ছিল বিশ্বজিৎ সরকার এবং তাঁর মায়ের (Rajasekhar Mantha)। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নারকেলডাঙা থানাকে নোটিস দিতে নির্দেশ দেন। 

    প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের (Rajasekhar Mantha) বিরুদ্ধে হিংসার অভিযোগ আসে। ওই সময়ই ২ মে ফল ঘোষণার দিন কাঁকুড়গাছির শীতলাতলা লেনের বাসিন্দা অভিজিৎ সরকারের দেহ উদ্ধার করা হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ করে অভিজিতের পরিবার। ভাইয়ের খুনিকে শাস্তি দেওয়ার জন্যে এতদিন লড়াই করছেন বিশ্বজিৎ। এই ঘটনায় নাম জড়ায় বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের। পরেশকে ডেকে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার রুল জারির রায়, হাইকোর্টে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ

    Justice Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার রুল জারির রায়, হাইকোর্টে গঠিত তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) আইনজীবীদের একাংশ। তার জেরে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। ওই ঘটনায় শুক্রবার তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ তৈরি হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। এই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায় এবং বিচারপতি চিত্তরঞ্জন দাশ। এদিকে, হাইকোর্ট সূত্রে খবর, দিল্লি যাচ্ছেন বিচারপতি মান্থা। আইনজীবীদের একাংশের অনুমান, গত কয়েক দিনের ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের সঙ্গে দেখা করতে পারেন তিনি।

    বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা…

    গত সোমবার থেকে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে বিক্ষোভ শুরু করেন আইনজীবীদের একাংশ। মঙ্গলবার পরিস্থিতি চরমে ওঠে। দফায় দফায় বিক্ষোভের জেরে উত্তাল হয়েছিল হাইকোর্ট চত্বর। ডাক দেওয়া হয়েছিল বিচারপতি মান্থার এজলাসও। কিছু মামলায় তাঁর পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশে অসন্তুষ্ট আইনজীবীদের একাংশ। তার জেরে শুরু হয় বিক্ষোভ প্রদর্শন। মান্থার এজলাস বয়কটের পাশাপাশি পোস্টার পড়ে তাঁর বাড়ির সামনেও। আইনজীবীদের টানা বিক্ষোভের জেরেই গত বুধবার স্বতঃপ্রণোদিতভাবে আদালত অবমাননার রুল জারি করেছিলেন বিচারপতি মান্থা। তাঁর পর্যবেক্ষণ, আদালত কক্ষ অবরোধ করে বিচার করতে না দেওয়া অপরাধের সমতুল্য। কারণ এর ফলে বিচারব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই গঠিত হয়েছে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ। এভাবে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে রুল জারি করা যায় কিনা, তা খতিয়ে দেখতেই গঠিত হয়েছে বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ বেঞ্চ।  

    আরও পড়ুুন: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    এদিকে, কলকাতা হাইকোর্টের এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়া। ঘটনার তদন্ত করতে বাংলায় তিন সদস্যের দল পাঠাচ্ছে তারা। বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়ার তরফে জানানো হয়েছে, তাদের পাঠানো দল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসের বাইরে যাবেন। যেখানে ঘটনা ঘটেছিল, সেই জায়গাও পরিদর্শন করবেন। তাঁরা কথা বলতে পারেন বিচারপতি মান্থার সঙ্গেও। অন্যদিকে, বিক্ষোভ প্রদর্শন বন্ধ হলেও, অচল হয়ে রয়েছে বিচারপতি মান্থার ১৩ নম্বর এজলাস। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ৪০টি মামলায় যোগ দেননি সরকারি আইনজীবীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
LinkedIn
Share