Tag: Rajbhawan

Rajbhawan

  • Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘ছোট্ট ডাক্তার বোনটির আত্মা কষ্ট পেত’’, রাজভবনে কেন যাননি, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর হাসপাতালে পড়ুয়া চিকিৎসকের  ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল রাজ্য। স্বাধীনতা দিবসে নারী সুরক্ষার দাবিই ছিল রাজ্যজুড়ে। পরোক্ষে এই ঘটনার জন্যই স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রে রাজভবনে (Raj Bhawan) দেখা যায়নি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। শুক্রবার সেই অনুপস্থিতির কারণ জানালেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । 

    কী বললেন বিরোধী দলনেতা

    রাজভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও বৃহস্পতিবারের সেই চা চক্রে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, ফিরহাদ হাকিম প্রমুখ। তবে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) না যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বাড়ে জল্পনা। শুক্রবার শুভেন্দু সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন “স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজভবনের চা চক্রে মাননীয় রাজ্যপাল আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। কিন্তু এদের (উপস্থিতি অতিথি) সঙ্গে দেখা হয়ে হলে আমার ছোট্ট ডাক্তার বোনটির বিদেহী আত্মা হয়তো কষ্ট পেত। তাই আমন্ত্রণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।” চা চক্রের ছবির সঙ্গে আমন্ত্রণপত্রটিও পোস্ট করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট! পাশবিক অত্যাচার, গণহত্যার শিকার হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুরা

    রাজভবনের চা-চক্র

    আরজি কর কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় চলছে রাজ্যে। সেই ঘটনার প্রতিবাদে নেমে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় জমায়েত চলছে। নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে রাজ্য তথা দেশ। তাই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে অন্যান্যবারের মতো এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়নি। তবে রাজভবনে (Raj Bhawan) প্রতিবারের মতো চা-চক্রের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে যাননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। উল্লেখ্য, ১৫ অগাস্টের চা চক্রে ১০ জনের প্রতিনিধি দলকে নিয়ে রাজভবনে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য পরে জানান, তাঁর রাজভবনে একা যেতে অসুবিধা ছিল তাই প্রতিনিধিদের নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানে জলস্পর্শ করেননি। তবে রাজভবন সূত্রে খবর, কমিশনার এবং মেয়রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি স্বাধীনতা দিবসের চা-চক্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মুখ্যমন্ত্রীর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ, বলেছেন রাজ্যপাল”, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খোলা থাকলেও, রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর জন্য সেই দরজা বন্ধ।’ অন্তত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস তাঁকে একথা জানিয়েছেন বলেই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্তদের নিয়ে রবিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    রাজভবন থেকে বেরিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন এবার তিনি পশ্চিমবঙ্গের ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের বাঁচানোর জন্য কঠিন পদক্ষেপ করবেন।” তিনি বলেন, “রাজ্যপাল বলেছেন, রাজভবনের দরজা ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের জন্য সব সময় খোলা রয়েছে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রীর জন্য তা বন্ধ।” ঘাটাল-সহ রাজ্যের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচনোত্তর হিংসায় আক্রান্ত হয়েছেন শাসক দলের বহু কর্মী-সমর্থক। অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর থেকে এমনতর অভিযোগ করে আসছেন বিরোধীরা। এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের আক্রান্ত বিজেপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ১১৫জনকে নিয়ে রাজভবনে যান। দেখা করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে।

    বিজেপি নেতার দাবি

    রাজ্যপালের সঙ্গে আক্রান্তদের নিয়ে শুভেন্দুর দেখা করার সময় উপস্থিত ছিলেন এক বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল আমাদের সঙ্গে কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। পুলিশ ও শাসকদল কীভাবে রাতের অন্ধকারে ঢুকে বাড়ির মহিলা ও বাচ্চাদের ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে, তা শুনেই রাজ্যপাল আক্রান্তদের জন্য রাজভবনের দরজা খুলে দেওয়ার কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায়ই রাজ্যপাল তাঁর জন্য রাজভবনের দরজা বন্ধ করার কথাও বলেছেন।”

    আরও পড়ুন: “হিংসা শিক্ষার বিষয় হতে পারে না”, সাফ জানালেন এনসিইআরটি কর্তা

    এদিন ১০-১২ মিনিট ধরে রাজ্যপালকে সামগ্রিক পরিস্থিতির কথা জানান শুভেন্দু। অভিযোগের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় নথি, ভিডিও ফুটেজ, স্টিল ছবিও তুলে দেন রাজ্যপালের হাতে। এর পরেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই কেষ্ট মণ্ডল, হেমন্ত সোরেন, কেজরিওয়ালের মতো ডাকাতরা জেলের ভিতরে রয়েছেন। বিচারব্যবস্থা বেঁচে আছে বলেই, আমি লড়াই করে আবার আজ আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে এসে দেখা করলাম সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে (Suvendu Adhikari)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ঘরছাড়াদের রাজভবনে ঢুকতে বাধা, অনড় শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় শাসক দলের কর্মীদের হাতে আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনে ছুটলেন রাজ্যের বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল তাঁদের। রাজভবনে (Rajbhawan) গিয়ে রাজ্যপালের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু বাধ সাধল পুলিশ। রাজভবন চত্বরে ১৪৪ ধারা জারি আছে এই অজুহাতে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি কেন তাঁদের আটকানো হয়েছে তা পুলিশ জানায় নি।

    রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বাধা (Suvendu Adhikari)

    এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে রাজ্যপালের হস্তক্ষেপও দাবি করতে যাওয়ার কথা ছিল শুভেন্দুর। এদিন দুপুর থেকেই রাজভবনের সামনের রাস্তা ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। এমনিতেই ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকে। জমায়েত আটকাতে ‘ব্যারিকেড’ করে রেখেছিল পুলিশ। শুভেন্দু চেয়েছিলেন আক্রান্তদের কথা শুনুন রাজ্যপাল। সেইকারণেই তাঁদের রাজভবনে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত। অথচ পুলিশ তাঁদের কয়েকজন প্রতিনিধিকেও ভিতরে নিয়ে যেতে দিতে চায়নি বলে অভিযোগ। সেই কারণেই রাজভবনের সামনে নিজের গাড়িতে দীর্ঘক্ষণ বসে ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) । বিজেপির অভিযোগ, লোকসভা ভোট মিটতেই রাজ্যে হিংসার শিকার হচ্ছেন তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা। ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন বহু জন। ‘আক্রান্ত’দের সঙ্গে দেখা করতে ইতিমধ্যে ডায়মন্ড হারবার, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, উলুবেড়িয়া গিয়েছেন শুভেন্দু। যাঁরা ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘ঘরছাড়া’, তাঁদের নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তিনি। বিজেপি ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসে ‘আক্রান্ত’দের বিষয়ে বার বার সরব হয়েছে। ‘ঘরছাড়া’ মানুষজনের জন্য উত্তর কলকাতায় বিজেপির উদ্যোগে ধর্মশালা ভাড়া নেওয়া হয়েছে। সেখানে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। তিনিও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়েছেন। দাবি করেছেন, ‘তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী’রাই এ সব করেছেন।

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    প্রসঙ্গত রাজভবনে প্রবেশের তিনটি গেটই এদিন দুপুর থেকেই ঘিরে ফেলে পুলিশ। শুধু শুভেন্দু অধিকারীই নন তাঁর সহায়ককেও এদিন রাজভবনে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ এমনটাই অভিযোগ। কিন্তু ঘরছাড়াদের রাজভবনে (Rajbhawan) ঢুকতে বাধা কেন এনিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল ১৪৪ ধারা থাকাকালিনই ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে দুদিন ধরনা ও কয়েক হাজার কর্মী রাজভবনে জমায়েত হয়েছিলেন তখন পুলিশের এই তৎপরতা চোখে পড়েনি। কাউকে সেবেলায় আটকায় নি পুলিশ এমনকি গোটা ধর্না মঞ্চের আশেপাশে সুরক্ষা দিয়েছিল পুলিশ।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    আক্রান্তদের কণ্ঠরোধ করতে পুলিশের ততপরতা নিয়ে সমালোচনা করেন শুভেন্দু। এদিন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, মমতা ব্যানার্জী আমাদের ডেপুটেশন দিতে দিলেন না। স্বাধীনতার পর এমন কখনও হয়নি। এভাবে পুলিশকে ব্যবহার করা যায় না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ায়ের নিষ্ঠুর ভাবমূর্তি জনগণ আজ দেখতে পেল। আমি ১৮ তারিখ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে বিষয়টি তুলে ধরব।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    Gourbanga University: উপাচার্যের চেম্বার সিল করার নির্দেশ, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কঠোর রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের চেম্বার ‘সিল’ করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রাজভবনের তরফে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বিশ্বজিৎ দাসকে এই মর্মে মেল পাঠানো হয়। উপাচার্য যাতে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে না ঢুকতে পারেন, তা নিয়ে শুক্রবার সন্ধ্যায় রাজ্যপালের দফতর থেকে রেজিস্ট্রারকে মেইল মারফৎ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ৷ 

    রাজভবনের নির্দেশ

    শুক্রবার উপাচার্য রজতকিশোর দে-এর গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ৷ রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাসকে মেল করে বলা হয়েছে, গত ৩১ মার্চ রাজ্যপাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য রজতকিশোর দেকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন ৷ এবার উপাচার্যের চেম্বার সিল করে দিতে হবে ৷ কোনও পরিস্থিতিতেই রজতবাবু যাতে তাঁর ঘরে ঢুকতে না পারেন তার জন্য ব্যবস্থা নিতে হবে ৷ প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নিয়ে অপসারিত উপাচার্য রজতকিশোর দে-কে আটকাতে হবে বলেও কড়া নির্দেশ দিয়েছে রাজভবন।

    আরও পড়ুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    কী বললেন রেজিস্ট্রার

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যকরী উপাচার্য হিসাবে গত অগাস্ট মাসে দায়িত্ব পান রজতকিশোর দে। রাজ্যপাল তথা আচার্য সিভি আনন্দ বোসই তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়ে নিয়ে যান গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। ন’ মাসের মাথায় সেই আচার্যই পদ থেকে সরিয়ে দিলেন রজতকিশোর দে-কে। এদিকে আচার্যের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে রাজ্য। রজতকিশোর দে-কে উপাচার্য হিসাবেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় শিক্ষা দফতরের তরফে। এ প্রসঙ্গে রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “আমি যখন সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টা নাগাদ অফিস থেকে বেরচ্ছি তখন নিজের মেইল দেখি৷ সেই সময় রাজ্যপালের দফতর থেকে আসা মেইলটি নজরে পড়ে৷ সেই মেইলে অধ্যাপক রজতকিশোর দে’র চেম্বার সিল করতে বলা হয়েছে ৷ তাতে কোনও অসুবিধে হলে পুলিশ প্রশাসনের সাহায্য নিতেও বলা হয়েছে৷ তবে এ নিয়ে আমি নিজে কোনও পদক্ষেপ করতে পারব না৷ আমার সেই অধিকার নেই৷ উপাচার্য এখন ছুটিতে৷ বিষয়টি কয়েকজন ইসি সদস্যকে জানিয়েছি৷ উচ্চশিক্ষা দফতরকেও জানাব৷ ইসির নির্দেশমতো আমাকে কাজ করতে হবে৷”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ৩ মার্চ দিল্লির তথ্যসন্ধানী দলকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    Sandeshkhali: ৩ মার্চ দিল্লির তথ্যসন্ধানী দলকে সন্দেশখালি যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির তথ্যসন্ধানী দল বা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমকে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যাওয়ার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, গত রবিবারই এই দলের প্রতিনিধিরা সন্দেশখালিতে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তখনই পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তাঁরা। গ্রেফতারও করা হয় তাঁদের। এর পরে জামিনে মুক্ত হয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দলের প্রতিনিধিরা। পরে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যাওয়ার অনুমতি চেয়ে তাঁরা উচ্চ আদালতে দ্বারস্থ হন। বুধবারই সেই অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৩ মার্চ সন্দেশখালি যেতে পারবেন তাঁরা। উচ্চ আদালত জানিয়েছে, সন্দেশখালির সর্বত্র তাঁরা প্রবেশ করতে পারবেন না। যে সমস্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়নি, সেখানেই ঢুকতে পারবেন তাঁরা। ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে যে সমস্ত জায়গায়, সেখানে তথ্যসন্ধানী দল যেতে পারবে না।

    তথ্যসন্ধানী দলকে টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে 

    গত শনিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় আসে ছয় সদস্যের ওই তথ্যসন্ধানী দল। রবিবারই সকালে তাঁরা সন্দেশখালির (Sandeshkhali) উদ্দেশে রওনা দেন। দলের নেতৃত্বে ছিলেন পাটনা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি এল নরসিংহ রেড্ডি। ধামাখালি হয়ে সন্দেশখালির পাত্রপাড়া, মাঝেরপাড়া, নতুনপাড়া, নস্করপাড়ায় যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু ভোজেরহাটেই দলটিকে আটকে দেয় পুলিশ। দলের সদস্যদের সঙ্গে বচসা শুরু হয় পুলিশের। এর পরেই তাঁদের টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে দলের সদস্যদের আটক, পরে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    রবিবারই রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি জানায় তথ্যসন্ধানী দল

    রবিবার রাতেই রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে এ রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের (Sandeshkhali) দাবি জানায় দলটি। দলের অন্যতম সদস্য ভাবনা বজাজ এক্স হ্যান্ডলের পোস্টে জানান, তাঁরা রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের সুপারিশ করেছেন। রাজ্যপাল যাতে রাষ্ট্রপতি শাসনের কথা ঘোষণা করেন, তার জন্য অনুরোধ করেছেন তাঁরা। সেই রাতেই রাজভবন সূত্রে জানা যায়, তথ্যসন্ধানী দলের সঙ্গে সাক্ষাতের পরেই রাজ্যের ডিজি রাজীব কুমারের কাছ থেকে রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি যাচ্ছেন শুভেন্দু, বাধা পেলে পথেই অবস্থান-বিক্ষোভ

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি যাচ্ছেন শুভেন্দু, বাধা পেলে পথেই অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা গত শনিবারই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শান্তি ফেরাতে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন। অন্যথায় সোমবার তিনি বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা হবেন বলেও জানিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, আজ সোমবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) যাবেন শুভেন্দু অধিকারী। পথে পুলিশ যেখানেই বাধা দেবে সেখানেই তিনি অবস্থান-বিক্ষোভে বসে পড়বেন বলে জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। রবিবার শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজ্য পুলিশ-প্রশাসনের মদতেই বাংলার মহিলাদের উপর এই ধরনের বর্বরোচিত ঘটনা ঘটে চলেছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে সন্দেশখালির দোষীদের চিহ্নিত করে কড়া শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

    সন্দেশখালির উদ্দেশে রাজ্যপাল

    অন্যদিকে, সোমবার সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) দলীয় নেতাকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে সিপিএম ১২ ঘণ্টা বন‍্ধের ডাক দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই থমথমে পরিবেশ গোটা সন্দেশখালিজুড়ে। সকালে সন্দেশখালির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালিতে এখনও ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। রওনা হওয়ার আগে রাজ্যপাল জানিয়েছেন যে তিনি বাইরে থাকার জন্য যেতে পারেননি সেখানে। সন্দেশখালির পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ-এই খবর পেয়ে তিনি রাজ্যে ফিরেছেন।

    অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি

    গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালির (Sandeshkhali) তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন ইডির আধিকারিকরা। তাঁদের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। গাড়ি ভাঙচুর করে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই তৃণমূল নেতাদের একাধিক দুর্নীতি এবং অপকর্মের বিরুদ্ধে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে সন্দেশখালিবাসীর। সেখানকার শাহজাহানের দুই শাগরেদ শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন মহিলারা। সন্দেশখালির আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বিধানসভা থেকে রাজভবন অভিযান করে বিজেপির বিধায়ক দল। যার নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। রবিবারে রাজ্যের সমস্ত থানায় ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। যুব মোর্চার তরফ থেকেও আন্দোলনে নামা হয়।

    আরও পড়ুন: হলদোয়ানির হিংসায় ধৃত ৩০, “দেবভূমির পবিত্রতা নষ্ট করা যাবে না”, বললেন ধামি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cv Bose: ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক’’, সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    Cv Bose: ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে, অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক’’, সন্দেশখালি ইস্যুতে কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ঘটনায় ৮ দিন পার। অথচ মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান এখনও গ্রেফতার হয়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজ্য সরকারই তাকে বহাল তবিয়তে রেখেছে। এনিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যপাল। সিভি আনন্দ বোস (Cv Bose) বলেন, ‘‘কে কালপ্রিট সকলেই জানে। যদি না ধরা যায়, কেন ধরা যাচ্ছে না, সর্বসমক্ষে বলা হোক। সত্যি বলা হোক। অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।” এর আগে শাহজাহান ইস্যুতে রাজ্যপাল জরুরিভাবে তলব করেছিলেন মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে।

    সংবিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা

    রাজ্যপাল (Cv Bose) আরও বলেন ‘‘এখন রাজ্য সরকারের অ্যাকশন নেওয়া উচিত। কোনও অজুহাত দেখানো উচিত নয়। আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং খারাপ জিনিসকে বন্ধ করতে না চাওয়া কখনওই সহ্য করা হবে না। সংবিধান রয়েছে, আদালত রয়েছে এবং রাজ্যপাল রয়েছেন। আইন অনুযায়ী যা করার করা হবে।’’

    পুরুলিয়ার ঘটনা নিয়ে কী বললেন রাজ্যপাল?

    গঙ্গাসাগরে যাওয়ার পথে ৩ সন্ন্যাসী গণপিটুনির শিকার। এনিয়ে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। গতকালই পুরুলিয়ার ঘটনাকে পালঘরের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শনিবার এনিয়েও মুখ খুললেন রাজ্যপাল সিভি বোস (Cv Bose)। রাজ্যপাল বলেন, ‘‘পুরুলিয়ায় যা ঘটেছে, সেটা অত্যন্ত অসম্মানজনক। শোচনীয় ঘটনা। সাধুদের উপর আক্রমণ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ বলেই ধরা হবে। আমি সাধুদের উপরে আক্রমণের তীব্র নিন্দা করি। রাজ্যপালের কাজ শুধু রিপোর্ট চাওয়া নয়, অ্যাকশনও (ব্যবস্থা) নেওয়া। রিপোর্টের টাইম শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন অ্যাকশনের সময়। নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অ্যাকশন নিতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা ওই সাধুরা পুরুলিয়ার কাশীপুরের গৌরাঙ্গডি গ্রামে পৌঁছে তিন নাবালিকাকে রাস্তা জিজ্ঞাসা করেন। এতেই তাঁদের অপহরণকারী সন্দেহে গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর শুরু করেন গ্রামবাসীদের একাংশ। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। পরে স্থানীয় মানুষজন ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে তাঁদের উদ্ধার করেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CV Ananda Bose: রাজভবনের উত্তর গেট এবার ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’, নামকরণ করলেন রাজ্যপাল

    CV Ananda Bose: রাজভবনের উত্তর গেট এবার ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’, নামকরণ করলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজভবনের উত্তর গেটের নামকরণ হচ্ছে ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’। বৃহস্পতিবার শান্তিনিকেতন সফরে এসে ফটকের নামের ফলক উন্মোচন ও শুদ্ধিকরণ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। কবিগুরুর ‘প্রাণের আরাম’ ছাতিমতলায় সেই ফলকের উন্মোচন করা হয়। সঙ্গে ছিলেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিক। রাজ্যপাল রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালা, ছাতিমতলা, উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন।

    রাজভবন থেকে শ্বেত পাথরের ফলক আনলেন রাজ্যপাল (C V Ananda Bose)

    বন্দেভারত এক্সপ্রেসে এদিন সকালে শান্তিনিকেতনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Ananda Bose)। বোলপুর স্টেশন থেকে সোজা তিনি শান্তিনিকেতনে যান। রথীন্দ্র অতিথি গৃহে তিনি বিশ্রাম নেন। দুপুরে রবীন্দ্রভবন সংগ্রহশালায় আসেন তিনি। ঘুরে দেখেন গুরুদেবের ব্যবহৃত সামগ্রী। সেখান থেকে ছাতিমতলায় যান রাজ্যপাল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবি দেওয়া একটি শ্বেত পাথরের ফলক রাজভবন থেকে নিয়ে আসেন তিনি। সেই ফলকে লেখা ছিল ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’। এই ফলকটি কবির ‘প্রাণের আরাম, আত্মার শান্তি, মনের আনন্দ’ ছাতিমতলায় উন্মোচন ও শুদ্ধিকরণ করেন। এমনিতেই পৌষমেলা নিয়ে এতদিন টালবাহনা চলছিল। অবশেষে প্রশাসনের উদ্যোগে পূর্বপল্লির মাঠে পৌষমেলা হওয়ার কথা রয়েছে। এনিয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ মেলা করার বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছে। যদিও এদিন রাজ্যপাল বিশ্বভারতীতে এসে পৌষমেলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    কী বললেন রাজ্যপাল? (C V Ananda Bose)

    বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সঞ্জয়কুমার মল্লিককে পাশে নিয়ে রবীন্দ্রভবনের সামনে দাঁড়িয়ে রাজ্যপাল (C V Ananda Bose) বলেন, গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দেশের শুধু নয়, বিশ্বের কাছে গর্বের। তাঁর সৃষ্টি পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে আছে। আমি গর্বিত এমন বিখ্যাত মানুষের কর্মভূমিতে আসতে পেরে। এরপর রাজ্যপাল বলেন, এই ফলকটি রাজভবনের উত্তর গেটে বসবে। রাজভবনের উত্তর গেটের নামকরণ করা হবে ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফটক’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Mamata Meeting: মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রোটোকল সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর

    Modi Mamata Meeting: মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর! প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রোটোকল সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে বাংলায় এসে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে কড়া আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi Mamata Meeting)। শুক্রবার তিনি শহরেই থাকবেন। তাঁর সঙ্গে এদিন রাজভবনে সাক্ষাত করতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক ময়দানে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুতে থাকা প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে মমতার সাক্ষাত নিয়ে খোঁচা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    রাজভবনে মোদি-মমতার বৈঠকের আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু বলেন, মোদিজি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে একেবারে রেশন দুর্নীতি নিয়ে বলেছেন, ‘আমি একজনকেও ছাড়বো না। একজনের মধ্যে যারা যারা পড়ছেন, সবাই জানে।.. বলেছেন, আমি সব টাকা উদ্ধার করে দেব। আর টাকা উদ্ধার করলে, যাদের কাছ থেকে টাকা উদ্ধার হবে, তাঁদেরকে তো জেলে যেতেই হয়। চোর মমতা, তিনি রাজভবনে পা ধরতে যাচ্ছেন। কোনও লাভ হবে না। চোর মমতাকে বলবো, কোনও লাভ হবে না, এর নাম নরেন্দ্র মোদি। না খাব, না খেতে দেব (দুর্নীতি ইস্যুতে)।’

    মোদি-মমতা আলোচনা

    শুক্রবার আরামবাগে সভা করে বিকেলে কলকাতায় রাজভবনে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এর পরেই রাজভবনে মোদির সঙ্গে দেখা করতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়। উল্লেখ্য, কোনও রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী এলে মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে স্বাগত জানাতে যাওয়া কিংবা দেখা করা প্রোটোকলের মধ্যেই পড়ে। রাজনৈতিক সংঘাত থাকলেও এই সৌজন্য বজায় রাখেন সকলেই। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে মমতা জানান, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি এলে সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েই থাকে। সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাওয়া। মমতা বলেন, ‘‘রাজভবনে এসেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করলাম। রাজ্যের কথাও বললাম। আর গল্প করলাম। রাজনীতির কথা কম, গল্পই বেশি হল।’’ 

    আরও পড়ুন: ভোররাত পর্যন্ত বৈঠকে মোদি, লোকসভা ভোটে বিজেপির প্রথম প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত

    বকেয়া নিয়ে আলোচনা

    কেন্দ্রের কাছে ‘বকেয়া’ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কোনও কথা হয়েছে কি না, তা নিয়ে জানতে চাওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। মমতা বলেন, ‘‘হ্যাঁ, সে সব নিয়ে আমার যা বলার, বলে দিয়েছি।’’ এর পরেই মমতা বলেন, ‘‘আমাদের যা বলার, আমরা রাজনীতির মঞ্চে বলব। এটা আমার সৌজন্য সাক্ষাৎ।’’ শুক্রবার রাজভবনেই রাত্রিবাস করবেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার কৃষ্ণনগরে সভা করবেন তিনি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajbhawan: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    Rajbhawan: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) সন্ত্রাসের শিকার মানুষের জন্য রাজভবনে (Rajbhawan) খোলা হয়েছে ‘পিস হোম’। সন্দেশখালিকাণ্ডে নির্যাতিতাদের জন্য বেনজির পদক্ষেপ করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (C V Anand Bose)। শুধু অভিযোগ শুনতে নয়, একেবারে নির্যাতিতাদের থাকার জন্যই রাজভবনের ঘরের দরজা খুলে দিলেন তিনি। রাজভবনের ৩টি ঘরকে পিস হোমের রূপ দেওয়া হয়েছে। 

    মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরানোই লক্ষ্য

    সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) মহিলাদের ওপর গণধর্ষণ-সহ নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ তোলার সঙ্গে সঙ্গেই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও বারবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সেখানকার মহিলারা। পুলিশে অনাস্থা প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। এরপরই পদক্ষেপ করেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যপাল জানিয়েছেন, সন্দেশখালির কোনও বাসিন্দা বাড়িতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগলে রাজভবনের (Rajbhawan) পিস হোমে থাকতে পারেন। প্রধানত রাজ ভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের আবাসন হিসাবে ব্যবহার করা হয় যে ঘরগুলি, সেখানেই তিনটি ঘরকে পিস হোম বানানো হয়েছে। সেখানেই সন্দেশখালির বিপন্ন বাসিন্দাদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রাজ্যপাল বলেন, “আমি কোনও রাজনৈতিক লোক নই। রাজনৈতিক মন্তব্য করা আমার কাজ নয়। আমার কাজ সংবিধানের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানো ও মানুষের মধ্যে আস্থা ফেরানো। আমি সেই কাজ করছি। আমি চাই সন্দেশখালিতে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফিরুক।”

    আরও পড়ুুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    সন্দেশখালিতে মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

    গত সপ্তাহেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali Incident) গিয়ে  মহিলাদের পাশে থাকার বার্তা দেন সিভি আনন্দ বোস। সোমবার সন্দেশখালিতে নির্যাতিতাদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। সন্দেশখালি থানায় নির্যাতিতাদের নিয়ে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করান তিনি। থানায় মোট ১৮টি অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর সেখান থেকে যান রাজভবনে। সন্দেশখালির সামগ্রিক পরিস্থিতি দেখা রাষ্ট্রপতি শাসনের সওয়াল করেন তিনি। রেখা শর্মা বলেন, “এখানে ভীষণ খারাপ অবস্থা। এখানে এত খারাপ অবস্থা মহিলারা আমাকে ছাড়তে চাইছেন না। রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া এখানে আর কিছু হতে পারে না বলেই আমার মনে হয়। আমি জানি না শাসন কোথায়, প্রশাসন কোথায়, মুখ্য়মন্ত্রী কোথায়। আমার মনে হয় ওঁর ইস্তফা দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share